22/06/2025
জামিয়া রহমানিয়ার একজন প্রাক্তন ছাত্রের বাবার সঙ্গে মুফতি সাহেবের কল রেকর্ড নিয়ে যারা,
Md Noor নামীয় জানোয়ারের পোষ্টে যারা আনন্দিত ও খুশি তাদের উদ্দেশ্যে যাচাই করে জানতে পারলাম এবং গত বৎসরে ঐ ছাত্রের ব্যাপারে কিছু অভিজ্ঞতা ছিল,সে বিষয়ে আলোকপাত—
(ক) বিষয়টা মন্তব্য করার পূর্বে একটিবার কি যাচাই করেছেন? ব্যাপারটা কি? একটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে বর্তমান সময়ে কতটা ঝুঁকি যারা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন,তারা নিশ্চয় উপলব্ধি করছেন ৷ একদল সমালোচক, হিংসুক, দ্বীন শিক্ষার বিরোধীতা করে তারা আনন্দ পায়, এটা পূর্বের ইতিহাস ৷
যাইহোক, ঐ ছাত্রটি গত রমজানের পরে পূণরায় আসেনি,কারণ গত বৎসর এণ্ড্রাইড মোবাইল গোপনে ব্যবহার করছিল যা কড়া নিষেধ ,যা সকল অভিভাবক অবগত আছেন ৷ কোন একদিন শিক্ষকের ঐ ছাত্রের কাজে বড় দৃষ্টিগোচর হলে কাছে ফোন নেই,অস্বীকার করতে থাকে, শেষ অবদি মোবাইল পাওয়া যায়, তাতে ফ্রী ফায়ার, পাবজী খেলা,ফিলিম সহ ৫-৭টা নারীর সাথে সম্পর্ক যা স্বীকারোক্তি ওয়াটস্যাপে চ্যাটিং ও ফেসবুকে তথ্য পাওয়া যায় ৷ এ জাতীয় অপরাধে কর্ত্তৃপক্ষ বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে গার্জেন কল দেন, গার্জেনপক্ষ উপস্থিত হন,বিষয়টা শুনে ছেলেকে মারধোর করেন এবং গার্জেন কাঁদতে কাঁদতে অনেক্ষন কত্তৃপক্ষকে অনুনয় বিনয় ও আবেদন করতে থাকেন ৷ গার্জেনের কান্না বিজড়িত আবেদন মঞ্জুর করে ঐ ছাত্রকে পড়াশুনার সুযোগ দেন এমনকি পরিবারের সদস্য অসুস্থ থাকায় তা মুফতী সাহেব হুজুরকে জানালে উনি কিছু টাকা দিয়ে সহায়তা করে বিদায় দেন ৷ রমজান পর্যন্ত পড়াশুনা করল, রমজানবাদ পূনরায় ঐ ছাত্রটি পড়াশুনার জন্য আর আসেনি ৷
(খ) পরবর্তিতে পঃবঃ বোর্ডের রেজাল্ট যেটা প্রতিষ্ঠানের তত্ত্ববধানে চলে থাকে ৷ ছাত্রটি গত ১৬.০৬.২৫ তারিখে নেওয়ার জন্য আসে ৷ যিনি ঐ ডিপারমেন্টে দায়িত্বে ছিলেন যে শিক্ষক তিনি বললেন, "এখন তো ক্লাস চলছে, একটূ ওয়েট করো,আমি নিয়ে আসছি" আধাঘন্টা পরে ঐ ছাত্রটি অফিসে প্রবেশ করে এবং ঐ বিভাগীয় শিক্ষককে মেজাজে কথা বলতে থাকে, মুফতী সাহেব হুজুর অফিসে বসা, উনি শিক্ষকের সাথে এমন আচরন করতে দেখেন, অধিনন্থ শিক্ষকের সাথে একটা ছাত্রের বে-আদবী মূলক আচরণ করতে দেখে দুটি চড় মারেন ! (রেজাল্ট দিয়েছিলেন ঐ ডিপারমেন্টের শিক্ষক স্বয়ং হাতে করে) তারপর হুজুর অফিস ছেড়ে দাওয়াতের উদ্দেশ্যে বার হন ৷ ঐ ঔদ্ধত্যপূর্ণ ছেলেটি বাড়িতে ফোন করে জানায়, তারপর মুফতী সাহেব হূজুরকে কয়েকবার ফোন করে গালিগালাজ,মারার হুমকি দিতে থাকে এমনকি পরিবার নিয়ে মন্তব্য করে ঐ স্বনামধন্য পিতাজী ৷ এমনকি ঐ ছেলের ব্যাপারে পিতাজী এসে ছাত্র থাকাকীল অভিযোগ করে গেছে ৷
এই বিষয়টা যারা মন্তব্য,কুৎসা করছেন একটিবার ভেবেছেন একটা প্রতিষ্ঠানের বাৎসরীক খরচ দু কোটির উপরে ৷ যা দেশের দ্বীনপ্রেমী মানুষের সহযোগীতা, সংগঠনের সর্ব বিভাগীয় কমিটির প্রচেষ্টা, সর্বোপরি মুফতী সাহেব হুজুরের অক্লান্ত পরিশ্রমে পরিচালনা করতে সহজ হয় ৷ কিছু ছাত্র আংশিক খরচ দেয় যা যৎসামান্য বৃহত্তর খরচের বোঝা যেখানে,হয়তঃ রমজানে একটা বিল নিয়ে খেদমত করে থাকে তবে সেটা জোরপূর্বক নয়, তাতে যদি মানুষ তৈরী করতে ইচ্ছুক গার্জেনের ভাষা,ব্যবহার এমনটা হয়,আল্লাহ বেহত্যার জানেন ৷