Pratap Sarkar

Pratap Sarkar Digital Creater

08/03/2026

গাদ্দাফির রহস্যময় নারী দেহরক্ষী বাহিনী। আমাজেনিয়ান গার্ডের অজানা ইতিহাস।

03/03/2026

যুবসাথী ভাতা নয়, ব্যর্থতার ক্ষতিপূরণ? পশ্চিমবঙ্গ বনাম গুজরাট–উত্তরপ্রদেশ

যুবসাথী প্রকল্পকে শুধু ভাতা হিসেবে দেখলে বড় ছবিটা ধরা পড়ে না। আজকের দিনে ভোকেশনাল ট্রেনিং একটি বিশাল বৈশ্বিক বাজার—যার মূল্য কয়েকশো বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই দৌড়ে ভারতের অনেক রাজ্য অনেক আগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে। প্রশ্ন হল, পশ্চিমবঙ্গ কি সেই প্রস্তুতির অংশ ছিল?

গুজরাট-এ বর্তমানে ৫৭ শতাংশ স্কুলে ভোকেশনাল কোর্স রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় পাঁচশোর বেশি ITI, আলাদা করে মহিলা ও বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য প্রতিষ্ঠান, এমনকি আদিবাসী এলাকায় আধুনিক ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারও গড়ে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী স্কিল ডেভেলপমেন্ট উদ্যোগের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী সেখানে দক্ষতা অর্জন করছে।

উত্তরপ্রদেশ-এর ছবিটাও বদলে গেছে। ২০১৪ সালের পর থেকে হাজার হাজার স্কুলে ভোকেশনাল কোর্স চালু হয়েছে, ITI সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে, এবং এনরোলমেন্ট কয়েক লক্ষ থেকে কয়েক কোটি ছুঁয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলেই সেখানে এন্ট্রি-লেভেল চাকরিতে দশ–কুড়ি হাজার টাকার আয় এখন স্বাভাবিক।

এবার যদি পশ্চিমবঙ্গের দিকে তাকাই—সরকারি তথ্য অনুযায়ী মাত্র ৬০০টি স্কুলে ভোকেশনাল কোর্স এবং মোট ITI সংখ্যা প্রায় ৩০৭। জনসংখ্যার অনুপাতে হিসাব করলে এই সংখ্যা হওয়া উচিত ছিল তার অনেক গুণ বেশি। এই ঘাটতির কারণেই রাজ্যের যুবসমাজ বড় আকারের চাকরি বা স্বনির্ভরতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

২০০০ দশকের শুরুতেই যখন গুজরাট ভবিষ্যতের কথা ভেবে পরিকল্পনা করছিল, তখন সেখানে নেতৃত্বে ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। উত্তরপ্রদেশে ২০১৭-এর পর ভোকেশনাল ও স্কিল ডেভেলপমেন্টে জোর দেন যোগী আদিত্যনাথ। আর সেই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অগ্রাধিকার ছিল ভিন্ন পথে।

এই প্রেক্ষাপটে যুবসাথী প্রকল্পকে অনেকেই ভাতা নয়, বরং ক্ষতিপূরণ হিসেবেই দেখছেন। কারণ সঠিক পরিকাঠামো তৈরি হলে একজন যুবক মাসে ২০ হাজার টাকা রোজগার করতে পারত—পাঁচ বছরে যা হতো ১২ লক্ষ টাকা। সেখানে সেই সুযোগ তৈরি না করে পাঁচ বছরে ৯০ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে।

এই ভিডিওতে সেই প্রশ্নটাই তোলা হয়েছে—এই বাস্তবতার জন্য আমরা গর্বিত হব, না লজ্জিত? সিদ্ধান্ত আপনার।

hashtags
#যুবসাথী






02/03/2026

ic-814 বিমান হাইজ্যাক: রুপেন কাটিয়ালের হত্যা ও ভারতের নীরবতার অন্ধকার অধ্যায়

১৯৯৯ সালের air india ic-814 হাইজ্যাক ছিল ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী ঘটনার একটি। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে সেই হাইজ্যাকের প্রেক্ষাপট, নেপাল থেকে কান্দাহার পর্যন্ত বিমানের যাত্রাপথ, যাত্রীদের মানসিক আতঙ্ক এবং ২৫ বছরের রুপেন কাটিয়ালের নৃশংস হত্যাকাণ্ড।
এই ঘটনাটি কেবল একটি সিনেমার দৃশ্য নয়—এটি বাস্তব ইতিহাস, যেখানে নিরীহ মানুষের জীবন সন্ত্রাসবাদের বলি হয়েছিল।
ভিডিওতে আরও উঠে এসেছে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের ভূমিকা, যাত্রীদের স্মৃতিচারণ, এবং কেন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান আজও জরুরি।
সন্ত্রাসবাদ কোনো ধর্ম নয়, কোনো দেশ নয়—এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।

hashtags








28/02/2026

নেতাজীর অগ্নিঝরা ভাষণ | আমবাগানের গোপন বৈঠক | আজাদ হিন্দ বাহিনীর শপথ

আমবাগানের অন্ধকারে ওপরওয়ালা অফিসারদের নিয়ে এক জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু। মৃত্যুভয়, আত্মত্যাগ, আর ভারতের স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্য—সবকিছু ছাপিয়ে উঠে আসে এক অদম্য বিশ্বাস।
এই ভাষণে নেতাজী স্পষ্ট করে বলেন, শহিদের রক্ত কখনো নিষ্ফল হয় না। জাপানের স্বার্থে নয়, শুধুই ভারতের আজাদির জন্য এই যুদ্ধ।
“আপনারা আমাকে রক্ত দিন, আমি আপনাদের স্বাধীনতা দেব”—এই অমর আহ্বান আজও আমাদের আন্দোলিত করে।
ইতিহাসের এই শক্তিশালী মুহূর্তটি শুনুন, অনুভব করুন, আর শেয়ার করুন।

hashtags:
#নেতাজী
#সুভাষচন্দ্রবসু
#আজাদহিন্দবাহিনী
#ভারতেরস্বাধীনতা
#দেশপ্রেম
#ঐতিহাসিকভাষণ


25/02/2026

জিবি রোডের নরক: ৯ বছরে অপহরণ, ১৫-তে ধ্বংস শরীর

দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন স্বাতী মালিওয়াল সংসদে যে বক্তব্য রাখেন, তা কেবল রাজনৈতিক ভাষণ নয়—একটি জীবন্ত নরকের সাক্ষ্য।
তিনি বলেন, জিবি রোডের অন্ধকার ঘরে তিনি এমন এক ১৫ বছর বয়সী মেয়েকে দেখেছিলেন, যার শরীর রাসায়নিক নির্যাতনের ফলে ৩০ বছরের নারীর মতো হয়ে গিয়েছিল। এটি প্রকৃতির খেলা ছিল না, ছিল মানবপাচার চক্রের ঠান্ডা মাথার ষড়যন্ত্র।

মাত্র ৯ বছর বয়সে অপহৃত সেই শিশুকে বছরের পর বছর বন্দী করে রাখা হয়। প্রতিদিন অক্সিটোসিন ইনজেকশন দিয়ে তাকে জোর করে “বড়” করে তোলা হয়, যাতে তার শরীর বেশি দামে বিক্রি করা যায়। এই নিষ্ঠুরতা তার হাড়, হরমোন এবং ভবিষ্যৎ—সবকিছু ধ্বংস করে দেয়।
ব্যথায় চিৎকার করলে মারধর, আবার ইনজেকশন—এই ছিল তার প্রতিদিনের বাস্তবতা।

উদ্ধারের পর কাঁপতে কাঁপতে তার একটাই প্রশ্ন ছিল:
“দিদি, আমার শরীর কি আর কখনও আগের মতো হবে? আমার মা কি আমাকে চিনতে পারবে?”

এই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে জিবি রোডের দেয়ালের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শিশু পাচার ও রাসায়নিক নির্যাতনের ভয়াবহ সত্য, এবং কেন এই অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই থামা চলবে না—যতক্ষণ না প্রতিটি শিশু নিরাপদে থাকে।

hashtags
#জিবিরোড
#শিশুপাচার
#মানবপাচার


#নারীনির্যাতন

Address

Kolkata, West Bengal
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pratap Sarkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Pratap Sarkar:

Shortcuts

Share