24/05/2026
এক উজ্জ্বল ও গৌরবময় নাম — প্রফেসর ডঃ বিপন টুডু। 🌿✨
“Instrumentation and Sensor Systems” ক্ষেত্রে অসামান্য ও উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য West Bengal Academy of Science and Technology (WAST) কর্তৃক ২০২৫ সালে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ “Fellow” হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এই স্বনামধন্য বিজ্ঞানী।
বর্তমানে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের Instrumentation & Electronics Engineering বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। বায়োমেডিক্যাল ম্যাটেরিয়ালস, সেন্সর, ন্যানোমেটেরিয়ালস প্রভৃতি ক্ষেত্রে তাঁর গবেষণা আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ সমাদৃত।
তাঁর অসামান্য কৃতিত্বের মধ্যে রয়েছে —
🔹 ৬টি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পেটেন্ট
🔹 ১৪৮টি আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নাল
🔹 ২০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং বইয়ের চ্যাপ্টার
🔹 ৩৫০টিরও বেশি গবেষণা প্রকাশনা
🔹 বহু ডক্টরেট গবেষক ছাত্রছাত্রীর গাইড হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
Covid-19 মহামারীর সময় তাঁর আবিষ্কৃত
“A Novel Self-Powered Triboelectric Mask”
বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।
ডি.এসসি. (D.Sc.) সম্মাননা, বীরসা মুন্ডা পুরস্কার ও গুণীজন সম্মানসহ একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি।
তবে তাঁর পরিচয় শুধুমাত্র একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী হিসেবেই সীমাবদ্ধ নয়। সমাজের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা তাঁকে করেছে আরও বড় মাপের মানুষ। আজ যখন অনেকেই প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সমাজ থেকে দূরে সরে যান, তখন প্রফেসর ডঃ বিপন টুডু প্রতিনিয়ত আদিবাসী সমাজের নানা সমস্যা নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করে চলেছেন।
আদিবাসী অধিকার, ফেক এস টি ,স্কুল, হোস্টেল, শিক্ষা ও সমাজের নানা বাস্তব সমস্যার বিরুদ্ধে তিনি শুধু সোচ্চারই নন, বরং সক্রিয় উপদেষ্টা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
পুরুলিয়ার এক প্রত্যন্ত গ্রামের দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা এই সংগ্রামী মানুষের জীবনপথ কখনোই সহজ ছিল না। আর সেই কারণেই হয়তো আজও তিনি সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার অদম্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এই মিতভাষী, কর্মনিষ্ঠ, সমাজসেবী ও প্রেরণাদায়ক বিজ্ঞানীকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও জোহার। 🙏🏻🌿
Collected...