LaughaLaughi

LaughaLaughi ভারতের একমাত্র বাংলা মিডিয়া সংস্থা
যারা ফেক নিউজ ছড়ায় না

১৪ বছর পর মায়ের হাতে ফিরল মেয়ের দেহাবশেষ!এই ঘটনাটি পড়লে চোখে জল আসতে বাধ্য।--------২০১১ সালের ভয়াবহ জাপান ভূমিকম্প ও স...
23/10/2025

১৪ বছর পর মায়ের হাতে ফিরল মেয়ের দেহাবশেষ!
এই ঘটনাটি পড়লে চোখে জল আসতে বাধ্য।

--------

২০১১ সালের ভয়াবহ জাপান ভূমিকম্প ও সুনামির কথা আমরা সকলেই জানি। সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগে হারিয়ে গিয়েছিল ছোট্ট নাতসুসে ইয়ামানে—মাত্র ছয় বছরের এক মেয়ে। ১৪ বছর পর অবশেষে তার দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া গেছে, আর তাতেই যেন এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল তার পরিবারের।

ঘটনাটি জাপানের ইওয়াতে প্রিফেকচারের ইয়ামাদা শহরের। ২০১১ সালের ১১ মার্চ, উত্তর-পূর্ব জাপানে আঘাত হানে ৯.০ মাত্রার ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প, যার পরপরই তীব্র সুনামি আছড়ে পড়ে উপকূলে।

সেই সময় নাতসুসে তার দিদিমার সঙ্গে ছিল এবং নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই বিশাল ঢেউ সব কিছু গ্রাস করে নেয়। দিদিমা কোনোভাবে বেঁচে যান, কিন্তু নাতসুসে আর ফিরেনি।

তখন থেকেই নাতসুসে ছিল জাপানের প্রায় ২৫০০ নিখোঁজ মানুষের মধ্যে একজন। বছরের পর বছর কেটে গেলেও পরিবার কখনও আশা ছাড়েনি। প্রত্যেক জন্মদিনে কেক কাটা থেকে শুরু করে যাবতীয় আয়োজন করেছে এবং মেয়ের ফিরে আসার অপেক্ষা করেছে।

অবশেষে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মিয়াগি প্রিফেকচারের মিনামি-সানরিকু উপকূলে, এক স্বেচ্ছাসেবী শ্রমিক তীর পরিষ্কারের সময় একখণ্ড চোয়ালের হাড় ও কিছু দাঁত উদ্ধার করেন।

পরবর্তীতে মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ ও প্রোটিন বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়—ওগুলো নাতসুসে ইয়ামানেরই দেহাবশেষ। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, সেই অংশ পাওয়া যায় তার বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে!

২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর, নাতসুসের বাবা-মা—চিয়ুমি ইয়ামানে ও তোমোনোরি ইয়ামানে, এবং তার দাদা—মিনামি-সানরিকু পুলিশ স্টেশনে গিয়ে ছোট্ট একটি কলসিতে তার দেহাবশেষ গ্রহণ করেন।
মা চিয়ুমি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন,

“ধন্যবাদ… তুমি ফিরে এসেছো আমাদের কাছে। এখন আবার আমরা চারজন একসাথে আছি।”

সাথে এটাও বলেন যে, "এখনো মনেহয় মেয়ের 'মামা' বলে ডাকটা শুনতে পারছি"

----

না এটা কোনো বানানো গল্প নয়। এটা বাস্তব।

এই ঘটনায় গোটা জাপান জুড়ে গভীর আবেগের স্রোত বয়ে যায়। ২০১১ সালের সেই ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ে প্রায় ২০ হাজার মানুষ প্রাণ হারান, আর এখনো এতো বছর পরও হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ।

পনজি স্কিম প্রথম শুরু হয়েছিল ইতালিতে!১০০ বছর ধরে চলে আসছে দুর্নীতি!----চার্লস পনজি (Charles Ponzi) জন্মগ্রহণ করেন ১৮৮২ স...
23/10/2025

পনজি স্কিম প্রথম শুরু হয়েছিল ইতালিতে!
১০০ বছর ধরে চলে আসছে দুর্নীতি!

----

চার্লস পনজি (Charles Ponzi) জন্মগ্রহণ করেন ১৮৮২ সালের ৩ মার্চ, ইতালির পার্মা (Parma) শহরে। তাঁর পুরো নাম ছিল কার্লো পিয়েত্রো জিওভান্নি গুলিয়েলমো তেবালদো পনজি (Carlo Pietro Giovanni Guglielmo Tebaldo Ponzi)। তাঁর পরিবার এক সময় বেশ সম্মানিত হলেও ধীরে ধীরে আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তরুণ বয়সে চার্লস ছিলেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং পড়াশোনায় মোটামুটি ভালো। তিনি ইতালির রোমা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি—মূলত টাকার অভাব ও বিলাসী জীবনের প্রতি টান থেকেই তাঁর পড়াশোনার ইতি ঘটে।

১৯০৩ সালে, মাত্র ২১ বছর বয়সে, তিনি ইতালি ছেড়ে আমেরিকার পথে রওনা হন। তাঁর কাছে ছিল মাত্র ২.৫০ ডলার, কারণ যাত্রাপথে তিনি জুয়ায় বাকি সব টাকা হারিয়ে ফেলেছিলেন।

আমেরিকায় পৌঁছে তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন ধনী হওয়ার, কিন্তু শুরুটা ছিল অত্যন্ত কঠিন। প্রথম দিকে তিনি বিভিন্ন ছোটখাটো কাজ করতেন—বাড়ির কাজ থেকে শুরু করে ওয়েটার, এমনকি ডাকবাহক পর্যন্ত।

তবে পনজির একটা বড় বৈশিষ্ট্য ছিল— অসাধারণ আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব ও কথা বলার ক্ষমতা। তিনি সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করাতে পারতেন। এই গুণটাই পরবর্তীকালে তাঁর “স্কিম”-এর মূল অস্ত্র হয়ে ওঠে।

কিছুদিন পর পনজি কানাডায় চলে যান এবং মন্ট্রিয়লে (Montreal) ব্যাংক অফ জার্দিনি (Banco Zarossi)-তে কাজ পান। ব্যাংকটির মালিক লুইজি জার্দিনি ইতালীয় অভিবাসীদের কাছ থেকে উচ্চ সুদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিতেন— কিছুটা “পনজি স্কিম”-এর মতোই। চার্লস তখনও বুঝতে পারেননি যে এই মডেল একদিন তাঁর জীবনকে ইতিহাসে কুখ্যাত করে তুলবে।

কিন্তু জার্দিনির ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পনজি জালচেক (forged cheque) ব্যবহার করে ২০ ডলার প্রতারণা করেন, এবং ধরা পড়ে কারাগারেও পাঠানো হয়।

এই প্রথমবারের মতো তিনি অপরাধ জগতে প্রবেশ করলেন। তিন বছর জেলে থেকে তিনি বুঝেছিলেন, মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে কিভাবে টাকা আদায় করা যায়।

১৯১৯ সালে, যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসে পনজি লক্ষ্য করলেন এক আশ্চর্য ব্যবসায়িক সুযোগ—ইন্টারন্যাশনাল রিপ্লাই কুপন (IRC) নামে ডাক পরিষেবার একটি ব্যবস্থা। তখন বিভিন্ন দেশে ডাকটিকিটের মূল্যের তারতম্যের কারণে এই কুপনগুলোর বিনিময় (অর্থাৎ এক্সচেঞ্জ করে) মুনাফা লাভ করা যেত।

পনজি দাবি করলেন, তিনি এই ব্যবস্থার ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে ৫০% পর্যন্ত লাভ করতে পারেন। তিনি বিনিয়োগকারীদের বললেন, “আপনারা আমাকে টাকা দিন, আমি আপনাদের ৪৫ দিনে ৫০% মুনাফা ফিরিয়ে দেবো।”

প্রথম দিকে তিনি কিছু পুরনো বিনিয়োগকারীদের টাকা নতুন বিনিয়োগকারীদের টাকা দিয়ে ফেরত দেন। মানুষ বিশ্বাস করল— পনজি সত্যিই একজন প্রতিভাবান বিনিয়োগকারী। কয়েক মাসের মধ্যেই হাজার হাজার মানুষ তাঁর কাছে টাকা জমা দিতে শুরু করল।

মাত্র কয়েক মাসে চার্লস পনজি পরিণত হন “বস্টনের ধনী মানুষ”-এ। দিনে দিনে তিনি কোটি কোটি ডলারের মালিক হয়ে উঠলেন। তাঁর কোম্পানি — Securities Exchange Company — একসময় প্রায় ৪০ হাজার বিনিয়োগকারীর টাকা সংগ্রহ করেছিল। তিনি দামি গাড়ি, বিশাল প্রাসাদ, বিলাসবহুল পোশাক—সবকিছুতেই মেতে উঠেছিলেন। সংবাদপত্রগুলো তাঁকে “আধুনিক যুগের আর্থিক জাদুকর” বলে প্রচার করছিল।

কিন্তু ভিতরে ভিতরে গোটা ব্যবসাটি ছিল এক বিশাল প্রতারণা। পনজি আসলে ডাক কুপনের মাধ্যমে কোনো ব্যবসাই করেননি। পুরনো বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তিনি দিচ্ছিলেন নতুন বিনিয়োগকারীদের টাকা থেকে— যা আজকে আমরা “পনজি স্কিম” নামে চিনি।

১৯২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে Boston Post সংবাদপত্র তাঁর ব্যবসা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে একটি তদন্ত শুরু করে। ধীরে ধীরে ফাঁস হতে থাকে সত্য। মার্কিন ডাক বিভাগ জানায় যে, পনজির দাবি অনুযায়ী IRC কুপন কেনা-বেচা করে এত বিশাল মুনাফা করা প্রায় অসম্ভব।

শেষ পর্যন্ত সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়—পনজি ১.৫ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, যা আজকের মূল্যে কয়েকশো কোটি ডলারের সমান। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও পনজি আবার প্রতারণা করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তিনি আর সফল হতে পারেননি। তাঁকে একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত দেশ থেকে নির্বাসিত করে ইতালিতে ফেরত পাঠানো হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি অত্যন্ত দারিদ্রতার ফলে ব্রাজিলে চলে যান, যেখানে তিনি জীবনের শেষ দিনগুলি কাটান এক সাধারণ ক্লার্ক হিসেবে। ১৯৪৯ সালের ১৮ জানুয়ারি, ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো-র এক হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

চার্লস পনজির কাহিনি আজও অর্থনীতি ও প্রতারণা ইতিহাসের এক অন্যতম অধ্যায়। তাঁর নাম আজ এক বিশেষ ধরণের আর্থিক প্রতারণার প্রতীক—“Ponzi Scheme”। বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার প্রতারক তাঁর মডেল অনুসরণ করে মানুষের কষ্টার্জিত টাকা আত্মসাৎ করেছে।

তবে পনজির জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—চটকদার প্রতিশ্রুতি ও অস্বাভাবিক মুনাফার লোভে পড়লে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। তাঁর জীবন এক সতর্কবার্তা — “যে লাভ সত্য হতে খুবই ভালো শোনায়, তা সম্ভবত সত্য নয়।”

23/10/2025

আসানসোলের যে ৩৫০ কোটি টাকার জালিয়াতির বিষয়টা উঠে আসছে, সেটায় আমি সবার আগে দোষ দেবো সাধারণ মানুষকে।

আমরা এর আগে সারদা, নারোদা, সাহারা ইত্যাদি ইত্যাদি বহু পঞ্জী স্ক্যাম দেখেছি যেখানে কম টাকা বিনিয়োগ করে বেশি টাকা মুনাফা লাভের আশায় বহু মানুষ প্রতারিত হয়েছে। তবুও শিক্ষা হয়নি আমাদের।

(সাহারার সেই টাকা এখনো অনেকেই ফিরে পায়নি, সেখানেও একটা ঘাপলাবাজি রয়েছে এবং হয়েছে, সেটা নিয়ে অন্য একদিন বলবো আবার)

তো এই যে ৩৫০ কোটি টাকার কারচুপি, সেটা তো আর একদিনে হয়নি। বা এমনটাও নয় যে হঠাৎ করে এটা সবার সামনে এসে গেলো আর কেউ জানতো না এটা হচ্ছে।

হয় বিরোধীদের স্পাই নেটওয়ার্ক খুব খারাপ। অথবা তারা কাজ না করে নিজেরাও এর সাথে জড়িয়ে ছিল এতদিন। যদি দুর্বল হয় তাহলে বলবো একবার আদিত্য চোপড়ার সাথে এই বিষয় কথা বলে নিতে।

যাই হোক।

এবার আসি গোটা বিষয়টা নিয়ে।

প্রধান বিরোধী দলের দাবি যে তাহসিন আহমেদ নামক এক ব্যক্তি যিনি কিনা শাসকদলের সংখ্যালঘু শাখার সভাপতি শাকিল আহমেদের ছেলে, তিনিই এই চক্রের মূল মাথা।

ভালো কথা। সারদা নারোদার সময় যারা টাকা নিয়ে সমাজ সেবা করছিলো তারা আজ দল বদলে এক বিশেষ সিংহাসনে বসে আছে। তাই তদন্ত, বিচার এর বিষয় টা নিয়ে একটা প্রশ্ন চিহ্ন নয় একটা দাড়ি আছে।

কারণ এর আগে আমরা বিশ্বের সব থেকে ভালো স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড এর ওপরেও যে কেন্দ্রীয় সংস্থা গুলো আছে মানে যাদের কাজ এই সব চোর, ডাকাত, দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদেরকে জেল এ ঢোকানোর, তারা যেন কিছুদিন ক্যামেরার সামনে এদিক থেকে ওদিক, ওদিক থেকে সেদিক গাড়ি নিয়ে জিটিএ জিটিএ খেলে, নিড ফর স্পিড কেও হার মানিয়ে তারা যখন সেই নেতাদেরকে জামিন এ মুক্তি দিয়ে দেয়, মানে মুক্তি দিয়ে সাহায্য করে ফেলে তখন প্রশ্ন ওঠে,

"টেবিল কে নিচে কিতনা দিয়া রে কালিয়া?"

---

তাই এই ধরণের পঞ্জী স্ক্যাম হলে, আগে দোষ দেওয়া উচিত সেই সব মানুষদের যারা টাকার লোভে নিজেদের ঘাম ঝরিয়ে, সঞ্চয়ের টাকা গুলো কেন এই ধরণের ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেয়! এটা জানা সত্ত্বেও যে এটা একটা স্ক্যাম?

সেই নিয়ে তো সরকার থেকে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারে। সেগুলো হয় না কেন?
আসলে ওই গোদি যে বড় প্রিয়, সেই গোদি তে যেই বসুক, দিদি কিংবা... কি তাই তো?

দিল্লি ইজ দূষণ লেস!তাই সরকারি সচিবালয়ের জন্যে অর্ডার দেওয়া হলো মাত্র ১৫ টি এয়ার পিউরিফায়ার!রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট ৫.৫ ...
23/10/2025

দিল্লি ইজ দূষণ লেস!

তাই সরকারি সচিবালয়ের জন্যে অর্ডার দেওয়া হলো মাত্র ১৫ টি এয়ার পিউরিফায়ার!
রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট ৫.৫ লক্ষ টাকা খরচ করে ১৫ টি নতুন এয়ার পিউরিফায়ার অর্ডার দিয়েছে দিল্লির সরকার তাদের সরকারি সচিবালয়ের জন্যে।

প্রতিটি পিউরিফায়ারের দাম ১০-১৫ হাজার টাকা নয়!
একেবারে ৩৬৩৪৫ টাকা করে।

প্রশ্ন উঠছে যে দিল্লিতে যদি আগের চেয়ে দূষণ অনেক কমই থাকে তাহলে নতুন করে এয়ার পিউরিফায়ার এর কী দরকার? আর সাধারণ মানুষের ট্যাক্স এর টাকা দিয়ে নেতা মন্ত্রীরা যেখানে আরামে থাকবে, সেখানে সাধারণ মানুষ কী দোষ করলো?

23/10/2025

কখনো নিজের বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে এটা ভাববেন যে এক রাজনৈতিক দল ২০১৪ থেকে বলে যাচ্ছে যে হিন্দুরা খাত্রে মে হে!

মানে তাদের কথা অনুযায়ী যে ২০১৪ সালের আগে অবধি ভারত একটা মুসলিম দেশ ছিল কিংবা ইংরেজ শাসিত একটা দেশ ছিল, তাদের আসার আগেই শুধু দুর্নীতি হয়েছে, এখন আর একদম কেউ দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে নেই। কেউ খাবার পেত না। কারুর চাকরি ব্যবসা কিচ্ছু ছিল না। শুধু তারা আসার পরই এগুলো বদলে গেছে। হঠাৎ করে সব হিন্দু হয়ে গেছে এবং তারা খাত্রে মে হে!

সেই হিন্দুরা যারা দেশের ৭০% জনসংখ্যা

কাদের হাতে তারা খাত্রে মে?
মুসলিমদের হাতে

মুসলিমদের কত % জনসংখ্যা গোটা ভারতে?
১৪.২ কী খুব বেশি হলে ১৫%

অর্থাৎ একটি দেশে যেখানে প্রায় ১৫০ কোটির মধ্যে ৭০% হিন্দু, তারা ওই ১৫% মানুষদের থেকে খাত্রে মে হে?

তাহলে কি আমাদের এটাই বোঝানো হচ্ছে যে হিন্দুরা ভীতু? নাকি ওই ১৫% মানুষদের হাতে পপাই দা সেলার ম্যান এর মতন পালং শাক খেলেই বিশাল শক্তি বেড়ে যায় আর তারপর হিন্দুদের পেটায়?

যদি সেটা না হয় তাহলে তো প্রশ্ন হওয়া উচিত যে ওই বিশেষ রাজনৈতিক দল ২০১৪ থেকে হিন্দুদের কেন রক্ষা করতে পারছে না? তারা যখন পারছে না তাহলে তো তাদের থাকাই উচিত না!

আর তারা যদি হিন্দুদের রক্ষকই হয় তাহলে তুলসীরাম প্রজাপতি ঠিক কে ছিলেন আর তার সাথে ঠিক কী কী হয়েছিল? মানসী সনি নামক এক ভদ্রমহিলা কোন বাবুর কে ছিলেন?

আমরা যদি মুখ খুলতে শুরু করি অনেক কিছুই শুরু হয়ে যাবে তাই রাজনীতি হোক রাজনীতির ময়দানে কিন্তু ধর্ম নিয়ে সুড়সুড়ি দিয়ে দিয়ে মানুষকে বোকা বানানো বেশিদিন যায় না।

আর এই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি কে না করে? প্রত্যেকেই। সে সবুজ হোক, হলুদ হোক, গেরুয়া হোক, লাল হোক কিংবা অন্য কোনো রঙের কেউ হোক।

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে সারা দেশে চাকরি নেই বহু মানুষের। দুর্নীতির পর দুর্নীতি চারিদিকে। রাস্তাঘাটের অবস্থা খারাপ। স্পেস টেকনোলজির রাস্তা এতটাই উন্নত যে প্রতিদিনই সোজা স্পেস এ পাঠিয়ে দিচ্ছে মানুষকে। শিক্ষক শিক্ষিকারা রাস্তায় প্রতিবাদ করছে তাদের যোগ্য চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যে। ধ*র্ষণ এর পর ধ*র্ষণ হয়েই চলেছে প্রতি মিনিটে!

কোনো নেতা মন্ত্রীকে এই সব নিয়ে তো আলোচনা করতে দেখা যায় না।

দূষণের জেরে সাধারণ মানুষ ঠিক মতন শ্বাস নিতে পারছে না! নেতারা তো এয়ার পিউরিফায়ার লাগিয়ে বসে আছে।

সাধারণ মানুষকে বলে গোমূত্র পান করলে ভালো কিছু হবে। তাদের ছেলে মেয়েরা তো একদিনও জনসমক্ষে গোমূত্র পান করেনি। কেন? নিজের ঘর থেকে তো আগে সমাজসেবা শুরু করা উচিত।

যারা ভাবছে যে এই সব ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে জিতে যাবে, তাদের কে আবারও বলি যে এটা আগের মতন নয়। সাধারণ মানুষ এখন অনেক বুঝতে শিখে গেছে।

আর এই মুহূর্তে লড়াই হলো গ্রেটার ইভিল আর লেসার ইভিল এর মধ্যে। কারণ দুর্নীতির সাথে প্রত্যেকটা দল জড়িয়ে আছে।

আপনাদের কী? মাস গেলে দাঁত কেলিয়ে ভাতা নেবেন আর সব ভুলে যাবেন।

23/10/2025

কাকদ্বীপে মা কালীর মূর্তি ভাঙা ঘিরে গতকাল রাজ্য রাজনীতি নিয়ে অনেক কিছুই দেখলাম। এমন নয় যে ভয় পেয়ে পোস্ট করিনি তবে দুর্গাপুর এর ঘটনার মতন এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তবেই পোস্ট করার অপেক্ষায় ছিলাম।

এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত একজন হিন্দু। যারা যারা ভেবেছিল যে এই ঘটনাকে নিয়ে কেন্দ্র করে একটু ভোট এর মাইলেজ পাবেন, তাদেরকে আগামীকাল থেকে এই বিষয় আর তেমন বলতে দেখবেন না।

মূল অভিযুক্তর নাম নারায়ণ হালদার। এবার কথা হলো একজন হিন্দু পরিবারের কেউ এমন করবে কেন? তাও আবার যার নাম নারায়ণ?

তাহলে হয় সেই নির্দিষ্ট দলের ভাষায় পুলিশ ভুল লোককে গ্রেপ্তার করেছে কিংবা সামনেই তো নির্বাচন এবং ওই হিন্দু খাতরে মে হের যে বিষয়টা সেটায় হালকা ইন্ধন দিতেই অনেক কিছুই করা হবে।

আতশবাজি বন্দুক জ্বালিয়ে দৃষ্টিশক্তি হারালো ১৪ টি শিশু! হাসপাতালে ভর্তি ১২২!ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে যেখানে কার্বাইড বন্দ...
23/10/2025

আতশবাজি বন্দুক জ্বালিয়ে দৃষ্টিশক্তি হারালো ১৪ টি শিশু! হাসপাতালে ভর্তি ১২২!

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে যেখানে কার্বাইড বন্দুক অর্থাৎ আতশবাজি বন্দুক জ্বালিয়ে জন্মের মতন দৃষ্টিশক্তি হারালো ১৪ টি শিশু! হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে প্রায় ১২২ জন!

শিশুরা প্লাস্টিক বা টিনের পাইপ ব্যবহার করে "কার্বাইড বন্দুক" তৈরি করছে। সেগুলোতে বারুদ, ম্যাচস্টিকের মাথা এবং ক্যালসিয়াম কার্বাইড দিয়ে ভরাট করছে এবং এক দিকে আলো জ্বালাচ্ছে- যার ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া হচ্ছে।

যখন জ্বালানো হচ্ছে, তখন এটি একটি ছোট বিস্ফোরণ তৈরি করছে যা থেকে বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাস সরাসরি মুখ এবং চোখে আঘাত করছে।

সরকার থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও এটা কিভাবে এতো পরিমাণে বিক্রি হলো গোটা মধ্যপ্রদেশ জুড়ে, সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

দাবানলে পুড়ে যাওয়া এক হাতির ছবি!যে ছবিটা দেখছো, ওটা নামিবিয়ার ইতোশা ন্যাশনাল পার্কে তোলা। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে এক বিশাল ...
22/10/2025

দাবানলে পুড়ে যাওয়া এক হাতির ছবি!

যে ছবিটা দেখছো, ওটা নামিবিয়ার ইতোশা ন্যাশনাল পার্কে তোলা। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে এক বিশাল হাতি — দগ্ধ শরীর, পুড়ে যাওয়া কান, ফেটে যাওয়া চামড়া আর তপ্ত মরুভূমির বুকে নিঃশব্দে হাঁটছে। এই দৃশ্যটি প্রথম দেখলে যেন অবিশ্বাস্য মনে হয়, কিন্তু এটি কোনো সিনেমার দৃশ্য নয় কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়েও তৈরী নয়— এটি বাস্তব চিত্র!

ছবিটি তুলেছেন নামিবিয়ার ফটোগ্রাফার কুস রেইনেকে (Koos Reyneke) ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর-এ তার নিকন কুলপিক্স পি ১০০০ ক্যামেরা দিয়ে। সেই সময় ইতোশা পার্কে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছিল, যা কয়েক দিনের মধ্যে শত শত বর্গকিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে যায়। আগুনে পুড়ে যায় বনভূমি, ঘাস এবং অসংখ্য বন্যপ্রাণী।

রেইনেকে জানান, দাবানল থেকে বাঁচতে গিয়ে এই হাতিটি গুরুতরভাবে আহত হয়েছিল। তার চামড়ার বিশাল অংশ পুড়ে গিয়েছিল, কান ঝুলে পড়েছিল, কিন্তু তবুও সে হাল ছাড়েনি — বেঁচে থাকার জন্য সে এগিয়ে যাচ্ছিল ধীরে ধীরে। সেই মুহূর্তটিই রেইনেকে তার ক্যামেরায় ধরে ফেলেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এই ছবিটি শুধুমাত্র একটি প্রাণীর যন্ত্রণা নয়, বরং মানুষের লোভ, অসাবধানতা এবং প্রকৃতির প্রতি নিষ্ঠুরতার প্রতীক হয়ে ওঠে।

কিন্তু এরপরই ছবিটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। নামিবিয়ার পরিবেশ, বন ও পর্যটন মন্ত্রক দাবি করে — ছবিটির সত্যতা যাচাই করা যায়নি, এটি হয়তো সম্পাদিত বা কৃত্রিমভাবে পরিবর্তিত হতে পারে।

অন্যদিকে, পরিবেশবিদ ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলি রেইনেকের পক্ষে দাঁড়িয়ে বলেন, ছবিটি বাস্তব এবং এটি সেই দাবানলেরই প্রতিফলন যা নামিবিয়ার ইতোশা অঞ্চলে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ঘটে। ফলে ছবিটিকে ঘিরে একদিকে যেমন আবেগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে উঠেছে সত্যতা ও নৈতিকতার প্রশ্ন।

তবুও, বিতর্কের বাইরেও এই ছবিটি একটি গভীর বার্তা বহন করে। এটি শুধু একটি দগ্ধ হাতির গল্প নয় — এটি মানুষের উদাসীনতার বিরুদ্ধে প্রকৃতির নিঃশব্দ প্রতিবাদ। এই হাতির শরীরের আগুনের দাগ যেন আমাদের সভ্যতারই প্রতিচ্ছবি, যেখানে উন্নয়নের নামে আমরা প্রতিনিয়ত প্রকৃতিকে ক্ষতবিক্ষত করে চলেছি।

শেষমেশ ছবিটি আমাদের একটাই প্রশ্ন করে —
আমরা কতদিন এমনভাবে প্রকৃতিকে উপেক্ষা করে নিজেরা ভগবান বলে দাবি করবো?

দক্ষিণ ভারতের এই মন্দিরে পোষ্যদের নামকরণ করা হয়!দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের কান্নুর জেলায় অবস্থিত পরাসিনি মাদাপ্পুরা শ...
22/10/2025

দক্ষিণ ভারতের এই মন্দিরে পোষ্যদের নামকরণ করা হয়!

দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের কান্নুর জেলায় অবস্থিত পরাসিনি মাদাপ্পুরা শ্রী মুথাপ্পন মন্দির। এটি এমন একটি মন্দির যেখানে দেবতা ও কুকুরের বন্ধন অদ্ভুতভাবে পবিত্র ও অটুট।

হিন্দু পুরাণ মতে, শ্রী মুথাপ্পন হলেন এক অনন্য দেবতা—যিনি শিব ও বিষ্ণুর দুই রূপের সমন্বয়। বিশ্বাস করা হয়, মুথাপ্পন সবসময় তাঁর বিশ্বস্ত কুকুর সঙ্গীদের সঙ্গে চলাফেরা করেন। এই কারণেই মন্দির প্রাঙ্গণে কুকুরদের দেখা যায় একেবারে পরিবারের সদস্যের মতোই—তাদের খাওয়ানো হয়, আদর করা হয়, আর দেবতার আশীর্বাদধন্য হিসেবে দেখা হয়।

অনেক ভক্ত এমনকি তাদের নিজের পোষ্য কুকুরকে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে ‘নামকরণ’ বা নাম দেওয়ার আচার সম্পন্ন করেন। কেউ কেউ কুকুরের নাম রাখেন ‘মুথাপ্পন’, কেউ রাখেন ‘মাদাপ্পুরা’ বা ‘ভেলাট্টম’—সবই দেবতার নাম বা রূপ থেকে অনুপ্রাণিত। এই নাম দেওয়ার মাধ্যমে তারা বিশ্বাস করেন, দেবতার আশীর্বাদে পোষ্য সর্বদা সুস্থ ও রক্ষিত থাকবে।

এটাই ভারতের একমাত্র মন্দির যেখানে কুকুরদের দেবতার দূত হিসেবে সম্মান দেওয়া হয়। তাদের উপস্থিতি মন্দিরের আচার-অনুষ্ঠানের অংশ।

বাবা কথা বলতে পারে না তাই মেয়ে প্রতিদিন সাহায্য করে দোকান চালাতে!বাবা পানিপথে একটি স্টল চালান, কিন্তু তিনি তার গ্রাহকদে...
22/10/2025

বাবা কথা বলতে পারে না তাই মেয়ে প্রতিদিন সাহায্য করে দোকান চালাতে!

বাবা পানিপথে একটি স্টল চালান, কিন্তু তিনি তার গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করতে হিমশিম খাচ্ছেন – তিনি বধির (deaf)। তবে চিন্তা কিসের যখন সাথে মেয়ে আছে?

যখন তার কণ্ঠের প্রয়োজন হয়, সে তার কণ্ঠস্বর। যখন তার সাহায্যের হাতের প্রয়োজন হয়, তখন সে সাহায্যের জন্য আছে। এবং যখন তার ভালবাসার প্রয়োজন হয়, তখন বিশ্বের কোনও কিছুই তাকে আটকাতে পারে?

ভিডিওটি এখন রীতিমতো ভাইরাল গোটা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।

ঠিকানা
পানিপথ: পুরোনো বাস স্ট্যান্ড, শুকদেব নগর গেট ১ এর কাছে, পারভীন মেডিকেলের বিপরীতে

নাচতে নাচতেই মৃ*ত্যু! তোমরা কি জানো ১৫১৮ সালে ফ্রান্সে ভয়ঙ্কর নাচের মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছিল গোটা গ্রামের মানুষ?১৫১৮ সা...
22/10/2025

নাচতে নাচতেই মৃ*ত্যু! তোমরা কি জানো ১৫১৮ সালে ফ্রান্সে ভয়ঙ্কর নাচের মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছিল গোটা গ্রামের মানুষ?

১৫১৮ সালের গরমের এক দিনে, ইউরোপের স্ট্রাসবুর্গ শহরে (যা তখন জার্মান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল, বর্তমানে ফ্রান্স-এ) ঘটেছিল এক অদ্ভুত এবং ভয়ঙ্কর ঘটনা — “দ্য ডান্সিং প্লেগ” বা নাচের মহামারী।

সবকিছুর শুরু এক মহিলার হাত ধরে, তাঁর নাম ছিল ফ্রাউ ট্রফিয়া। হঠাৎই তিনি রাস্তায় নাচতে শুরু করেন, কোনো সঙ্গীত, উৎসব বা আনন্দ ছাড়াই। প্রথমে লোকজন ভেবেছিল এটা মজা, কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই আরও অনেকে তাঁর সঙ্গে যোগ দেয়। এক সপ্তাহের মধ্যে সংখ্যাটা ডজন ছুঁয়েছিল, আর এক মাসের মধ্যে প্রায় চারশো মানুষ রাস্তায় নাচতে থাকে — দিনরাত একটানা, বিশ্রামহীন ভাবে। খাওয়া নেই দাওয়া নেই, শুধু নেচেই যাচ্ছে!

এটা পড়ে মনে হচ্ছে যে কোনো সিনেমার চিত্রনাট্য বলছি, তাই তো?
তবে না! বাস্তবে ঠিক এটাই হয়েছিল!

শহরের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। কেউ কেউ ক্লান্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, আবার কেউ হৃদরোগে মা*রা যায়। তবুও নাচ থামছিল না। শহরের নেতারা ভেবে বসেন, হয়তো এটা শরীরের “গরম রক্তের” রোগ, তাই আরও নাচলে সুস্থ হয়ে যাবে! ফলে তারা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নাচের আয়োজন করে — কিন্তু এতে অবস্থা আরও খারাপ হয়।

অনেকেই বিশ্বাস করতেন এটি “সেন্ট ভাইটাস” বা “সেন্ট ভিটাস”-এর অভিশাপ।
মধ্যযুগে মানুষ মনে করত এই সন্তের রোষে যারা আক্রান্ত হয়, তারা অজান্তেই নাচতে শুরু করে — এক অদ্ভুত, ঈশ্বরদত্ত শাস্তি হিসেবে। তাই এই রোগের নামও দেওয়া হয়েছিল “সেন্ট ভিটাস ডান্স”।

আজও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি কেন এমন হয়েছিল। কেউ বলেন এটা ছিল মানসিক চাপ আর ভয় থেকে তৈরি এক ধরণের গণ-উন্মাদনা (mass hysteria), আবার কেউ মনে করেন “আর্গট” নামের এক বিষাক্ত ছত্রাক (fungus) রুটিতে মিশে গিয়েছিল, যা LSD-এর মতো বিভ্রম ও খিঁচুনি ঘটায়।

এমনই ঘটনার উল্লেখ ইতিহাসে আরও পাওয়া যায়।

মধ্যযুগ জুড়ে এরকম অনেক নাচের মহামারীর কথা বলা হয়েছে — যেমন একাদশ শতকে জার্মানির স্যাক্সনির কোলবিগক শহরে, যেখানে মানুষ বিশ্বাস করত এটা ছিল ঈশ্বরের শাস্তি।

আবার পঞ্চদশ শতকের ইতালির অ্যাপুলিয়ায় এক মহিলাকে ট্যারান্টুলা মাকড়সা কামড়ে দেয়, যার বিষে তিনি অজান্তেই নাচতে শুরু করেন। তখন বিশ্বাস করা হত এই বিষের একমাত্র ওষুধ হল “নাচ” — সেই থেকেই তৈরি হয়েছিল বিখ্যাত “তারান্টেলা” নাচ। এমনকি আতানাসিয়াস কির্খারের মতো বিজ্ঞানীরাও একে বৈধ চিকিৎসা হিসেবে স্বীকার করেছিলেন।

শতাব্দী কেটে গেলেও, স্ট্রাসবুর্গের নাচের মহামারী আজও ইতিহাসের এক রহস্যময় ঘটনা — যা দেখায় ভয়, দারিদ্র্য আর কষ্ট কিভাবে এক শহরকে উন্মাদের মতো নাচিয়ে তুলতে পারে।

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে নিজের ব্যবসা দ্বিগুণ করো! বিজ্ঞাপন বানানোর বিভিন্ন টেকনিক শেখো আর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আয় করা যায় ...
22/10/2025

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে নিজের ব্যবসা দ্বিগুণ করো! বিজ্ঞাপন বানানোর বিভিন্ন টেকনিক শেখো আর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আয় করা যায় কিনা, সেটা সবাইকে প্রমাণ করে দাও!

প্রথমেই বলে দিই যে এটা একটা বিজ্ঞাপন তবে সেই বিজ্ঞাপন তোমাদের জন্যেই কারণ আমরা এই বছরের মতন শেষ ডিজিটাল মার্কেটিং এর ওয়ার্কশপ করাতে চলেছি।

আগামীকাল থেকে শুরু হবে ওয়ার্কশপ। মোটামুটি ৩ মাস মতন চলবে। যারা নিজেদের ব্যবসা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করে দ্বিগুণ করতে চাও, বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করতে চাও বিজ্ঞাপন নিয়ে, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আয় করতে চাও এবং একটা ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে চাও, তাদের জন্যে এই ওয়ার্কশপ।

রেজিস্ট্রেশন ফী - ৩৬৯৯ /- টাকা

হ্যাঁ বেশি মনে হতে পারে তবে বলবো যে মন দিয়ে ক্লাস গুলো করলে এই রেজিস্ট্রেশন ফী জোগাড় করতে একটা কাজই যথেষ্ট।

যোগাযোগ করো আমাদের whatsapp (+91 9874746699) নম্বরে আজই।

Address

Behala
Kolkata
700034

Website

https://www.laughalaughi.in/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LaughaLaughi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to LaughaLaughi:

Share

Why should you choose LaughaLaughi?

LaughaLaughi is a leader in marketing, content writing and branding of events and companies. Founded in 2014, the company has been committed to providing integrated end-to-end innovations to deliver excellence and value to clients, followers, businesses and public sector customers from over 42 countries around the world to enable increased connectivity and productivity.

We provide a workplace to be one that operates in a smooth, creative manner with all employees satisfied and productive.

We drive sustainability through various initiatives across our operations, supply chain and community.

SUSTAINABILITY STRATEGY