26/08/2019
*স্বাধীনতার বিয়াল্লিশ বছর পর , সালটা 1989*
কাশ্মীর থেকে সত্যিই বিতাড়িত হলেন হিন্দু পন্ডিতরা ।কাশ্মীরের ক্ষমতায় তখন আব্দুল্লা পুত্র ফারুক আব্দুল্লা । 1989 সালের জুলাই এ ফারুক আব্দুল্লা কুখ্যাত 70 জন জঙ্গিকে কাশ্মীরের কারাগার থেকে মুক্তি দিলেন । আর তারপরেই কাশ্মীরে শুরু হলো হিন্দু নিধন । 1990 এর 4 জানুয়ারি হিজবুল মুজাহিদিন প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে ঘোষণা করল, হিন্দুদের কাশ্মীর ছাড়তে হবে । পন্ডিত দের বাড়ির দরজায় কাশ্মীর ছাড়ার নোটিশ ঝুলিয়ে দিলো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি । স্লোগান উঠলো " কাশ্মীরে থাকতে গেলে আল্লা হ আকবর বলতে হবে " । আর এর সঙ্গেই শুরু হলো হত্যালীলা । প্রখ্যাত সমাজসেবী তিকালাল তাপলো কে শ্রীনগরে প্রকাশ্যে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হলো । হত্যা করা হলো বিচারপতি নিলাকান্ত গানজ কে । ঘন্টার পর ঘন্টা তাঁর দেহ রাস্তায় পড়ে রইলো । সাহস করে সেই দেহ কেউ সরাতে এলোনা । হত্যা করা হলো আইনজীবী প্রেমনাথ ভাট কে । বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সর্বানন্দ কাউল প্রেমী প্রতিদিন তিলক পড়তেন । কপালের যে জায়গায় তিনি তিলক পড়তেন , সে জায়গায় পেরেক ঠুকে তাঁকে হত্যা করা হলো । বি কে গানজ কে খুন করে রক্ত দিয়ে মাখা ভাত তাঁর স্ত্রী কে খেতে বাধ্য করানো হলো। নার্স সরলা ভাট কে ধর্ষণ ও হত্যা করে তাঁর নগ্ন দেহ রাস্তায় প্রদর্শন করা হলো ভীতি সঞ্চারের জন্য । রবীন্দ্র পন্ডিতকে হত্যা করে তাঁর মৃত দেহের উপর উল্লাস নৃত্য করে আততায়ী রা । সপিয়ানে ব্রিজলাল নাম্নী এক ব্যক্তিকে হত্যা করে জিপের পিছনে বেঁধে 10 কিলোমিটার টেনে হিচড়ে যাওয়া হলো । স্কুল শিক্ষিকা গিরিজা টিক্কা কে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ ও খুন করা হলো । এ ছাড়াও চোখ ফুড়ে দেওয়া , যৌনাঙ্গ ছিন্নভিন্ন করা , সিগারেটের ছ্যাকা দিয়ে শরীর পুড়িয়ে দেওয়া , কেটে টুকরো করে ফেলার অজস্র ঘটনা ঘটলো । সাত সাতটি