My Emotions by ARIYA BEGUM

My Emotions by ARIYA BEGUM মীরজিফর বিশ্বাসঘাতক ছিলেন না-অগ্নিশিখা

আগামী কাল ঠিক রাত নয়টায় মীরজাফরের সাথে লাইভে থাকবো।আপনিও সাথে থাকুন সমস্ত জিজ্ঞাসা নিয়ে।ঠিক কি ঘটেছিল সেদিন পলাশির প্...
16/01/2022

আগামী কাল ঠিক রাত নয়টায় মীরজাফরের সাথে লাইভে থাকবো।আপনিও সাথে থাকুন সমস্ত জিজ্ঞাসা নিয়ে।ঠিক কি ঘটেছিল সেদিন পলাশির প্রান্তরে?
অগ্নিশিখা
(আমার টাইম লাইন থেকে)
With
❤️
মীরজাফর বিশ্বাসঘাতক ছিলেন না/ MirJafar Was Not a Traitor

শ্রদ্ধাঞ্জলী- অগ্রজ কিংবদন্তী কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী-তাঁর শেষ লেখা অচ্ছুত সাহিত্য গ্রুপের জন্য ছিল একটি অসাধারন কবিত...
26/12/2018

শ্রদ্ধাঞ্জলী-
অগ্রজ কিংবদন্তী কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী-
তাঁর শেষ লেখা অচ্ছুত সাহিত্য গ্রুপের জন্য ছিল একটি অসাধারন কবিতা-
কন্ঠ রোধ হয়ে আসছে তাই বিদায় বলতে পারছিনা কারন তিনি আমাদের মধ্যে ছিলেন -থাকবেন এবং আছেন চিরদিন অমর হয়ে ।তবে হৃদয়ের মনিকোঠায় একটা অনবদ্য যুগের অবসান হলো যা আর কোনদিনই পূরন হবেনা।

অগ্রজ কবি
নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী -
নিশির ডাক

এ-দিক- সে-দিক সব দিকে যায়,
একটা দিকেও পায়না দেখা,
ঘুম-চোখে সে ঘুরতে থাকে
চার দেওয়ালের মধ্যে একা।
দিব্যিতো সে ঘুমিয়ে ছিল,তার ভিতরেই কেউ তাকে
রাস্তা থেকে ডাক দিয়েছে
মধ্য রাতে নিশির ডাকে?
ঘুম ভেঙেছে তাই বুঝি তার, চলছে এখন রাস্তা খোঁজা
কিন্তু কোথায় বাইরে যাবার
রাস্তা সেটাই যায় না বোঝা।
চারিদিকে চার দেওয়াল গাঁথা
দরজা কোথায় তার ভিতরে,
অন্ধকারে লোকটা শুধুই
এ-দিক ও-দিক হাতড়ে মরে।
* * *

* * *

কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে উৎসর্গ করলাম এ কবিতা-।
বিষন্ন গোধূলী
অগ্নিশিখা-

তোমাকে কতো বার বলেছি -
এমন ছন্নছাড়া মন কেমন করা
বিদঘুটে গোধূলিতে
ঐখানে এসে আর দাঁড়িও না।
বিকেলের ম্লান ডোবা সূর্য
আমার কোনদিনই পচ্ছন্দ ছিলনা-
কারন ও তোমার সব বিষন্নতা
ঢেলে দেয় তোমার উদাসী মনে।
তোমার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে
এক মন পোড়ানো দীর্ঘশ্বাস.....
আজো আমি ঐ আকাশে তোমার
অস্তিত্ব টের পাচ্ছি.....
তাই-
এই ডোবা সূর্যের বিষন্ন আলোয়
এখনো তোমাকেই খুঁজি ...
ভালো থাকো তুমি ......

চোখ বন্ধ করো -
'আমার প্রথম চুম্বন খানি তোমাকে দিলাম..
এটা আমার ভালবাসার চুম্বন।
উঁহু চোখ খুলনা-
আমার দ্বিতীয় চুম্বন খানিও তোমাকে দিলাম..
এটা আমার প্রেমের সাক্ষী।
আর শেষ চুম্বন খানিও তোমাকেই দিলাম.'..
এটা আমার শ্রদ্ধাঞ্জলী।
অগ্নিশিখা

05/11/2018

Celebrate the magic and joys of Diwaliশুভ দীপাবলির শুভেচ্ছা

সাপ চেনা ও জানা- জেনে রাখা ভাল- 70% সাপের বিষ নেই 30%সাপের বিষ আছে।এবার হয়তো ভাবছেন চিনবো কি করে! তার একটা সহজ উপায় হলো ...
30/08/2016

সাপ চেনা ও জানা-
জেনে রাখা ভাল-
70% সাপের বিষ নেই 30%সাপের বিষ আছে।এবার হয়তো ভাবছেন চিনবো কি করে! তার একটা সহজ উপায় হলো -সাপ যেখানে দংশন করবে সে জায়গায় যদি দুটো ছোট ফুটো র দাগ হয়ে থাকে তবে সেটা 100%বিষধর। আর দুয়ের অধিক থাকলে সেটা নরম্যাল।ভারতে বেশীরভাগ রুগী হাসপাতালে আনার আগেই হার্ট এট্যাকে মৃত্যু হয়।কারন সবার মুখের ভয় ভীতির ভাষাই তার এই মৃত্যুকে ডেকে আনে।তাই সবাইকে দরকার মনে সাহস এনে ঐ ব্যক্তিকে প্রচন্ড মানসিক ভাবে সাহস যুগিয়ে জাগিয়ে রাখা দরকার।
সাপের কামড়ের প্রাথমিক চিকিৎসা
ও হাসপাতালে সাপের কামড়ের চিকিৎসা বিষয়ে জনসাধারনের জ্ঞাতব্য কিছু বিষয়।
শুরুর কথা –
আমাদের দেশে প্রতি বছর সাপের কামড়ে সরকারী মতে প্রায় প্রায় ৫০,০০০ মানুষ মারা যান, বেসরকারী মতে এই সংখ্যাটা প্রায় ১,০০,০০০। অথচ অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের দেশের থেকে অনেক বেশি বিষধর সাপ থাকলেও মৃত্যু হার ৫ বছরে মাত্র ২-৩ জন।
এই ফারাক কেন ?
তার কারণ এখনও আমাদের দেশে বহু মানুষ সাপের কামড়ালে সঠিক সময়ে হাসপাতালে না গিয়ে হাজির হন ওঝা, গুনীন, পীর, ফকির বা মনসার থানে। এর সাথে যোগ হয়েছে গ্রাম্য এলাকার মানুষের জন্য সঠিক চিকিৎসার অপ্রতুলতা।
এটা দুঃখের হলেও সত্যি যে, MBBS সিলেবাসে সাপের কামড়ের চিকিৎসা বিষয়টি ভীষণভাবে অবহেলিত। তার কারণ হয়ত এটি একটি “অবহেলিত গ্রামীণ সমস্যা”। আশার কথা ডাঃ দয়াল বন্ধু মজুমদার হোয়াটস অ্যাপ “স্নেক বাইট ইন্টারেস্ট গ্রুপ” নামে একটি গ্রুপ খুলেছেন। ভারতের ৬ টি রাজ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তাঁদের নানা মুল্যবান বক্তব্য ও কেস হিস্ট্রিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে এই অবহেলিত বিষয়টির চিকিৎসা। সর্প দংশনের চিকিৎসায় একটি জাতীয় স্তরের নীতিমালা তৈরি হওয়ার পথে। পশ্চিমবঙ্গের অষ্টম শ্রেনীর পাঠক্রমে বিষয়টি এসেছে। আরও একটু সচেতন হলে বহুলাংশে এই মৃত্যু এড়ানো সম্ভব।
আসুন কিছু অবশ্য জ্ঞাতব্য বিষয় আমরা জেনে রাখি।
বিষধর ও বিপজ্জনক কোনগুলো ?
চিনে রাখুন মহাচার কে।
পশ্চিমবঙ্গের মাত্র চারটি সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যু হয়।
১) গোখরো (ফণাধর নার্ভবিষ)
২) কেউটে (ফণাধর নার্ভবিষ)
৩) চন্দ্রবোড়া (রক্ত কনিকা ধ্বংশকারী)
৪) কালাচ (ফণাহীন নার্ভ বিষ)
এছাড়া আছে মারাত্মক বিষধর শাঁখামুটি , কিন্তু তা নিয়ে আমাদের চিন্তার কিছু নেই। কারণ শাঁখামুটি এতোই শান্ত যে, ওর কামড়ে মৃত্যুর কোনো ইতিহাস নেই । আমাদের এলাকার বাকি আর কোনও সাপ থেকে মৃত্যুভয় নেই।
কামড় এড়াতে –
*বাড়ির চারপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।
* রাতে অবশ্যই বিছানা ঝেড়ে মশারি টাঙ্গিয়ে শোবেন। (মেঝেতে ঘুমালে মশারি বাধ্যতামূলক)
* অন্ধকারে হাঁটাচলা করবেন না, একান্তই বাধ্য হলে হাতে লাঠি নিয়ে রাস্তা ঠুকে চলুন, হাততালি দিয়ে লাভ নেই, কারণ সাপের কান নেই।
* জুতো পরার আগে তা ঝেড়ে নিন।
* মাটির বাড়িতে কোনও ইঁদুর গর্ত থাকলে তা আজই বুজিয়ে ফেলুন।
জেনে রাখুন তাবিজ কবজ মাদুলি আংটি কোনও কাজের নয়। একমাত্র সাবধানতাই সাপের কামড় থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে।
সাপের কামড়ের প্রাথমিক চিকিৎসা
Do R_I_G_H_T
R- Reassurance
রোগীকে আশ্বস্ত করুন। কারণ রোগী খুবই আতঙ্কের মধ্যে থাকেন। আতঙ্কও মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। রোগীকে বোঝান, সাপের কামড়ে আক্রান্ত বহু মানুষ চিকিৎসায় বেঁচে উঠেছেন, আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন।
I – Immobilization
যত কম নড়াচড়া হবে তত কম হারে বিষ সারা শরীরে ছড়াবে। স্কেল বা বাঁশের টুকরো সহ হাতে/ পায়ে (যে অংশে কামড়াবে) কাপড় দিয়ে হাল্কা করে বেঁধে দিন। হাত বা পা (কামড়ের নিকটতম স্থান) যাতে তিনি ভাঁজ করতে না পারেন তাই এই ব্যবস্থা ।
GH – Go To Hospital
ফোন করে জেনে নিন আপনার নিকটতম যে হাসপাতালে
১)A.V.S ,
২) নিওস্টিগমিন
৩) অ্যাট্রোপিন এবং
৪) অ্যাড্রিনালিন আছে সেই হাসপাতালে চলুন। মাথায় রাখবেন সাপের কামড়ের সম্পূর্ণ চিকিৎসা একটি ব্লক প্রাইমারী হেলথ সেন্টারেই সম্ভব। সম্ভব হলে রোগীকে মোটর সাইকেলের মাঝে বসিয়ে রোগীর সাথে কথা বলতে বলতে চলুন। জেনে রাখবেন এখানে সময়ের ভূমিকা কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।
T- Tell Doctor for Treatment
হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকে সাপের কামড়ের চিকিৎসা করতে বলুন। কথা বলতে গিয়ে রোগীর কথার মধ্যে কোনও অসঙ্গতি (যেমন কথা জড়িয়ে আসা, নাকি সুরে কথা বলা খেয়াল করলে তা যথাযথ (কতক্ষন আগে শুরু হল) ভাবে চিকিৎসকে জানান।
RULE OF 100
সাপে কামড়ানোর ১০০ মিনিটের মধ্যে ১০০ মিলিলিটার AVS শরীরে প্রবেশ করলে রোগীর বেঁচে যাবার সম্ভাবনা ১০০%
হাসপাতালে নিয়ে গেলেন।
কোন পথে চলবে চিকিৎসা ?
ডাক্তার কীভাবে বোঝেন সাপের কামড় ?
২০ WBCT
(20 Minute Whole Blood Clotting Test)
এই পরীক্ষার দ্বারা রোগীর রক্ত তঞ্চনের কোনও ব্যাঘাত ঘটেছে কি না তা জানা যায়।
উপকরন –
ক) সিরিঞ্জ
খ) শুকনো নতুন পরিষ্কার কাঁচের টেস্ট টিউব (প্লাস্টিক হলেও হবে না পরিস্কার করে ধুয়ে নিলেও হবে না। পরীক্ষা সঠিক ভাবে হওয়ার জন্য নতুন এবং কাঁচের এই দুটি বিষয়ই কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ )
প্রণালি-
রোগীর শরীর থেকে ২ মিলিলিটার রক্ত নিয়ে নতুন কাঁচের টেস্ট টিউবে দাঁড় করানো অবস্থায় ঠিক ২০ মিনিট রেখে (স্টপ ওয়াচ এ হিসেব সুবিধাজনক) টেস্টটিউবটিকে কাত করে দেখতে হবে রক্ত জমাট বেঁধেছে কি না। রক্ত জমাট না বাঁধলে অবশ্যই চন্দ্রবোড়ার কামড়। খেয়াল রাখুন এই পরীক্ষার জন্য কোনও ল্যাবরেটরি লাগে না।
চন্দ্রবোড়া (হেমাটক্সিক) ছাড়া সমস্ত সাপের কামড় নিশ্চিত হওয়া যায় কেবলমাত্র রোগীর লক্ষ্মণ দেখে-
বিষক্রিয়ার লক্ষ্মণ-
১) দু চোখের পাতা পড়ে আসা Bilateral Ptosis (সব সাপের কামড়ের মূল লক্ষণ) ২) কামড়ের স্থানে অসম্ভব জ্বালা যন্ত্রণা (ফণাধর সাপের ক্ষেত্রে)
৩) ক্রমবর্ধমান ফোলা
৪) শরীরের নানা স্থান থেকে রক্ত বেরিয়ে আসবে (চন্দ্রবোড়ার ক্ষেত্রে)
৫) ঢোঁক গিলতে অসুবিধে
৬) ঝাপসা দেখা
৭) জিভ জড়িয়ে
৮) ঝিমিয়ে পড়া
চিকিৎসায় দেরি হলে শ্বাসকষ্ট এবং শ্বাস ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু।
*এশিয়ার বিষাক্ততম সাপ কালাজ এর কামড়ে কোনও জ্বালা যন্ত্রণা থাকে না, দংশন স্থানে কোনও চিহ্ন পাওয়া প্রায় যায়ই না। পেটে ব্যাথা, গাঁটে গাঁটে ব্যাথা, খিঁচুনি কিংবা শুধুমাত্র দুর্বলতা অনুভব করার লক্ষনের সাথে দুচোখের পাতা পড়ে আসা নিশ্চিত কালাজের কামড়ের লক্ষণ।
চিকিৎসা –
বিষক্রিয়া নিশ্চিত হলে ডাক্তার
*কোন স্কীন টেস্ট ছাড়াই (যা ২০১০ সালে WHO র নির্দেশিকায় বাতিল হয়ে গেছে) শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলকেই চার ভাগের এক ভাগ অ্যাড্রিনালিন ইনজেকশন চামড়ার তলায় দিয়ে (বাকি ADVERSE REACTION মোকাবিলায় কাজে লাগতে পারে বলে সিরিঞ্জে টানা থাকবে) শিরা ফুঁড়ে স্যালাইনের সাথে ১০ ভায়াল AVS এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে শরীরে প্রবেশ করাবেন। সাথে অবশ্যই দেবেন নিওস্টিগমিন এবং অ্যাট্রোপিন (ফণাধর নার্ভবিষ গোখরো ও কেউটে ক্ষেত্রে এই দুই ইনজ্কেশন না প্রয়োগ হলে রোগীর মৃত্যু অনিবার্য।কেবল মাত্র চন্দ্রবোডার ক্ষেত্রে 100%নিশ্চিত থাকলে এই দুই ইঞ্জেকশনের ভূমিকা নেই।)
*কোন অবস্থাতেই রোগীকে রেফার করতে হলে 10 ভায়াল AVS ,নিওষ্টিগমিন এবং এনট্রপি না দিয়ে রেফার করা যাবেনা(জেনে রাখুন- গত 2আগষ্ট2014 বিষ্ণুপুরের মালতী লোহার কে কেউটে সাথে কামড়ালে 10 এর পরিবর্তে 5 ভায়াল AVS দিয়ে ও নিওষ্টিগমিন এবং এনট্রপি ইনজেকশন না দিয়ে বিষ্ণুপুর জেলা হসপিটালথেকে বাঁকুড়ায় রেফার করায় তার মৃত্যু ঘটে।)
*AVS দিলে 70%ক্ষেত্রে পার্শ্ব প্রতিক্রিযা(শ্বাসকষ্ট,শরীরে আমাদের মত দেখতে পাওয়া ইত্যাদি)ঘটে যাকে সাময়িক স্যালাইন বন্ধ করে ইনজেকশন সিরিঞ্জে ধরে রাখা 0.5mlআড্রিনালিন দিয়ে সফল ভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব। *বিষক্রিয়ার লক্ষন অনুযায়ী 2য় বা 3য় AVS এর ডোজ বড় হাসপাতালে (কিডনি পরীক্ষার ব্যাবস্থা আছে এমন হাসপাতালে )দেওয়া উচিত।
চন্দ্রবোডার চিকিৎসায় দেরি হলেই কেবল ডায়ালেসিস লাগে।(চন্দ্রবোডার কামড়ে 1 মিনিট দেরী হওয়ার কিডনি 1%ক্ষতি হওয়া।)
ফনাধর সাপের কামড়ে চিকিৎসার দেরী হলে কিছু করার চেষ্টা খুব ই কমে আসে ।হাতের পায়ের আঙ্গুল হলে নেক্রোসিস হয়ে আঙ্গুল (দংশন স্থান)
কেটে বাদ দিতে হতে পারে।
তাই আসুন সকলে মিলে আটকাই
সমস্ত মৃত্যুকে, সাপের কামড় এলাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিই।
সাপে কামড়ালে রোগীকে সত্বর সাপের কামড়ের চিকিৎসা হয় এমন নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে চলি।
তবু জেনে রাখা ভাল -কোন ও রোগীর যদি সাপের কামড়ে মৃত্যু ঘটে তবে-
মৃত ব্যাক্তির বাডির লোক লক্ষ টাকা
ক্ষতিপূরণ বাবদ পাবেন।কোন রোগীর মৃত্যুকালে সরকারী হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক"মৃত্যুর কারন যে সাপের কামড় "এই মর্মে প্রশংসাপত্র প্রদান করবেন কারন সাপে কামড়ে মৃত ব্যক্তির পরিবারের প্রাপ্য 2 লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট গ্রহণীয় নয় এই প্রশংসা পত্র ই গ্রহণীয় নথী।(সরকারী অর্ডার নং-1561 (19) FR/8P-3/04 তারিখ 19/8/2008.
(-সংগৃহীত-)
পরিশেষে বলি কুসংস্কার ভ্রান্ত ধারনার বশবর্তী হয়ে সাপের ওঝা বা গুনতুক জডিবুটি থেকে বিরত ইউন।সাধ করে প্রিয়জনের মৃত্যুকে নিশ্চিত ডেকে আনবেন না। এই কুসংস্কার কিন্তু আমাদের এই শতাব্দীর জীবন যাত্রার একটা অভিশাপ।
সবার সুস্হ তার কামনা করি।
-আরীয়া বেগম-

জীবন একটাই সেটা দুঃখ করার জন্য নয়-
25/06/2016

জীবন একটাই সেটা দুঃখ করার জন্য নয়-

25/06/2016
Himy dear friends-🌸🌷🍀Today is the year's middle day. We have completed 183 days and we still have 183 days.🍁 So, have"A ...
25/06/2016

Hi
my dear friends-
🌸🌷🍀Today is the year's middle day. We have completed 183 days and we still have 183 days.🍁 So, have"A happy half year. Hope i am the only one to wish you this unique wish !:* send this to all your friends 🌹🌻🌺

লহ প্রনাম--আরীয়া বেগম- আজ রবীঠাকুরের  155 তম জন্মদিন-কিন্ত আমার কাছে প্রতি নিয়তই তাঁর সঙ্গে আমার চলাফেরা, মেলামেশা, সুখ-...
08/05/2016

লহ প্রনাম-
-আরীয়া বেগম-
আজ রবীঠাকুরের 155 তম জন্মদিন-
কিন্ত আমার কাছে প্রতি নিয়তই তাঁর সঙ্গে আমার
চলাফেরা, মেলামেশা, সুখ- দুঃখ একাকার হয়ে রযেছে।
প্রতিটি বাঙ্গালীর মনে এমনকি অবাঙ্গালীর হৃদয়ের
অন্তঃপুরে রয়েছে তাঁর অবাধ যাতায়াত।
তিনি কখন ও বন্ধু কখনও প্রিয়, কখনও বিরহীর সান্ত্বনা
আবার কখনও দেবতা।
তাঁর ছন্দ আমাদের রক্তে দেয় দোলা, তাঁর বানী আমাদের
না বলা কথার মালা।
তাইতো গভীর আনন্দে আমরা বলে উঠি-
"প্রানে খুশীর জোয়ার এসেছে.."।অধবা মন বলে ওঠে-
"আমি চঞ্চল হে সূদুরের পিয়াসী- সূদুর ওগো বিপুল সূদুর
তুমি যে বাজাও বাঁশরী..."।আবার কখনও বা খুশীতে উচ্ছল
হয়ে বলি -"আমার জীবন পাত্র উচ্ছলিয়া
মাধুরী করেছ দান..."।
দুঃখে তিনিই আবার আমাদের বিরহী মনের এক
অনাবিল সান্ত্বনা -তাইতো আমরা দুঃখের মাঝেও
সুখ খুজেঁ বেড়াই -"তুমি রবে নিরবে হৃদয়ে মম-
মম জীবন যৌবন মম অখিল ভুবন তুমি
ভরিবে সৌরভে...."।
তাই তাঁর পায়ে মাথা নত করে বলি-"আমার
মাথা নত করে দাও হে তোমার
চরন ধুলার তলে...."।
তাইতো -"আমি তোমারেই করিয়াছি
জীবনের ধ্রুবতারা....."
তিনি কাল অতিক্রান্ত এক
যুগান্তরের কবি।
হে বন্ধু আমার -সখা আমার- দেবতা আমার-
"জীবন মরনের সীমিনা ছাড়ায়ে
বন্ধু হে তুমি রয়েছো দাঁড়ায়ে.........।
লহ প্রনাম
-আরীয়া বেগম -

30/03/2016

মীরজিফর বিশ্বাসঘাতক ছিলেন না-অগ্নিশিখা

Address

Kolkata
700081

Telephone

+919051600401

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My Emotions by ARIYA BEGUM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to My Emotions by ARIYA BEGUM:

Shortcuts

Share

Category