Smell of Books Publication

Smell of Books Publication Ultimate destination for old and new books!!!

ভয় ব্যাপারটা আমার কাছে বহুমাত্রিক। ভয়ের গল্প মানেই যে ভূতের গল্প হতে হবে বা কোন অপজাগতিক এন্টিটি হতে হবে তার কোন মানে ...
21/09/2026

ভয় ব্যাপারটা আমার কাছে বহুমাত্রিক। ভয়ের গল্প মানেই যে ভূতের গল্প হতে হবে বা কোন অপজাগতিক এন্টিটি হতে হবে তার কোন মানে নেই। গত বছরের তুলনায় এই বছর আমরা অর্থাৎ Smell of Books Publication ভয়ের বইয়ের পরিমান অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছি। আমাদের ইন্টেনশন এক একটি বই পড়ে পাঠকের সামনে খুলে যাক এক এক রকমের ভয়ের দরজা।
এই পোস্টে আমি তিনটি বইয়ের উল্লেখ করতে চাই, এমন তিনটি বই যেগুলি প্রকাশিত হচ্ছে বইমেলার আগেই। ধরে নিতে পারেন আমাদের "ভয়ের" প্রজেক্টগুলি নিয়ে এটা প্রথম পোস্ট, যাতে পাঠকদের বুঝতে সুবিধা হয় ঠিক কিরকম ধরনের কাজ আমরা করছি।

প্রথম বইটি আকাশ গুহ র "ত্রিকায়া"। বইটিতে আদতে তিনটে উপন্যাসিকা থাকলেও এটাকে একটি সিঙ্গেল বড় উপন্যাস হিসেবেও ধরতে পারেন। কেন?? সেটা জানার জন্য না হয় আরো কিছুদিন অপেক্ষা করুন.... কিন্তু ঠিক কি আছে এই বইটিতে। আকাশ তাঁর চিরাচরিত ছন্দে সেটাই করেছেন যেটা তিনি সবচেয়ে ভালো করেন। অর্থাৎ র এবং আনফিল্টার্ড ভয় দেখানো। ডেমনিক বা অকাল্ট হরর, লাভক্রাফটিয়ান ক্রিয়েচর হরর এবং প্যারানরম্যাল....তিন রকমের উপধারা এখানে লেখক নিয়ে এসেছেন। আবার চাইলে এগুলোকে মনস্তাত্ত্বিক হরর বললেও ভুল হবে না। আরেকটা মজার ব্যাপার রয়েছে এই বইটিতে। গল্পগুলো পাঠক চাইলে যেকোনো ক্রমে পড়তে পারেন, এবং শেষে গিয়ে একটা পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস পড়ার অভিজ্ঞতাই পাঠকের হবে, কিন্তু এক এক ক্ষেত্রে অনুভূতি এক এক রকমের হবে। তবে যে অনুভূতিটি থাকবেই তা হল শিরদাঁড়া দিয়ে বরফ গলা জল নেমে যাওয়ার অনুভূতি।

আকাশের বইয়ের ক্ষেত্রে ভয় যদি ফাস্ট পেসড এবং অন ইয়োর ফেস হয় তবে দ্বিতীয় বইয়ের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা হবে একদমই উল্টো। ভয় এখানে শুঁয়োপোকার মত গুঁড়ি মেরে উঠবে, কিন্তু সেটা চামড়ার নিচ দিয়ে। বিগত কয়েক বছরে বাংলা সাহিত্যে ভয়ের যে কম্বিনেশনটাকে আমার সর্বোচ্চ মাপের সাহিত্য মনে হয়েছে তা হলো পিয়া সরকার এবং ফোক হরর। পিয়ার গল্পে সরাসরি কোন ভৌতিক এন্টিটি র প্রবেশ ঘটে না, তাঁর গল্পে অন্ধকার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লুকিয়ে থাকে মানুষের মনে এবং সমাজের অন্ধকার দিকে। গল্প শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও বুঝতে অসুবিধে হয় যে গল্পগুলির আসল ইভিল কে?? কোন অপজাগতিক সত্ত্বা না আমরা নিজে। পিয়ার এই বইতে রয়েছে চারটি উপন্যাসিকা যা উঠে এসেছে আমাদেরই সমাজের বিভিন্ন বিশ্বাস এবং অবিশ্বাস থেকে। কখনো বীরভূম, কখনো কালিম্পং, কখনো আমাদেরই আশেপাশের একটা ভুলোয় পাওয়া গ্রাম আবার একটি ক্ষেত্রে গোয়া। ভৌতিক গল্প কখনো উচ্চমানের সাহিত্য হতে পারেনা, এই অভিযোগ যাঁরা করেন, তাঁদের অনুরোধ করবো এই বইটি অন্তত একবার পড়ার জন্য। আসছে পিয়া সরকার এর "দ্যা ওয়াচার্স"।

আপনারা সবাই জানেন খুব শীঘ্রই আমাদের একটি ভৌতিক সংকলন আসতে চলেছে। সম্পাদনায় মালবিকা দাশগুপ্ত এবং মনীষ মুখোপাধ্যায় । এই সংকলনের মূল ভাবনা আমাদের নিজেদের জীবনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এক্সপিরিয়েন্স করা কোন প্যারানরমাল ঘটনা। সেই ঘটনা কোন ভৌতিক উপদ্রব হতে পারে, আরবান বা রুরাল শামানিজম্ হতে পারে কিংবা হতে পারে কোন দৈবী অথবা অ দৈবী ভর। আজকের আলোচনা এই সংকলনটি নিয়ে নয়, বরঞ্চ কিভাবে সংকলনটির ইনস্পিরেশন আমরা পেলাম তাকে নিয়ে। দিন কয়েক আগে বাংলার বিখ্যাত একটি প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটিভ টিম তাঁদের একটি বিশেষ কেস নিয়ে একটি বই করার জন্য আমাদের অ্যাপ্রোচ করে। বইটির মূলে রয়েছে একটি আপাত অসম্ভব পজেশন এর সত্যি কাহিনী, কিন্তু সেই কাহিনীর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই ইনভেস্টিগতিভ টিমের আরো কয়েকটি ভৌতিক এনকাউন্টারের গল্প। কাহিনীর প্লট লাইন এবং আইডিয়া আমাদের এতটাই আকৃষ্ট করেছিল যে আমরা সিদ্ধান্ত নিই এই বইটি ইংরেজি এবং বাংলা দুটো ভাষাতেই আমরা পাবলিশ করব। মূল গল্প লিখবে সেই টিম অর্থাৎ of Supernatural আর গল্পের ফাইন টিউনিং এবং পলিশিং করব আমরা। বুঝতেই পারছেন বেশ বড় একটা কর্মকান্ড এবং এতে অনেকেই যুক্ত আছেন। ব্যাপারটা হল, DOS টিমের সাথে যা হয়েছে তা নিয়ে পরে বলব, কিন্তু তার বাইরে অন্যান্য যারা এই প্রজেক্ট এর সাথে যুক্ত, যার মধ্যে আমিও আছি, প্রত্যেকের সাথে শেষ কয়েক দিনে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যেগুলোর ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয়, আর সেগুলো আদৌ পজিটিভ কিছু না। একটা সময় মনে হচ্ছিল এই প্রজেক্টটি আমরা আর করব না, কিন্তু তার পরে Devraj Sanyal এর জেদের জন্যেই অবশেষে সেই বইয়ের ইংরেজি ভার্সন এর কাজ প্রায় শেষের পথে। এই ইনভেস্টিগেশন টি চালানোর সময় ওদের টিমের সাথে যা হয়েছিল এবং তারপর আমাদের সাথে যা হয়, সেই ভাবনা থেকেই আসবে পূর্বে উল্লিখিত সংকলনটি। সেখানে উল্লেখ করব Mohona Debroy এর "অথচ নগরী মৃত" এবং Krishanu Kundu র এপিক ট্রিলজি নিয়ে।

আলোচনার শুরুতেই বলেছিলাম আমার কাছে ভয়ের সংজ্ঞা বহুমাত্রিক। আশা করি এই লেখার মাধ্যমে কিছুটা বোঝাতে পারলাম এই ঘরানায় আমরা কতটা স্পেকট্রাম কভার করছি। খুব শীঘ্রই পোস্ট করব আমাদের প্রকাশিত এবং প্রকাশিতব্য অন্যান্য ভয়ের বইগুলির ব্যাপারে।

এবার এতটা লেখা যখন আপনারা পড়েই নিয়েছেন তাহলে শেষে আপনাদের জন্য একটা ছোট্ট ওপিনিয়ন পোল রইল। তৃতীয় বইটির ক্ষেত্রে প্রচ্ছদ হিসেবে দুটো আইডিয়া নিয়ে আমরা নাড়াচাড়া করছি। দেবরাজ দের আইডিয়া প্রচ্ছদটি সিনেম্যাটিক করার এবং আমরা কিছুটা মিনিমালিস্টিক এবং সাটল রাখতে চাইছি। আপনাদের কোন প্রচ্ছদটা পছন্দ জানাবেন।

Sumit Gangopadhyay Tathagata Chaudhuri Ratnadip Chatterjee

“রাজ্যে সরকার দরকার অথর্ব” - গভীর চিন্তার নদী থেকে ডুব দিয়ে উঠে বললেন বজ্রপাণি।“জানি। কিন্তু এইসময় জনমত উল্টোদিকে। নসীরা...
20/09/2026

“রাজ্যে সরকার দরকার অথর্ব” - গভীর চিন্তার নদী থেকে ডুব দিয়ে উঠে বললেন বজ্রপাণি।
“জানি। কিন্তু এইসময় জনমত উল্টোদিকে। নসীরাম বা মোহন কারো জনসমর্থনই সেরকম নয় যে নিশ্চিত আমাদের পক্ষের সরকার হবে রাজ্যে। আর তো সেরকম কোন বড় নেতাও নেই ওদের দলে”।
বজ্রপাণির মুখটা আরেকটু গম্ভীর হল।
“দয়াসুন্দরের কোন খবর?”
“না। খোঁজ চলছে। কিন্তু কোন খবর নেই”।
“আশ্চর্য” - এই প্রথম গাম্ভীর্যের মেঘ কেটে বেবাক বিস্ময় ঝিলিক দিল বজ্রপাণির চোখে - “সাত মাস হয়ে গেল। হাওয়ায় মিলিয়ে গেল নাকি জলজ্যান্ত লোকটা?”

----------

বই বেরোনোর এক মাস আগে থেকেই লেখকের মাথা খেয়ে নিয়েছিলাম এটার জন্য, তখন লেখক অর্থাৎ Koustav Bhattacharya এর এক্সকিউজ ছিল আগে এই বইটা তো চলতে দাও। একেই কোন ভৌতিক বা তথাকথিত অর্থে থ্রিলার নয়, তার ওপর এতটা মোটা বই.....
আমার কিন্তু ইনটিউশন বলেছিল এই বই চলবেই.... ১৫ই অগাস্ট বই বেরোনোর পরে আজকে ২০ সেপ্টেম্বর। বই বিক্রির সংখ্যা ২৫০ টপকিয়ে ৩০০ র পথে..... আর তার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে হয় বিভিন্ন পাঠক পাঠিকারা যারা তাদের ভালো লাগার কথা সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন।

হ্যাঁ এটা টিয়াগড়ের সিকুয়েল। আর হ্যাঁ হ্যাঁ এটা ওডিসিরই বিনির্মাণ। টিয়াগড় স্টাইলেই বজ্রপাণি হলেন জিউস, আর অথর্ব যে এথেনা সেটা তো জানেনই।

আমি আপাতত লেখক কে তাড়া দি সিকুয়েল অর্থাৎ "খরবায়ু" লেখার জন্যে.... বইমেলায় নিয়ে আসতে হবে তো।
আর যাদের ইচ্ছে আছে তারা এবং Sumit Gangopadhyay তাড়া দিন প্রিকুয়েল এর জন্যে।

যারা এখনো "টিয়াগড়" পড়েননি তাদের জন্যে লিংক রইল নিচে

https://www.smellofbooks.in/product-page/tiyagarh-kaustav-bhattacharya

মুদ্রিত মূল্য ₹৪৯৯

সালটা ২০১৬। দীর্ঘ ছয় বছর প্রবাসে কাটিয়ে ফিরলাম কলকাতা। জয়েনিং কোম্পানি কগ্নিজ্যান্ট। ইন্টার্ভিউ প্রসেস চলাকালীন এবং ত...
15/09/2026

সালটা ২০১৬। দীর্ঘ ছয় বছর প্রবাসে কাটিয়ে ফিরলাম কলকাতা। জয়েনিং কোম্পানি কগ্নিজ্যান্ট। ইন্টার্ভিউ প্রসেস চলাকালীন এবং তারপরে, হায়ারিং ম্যানেজার, যিনি নিজে চেন্নাই নিবাসী, বারবার করে বলেছিলেন যে কলকাতায় আমার জয়েনিং লোকেশন হবে বানতলা। সেই সময় কলকাতা ফেরার আনন্দে এই ছোট্ট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টটা বিশেষ পাত্তা দেইনি।
অবশেষে যখন জয়েন করলাম তখন হাড়ে হাড়ে বুঝেছিলাম বানতলা লেদার কমপ্লেক্স কি জিনিস। প্রায় দু বছর এই ক্যাম্পাসে কাটিয়েছিলাম, বার তিনেক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্মুখীন হয়েছি তথাকথিত অপ্রাকৃত অভিজ্ঞতার।
প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে পরে কোনদিন লিখব, আজকে বলি একটি পরোক্ষ অভিজ্ঞতার কথা। লেদার কমপ্লেক্স থেকে আমাদের বাড়ি অর্থাৎ এয়ারপোর্ট এর দিকে ফেরার দুটো রাস্তা ছিল। এর মধ্যে প্রথমটি অর্থাৎ বাসন্তী হাইওয়ে আমরা রাত্রি হোক কি দিনের বেলা যেকোন সময়ে অ্যাভয়েড করতাম কারণ কগ্নিজ্যান্ট বানতলায় বলা হত ওই রাস্তায় এক্সিডেন্টের জন্যে প্রতি মাসে গড়ে একজন করে এমপ্লয়ী মারা যায়। কখনো কখনো নাম্বারটা তিন, চার কিংবা একটি বিশেষ ক্ষেত্রে গোটা বাসসুদ্ধ এমপ্লয়ী ছিল। তাই আমরা নিতাম অপেক্ষাকৃত খারাপ কিন্তু তুলনামূলক নিরাপদ রাস্তাটা অর্থাৎ ভোজেরহাট হয়ে হাতিশালা হয়ে নিউটাউন হয়ে এয়ারপোর্ট। এই রাস্তাটাও বিশেষ সুবিধার ছিল না। একে বিশুদ্ধ ভাঙর অর্থাৎ রাজনৈতিক সন্ত্রাস এবং লোকাল ড্রাইভারদের কথায় তেনাদের উপস্থিতিও মাঝেমধ্যে পাওয়া যায়। আমরা সাধারণত রাত্রি আটটা বা নটার সময় ক্যাব নিয়ে যখন ফিরতাম তখন অর্থাৎ ২০১৬-১৭ সালে ভোজেরহাট থেকে হাতিশালা ঘুটঘুট করতো অন্ধকার। এই রাস্তার ওপর খান তিনেক বাগানবাড়ি ছিল, যেগুলো বাগানবাড়ি কম বাঁশবাগান বেশি ছিল।
এদের মধ্যে একটি বাগানবাড়িতেই হয়েছিল ঘটনাটা। একদিন অফিস থেকে ক্যাব নিয়ে বেরিয়েছি রাত ৮ টা নাগাদ, ভোজেরহাটে ঢুকে দেখি একটি জায়গায় অন্যান্য দিনের তুলনায় ঝকঝক করছে আলোয়, গোটা রাস্তা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা প্রচুর পুলিশের গাড়ি, ওবি ভ্যান ইত্যাদি। কি হয়েছে জিজ্ঞেস করায় জানতে পারলাম শ্যুটিং চলছে, শুনতে পেলাম অনুষ্কা শর্মা এবং পরমব্রত র নাম। পরের দিন খবরের কাগজে জানতে পেরেছিলাম যে "পরী" সিনেমার শুটিং এর জন্যে ওই বাগানবাড়িটা ভাড়া নেওয়া হয়েছে, লোকেশানে শুটিং চলবে চার থেকে পাঁচ দিন। তৃতীয় দিনের মাথায় যখন ওই রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে শুটিং পার্টির ভিড়ের সাথে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, সেদিন অফিস যাওয়ার পথে যিনি ক্যাব ড্রাইভার ছিলেন, হঠাৎ করে বলে বসেন, জানেন দাদা, এই বাগানবাড়িটা খুব একটা সুবিধের নয়। কৌতুহলী হয়ে কারণ জিজ্ঞেস করায় ভদ্রলোক পরিষ্কার করে কোন উত্তর দিতে পারলেন না, শুধু এটুকু জানালেন যে বাগান বাড়ির মালিক শুটিং পার্টিকে ভাড়া দিতে চাননি, কিন্তু রেকি টিমের জায়গাটা এতটাই পছন্দ হয়েছিল যে অতিরিক্ত টাকা অফার করায় ভদ্রলোক রাজি হন।
শুটিং চলার কথা ছিল আরো দুদিন, কিন্ত সেদিন রাত্রিবেলায় ফেরার সময় দেখি সবাই পাততাড়ি গুটিয়ে পালিয়ে গেছে, জায়গাটা অন্যান্য দিনের মতো অন্ধকার এবং কেমন যেন একটা থমথমে নৈঃশব্দ। খবর নিয়ে জানতে পেরেছিলাম সেই দিন বিকেল বেলা শুটিং চলতে চলতে এক অত্যন্ত সিনিয়র এবং অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান হঠাৎ করে মারা যান সেই স্পটে। ক্যাব ড্রাইভার লোকাল লোক, তিনি খুব স্বাভাবিকভাবে বললেন এই জন্যই আমরা বাইরের লোকেদের কে এখানে ঢুকতে দেই না, ওনারা রেগে যান। কারা রেগে যান, কী বৃত্তান্ত সেই ব্যাপারে ভদ্রলোক মুখ খুলতে চাননি।
আজও যদি আপনারা পরী সিনেমাটার উইকিপিডিয়া পেজে যান দেখতে পাবেন ওই টেকনিশিয়ানের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা আছে।

কী বলবেন একে? নিছকই কাকতালীয় কোনও ঘটনা? তাহলে জে জে কলোনির পরিত্যক্ত হাসপাতালের মর্গে আজও কাদের ছায়া দেখা যায়? কেনই বা সুস্থ মানুষ ওই এলাকায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন?

উত্তর খুঁজবেন আপনি। আপনার কলমে। গল্প লিখবেন, আমাদের পাঠাবেন। শুধু মনে রাখবেন, এই পৃথিবীর প্রাচীন অন্ধকারে অজানা শক্তির আহ্বানে জেগে ওঠে মানুষের অন্য এক সত্তা... যে সত্তার খোঁজ আপনিই দেবেন...

গল্পগুলির বিষয়বস্তু তো বুঝতেই পারছেন। শুধু আত্মিক আবিষ্টতা বিভাগে কয়েকটি স্থানের নাম আমরা নির্দিষ্ট করে দিতে চাই... মুকেশ মিলস, জে জে হসপিটাল কলোনি, বেগুনকোদর রেলওয়ে স্টেশন, অগ্রসেন কি বাওলি, লম্বি দেহার মাইনস এবং ডুমাস বিচ। প্রত্যেকটি স্থানের কিছু ব্যাকস্টোরি আছে, কিছু অতীত কাহিনি রয়েছে। আর রয়েছে কিছু মিথ, কিছু অপার্থিব স্পর্শ...

তাহলে আর কী? গল্প পাঠান [email protected] এ। প্রথম তিনটি গল্প প্রখ্যাত সাহিত্যিকদের রচনার সঙ্গে স্থান পাবে আগামী সংকলনে। সেই সঙ্গে থাকছে সাম্মানিক ও সৌজন্য সংখ্যা।

Smell of Books Publication মনীষ মুখোপাধ্যায় মালবিকা দাশগুপ্ত

কোন কোন কাজ পিওর ইনটুইশন এর ভিত্তিতে করতে হয়। Koustav Bhattacharya   এর সাথে "স্ল্যাম ডাঙ্ক" এর পরে সম্পূর্ণ অন্য একটা ...
14/09/2026

কোন কোন কাজ পিওর ইনটুইশন এর ভিত্তিতে করতে হয়। Koustav Bhattacharya এর সাথে "স্ল্যাম ডাঙ্ক" এর পরে সম্পূর্ণ অন্য একটা প্রজেক্ট নিয়ে কথা চলছিল আগের বইমেলা চলাকালীন। সেখান থেকে আলোচনা ঘুরে যায় এই কাজটি নিয়ে। ইলিয়াড এর ট্রয়ের যুদ্ধকে মাওবাদী বনাম রাষ্ট্রের সংঘাতের রূপক নিয়ে অলরেডি একটি চিত্রনাট্য লিখেছিলেন লেখক। লেখককে বলি সব ছেড়ে আগে এই কাজটা করতে। তৈরী হয় "টিয়াগড়"। এখনো অব্দি বইটির যেকটা রিভিউ এসেছে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে বইটির ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। তবে গতকাল এসেছে বইটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রিভিউ। রিভিউ দিয়েছেন নান আদার দ্যান ঋজু গাঙ্গুলী। নিচে মূল রিভিউটি হুবহু তুলে দিলাম।

ওঃ আরেকটা স্পয়লার দিয়ে যাই। ডি.এস ফিরছেন, এবার ওডিসি। বই কবে আসছে জানতে লেখককে পাকড়াও করুন।

মূল রিভিউয়ের লিঙ্ক
https://www.goodreads.com/review/show/8938840469

****

সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যে এতদিনে সবাই জেনে গেছে যে 'টিয়াগড়' হচ্ছে 'ইলিয়াড'-এর এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী আত্তীকরণ। বইয়ের প্রচ্ছদ থেকে ব্লার্ব, শুরুতে সায়ন্তন ঠাকুরের কিঞ্চিৎ অনাবশ্যকভাবে বিস্তারিত ও স্পয়লার-ঠাসা মনোলগ, লেখকের কৈফিয়ত— সব মিলিয়ে মূল উপন্যাসের একটি পাতাও না পড়ে লোকে ব্যাপারটা বুঝে ফেলবে। বলেই ফেলা যাক যে হ্যাঁ, ট্রোজান ও গ্রিকদের সংঘাতের কাহিনিটির রূপক-কে মাওবাদী বনাম রাষ্ট্রীয় সংঘাতের বর্ণনায় ব্যবহার করেছেন লেখক।
কিন্তু প্রশ্ন সেটা নয়। প্রশ্ন হল, লেখক কি কাহিনির শুরু থেকে শেষ অবধি আমাদের ছুটিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছেন তাঁর ন্যারেটিভ ও চরিত্রচিত্রণের গুণে?
আজ্ঞে হ্যাঁ! নির্দ্বিধায় এ-কথা বলা চলে যে ছোটো-ছোটো— প্রায় বুলেটের মতো করে ছিটকে বেরোনো— বাক্য ও সংলাপের মধ্য দিয়ে লেখক আমাদের ছুটিয়ে নিয়ে গেছেন গল্পের শেষ অবধি।
এবার আপনি ভাবতেই পারেন, ইলিয়াড হোক বা লালগড়— গল্পের শেষ তো সব ক্ষেত্রেই আমাদের জানা। তাহলে আর এই গল্পের শেষ জানার জন্য আমরা আকুল হব কেন?
হব, কারণ এই উপন্যাসের ধূসর, দোষ-গুণে ভরা চরিত্রগুলোকে আমরা যে ভীষণ ভালোবেসে ফেলেছি ততক্ষণে! তাদের মধ্যে থাকা মহত্বের মধ্যে স্বার্থের বিষের নীল আভা দেখেছি আমরা। আবার তাদের ঘোর কালো রূপের পেছনে জ্বলতে থাকা স্বপ্ন আর প্রতিশোধের লাল আভাও ধরা দিয়েছে আমাদের চোখে।
বইটা পড়তে-পড়তে দুটো জিনিস আমি ক্রমাগত ট্র্যাক করার চেষ্টা করে চলেছিলাম।
প্রথমত, লেখক একে কতটা বাস্তবানুগ করবেন, আর কতটাই বা মিথিক্যাল?
এই প্রশ্নটা মনে এসেছিল একটা বিশেষ কারণে। গত শতাব্দীর ছয়ের দশকে বাংলায় নাট্য আন্দোলনের পুরোধারা একের পর এক ধ্রুপদী নাটককে ব্যবহার করেছেন চাওয়া ও পাওয়া, স্বপ্ন ও বাস্তবের চিরন্তন দ্বৈরথকে রূপকের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তুলতে। দৈব বা ভাগ্য সেখানে নিয়ন্ত্রণের অতীত এক সিস্টেম; ধ্বসের মধ্যেও একচিলতে নতুন সৃষ্টির মধ্য দিয়ে আলাদা হতে চাওয়া মানুষ সেখানে সিস্টেমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ। সেই ধারায় এই কাহিনিও কি হয়ে উঠবে পরিবর্তনের স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন নিয়ে লেখকের নিজস্ব ভাষ্য?
উত্তর হিসেবে আমি বলব, না। লেখক এই উপন্যাসে বরং প্রত্যেকটি চরিত্রের নিজস্ব বৃত্তের পূর্ণ হওয়ার ওপরেই জোর দিয়েছেন। তাতে থেকেছে দৈববাণীর মতো ভবিষ্যদ্বাণীর অতিলৌকিকতা। তারই সঙ্গে থেকেছে তাদের নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের যৌক্তিক পরিণতি।
দ্বিতীয়ত, অধিকাংশ নাগরিক মানুষের মতো তিনিও কি একটি পক্ষকে রোমান্টিসাইজ করে অন্যটিকে ভিলেইন বলে দাগিয়ে দেবেন?
এর কারণটাও স্পষ্ট। রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে যাদের দেখা যায়, তাদের আচরণের স্থূলত্ব প্রায়ই নাগরিক, সূক্ষ্ম মননের মানুষকে 'অন্যদিকে' ঠেলে দেয় শৌখিন বিপ্লবের আবির মাখিয়ে। বুঝতে চেয়েছিলাম, লেখক সেই স্টাইলে কাহিনির মধ্য দিয়ে কোনো আপ্তবাক্য বিতরণ করতে চাইবেন কি না।
হাঁফ ছেড়ে এবারও উত্তর দেব, না। কোনো সরলীকরণ না করে, বরং অতি বৃহৎ নানা স্বার্থ কীভাবে সব শ্রেণির, সব ধরনের মানুষকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলে— সেটাই সযত্নে দেখিয়েছেন লেখক।
যৌনতা, ঈর্ষা, লোভ, ভালোবাসা... এমন নানা অনুভূতির এই ল্যান্ডস্কেপ শেষ অবধি রক্তলাল, আগুনহলুদ হয়ে হাওয়ায় কাঁপতে-কাঁপতে স্থির হয়ে গেছে। তবু, এই শ্মশানের ওপর দিয়েই, গল্পের শেষে একঝাঁক সবুজ টিয়া ডানা মেলেছে আকাশে। আর সেখানেই হয়তো এই উপন্যাসের আসল সার্থকতা।
বইয়ের ছাপা ও লে-আউট দুর্দান্ত। অনিমিখ গাঙ্গুলীর অলংকরণ বইয়ের মূল ভাবটিকে দারুণভাবে ধরতে পেরেছে। সব মিলিয়ে বইটা পড়ার অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল।
বাংলায় যাঁরা রাজনীতি-সচেতন উপন্যাস পড়তে চান, তাঁরা এটিকে দয়া করে উপেক্ষা করবেন না। তাছাড়া আপনারা বইটা পড়লে আমার একটা স্বার্থও সিদ্ধ হবে। আসলে লেখকের গদ্যের প্রেমে পড়ে গেছি। এইরকম অসামান্য সিনেম্যাটিক বাংলা পড়ার সৌভাগ্য বিশেষ হয় না। 'টিয়াগড়'-এর সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে তিনি এই গদ্যে এবার এই উপন্যাসের ডি.এস-কে ঘরে ফেরানোর জন্য একখানা 'ওদন্তপুরা' নামিয়ে ফেললে ফাটাফাটি হবে!
সুযোগ পেলেই বইটা পড়ে ফেলুন। অলমিতি।

***

বইটি সংগ্রহ করতে পারেন Smell of Books Publication এর কলেজ স্ট্রিট শোরুম থেকে

অনলাইনও কিনতে পারেন। অনলাইন লিঙ্ক 👇

https://www.smellofbooks.in/product-page/tiyagarh-kaustav-bhattacharya

অথবা বইটি পেতে যোগাযোগ করুন 9535399044 নম্বরে

বিস্তর কাকুতি মিনতি, কান্নাকাটি, হাতে পায়ে ধরার পর তিনি ফিরে আসছেন, "যেখানে হৃদয় অফলাইন" এর পর দ্বিতীয়বার। Smell of B...
08/09/2026

বিস্তর কাকুতি মিনতি, কান্নাকাটি, হাতে পায়ে ধরার পর তিনি ফিরে আসছেন, "যেখানে হৃদয় অফলাইন" এর পর দ্বিতীয়বার। Smell of Books Publication থেকে ২০২৭ বইমেলায়.....

Upasana Bandyopadhyay এর টাইমলাইন থেকে রইলো তাঁর পরবর্তী প্রজেক্ট এর ঝলক :

সালটা ছিলো ২০০৭ এর শুরুর দিক। অনার্স সেকেন্ড ইয়ার। থার্ড আর ফোর্থ পেপারের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে নিতে গ্যাস্ট্রাইটিস্ ধরিয়ে ফেলেছি, আর চোখের তলায় যা কালি পড়েছে... কোথায় লাগেন মঞ্জুলিকা দেবী! ম্যাকবেথ আর এডওয়ার্ড দ্য সেকন্ড কে “আমি যে তোমার ঝিন ঝিন ঝিন” বলাই বাকি ছিলো (ভুলভূলাইয়া ওই বছরেই শেষের দিকে release করেছিলো কিনা )... কিন্তু তারই মধ্যে ফোর্থ পেপারে এগডন হিথ আর ক্লিম-ইউস্ট্যাশিয়া সমেত The Return of the Native আর Austen এর Pride and Prejudice মাথার মধ্যে “শুধু যে তোমার ঝিন ঝিন ঝিন ” চালাচ্ছিলো। স্পষ্ট মনে আছে, অধ্যাপক ডঃ কুন্তল চট্টোপাধ্যায়কে এক বুধবারের টিউশন ক্লাসে ম্যাকবেথের চরিত্র বা এগডন হিথের গুরুত্ব পরীক্ষায় লিখবো কিনা জিজ্ঞাসা করায় Sir মুচকি হেসে বলেছিলেন “তাহলে তো খবরের কাগজে tender ছাপাতে হবে! ”

প্রবল হেসেছিলাম আমরা ১২-১৩ জন। বেহিসেবি প্রশ্ন ভেসে গিয়েছিলো এক ঘর মেয়েলি খিলখিল শব্দের স্রোতে। সময়ের পংক্তিতে আরও দুই দশক জুড়ে গেছে তার পর। কিন্তু সেদিনকার সেই প্রশ্ন আজও মাথা তুলে দাঁড়ায় মাঝেমধ্যেই। কীভাবে বিস্তার করবো ম্যাকবেথ বা হ্যামলেট চরিত্র? এগডন হিথকে টমাস হার্ডি শুধুই স্থান হিসেবে লিখেছিলেন নাকি সব কিছুর উর্দ্ধে সে human suffering এর এক মঞ্চ যা ছেড়ে কেউ বেরোতে পারেনা? ক্লিম ইওব্রাইট কে শুধুই এক আদর্শবাদী হিসেবে ধরবো নাকি Christ এর ছায়া তার চরিত্রের প্রেরণা?
অভিশাপও নয় কি?
ক্ষমতার লোভ? নাকি লোভের ক্ষমতা?
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কগুলো কীভাবে ঘুণ ধরিয়ে দেয় বাকি সম্পর্কে...বিশ্বাসে...অস্তিত্বের কাঠামোয়?
সজ্ঞানে করা পাপ কীভাবে ফিরে ফিরে আসে...পরিণাম নিয়ে? সত্যিই আসে কি?
একসময় Sir এর বিবরণে জীবন্ত হয়ে ওঠা হ্যামলেট, ম্যাকবেথ, ক্লিম ইওব্রাইটের চরিত্র অথবা মধ্যযুগীয় স্কটল্যান্ড - এগডন হিথের মতো স্থানগুলোকে যদি আবার ফিরে দেখা যায়...আমাদেরই আশেপাশে, ইতিহাস আর কাহিনীর মিশেলে?
একসময় যে পাতাগুলো ফার্স্ট ক্লাস পাওয়ার obsession এ গিলে খেতাম (ফার্স্ট ক্লাস পাওয়াটা অধরাই ছিলো যদিও), আজ বিষাদের মেদুরতায় উল্টোতে গিয়ে দেখলাম জানার - আরও বোঝার - সর্বোপরি লেখার তাড়নাটা আজও ছুটিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে আমার সেই একুশ বছরের সত্ত্বাকে।

একবার চেষ্টা করতে ক্ষতি কি?

খবরের কাগজে টেন্ডার না দিয়েই দেখা যাক না...

#দ্বৈততারারনিরালোক

Smell of Books Publication


**চিত্রঋণ : Pinterest

আমি মানুষটা না শর্ট টার্ম মেমোরি লসে ভুগি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই উপসর্গ আরো বেড়ে চলেছে। এলঝেইমার্স, পারকিনসন মিলিয়ে...
30/08/2026

আমি মানুষটা না শর্ট টার্ম মেমোরি লসে ভুগি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই উপসর্গ আরো বেড়ে চলেছে। এলঝেইমার্স, পারকিনসন মিলিয়ে মিশিয়ে একটা জগাখিচুড়ি অবস্থা।
প্রিয় কোন সিরিজের নতুন সিজন এলে তার দু সপ্তাহ আগে থেকে আগের সিজনগুলো ঝালিয়ে নিতে হয়।
Smell of Books Publication এর নিজস্ব বইয়ের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা প্রথমবার হল।
পয়লা বৈশাখে প্রকাশিত Krishanu Kundu র "কালগ্রাসী" শুরু করতে হলো আবার। বইমেলা চলাকালীন এবং তার পরবর্তী সময় এই বইটা একটা সিটিং এ শেষ করেছিলাম। ডুবে গেছিলাম রাকা এবং ইয়োহান এর অন্ধকার দুনিয়ায়। লেখকের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম এক রহস্যে আচ্ছন্ন কলকাতা শহরে, কখনো বা অতিমারি আক্রান্ত মিলান শহরে আবার কখনো বা শুভ এবং অশুভের চিরন্তন দ্বন্দ্বে। পহেলা বৈশাখে প্রকাশিত হওয়ার পর বহু পাঠক এই বইটিকে আপন করে নিয়েছেন, ভালোবেসেছেন। তারপরেও বইটা রেখে গেছে বহু প্রশ্ন যার উত্তরের জন্য পাঠকের পাশাপাশি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি আমি নিজে।
আপাতত চলছে কালগ্রাসী রিভাইজ। কেন জানেন?? ওই যে পোস্টের শুরুতে বললাম....আসছে কালগ্রাসী র পরবর্তী খন্ড "কালরাত্রি"।

পুজোর পরে....অথবা আগেই....

দ্বিতীয় ছবিতে রইলো সেই পান্ডুলিপির একদম প্রথম লাইন....

আপনি কি পড়েছেন বইটি?? না পড়ে থাকলে অর্ডার করতে পারেন 9535399044 নম্বরে। মুদ্রিত মূল্য ₹২২৫

অথবা নিচের লিংকে ক্লিক করুন

https://www.smellofbooks.in/product-page/kaalgrasi-krishanu-kundu

Anindita Bose Kundu

ইতিহাস আমাদের বলে, কী ঘটেছিল। বিকল্প ইতিহাস বা অল্টারনেটিভ হিস্ট্রি আমাদের সামনে তুলে ধরে সেই চিরন্তন প্রশ্ন: যদি একটু অ...
30/08/2026

ইতিহাস আমাদের বলে, কী ঘটেছিল। বিকল্প ইতিহাস বা অল্টারনেটিভ হিস্ট্রি আমাদের সামনে তুলে ধরে সেই চিরন্তন প্রশ্ন: যদি একটু অন্যরকম হতো? যদি এমনটা না হয়,অমনটা হত! যদি কোনও যুদ্ধে বিজয়ীর পরিবর্তন ঘটত? যদি কোনও সাম্রাজ্য পতনের মুখ থেকে ফিরে আসত? যদি কোনও রাজা নিহত না হয়ে আরও কয়েক দশক শাসন করতেন? যদি কোনও বিদ্রোহ সফল হতো? কিংবা ইতিহাসের কোনও বিস্মৃত চরিত্র যদি হঠাৎ তার প্রাপ্য স্থানটি পেয়ে যেত? এই ‘যদি’-র মধ্যেই জন্ম নেয় বিকল্প ইতিহাসের কল্পজগৎ।
বিকল্প ইতিহাস নিছক অতীতকে বদলে দেওয়ার খেলা নয়। বরং এটি অতীতকে নতুন করে বোঝার একটি পদ্ধতি। আমরা ইতিহাসের দিকে তাকাই পরিণতি জেনে। কে জিতেছিল, কে হেরেছিল, কোন সাম্রাজ্য ভেঙে পড়েছিল, কোন রাজনৈতিক শক্তি শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, এসবই আমাদের জানা। কিন্তু সেই সময়ের মানুষ জানত না ভবিষ্যৎ কী নিয়ে আসছে। তাদের কাছে একাধিক ভবিষ্যৎই সম্ভব ছিল। বিকল্প ইতিহাস সেই হারিয়ে যাওয়া সম্ভাবনাগুলিকে ফিরিয়ে আনে।
বিকল্প ইতিহাসে কেবল রাজা-বাদশাহ বা যুদ্ধের গল্প থাকে না; থাকে মানুষের গল্প। একটি যুদ্ধের ফল বদলে গেলে একজন সৈনিকের জীবন বদলে যেতে পারে, একটি রাজবংশ টিকে গেলে কোনও রাজকন্যার ভাগ্য অন্যরকম হতে পারে, একটি শহর অন্য রাজনৈতিক শক্তির অধীনে গেলে তার ভাষা, স্থাপত্য, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রাও পাল্টে যেতে পারে। অর্থাৎ ইতিহাসের একটি ছোট পরিবর্তন থেকে জন্ম নিতে পারে সম্পূর্ণ নতুন একটি মানবিক জগৎ।
বিকল্প ইতিহাসের আর একটি বড় শক্তি হল, এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ইতিহাস অনিবার্য ছিল না। আমরা অতীতের দিকে তাকিয়ে অনেক সময় মনে করি, যা ঘটেছে সেটিই ঘটার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে অসংখ্য সম্ভাবনা উপস্থিত থাকে। কোনও সিদ্ধান্ত অন্যরকম হতে পারত, কোনও বিশ্বাসঘাতকতা ঘটতেও পারত আবার নাও ঘটতে পারত, কোনও যুদ্ধের ফল শেষ মুহূর্তে বদলে যেতে পারত। ইতিহাসের যে পথটি আমরা জানি, সেটি ছিল অসংখ্য সম্ভাব্য পথের মধ্যে মাত্র একটি।
আজকাল আমরা প্যারালাল ইউনিভার্স শব্দ-বন্ধটা খুব ব্যবহার করি। যদি সত্যিই সমান্তরাল বিশ্ব থাকে, কে জানে সেইখানে আমাদের এই বিকল্প ইতিহাস সত্য কিনা! হয়তো সেখানে ১৮৫৭-র বিদ্রোহ সফল হয়েছিল। তাহলে ভারত কেমন হতো? দিল্লির রাজনীতি কীভাবে বদলাত? কলকাতার বণিকসমাজের অবস্থান কী হতো? বাংলার নবজাগরণ কি অন্য পথে এগোত? বাংলার মাটি থেকেই কি উঠে আসত গান্ধী-নেহরু পরিবারের কোনো প্রতিদ্বন্দী?

Smell of Books Publication থেকে Pradipta Roy Chowdhury Sen এর কলমে আসছে এরকমই এক টানটান অল্টারনেটিভ হিস্ট্রি থ্রিলার, যার কেন্দ্রে রয়েছেন এক নারী, যিনি বদলে দিয়েছিলেন ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাস। আসছে বইমেলায়....বা তার আগেই....

"ট্র্যাশ" এর দ্বিতীয় রিভিউ। লিখলেন Anir Majumdar । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।ট্র্যাশ রক্তের রঙের গল্প। ট্র্যাশ আলো আর অন্ধক...
17/08/2026

"ট্র্যাশ" এর দ্বিতীয় রিভিউ। লিখলেন Anir Majumdar । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ট্র্যাশ রক্তের রঙের গল্প। ট্র্যাশ আলো আর অন্ধকারের খেলার গল্প। ট্র্যাশ মনের ভয়ের গল্প। মৃত্যুর গল্প। যেটুকু ভালোবাসা ও উত্তাপ এই বইটুকু বয়ে নিয়ে তা আসলে কুশপাতা গ্রামের কড়া অন্ধকার আর তীব্র অন্ধবিশ্বাসের মত। একটা বাড়িতে ঘনিয়ে থাকা আত্মহত্যার পরবর্তী শৈত্যর সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়া দুটি মেয়ে যা দেখছে তাদের শিল্পীর চোখ দিয়ে তা আসলে কি? - ব্যর্থতা? অন্ধকার? প্রেত? না তাদের নিজস্ব অন্তর্লীন ভাঙ্গন? রক্তের রং যে খুঁজে চলে অনর্গল সেই অদৃশার ভিতরে মিশে যাচ্ছে কে? একলা বাড়িটা? প্রবীর , যিনি আত্মহত্যা করেছিলেন? নাকি আরও ভয়াবহ কেউ? কেন একটা সাধারণ টিউবওয়েলের ছবি এঁকে উঠতে পারছেনা হেমলতা। কেন আংটায় লেগে থাকা দড়ির টুকরো একটা আস্ত ছবি হয়ে যাচ্ছে? কেন ব্যর্থকাম শিল্পী প্রবীরের ছবি শরীরের ভিতর আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে অদৃশার, কেন একই জিনিস হেমলতার মনকে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছে দূরে?
লেখক মাটি খুঁড়ে চলেছেন। খুব গভীর কোন কবর থেকে টেনে টেনে বের করে আনছেন চরিত্রদের মন। সামাজিক , শারীরিক, দার্শনিক বোধকে পার করে এমন একটা জায়গায় নিয়ে আসছেন এই উপন্যাসকে, যা ভাবায়, ভাবতে বাধ্য করে। একটা সূক্ষ্ম ভয়ের আবহ যা বিরাট হয়ে ওঠে সঠিক সময়ে কিন্তু ছেড়ে যায় না কখনোই। তীব্র অথচ স্থির একটা অস্থিরতা আপনাকে ঘিরে রাখে সবসময়। আপনি আরো বেশি করে চিনতে চান তাই মানুষ, প্রেত, বাড়িটিকেও।
কথোপকথন এই উপন্যাসের অন্যতম শক্তি। আবহ এই উপন্যাসের অন্যতম অস্ত্র। শুধু শুচিবায়ুগ্রস্থতার দোহাই দিয়ে এই উপন্যাস ছুঁড়ে ফেলা যাবে না। এই উপন্যাসকে বলতে পারেন একটা সার্চলাইট। মনের ভিতরের অন্ধকারকে শিকার করার জন্য ফেলা। আপনার চোখ ঝলসাবে, আপনি চমকে যাবেন। নিজের ভেতরের অন্ধকারটুকুকে আলোয় দেখে হয়তো ভুল করে হাত ও মিলিয়ে ফেলতে পারেন।
শুধু অস্বীকার করবেন না।
Smell of Books Publication অনুপম মুখোপাধ্যায়

আগস্ট মাসে টার্গেট ছিল সাতটি বই প্রকাশ করার, মিশন কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি। সাতটি বই, সাতটা আলাদা জঁর, সাত রকমের প্রচার....চ...
16/08/2026

আগস্ট মাসে টার্গেট ছিল সাতটি বই প্রকাশ করার, মিশন কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি।

সাতটি বই, সাতটা আলাদা জঁর, সাত রকমের প্রচার....চেক, চেক এন্ড চেক....

বুধবার, ব্যস্ত সপ্তাহের মাঝখানে, ভরা বৃষ্টির মধ্যে প্রকাশিত হয়েছিল অনুপম মুখোপাধ্যায় এর "ট্র্যাশ" এবং আ বি র এর "আমি সেই মানুষটা আর নেই" বইদুটি। গতকাল অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রকাশিত হলো আরো পাঁচটি বই। এরমধ্যে তিনটি বই একদম নতুন। Koustav Bhattacharya এর ইলিয়াড এর বিনির্মাণ "টিয়াগড়", Bidisha Nath Bhowmick এর মিথোলজিক্যাল এন্ড ফোক হরর "আদিম" এবং Gourisankar Gangopadhyay এর কিশোর গোয়েন্দা সিরিজ "ক্লু কফি এবং কফি"। এর মধ্যে শেষ দুটি বইয়ের ক্ষেত্রে লেখক এবং লেখিকা দুজনেই প্রাথমিকভাবে কথা দিয়েছেন যে এই বইয়ের পরবর্তী অ্যাডভেঞ্চার আরো বড় রকম ভাবে ফিরে আসতে চলেছে, সব ঠিক থাকলে বইমেলায়।
দুটি বই প্রকাশিত হলো নতুনভাবে স্মেল অফ বুকস সংস্করণে। Suparna Chatterjee Ghoshal এর "আসুরী" এবং Faiz Ahmed এর "ফ্রান্সে রোম্যান্স এ"। শুধু এটা নয় যে এই দুটি বই ব্যক্তিগতভাবে আমার অত্যন্ত পছন্দের, তার সাথে এটাও একটা ফ্যাক্টর যে দুটি বইয়ের ক্ষেত্রেই বইমেলার আগে আসতে চলেছে "সিকোয়েল"। দুটি ক্ষেত্রেই প্রকাশক হিসেবে আমার সৌভাগ্য হয়েছে আগামী বই দুটোর সামান্য অংশ পড়ে দেখার এবং বলা যেতেই পারে দুটি ক্ষেত্রেই সিকোয়েল ইজ বিগার এন্ড বেটার।

এবার আসি কালকের দিনটাকে নিয়ে। সাতটি বইয়ের প্রায় প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে আমাদের এক্সপেক্টেশন এর থেকে অনেক বেশি প্রী বুকিং হয়েছে। "ট্র্যাশ" নিয়ে আলাদা করে পোস্ট করব, কিন্তু বাকি প্রত্যেকটি বই কালকের দিনেও পাঠকদের কাছ থেকে প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছে। গোটা দিন জুড়ে আমাদের দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন অনেক লেখক এবং পাঠক।

এই সাতটি বই এবং গত মাসে প্রকাশিত আরো দুটো বই অর্থাৎ Mohona Debroy এর "অথচ নগরী মৃত" এবং Amyt Dutta এর "বেবী ফুড" নিয়ে বিস্তর খাটাখাটনি গেছে, এরপর দিন তিনেক প্রকাশনার কাজ থেকে সম্পূর্ণ বিশ্রাম। ব্যক্তিগত কিছু কারনে বুধবার অব্দি কলকাতায় থাকছি না। বইগুলো এবার পাঠকদের হাতে, আমাদের পরিশ্রম সার্থক কিনা জানাবেন তারাই।

বুধবার থেকে কাজ শুরু হবে Smell of Books Publication এর পরবর্তী বই গুলোকে নিয়ে।

কালকের দিনটা আমাদের পাশে থাকার জন্যে ধন্যবাদ Er Aritra Das Sumit Gangopadhyay Avik Sarkar Subhabrata Basu Nayaan Basu Semima Hakim Progyaparomita Ghoshal Sufin Subhram Chakraborty Jishna Sarkar Mrinankush Datta

সাতটি বইয়ের লিংক আবার দিয়ে গেলাম

ট্র্যাশ

https://www.smellofbooks.in/product-page/trash-anupam-mukhopadhyay

আমি সেই মানুষটা আর নেই

https://www.smellofbooks.in/product-page/ami-shei-manushta-aar-nei-abir

আদিম

https://www.smellofbooks.in/product-page/adim-bidisha-nath-bhowmick

ক্লু কফি ও কুহু

https://www.smellofbooks.in/product-page/clue-coffee-o-kuhu-gaurisankar-gangopadhyay

ফ্রান্সে রোম্যান্স এ

https://www.smellofbooks.in/product-page/france-e-romance-e-faiz-ahmed

আসুরী

https://www.smellofbooks.in/product-page/asuri-suparna-chatterjee-ghoshal

টিয়াগড়

https://www.smellofbooks.in/product-page/tiyagarh-kaustav-bhattacharya

এই প্রত্যেকটি বই অর্ডার করার জন্য 9535399044 নম্বরেও যোগাযোগ করতে পারেন।

আমাদের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল যে অগাস্ট মাসের সাতটা বই একসাথে প্রকাশিত হবে স্বাধীনতা দিবসের দিন। কিন্তু লেখক অনুপম মুখোপ...
13/08/2026

আমাদের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল যে অগাস্ট মাসের সাতটা বই একসাথে প্রকাশিত হবে স্বাধীনতা দিবসের দিন। কিন্তু লেখক অনুপম মুখোপাধ্যায় এর অনুরোধে "ট্র্যাশ" বইটি ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়ে গেছে গতকাল অর্থাৎ ১২ ই আগস্ট। এক্সিস্টেনশীয়াল হরর, পলিটিক্যাল ফেমিনিজম্, বাংলা সাহিত্যে সমকামিতা এবং এই বইটির যৌনতার ডেপিকশনের সাথে "ব্লু ইজ দ্যা ওয়ার্মেষ্ট কালার" সিনেমাটির প্যারালালিজম নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেকগুলি পোস্ট করেছেন লেখক এবং আমি নিজেও। আপাতত আজকে থেকে বইটির শিপিং শুরু হয়েছে এবং অল্প কয়েকজন পাঠক এই সপ্তাহের মাঝখানেও বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বইটি আমাদের স্টোর থেকে সংগ্রহ করেছেন। আপাতত অপেক্ষা পাঠক প্রতিক্রিয়া এবং রিভিউ এর। প্রী অর্ডারে বিপুল আগ্রহ এবং ভালোবাসা পেয়েছে বইটা। প্রতিদিন আসছে প্রচুর সেলারদের কোয়েরি। সম্ভবতঃ কালকে বিকেলে প্রেস থেকে আরো কিছু বই ঢুকবে। আপনারা এখনো অব্দি বইটা অর্ডার না করে থাকলে নিচের লিংকে ক্লিক করে অর্ডার করতে পারেন। বইটির মুদ্রিত মূল্য ₹২৭৫

https://www.smellofbooks.in/product-page/trash-anupam-mukhopadhyay

আরো একটি বই প্রকাশিত হয়েছে কাল। লেখক আ বি র পরবর্তী কয়েকদিন কলকাতার বাইরে থাকবেন বলে "আমি সেই মানুষটা আর নেই" বইটি ও প্রকাশিত হয়েছে কাল। এই মুহূর্তে যেরকম ফাস্ট পেসড থ্রিলার পড়তে আমরা অভ্যস্ত তার থেকে অনেকটাই সরে এসে এই বই প্রকৃত অর্থেই স্লো বার্ন সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। তার ওপর এই গল্পের যিনি মুখ্য চরিত্র তিনি একজন মানসিক রোগী, ফলে যে ঘটনা তিনি দেখছেন বা ঘটছে বলে পাঠক অনুমান করছেন তা আদৌ সত্যি কিনা সেটা নিয়ে আগাগোড়া একটা প্রশ্ন থেকে যায়। ক্লাসিক আনরিলায়বেল ন্যারেটর টেল। এই বইয়ের গল্পের যে পটভূমি সেই জায়গাটা আজকে থেকে কয়েক বছর আগেও বাঙ্গালীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এক টুরিস্ট ডেস্টিনেশন ছিল, কিন্তু বর্তমানে জায়গাটা অতীতের এক কঙ্কাল মাত্র। তাই এই বইতে কোন অলংকরন ব্যবহার করা হয়নি, বরঞ্চ ব্যবহার করা হয়েছে লেখকের নিজের তোলা কিছু আলোকচিত্র। এই বইটি অর্ডার করতে পারেন নিচের লিংকে ক্লিক করে। বইটির মুদ্রিত মূল্য ₹২৪৯

https://www.smellofbooks.in/product-page/ami-shei-manushta-aar-nei-abir

এবারে আসি শনিবার অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রকাশিতব্য বইগুলি নিয়ে। প্রথমেই যে বইয়ের কথা বলতে হয় সেটা হল Koustav Bhattacharya এর "টিয়াগড়"। এই বইটি নিয়েও সম্ভবত লাস্ট তিন মাসে আমরা এবং লেখক প্রচুর কথা বলেছি। বহুদিন আগে "ইলিয়াড" এর বিনির্মাণ করবেন বলে লেখক বর্তমান দেশের রাজনৈতিক পটভূমির ওপর একটি চিত্রনাট্য লেখেন। এই চিত্রনাট্য নিয়ে তার আদৌ কোন বই করার পরিকল্পনা ছিল কিনা তা জানা নেই তবে বইমেলার পরপর খানিকটা জোর করেই সেই চিত্রনাট্য পড়ার পর ছিটকে গেছিলাম। অনেক অনুরোধের পর লেখক অবশেষে প্রচুর সংযোজন করে লিখেছেন এই সুবিশাল উপন্যাস। এখনো অব্দি যে কজন এই বইটি পড়েছেন তাঁরা সবাই অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছেন এই বইটির। যদিও আগে বহুবার বলা, তবু বলে দিই, কেউ যদি ইলিয়াড নাও পড়ে থাকেন তাও এই বইটি পড়তে শুরু করলে তারা শেষ না করা অব্দি উঠতে পারবেন না। এই বইটির প্রী বুকিং চলবে ১৪ই আগস্ট রাত অব্দি। মুদ্রিত মূল্য ₹৪৯৯, ২৫% ডিসকাউন্ট দিয়ে বইটির প্রী বুকিং মূল্য ₹৩৭৪। প্রী বুকিং করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

https://www.smellofbooks.in/product-page/tiyagarh-kaustav-bhattacharya

চতুর্থ বইটি "আদিম"। ঠিক প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর নয় বরং প্যারানরমাল এনথুসিয়াস্ট ঐশ্বরিক নিজের গ্রামে এক ভয়ংকর ঘটনায় জড়িয়ে মুখোমুখি হয় এক অশরীরী (নাকি শরীরী) সত্ত্বার। এরপর এই বইয়ের বাকি দুটি উপন্যাসিকায় ঐশ্বরিক কে নিয়ে যায় প্রাচীন গ্রিসের এক ভয়ঙ্কর অপদেবীর মুখোমুখি এবং তার পর নরওয়ের এক অভিশপ্ত ব্ল্যাক চার্চ এর ভেতর সংগঠিত হওয়া এক পৈশাচিক ক্রিয়ার মুখোমুখি। লেখিকা Bidisha Nath Bhowmick অদ্ভুত দক্ষতার সাথে মিশিয়েছেন মিথোলজি, কাল্ট এবং বিজ্ঞান।ঐশ্বরিক এর এই পথ চলার সাক্ষী থাকতে হলে বইটি আপনাকে পড়তেই হবে কারণ ভবিষ্যতে ঐশ্বরিক ফিরে আসবে আরো বড় ভাবে। এই বইটির প্রী বুকিং চলবে ১৪ই আগস্ট রাত অব্দি। মুদ্রিত মূল্য ₹২৭৫, ২৫% ডিসকাউন্ট দিয়ে বইটির প্রী বুকিং মূল্য ₹২০৬। প্রী বুকিং করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

https://www.smellofbooks.in/product-page/adim-bidisha-nath-bhowmick

পঞ্চম বইটি Gourisankar Gangopadhyay এর "ক্লু, কফি ও কুহু"। লেখকের কুহু চরিত্রটি বিগত কয়েক বছর ধরে কিশোর পাঠকদের মধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করেছে এবং প্রকাশিত হয়েছে আনন্দমেলা সহ আরো অনেক কিশোর পত্রপত্রিকাতে। এই প্রথমবার কুহুকে দু মলাটের মধ্যে বন্দি করা হলো তার নির্বাচিত ১৮টি গল্প নিয়ে। আমাদের ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে কুহু ফিরে আসবে এক পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস নিয়ে। এই বইটির প্রী বুকিং চলবে ১৪ই আগস্ট রাত অব্দি। মুদ্রিত মূল্য ₹৩৪৯, ২৫% ডিসকাউন্ট দিয়ে বইটির প্রী বুকিং মূল্য ₹২৬১। প্রী বুকিং করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

https://www.smellofbooks.in/product-page/clue-coffee-o-kuhu-gaurisankar-gangopadhyay

ষষ্ঠ এবং সপ্তম বইদুটো পূর্ব প্রকাশিত এবং নতুন রূপে আসছে Smell of Books Publication এর হাত ধরে। দুটি বই ই আমাদের ভীষণ প্রিয় এবং বিগত কয়েক বছরে পাঠকদের কাছ থেকে প্রচুর প্রশংসা পেয়েছে। Suparna Chatterjee Ghoshal এর লেখনীর সাথে আমার পরিচয় "আসু" র মাধ্যমে। যে বাংলা সাহিত্যে বরাবর নারীদের ঈশ্বরী তে উত্তরণের কাহিনী দেখানো হয়, ঠিক সেখানেই লেখিকা উল্টো পথে হেঁটে দেখিয়েছেন একজন নারীর আসুরী তে অবতরণের কাহিনী। একটি তথাকথিত সামাজিক উপন্যাস যে কতটা অন্ধকার হতে পারে তার প্রমাণ এই বইটি। লেখিকা বর্তমানে ব্যস্ত আছেন "আসুরী ২" নিয়ে, যা প্রকাশিত হবে বইমেলার সময়।এই বইটির প্রী বুকিং চলবে ১৪ই আগস্ট রাত অব্দি। মুদ্রিত মূল্য ₹৩৪৯, ২৫% ডিসকাউন্ট দিয়ে বইটির প্রী বুকিং মূল্য ₹২৬১। প্রী বুকিং করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

https://www.smellofbooks.in/product-page/asuri-suparna-chatterjee-ghoshal

লাস্ট বাট নট দ্যা লিস্ট Faiz Ahmed এর "ফ্রান্সে রোম্যান্স এ"। আরো একটি বই যা বিগত কয়েক বছর ধরে পেয়েছে পাঠকদের অকুণ্ঠ প্রশংসা এবং ভালোবাসা। এমন একটি বই যা বেশ অনেকদিন ধরে মার্কেটে নেই বলে প্রচুর পাঠক রেগুলার কোয়েরি করে যান। এমন একটি বই যেখানে অনেকেই লেখকের লেখনীর সঙ্গে তুলনা করেছেন সৈয়দ মুজতবা আলীর। এটি কি রম্য?? নাকি প্রেমের গল্প?? নিজেই পড়ে সিদ্ধান্ত নিন। লেখক আপাতত ব্যস্ত এই বইয়ের দ্বিতীয় খণ্ড নিয়ে।এই বইটির প্রী বুকিং চলবে ১৪ই আগস্ট রাত অব্দি। মুদ্রিত মূল্য ₹২৭৫, ২৫% ডিসকাউন্ট দিয়ে বইটির প্রী বুকিং মূল্য ₹২০৬। প্রী বুকিং করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

https://www.smellofbooks.in/product-page/france-e-romance-e-faiz-ahmed

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, স্বাধীনতা দিবসের দিন, আমাদের কলেজ স্ট্রিটের শোরুমে উদ্বোধন হবে এই সবকটি বইয়ের। উপস্থিত থাকবেন সুপর্ণা, বিদিশা, কৌস্তভ, ফয়েজ এবং গৌরীশঙ্কর বাবু। আপনাদের উপস্থিতি একান্ত কাম্য। আসুন, বই দেখুন, বই নিয়ে আড্ডা মারুন।

Address

14C/1, Surya Sen Street
Kolkata
700012

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smell of Books Publication posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Smell of Books Publication:

Shortcuts

Share

Category