14/04/2026
STATEMENT FROM FAM COMMUNITY
সমগ্র সোশ্যাল মিডিয়া তৃণমূলের সকল স্তরের কর্মী সমর্থকদের, প্রতিটি কমিউনিটিকে ধন্যবাদ জানাই ফ্যামের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এই একতাই আমাদের শক্তি। এই একতাই গতকাল আমাদের সাহায্য করেছে ভবানীপুরকে শুভেন্দু মুক্ত করতে। ফ্যামের "ভবানীপুরে পাঁঠা বলি হবে" ব্যানার ছেঁড়ার প্রতিবাদে পুরো ভবানীপুরের প্রতিটি শুভেন্দুর ছবি, পোস্টার, ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়।
আমরা শুরু থেকে শেষ অবধি যথেষ্ট সংখ্যায় উপস্থিত থাকায় তারা কাছে আসতে ভয় পায়, আমাদের কর্মসূচি শেষে যখন সবাই একে একে চলে যেতে থাকে, তখন আমরা কর্মসূচির শেষাংশে ভবানীপুর থানায় বিজেপির এক দুস্কৃতির বিরুদ্ধে যখন লিখিত অভিযোগ জানাতে মোট ৩০জন উপস্থিত হই, শুভেন্দু পেছন থেকে সব অবাঙালি বহিরাগত গুন্ডা পাঠায় ফ্যামের ওপর আক্রমণ করবে বলে। সঙ্গে সঙ্গে ফ্যামের কর্মীরা ধেয়ে উঠলে তারা থেমে যায় ও স্লোগান - পাল্টা স্লোগানে মেতে ওঠে ভবানীপুর থানা চত্তর। সৌরভ দাস ও রিয়া দে মল্লিকের নেতৃত্বে স্লোগানে যখন বিজেপি পরাস্ত হয়, তখন তাঁরা রাস্তায় বাস থামিয়ে দেবার চেষ্টা করে। পুলিশের ও সৌরভের অনুরোধে আমরা সকল ফ্যাম কর্মীরা শান্ত হই ও পুলিশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। বিজেপি লাগাতার ফ্যামের কর্মীদের নাম করে করে অশ্রাব্য ভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে। মহিলাদের দিকে অশালীন ভাষায় কটূক্তি করতে থাকে, দেহের অঙ্গের নাম করে গালিগালাজ করতেও থামেনি বহিরাগত দুষ্কৃতীরা। আমাদের প্রতিটি হলুদ বাহিনীর যোদ্ধা একজোট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ও সকল রকমের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত হয়।
এমতাবস্থায় বিজেপির শিবির থেকে মাইকিং করে ঘোষণা করা হয় যে শুভেন্দু আসছে ফ্যামের তেজর ভয়ে ভীত হয়ে। ফ্যামের প্রতিটি কর্মী সত্যিই উৎসাহ পেয়ে যায় শুভেন্দুকে চোখে চোখ রেখে জবাব দেবে বলে। বিজেপি শিবির ততক্ষনে আমাদের প্রাণে মারার হুমকি দিতে শুরু করে দিয়েছে। একাধিক ডান্ডা ও অস্ত্র সমবেত করে তারা রক্তের রাজনীতি করার চেষ্টা করে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেও ফ্যামের কর্মীরা শুধুই ভাবছিল যদি আজ মৃত্যু বরণ করতে হয় আমরা প্রস্তুত, তবে শুভেন্দু এলে বদলা নিয়ে মৃত্যু বরণ করব। ফ্যামের একজন কর্মীর ওপর আঘাত এলে সেটার জবাব ঠিক এভাবেই শুভেন্দুর দেহের ওপর দিয়ে যেত যতটা ফ্যামের ব্যানার ছেড়ার জন্য বিজেপি ভবানীপুরে শুভেন্দুর নাম ও নিশান খুঁজে পায়নি গতকাল।
শেষে পুলিশ ফ্যামের কর্মীদের গ্রেফতার করে। তখনই বিজেপির কিছুজন দুষ্কৃতী ফ্যাম এডমিন সৌমেন ঘোষের ওপর চড়াও হয়ে আক্রমণ করে। সেই আহত অবস্থা তাই প্রিজন ভ্যানে করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ফ্যাম সদস্যদের। হয়ত আইনি লড়াই লড়তে হবে আমাদের সকলকে, তবে সমগ্র পরিবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে শুভেন্দুকে জবাব দিচ্ছে, আমরা ভয় পাইনি, আমরা থামিনি, আমরা হারিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে উঠে আস্তে হচ্ছিল ফ্যামের কাছে। যা শুভেন্দু তুই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কি হারাবি, তুই ফ্যামের কাছেই হেরে গেলি।