anujpaul0007

anujpaul0007 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from anujpaul0007, Mogra, Magra.
(12)

আমার গল্পটা শুরু হয়েছিল বিশ্বাস দিয়ে।
শেষ হয়নি, ভেঙে গিয়েছিল। 💔
বিচ্ছেদ আমাকে কাঁদায়নি,
বরং চুপ করে থাকতে শিখিয়েছে।
তারপর হঠাৎ নয়, ধীরে ধীরে—
জীবন আবার হাত ধরেছে। 🤍
নতুন ভালবাসা প্রশ্ন করেনি...
শুধু পাশে থাকার মানে শিখিয়েছে।

বাকিটা আমার গল্পে....

পরজন্মে...🖤মনে থাকবে তো...?এই জন্মের অসমাপ্ত গল্পগুলো একদিন আবার নতুন করে শুরু হবে।এক জন্ম শেষেআমি আবার তোমার দরজায় এসে ...
20/05/2026

পরজন্মে...🖤
মনে থাকবে তো...?
এই জন্মের অসমাপ্ত গল্পগুলো একদিন আবার নতুন করে শুরু হবে।
এক জন্ম শেষে
আমি আবার তোমার দরজায় এসে দাঁড়াবো...
হয়তো বৃষ্টি হবে,
হয়তো তোমার ভেজা চুলের গন্ধে পুরোনো পৃথিবীটা আবার ফিরে আসবে।
তোমার পাশে দাঁড়িয়ে মনে হবে—
ভালোবাসা কখনও মরে না,
শুধু জন্ম বদলায়...!
আর যদি কোনোদিন হঠাৎ আমার হাতটা ছুঁয়ে তোমার বুক কেঁপে ওঠে,
তাহলে বুঝে নিও—
কোনো এক জন্মের অসমাপ্ত অনুভূতি আবার ফিরে এসেছে।
🌸 আমি অনুজ এটা বুঝি 🌸
এই জন্মে যত অভিমান,
যত না বলা কথা,
সব খুলে রাখবো পরজন্মের জানালার ধারে...
শুধু তুমি আর আমি—
একটা নীলচে রাতের ভিতর
আবার নতুন করে মানুষ হবো।
মনে থাকবে তো...?
পরজন্মেও আমি তোমার বুকের কাছে মুখ রেখে ঘুমিয়ে পড়তে চাই...!
যেন পৃথিবীতে আর কোনো বিচ্ছেদ না থাকে—
শুধু তোমার শরীরজুড়ে আমার নামের উষ্ণতা থাকে...🖤
#পরজন্ম #ভালোবাসা #অসমাপ্ত_প্রেম োঁয়া_অনুভূতি
━━━━━━━━━━━━
📌 Copy Protect Notice
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক ও সৃজনশীল কনটেন্ট। অনুমতি ছাড়া কপি, পরিবর্তন বা নিজের নামে প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয়। Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী লেখকের অধিকার সংরক্ষিত। কোনো প্রকার কপি বা অপব্যবহার ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় আইনগত ও মানহানির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।
━━━━━━━━━━━━

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤(পর্ব ৪০)ওটা… ঈশানীর বাবা।ভিডিওর স্ক্রিনে মুখটা স্পষ্ট হতেই পুরো ঘর জমে গেল।ঈশানীর নিঃশ্বাস আটকে গ...
20/05/2026

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤

(পর্ব ৪০)

ওটা… ঈশানীর বাবা।

ভিডিওর স্ক্রিনে মুখটা স্পষ্ট হতেই পুরো ঘর জমে গেল।

ঈশানীর নিঃশ্বাস আটকে গেল।

তার হাত থেকে চেয়ারটা প্রায় পড়ে যাচ্ছিল।

“না…”

“না… এটা না…”

তার গলা কেঁপে উঠল।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত হলো—
যখন নিজের মানুষকে অপরিচিত লাগতে শুরু করে।

ভিডিও চলছে।

Room–13।

অয়ন উঠে দাঁড়িয়েছে।

চোখ লাল।

সে কাঁপা গলায় বলছে—

“আঙ্কেল… আপনি?”

ঈশানীর বাবার মুখ অস্বাভাবিক শান্ত।

তিনি ধীরে দরজা বন্ধ করলেন।

তারপর বললেন—

“তুই বেশি জেনে ফেলেছিস অয়ন।”

পুরো কম্পিউটার রুম নিস্তব্ধ।

অর্ণবের হাত মুঠো হয়ে গেছে।

রুদ্র একদম স্থির।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
মানুষের ভয়ংকর রূপ রাগে দেখা যায় না…
দেখা যায় যখন সে নিজের সত্যি লুকাতে চায়।

ভিডিওতে সোহিনী কাঁদছে।

সে বলছে—

“স্যার, প্লিজ… ওকে কিছু করবেন না…”

কিন্তু অয়ন চিৎকার করে উঠল—

“আমি সব জেনে গেছি!”

“কলেজের ফান্ড…”

“টাকা চুরি…”

“সব!”

ধপ!

অর্ণবের বুক কেঁপে উঠল।

সবাই একে অপরের দিকে তাকালো।

তাহলে—

এটা প্রেমের গল্প ছিল না?

এটা অন্য কিছু?

ভিডিও কাঁপছে।

হঠাৎ ক্যামেরা নিচে পড়ে গেল।

শুধু শব্দ—

চিৎকার।

ধাক্কা।

দৌড়।

তারপর—

সায়নের কণ্ঠ—

“অয়ন থাম!”

“ওদিকে যাস না!”

আর তারপর…

একটা বিকট শব্দ।

সব চুপ।

ভিডিও থেমে গেল।

স্ক্রিন কালো।

ঘরের ভেতর কেউ নিঃশ্বাসও নিচ্ছে না।

ঈশানী ধীরে পিছিয়ে গেল।

তার চোখে শুধু পানি।

কারণ—

আজ প্রথমবার…

সে বুঝল তার বাবা শুধু একজন বাবা না…

এই রহস্যেরও একটা মুখ।

আর ঠিক তখন—

সমর খুব নিচু গলায় বলল—

“এটাই পুরো ভিডিও না…”

“আসল অংশ এখনও বাকি।”

(চলবে…)

#কালোশাড়িররহস্য #গল্প

📢 Copy Protect Notice:
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী সুরক্ষিত।
কেউ কপি, আংশিক পরিবর্তন বা নিজের নামে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে Defamation Case নেওয়া হবে।

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤(পর্ব ৩৯)“ভিডিওটা আমি লুকিয়ে রেখেছি…”সমরের কথাটা শেষ হতেই করিডোরে ঠান্ডা বাতাস বয়ে গেল।অর্ণব স্থির...
20/05/2026

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤

(পর্ব ৩৯)

“ভিডিওটা আমি লুকিয়ে রেখেছি…”

সমরের কথাটা শেষ হতেই করিডোরে ঠান্ডা বাতাস বয়ে গেল।

অর্ণব স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে।

ঈশানীর চোখে ভয়।

রুদ্রের বুক ওঠানামা করছে দ্রুত।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
সত্যি মানুষ জানতে চায়…
কিন্তু সত্যির মূল্য কত, সেটা আগে জানে না।

সমর ধীরে পকেটের ভেতর হাত ঢুকাল।

সবাই নিঃশ্বাস আটকে তাকিয়ে।

তারপর—

সে একটা ছোট কালো pendrive বের করল।

পুরোনো।

ধুলোমাখা।

কিন্তু ওটার দিকে তাকিয়েই হরিদাস কাকার মুখ সাদা হয়ে গেল।

তিনি হঠাৎ এগিয়ে এলেন—

“না!”

“ওটা চালাস না!”

অর্ণব এবার গর্জে উঠল—

“কেন?”

“আর কী লুকাবেন?”

পুরো করিডোর নিস্তব্ধ।

হরিদাস কাকা থেমে গেলেন।

চোখ নামিয়ে ফেললেন।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
মানুষ তখনই চুপ হয়ে যায়…
যখন সত্যির সামনে তার মিথ্যেগুলো ভেঙে পড়ে।

কলেজের পুরোনো কম্পিউটার রুমে সবাই গেল।

ঘরের ভেতর অন্ধকার।

একটা পুরোনো ডেস্কটপ।

সমর pendrive-টা ঢুকিয়ে দিল।

স্ক্রিন জ্বলে উঠল।

একটা মাত্র ফাইল।

নাম—

ROOM_13_FINAL.mp4

ঈশানীর হাত কাঁপছে।

অর্ণব Play-তে চাপ দিল।

ভিডিও শুরু হলো।

প্রথমে ঝাপসা।

তারপর ধীরে ধীরে পরিষ্কার।

Room–13।

তারিখ—

৪ মে, ২০১৯

অয়নের মুখ দেখা যাচ্ছে।

সে একা বসে।

মাথা নিচু।

কয়েক সেকেন্ড পর—

দরজা খুলল।

সোহিনী ঢুকল।

তার পেছনে—

রুদ্র।

আর…

আরেকজন।

মুখটা পরিষ্কার না।

ক্যামেরা কাঁপছে।

হঠাৎ অয়নের চিৎকার—

“তোরা এমন করলি কেন?”

ভিডিওর শব্দ কেঁপে উঠছে।

ঈশানীর বুক ধক করে উঠল।

রুদ্র পেছনে সরে গেল।

কারণ—

সে বুঝতে পারছে, সত্যি এবার সামনে আসছে।

ঠিক তখন—

ভিডিওতে তৃতীয় মানুষটা সামনে এলো।

আর পরের মুহূর্তে—

অর্ণবের হাত থেকে মাউস পড়ে গেল।

কারণ—

ওটা সমর না।

ওটা হরিদাস কাকা না।

ওটা…

ঈশানীর বাবা।

(চলবে…)

#কালোশাড়িররহস্য #গল্প

📢 Copy Protect Notice:
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী সুরক্ষিত।
কেউ কপি, আংশিক পরিবর্তন বা নিজের নামে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে Defamation Case নেওয়া হবে।

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤(পর্ব ৩৮)সমর।নামটা শুনেই পুরো করিডোরে যেন সময় থেমে গেল।ঈশানীর চোখ বড় হয়ে গেছে।রুদ্র স্থির।ঋভের ঠোঁ...
20/05/2026

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤

(পর্ব ৩৮)

সমর।

নামটা শুনেই পুরো করিডোরে যেন সময় থেমে গেল।

ঈশানীর চোখ বড় হয়ে গেছে।

রুদ্র স্থির।

ঋভের ঠোঁট শুকিয়ে গেছে।

আর হরিদাস কাকা…

তিনি বসে আছেন মাটিতে।

চোখ দিয়ে শুধু পানি ঝরছে।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
কিছু মানুষ হারিয়ে যায় না…
তারা ফিরে আসার জন্য অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে।

সমর ধীরে সামনে এগিয়ে এলো।

মুখে দাড়ি।

চোখের নিচে ক্লান্তির দাগ।

তিন বছর না…

মনে হচ্ছিল ত্রিশ বছর ধরে মানুষটা ঘুমায়নি।

হরিদাস কাকা কাঁপা গলায় বললেন—

“তুই… বেঁচে আছিস?”

সমর হালকা হাসল।

সেই হাসিতে আনন্দ ছিল না।

শুধু ব্যথা।

“বেঁচে?”

“মানুষ শরীর নিয়ে হাঁটলে বেঁচে থাকে না দাদা…”

“মনের ভেতর যদি প্রতিদিন মরতে থাকে…”

নিস্তব্ধতা।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
কিছু মানুষ কবরের নিচে না…
নিজের অপরাধবোধের ভেতর বেঁচে থাকে।

অর্ণব সামনে এলো।

তার চোখে হাজার প্রশ্ন।

“তাহলে…”

“তুমি কোথায় ছিলে এতদিন?”

সমর কিছুক্ষণ চুপ।

তারপর হাতে ধরা কালো ডায়েরিটা অর্ণবের দিকে বাড়িয়ে দিল।

“সব উত্তর এখানে আছে।”

অর্ণব ডায়েরি খুলল।

প্রথম পাতায় শুধু একটা লাইন—

"যেদিন অয়ন মারা যায়… সেদিন আমিও হারিয়ে গিয়েছিলাম।"

অর্ণবের বুক কেঁপে উঠল।

সে পৃষ্ঠা উল্টালো।

আর দ্বিতীয় পাতায় যা লেখা ছিল—

সেটা পড়ে তার হাত কাঁপতে শুরু করল।

কারণ সেখানে লেখা—

"সায়ন আমাকে সব বলেছিল…"

"আর Room–13-এর সেদিনের ঘটনার ভিডিও এখনও আছে।"

ধপ!

পুরো করিডোর জমে গেল।

ঈশানীর ঠোঁট কাঁপছে।

রুদ্র পিছিয়ে গেল।

কারণ—

এতদিন সবাই স্মৃতি খুঁজছিল।

কিন্তু যদি…

পুরো ঘটনার ভিডিও থেকেই থাকে?

তাহলে সত্যিটা এখনও জীবিত।

আর ঠিক তখন—

সমর খুব আস্তে বলল—

“ভিডিওটা আমি লুকিয়ে রেখেছি…”

“কিন্তু সেটা দেখার পর…”

সে থেমে গেল।

তার চোখ ধীরে অর্ণবের দিকে উঠল।

“তোরা কেউ আর আগের মতো থাকতে পারবি না।”

(চলবে…)

#কালোশাড়িররহস্য #গল্প

📢 Copy Protect Notice:
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী সুরক্ষিত।
কেউ কপি, আংশিক পরিবর্তন বা নিজের নামে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে Defamation Case নেওয়া হবে।

20/05/2026

I got over 20,000 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤(পর্ব ৩৭)ঠক...ঠক...ঠক...করিডোরের শেষ মাথা থেকে পায়ের শব্দটা ধীরে ধীরে কাছে আসছে।পুরো জায়গাটা নিস্ত...
19/05/2026

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤

(পর্ব ৩৭)

ঠক...

ঠক...

ঠক...

করিডোরের শেষ মাথা থেকে পায়ের শব্দটা ধীরে ধীরে কাছে আসছে।

পুরো জায়গাটা নিস্তব্ধ।

কেউ কথা বলছে না।

অর্ণবের বুকের ধুকপুকানি নিজের কানেই শোনা যাচ্ছে।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
কিছু মুহূর্তে মানুষ সামনে কী আসছে, সেটা ভয় পায় না…
ভয় পায়— যদি নিজের ধারণাটাই ভুল হয়ে যায়।

ঈশানী অজান্তেই অর্ণবের হাত শক্ত করে ধরল।

রুদ্র ফিসফিস করে বলল—

“কে ওখানে?”

কোনো উত্তর নেই।

শুধু—

ঠক...

ঠক...

আরও কাছে।

হরিদাস কাকা হঠাৎ ফ্যাকাশে হয়ে গেলেন।

তার ঠোঁট কাঁপছে।

তিনি খুব আস্তে বললেন—

“না…”

“এটা হতে পারে না…”

অর্ণব ঘুরে তাকালো।

“কাকা?”

হরিদাস কাকার চোখ একদম করিডোরের অন্ধকারে স্থির।

যেন তিনি মানুষ না…

কোনো পুরোনো দুঃস্বপ্ন দেখছেন।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
মানুষ সবকিছু ভুলে যেতে পারে…
কিন্তু অপরাধের স্মৃতি কখনও পুরো মরে না।

তারপর—

অন্ধকারের ভেতর থেকে একটা ছায়া বের হলো।

এক পা।

দুই পা।

তিন পা।

মুখটা এখনও দেখা যাচ্ছে না।

কিন্তু…

হাতে একটা পুরোনো কালো ডায়েরি।

আর ডান হাতের কবজিতে কাটা দাগ।

অর্ণবের বুক ধক করে উঠল।

কারণ—

এই দাগটার কথা সে আগেই পড়েছে।

অয়নের ডায়েরিতে।

সেখানে লেখা ছিল—

"সায়নের ডান হাতে ছোট্ট কাটা দাগ। ও বলে এটা ছোটবেলার যুদ্ধের চিহ্ন।"

নিস্তব্ধতা।

ঈশানীর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।

ছায়াটা এবার পুরো আলোয় এলো।

আর পরের মুহূর্তে—

হরিদাস কাকা মাটিতে বসে পড়লেন।

তার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।

কারণ সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা ধীরে বলল—

“দাদা…”

“এতদিন পরে… চিনতে পারলে?”

পুরো করিডোর জমে গেল।

কারণ—

সে সায়ন না।

সে…

সমর।

(চলবে…)

#কালোশাড়িররহস্য #গল্প

📢 Copy Protect Notice:
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী সুরক্ষিত।
কেউ কপি, আংশিক পরিবর্তন বা নিজের নামে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে Defamation Case নেওয়া হবে।

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤(পর্ব ৩৬)মেঝেতে পড়ে থাকা cassette-টার দিকে সবাই তাকিয়ে।সাদা মার্কারে লেখা—"Play only when Samor re...
19/05/2026

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤

(পর্ব ৩৬)

মেঝেতে পড়ে থাকা cassette-টার দিকে সবাই তাকিয়ে।

সাদা মার্কারে লেখা—

"Play only when Samor returns."

পুরো করিডোরে এমন নীরবতা নেমে এলো, যেন দেয়ালও শুনছে।

অর্ণব ধীরে cassette-টা হাতে তুলে নিল।

তার হাত কাঁপছে।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
কিছু জিনিস খোলার আগে মানুষ ভয় পায়…
কারণ ভেতরে উত্তর না, ঝড় অপেক্ষা করে।

ঈশানী ফিসফিস করে বলল—

“চালাবে?”

হরিদাস কাকা হঠাৎ চিৎকার করে উঠলেন—

“না!”

সবাই চমকে উঠল।

এতক্ষণ শান্ত থাকা মানুষটা হঠাৎ কাঁপতে শুরু করেছে।

তার চোখ লাল।

“ওটা চালাস না অর্ণব…”

“অনেক কিছু শেষ হয়ে যাবে…”

অর্ণব ধীরে তাকালো।

“শেষ তো আগেই হয়েছে কাকা।”

“এখন শুধু সত্যিটা বাকি।”

নিস্তব্ধতা।

পুরোনো ঘরের কোণে একটা cassette player ছিল।

রুদ্র সেটার ধুলো মুছে cassette ঢুকিয়ে দিল।

ক্লিক।

প্রথমে শুধু ঝিঁঝিঁ শব্দ।

তারপর—

“ক্র্যাক…”

“যদি এই cassette কেউ শোনে…”

একটা পুরুষ কণ্ঠ।

অচেনা।

কিন্তু ঈশানীর চোখ হঠাৎ বড় হয়ে গেল।

“এটা…”

“এটা সমর কাকার গলা!”

অর্ণব স্থির।

রেকর্ড আবার চলল—

“হরিদাস, যদি তুই এটা শুনিস… তাহলে বুঝবো আমি ফিরিনি।”

হরিদাস কাকার চোখ বন্ধ।

দুই ফোঁটা পানি মাটিতে পড়ে গেল।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
মানুষ কখনও কখনও মৃত মানুষকে না…
অসমাপ্ত কথাগুলোকে বেশি মিস করে।

রেকর্ডের কণ্ঠ কাঁপছে—

“আমি যা করেছি… তার শাস্তি আমার পাওয়ারই ছিল।”

“Room–13-এর ঘটনার সাথে শুধু অয়ন না…”

“আমিও জড়িত ছিলাম।”

ধপ!

ঈশানীর বুক কেঁপে উঠল।

অর্ণবের হাত শক্ত হয়ে গেল।

রুদ্র এক পা পিছিয়ে গেল।

তারপর—

রেকর্ডে শেষ লাইনটা ভেসে এলো—

“আর সবচেয়ে বড় সত্যি হলো…”

“সায়নের স্মৃতি হারায়নি।”

“সে সব মনে রেখেছিল…”

পুরো করিডোর জমে গেল।

কারণ—

যদি সায়ন সব মনে রাখে…

তাহলে তিন বছর ধরে সে কোথায় ছিল?

ঠিক তখন—

করিডোরের একদম শেষ মাথায়...

ধীরে ধীরে কারও পায়ের শব্দ শোনা গেল।

ঠক...

ঠক...

ঠক...

(চলবে…)

#কালোশাড়িররহস্য #গল্প

📢 Copy Protect Notice:
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী সুরক্ষিত।
কেউ কপি, আংশিক পরিবর্তন বা নিজের নামে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে Defamation Case নেওয়া হবে।

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤(পর্ব ৩৫)“এটা আমার বাবার ছোট ভাই… সমর কাকা।”ঈশানীর কথাটা শুনে পুরো করিডোর যেন জমে গেল।অর্ণব স্থির।...
19/05/2026

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤

(পর্ব ৩৫)

“এটা আমার বাবার ছোট ভাই… সমর কাকা।”

ঈশানীর কথাটা শুনে পুরো করিডোর যেন জমে গেল।

অর্ণব স্থির।

রুদ্রের মুখ ফ্যাকাশে।

ঋভ কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেল।

আর হরিদাস কাকা…

প্রথমবার তাঁর কপালে ঘাম দেখা গেল।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
কিছু নাম শুধু মানুষ না…
পুরো গল্পটাই বদলে দেয়।

ঈশানীর হাত কাঁপছে।

সে ছবিটার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল—

“অসম্ভব…”

“সমর কাকা তো… দশ বছর আগে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল।”

অর্ণব দ্রুত বলল—

“নিখোঁজ?”

ঈশানী ধীরে মাথা নাড়ল।

“বাবা বলত… ব্যবসার কাজে বাইরে গিয়েছিল।”

“তারপর আর ফিরে আসেনি।”

নিস্তব্ধতা।

কিন্তু হঠাৎ—

হরিদাস কাকা মুখ ঘুরিয়ে নিলেন।

এই প্রথম।

অর্ণব সেটা খেয়াল করল।

কারণ—

যে মানুষ সত্যি বলে, সে চোখ লুকায় না।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
মানুষ মিথ্যা মুখে কম বলে…
চোখে বেশি বলে।

অর্ণব সামনে এগিয়ে এলো।

“কাকা…”

“আপনি সমরকে চিনেন?”

কোনো উত্তর নেই।

আরও কয়েক সেকেন্ড।

তারপর হরিদাস কাকা ধীরে বসে পড়লেন।

মাথা নিচু।

খুব নিচু গলায় বললেন—

“চিনতাম…”

পুরো করিডোর নিস্তব্ধ।

ঈশানীর নিঃশ্বাস আটকে গেল।

“কারণ…”

তিনি থামলেন।

চোখ বন্ধ করলেন।

তারপর বললেন—

“সমর আমার ছোট ভাই।”

ধপ!

ঈশানীর হাত থেকে ছবিটা পড়ে গেল।

অর্ণব একদম স্থির।

কারণ—

তার মানে…

হরিদাস কাকা আর সমর কাকা দুই ভাই?

তাহলে—

এতদিন যে মানুষটাকে caretaker ভাবা হচ্ছিল…

সে এই গল্পের শুরু থেকেই ছিল।

শুধু সামনে না।

ছায়ার মতো।

ঠিক তখন—

কালো বাক্সের ভেতরে থাকা cassette-টা নিজে থেকেই মেঝেতে পড়ে গেল।

আর তার গায়ে সাদা মার্কারে লেখা—

“Play only when Samor returns.”

পুরো করিডোরে ঠান্ডা বাতাস বয়ে গেল।

কারণ—

যদি সমর ফিরে না আসে…

তাহলে এই cassette কার জন্য অপেক্ষা করছিল?

(চলবে…)

#কালোশাড়িররহস্য #গল্প

📢 Copy Protect Notice:
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী সুরক্ষিত।
কেউ কপি, আংশিক পরিবর্তন বা নিজের নামে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে Defamation Case নেওয়া হবে।

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤(পর্ব ৩৪)“কারণ… সায়ন মারা যায়নি।”হরিদাস কাকার কথাটা শোনার পর পুরো করিডোর একদম স্তব্ধ হয়ে গেল।অর্ণব...
19/05/2026

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤

(পর্ব ৩৪)

“কারণ… সায়ন মারা যায়নি।”

হরিদাস কাকার কথাটা শোনার পর পুরো করিডোর একদম স্তব্ধ হয়ে গেল।

অর্ণবের গলা শুকিয়ে গেল।

ঈশানী ধীরে পিছিয়ে দাঁড়ালো।

রুদ্র ফিসফিস করে বলল—

“মানে…?”

আমি অনুজ এটা বুঝি—
কখনও কখনও মানুষ ভূতের ভয় পায়…
আসলে ভয় পাওয়া উচিত জীবিত মানুষকে।

হরিদাস কাকা দেয়ালের পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন।

চোখ দুটো ক্লান্ত।

তিন বছর ধরে লুকিয়ে রাখা একটা সত্যি যেন আজ তাঁর মুখের ভেতর থেকে বের হতে চাইছে।

তিনি ধীরে বললেন—

“সেদিন Room–13-এ অয়ন একা যায়নি…”

“সায়নও ছিল।”

অর্ণব স্থির হয়ে শুনছে।

“অয়ন খুব ভেঙে পড়েছিল…”

“কিন্তু সায়ন ওকে বাঁচাতে গিয়েছিল।”

কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।

তারপর—

“কিন্তু ওদের মধ্যে ঝগড়া হয়।”

ঈশানী নিচু গলায় বলল—

“তারপর?”

হরিদাস কাকার গলা কেঁপে উঠল।

“তারপর সায়ন পড়ে যায়…”

“মাথায় আঘাত লাগে।”

“অনেক রক্ত…”

পুরো জায়গাটা নিস্তব্ধ।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
জীবনের কিছু দুর্ঘটনা ইচ্ছে করে হয় না…
তবুও সারাজীবনের শাস্তি দিয়ে যায়।

অর্ণব কাঁপা গলায় বলল—

“কিন্তু… সে বেঁচে ছিল?”

হরিদাস কাকা ধীরে মাথা নাড়লেন।

“হ্যাঁ।”

“আমি ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।”

“কিন্তু জ্ঞান ফেরার পর…”

তিনি থেমে গেলেন।

“ও সব ভুলে যায়।”

রুদ্র হতভম্ব।

ঋভও।

“স্মৃতি হারিয়ে ফেলে?”

“হ্যাঁ…”

তারপর কাকা ধীরে বললেন—

“আমি ভয় পেয়েছিলাম।”

“যদি সত্যিটা বাইরে আসে…”

“অয়নকে সবাই খুনি ভাবে।”

অর্ণবের হাত মুঠো হয়ে গেল।

কারণ—

এত বছর ধরে একটা ভুল সত্যি সবাইকে তাড়া করেছে।

ঠিক তখন—

ঈশানীর চোখ হঠাৎ সেই পুরোনো ছবিটার দিকে গেল।

সে ছবিটা আবার হাতে নিল।

খুব কাছে এনে তাকালো।

তারপর—

তার মুখের রঙ মুহূর্তে বদলে গেল।

“না…”

“না… এটা…”

সবাই তাকালো।

ঈশানীর হাত কাঁপছে।

সে খুব আস্তে বলল—

“আমি এই মানুষটাকে চিনি…”

পুরো করিডোর নিস্তব্ধ।

অর্ণব দৌড়ে এলো।

“কাকে?”

ঈশানী ছবির আধা কাটা মুখটার দিকে আঙুল তুলে বলল—

“এটা হরিদাস কাকা না…”

“এটা…”

সে নিঃশ্বাস নিল।

তারপর বলল—

“এটা আমার বাবার ছোট ভাই… সমর কাকা।”

নিস্তব্ধতা।

কারণ—

গল্পটা হঠাৎ নতুন মোড় নিল।

আর প্রথমবার…

হরিদাস কাকার মুখে ভয় দেখা গেল।

(চলবে…)

#কালোশাড়িররহস্য #গল্প

📢 Copy Protect Notice:
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী সুরক্ষিত।
কেউ কপি, আংশিক পরিবর্তন বা নিজের নামে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে Defamation Case নেওয়া হবে।

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤(পর্ব ৩৩)“Locker–217-এর নিচে দেখ…”রেডিওর কণ্ঠটা থেমে গেল।পুরো ঘর নিস্তব্ধ।কেউ নড়ছে না।শুধু অর্ণবের...
19/05/2026

🖤 “কালো শাড়ির রহস্য” 🖤

(পর্ব ৩৩)

“Locker–217-এর নিচে দেখ…”

রেডিওর কণ্ঠটা থেমে গেল।

পুরো ঘর নিস্তব্ধ।

কেউ নড়ছে না।

শুধু অর্ণবের বুকের ধুকপুক শব্দ যেন নিজের কানেই শুনতে পাচ্ছে।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
কিছু উত্তর সামনে থাকলেও মানুষ ভয় পায়…
কারণ সব প্রশ্নের উত্তর সুখের হয় না।

কয়েক সেকেন্ড পর অর্ণব দৌড়ে বেরিয়ে গেল।

ঈশানী।

রুদ্র।

ঋভ।

সবাই তার পেছনে।

আবার সেই পুরোনো করিডোর।

আবার Locker–217।

হরিদাস কাকাও ধীরে ধীরে এসে দাঁড়ালেন।

অর্ণব নিচে তাকালো।

প্রথমে কিছুই নেই।

ধুলো।

জং ধরা লোহার অংশ।

তারপর—

ঈশানী নিচু হয়ে বলল—

“এক মিনিট…”

তার আঙুল একটা ছোট ধাতব অংশে আটকে গেল।

খুব ছোট একটা লুকানো lock।

যেটা আগে কেউ খেয়ালই করেনি।

অর্ণব কাঁপা হাতে চাপ দিল।

ক্লিক।

Locker-এর নিচের অংশটা আস্তে খুলে গেল।

আর ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো—

একটা ছোট কালো বাক্স।

নিস্তব্ধতা।

আমি অনুজ এটা বুঝি—
কিছু জিনিস মানুষ লুকিয়ে রাখে পৃথিবীর কাছ থেকে না…
নিজের কষ্ট থেকে।

অর্ণব ধীরে বাক্সটা খুলল।

ভেতরে—

একটা cassette।

একটা পুরোনো ছবি।

আর একটা চিঠি।

ছবিটা হাতে নিতেই রুদ্রের মুখ সাদা হয়ে গেল।

কারণ—

ছবিতে অয়ন।

তার পাশে সায়ন।

আর পেছনে দাঁড়িয়ে—

সোহিনী।

কিন্তু আরও একজন আছে।

মুখটা আধা কাটা।

শুধু চোখ দেখা যাচ্ছে।

অদ্ভুত পরিচিত চোখ।

অর্ণব ছবিটা আরও কাছে আনল।

তার বুক কেঁপে উঠল।

কারণ—

সেই চোখ দুটো…

ঠিক হরিদাস কাকার মতো।

ঠিক তখন—

পেছন থেকে একটা শব্দ।

“ওটা দেখিস না।”

সবাই ঘুরে দাঁড়ালো।

হরিদাস কাকা দাঁড়িয়ে।

কিন্তু এবার তাঁর চোখে আগের শান্তি নেই।

অদ্ভুত ভয়।

আর প্রথমবার…

তিনি কাঁপা গলায় বললেন—

“কারণ সায়ন মারা যায়নি…”

পুরো করিডোর নিস্তব্ধ।

অর্ণবের হাত থেকে প্রায় ছবিটা পড়ে যাচ্ছিল।

কারণ—

যদি সায়ন বেঁচে থাকে…

তাহলে তিন বছর ধরে রেডিওতে কার কণ্ঠ ভেসে আসছে?

(চলবে…)

#কালোশাড়িররহস্য #গল্প

📢 Copy Protect Notice:
এই লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং Copyright Act, 1957 এর Section 57 (Moral Rights) অনুযায়ী সুরক্ষিত।
কেউ কপি, আংশিক পরিবর্তন বা নিজের নামে ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে Defamation Case নেওয়া হবে।

Address

Mogra
Magra
712148

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when anujpaul0007 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to anujpaul0007:

Share