26/09/2026
#শ্রীশ্রীঠাকুর — আমরা গ্রহের কবলে থাকি। যখন তাদের প্রতিকূল প্রভাব থেকে মুক্ত হতে চাই, তখন তারাও অনেক সময়ে নিজের প্রতাপ দেখাতে ছাড়ে না। কিন্তু তখন যদি স্বস্ত্যয়নী ছেড়ে দাও, তাহলে পুরোপুরি তাদের কবলে পড়ে যাবে, তারাই তোমার নাকে দড়ি লাগিয়ে টানবে। এবং এভাবে নরকের পথ পরিষ্কার হয়ে যাবে।*
*তাই বিপদ-আপদ যাই আসুক না কেন, স্বস্ত্যয়নীকে আরো কঠোর ভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে। এছাড়া পরিত্রাণের পথ নেই। এটা যেন দেবাসুরের সংগ্রাম। স্বস্ত্যয়নী হলো দৈবী জীবন পথে অভিযান। কঠোর সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে এই পথে। নিষ্ঠা সহ ধরে রাখলে জয় অনিবার্য।*
*আর, তোমরা লক্ষ্য করে দেখবে, জীবনে যারা প্রকৃতই বড় হয়েছেন, তাদের চরিত্রে স্বস্ত্যয়নীর নীতি কিছু না কিছু মূর্ত হয়েছে। এই পাঁচটি নীতি যদি কারো চরিত্রে মূর্ত হয়, তাহলে সে একজন দিকপাল হয়ে উঠবেই উঠবে — সে একজন চাষাভুষা হোক বা মুটে-মজুর হোক।*
*তাই নিত্য বিশ্লেষণ করে দেখা দরকার, এই পাঁচটি নীতির মধ্যে কোনটা কিভাবে পালিত হচ্ছে। যেটার পালন শিথিল হচ্ছে, তা ভালোভাবে পালন করতে হবে, তাহলে দুর্দৈব আমাদের জীবনে প্রবেশ করার জন্য কোনো ছিদ্র পাবে না। আর, স্বস্ত্যয়নীর সঙ্গে সঙ্গে যজন, যাজন ও ইষ্টভৃতিও ঠিক ভাবে করতে হবে।*
*আলোচনা প্রসঙ্গে - ৪.১.১৯৪২*
---