Radhika das

Radhika das Melodious of krishna consciousness, Moments,Bhakti,Kirtan

@@হরে কৃষ্ণ@@আগামি ০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ মঙ্গলবারশ্রীশ্রী ষটতিলা একাদশী ব্রত। পারনের সময়পরদিন বুধবার সকাল ৭.০৬মিনিট হতে ১০...
03/02/2024

@@হরে কৃষ্ণ@@
আগামি ০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ মঙ্গলবার
শ্রীশ্রী ষটতিলা একাদশী ব্রত। পারনের সময়
পরদিন বুধবার সকাল ৭.০৬
মিনিট হতে ১০:৪৫ মিনিটের মধ্যে।
@শ্রীশ্রী ষটতিলা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য@
মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের "ষটতিলা"একাদশীর
মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তরপুরাণে বর্ণিত আছে।
যুধিষ্ঠির মহারাজ বললেন- হে জগন্নাথ!মাঘ মাসের
কৃষ্ণপক্ষের একাদশীতিথির নাম কি, বিধিই বা কি এবং
তার কি ফল, সবিস্তারে বর্ণনা করুন। তদুত্তরে
ভগবান বললেন- হে রাজন! এইএকাদশী 'ষট্ তিলা' নামে
জড়তেবিদিত। এক সময় দাল্ভ্য ঋষি মুনিশ্রেষ্ঠ
পুলস্তকেজিজ্ঞাসা করেন - মর্ত্যলোকেমানুষ
েরা ব্রহ্মহত্যা, গোহত্যা, অন্যেরসম্পদ করণ
আদি পাপকর্ম
দ্বারা নরকে গমণকরে। যাতে তারা নরক গতি
থেকেরক্ষা পায়, তা যথাযথভাবে
আমাকেউপদেশ
করুন। অনায়াসে সাধন করা যায়এমন কোন
কাজেরকাজি মাধ্যমে যদিতাদের এই পাপ
থেকে
উদ্ধারের কোনউপায় থাকে, তবে তা বলুন।
ঋষি পুলস্ত্য বললেন, হে মহাভাগ! তুমিএকটি
গোপনীয় উত্তম বিষয়াবলী প্রশ্নকরেছ। মাঘ
মাসের
শুচি, জিতেন্দ্রিয়,কাম, ক্রোধ আদি শূন্য হয়ে
স্নানার্থীপর সর্বদেবেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ এর পূজা
করবে।পূজাতে কোন বিঘ্ন ঘটলে কৃষ্ণনাম
স্মরণকরবে। রাত্রিকাল অর্চনান্তে তোমকরবে।
তারপর চন্দন, অগুরু, কর্পূর ও শর্করা প্রভৃতি
দ্বারা
নৈবেদ্য প্রস্তুত করেভগবানকে নিবেদন
করবে। কুষ্মাণ্ড,নারকেল অথবা একশত গুবাক
দিয়ে
অর্ঘ্যপ্রদান করবে ' কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃপালুস্ত্বমগতী
নাং
গতির্ভব ' ইত্যাদি মন্ত্রিতশ্রীকৃষ্ণের পূজা
করতে
হয়। ' কৃষ্ণ আমারপ্রতি প্রীত গোন ' বলে
যথাশক্তিব্রাহ্মণকে জলপূর্ণ কলস, ছত্র,
বস্ত্র,পাদুকা, গাভী ও তিলপাত্র দান করবে।
স্নান, দানাদি কার্যে কালো তিলঅত্যন্ত শুভ।
হে দ্বিজোত্তম! ঐ প্রদত্ত তিল থেকেপুনরায়
যে তিল উৎপন্ন হয়, ততো বছর ধরেদানকারী
স্বর্গলোকে বাস করে। তিলদ্বারা স্নান, তিল
শরীরে ধারণ,তিল জলে
মিশিয়ে তা দিয়ে কর্পর,তিল ভোজন এবং
তিল দান -
এই ছয়প্রকার বিধানে সর্বপাপ বিনষ্ট
হয়েথাকে। এই জন্য এই একাদশীর নাম ' ষট্তিলা
' । হে যুধিষ্ঠির! একসময় নারদও এই ষট্তিলা
একাদশীর ফল ও ইতিহাস সম্পর্কেজানতে
চাইলে যে কাহিনী
আমিবলেছিলাম তা এখন তোমার কাছে বর্ণনা
করছি।
পুরাকালে মর্ত্যলোকে এক ব্রাহ্মণীবাস
করত। সে প্রত্যহ ব্রত আচরণ ওদেবপূজাপরায়ণা
ছিল।
উপবাস ক্রমেতার শরীর অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে
গিয়েছিল। সেই মহাসতী ব্রাহ্মণীঅন্যের কাছ
থেকে দ্রব্যাদি গ্রহণ করেদেবতা, ব্রাহ্মণ,
কুমারীদের ভক্তিভরেদান করত। কিন্তু কখনও
ভিক্ষুককে ভিক্ষাদান ও ব্রাহ্মণজাতি
অন্নদানকরেনি। এইভাবে বহু বছর অতিক্রান্ত
হল।আমি চিন্তা করলাম, কষ্টসাধ্য বিভিন্নব্রত
করার ফলা এই ব্রাহ্মণীর শরীরশুকিয়ে যাচ্ছে।
সে যথাযথভাবে বৈষ্ণব
দের অর্চনও করেছে, কিন্তু তাদেরপরিতৃপ্তির
জন্য কখনও অন্নদান করেনি।তাই আমি একদিন
কাপালিক রূপ ধারণকরে তামার পাত্র হাতে
নিয়ে তারকাছে গিয়ে ভিক্ষা প্রার্থনাকরলাম।
ব্রাহ্মণী বলল - হে ব্রাহ্মণ! তুমি কোথাথেকে
এসেছ, কোথায় যাবে,
তাআমাকে বলো।আমি বললাম - হে সুন্দরী!
আমাকে ভিক্ষা দাও। তখন মে ক্রুদ্ধ হয়ে
আমারপাত্রে একটি মাটির ঢিলা
নিক্ষেপকরল। তারপর আমি সেখান থেকে
চলেগেলাম।বহুকাল পরে সেই ব্রাহ্মণী ব্রত
প্রভাকরস্বশরীরে স্বর্গে গমন করল।
মাটিরঢেলা দানের ফলে একটিমনোরম গৃহ
সেপ্রাপ্ত হল। কিন্তু হে নারদ!
সেখানেকোন ধান ও চাল কিছুই ছিল না।
গৃহশূন্যদেখে
মহাক্রোধে সে আমার কাছেএসে বলল - আমি
ব্রত, কৃচ্ছ্রসাধন ও উপবাসের মাধ্যমে নারায়ণেরআরাধনা
করেছি।
এখন হে জনার্দন!আমার দুহে কিছুই দেখছি না
কেন?হে নারদ! তখন আমি তাকে বললাম -তুমি
নিজ গৃহে দরজা বন্ধ করে বসেথাকো।
মর্ত্যলোকের মানবী স্বশরীরেস্বর্গে এসেছে
শুনে দেবতাদের পত্নীরা তাকে দেখতে
আসবে। কিন্তুতুমি দরজা খুলবে না।
তুমি তাদেরকাছে ষট্ তিলা ব্রতের
পূণ্যফল প্রার্থনা
করবে। যদি তারা সেই ফলপ্রদানে রাজি হয়,
তবেই দরজা খুলবে। এরপর দেবপত্নীরা সেখানে এসে
তারদর্শন প্রার্থনা করল। ষট্ তিলা ব্রতের
ফলপেলেই কেবল সেই মানবী দর্শন
দেবেনজেনে তাদের মধ্যে এক দেবপত্নী
তার ষট্ তিলা ব্রতজনীত পূণ্যফল তাকে
প্রদান করল।
তখন সেই ব্রাহ্মণী দিব্যকান্তিবিশিষ্টা হল
এবং তার গৃহ ধনধান্যে ভরে গেল। দ্বার
উদঘাটন করলেদেবপত্নীরা তাকে দর্শন করে
বিস্মিতহেলেন।হে নারদ! অতিরিক্ত
বিষয়বাসনা করাউচিত নয়। বিত্ত শাঠ্যও
অকর্তব্য। নিজসাধ্য মতো তিল, বস্ত্র ও অন্ন
দান করবে।ষট্ তিলা ব্রতেরপ্রভাকর
দারিদ্রতা,শারীরিক কষ্ট, দুর্ভাগ্য প্রভৃতি
বিনষ্ট হয়।এই বিধি অনুসারে তিলদান করলে
মানুষ অনায়াসে সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়।।
@হরিবোল@

@@হরে কৃষ্ণ@@আগামি ২১ জানুয়ারি, ২০২৪ রবিবার শ্রীশ্রী পুত্রদাএকাদশী ব্রত। পারনের সময় পরদিন সোমবার সকাল ৭.১৩-১০.৪৬ মিনিটের...
19/01/2024

@@হরে কৃষ্ণ@@
আগামি ২১ জানুয়ারি, ২০২৪ রবিবার শ্রীশ্রী পুত্রদা
একাদশী ব্রত। পারনের সময় পরদিন সোমবার সকাল ৭.১৩-১০.৪৬ মিনিটের মধ্যে।
@@পুত্রদা একাদশী মাহাত্ম্য@@
যুধিষ্ঠির বললেন-হে কৃষ্ণ! পৌষ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি? বিধিই বা কি, কোন দেবতা ঐ
দিনে পূজিত হন এবং আপনি কার
প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে সেই ব্রতফল
প্রদান করেছিলেন কৃপা করে আমাকে
সবিস্তারে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন-- হে মহারাজ! এই
একাদশী "পুত্রদা" নামে প্রসিদ্ধ।
সর্বপা পবিনাশিনী ও কামদা এই
একাদশীর অধিষ্ঠাত্রী দেবতা
হলেনসিদ্ধিদাতা নারায়ণ।
ত্রিলোকে এর মত শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই।
এই ব্রতকারীকে নারায়ণ বিদ্বান ও
যশস্বী করে তোলেন।এখন আমার
কাছে ব্রতের মাহাত্ম্য শ্রবণ কর।
ভদ্রাবতী পুরীতে সুকেতুমান
নামে এক রাজা ছিলেন। তাঁর রানীর নাম
ছিল শৈব্যা।
রাজদম্পতি বেশ সুখেই দিনযাপন করছিলেন।
বংশরক্ষ ার জন্য বহুদিন ধরে ধর্মকর্মের
অনুষ্ঠান
করেও যখন পুত্রলাভ হল না,তখন
রাজা দুশ্চিন্তায় কাতর হয়ে পড়লেন। তাই
সকল
ঐশ্বর্যবান
হয়েও পুত্রহীন রাজার মনে কোন সুখ ছিল না।
তিনি ভাবতেন-পুত্রহীন জন্ম বৃথা ও গৃহশূন্য।
পিতৃ--
দেব--মনুষ ইহলোকের কাছে যে ঋণ শাস্ত্রে
উল্লেখ আছে,তা পুত্র
বিনা পরিশোধ হয় না। পুত্রবানজনের এ
জগতে
যশলাভ ও উত্তম গতি লাভ হয় এবং তাদের
আয়ু,আরোগ্য ,সম্পত্তি প্রভৃতি বিদ্যমান
থাকে।
নানা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ রাজা আত্মহত্যা
করবেন বলে
স্থির করলেন। কিন্তু পরে বিচার করে
দেখলেন--'
আত্মহত্যা মহাপাপ,এর ফলে কেবল দেহের
বিনাশমাত্র হবে,কিন্তু
আমার পুত্রহীনতা তো দূর হবে না।
তারপর একদিন রাজা নিবিড় বনে গমন
করলেন। বন
ভ্রমণ
করতে করতে দ্বিপ্রহর অতিক্রান্ত
হলে রাজা ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত
কাতর হলেন।এদিক ওদিক জলাদির অনুসন্ধান
করতে
লাগলেন।
তিনি চক্রবাক,রাজহংস এবং নানারকম
মাছে পরিপূর্ণ একটি
মনোরম সরোবর দেখতে পেলেন।
সরোবরের কাছে মুনিদের একটি আশ্রম ছিল।
তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন।
সরোবর তীরে মুনিগণ বেদপাঠ করচিলেন।
মুনিবৃন্দের শ্রীচরণে তিনি দণ্ডবৎ প্রণাম
করলেন। মুনিগণ রাজাকে বললেন--
হে মহারাজ! আমরা আপনার
প্রতি প্রসন্ন হয়েছি। আপনার
কি প্রার্থনা বলুন। রাজা বললেন--
আপনারা কে এবং কি জন্যই
বা এখানে সমবেত হয়েছেন? মুনিগণ বললেন--
হে মহারাজ!
আমরা 'বিশ্বদেব' নামে প্রসিদ্ধ। এই
সরোবরে স্নান করতে এসেছি।আজ
থেকে পাঁচদিন পরেই মাঘ মাস আরম্ভ হবে।
আজ
পুত্রদা একাদশী তিথি। পুত্র দান করে বলেই
এই
একাদশীর নাম'পুত্রদা' তাঁদের
কথা শুনে রাজা বললেন--
হে মুনিবৃন্দ! আমি অপুত্রক। তাই
পুত্র কামনায় অধীর হয়ে পড়েছি। এখন
আপনাদের
দেখে আমার হৃদয়ে আশার সঞ্চার হয়েছে। এ
দুর্ভাগা পুত্রহীনের
প্রতি অনুগ্রহ করে একটি পুত্র
প্রদান করুন। মুনিগণ
বললেন-- হে মহারাজ! আজ সেই
পুত্রদা একাদশী তিথি।তাই এখনই
আপনি এই ব্রত পালন করুন। ভগবান
শ্রীকেশবের
অনুগ্রহে অবশ্যই আপনার পুত্র লাভ হবে।
মুনিদের কথা শোনার পর
যথাবিধানে রাজা কেবল
ফলমূলাদি আহার করে সেই ব্রত
অনুষ্ঠান করলেন।
দ্বাদশী দিনে উপযুক্ত
সময়ে শস্যাদি সহযোগে পারণ করলেন।
মুনিদের
প্রণাম নিবেদন
করে নিজগৃহে ফিরে এলেন।
ব্রতপ্রভাবে রাজার
যথাসময়ে একটি তেজস্বী পুত্র লাভ
হল।হে মহারাজ! এ ব্রত সকলেরই পালন করা
কর্তব্য।মানব কল্যাণ কামনায় আপনার কাছে
আমি এই
ব্রত কথা বর্ণনা করলাম।
নিষ্ঠাসহকারে যারা এই
পুত্রদা একাদশী ব্রত পালন
করবে,তারা 'পুত'নামক নরক
থেকে পরিত্রাণ লাভ করবে। আর এই ব্রত
কথা
শ্রবণ--
কীর্তনে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল
পাওয়া যায়।ব্রহ্মাণ্ড পুরাণে এই
মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।
@হরিবোল@

@@হরে কৃষ্ণ@@আগামী ২৩/১১/২০২৩ ইং, বৃহস্পতিবার উত্থান একাদশীর উপবাস। পারণ ২৪/১১/২০২৩ ইং, শুক্রবার সকাল ৫.৫৫ মি-৯.৩৪ মিনিট...
22/11/2023

@@হরে কৃষ্ণ@@
আগামী ২৩/১১/২০২৩ ইং, বৃহস্পতিবার উত্থান একাদশীর উপবাস। পারণ ২৪/১১/২০২৩ ইং, শুক্রবার সকাল ৫.৫৫ মি-৯.৩৪ মিনিটের মধ্যে।
@উত্থান একাদশী মাহাত্ম্য@
স্কন্দপুরাণে ব্রহ্মা নারদ সংবাদে বর্ণিত আছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন-হে পুরুষোত্তম! কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম আমার কাছে কৃপা করে বর্ণনা করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন-হে রাজন! কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী 'উত্থান' বা 'প্রবোধিনী' নামে পরিচিত। প্রজাপতি ব্রহ্মা পূর্বে নারদের কাছে এই একাদশীর মহিমা কীর্তন করেছিলেন। এখন তুমি আমার কাছে সেই কথা শ্রবণ কর।
দেবর্ষি নারদ প্রজাপতি ব্রহ্মাকে বললেন-হে মহাত্মা! যে একাদশীতে ভগবান শ্রী গোবিন্দ শয়ন থেকে জেগে ওঠেন, সেই একাদশীর মাহাত্ম্য আমার কাছে সবিস্তারে বর্ণনা করুন।
ব্রহ্মা বললেন-হে নারদ! উত্থান একাদশী যথার্থই পাপনাশিনী, পুণ্যকারী ও মুক্তি প্রদানকারী। এই ব্রত নিষ্ঠা সহকারে পালন করলে এক হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ ও শত শত রাজসূয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়। জগতের দুর্লভ বস্তুর প্রাপ্তির কথা কি আর বলব। এই একাদশী ভক্তি পরায়ন ব্যক্তিকে ঐশ্বর্য, প্রজ্ঞা, রাজ্য ও সুখ প্রদান করে। এই ব্রতের প্রভাবে পর্বত প্রমাণ পাপরাশি বিনষ্ট হয়। যারা একাদশীতে রাত্রি জাগরণ করেন, তাদের সমস্ত পাপ ভস্মীভূত হয়। শ্রেষ্ঠ মুনিগণ তপস্যার দ্বারা যে ফল লাভ করেন, এই ব্রতের উপবাসে তা পাওয়া যায়। যথাযথ ভাবে এই ব্রত পালনে আশাতীত ফল লাভ হয়। কিন্তু অবিধিতে উপবাস করলে স্বল্পমাত্র ফল লাভ হয়। যারা এই একাদশীর ধ্যান করেন, তাদের পূর্বপুরুষেরা স্বর্গে আনন্দে বাস করেন। এই একাদশী উপবাস ফলে ব্রহ্মহত্যা জনিত ভয়ঙ্কর নরক যাতনা থেকে নিস্তার পেয়ে বৈকুণ্ঠগতি লাভ হয়। অশ্বমেধ যজ্ঞ দ্বারাও যা সহজে লাভ হয় না, তীর্থে স্বর্ণ প্রভৃতি দান করলে যে পুণ্য অর্জিত হয়, এই উপবাসের রাত্রি জাগরণে সেই সকল অনায়াসে লাভ হয়। যিনি সঠিক ভাবে উত্থান একাদশী অনুষ্ঠান করেন, তার গৃহে ত্রিভুবনের সমস্ত তীর্থ এসে উপস্থিত হয়।
হে নারদ! বিষ্ণুর প্রিয়তমা এই একাদশী উপবাস ফলে সর্ব শাস্ত্রে জ্ঞান ও তপস্যায় সিদ্ধিলাভ করে চরমে মুক্তি লাভ হয়। যিনি সমস্ত লৌকিক ধর্ম পরিত্যাগ করে ভক্তি সহকারে এই ব্রত পালন করেন তাকে আর পুনর্জন্ম গ্রহণ করতে হয় না। এমনকি মন ও বাক্য দ্বারা অর্জিত পাপরাশিও শ্রী গোবিন্দের অর্চনে বিনষ্ট হয়।
হে বৎস! এই ব্রতে শ্রদ্ধা সহকারে শ্রী জনার্দনের উদ্দেশ্যে স্নান, দান, জপ, কীর্তন ও হোমাদি করলে অক্ষয় লাভ হয়। যারা উপবাস দিনে শ্রী হরির প্রতি ভক্তি সহকারে দিন যাপন করেন, তাদের পক্ষে জগতে দুর্লভ বলে আর কিছু নেই। চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণে স্নান করলে যে পুণ্য হয়, এই উপবাসে রাত্রি জাগরণ করলে তার সহস্র গুন সুকৃতি লাভ হয়। তীর্থে স্নান, দান, জপ, হোম ধ্যান আদির ফলে যে পুণ্য সঞ্চিত হয়, উত্থান একাদশী পালন না করলে সে সমস্ত নিষ্ফল হয়ে যায়।
হে নারদ! শ্রী হরি বাসরে শ্রী জনার্দনের পূজা বিশেষ ভক্তি সহকারে করবে। তা না হলে শতজন্মার্জিত পুণ্য ও বিফল হয়। হে বৎস! যিনি কার্তিক মাসে সর্বদা ভাগবত শাস্ত্রাদি অধ্যয়ন করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে সমস্ত যজ্ঞের ফল লাভ করেন। ভগবান হরি ভক্তিমূলক শাস্ত্রপাঠে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন। কিন্তু দান, জপ, যজ্ঞাদি দ্বারা তেমন প্রীত হন না। এই মাসে শ্রী বিষ্ণুর নাম, গুন, রূপ, লীলাদি শ্রবণ কীর্তন অথবা শ্রীমদ্ভাগবত আদি শাস্ত্র গ্রন্থ পাঠের ফলে শত শত গোদানের ফল লাভ করা যায়। অতএব হে মুনিবর! কার্তিক মাসে সমস্ত গৌণধর্ম বর্জন করে শ্রী কেশবের সামনে হরি কথা শ্রবণ কীর্তন করা কর্তব্য। কোনো ব্যক্তি যদি ভক্তি সহকারে এই মাসে ভক্তসঙ্গে হরিকথা শ্রবণ কীর্তন করেন, তবে তার শতকুল উদ্ধার হন এবং হাজার হাজার দুগ্ধবতী গাভী দানের ফল অনায়াসে লাভ হয়। এই মাসে পবিত্র ভাবে শ্রীকৃষ্ণের রূপ গুনাদির শ্রবণ কীর্তনে দিন যাপন করলে তার আর পুনর্জন্ম হবে না। এই মাসে বহু ফলমূল, ফুল, অগুরু, কর্পূর ও চন্দন দিয়ে শ্রী হরির পূজা করা কর্তব্য।
সমস্ত তীর্থ ভ্রমণ করলে যে পুণ্য হয়, উত্থান একাদশীতে শ্রীকৃষ্ণ পাদপদ্মে অর্ঘ্য প্রদানে তার কোটি গুন সুকৃতি লাভ হয়। শ্রবণ কীর্তন, স্মরণ বন্দনাদি নববিধা ভক্তির সাথে তুলসীর সেবার জন্য যারা বীজ রোপণ, জল সেচন ইত্যাদি করেন, তারা মুক্তি লাভ করে বৈকুণ্ঠ বাসী হন।
হে নারদ! সহস্র সুগন্ধি পুষ্পে দেবতার অর্চনে বা সহস্র সহস্র যজ্ঞ ও দানে যে ফল লাভ হয়, এই মাসে হরি বাসরে একটি মাত্র তুলসী পাতা শ্রী ভগবানের চরণ কমলে অর্পণ করলে তার অনন্ত কোটি গুন লাভ করা যায়।
@@হরিবোল@@

!!!হরে কৃষ্ণ!!!সকলকে শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা।আগামী ২৫/১০/২০২৩ ইং বুধবার শ্রীপাশাঙ্কুশা (পাপাঙ্কুশা) একাদশী ব্রত উপবাস। পারণ ...
24/10/2023

!!!হরে কৃষ্ণ!!!

সকলকে শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা।

আগামী ২৫/১০/২০২৩ ইং বুধবার শ্রীপাশাঙ্কুশা (পাপাঙ্কুশা) একাদশী ব্রত উপবাস। পারণ পরদিন বৃহস্পতিবার ৫.৩৮ হতে ৯.২৬ মিনিটের মধ্যে।

@শ্রীপাশাঙ্কুশা (পাপাঙ্কুশা) একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য@

আশ্বিন শুক্লাপক্ষীয়া পাশাঙ্কুশা একাদশী মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে বর্ণিত আছে। যুধিষ্ঠির বললেন- হে মধুসুদন! আশ্বিন শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি? এই একাদশীর মাহাত্ম্যই বা কি?

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! আশ্বিনের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী ‘পাশাঙ্কুশা’ নামে প্রসিদ্ধা। কেউ কেউ একে পাপাঙ্কুশাও বলে থাকেন। এই একাদশীতে অভিষ্ট ফল লাভের জন্য মুক্তিদাতা পদ্মনাভের পূজা করবে। শ্রীহরির নাম-সংকীর্তন দ্বারা পৃথিবীর সর্ব তীর্থের ফল লাভ হয়। বদ্ধ জীব মোহবশতঃ বহু পাপকর্ম করেও ভগবান শ্রীহরির শরণাপন্ন হয়ে প্রণাম নিবেদনে নরকযাতনা থেকে রক্ষা পায়। এই একাদশীর মহিমা শোনার ফলে নিদারুন যমদণ্ড থেকে মুক্তি লাভ হয়। শ্রীহরিবাসর ব্রতের মতো ত্রিভুবনে পবিত্রকারী আর কোন বস্তু নেই। হাজার হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ এবং শত শত রাজসূয় যজ্ঞ এই ব্রতের শতভাগের একাংশের সমান হয় না। এই ব্রত পালনে স্বর্গবাস হয়। মুক্তি, দীর্ঘায়ু, আরোগ্য, সুপত্নী, বন্ধু প্রভৃতি অনায়াসে লাভ করা যায়।

হে রাজন! গয়া, কাশী এমনকি কুরুক্ষেত্রও শ্রীহরিবাসর অপেক্ষা পূণ্যস্থান নয়। হে ভূপাল! একাদশী উপবাস ব্রত করে রাত্রি জাগরণ করলে অনায়াসে বিষ্ণুলোকে গতি হয়। এই পাশাঙ্কুশা ব্রতের ফলে মানুষ সর্বপাপ মুক্ত হয়ে গোলোকে গমন করতে সমর্থ হয়।

এই পবিত্র দিনে যিনি স্বর্ণ, তিল, গাভী, অন্ন, বস্ত্র, জল, ছত্র, পাদুকা দান করেন তাকে আর যমালয়ে যেতে হয় না। যারা এসকল পুণ্যকার্য করে না, তাদের জীবন কামারশালার হাপরের মতো বিফল। নিষ্ঠার সাথে এই ব্রত পালনে উচ্চকুলে নিরোগ ও দীর্ঘায়ু শরীর লাভ হয়। অত্যন্ত পাপাচারীও যদি এই পুণ্যব্রতের অনুষ্ঠান করে তবে সেও রৌরব নামক মহাযন্ত্রণা থেকে মুক্ত হয়ে বৈকুণ্ঠসুখ লাভ করে। কৃষ্ণভক্তি লাভই শ্রীএকাদশী ব্রতের মুখ্য ফল। তবে আনুষাঙ্গিকরূপে স্বর্গ, ঐশ্বর্য‍্যাদি অনিত্য ফল লাভ হয়ে থাকে।

@হরিবোল@

@@হরেকৃষ্ণ@@  আগামী ১০.১০.২০২৩ ইং তারিখ মঙ্গলবার  ‘ইন্দ্রিরা’ একাদশী ব্রত উপবাস। পারন পরের দিন বুধবার সকাল ০৫.৫৪ মি. থেক...
09/10/2023

@@হরেকৃষ্ণ@@
আগামী ১০.১০.২০২৩ ইং তারিখ মঙ্গলবার ‘ইন্দ্রিরা’ একাদশী ব্রত উপবাস। পারন পরের দিন বুধবার সকাল ০৫.৫৪ মি. থেকে ০৯.৪৮ মি. এর মধ্যে।
@ইন্দ্রিরা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য@
মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন-হে মধুসূদন! আশ্বিন মাসের কৃষ্ণ পক্ষীয়া একাদশীর নাম কি, তার মাহাত্ম্যই বা কি, তা কৃপা করে আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে রাজন! আশ্বিন মাসের একাদশী 'ইন্দিরা' নামে পরিচিত। এই ব্রত পালনে মহাপাপ বিনষ্ট হয়। এমনকি কর্ম বিপাকে যারা নিম্নযোনি লাভ করেছেন, সেই পূর্ব পুরুষদেরও উত্তম গতি লাভ হয়। এই একাদশীর মাহাত্ম্য শোনা মাত্রই সামবেদীয় যজ্ঞ ফল লাভ করা যায়। ================
হে রাজন! মাহিস্মতি নগরে ইন্দ্রসেন নামে এক প্রসিদ্ধ রাজা ছিলেন। ধর্ম বিধি অনুসারে রাজ্য পালনে তিনি বিশেষ খ্যাতি সম্পন্ন ছিলেন। তার বিপুল ধনসম্পত্তি ছিল। পুত্র পৌত্রাদিসহ তিনি সুখে রাজ্য পরিচালনা করতেন। বিষ্ণু ভক্তি পরায়ণ সেই রাজা নিরন্তর শ্রীগোবিন্দ নামগানে মগ্ন থাকতেন। একদিন রাজা সুখে রাজসভায় বসে আছেন। এমন সময় দেবর্ষি নারদ স্বর্গ থেকে সেখানে এলেন। তাঁকে দর্শন করে রাজা হাত জোড় করে উঠে দাঁড়ালেন। দন্ডবৎ প্রণাম করে মুনিকে আসন, পাদ্য, অর্ঘ্য আদি ষোড়শোপচারে পূজা নিবেদন করলেন। তারপর বললেন-হে মুনিবর! আপনার দর্শন মাত্রই আমার যাবতীয় যজ্ঞ ফল লাভ হয়েছে। এখন আপনার আগমনের কারণ জানিয়ে আমাকে কৃতার্থ করুন। ================
দেবর্ষি নারদ বললেন-হে মহারাজ! অতি বিস্ময়কর এক কথা শ্রবণ করুন। আমি এক সময় যমলোকে গিয়েছিলাম। সেখানে যমরাজের রাজসভায় বহু পুণ্যকারী আপনার পিতাকে দেখলাম। ব্রতভঙ্গ পাপে তাকে সেখানে যেতে হয়েছে। হে রাজন! আপনার পিতা যে সংবাদ প্রেরণ করেছেন, আমি এখন তা আপনাকে বলছি। তিনি বললেন -হে ঋষিবর! মাহিস্মতির ইন্দ্রসেন রাজা আমার পুত্র। তাকে বলবেন যে, আমি বহু পুণ্য অনুষ্ঠান করলেও কোনো কারণবশতঃ যমালয়ে আসতে বাধ্য হয়েছি। আপনি কৃপা করে তাকে ভয় সর্বপাপ নাশক ইন্দিরা একাদশী পালন করতে বলবেন। সেই ব্রত প্রভাবে আমি নিষ্পাপ হয়ে স্বর্গ লোকে যেতে পারবো।' এই কথা জানাবার জন্যই আমার আগমন। হে রাজন! আপনার পিতার মঙ্গল বিধানে আপনি যথাবিধি ইন্দিরা একাদশী পালন করুন। ================
রাজা জিজ্ঞাসা করলেন--হে দেবর্ষি! সেই ইন্দিরা একাদশীর বিধি কি, কোন তিথি বা কোন পক্ষে এই ব্রত পালন করা কর্তব্য তা কৃপা করে আমাকে বলুন। দেবর্ষি উত্তর দিলেন- হে মহারাজ! আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষের দশমীর দিনে শ্রদ্ধা সহকারে প্রাতঃস্নান করবেন, মধ্যাহ্নে ভক্তি ভাবাপন্ন হয়ে পুনরায় স্নান করবেন এবং রাত্রি কালে ভূমিতে শয়ন করবেন। পরদিন একাদশীতে প্রাতঃকৃত্যাদি সমাপণ করে নিরাহারে থাকবেন। ব্রতের নিয়মাবলী দৃঢ়ভাবে পালন করবেন। 'হে পুন্ডরীকাক্ষ! হে অচ্যুত! এ শরণাগতের প্রতি কৃপা করুন'। এই ভাবে শ্রদ্ধা সহকারে শালগ্রাম পূজা করে পিতার উদ্দেশ্যে ব্রতের ফল অর্পণ করবেন। দ্বাদশীর দিন সকালে ভক্তিভরে শ্রীগোবিন্দের পূজা করে ব্রাহ্মণ ভোজন করিয়ে অবশেষে নিজে মহাপ্রসাদ গ্রহণ করবেন। হে রাজন! বিধি অনুসারে শ্রীহরি এবং ভক্তদের অর্চন করলে আপনার পিতৃবর্গ মুক্তিলাভ করে শীঘ্রই বৈকুণ্ঠে গমন করবেন।
================
রাজাকে এই উপদেশ দিয়ে দেবর্ষি নারদ প্রস্থান করলেন। রাজা ইন্দ্রসেন দেবর্ষি নারদের উপদেশ অনুসারে পুত্র পরিজন সহ ভক্তি সহকারে এই ব্রতের অনুষ্ঠান করলেন। তখন দেবলোক থেকে পুষ্প বৃষ্টি হতে লাগল এবং তার পিতাও বিষ্ণুলোকে গমন করলেন। তারপর রাজা ইন্দ্রসেন নিজপুত্রকে রাজ্য ভার অর্পণ করে নিজেও বিষ্ণুলোকে ফিরে গেলেন। এই ইন্দিরা একাদশীর মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবণে মানুষ সকল পাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হয়।
@হরিবোল@🙏🙏

🌿🍀🌷হরে কৃষ্ণ🌷🍀🌿আগামী ২৬/০৯/২০২৩ মঙ্গলবার , শ্রীশ্রী পার্শ্ব একাদশীর উপবাস। পারণ ২৭/০৯/২০২৩ বুধবার , পূর্বাহ্ন ০৫:৪৯ থেকে...
25/09/2023

🌿🍀🌷হরে কৃষ্ণ🌷🍀🌿
আগামী ২৬/০৯/২০২৩ মঙ্গলবার , শ্রীশ্রী পার্শ্ব একাদশীর উপবাস। পারণ ২৭/০৯/২০২৩ বুধবার , পূর্বাহ্ন ০৫:৪৯ থেকে ০৯:৪৯ এর মধ্যে।
🌷পার্শ্ব একাদশী মাহাত্ম্য🌷
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের পার্শ্ব একাদশী মাহাত্ম্য যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে এইরকম বলা হয়েছে।
যুধিষ্ঠির মহারাজ জিজ্ঞাসা করলেন- হে কৃষ্ণ! ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি? এই ব্রত পালনের বিধি কি এবং ব্রত পালনেই বা কি পুণ্য লাভ হয়?
উত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে ধর্মরাজ! মহাপুণ্যদা, সমস্ত পাপহারিনী এবং মুক্তিদায়িনী এই একাদশী বাজপেয় যজ্ঞ থেকেও বেশি ফল দান করে। যে ব্যক্তি এই তিথিতে ভক্তি সহকারে ভগবান শ্রীবামনদেবের পুজা করেন, তিনি ত্রিলোকে পূজিত হন। পদ্মফুলে পদ্মলোচন শ্রীবিষ্ণুর অর্চনকারী বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন। তাই এর নাম পার্শ্ব একাদশী বা পরিবর্তিনী একাদশী।
যুধিষ্ঠির মহারাজ বললেন- হে জনার্দন! আপনার এসকল কথা শুনেও আমার সন্দেহ পূর্ণরূপে দূর হয়নি। হে দেব! আপনি কিভাবে শয়ন করেন, কিভাবেই বা পার্শ্ব পরিবর্তন করেন, আর চাতুর্মাস্য ব্রত পালনকারীর কি কর্তব্য এবং আপনার শয়নকালে লোকের কি করণীয়? এসব বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আমাকে বলুন। আর কেনই বা দৈত্যরাজ বলিকে বেঁধে রাখা হয়েছিল, তা বর্ণনা করে আমার সকল সন্দেহ দূর করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন – হে রাজন! দৈত্যকূলে আবির্ভূত প্রহ্লাদ মহারাজের পৌত্র ‘বলি’ আমার অতি প্রিয় ভক্ত ছিল। সে আমার সন্তুষ্টি বিধানের জন্য গো ব্রাহ্মণ পূজা ও যজ্ঞাদি ব্রত সম্পাদান করত। কিন্তু ইন্দ্রের প্রতি বিদ্বেষবশত সকল দেবলোক সে জয় করে নেয়। তখন দেবতাগণসহ ইন্দ্র আমার শরণাপন্ন হয়েছিল। তাদের প্রার্থনায় আমি ব্রাহ্মণবালক বেশে বামনরূপে বলি মহারাজের যজ্ঞস্থলে উপস্থিত হলাম। তার কাছে আমি ত্রিপাদভূমিমাত্র প্রার্থনা করেছিলাম। সেই তুচ্ছবস্তু থেকে আরও শ্রেষ্ঠ কিছু সে আমাকে দিতে চাইলেও আমি কেবল ত্রিপাদ ভূমি গ্রহনেই স্থির থাকলাম। দৈত্যগুরু শুক্রাচার্য আমাকে ভগবানরূপে জানতে পেরে বলিমহারাজকে ঐ দান দিতে নিষেধ করল। কিন্তু সত্যাশ্রয়ী বলি গুরুর নির্দেশ অমান্য করে আমাকে দান দিতে সংকল্প করল। তখন আমি এক পদে নীচের সপ্তলোক, আরেক পদে উপরের সপ্তভুবন অধিকার করে নিলাম। পুনরায় তৃতীয় পদের স্থান চাইলে সে তার মাথা পেতে দিল। আমি তার মস্তকে তৃতীয় পদ স্থাপন করলাম। তার আচারণে সন্তুষ্ট হয়ে আমি সর্বদা তার কাছে বাস করার প্রতিশ্রুতি দিলাম।
ভাদ্র শুক্লপক্ষীয় একাদশীতে ভগবান শ্রীবামনদেবের এক মূর্তি বলি মহারাজের আশ্রমে স্থাপিত হয়। দ্বিতীয় মূর্তি ক্ষীর সাগরে অনন্তদেব কোলে শয়ন একাদশী থেকে উত্থান একাদশী পর্যন্ত চারমাস শয়ন অবস্থায় থাকেন। এই চারমাস যে ব্যক্তি নির্দিষ্ট নিয়ম, ব্রত বা জপ-তপ ব্যতীত দিনযাপন করে, সেই মহামূর্খ জীবিত থাকলেও তাকে মৃত বলে জানতে হবে।
শ্রাবণ মাসে শাক, ভাদ্র মাসে দই, আশ্বিনে দুধ, কার্তিক মাসে মাসকালাই বর্জন করে এই চারমাস শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করতে হয়। প্রতিটি একাদশী ব্রত যথাযথ পালন করতে হয়। শায়িত ভগবান পার্শ্ব পরিবর্তন করেন বলে এই একাদশী মহাপুণ্য ও সকল অভীষ্ট প্রদাতা। এই একাদশী ব্রত পালনে এক সহস্র অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়।
🙏হরিবোল🙏

Nilachala Nivasaya, Nityayaa Paramatmane; Balabhadra Subhadrabhyam, Jagannathayat Namah🙏
13/07/2023

Nilachala Nivasaya, Nityayaa Paramatmane; Balabhadra Subhadrabhyam, Jagannathayat Namah🙏

Address

Kolkata
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radhika das posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share