Chaitali Banerjee

Directions Website

Chaitali Banerjee Digital creator

04/10/2026

Order for DM
04/10/2026

Order for DM

04/10/2026

কাঁচের দেয়াল — পরের অংশ

“রিয়া… আমাকে চিনতে পারছিস?”

কাঁচের ওপাশ থেকে আসা কণ্ঠটা শুনে রিয়ার শরীর শিউরে উঠল।

কণ্ঠটা অচেনা নয়।

কোথায় যেন সে এই কণ্ঠ শুনেছে।

রিয়া ধীরে ধীরে কাঁচের কাছে এগিয়ে গেল।

“আপনি কে?”

কাঁচের ওপাশে ছায়াটা এবার স্পষ্ট হলো। একজন মহিলা। তাঁর হাতে সেই একই লাল ফিতা, যেটার কথা রিয়ার ছোটবেলার স্মৃতিতে বারবার ফিরে আসছিল।

মহিলাটি বললেন,

“তুই আমাকে ভুলে গেছিস, রিয়া। কিন্তু আমি তোকে একদিনও ভুলিনি।”

রিয়ার চোখে জল চলে এল।

“আপনি কি… আমার মা?”

কিছুক্ষণ নীরবতা।

তারপর মহিলা মাথা নাড়লেন।

“হ্যাঁ।”

রিয়ার হাত থেকে পুরোনো ছবিটা মেঝেতে পড়ে গেল।

“তাহলে এত বছর আমাকে কে বলেছিল যে আমার মা মারা গেছেন?”

মহিলাটি উত্তর দেওয়ার আগেই হঠাৎ ঘরের দরজা বন্ধ হয়ে গেল।

রিয়া পিছনে তাকিয়ে দেখল—দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে মীরা।

যাকে সে এতদিন নিজের মা বলে জেনে এসেছে।

মীরার মুখে আজ আর মায়ের কোমলতা নেই।

তিনি শুধু বললেন,

“রিয়া, ওই কাঁচের দেয়ালের ওপাশে যা দেখছিস, তার সবটা সত্যি নয়।”

রিয়া কাঁপা গলায় বলল,

“তাহলে সত্যিটা কী?”

মীরা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,

“সত্যিটা জানতে হলে তোকে জানতে হবে ২০১৪ সালের সেই রাতের কথা।”

রিয়া থমকে গেল।

“সেই রাতে কী হয়েছিল?”

মীরার চোখে ভয়ের ছাপ ফুটে উঠল।

“সেই রাতে তোর আসল মা তোকে নিয়ে এই বাড়ি থেকে পালাতে চেয়েছিল। কিন্তু তার আগেই…”

হঠাৎ কাঁচের দেয়ালে প্রচণ্ড শব্দ হলো।

একটা ফাটল সোজা মাঝখান থেকে ছড়িয়ে পড়ল।

আর কাঁচের ওপাশ থেকে সেই মহিলার কণ্ঠ ভেসে এল—

“মীরা, এবার সত্যিটা ওকে বলতেই হবে।”

মীরা চোখ বন্ধ করলেন।

তারপর ধীরে ধীরে বললেন—

“রিয়া… তোর মা মারা যায়নি। কিন্তু সেদিন রাতে তুইও এই বাড়িতে একা ছিলি না।”

রিয়ার বুক কেঁপে উঠল।

“তাহলে… আমার সঙ্গে আর কে ছিল?”

মীরা উত্তর দিলেন না।

কাঁচের দেয়ালের ওপর হঠাৎ ছোট্ট একটা হাতের ছাপ ফুটে উঠল।

আর তার নিচে লেখা হলো—

“আমি।”

চলবে…

04/10/2026

কাঁচের দেয়াল — পরের অংশ

কাঁচে ফাটলটা আরও একটু ছড়িয়ে পড়ল।

রিয়া ছবিটা শক্ত করে ধরে রইল। ছবির ছোট্ট মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ তার মাথার ভেতর একটা অস্পষ্ট স্মৃতি ফিরে এল—

একটা লাল ফিতা।
একটা কাঠের দোলনা।
আর একজন মহিলার কণ্ঠ—

“রিয়া, ভয় পাস না। আমি তো আছি।”

রিয়া চোখ বন্ধ করল।

“মা…?”

শব্দটা নিজের অজান্তেই তার মুখ থেকে বেরিয়ে এল।

কিন্তু পরের মুহূর্তেই স্মৃতিটা যেন ভেঙে গেল। শুধু একটা শব্দ কানে বাজতে থাকল—

“দৌড়াও!”

রিয়া চোখ খুলে দেখল, কাঁচের ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা ছায়াটা আর নেই।

তার বদলে কাঁচের ওপর ভেসে উঠেছে একটি তারিখ।

১৭ জুলাই, ২০১৪।

রিয়ার বুক ধক করে উঠল।

তার জন্মদিন ছিল ১৭ জুলাই।

কিন্তু ২০১৪ সালের সেই দিনের কথা তার একেবারেই মনে নেই।

ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা ভারী শব্দ হলো।

পুরোনো আলমারির দরজা নিজে থেকেই খুলে গেছে।

ভেতরে পড়ে থাকা একটা ছোট্ট বাক্সের ওপর লেখা—

“রিয়ার জন্য — যদি কোনোদিন সে সবকিছু মনে করতে পারে।”

রিয়া বাক্সটা খুলল।

ভেতরে ছিল একটি পুরোনো হাসপাতালের কাগজ আর একটি ছবি।

ছবিতে রিয়া—মাত্র পাঁচ বছরের।

তার পাশে দাঁড়িয়ে সেই মহিলাটি, যাকে সে এতক্ষণ ধরে নিজের মা বলে মনে করার চেষ্টা করছিল।

কিন্তু কাগজের ওপর লেখা নামটা দেখে রিয়ার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

“অভিভাবক: মীরা সেন।”

রিয়া ফিসফিস করে বলল,

“কিন্তু… আমার মায়ের নাম তো মীরা নয়।”

ঠিক সেই মুহূর্তে কাঁচের দেয়ালে আবার লেখা ফুটে উঠল—

“কারণ তোমার আসল মা এখনও বেঁচে আছেন।”

রিয়া স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

আর কাঁচের ওপাশ থেকে এবার খুব পরিচিত একটা কণ্ঠ ভেসে এল—

“রিয়া… আমাকে চিনতে পারছিস?”

চলবে…

04/10/2026

কাঁচের দেয়াল — পরের অংশ

রাত তখন প্রায় বারোটা। চারদিকে নিস্তব্ধতা। জানলার বাইরে হালকা বৃষ্টি পড়ছে।

রিয়া আবার সেই কাঁচের দেয়ালের সামনে এসে দাঁড়াল। আগের রাতের মতোই কাঁচের ওপারে একটা ছায়া দেখা গেল।

কিন্তু আজ ছায়াটা স্থির ছিল না।

ধীরে ধীরে সেটি রিয়ার দিকে এগিয়ে এল।

রিয়া ভয়ে এক পা পিছিয়ে গেল। হঠাৎ কাঁচের ওপর আঙুলের দাগ ফুটে উঠল—

“আমাকে খুঁজে বের করো…”

রিয়ার বুক কেঁপে উঠল। সে হাত বাড়িয়ে কাঁচটা ছুঁতেই হঠাৎ ঘরের আলো নিভে গেল।

অন্ধকারের মধ্যে খুব কাছ থেকে একটা ফিসফিস শব্দ ভেসে এল—

“তুমি এতদিন ধরে যে বাড়িতে থাকছ… সেটা আসলে তোমার বাড়ি নয়।”

রিয়া স্থির হয়ে গেল।

ঠিক তখনই তার পায়ের কাছে একটা পুরোনো ছবি এসে পড়ল।

ছবিটা তুলে নিয়ে রিয়া দেখল—ছবিতে সেই বাড়িই আছে। কিন্তু ছবির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট মেয়েটিকে দেখে তার হাত কেঁপে উঠল।

মেয়েটি দেখতে অবিকল রিয়ার মতো।

ছবির পেছনে লেখা ছিল—

“যেদিন কাঁচের দেয়াল ভাঙবে, সেদিন সত্যিটা ফিরে আসবে…”

রিয়া কাঁচের দেয়ালের দিকে তাকাল।

এবার কাঁচের ওপারে ছায়াটা হাসছিল।

আর ধীরে ধীরে কাঁচে একটা ফাটল তৈরি হতে শুরু করল…

চলবে…

03/10/2026

🕛 রাত ১২টা ৫ মিনিট

রাত তখন ১২টা ৫ মিনিট। চারদিক নিস্তব্ধ। রিয়া জানলার পাশে বসে বই পড়ছিল। হঠাৎ বাইরে থেকে শোনা গেল—
টক… টক… টক…

রিয়া জানলা খুলে দেখল, বাইরে কেউ নেই। শুধু পুরোনো আমগাছটা বাতাসে দুলছে।

সে আবার বই খুলতেই ঘরের ঘড়ি থেমে গেল—ঠিক ১২টা ৫ মিনিটে।

হঠাৎ তার ফোনে একটি মেসেজ এল—
“জানলার দিকে তাকিও না…”

রিয়া ভয়ে ফোনটা নামিয়ে রাখল। ঠিক তখনই জানলার কাঁচে ধীরে ধীরে একটি ছায়া দেখা গেল।

কিন্তু রিয়া যখন সাহস করে পিছনে তাকাল…
ঘরে কেউ নেই!

পরদিন সকালে মা বললেন, “তোমার ঘড়িটা তো গতকাল থেকেই বন্ধ।”

রিয়া অবাক হয়ে ঘড়িটার দিকে তাকাল।
ঘড়ির কাঁটা তখনও ১২টা ৫ মিনিটেই থেমে আছে। 😨🌙

🌙 ঘুম পাড়ানি মাসি-পিসিএক ছিল ছোট্ট মেয়ে মেঘলা। সারাদিন খেলাধুলা করলেও রাতে তার কিছুতেই ঘুম আসত না। মা তাকে কোলে নিয়ে ...
03/10/2026

🌙 ঘুম পাড়ানি মাসি-পিসি

এক ছিল ছোট্ট মেয়ে মেঘলা। সারাদিন খেলাধুলা করলেও রাতে তার কিছুতেই ঘুম আসত না। মা তাকে কোলে নিয়ে বললেন,
“চোখ দুটো বন্ধ করো, ঘুম পাড়ানি মাসি-পিসি আসবে।”

মেঘলা চোখ বন্ধ করতেই জানলার বাইরে নরম চাঁদের আলো পড়ল। হাওয়ায় ভেসে এল মিষ্টি একটা সুর। মনে হলো, দূর আকাশ থেকে কেউ যেন বলছে,
“চোখ বুজে ঘুমাও সোনা, স্বপ্নের দেশে যাব…”

মেঘলা দেখল, সে এক সুন্দর স্বপ্নের বাগানে পৌঁছে গেছে। সেখানে জোনাকিরা আলো জ্বালছে, ফুলেরা দুলছে, আর ছোট ছোট পাখিরা মিষ্টি গান গাইছে।

মেঘলা হাসতে হাসতে বলল, “এত সুন্দর জায়গা!”

চাঁদ যেন মৃদু হেসে বলল, “এখন ঘুমিয়ে পড়ো। ভোর হলে আবার মায়ের কাছে ফিরে যাবে।”

মেঘলা মায়ের কথা মনে করে চোখ বন্ধ করল। একটু পরেই সে গভীর শান্ত ঘুমে ডুবে গেল। 🌙✨

শুভরাত্রি, মিষ্টি স্বপ্ন হোক। 💤🌸

03/10/2026

Good night 🌌😴

Order for DM
03/10/2026

Order for DM

Address

Kolkata
700048

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chaitali Banerjee posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share