Shri Shri Pathbari Ashram,Barahanagar

Shri Shri Pathbari Ashram,Barahanagar শ্রীপাঠবাড়ী আশ্রম, বরাহনগর, কলকাতা

কিবা খেলত রাম সুন্দর শ্যাম মোহন মুরতি মধুর ঠাম........♥️✨ঝুলন যাত্রার চতুর্থ দিনে শ্রীপাঠবাড়ি আশ্রমের প্রাণ সর্বস্ব প্র...
27/08/2026

কিবা খেলত রাম সুন্দর শ্যাম মোহন মুরতি মধুর ঠাম........♥️✨

ঝুলন যাত্রার চতুর্থ দিনে শ্রীপাঠবাড়ি আশ্রমের প্রাণ সর্বস্ব প্রভু নিতাই প্রাণ গৌর সুন্দরের কানাই বলাই স্বরূপে গোষ্ঠবিহারী বেশ

26/08/2026

কুসুম হিন্দোল পরি দোলে নিতাই গৌর হরি.......♥️✨

আহা দেখত ঝুলত গৌরচন্দ্র , অপরূপ দ্বিজমনিয়া বিধির অবধি রূপ নিরমল, কোষিত কাঞ্চন জিনিয়া....♥️✨ঝুলন যাত্রার তৃতীয় দিনে, শ...
26/08/2026

আহা দেখত ঝুলত গৌরচন্দ্র , অপরূপ দ্বিজমনিয়া
বিধির অবধি রূপ নিরমল, কোষিত কাঞ্চন জিনিয়া....♥️✨

ঝুলন যাত্রার তৃতীয় দিনে, শ্রীপাঠবাড়ি আশ্রমস্থ প্রভু নিতাই প্রাণ গৌর সুন্দরের ঝুলন যাত্রা বিহিত মঙ্গল দর্শন....

26/08/2026

প্রথম দিনের ঝুলনের মঙ্গল দর্শন

দুহু দোহা মিলল, দু বাহু প্রসার    দুহু হেরি উন্মত্ত যত সহচর.....💚✨ঝুলন লীলা স্মরনান্তে ব্যারু ও তদান্তে বিলাস-বিলাসীর মঙ...
26/08/2026

দুহু দোহা মিলল, দু বাহু প্রসার
দুহু হেরি উন্মত্ত যত সহচর.....💚✨

ঝুলন লীলা স্মরনান্তে ব্যারু ও তদান্তে বিলাস-বিলাসীর মঙ্গল দর্শন

শ্যামের বামে রাই কিশোরী , মরি মরি কী মাধুরী              তোরা দেখনা প্রিয় সহচরী.…..🩷✨আজ আশ্রমের প্রাণ প্রভূ নিতাই গৌর স...
25/08/2026

শ্যামের বামে রাই কিশোরী , মরি মরি কী মাধুরী
তোরা দেখনা প্রিয় সহচরী.…..🩷✨

আজ আশ্রমের প্রাণ প্রভূ নিতাই গৌর সুন্দরের ঝুলন যাত্রায় দ্বিতীয় দিনে নিতাই রাধা গৌর শ্যাম বেশে মঙ্গল দর্শন

এই ভোগ একান্ত শ্রীপাদ বাবাজী মহারাজের ও তদানুগত ভক্তদের ও হৃদয়ের সম্পদ

ঝুলন লীলা স্মরণ সমাপনান্তে আশ্রমের প্রাণ সর্বস্ব প্রভু নিতাই প্রাণ গৌর সুন্দরের ব্যারুকালীন মঙ্গল দর্শন
24/08/2026

ঝুলন লীলা স্মরণ সমাপনান্তে আশ্রমের প্রাণ সর্বস্ব প্রভু নিতাই প্রাণ গৌর সুন্দরের ব্যারুকালীন মঙ্গল দর্শন

আহা দেখো দেখো ঝুলত গৌর কিশোর, সুরোধনী তীরে, গদাধর সঙ্গহী......♥️✨"নিতাই গদাই একই তত্ত্ব ডাইনে আর বামে"          --- শ্রী...
24/08/2026

আহা দেখো দেখো ঝুলত গৌর কিশোর,
সুরোধনী তীরে, গদাধর সঙ্গহী......♥️✨

"নিতাই গদাই একই তত্ত্ব ডাইনে আর বামে"
--- শ্রীপাদ রামদাস বাবাজী মহারাজ

অদ্য হইতে শ্রীপাঠবাড়ি আশ্রমে প্রভু নিতাই প্রাণ গৌর সুন্দর সহিত আশ্রমস্থ সকল আরাধ্যনিধিদের ঝুলন আরম্ভ

আজ রাধারমণ শক্তির বিশেষ প্রকাশ ললিতা সখী ঠাকুরাণীর আবির্ভাব স্মরণে শ্রীগুরুদেবের কৃপা প্রেরণায় এই নিবেদন -             ...
23/08/2026

আজ রাধারমণ শক্তির বিশেষ প্রকাশ ললিতা সখী ঠাকুরাণীর আবির্ভাব স্মরণে শ্রীগুরুদেবের কৃপা প্রেরণায় এই নিবেদন -

*রাধারমণের জয় গোপাল*

সখীমার সূচক কীর্ত্তন প্রসঙ্গে শ্রীল দ্বিজপদ গোস্বামী মহাশয় বলছেন -
শ্রীগুরু-চরণাশ্রিতা
জয় দাসী শ্রী ললিতা
শ্রীগুরুনিষ্ঠা সেবার মুরতী

আর শ্রীপাদ রামদাস বাবাজী মহারাজ আখর দিচ্ছেন-
যেন, মুরতী ধরে এসেছিল
শ্রীগুরু সেবা নিষ্ঠা,
যেন, মুরতী ধরে এসেছিল।

আজ তাঁর আসবার দিন। মুর্তীমন্ত সেবা নিষ্ঠা এলেন রাধারমণের অমূল্য ধন শ্রীযুক্তেশ্বরী ললিতা সখী দাসী স্বরূপে বাংলার ১২৮০ বঙ্গাব্দের ২৭শে আষাঢ় বৃহস্পতিবারে শ্রীগুরু পূর্ণিমা তিথি যোগে বরিশালের হরিসেন গ্রামে পিতা কৃষ্ণাত্রেয়গোত্রীয় শ্রীল কালীকান্ত ভট্টাচার্য ও মাতা গৌর সুন্দরী দেবীর কোল আলো করে। পিতৃদত্ত নাম গোপালকৃষ্ণ। যাতকের ষষ্ঠীপূজার দিন রাত্রে স্থানীয় জ্যোতিষ পন্ডিত প্রবর রামচন্দ্র সর্বজ্ঞ গননা করে বলেছিলেন - এ ছেলে কখনও ঘরে থাকবে না।
১২৮৪ বঙ্গাব্দে বিদ্যালয় শিক্ষা আরম্ভ হয় গ্রাম্য পাঠশালায় শ্রীমহিম চন্দ্র সরকারের নিকট। মেধাবী ছাত্র গোপাল কৃষ্ণ এরপর স্থানীয় কার্তিক চন্দ্র সর্বজ্ঞের নিকট উচ্চ প্রাথমিকের পাঠ পড়তে পড়তে হঠাৎ সংস্কৃত পড়বার ইচ্ছা প্রকাশ করলে স্থানীয় গৈলা গ্রামে কবীন্দ্র বাড়ীর সংস্কৃত টোলে কলাপ পড়তে শুরু করেন। পরবর্তীতে খলিশাকোঠার প্রসন্ন স্মৃতিরত্নের টোল থেকে ব্যাকরণের উপাধি লাভ করেন। এরপর পড়াশোনার জন্য মেজ দাদা দীনবন্ধুর সাথে কলকাতা মহানগরে এসে কালিঘাটের বরদা বিদ্যারত্ন মহাশয়ের কাছে কাব্য পড়তে শুরু করেন। এরপর শ্রীধাম নবদ্বীপের বেদান্তবাগীশের টোলে বেদান্তের পাঠ শুরু করেন।
ইতিমধ্যেই বাংলার ১২৯১ সালে উপনয়ন সংস্কার প্রাপ্ত হয়ে গৃহদেবী কালীমাতার সেবা করতে থাকেন এবং ১২৯৪ সালের কালীপূজার দিন পিতৃদেবের নিকট শক্তিমন্ত্রে দীক্ষালাভ করেন।
এইভাবে লেখাপড়া সাঙ্গ করে ১৩০১ সনে পিতৃদেবের প্রয়াণে ইনি আবার দেশের বাড়ি যান। তখন অক্লান্ত পরিশ্রমের এবং বন্ধু বান্ধবদের সাহায্য গ্রামে একটি উচ্চ প্রাথমিক পাঠশালা ও একটি দরিদ্র ভান্ডার স্থাপন করেন।
বিবাহের জন্য পারিবারিক চাপ আসতে থাকায় ইনি গৃহত্যাগ করেন। এরপর তিনি বরাহনগরে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের মন্ত্রশিষ্যা গৌরীমাতার সঙ্গ ও কৃপা পান। এরপর তারকেশ্বর, কাশি হরিদ্বার প্রভৃতি তীর্থস্থানে ঘুরতে ঘুরতে বাংলার ১৩০৫ সনে ছদ্মবেশে আলখাল্লা পড়ে মোটা রুদ্রাক্ষের মালা ধারণ করে (কারণ ইতিমধ্যে বাড়ি থেকে তাঁর সন্ধানে বিভিন্ন তীর্থস্থানে লোক পাঠানো শুরু হয়ে গিয়েছে) শ্রীধাম পুরীতে (যে বছর বড়বাবাজী মশাই জাহাজে পুরীযাত্রা করেছিলেন) আসলেন। এখানে তিনি শ্রীল শ্রীমদ্ রাধারমণ দেবের নিজজন শ্রীনবদ্বীপ দাস ও শ্রীগোবিন্দ দাসের সঙ্গে মিলিত হন।
রথযাত্রার কদিন পরে বড়বাবাজী মশাই সগনে পুরীতে পদার্পণ করলেন। নবদ্বীপ দাদা জয়গোপালকে (নবদ্বীপ দাদা এই নামেই ডাকতে) একটি প্রসাদী মালা ও চরণ তুলসী প্রভৃতি দিয়ে স্টেশনে পাঠালেন এবং বললেন, তুমি আড়ালে থাকবে। দাদা (রাধারমণ দেব) তোমাকে নাম ধরে ডাকলে তবেই তুমি গিয়ে এই মালাটি তাঁর গলায় দেবে। জয়গোপাল ইতিপূর্বে বড়বাবাজী মশাই কে দেখেননি। ট্রেন থামলে বড়বাবাজী মশাই পরিচিত সকলকে আলিঙ্গনাদি করতে করতে একটু অগ্রসর হয়ে বললেন - জয়গোপাল, তুমি ও এসেছো। এস, প্রসাদী মালা দাও। এবার জয়গোপাল ওনার কাছে গেলে ইনি তাঁকে কোলে তুলে নেন আর জয়গোপাল ও মালা দিয়ে শ্রীগুরু চরণে চিরদিনের জন্য বিক্রীত হলেন। এই মহাত্মা পরবর্তীকালে শ্রীধাম পুরীর রাধারমণ কুঞ্জে শ্রীগুরুদেবের থেকে সিদ্ধ মন্ত্র ও সিদ্ধ স্বরূপ প্রাপ্ত হন। নবদ্বীপ দাদা নামকরণ করলেন ললিতা দাসী। গণের সকলের কাছে ললিতা দিদি বা সখীমা নামে পরিচিতি লাভ করেন।

নীলাচলে লীলাকালে,শ্রীরাধারমণ-কুঞ্জে মিলে,
জয়গোপালে গোপীভাব দিলা।
সখী-সাজে সাজাইয়া, স্বরূপ স্বভাব জাগাইয়া,
শ্রীললিতাদাসী প্রকটীলা।।

শ্রী গুরু নিতাই   সংকীর্তন-বীর বাবাজী মহাশয় শেষ বয়সকালে বৃদ্ধাবস্থাতেও নাম-প্রেম-সংকীর্তন রঙ্গে এতটাই মাতোয়ারা হয়ে থাকতে...
23/08/2026

শ্রী গুরু নিতাই

সংকীর্তন-বীর বাবাজী মহাশয় শেষ বয়সকালে বৃদ্ধাবস্থাতেও নাম-প্রেম-সংকীর্তন রঙ্গে এতটাই মাতোয়ারা হয়ে থাকতেন যে সময়-শরীর কোনোটারই হুঁশ থাকত না ।নামযজ্ঞ সমাপ্ত হয়ে নগর সংকীর্তন ভোরবেলা শুরু হয়ে শেষ হতে হতে মধ্যাহ্ন হয়ে যেত কখনো বা দুপুর গড়িয়ে যেত -- ফলে স্নানাহার করতে করতে বিকেল হতো স্বাভাবিক ভাবেই ।বাবাজী মহাশয়ের শিষ্য-সেবক নন্দ জ্যাঠামশাই ।বাবাজী মহারাজের এই পরিণত বয়সেও শরীরের প্রতি এত অযত্ন তাঁকে পীড়া দেয় ।তা তিনি একদিন বলেই বসলেন - নগর সংকীর্তন জলদি জলদি শেষ করা যায় না ?..."গৌর বলেছে দুপুর বেলা মাতন দিতে ?"
বাবাজী মশাই সবেমাত্র নগর সংকীর্তন থেকে ফিরেছিলেন ।সংকীর্তন-কমলের গন্ধে তখনও তাঁর মন বিভোর হয়ে রয়েছে ...নেশার আবেশে ঘা পড়তেই তেতে উঠলেন বাবাজী মশায় --- "তখন (দাদামশাই রাধারমনদেব প্রকট থাকাকালীন ) কোথায় ছিলি যখন নগর শেষ হতে 3 টে বাজতো আর প্রসাদ পেতে পেতে সন্ধ্যা হতো ? এখন এসেছিস ভাঙা হাটে ঢেঁড়ি দিতে ? তখন কোথায় ছিলি ?"
নন্দ জ্যাঠামশাই বহুকাল ধরে বাবাজী মশায়ের একনিষ্ঠ সেবক ।তাই তাঁর অধিকার আছে দু-চার কথা বলবার ।তাই আবার বললেন,"গৌর বলেছে দুপুর বেলা মাতন করতে ?" ...বাবাজী মশাই এবার আরও চড়া সুরে ..." কে গৌর রে বেটা ? কে গৌর ? গৌরের বাপ গুরু বলেছে ।দুপুরে মাতন করতে !!"
(" জয়তি তেহধিকং" -শ্রী জীবশরণ দাস বাবা )

"যদ্যপি আমার গুরু চৈতন্যের দাস ।
তথাপি জানিয়ে আমি তাঁহার প্রকাশ ।।"
আজ ব্যাস পূজার আসরে বসে ব্যাসদেবের গলায় মালা দিতে গিয়ে জগৎগুরু নিত্যানন্দ প্রভু শ্রীবাস অঙ্গনে বসে গৌরহরির গলায় মালা দিয়ে জগৎকে দেখালেন বর্তমান যুগের উপাস্য তত্ত্ব এই শচীর নন্দন গৌরহরি ।
আর গুরুতত্ত্ব যে কত গুরুতর গূঢ় তত্ত্ব তা গৌরহরি দেখালেন নিতাইচাঁদের কৌপীনের টুকরো সব ভক্তবৃন্দকে মাথায় ধারণ করতে বলে ;পুরীর পথে আঠারো নালায় ধ্যানরত নিত্যমানন্দ-স্বরূপ নিত্যানন্দকে পরিক্রমা ও বন্দনা করে ।বাবাজী মশায়ের কীর্তনে যে তত্ত্ব প্রকাশ পেল
"যতই দেখ গুরু রূপ ।
সব-ই নিত্যানন্দ স্বরূপ ।।" এই ভাবে ।
আজ সমস্ত গৌড়িয়ার দায়িত্ত্ব যে বড়বাবা অর্থাৎ সুর-গুরু-কল্প-বৃহস্পতি-স্বরূপ সনাতন গোস্বামীপাদকে দিয়েছিলেন গৌরসুন্দর তাঁর বিরহবাসর ...ব্রজধামে তাঁর প্রতি অনুরক্ত ব্রজবাসীগণ আজও প্রায় 500 বছর পরেও তাঁদের বড়বাবার স্মৃতিতে মস্তক মুন্ডন করেন ...তাই গুরু পূর্ণিমা ব্রজে মুড়িয়া পূর্ণিমা নামেও পরিচিত ।অরণ্য-প্রায় তৎকালীন বৃন্দাবনের দায়িত্ব যে সনাতন গোস্বামীর উপরেই দিয়েছিলেন গোরা রায় ।তাই তিনি যে ব্রজবাসীদের বড় আপন ঘরের মানুষ ছিলেন ।সেই সমস্ত গৌড়িয়ার গুরু স্বরূপ সনাতন গোস্বামীরও আজ সূচক স্মরণ ।
আবার ব্রজ কিশোরীর দাসী সখী-মঞ্জরীগণের আনুগত্যে কৃষ্ণ সেবার অত্যদ্ভুত প্রণালী জগৎকে নিজের আচরণের মধ্যে দিয়ে শিক্ষাদান-কর্ত্রী সাক্ষাৎ সেবা-স্বরূপিণী সখী ঠাকুরানীর আজ আবির্ভাব তিথি ।সখী ঠাকুরানীর জীবন-আচরণই গুরুতত্ত্বের সব চেয়ে বড় ব্যাখ্যা ।মা বলতেন "গুরুর চেয়ে গুরুতর বস্তু আর জগতে কিছুই নেই "...গুরু-সেবকের নজর থাকবে গুরুদেবের মুখের দিকে..কোন কাজে তাঁর মুখে হাসি ফোটে....সেটাই প্রকৃত সেবা ।সখী মায়ের দ্বারা লিখিত "শ্রী গুরু সেবকের কর্তব্য" শীর্ষক পত্রটি এতই মর্মস্পর্শী ছিল যে বাবাজী মশাই তা বহু copy ছাপিয়ে বিতরণ করেছিলেন ।
আজ বাবাজী মশাই পুরীর ঝাঁঝপিটা মঠে নিজ শ্রীগুরুদেব শ্রীরাধারমণ চরণদাস বাবাজী মহারাজের নিত্য লীলাস্থলীতে তাঁর ঘরে তাঁর পূজা করেন ।পাঠবাড়ীতে বাবাজী মশায়ের সেবকগণ দ্বারা সুসম্পন্ন হয় বাবাজী মহারাজের আরাধনা ।

সংগৃহীত ~~

Address

25, Path Bari Lane, Baranagar, Kolkata/near Alambazar
Kolkata
700036,

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shri Shri Pathbari Ashram,Barahanagar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share