Karma Bhakti Gyan

Karma Bhakti Gyan Spiritual and Devotional...

https://youtube.com/-h2q?si=B_2A60dIBcXO5px4

'     ✦● *শুভ মকর সংক্রান্তি*●✦সূর্যদেব মকর রাশিতেপ্রবেশ করলে পরেমকর সংক্রান্তি পালন হয়প্রতি ঘরে ঘরে রাতের আঁধার দীর্ঘ থ...
14/01/2026

' ✦● *শুভ মকর সংক্রান্তি*●✦

সূর্যদেব মকর রাশিতে
প্রবেশ করলে পরে
মকর সংক্রান্তি পালন হয়
প্রতি ঘরে ঘরে
রাতের আঁধার দীর্ঘ থেকে
ক্রমান্বয়ে কমে,
দিনের আলোর প্রকাশ
তখন দীর্ঘতায় নামে।
তাই তো এদিন শুভ বলে
সর্বলোকে জানে,,
শুভতিথি আহ্বান হয়
পূজোয়, পুণ্যস্নানে ।
নবান্নের রেশ ধরে
করে লক্ষ্মী আবাহন,
নতুন চালের পিঠে, পুলি,
পায়েস দেবতারে নিবেদন,
বসে হাজার মেলার আসর
গ্রামের মাঠে বাটে,
বাঙালীর পার্বণহীন পৌষের শেষ
♡ আনন্দেতে কাটে।।
*🍃🌷 রাধেশ্যাম 🌷🍃*
┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈
✧══════•❁❀❁•══════✧
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"
"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"
"হরে"রাম"হরে"রাম"
"রাম"রাম"হরে"হরে।।"

*•─•●✪ ❛ষটতিলা একাদশী❜ ✪●•─•*            ১৪ই জানুয়ারি ২০২৬     ২৯শে পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ     বুধবার ষটতিলা একাদশী   ❏❖❏❖❏❖...
14/01/2026

*•─•●✪ ❛ষটতিলা একাদশী❜ ✪●•─•*

১৪ই জানুয়ারি ২০২৬
২৯শে পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বুধবার ষটতিলা একাদশী
❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏
*━─✤পারন✤─━*
°°°°°°°°°°°°°
*•─⊱✦পারণ মন্ত্র✦⊰─•*
"একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ ঙ্গানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।"
*_━─────⊱❉✸❉⊰──────━_*
*✺ ষটতিলা একাদশী মাহাত্ম্য*
⊰᯽⊱┈───◑❊◑┈───┈⊰᯽⊱
🍑🍏 মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের `ষটতিলা' একাদশীর মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে বর্ণিত আছে।
🍅🫛যুধিষ্ঠির মহারাজ বললেন, হে জগন্নাথ! মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি, বিধিই বা কি, ফল কি সবিস্তারে আমাকে বলুন।
🍊🍓 ভগবান বললেন, এই তিথি ষটতিলা নামে জগতে প্রসিদ্ধ।
🥭🍋 একসময় দাল্ভ্য ঋষি মুনিশ্রেষ্ঠ পুলস্তকে জিজ্ঞাসা করেন, মর্ত্যলোকে মানুষেরা ব্রহ্মহত্যা, গোহত্যা, অন্যের সম্পদ হরণ আদি পাপকর্মের দ্বারা নরকে গমন করে। যাতে তারা নরকগতি থেকে রক্ষা পায়, তা যথাযথভাবে আমাকে উপদেশ করুন। অনায়াসে সাধন করা যায় এমন কোনো কাজের মাধ্যমে যদি তাদের এই পাপ থেকে উদ্ধারের কোনো উপায় থাকে, তবে তা বলুন।
🍇🍊 ঋষি পুলস্ত বললেন, হে মহাভাগ! তুমি একটি গোপনীয় উত্তম বিষয়ে প্রশ্ন করেছ। মাঘ মাসে শুচি, জিতেন্দ্রিয়, কাম, ক্রোধ আদি শূন্য হয়ে স্নানের পর সর্বদেবেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের পূজা করবে। পূজাতে কোন বিঘ্ন ঘটলে কৃষ্ণনাম স্মরণ করবে। রাত্রিতে অর্চনান্তে হোম করবে। তারপর চন্দন, অগুরু, কর্পূর ও শর্করা প্রভৃতি নৈবেদ্য প্রস্তুত করে ভগবানকে নিবেদন করবে।কুষ্মাণ্ড,নারকেল অথবা একশত গুবাক দিয়ে অর্ঘ্য প্রদান করবে `কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃপালুস্ত্বমগতীনাং গতির্ভব' ইত্যাদি মন্ত্রে শ্রীকৃষ্ণের পূজা করতে হয়। `কৃষ্ণ আমার প্রতি প্রীত হন' বলে যথাশক্তি ব্রাহ্মণকে জলপূর্ণ কলস,ছত্র, বস্ত্র, পাদুকা, গাভী ও তিলপাত্র দান করবে।স্নান দানাদি কার্যে কালো তিল অত্যন্ত শুভ।
🥒🥥 হে দ্বিজত্তম! ঐ প্রদত্ত তিল থেকে পুনরায় যে তিল উত্পন্ন হয়, তত বছর ধরে দানকারী স্বর্গলোকে বাস করে। তিল দ্বারা স্নান, তিল শরীরে ধারণ, তিল জলে মিশিয়ে তা দিয়ে তর্পন, তিল ভোজন এবং তিল দান-এই ৬ প্রকার বিধানে সর্বপাপ বিনষ্ট হয়ে থাকে। এইজন্য এই একাদশীর নাম ষটতিলা।
🍒🍋 হে যুধিষ্ঠির, এককালে নারদ ও এই একাদশী সম্পর্কে জানতে চাইলে আমি যে কাহিনী বলেছিলাম,তা শ্রবন করো।
🍋‍🟩🍇 পুরাকালে মর্ত্যলোকে এক ব্রাহ্মণী বাস করত। সে প্রত্যহ ব্রত আচরণ ও দেবপূজাপরায়না ছিল। উপবাসক্রমে তার শরীর অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে গিয়েছিল। সেই মহাসতী ব্রাহ্মণী অন্যের কাছ থেকে দ্রব্যাদি গ্রহণ করে দেবতা, ব্রাহ্মণ ও কুমারীদের ভক্তিভরে দান করত।কিন্তু কখনও ভিক্ষুককে ভিক্ষাদান ও ব্রাহ্মণকে অন্নদান করেনি।
🍅🍋 এইভাবে বহুবছর অতিক্রান্ত হল। আমি চিন্তা করলাম কষ্টসাধ্য বিভিন্ন ব্রত করার ফলে ব্রাহ্মণীর শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে। সে যথাযথভাবে বৈষ্ণবদের অর্চনও করেছে কিন্তু তাদের পরিতৃপ্তির জন্য কখনও অন্নদান করেনি।তাই আমি একদিন এক কাপালিক রূপ ধারণ করে তামার পাত্র নিয়ে তার কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করলাম।
🍒🥥 ব্রাহ্মণী বলল, হে ব্রাহ্মণ, তুমি কোথা থেকে এসেছ, কোথায় যাবে, তা আামাকে বলো।
🍏🍓 আমি বললাম, হে সুন্দরী, আমাকে ভিক্ষা দাও। তখন সে ক্রুদ্ধ হয়ে আমার পাত্রে একটি মাটির ঢেলা নেক্ষেপ করল। তারপর আমি সেখান থেকে চলে গেলাম।
🍋‍🟩🍇 বহুকাল পরে সেই ব্রাহ্মণী ব্রতপ্রভাবে স্বশরীরে স্বর্গে গমন করল। মাটির ঢেলা দানের ফলে সে একটি মনোরম গৃহ প্রাপ্ত হল। কিন্তু হে নারদ, সেখানে ধান ও চাল কিছুই ছিলনা। গৃহশূণ্য দেখে মহাক্রোধে সে আমার কাছে এসে বলল, আমি ব্রত,কৃচ্ছ্রসাধন ও উপবাসের মাধ্যমে নারায়ণের পূজা করেছি।এখন হে জনার্দন!আমার গৃহে কিছুই দেখছি না কেন?
🥭🍓 আমি বললাম, তুমি নিজগৃহে দরজা বন্ধ করে বসে থাকো।মর্ত্যলোকের মানবী স্বশরীরে স্বর্গে এসেছে শুনে দেবপত্নীরা তোমাকে দেখতে আসবে।তুমি দরজা খুলবেনা।তুমি তাদের কাছে ষটতিলা ব্রতের পুণ্যফল প্রার্থনা করবে।তারা রাজি হলে দরজা খুলবে।
🍊🥥 এরপর দেবপত্নীরা সেখানে এসে তার দর্শন প্রার্থনা করল।এক দেবপত্নী তার ষটতিলা ব্রতের পুণ্যফল প্রদানে রাজি হলে ব্রাহ্মণী দিব্যকান্তি বিশিষ্টা হল ও তার গৃহ ধনধান্যে ভরে গেল।দ্বার উদ্ঘাটন করলে দেবপত্নীরা তাকে দেখে বিস্মিত হলেন।
🍅🍋 হে নারদ,অতিরিক্ত বিষয় বাসনা করা উচিত নয়। বিত্তশাঠ্যও অকর্তব্য। নিজ সাধ্যমত তিল,বস্ত্র ও অন্ন দান করবে।ষটতিলা ব্রতের প্রভাবে দারিদ্র্য, শারীরিক কষ্ট, দুর্ভাগ্য বিনষ্ট হয়। এই বিধি অনুসারে তিল দানে মানুষ অনায়াসে সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়।
*🌸জয় ষটতিলা একাদশী🌸*
*🌸জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ🌸*

* #পৌষ_সংক্রান্তি_বা_মকর_সংক্রান্তি_মাহাত্ম্য*বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো পৌষ সংক্রান্...
14/01/2026

* #পৌষ_সংক্রান্তি_বা_মকর_সংক্রান্তি_মাহাত্ম্য*
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি। এটি কেবল পিঠে-পুলির উৎসব নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং বৈদিক শাস্ত্রের অমোঘ বিধান। এই দিনটির কিছু বিশেষ বিশেষত্ব রয়েছে 👇🏽

✅১. উত্তরায়ণের শুরু: দেবতাদের দিন (শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ও পুরাণ)📕

শাস্ত্র অনুসারে, এক বছর হলো দেবতাদের এক দিন-রাত। উত্তরায়ণ (বছরের প্রথম ৬ মাস) হলো দেবতাদের দিন এবং দক্ষিণায়ন (পরের ৬ মাস) হলো দেবতাদের রাত। মকর সংক্রান্তির দিন সূর্য ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করে এবং দক্ষিণায়ন শেষ হয়ে উত্তরায়ণ শুরু হয়। অর্থাৎ, এই দিন থেকে দেবতাদের দিন শুরু হয়।

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে উত্তরায়ণের ছয় মাসের মধ্যে দেহত্যাগ করলে মানুষ ব্রহ্মলোক বা পরম গতি প্রাপ্ত হয়। এই কারণেই এই সময়টি অত্যন্ত শুভ।

✅২. ভীষ্ম পিতামহের ইচ্ছামৃত্যু (মহাভারত)📕

মহাভারতের মহাবীর ভীষ্ম পিতামহ শরশয্যায় থেকেও এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। তাঁর হাতে ‘ইচ্ছামৃত্যু’র বর ছিল। তিনি জানতেন যে উত্তরায়ণে দেহত্যাগ করলে মোক্ষ লাভ হয়। তাই তিনি দক্ষিণায়নে দেহত্যাগ না করে মকর সংক্রান্তি বা উত্তরায়ণ শুরু হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন এবং এই পবিত্র তিথিতেই প্রাণত্যাগ করেছিলেন।

✅৩. সূর্য ও শনিদেবের মিলন (পুরাণ)📕

পৌরাণিক শাস্ত্র অনুসারে, মকর রাশির অধিপতি হলেন শনিদেব। সূর্যদেব এবং তাঁর পুত্র শনিদেবের মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা মধুর ছিল না। কিন্তু মকর সংক্রান্তির দিনে সূর্যদেব নিজের অভিমান ভুলে পুত্র শনিদেবের ঘরে (মকর রাশি) প্রবেশ করেন।

এটি আমাদের শেখায় যে, পিতা-পুত্রের সম্পর্ক বা যেকোনো তিক্ততা ভুলে এই দিনে নতুন করে সম্পর্ক গড়া উচিত। এটি ক্ষমা এবং মিলনের প্রতীক।

✅৪. গঙ্গাসাগর ও কপিল মুনির ঘটনা (রামায়ণ ও পুরাণ)🌻🙏🌻

শাস্ত্র মতে, এই বিশেষ দিনটিতেই মা গঙ্গা মর্ত্যে এসে কপিল মুনির আশ্রমে রাজা সাগরের ৬০ হাজার অভিশপ্ত পুত্রের মুক্তি ঘটিয়েছিলেন এবং সাগরে মিলিত হয়েছিলেন। এই কারণেই মকর সংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগরে স্নান করা এবং তর্পণ করা অত্যন্ত পুণ্যদায়ক বলে মনে করা হয়।

✅৫. অশুভ শক্তির বিনাশ (দেবী পুরাণ)📕🌻

পুরাণ অনুসারে, এই দিনে ভগবান বিষ্ণু অসুরদের সঙ্গে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটিয়েছিলেন। তিনি অসুরদের মস্তক ছিন্ন করে মন্দার পর্বতে পুঁতে দিয়েছিলেন। তাই মকর সংক্রান্তি হলো সমস্ত নেতিবাচকতা এবং অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির বিজয়ের দিন।

✅৬. নতুন ফসলের আশীর্বাদ 🙏🌻🙏

জ্যোতিষশাস্ত্র ও কৃষি শাস্ত্র অনুসারে, সূর্য হলো সকল শক্তির উৎস। সূর্যের উত্তরায়ণ যাত্রার ফলে শস্যক্ষেত্রে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়। তাই কৃষিজীবী মানুষ এই দিনটিকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উৎসব হিসেবে পালন করে। নতুন ধানের চাল আর গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে-পুলি আসলে প্রকৃতির প্রতি মানুষের শ্রদ্ধার্ঘ্য।

মকর সংক্রান্তি আমাদের জীবনের অন্ধকারের সমাপ্তি এবং আলোর আগমনের বার্তা দেয়। সূর্যের উত্তরায়ণের মতো আমাদের চেতনাও যেন নিচের দিক (কাম, ক্রোধ, মোহ) থেকে ওপরের দিকে (ভক্তি, জ্ঞান, প্রেম) প্রবাহিত হয়—এটাই এই উৎসবের মূল প্রার্থনা।

“সংক্রান্তি” শব্দের অর্থ হলো ‘সঞ্চার’ বা ‘পরিবর্তন’। আসুন, এই পবিত্র দিনে আমরা আমাদের ভেতরের সমস্ত সংকীর্ণতা ত্যাগ করে শুদ্ধ ভক্তি আর প্রেমের পথে নিজেদের জীবনকে সঞ্চারিত করি।

🕉 মকর সংক্রান্তির কেন্দুলী মেলা, জয়দেব পদ্মাবতীর অমর প্রেমগাথা । 🟠 শীতের শেষ প্রান্তে এসে মাঘ মাসের হালকা রোদে যখন বীরভ...
14/01/2026

🕉 মকর সংক্রান্তির কেন্দুলী মেলা,
জয়দেব পদ্মাবতীর অমর প্রেমগাথা ।

🟠 শীতের শেষ প্রান্তে এসে মাঘ মাসের হালকা রোদে যখন বীরভূমের মাঠ-ঘাট সোনালি হয়ে ওঠে, ঠিক তখনই আসে মকর সংক্রান্তি। এই বিশেষ দিনে অজয় নদের তীরে অবস্থিত ছোট্ট গ্রাম কেন্দুলী যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে—কেউ স্নান করতে, কেউ ভক্তিতে ডুব দিতে, কেউ আবার শুধুই সেই পুরনো কাহিনির টানে।
ভোরের আলো ফুটতেই অজয় নদের ধারে কুয়াশা ভেদ করে শোনা যায় শঙ্খধ্বনি। নদীর জলে পুণ্যস্নানে নেমেছে মানুষ—কারও হাতে ফুল, কারও মুখে নামগান। নদীর পাড়ে পাড়ে জ্বলছে ধূপ, বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে কীর্তনের সুর। আজ যে কেন্দুলী মেলা।
কিন্তু এই মেলা শুধু হাটবাজার নয়। এই মেলার প্রতিটি ধূলিকণায় জড়িয়ে আছে এক অমর প্রেমকথা—জয়দেব ও পদ্মাবতীর কাহিনি।
🌼 এক সাধকের জন্মকথা
অনেক অনেক বছর আগে, এই কেন্দুলী গ্রামেই জন্মেছিলেন এক শিশু—নাম তার জয়দেব। ছোটবেলা থেকেই সে ছিল অন্যরকম। খেলাধুলার চেয়ে তার মন বসত নদীর ধারে বসে সূর্যাস্ত দেখায়, গাছের ছায়ায় বসে ঈশ্বরের নাম জপে। বড় হয়ে সে হয়ে উঠল এক গভীর চিন্তাশীল কবি ও বৈষ্ণব সাধক।
জয়দেব বিশ্বাস করতেন—
ঈশ্বরকে পেতে হলে দরকার শুদ্ধ প্রেম।
লোক দেখানো পূজা নয়, চাই হৃদয়ের ভক্তি।
🌸 পদ্মাবতীর আগমন
জয়দেবের জীবনে এলেন পদ্মাবতী। তিনি ছিলেন শান্ত, সংযমী, অথচ দৃঢ়চেতা এক নারী। সংসারের সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে তিনি জয়দেবকে দিলেন সাধনা ও সৃষ্টির অবসর।
দিনের পর দিন জয়দেব বসে লিখতেন, আর পদ্মাবতী নীরবে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতেন—যেন সেই আলোতেই জন্ম নেয় কবিতার শব্দ।
📜 গীতগোবিন্দ রচনার সেই রাত
এক রাতে জয়দেব লিখতে বসেছেন তাঁর মহাকাব্য ‘গীতগোবিন্দ’। রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমকথা ফুটে উঠছে তাঁর কলমে। কিন্তু এক জায়গায় এসে তাঁর হাত থেমে গেল।
সেই পংক্তিতে তিনি ভাবছিলেন—
কৃষ্ণ রাধার চরণে মাথা নত করছেন।
জয়দেব কেঁপে উঠলেন।
তিনি ভাবলেন,
“আমি কী করে ভগবানকে একজন মানবীর পায়ে মাথা নত করাই?”
এই দ্বন্দ্বে তিনি কলম রেখে উঠে পড়লেন। বাইরে বেরিয়ে গেলেন গভীর চিন্তায়।
জয়দেব যাওয়ার পরপরই, ঠিক তাঁর মতো দেখতে এক ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করলেন। পদ্মাবতী তাঁকে স্বামী ভেবে সাদরে বরণ করলেন। সেই ব্যক্তি শান্তভাবে বসে অসমাপ্ত পংক্তিটি লিখে দিলেন—
“দেহি পদপল্লবমুদারম্”
(হে প্রিয়, তোমার চরণযুগল আমাকে দাও)
লেখা শেষ করেই তিনি অদৃশ্য হয়ে গেলেন।
জয়দেব ফিরে এসে সব শুনলেন। তাঁর চোখ জলে ভরে উঠল। তিনি বুঝলেন—
এই মানুষ আর কেউ নন, স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ।
তিনি তখনই উপলব্ধি করলেন—
ভক্তির কাছে ঈশ্বরও নত হন।
প্রেমের কাছে দেবত্বও হার মানে।
পদ্মাবতীর চরণে মাথা রেখে জয়দেব কেঁদে ফেললেন।
🎶 সেই কাহিনি ঘিরেই কেন্দুলী মেলা
এই ঘটনাই কেন্দুলীকে করে তোলে পবিত্র তীর্থ। সেই স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে শুরু হয় মকর সংক্রান্তির কেন্দুলী মেলা।
প্রতি বছর এই সময়—
বাউলরা আসে একতারা হাতে
বৈষ্ণবরা গায় রাধাকৃষ্ণের নাম
সারারাত ধরে চলে কীর্তন
সাধু-সন্ন্যাসীরা বসে ধ্যানে
মেলা জুড়ে যেন শোনা যায় জয়দেবের কবিতার সুর।
🌾 আজও বেঁচে থাকা প্রেম
শত শত বছর পেরিয়ে গেছে।
জয়দেব নেই, পদ্মাবতী নেই।
কিন্তু মকর সংক্রান্তির দিন—
অজয় নদ আজও সাক্ষী থাকে,
কেন্দুলীর বাতাস আজও বহন করে সেই প্রেমের গল্প।
মানুষ আজও বিশ্বাস করে—
যেখানে প্রেম আছে, সেখানেই ঈশ্বর।

🕉 মকর সংক্রান্তি ও পিতামহ ভীষ্ম...    🟠 মকর সংক্রান্তি, সূর্য আজ উত্তরায়ণে উঠেছে…আর কুরুক্ষেত্রের শরশয্যায় শুয়ে থাকা ...
14/01/2026

🕉 মকর সংক্রান্তি ও পিতামহ ভীষ্ম...

🟠 মকর সংক্রান্তি, সূর্য আজ উত্তরায়ণে উঠেছে…
আর কুরুক্ষেত্রের শরশয্যায় শুয়ে থাকা মহাবীর গঙ্গা পুত্র পিতামহ ভীষ্ম আজ বিদায় নিলেন…

তিনি তখনই যেতে পারতেন, কিন্তু তিনি অপেক্ষা করেছিলেন উত্তরায়ণের জন্য ।
কারণ আজ সেই পবিত্র দিন — মকর সংক্রান্তি, যেদিন আত্মা ব্রহ্মে, ভগবানের পথে যাত্রা করে…

আর আজ সেই দিনেই গঙ্গা পুত্র পিতামহ ভীষ্ম ভগবানের কাছে চলে গেলেন ।

যুদ্ধ জয় করেননি, রাজ্য চাননি —
শুধু ধর্মের জন্য, সত্যের জন্য, জীবনটাকে তীরের শয্যায় উৎসর্গ করলেন ।

পিতামহ ভীষ্ম আজ দেহ ছাড়লেন না…
আজ তিনি মুক্ত হলেন ।
যতদিন পৃথিবীতে ধর্ম থাকবে,
ততদিন শরশয্যার ওপর শুয়ে থাকা সেই গঙ্গা পুত্র পিতামহ ভীষ্ম যোদ্ধার চোখের শান্তি আমাদের শেখাবে —
কিভাবে যন্ত্রণা বুকে নিয়ে ভগবানের দিকে হাসতে হয় ।

প্রণাম পিতামহ ভীষ্মকে । প্রণাম ধর্মকে । প্রণাম সূর্যকে ।

​​ ​​ ​​ ​​ ​​

Karma Bhakti Gyan

🕉 শুভ মকর সংক্রান্তি, জয় কপিল মুনি 🙏      ​​  ​​  ​​  ​​  ​​   Karma Bhakti Gyan
14/01/2026

🕉 শুভ মকর সংক্রান্তি, জয় কপিল মুনি 🙏

​​ ​​ ​​ ​​ ​​

Karma Bhakti Gyan

🕉 গতকাল ১১ জানুয়ারী, ২০২৬ রবিবার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুরের নীলগঞ্জ সুভাষনগরে অনুষ্ঠিত হলো "ঐশীতপা ...
12/01/2026

🕉 গতকাল ১১ জানুয়ারী, ২০২৬ রবিবার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুরের নীলগঞ্জ সুভাষনগরে অনুষ্ঠিত হলো "ঐশীতপা মহোৎসব" ।
ছবি সৌজন্য : সমাজ মাধ্যম ।

​​ ​​ ​​ ​​ ​​

Karma Bhakti Gyan

🕉 শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভুর গম্ভীরা লীলা...১. গম্ভীরা কী? — ঐতিহাসিক ও স্থানগত পরিচয়...গম্ভীরা হল শ্রীক্ষেত্র পুরীর জগ...
12/01/2026

🕉 শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাপ্রভুর গম্ভীরা লীলা...

১. গম্ভীরা কী?
— ঐতিহাসিক ও স্থানগত পরিচয়...
গম্ভীরা হল শ্রীক্ষেত্র পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নিকটবর্তী এক ক্ষুদ্র কক্ষবিশিষ্ট গৃহ, যেখানে
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর অন্ত্যলীলা কালে (প্রায় শেষ ১২ বছর) অধিকাংশ সময় অতিবাহিত করেন ।
প্রমাণ....
“গম্ভীরায় রহিল প্রভু অন্তরঙ্গ সহচর”
— চৈতন্য চরিতামৃত, অন্ত্যলীলা ২.১
এই লীলাকালেই মহাপ্রভু বাহ্যজগত থেকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে অন্তর্হিত হয়ে যান ।

২. গম্ভীরা লীলার মূল তত্ত্ব — রাধাভাব ও কান্তি । চৈতন্য মহাপ্রভু নিজেই ঘোষণা করেছেন—
“শ্রী-রাধায়াঃ প্রণয়-মহিমা কিদৃশো বাণৈব স্বাদ্যঃ
কান্ত্যাঃ কৃষ্ণস্যা মধুরিমা কিদৃশো বা মদীয়ঃ
সৌখ্যং চাস্যা মদনুভবতঃ কিদৃশং বেতি লোভাত্
তদ্ভাবাধ্যঃ সমজনি শচীগর্ভসিন্ধৌ হরীন্দুঃ”
— চৈতন্য চরিতামৃত, আদিলীলা ১.৬
অর্থাৎ ...
শ্রীকৃষ্ণ রাধার প্রেম, রাধার দৃষ্টি থেকে নিজের মাধুর্য ও রাধার প্রেমানন্দ আস্বাদন করতেই গৌররূপে অবতীর্ণ হন ।

এই তত্ত্বের চূড়ান্ত বিকাশ ঘটে গম্ভীরা লীলায় ।
৩. গম্ভীরা লীলা = রাধার বিরহের চূড়ান্ত প্রকাশ
গম্ভীরায় মহাপ্রভু—
নিজেকে রাধারূপে অনুভব করেন
কৃষ্ণ-বিরহে উন্মাদপ্রায় হন
রাধার বিরহের লক্ষণসমূহ প্রকাশ পায়
শাস্ত্রীয় লক্ষণসমূহ (উজ্জ্বল নীলমণি অনুসারে):
রাধার বিরহে যে যে ভাব প্রকাশ পায়, তা গম্ভীরায় মহাপ্রভুতে প্রকাশিত—
দৈন্য (অত্যন্ত হীনবোধ)
উন্মাদ
চিত্রজল্প
প্রলাপ
দেহবিকার (দেহ লম্বা হওয়া, সংকুচিত হওয়া, অচেতনতা)
“কখনো দেহ বাড়ে, কখনো ক্ষুদ্র হয়
কখনো ভূমে পড়ে, কখনো উঠে যায়”
— চৈতন্য চরিতামৃত, অন্ত্যলীলা ১৭

৪. স্বরূপ দামোদর ও রায় রামানন্দের ভূমিকা
গম্ভীরা লীলার দুই প্রধান সাক্ষী ও সেবক—
স্বরূপ দামোদর গোস্বামী
মহাপ্রভুর ভাব-রক্ষক
অপ্রাকৃত ভাব সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ পেতে দিতেন না
গম্ভীরায় কেবল তিনিই ও রায় রামানন্দ প্রবেশের অনুমতি পেতেন ।

রায় রামানন্দ,মহাপ্রভুর রস-সহচর রাধাকৃষ্ণ তত্ত্বে সর্বোচ্চ রসজ্ঞ গম্ভীরায় মহাপ্রভুর সঙ্গে রাধাভাব আলোচনা করতেন ।
“এই দুই সহচর বিনা কেহ নাহি জানে
প্রভুর অন্তরঙ্গ ভাব কেমনে থাকে প্রাণে”
— অন্ত্যলীলা

৫. গম্ভীরায় গীত শ্লোক ও গোপীগীত
মহাপ্রভু গম্ভীরায় প্রায়শই আবৃত্তি করতেন—
গোপীগীত (ভাগবত ১০.৩১)
“হা নাথ রমণ প্রিয় নিকিল রসিকেশ
কৃষ্ণ, বিনা তো’ আর কেহ নাই শরণেশ”
তিনি এই শ্লোকগুলি রাধার কণ্ঠে উচ্চারণ করতেন ।
“রাধার ভাব অবলম্বি প্রভু করে গান
শুনিয়া দুই ভক্তের হৃদি ভাঙ্গে প্রাণ” ।

৬. গম্ভীরা লীলা কেন গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের শিখর ?
কারণ—
এখানে ভগবান নিজে ভক্তের ভূমিকা গ্রহণ করেছেন ।
রাধাভাবের সর্বোচ্চ প্রকাশ
ভক্তি-রসের চূড়ান্ত নিদর্শন
সাধনার চরম লক্ষ্য— বিরহ-ভক্তি
“বিরহে রাধিকা যাহা অনুভব করে
সেই রস আস্বাদে গৌরাঙ্গ অবতরে”

গম্ভীরা লীলা কেবল ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি—
গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শনের হৃদয়
রাধাকৃষ্ণ প্রেমের চূড়ান্ত প্রকাশ
সাধকের জন্য অগম্য কিন্তু আরাধ্য আদর্শ ।
তাই আচার্যরা বলেন—
“গম্ভীরা লীলা বুঝিতে গেলে
নিজেকে হারাইতে হয় ।”

রাধাভাবের ১৯টি লক্ষণ....
(শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর গম্ভীরা লীলায় প্রকাশিত)
এই ১৯টি ভাব মূলত বর্ণিত হয়েছে—
উজ্জ্বল-নীলমণি (শ্রীল রূপ গোস্বামী)
চৈতন্য চরিতামৃত – অন্ত্যলীলা
ভক্তিরসমৃতসিন্ধু

১. অভিলাষ (কৃষ্ণ-সান্নিধ্যের আকাঙ্ক্ষা)
রাধার একমাত্র কামনা—কৃষ্ণদর্শন।
গম্ভীরায় মহাপ্রভু ক্রন্দন করে বলেন—
“কৃষ্ণ কোথায়? কৃষ্ণ কোথায় ?”
এটি রাধার উন্মীলিত অভিলাষ ।

২. চিন্তা (অবিরাম স্মরণ)
কৃষ্ণের লীলার স্মরণে মন স্থির থাকে না ।
মহাপ্রভু নিশ্বাসে নিশ্বাসে কৃষ্ণনাম স্মরণ করতেন ।

৩. স্মৃতি (পূর্বলীলা স্মরণ)
বৃন্দাবনের কুঞ্জ, যমুনা, রাসলীলা স্মরণ করে বিলাপ ।
“স্মরণে স্মরণে প্রাণ উচাটন হয়”

৪. গুণকথন (কৃষ্ণগুণ বর্ণনা)
মহাপ্রভু কৃষ্ণের রূপ, বেণু, মাধুর্য বর্ণনা করতেন রাধার কণ্ঠে ।

৫. উদ্বেগ (অস্থিরতা)
কৃষ্ণবিরহে এক মুহূর্তও স্থির থাকতে না পারা ।“ক্ষনে ক্ষনে চিত্ত উচাটন হয়”

৬. প্রলাপ (অসংলগ্ন বাক্য)
রাধার মতো মহাপ্রভু কথা বলতেন—
“হে নাথ! হে রমণ!”
যা বাহ্যদৃষ্টিতে অসংলগ্ন মনে হত ।

৭. উন্মাদ (দিব্য উন্মত্ততা)
জ্ঞান–বিবেচনার ঊর্ধ্বে ভাবাবেশ ।
“উন্মাদ প্রায় প্রভুর চিত্ত”

৮. ব্যাধি (দেহযন্ত্রণা)
বিরহে দেহ কষ্ট পায়, নিদ্রা ও আহার লুপ্ত ।

৯. জড়তা (নিস্তব্ধতা)
কখনো ঘন্টার পর ঘন্টা নিশ্চল হয়ে থাকতেন ।

১০. গ্লানি (অবসাদ)
শরীর ক্ষীণ, অশ্রু প্রবাহ অবিরাম ।

১১. মোহ (ভ্রমাবস্থা)
কৃষ্ণকে সর্বত্র দর্শন—
দেয়াল, স্তম্ভ, অন্ধকারে কৃষ্ণ দর্শন ।

১২. মূর্ছা (চেতনালুপ্তি)
হঠাৎ অচেতন হয়ে ভূমিতে পতন ।
“মূর্ছিত হইয়া ভূমে পড়ে প্রভু”

১৩. মৃত্যুবৎ অবস্থা
প্রাণপ্রায় দেহ, শ্বাস প্রায় রুদ্ধ ।

১৪. দেহবিকার (অপ্রাকৃত রূপান্তর)
দেহ লম্বা হওয়া
অস্থিসন্ধি বিচ্ছিন্ন প্রায়
“অস্থি সন্ধি যেন বিচ্ছিন্ন হয় ।

১৫. বৈবর্ণ্য (কান্তি পরিবর্তন)
গৌরকান্তি কখনো কৃষ্ণকান্তির ন্যায় শ্যামল ।

১৬. অশ্রুধারা (নিরবচ্ছিন্ন অশ্রু)
নয়ন থেকে অবিরাম অশ্রুপ্রবাহ ।
“অশ্রু নদী বহে দুই নয়নে”

১৭. স্তম্ভ (দেহ স্থবিরতা)
দেহ পাথরের মতো স্থির ।

১৮. স্বরভঙ্গ (কণ্ঠ রুদ্ধতা)
কণ্ঠে শব্দ উচ্চারণ অসম্ভব হয়ে পড়ে ।

১৯. চিত্রজল্প (অতিশয় গূঢ় প্রলাপ)
এটি সর্বোচ্চ অবস্থা ।
“হে দিনবন্ধু! হে রমণ!
কেন মোরে পরিহারি গেলা?”
রাধা নিজের মন, প্রকৃতি, কৃষ্ণের সাথে কথোপকথন করেন—
এই অবস্থাই গম্ভীরায় মহাপ্রভুর চূড়ান্ত প্রকাশ ।

সিদ্ধান্ত (গৌড়ীয় বৈষ্ণব মত)....
এই ১৯টি লক্ষণ সাধারণ সাধকের অনুকরণযোগ্য নয় ।
এগুলি কেবল ভগবানের লীলা ।
আমাদের সাধনা হলো—
গম্ভীরার প্রতি শ্রদ্ধা, মৌনতা ও নামাশ্রয়
“অনুকরণ নহে ভজন”
— শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী

সংগৃহীত....

​​ ​​ ​​ ​​ ​​

Karma Bhakti Gyan

12/01/2026

​​ ​​ ​​ ​​ ​​

Karma Bhakti Gyan

🕉 কয়েক যুগ পূর্বেও একটা ধর্মীয় প্রবাদ বাক্য শোনা যেত “সব তীর্থ বারবার, গঙ্গা সাগর একবার” । গঙ্গা সাগর মেলা নিয়ে এই প্রবা...
12/01/2026

🕉 কয়েক যুগ পূর্বেও একটা ধর্মীয় প্রবাদ বাক্য শোনা যেত “সব তীর্থ বারবার, গঙ্গা সাগর একবার” । গঙ্গা সাগর মেলা নিয়ে এই প্রবাদ বাক্যের কারণ হিন্দু ধর্মের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কপিলমুনির মন্দিরস্থিত গঙ্গা সাগর ছিল অতি দুর্গম । এখন সময় বদলেছে । তবে সময় বদলালেও এবং যুগের পরিবর্তন হলেও গঙ্গা সাগর মেলা উপলক্ষ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সাধু-সন্নাসীদের আগমনে কখনো ব্যাঘাত ঘটে নি । যুগ যুগ ধরে তাঁরা গঙ্গা সাগর মেলায় আসতেন আজও আসেন । গঙ্গা সাগর যাওয়ার পূর্বে তাঁরা কয়েকদিন কাটিয়েযান কলকাতা শহরের বাবুঘাট অঞ্চলের অস্থায়ী ঠিকানায় । এখানেই তাঁরা দর্শনার্থীদের দর্শন দেন ও আশীর্বাদ করেন (অনেকের ধারণা রেগে গেলে তাঁরা অভিশাপও দেন) । বর্তমান সময়ে কলকাতা শহর যখন অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কবলে তখন সাধুদের এই বস্ত্রহীন শরীর সকলকে অবাক করে । এটাই হয়ত ঈশ্বরের মাহাত্ম্য । বাবুঘাটে আগত সাধুদের এই অস্থায়ী আবাসস্থলের একঝলক তুলে ধরলেন চিত্রগ্রাহক সৌমিত্র মৌলিক ।

​​ ​​ ​​ ​​ ​​

Karma Bhakti Gyan

12/01/2026

🕉 গতকাল ১১ জানুয়ারী, ২০২৬ রবিবার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুরের নীলগঞ্জ সুভাষনগরে অনুষ্ঠিত হলো "ঐশীতপা মহোৎসব" ।
ছবি সৌজন্য : সমাজ মাধ্যম ।

​​ ​​ ​​ ​​ ​​

Karma Bhakti Gyan

🕉 কলিযুগ সম্পর্কে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভবিষ্যদ্বাণী কী ছিল ? 🟠 "কলিযুগ হবে পাপ ও অধর্মের যুগ, যেখানে মানুষ স্বার্থপর ও লোভী...
12/01/2026

🕉 কলিযুগ সম্পর্কে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ভবিষ্যদ্বাণী কী ছিল ?

🟠 "কলিযুগ হবে পাপ ও অধর্মের যুগ, যেখানে মানুষ স্বার্থপর ও লোভী হবে, সম্পর্কের অবনতি ঘটবে । কিন্তু এই যুগে ঈশ্বরের নাম জপ (হরে কৃষ্ণ) করার মাধ্যমে মানুষ মুক্তি পেতে পারে এবং এটিই কলিযুগের সবচেয়ে সহজ পথ ।"

​​ ​​ ​​ ​​ ​​

Karma Bhakti Gyan

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Karma Bhakti Gyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share