Democratic India

Democratic India Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Democratic India, Media/News Company, South Dum Dum, KOLKATA.

It's a news base page, Get Bengali softnews, India Unknownfacts, Bengali News from kolkata, the young Bengali daily beings the latest from in and around the world, to your desktop/mobile

03/12/2025

03/12/2025

শহর কলকাতার কাছেই, মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার শান্ত-সরল গ্রাম ঝিকুরবেড়িয়া। এখানেই রয়েছে এক অলৌকিক তীর্থক্ষেত্র—বাবা বড় কাছারি মন্দির। স্থানীয়দের মতে, এখানে শিব বিরাজমান ‘ভূতনাথ’ রূপে—যিনি নাকি নিজেই ভক্তদের আর্জি শোনেন, বিচার করেন, আর সমস্যার সমাধান দেন! তাই এই মন্দিরের আরেক নাম—‘বড় কাছারি’ বা ‘ভূতের কাছারি’ অর্থাৎ দেবতার আদালত।
ইতিহাস বলে, ১৭৪০ সালে বাংলায় শুরু হয় মারাঠা বর্গীদের আক্রমণ। সেই ভয়াল দিনগুলিতে আশপাশের গ্রামবাসীরা পালিয়ে আশ্রয় নেন শ্মশানের কাছে ঘন জঙ্গলে। ঠিক তখনই জঙ্গলে এসে বাস করতে শুরু করেন এক সিদ্ধপুরুষ, এক রহস্যময় সাধু। মানুষ নানারকম দুঃখ-কষ্ট নিয়ে যখন তাঁর কাছে যেতেন, তিনি নাকি সহজেই তাদের সমাধান করে দিতেন—কখনও উপদেশে, কখনও মন্ত্রে, কখনও আশীর্বাদে।ধীরে ধীরে স্থানীয়রা বিশ্বাস করতে শুরু করেন—এই সাধু আর কেউ নন, মহাদেবের ভূতনাথ রূপের প্রতিভূ।
সমাধি, অশ্বত্থ ও দেবত্বের বিস্ময়:
বর্গী-আতঙ্ক কেটে গেলে একসময় সেই সাধুর মৃত্যু হয়। গ্রামবাসীরা তাঁর দেহ দাহ না করে শ্মশানেই সমাধিস্থ করেন। কিছুদিনের মধ্যেই সেই সমাধি থেকে জন্ম নেয় এক অশ্বত্থ গাছ। লোকেরা মনে করেন এই বৃক্ষই সেই সাধুর চিরজীবন্ত রূপ। গাছতলায় স্থাপন করা হয় শিবলিঙ্গ— আর শুরু হয় শিবের বড় কাছারি।
আজও চলছে দেবতার বিচারসভা:
এখানে এখনও বিশ্বাস করা হয়—
ভূতনাথের আদালতে নালিশ দিলে তার রায় মিলবেই। তাই ভক্তরা একটি ছোট কাগজে নিজের কষ্ট,সমস্যা, ইচ্ছা বা আবেদন ঠিক দরখাস্তের মতো লিখে লাল সুতোয় বেঁধে মন্দিরের দেওয়াল বা অশ্বত্থ গাছের গায়ে বেঁধে দেন। এই কাগজগুলোই হলো—দেবতার কাছে জমা দেওয়া মামলা!
সমাধান:
ভক্তদের কথায়— “বাবা বড় কাছারির দরবারে ন্যায়ের দেরি হয়, কিন্তু অস্বীকার হয় না।”

02/12/2025

একটি সহজ যোগসূত্র—যা নিঃশব্দে বদলে দিতে পারে তোমার সমগ্র জীবন

01/12/2025

একটি মন্দির… যেখানে দেবতা নেই, আছে জ্ঞান।
যেখানে পূজার ফল প্রসাদ নয়— হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি বই।
যেখানে মানুষ আসে মাথা নত করতে, কিন্তু কারও সামনে নয়— শুধুই শিক্ষার কাছে।

কেরলের শান্ত সবুজের কোলে, কান্নুর জেলার চেরুপুঝার কাছে দাঁড়িয়ে আছে এক আশ্চর্য সৃষ্টি—
‘নবপুরম মতাতীত দেবালয়ম’ — অর্থাৎ ঈশ্বরের ধর্মনিরপেক্ষ ঘর।

এখানে গর্ভগৃহে নেই কোনও মূর্তি। নেই ধূপ, নেই ঘণ্টাধ্বনি, নেই পুরোহিতের উচ্চারণ।
তার বদলে রয়েছে এক প্রকাণ্ড ৩০ ফুট উঁচু পাথরের বই— যার পাতায় খোদাই করা আছে মালয়ালম লিপিতে এক চিরন্তন বাণী—

“জ্ঞানই ঈশ্বর। ধর্ম মানে উদার চিন্তা। বিনয়ের সঙ্গে জ্ঞানচর্চাই পথ।”

এই মন্দিরে দানের বাক্সে টাকা নয়— জমা হয় বই।
প্রসাদ হিসেবে পুরোহিত নয়, দর্শনার্থীর হাতে তুলে দেন— একটি বই।
কারণ এখানে পূজিত হয় জ্ঞান… আর সাধনাই শিক্ষা।

২০২১ সালের ৪ মার্চ যখন মন্দিরের দরজা প্রথম খুলে দেওয়া হয়, তখন থেকেই এই দুই একর জমি রূপ নিল বইয়ের উৎসবভূমিতে।
চারদিকে শান্ত সবুজ, মাটির গন্ধ, আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে জ্ঞানের আধার।
এখানে ধর্ম-বর্ণ-জাতির কোনও ভেদাভেদ নেই।
সবাই সমান, কারণ জ্ঞান সবার— জ্ঞান কাউকে আলাদা করে না।

মন্দিরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে ৫,০০০ বইয়ের বিশাল গ্রন্থাগার।
দেওয়ালে খোদাই করা কেরলের লোকসংস্কৃতি, প্রাচীন সাহিত্য, ঐতিহ্যের গল্প।
এ যেন একটি জীবন্ত পাঠশালা— যেখানে প্রতিটি ইট, প্রতিটি পাতার শব্দ বলে উঠছে একটাই কথা—
“শিখো… কারণ শেখাই মুক্তি।”

এই মহান ভাবনার নেপথ্যে রয়েছেন একজন মানুষ—
মালয়ালি লেখক প্রপোয়িল নারায়ণন।
৩৫ বছরের স্বপ্ন, অসীম পরিশ্রম, আর নিজের উপার্জনের প্রায় ৭.৬ কোটি টাকা ব্যয় করে তিনি গড়েছেন এই আলোর মন্দির।

যার কাছে সাহিত্যই ধর্ম, শিক্ষা-ই উপাসনা।
নিজের পৈতৃক দুই একর জমিকে তিনি রূপ দিয়েছেন ‘এঝুথুপুরা’— অর্থাৎ লেখালেখির কুটিরে।
ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে তিনটি কুটির, আরও সাতটি আসছে।

এক এমন মন্দির, যেখানে প্রার্থনার ভাষা বইয়ের পাতায়।
যেখানে আগুন জ্বলে প্রদীপে নয়— মানুষের চোখে।
যেখানে ঈশ্বরের নাম শুনলেই মনে পড়ে যায়—
“জ্ঞানের আলোই সর্বশ্রেষ্ঠ আলো।”

27/11/2025

পড়েছিল সতীর কান, আছে বেহুলার যোগ, হিউয়েন সাঙের লেখায় মেলে এই কালীর কথা

সিমলা থেকে মাত্র ১৬০ কিলোমিটার দূরে প্রকৃতির কোলে অবস্থিত হিন্দু ও বৌদ্ধ স্থাপত্যে মিশ্রণে গড়ে ওঠা, অপূর্ব সুন্দর ভীমাকালী মন্দির। বুশাহর বাজবংশের কুলদেবী হলেন ভীমাকালী। কথিত আছে, এখানে সতীর কান পতিত হয়েছিল।

বলিরাজের পুত্র বাণাসুরের রাজত্ব ছিলো সারহানের এই অঞ্চলে। তিনিই এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে কৃষ্ণ বাণাসুরকে হত্যা করলে বাণাসুরের দেহ এই মন্দিরের প্রবেশদ্বারে সমাধিস্থ করা হয়। বাণাসুরের কাহিনির মধ্যে জানা যায় উষা ও অনিরুদ্ধর কথা। ঊষা হলেন বাণাসুরের কন্যা আর অনিরুদ্ধ হলো কৃষ্ণপুত্র প্রদ্যুম্নর পুত্র। মনে করা হয়, বাংলার বিখ্যাত কাব্য মঙ্গলকাব্যের বেহুলা ও লখিন্দর আসলে ঊষা আর অনিরুদ্ধ। মঙ্গলকাব্যের কাহিনি অনুসারে ঊষা এবং অনিরুদ্ধ বেহুলা ও লখিন্দর হিসাবে জন্মগ্রহণ করেছিল।

আবার চণ্ডীতে শুম্ভ-বধের পর দেবতাদের কাছে আদিশক্তি মহাদেবী নিজের যে ভবিষ্যতের রূপগুলির কথা বলেছেন সেখানে বিন্ধ্যবাসিনী, রক্তদন্তিকা ও শাকম্ভরীর পরেই আছে দেবী ভীমার প্রসঙ্গ। মহাদেবী বলছেন দানবদের অত্যাচারে পীড়িত ঋষিদের রক্ষা করতে নীলবর্ণা পর্বতপ্রমাণ বিশাল কলেবর নিয়ে তিনি হিমাচলে আবির্ভূত হবেন এবং দুরাচারী দৈত্যদের ভক্ষণ করে জগত রক্ষা করবেন। তখন তাঁর নাম হবে ভীমা।এই কালীপীঠের ঐতিহাসিক উল্লেখ হিউয়েন সাঙ এবং উত্তর পশ্চিমের পথে ভারতে আগত বিভিন্ন বৈদেশিক পর্যটকগণের লেখাতে পাওয়া যায়।

25/11/2025

ভারতের মাটিতে অসংখ্য রহস্যময় মন্দির আছে, যেগুলো মানুষের ভক্তি ও বিশ্বাসকে জাগিয়ে তোলে। মধ্যপ্রদেশের ভিন্ড জেলার দন্দরৌয়া ধামে এমনই এক চমকপ্রদ মন্দির রয়েছে, যেখানে ভগবান হনুমানকে ডাক্তার রূপে পূজা করা হয়।
🩹 ডাক্তার হনুমানের গল্প
শোনা যায়, এক সময় শিবকুমার দাস নামে এক সাধু দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। অসংখ্য চিকিৎসার পরও আরোগ্য সম্ভব হয়নি। সেই সময় হনুমানজি ডাক্তার রূপে তাঁর স্বপ্নে উপস্থিত হন, গলায় স্টেথোস্কোপ ঝুলানো অবস্থায়!
দর্শন করার পরই সাধু সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান। সেইদিন থেকে এই স্থান পরিচিত হয় “ডাক্তার হনুমান মন্দির” নামে।
________________________________________
🕺 হনুমানজির মূর্তি
মন্দিরের সবচেয়ে অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো মনোরম নৃত্যরত মূর্তি।
বিশ্বাস করা হয়, এই মূর্তিটি যেন নাচতে থাকে, যা দর্শনার্থীদের আশ্চর্য ও মুগ্ধ করে। এছাড়া এই মূর্তির পরনে থাকে অ্যাপ্রোন ও গালায় স্টেথো।
________________________________________
🙏 অবিশ্বাস্য ভক্তি ও চমক
প্রত্যেক মঙ্গলবার, যখন হনুমানজিকে বিশেষভাবে পূজা করা হয়, হাজারো রোগী ও ভক্ত এখানে আসে। বিশেষ করে ফোড়া, আলসার ও ক্যান্সারের মতো রোগও
মন্দিরের পাঁচবারের পরিক্রমা করে কমে যায় বা পুরোপুরি আরোগ্য লাভ হয় বলে ধারণা।
ভক্তদের বিশ্বাস – যার চিকিৎসা সব জায়গায় ব্যর্থ, সে এখানে আসুক সত্যিকার ভক্তি নিয়ে, হনুমানজি নিরাময় করবেন।
_____________________________________

12/11/2025

এই মন্দিরে বলির পরে বেঁচে ওঠে ছাগল

চিনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাংয়ের লেখাতে রয়েছে, বিহারের কাইমুর মালভূমির মুণ্ডেশ্বরী পাহাড়ের মন্দিরের কথা। এখানে তান্ত্রিক রূপ পূজিত হন, দেবী মুণ্ডেশ্বরী। রয়েছে পঞ্চমুখী শিবের মূর্তি।
এখানে হয় এক অনন্য পশুবলি। কারণ, এখানে ছাগল বলি দেওয়ার সময়ে কোনও অস্ত্র ব্যবহার করা হয় না। এমনকি হয় না কোনও রকম রক্তপাত। ছাগলটিকে মায়ের পায়ের কাছে শুইয়ে রাখা হয়। তার পরে অবিশ্বাস্য ভাবে ছাগলটি জ্ঞান হারায়। আবার দেবীর কাছে থেকে ফুল নিয়ে গায়ে ঠেকালেই তার জ্ঞান ফিরে আসে। সকলের দর্শনার্থীর চোখের সামনেই নাকি এমন ঘটে।

11/11/2025

10/11/2025

Address

South Dum Dum
Kolkata
70005

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Democratic India posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share