AB's Weather Update Bangla

  • Home
  • AB's Weather Update Bangla

AB's Weather Update Bangla এই পেজটি থেকে মূলত পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, সিকিমসহ উত্তরপূর্ব ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়! Weather Update
(1)

This page mainly provides weather forecast for North-East India especially Tripura, Assam ,Sikkim & West Bengal.

✅INSAT-3DS স্যাটেলাইট ইমেজে দেশের একটা বড় অংশ জুড়ে ঘন মেঘের আস্তরণ বা মেঘাচ্ছন্নতা (Cloud Coverage) দেখা যাচ্ছে, যা প্রম...
12/06/2026

✅INSAT-3DS স্যাটেলাইট ইমেজে দেশের একটা বড় অংশ জুড়ে ঘন মেঘের আস্তরণ বা মেঘাচ্ছন্নতা (Cloud Coverage) দেখা যাচ্ছে, যা প্রমাণ করছে এখন দেশজুড়ে বর্ষার সক্রিয়তা বাড়ছে।

✅আগামীকাল ১৩ ই জুন দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রথম জোরালো বৃষ্টির পেছনে মূলত বেশ কয়েকটি শক্তিশালী আবহাওয়াগত কারণ (Meteorologic...
12/06/2026

✅আগামীকাল ১৩ ই জুন দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রথম জোরালো বৃষ্টির পেছনে মূলত বেশ কয়েকটি শক্তিশালী আবহাওয়াগত কারণ (Meteorological Factors) একসাথে কাজ করছে। আবহাওয়া বিজ্ঞানের পরিভাষায় ✅মূল কারণগুলি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. নিম্নচাপ অক্ষরেখার অবস্থান (Trough Line)
বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন এলাকার ওপর একটি সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা (Trough Line) অবস্থান করছে। এটি বায়ুমণ্ডলে একটি কম চাপের এলাকা তৈরি করে, যা চারপাশের বাতাসকে ওপরের দিকে উঠতে বাধ্য করে। বাতাস যত ওপরে ওঠে, তত দ্রুত ঠান্ডা হয়ে ঘনীভূত হয় এবং মেঘ তৈরি করে।
২. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর আগমন (Monsoon Onset)
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু (Southwest Monsoon) ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বারে (পুরুলিয়া ও বীরভূমের একাংশে) পৌঁছে গেছে। এই মৌসুমী বায়ু তার সাথে করে বিপুল পরিমাণ আর্দ্রতা নিয়ে আসছে, যা বৃষ্টির জন্য প্রধান জ্বালানি হিসেবে কাজ করছে।
৩. বঙ্গোপসাগর থেকে প্রবল জলীয় বাষ্পের জোগান (Moisture Incursion)
নিম্নচাপ অক্ষরেখাটির টানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে হুহু করে অত্যন্ত জোরালো এবং উষ্ণ-আর্দ্র সামুদ্রিক বাতাস দক্ষিণবঙ্গের স্থলভাগে প্রবেশ করছে। এর ফলে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার (Relative Humidity) পরিমাণ অত্যন্ত বেড়ে গেছে।
৪. তীব্র গরমের ফলে 'থার্মাল কনভেকশন' (Thermal Convection)
গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা বেশ বেশি ছিল এবং তীব্র ভ্যাপসা গরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। দুপুরের দিকে স্থলভাগ অতিরিক্ত উত্তপ্ত হওয়ার ফলে নিচের বাতাস হালকা হয়ে তীব্র গতিতে ওপরে উঠে যায় (Convective Updraft)। এই গরম বাতাস ওপরের আর্দ্র বাতাসের সাথে মিশে খুব কম সময়ে উল্লম্বভাবে বিশাল বজ্রগর্ভ মেঘ বা কিউমুলোনিম্বাস (Cumulonimbus) মেঘ তৈরি করছে।
৫. উইন্ড শিয়ার এবং ঝড় বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি (Wind Shear)
বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তরে (Lower Troposphere) বঙ্গোপসাগরের আর্দ্র পূর্বালী বাতাস এবং ওপরের স্তরে শুষ্ক পশ্চিমা বা উত্তর-পশ্চিমা বাতাসের একটি সংঘাত ঘটছে। বাতাসের এই গতির তারতম্য (Wind Shear) বজ্রগর্ভ মেঘের আয়ু বাড়িয়ে দেয়, যার ফলেই দুপুর থেকে রাতের মধ্যে দমকা ঝোড়ো হাওয়া (৪০-৫০ কিমি/ঘণ্টা) এবং তীব্র বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

12/06/2026

দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করলো!

✅শিলিগুড়ি সংলগ্ন এলাকাগুলোতে নিয়মিত বৃষ্টিপাত হলেও মূল শহরের ভেতরে বৃষ্টি কমে যাওয়া এবং গরম বাড়তে থাকার বিষয়টি অত্যন্ত উ...
12/06/2026

✅শিলিগুড়ি সংলগ্ন এলাকাগুলোতে নিয়মিত বৃষ্টিপাত হলেও মূল শহরের ভেতরে বৃষ্টি কমে যাওয়া এবং গরম বাড়তে থাকার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং বাস্তব। আবহাওয়া বিজ্ঞান এবং জলবায়ুবিদ্যার (Climatology) দৃষ্টিকোণ থেকে এর পেছনে কিছু সুনির্দিষ্ট টেকনিক্যাল এবং পরিবেশগত কারণ রয়েছে।

✅শহরের এই আবহাওয়া পরিবর্তনের মূল টেকনিক্যাল কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

১. আরবান হিট আইল্যান্ড ইফেক্ট (Urban Heat Island - UHI)
এটি শিলিগুড়ি শহরের বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ার সবচেয়ে বড় টেকনিক্যাল কারণ।

✅তাপমাত্রা বৃদ্ধি: বহুতল ভবন, কংক্রিটের রাস্তা এবং অ্যাসফল্টের পিচ সূর্যের তাপ শোষণ করে ধরে রাখে। ফলে গ্রামীণ বা শহরের বাইরের এলাকার তুলনায় মূল শহরের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি বেড়ে যায়।

✅মেঘ সৃষ্টিতে বাধা: অতিরিক্ত গরমের কারণে শহরের ওপরের বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয়ভাবে কোনো জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাস (Moisture) শহরে প্রবেশ করলে, তা এই অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে এসে ঘনীভূত (Condense) হওয়ার আগেই আরও ওপরে উঠে যায় বা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে শহরের ঠিক ওপরে মেঘ জমতে পারে না।

২. কনভেক্টিভ ক্লাউড বা পরিচলন মেঘ গঠনে বাধা
শিলিগুড়ি এবং ডুয়ার্স অঞ্চলে সাধারণত পরিচলন প্রক্রিয়ায় (Convective Process) বিকেলের দিকে বা রাতে বজ্রগর্ভ মেঘ (Cumonimbus) তৈরি হয়ে বৃষ্টি হয়।

✅গাছপালা কমে যাওয়ায় এবং জলাভূমি ভরাট হওয়ায় শহর এলাকায় বাষ্পীভবন বা উৎসোদন (Evapotranspiration) প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

✅বাতাসে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকা সত্ত্বেও স্থানীয়ভাবে মেঘ তৈরির জন্য যে শীতল পরিবেশ ও আর্দ্রতার ভারসাম্য প্রয়োজন, তা কংক্রিটের জঙ্গল নষ্ট করে দিচ্ছে। ফলে মেঘগুলো শহরের ওপর তৈরি না হয়ে, বাতাস যেদিকে নিয়ে যায় (যেমন—বাইরের ফাঁকা এলাকা বা পাহাড়ি অঞ্চলে) সেখানে গিয়ে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি ঘটায়।

৩. অ্যারোসল এবং বায়ু দূষণের নেতিবাচক প্রভাব (Aerosol Indirect Effect)
যানবাহন এবং নির্মাণকাজের কারণে শিলিগুড়ির বাতাসে ধূলিকণা, কার্বন এবং ক্ষতিকারক গ্যাসের (Aerosols) পরিমাণ মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে।

✅মেঘের কণার ক্ষুদ্রতা: বাতাসে ভাসমান এই দূষণকণাগুলো 'ক্লাউড কনডেন্সেশন নিউক্লিয়াই' (CCN) হিসেবে কাজ করে। বাতাসে দূষণ বেশি হলে জলীয় বাষ্প অনেক বেশি সংখ্যক কণার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।

এর ফলে মেঘের ভেতরে জলের ফোঁটাগুলো আকারে অত্যন্ত ছোট ছোট (Micro-droplets) হয়ে পড়ে। এই ছোট ফোঁটাগুলো ওজনে হালকা হওয়ায় সহজে বৃষ্টির আকারে নিচে নামতে পারে না এবং বাতাসে ভেসে শহরের সীমানা পার হয়ে যায়।

৪. রুক্ষতা দৈর্ঘ্য এবং বায়ুপ্রবাহের গতি পরিবর্তন (Aerodynamic Roughness)
শহরের বহুতল ভবনগুলো বাতাসের স্বাভাবিক গতিপথকে বাধাগ্রস্ত করে। একে টেকনিক্যাল ভাষায় 'Aerodynamic Roughness' বলা হয়।

বাইরের খোলা অঞ্চল থেকে আসা আর্দ্র বাতাস যখন শহরের উঁচু উঁচু বিল্ডিংয়ে বাধা পায়, তখন তার গতি কমে যায় এবং তা শহরের ওপর স্থির না হয়ে চারদিকে বা ওপরের দিকে ডাইভার্ট (Diverted) হয়ে যায়।

এই কারণে মেঘের যে অংশটি শহরের ওপর বৃষ্টি ঘটাতে পারত, তা শহরের পেরিফেরি বা বাইরের এলাকায় চলে যায়।

✅আসাম এবং সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতে যখনই কোনো সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা (Trough Line) অবস্থান করে, তখন সেটি বৃষ্টিপাতের জন্...
12/06/2026

✅আসাম এবং সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতে যখনই কোনো সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা (Trough Line) অবস্থান করে, তখন সেটি বৃষ্টিপাতের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। এর পেছনে মূল আবহাওয়া বিজ্ঞানসম্মত কারণগুলো নিচে সহজভাবে আলোচনা করা হলো:
✅নিম্নচাপ অক্ষরেখা (Trough Line) কীভাবে কাজ করে?
✅বাতাসের অভিসারণ (Convergence): নিম্নচাপ অক্ষরেখা বরাবর দুই দিক থেকে আসা বাতাস এসে মিলিত হয়। যখন দুই দিকের বাতাস মুখোমুখি ধাক্কা খায়, তখন তাদের অনুভূমিকভাবে (Horizontally) যাওয়ার আর জায়গা থাকে না।
✅উত্থান বা আরোহণ (Upliftment): ধাক্কা খাওয়ার ফলে বাতাস বাধ্য হয়ে তীব্র গতিতে ওপরের দিকে উঠতে শুরু করে (Ascending Motion)।
✅ঘনীভবন ও মেঘ সৃষ্টি: বাতাস যত ওপরে ওঠে, পারিপার্শ্বিক চাপ কমে যাওয়ার কারণে তা প্রসারিত ও শীতল হতে থাকে। বাতাসের তাপমাত্রা শিশিরাংকে (Dew Point) পৌঁছালে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ঝড়-মেঘ (যেমন: Cumulonimbus বা Cumulus মেঘ) তৈরি করে।
✅আসাম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রে এর প্রভাব
আসামের ভৌগোলিক অবস্থান এবং চারপাশের পাহাড়ের (যেমন মেঘালয়ের পাহাড় বা হিমালয় পর্বতমালা) কারণে এই পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে:
জলীয় বাষ্পের জোগান: বঙ্গোপসাগর থেকে আসা দক্ষিণ-পশ্চিম বা দক্ষিণ-পূর্বী বাতাস প্রচুর পরিমাণে আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্প এই অক্ষরেখা অঞ্চলে নিয়ে আসে।
✅টোপোগ্রাফিক লিফটিং (Topographic Lifting): অক্ষরেখার কারণে বাতাস যেমন ওপরের দিকে ওঠে, তেমনি চারপাশের পাহাড়ে ধাক্কা খেয়েও বাতাস আরও উঁচুতে উঠতে বাধ্য হয়।
✅ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা: এই জোড়া মেকানিজমের কারণে আগামী দিনগুলোতে আসামের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত এবং সেই সাথে বজ্রঝড়ের (Thunderstorm) অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

✅আজ, শুক্রবার (১২ জুন) দক্ষিণবঙ্গে প্রাক-মৌসুমী ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা  মাঝারি !আজ পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মূলত রোদঝলমলে (mostly ...
12/06/2026

✅আজ, শুক্রবার (১২ জুন) দক্ষিণবঙ্গে প্রাক-মৌসুমী ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা মাঝারি !আজ পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মূলত রোদঝলমলে (mostly sunny) আবহাওয়া থাকবে। আজ দিনের বেলা বৃষ্টির সম্ভাবনা মাত্র ১০% এবং রাতের দিকে তা প্রায় ১৫%।
✅তবে এখনই হতাশ হওয়ার কারণ নেই! আগামীকাল, শনিবার (১৩ জুন) থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রাক-বর্ষার ঝড়-বৃষ্টির (thunderstorm) সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়বে—প্রায় ৭০%। অর্থাৎ, আগামীকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা ও সম্ভাবনা দুই-ই বেশ ভালো রকম বাড়তে চলেছে।

✅আগামী ৪৮ থেকে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার (Southwest Monsoon) প্রবেশের জন্য বায়ুমণ্ডলে একাধিক সিনপটিক এবং থার্মো...
11/06/2026

✅আগামী ৪৮ থেকে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার (Southwest Monsoon) প্রবেশের জন্য বায়ুমণ্ডলে একাধিক সিনপটিক এবং থার্মোডাইনামিক উপাদান বা টেকনিক্যাল কারণ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। IMD-র সর্বশেষ Northern Limit of Monsoon (NLM) বিশ্লেষণ এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে প্রধান টেকনিক্যাল কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো
✅:১. লোয়ার-ট্রপোস্ফিয়ারিক উইন্ড প্যাটার্ন (Low-Level Wind Flow)গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে নিম্ন ট্রপোস্ফিয়ারে (১.৫ থেকে ৩.১ কিমি উচ্চতায়) শুষ্ক পশ্চিমা বা উত্তর-পশ্চিমা বাতাসের দাপট পুরোপুরি কেটে গেছে। তার জায়গায় জোরালো এবং গভীর দক্ষিণ-পশ্চিমী বা দক্ষিণ-পূবালী আর্দ্র বাতাস (Monsoonal Winds) প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এই বাতাসের গতিবেগ ও গভীরতা বৃদ্ধির ফলে ওড়িশা এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প সরাসরি দক্ষিণবঙ্গের স্থলভাগে ঢুকছে।
✅২. উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সাইক্লোনিক সার্কুলেশন (Cyclonic Circulation)উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন ওড়িশা-গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত (Cyclonic Circulation) দানা বাঁধছে। এই ধরনের সিস্টেম সাগরের আর্দ্র বাতাসকে স্থলভাগের দিকে টানতে একটি 'পাম্প' হিসেবে কাজ করে। এর প্রভাবে আগামী ৪৮-৭২ ঘণ্টায় বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে কনভারজেন্স জোন (Convergence Zone) তৈরি হচ্ছে, যা বর্ষার মেঘ পুঞ্জীভূত হতে সাহায্য করবে।
✅৩. ওল্ট্রাভায়োলেট ও থার্মাল কন্ডিশন এবং আউটগোয়িং লংওয়েভ রেডিয়েশন (OLR)দক্ষিণবঙ্গের ওপর সামগ্রিকভাবে মেঘের আচ্ছাদন বাড়ায় OLR-এর মান হ্রাস পাচ্ছে । দীর্ঘদিনের তীব্র দাবদাহের পর স্থলভাগ অত্যন্ত উত্তপ্ত থাকায় সেখানে একটি স্থানীয় তাপীয় নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে, যা সমুদ্রের তুলনামূলক শীতল ও ভারী আর্দ্র বাতাসকে দ্রুত নিজের দিকে আকর্ষণ করছে।✅৪. প্রাক-বর্ষা বজ্রগর্ভ মেঘের রূপান্তর (Transition of Cloud Type)গত কয়েকদিনের বিচ্ছিন্ন স্থানীয় বজ্রঝড়ের (Pre-monsoon Thundershowers) পর এখন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বায়ুমণ্ডলে খাড়াভাবে তৈরি হওয়া কিউমুলোনিম্বাস (Cumulonimbus) মেঘের বদলে বিস্তৃত স্ট্র্যাটিফর্ম (Stratiform) এবং অল্টোস্ট্র্যাটাস মেঘের স্তর তৈরি হতে শুরু করেছে। এটি বাতাসে আর্দ্রতার স্থায়িত্ব এবং বর্ষার নিরবচ্ছিন্ন বৃষ্টির অন্যতম প্রধান টেকনিক্যাল লক্ষণ।
✅৫. থার্মোডাইনামিক প্যারামিটার (CAPE & Moisture Depth)CAPE (Convective Available Potential Energy): বায়ুমণ্ডলে উচ্চ CAPE-এর মান আর্দ্রতার সঙ্গে মিশে ল্যাটেন্ট হিট (Latent Heat) রিলিজ করছে, যা কনভেকশন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে।
✅Relative Humidity (RH): মধ্য ও উচ্চ ট্রপোস্ফিয়ার (৭০০ থেকে ৫০০ হেক্টোপাস্কাল বা hPa স্তরে) আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৮০% থেকে ৯০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বৃষ্টিপাত ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় স্যাচুরেশন লেভেল তৈরি করেছে।

✅শিলিগুড়িতে আজ (১১/০৬/২৬) দেখা মিললো অল্টোকিউমুলাস মেঘের!🎯অল্টোকিউমুলাস মেঘকে আবহবিজ্ঞানের ভাষায় অনেক সময় আবহাওয়ার পরিব...
11/06/2026

✅শিলিগুড়িতে আজ (১১/০৬/২৬) দেখা মিললো অল্টোকিউমুলাস মেঘের!

🎯অল্টোকিউমুলাস মেঘকে আবহবিজ্ঞানের ভাষায় অনেক সময় আবহাওয়ার পরিবর্তনের বা আসন্ন বৃষ্টির "অগ্রদূত" বলা হয়। বিশেষ করে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার পর যখন এই মেঘ দেখা যায়, তখন তা নির্দেশ করে যে বায়ুমণ্ডলের মধ্যস্তরে অস্থিরতা (Instability) বাড়ছে।
উত্তরবঙ্গে এই সময়ে বাতাসে প্রচুর পরিমাণে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর জেরে আর্দ্রতা প্রবেশ করছে। ফলে এই অল্টোকিউমুলাস মেঘগুলোই রাতের দিকে বা আগামীকালের মধ্যে উল্লম্বভাবে বৃদ্ধি পেয়ে কিউমুলোনিম্বাস (Cumulonimbus) বা বজ্রগর্ভ মেঘে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস (শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকা)
✅বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি: আগামী ৭২ ঘণ্টায় শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি, এবং কিছু কিছু পকেটে ভারী বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
✅বিকেলের পর বা রাতের দিকে তীব্রতা: দুপুরের দিকে গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলেও, বিকেল বা সন্ধ্যার পর থেকে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হয়ে ঝড়-বৃষ্টির বেগ বাড়তে পারে।
✅তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা: বাতাসে আর্দ্রতা ৯০%-এর উপরে থাকায় বৃষ্টি হওয়ার আগে পর্যন্ত ভ্যাপসা গরম বজায় থাকবে, তবে বৃষ্টির পর তাপমাত্রা বেশ কিছুটা কমবে।

11/06/2026

✅পূর্ব বর্ধমান জেলার মানকরে আজ প্রবল ঝড় বৃষ্টি 🌧️

✅নিউটাউন গীতাঞ্জলি পার্ক বৃষ্টি শুরু হবার পূর্বে ☁️🌧️📸দীপান্বিতা সাহা
11/06/2026

✅নিউটাউন গীতাঞ্জলি পার্ক বৃষ্টি শুরু হবার পূর্বে ☁️🌧️
📸দীপান্বিতা সাহা

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AB's Weather Update Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share