TrendX Studio

Directions Contact the business

TrendX Studio TrendX Studio is your ultimate destination for trending updates, viral stories, cricket highlights, political insights, and cinematic buzz.

We create visually engaging and impactful content that keeps you informed and entertained every day.

শাড়িতে কাকে বেশি সুন্দর লাগে?
24/07/2026

শাড়িতে কাকে বেশি সুন্দর লাগে?

সন্তানদের সামনে মায়েদের কোমর নাচিয়ে পেট বার করে রিলস্ করার যুগে সত্যিই তোমরা অনবদ্য। ❤️🥰
12/07/2026

সন্তানদের সামনে মায়েদের কোমর নাচিয়ে পেট বার করে রিলস্ করার যুগে সত্যিই তোমরা অনবদ্য। ❤️🥰

স্বামী এবং দুই সন্তানকে নিয়ে কোয়েলের ছোট্ট পরিবার কিন্তু এখানে আনন্দ অনেক বেশি! ❤️🥰
09/07/2026

স্বামী এবং দুই সন্তানকে নিয়ে কোয়েলের ছোট্ট পরিবার কিন্তু এখানে আনন্দ অনেক বেশি! ❤️🥰

বোন আমার বিচার সঠিক না হলেও, তোর বিচারটা সঠিক হবেই— কারণ মূল অভিযুক্ত ধরা পড়েছে।। 💔😥 এবার দেখবি এই সরকার কি করতে পারে! ...
07/07/2026

বোন আমার বিচার সঠিক না হলেও, তোর বিচারটা সঠিক হবেই— কারণ মূল অভিযুক্ত ধরা পড়েছে।। 💔😥 এবার দেখবি এই সরকার কি করতে পারে!

JUSTICE FOR RIMI 💔😭একটি নিষ্পাপ শিশুর আর্তনাদ, বিচার চাই!মায়ের চোখের জল,পরিবারের অসহায়তা,আর সমাজের নীরবতা— সবকিছুর বিরুদ...
06/07/2026

JUSTICE FOR RIMI 💔😭

একটি নিষ্পাপ শিশুর আর্তনাদ, বিচার চাই!
মায়ের চোখের জল,
পরিবারের অসহায়তা,
আর সমাজের নীরবতা— সবকিছুর বিরুদ্ধে আজ একটাই দাবি: অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।
আর কোনো শিশু যেন এমন নির্মমতার শিকার না হয়।দোষীদের ফাঁসি চাই! বিচার চাই, এখনই চাই!
চুপ থাকবেন না, প্রতিবাদ করুন।
আজ সে, কাল হতে পারে আমাদেরই কেউ।

অভয়ার পর এমন পৈশাচিক নৃশংস হত্যার শিকার ১০ বছরের রিমির। 😥

🚨 মাত্র ১৪ বছরের একটি ছেলে... কিন্তু মায়ের অপমান সহ্য করতে না পেরে যা করল, তা নিয়ে এখন দুই ভাগে বিভক্ত নেটদুনিয়া। আপন...
06/07/2026

🚨 মাত্র ১৪ বছরের একটি ছেলে... কিন্তু মায়ের অপমান সহ্য করতে না পেরে যা করল, তা নিয়ে এখন দুই ভাগে বিভক্ত নেটদুনিয়া। আপনি কী বলবেন?

ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের এক বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে, অভিযোগ ছিল এক নাবালিকার বিয়ে হচ্ছে, সেখানে তদন্তে পুলিশ পৌঁছালে। তদন্ত চলাকালীন এক মহিলার সঙ্গে অত্যন্ত বাজে ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।।
নিজের চোখের সামনে সেই দৃশ্য সহ্য করতে পারেননি সেই ১৪ বছরের ছেলেটি। ভয় কিংবা পুলিশের পোশাক কিছুই তাকে থামিয়ে রাখতে পারিনি, বুক চিতিয়ে চিৎকার করে বলে আমার মাকে কেন গালি দিলে? আমার মাকে আর একবার গালি দিলে এখানে কে//**টে রেখে দেব।

১৪ বছরের ছেলেটির এই ভাষা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। তবে সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে, একজন সন্তানের ভেতরে খুব অপমান আর মায়ের প্রতি সীমাহীন ভালোবাসা প্রকাশ হয়েছিল।

পৃথিবীতে একজন মায়ের সম্মানের এর চেয়ে বড় আর কিছুই হয় না, চোখের সামনে নিজের মাকে অপমানিত হতে দেখে নিজেকে আর সামলে রাখতে পারেনি ১৪ বছরেরই ছেলেটি। সেখানে থাকা উপস্থিত মানুষ জন তাকে শান্ত করার চেষ্টা করলেও নিজেকে সেই অপমানের প্রতিবাদ থেকে এক চুল সরে আসেনি।

আইনের প্রয়োগ করতে গিয়ে যদি সত্যিই পুলিশের অশালীন ভাষা প্রয়োগ করে থাকে তা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

এই ঘটনাটি মনে করিয়ে দেয় সম্মান ও ভালোবাসা সন্তানের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস।।

আপনার কি মনে হয় ছেলেটি মায়ের এই অপমানের প্রতিবাদ করে ঠিক করেছে, নাকি তার কথাগুলো কখনো সমর্থনযোগ্য নয়??

⚠️ এই পোস্টটা পড়তে মাত্র ২ মিনিট লাগবে... কিন্তু শেষ লাইন পর্যন্ত পড়ে যদি আপনার বুকটা একবারও ভারী না হয়, তাহলে হয়তো ...
06/07/2026

⚠️ এই পোস্টটা পড়তে মাত্র ২ মিনিট লাগবে... কিন্তু শেষ লাইন পর্যন্ত পড়ে যদি আপনার বুকটা একবারও ভারী না হয়, তাহলে হয়তো আপনার মনটা আমার চেয়ে অনেক বেশি শক্ত। 😢💔

কলেজ থেকে ফিরছিলাম...
হঠাৎ দেখি, পাশের সিটে একজন মহিলা একটা ঘুমন্ত বাচ্চাকে ডাকছেন— "বাবা, স্টেশন চলে এসেছে।"
প্রথমে ভাবলাম, বাচ্চাটা নিশ্চয়ই তাঁরই। কিন্তু একটু পরেই আরেকজন বললেন— "বাবা, কোথায় নামবে?" তখনই বুঝলাম, বাচ্চাটা একা।

মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই আমার মাথায় হাজারটা প্রশ্ন ঘুরতে শুরু করল। এত ছোট একটা ছেলে... একা ট্রেনে?
ট্রেনটা বেশ ফাঁকা ছিল। তাই ওর উল্টো সিটে গিয়ে বসলাম।

আস্তে করে জিজ্ঞেস করলাম— "তুই একা একা কোথায় গেছিলিস?"
ঘুমে ওর চোখই খুলছিল না। মাথাটা দুলছিল। আধো ঘুমের মধ্যেই খুব আস্তে বলল— "গজা... বিক্রি..." 😢

আমি যেন কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলাম। আবার জিজ্ঞেস করলাম— "তোর সঙ্গে কেউ নেই? এত ছোট বয়সে ‘গজা বিক্রি’ করতে গেছিলিস কেন? কোথায় নামবি?" ও শুধু বলল— "রানাঘাট..."

আবার জিজ্ঞেস করলাম— "বাড়িতে কে কে আছে?" ঘুমের মধ্যেই উত্তর এল— "মা আছে... এই কাজ করে... আর আমিও..."

আমি আবার বললাম— "বয়স কত?" ও বলল "সাড়ে আট..."
বাড়ি থেকে কখন বেরোস?" বলল "ছটার দিক..."
এই পর্যন্ত শুনেই আমার গলাটা যেন আটকে গেল।

ভাবছিলাম... এই বয়সে তো একটা শিশুর স্কুলে যাওয়ার কথা, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করার কথা, মায়ের কোলে মাথা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমানোর কথা।

কিন্তু ও?.... ওর শৈশবটা যেন ট্রেনের কামরায় কামরায় হাঁটতে হাঁটতেই বড় হয়ে যাচ্ছে। ওর চোখে তখন ঘুমের নেশা নয়... ছিল সারাদিনের ক্লান্তি।

তবুও নিজেকে সামলে জিজ্ঞেস করলাম— "সারাদিন কিছু খেয়েছিস?" কোনো উত্তর এল না... 😢
হয়তো ঘুম এতটাই গভীর ছিল... অথবা ক্ষুধা আর ক্লান্তি—দুটো মিলে ওর ছোট্ট শরীরটাকে সম্পূর্ণ নিঃশেষ করে দিয়েছিল। আমরা আমাদের সন্তানদের হাতে দামি মোবাইল তুলে দিই।
তারা একটু কেঁদে উঠলেই দৌড়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করি— "কী হয়েছে?"

আর ঠিক সেই সময়, সাড়ে আট বছরের একটা শিশু ট্রেনে ট্রেনে ঘুরে 'গজা বিক্রি' করে নিজের সংসারের জন্য কয়েকটা টাকা রোজগার করছে।

কত বড় বৈপরীত্য, তাই না? আমার গলা ভারী হয়ে গেল বললাম— "আমার সঙ্গে নামবি? কিছু খাইয়ে তোকে বাড়ি পৌঁছে দেব।"

ও আর কোনো উত্তর দিল না। মনে হলো...
ওর শরীরটা আর খাবার চাইছে না। ও শুধু একটু শান্তি চাইছে, একটু নিশ্চিন্তে ঘুমাতে চাইছে। হয়তো মায়ের কোলটাও অনেক দিন ধরে ঠিকমতো পায়নি।
ট্রেন থেকে নেমে আর কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করেনি। শুধু মনে হচ্ছিল— আজ আমি বাড়ি ফিরছি।
কিন্তু ওই ছোট্ট ছেলেটা কোনোদিন সত্যিকারের শৈশবে ফিরতে পারবে তো?

বাড়ি ফিরে আর চোখের জল আটকে রাখতে পারিনি।
আজও চোখ বন্ধ করলেই ওর ঘুমে ঢুলে পড়া মুখটা ভেসে ওঠে। জানি না, ওর সঙ্গে আর কোনোদিন দেখা হবে কি না। কিন্তু ভগবানের কাছে আজও একটাই প্রার্থনা— ওকে ভালো রেখো।

ওর ছোট্ট কাঁধ থেকে দায়িত্বের বোঝাটা একটু হালকা করে দিও। আর যদি কোনোদিন দেখা হয়... সেদিন যেন ও গজা বিক্রি না করে, একটা স্কুলব্যাগ কাঁধে নিয়ে হাসতে হাসতে বাড়ি ফেরে। ❤️

শেষে শুধু একটা কথাই বলব, সব শিশুর ভাগ্যে শৈশব লেখা থাকে না। কেউ খেলনা হাতে বড় হয়.. আর কেউ পেটের দায়ে শৈশবটাকেই বিক্রি করে বড় হয়ে যায়। 💔

🙏 শেষ পর্যন্ত পড়ে থাকলে, ছোট্ট এই শিশুটির জন্য অন্তত একটি ❤️ রেখে যাবেন।

হয়তো আপনার একটি প্রার্থনাই কোনো এক অচেনা শিশুর জন্য পৃথিবীটাকে একটু সুন্দর করে তুলতে পারে।

🎙️ আমার দেখা সবচেয়ে "কনফিউজড" দাদাগিরির এপিসোড! 😅দেবের দাদাগিরি দেখে বারবার মনে হচ্ছিল— কেউ যেন ইয়ারফোনে বাংলাটা বলে দ...
06/07/2026

🎙️ আমার দেখা সবচেয়ে "কনফিউজড" দাদাগিরির এপিসোড! 😅

দেবের দাদাগিরি দেখে বারবার মনে হচ্ছিল— কেউ যেন ইয়ারফোনে বাংলাটা বলে দিচ্ছে... আর তারপর সেটা ভেবে ভেবে বাংলায় বলা হচ্ছে! 😄
একেকটা সংলাপ আসতে আসতে মনে হচ্ছিল, বাফারিং চলছে...! ⏳😂 দেবের বাংলা কথা বলাতে প্রবলেম আছে সেটা পুরোপুরি প্রমাণ করে দিচ্ছে শো তে।। আরো ভালো প্রিপেয়ার হওয়ার প্রয়োজন আছে।

সত্যি বলতে, বাংলায় সাবলীলভাবে উপস্থাপনা করার জন্য আরও একটু প্রস্তুতি নিলে ব্যাপারটা অনেক ভালো হতে পারত বলে আমার মনে হয়েছে।

তবে একটা কথা মানতেই হবে...
শান, সুনীল ছেত্রী, স্বস্তিকা মুখার্জী ও শুভশ্রী অতিথি হিসেবে না থাকলে, এপিসোডটা হয়তো আরও বেকার লাগত। ওনারাই অনেকটা প্রাণ এনে দিয়েছেন। না হলে টোটালি ডিজাস্টার শো ছিল!

সব মিলিয়ে, আমার ব্যক্তিগত মতামত— দাদাগিরির দেবের এই এপিসোডটা চমক দেখাতে ব্যর্থ!

আপনাদের কেমন লাগল আজকের দাদাগিরি?

আপনি যত বড়ই তান্ত্রিক হন না কেন, ঈশ্বরের কাছে আপনি তুচ্ছ”..!! ❤️🥰
04/07/2026

আপনি যত বড়ই তান্ত্রিক হন না কেন, ঈশ্বরের কাছে আপনি তুচ্ছ”..!! ❤️🥰

😥 কাটোয়াতে 'গান্ধীজির' মূর্তিতে কালো কাপড় বেঁধে দিলো দুষ্কৃতীরা। একি অবস্থা!পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ। তাঁদের নজরে আসতেই...
01/07/2026

😥 কাটোয়াতে 'গান্ধীজির' মূর্তিতে কালো কাপড় বেঁধে দিলো দুষ্কৃতীরা। একি অবস্থা!
পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ। তাঁদের নজরে আসতেই, মূর্তিটিকে পরিষ্কার করা হলো। খোলা হলো কালো কাপড়।

যে বা যারা এই কাজটি করেছে তাদের অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TrendX Studio posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TrendX Studio:

Shortcuts

Share