08/10/2026
সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হা*মলার ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কে বা কারা এবং কেন হামলা চালিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, হিন্দুধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার কারণেই এই হা*মলা হয়ে থাকতে পারে।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, “যতদূর শুনেছি, কোনও মাতাল ম*দ খেয়ে বোতল ছুড়েছেন। উনি বন্দু*কের লাইসেন্স নেবেন বলেছেন। যারা আসবে নাকি গু*লি করবেন। বিকাশবাবুতো কেবল হিন্দুধর্মের কটূক্তি করে বেড়ান। অন্য কোনও ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করলে বোতলের বদলে বোমা, একে ফরটি সেভেনের গু*লি কিংবা আর*ডি*এক্স পড়ত।”
বৃহস্পতিবার বিজেপির ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার বৈঠকে যোগ দেন সুকান্ত। বৈঠকে দলের সাংগঠনিক কাজকর্ম, দুর্গাপুজোয় বুক স্টল, আগামী দিনের কর্মসূচি, সংগঠন শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে অনেককে ডাকা হয়নি কেন, সে বিষয়ে সুকান্ত বলেন, “এটি কর্মী বৈঠক নয়। বিশেষ কয়েকজন পদাধিকারীকে নিয়ে এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। যাঁদের ডাকা হয়েছিল তাঁরা সকলেই উপস্থিত ছিলেন।”
বিকাশ ভট্টাচার্যের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও সমালোচনা করেন সুকান্ত। তাঁর মন্তব্য, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা এখন গায়ে মানে না আপনি মোড়লের মতো। সিপিএমের প্রতি প্রেম দেখাতে গিয়ে হয়তো এবার মমতাপন্থী টিএমসি (এম) এর অর্থ হবে টিএমসি (মার্কসবাদী)।”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও মন্তব্য করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভয়ে রয়েছেন। আগামী লোকসভা ভোটে ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রে যদি তিনি দাঁড়ান তবে তাঁর ৭ লক্ষ ভোটে জেতার ফানুস চুপসে যাবে। এবার দাঁড়ালে গোহারা হারবেন। গত লোকসভা ভোটে দুর্নীতি করেই জিতেছিলেন তিনি। তবে গ্যারান্টি দিচ্ছি বিজেপির জয়ের মার্জিন ৭ লক্ষ কোনদিন হবে না।”
উল্লেখ্য, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হা*মলার ঘটনায় এখনও হা*মলা*কারী বা হামলার কারণ নিয়ে স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যগুলি তাঁর নিজস্ব দাবি ও রাজনৈতিক মন্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে।