EXPLORERSOURAVDAS

EXPLORERSOURAVDAS Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EXPLORERSOURAVDAS, Digital creator, Midnapur.
(2)

আঞ্চলিক ইতিহাস সংগ্রহ ও তার তথ্যচিত্র নির্মাণ, এবং দুষ্প্রাপ্য ভেষজ উদ্ভিদ চিহ্নিতকরণ ও সংরক্ষণে নিবেদিত এক সত্তা। এই পথচলার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে, প্লাস্টিকমুক্ত সমাজ, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন এবং জল অপচয় রোধে নিরলস কাজ করে চলেছি।

27/09/2026

অতসী বা ঝুনঝুনি গাছ: দেবী দুর্গার প্রিয় রূপ ও প্রকৃতির এক গোপন ভেষজ রহস্য

27/09/2026

মুচকুন্দ বা বানভস গাছ: এক দুষ্প্রাপ্য ভেষজ উদ্ভিদ

সরকারি অনুমোদিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (NGO) ‘বগড়ি প্রবাহিকা সংসদ’ ও ‘এক্সপ্লোরার সৌরভ দাস’ ফেসবুক পেজে...
22/09/2026

সরকারি অনুমোদিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (NGO) ‘বগড়ি প্রবাহিকা সংসদ’ ও ‘এক্সপ্লোরার সৌরভ দাস’ ফেসবুক পেজের যৌথ উদ্যোগে আমাদের ‘পুজো পরিক্রমা’র প্রস্তুতি পরিদর্শনে আজ পৌঁছেছিলাম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ২ ব্লকের গোয়ালতোড় থানার অন্তর্গত ১০ নম্বর জোগারডাঙ্গা অঞ্চলের জোগারডাঙ্গা গ্রামের ঐতিহ্যমণ্ডিত প্রাচীন মুখার্জী পরিবারে।
​আসন্ন দুর্গোৎসবের প্রস্তুতির খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি এই পরিবারের সদস্যা মাননীয়া মিঠু মুখার্জী মহাশয়া ও তাঁর সুকন্যা চিত্রা মুখার্জির হাতে আমাদের মুখপত্র ‘বগড়ি দর্পণ’-এর দ্বিতীয় সংখ্যাটি তুলে দেওয়া হলো। সেই বিশেষ মুহূর্তের কিছু ছবি রইল আপনাদের জন্য।
#বগড়িদর্পণ

22/09/2026

বগড়ি পরগনার ৩৫০ বৎসরের অধিক প্রাচীন দুর্গা পূজা জোগারডাঙ্গা মুখার্জী পরিবারের #বগড়িদর্পণ

শিলাবতীর স্মৃতিতে শালকাঠের সাঁকো: এক বিস্মৃত আবেগ ও জীবনের গল্প।​নদী কখনো কখনো শুধু জনপদকে ভাগ করে না, বুকের ওপর মেলে দে...
21/09/2026

শিলাবতীর স্মৃতিতে শালকাঠের সাঁকো: এক বিস্মৃত আবেগ ও জীবনের গল্প।
​নদী কখনো কখনো শুধু জনপদকে ভাগ করে না, বুকের ওপর মেলে দেয় এক অদৃশ্য সুতোর টান।
আজ যখন 'দ্য শিলাবতী ডায়েরিজ'-এর পুরনো খাতার পাতা ওল্টাই, তখন শিলাবতীর চরে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুরনো শালকাঠের সাঁকোর স্মৃতি মনকে অদ্ভুত এক নস্টালজিয়ায় ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
​ছবিটি আমার ক্যামেরাবন্দি করা সম্ভবত ২০২৩ সালের এক অলস দুপুরে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা ২ ব্লকের গোয়ালতোড় থানার অধীন হুমগড় ও পাথরবেড়িয়ার মাঝে শিলাবতী নদীর ওপরের সেই শালকাঠের সাঁকো।
এটি কেবল এক চিলতে কাঠের পথ ছিল না, ছিল এই মাটির বহুদিনের এক জীবন্ত ইতিহাস ও আবেগ। একদিকে ৯ নম্বর পিয়াশালা পঞ্চায়েতের হুমগড়, অন্যদিকে ১০ নম্বর জোগারডাঙ্গা পঞ্চায়েতের পাথরবেড়িয়া—এই দুই প্রান্তকে এক সুতোয় বেঁধে রেখেছিল এই কাঠামোটাই।
​শুধু এই দুটো অঞ্চলই নয়, বাঁকুড়া জেলার সিমলাপাল, ভূতশহর থেকে শুরু করে পশ্চিম মেদিনীপুরের শেষ প্রান্তের অগণিত মানুষ ও ছাত্রছাত্রীর নিত্যদিনের পারাপারের একমাত্র ভরসা ছিল এই কাঠের সাঁকো। ভোরবেলায় কৃষকদের রক্তজল করা মেহনতের ফসল হাটে নিয়ে যাওয়া, স্কুলপড়ুয়াদের সাইকেল ঠেলে নদী পার হওয়া কিংবা মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তাড়া—সবটুকু জীবনের স্পন্দন বয়ে নিয়ে চলত এই শালের গুঁড়িগুলো।
​বর্ষায় যখন দামাল শিলাবতী দুকূল ভাসাত, জলের তোড়ে ভেঙে যেত এই সাঁকোটি।
স্তব্ধ হয়ে যেত জীবনের গতি, ওপারে আটকে থাকত মানুষের দিনলিপি। আবার জল নামলে প্রশাসনের উদ্যোগেই নতুন করে গড়ে তোলা হতো কাঠের এই সাঁকো, সচল হতো জনজীবন।
​সময়ের নিয়মে আজ সেখানে কংক্রিটের সেতু উঠেছে। আন্দোলন, দাবি আর আধুনিকতার ভিড়ে সেই শালকাঠের সাঁকো আজ মহাকালের গর্ভে বিলীন। হয়তো সময়ের দাবি মেনেই সে হারিয়ে গেছে, কিন্তু নদীর জলে আজও যেন প্রতিধ্বনিত হয় তার কাঠফাটা রোদে দাঁড়িয়ে থাকা শক্ত শালখুঁটিগুলোর স্মৃতি আর মানুষের আবেগের স্পর্শ।
​কংক্রিটের স্থায়িত্ব হয়তো হিসেবের খাতায় মাপা যায়, কিন্তু মাটির সাথে কাঠের সেই পরম আত্মীয়তা আজও শিলাবতীর বুকে স্মৃতির জলছবি হয়ে রয়ে গেছে।

18/09/2026

ভাদু পরব ২০২৬

৩৬৯ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির ও এক হারিয়ে যাওয়া বিদ্যাপীঠ: শুনিয়াকোনের স্মৃতিতে ‘টোল’ সংস্কৃতি​আমি এক্সপ্লোরার সৌরভ দাস। ...
16/09/2026

৩৬৯ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির ও এক হারিয়ে যাওয়া বিদ্যাপীঠ: শুনিয়াকোনের স্মৃতিতে ‘টোল’ সংস্কৃতি
​আমি এক্সপ্লোরার সৌরভ দাস। আমি একজন আঞ্চলিক ইতিহাস অনুরাগী ও অনুসন্ধানকারী।
মাটির গন্ধ আর শেকড়ের টানে আজ এসে দাঁড়িয়েছি শুনিয়াকোন গ্রামে। উদ্দেশ্য ছিল কেবল প্রাচীন এক শিব মন্দিরের দর্শন। কিন্তু এই মাটির কাছাকাছি এসে ইতিহাসের ধুলো ঝাড়তেই চোখের সামনে উন্মোচিত হলো মধ্যযুগীয় বাংলার এক বিস্মৃত অধ্যায়—যেখানে জড়িয়ে আছে প্রায় ৩৬৯ বছরের প্রাচীন এক শিব মন্দির এবং হারিয়ে যাওয়া সনাতন উচ্চশিক্ষার এক পুণ্যপীঠ।
​আজকের দিনে আমরা যাকে প্রাথমিক পাঠশালা বা আধুনিক স্কুল বলি, তার প্রসারের বহু আগেই বাংলার ঘরে ঘরে জ্ঞানের আলো ছড়াত ‘টোল’ বা গুরুগৃহভিত্তিক বিদ্যাপীঠ। সাধারণ পাঠশালায় যেখানে কেবল বর্ণপরিচয় আর শুভঙ্করের আর্যার মতো প্রাথমিক হিসাব শেখানো হতো, সেখানে টোল ছিল প্রকৃত শাস্ত্রীয় উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র। বিনামূল্যে বেদমন্ত্র পাঠ, উপনিষদ, পাণিনির ব্যাকরণ, স্মৃতিশাস্ত্র আর দর্শনের গভীর চর্চা হতো এই আঙিনায়।
শিক্ষক ছিলেন পূজনীয় ‘পণ্ডিত’ বা ‘অধ্যাপক’, আর শিষ্যরা গুরুর আশ্রমে থেকেই চরিত্র গঠন ও শাস্ত্রীয় জ্ঞানের পাঠ নিতেন। রাজা ও স্থানীয় গুণীজনদের ভূমিদান আর ব্রহ্মোত্তর সহায়তায় চলত এই শিক্ষালয়গুলো।
​হুমগড় চাঁদাবিলা হাই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক স্বর্গীয় ফণীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের বাসস্থানের ঠিক পাশেই সগর্বে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাচীন শিব মন্দিরটি সেই সোনালী দিনেরই নীরব সাক্ষী।
আনুমানিক ৩৬৯ বছর আগে, যখন এই চত্বরে গুরু-শিষ্যের কণ্ঠে গম্ভীর বেদমন্ত্র ধ্বনিত হতো, ঠিক সেই যুগেই নির্মিত হয়েছিল এই মন্দিরটি।
​ব্রিটিশ আমলে আধুনিক শিক্ষার বিস্তার আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে কালক্রমে বাংলার বুক থেকে হারিয়ে যেতে থাকে এই টোল ব্যবস্থা।
শুনিয়াকোনের এই ঐতিহ্যবাহী টোলটিও প্রায় ১০০ বছর আগে কালের গর্ভে স্তব্ধ হয়ে যায়।
​তবে বিদ্যার প্রদীপটি এখানে পুরোপুরি নিভে যায়নি। পরবর্তীকালে হুমগড় চাঁদাবিলা হাই স্কুলের শিক্ষক স্বর্গীয় ফণীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য মহাশয় এই চত্বরেই পরম স্নেহে এলাকার ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করাতেন।
মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালের সেই স্মৃতিবিজড়িত বিদ্যাপীঠের নিদর্শন প্রায় ১৩ বছর আগেও দৃশ্যমান ছিল। আজ সেই মাটির ঘরটি পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেলেও শিক্ষকের উত্তরসূরি ও বংশধররা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে এই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণটি আগলে রেখেছেন।
​কালক্রমে মন্দিরটির পুনর্নির্মাণ হলেও প্রাচীন সেই টোলের বেদধ্বনি আজ বাতাসে মিলিয়ে গেছে।
তবু শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে আছে এখানকার লোকসংস্কৃতি ও ভক্তিধারা। মন্দিরে আজও নিত্য পূজা হয়, আর প্রতি বৈশাখ সংক্রান্তিতে 'আবাল গাজন'-এর ঢাকের বোলে এই চত্বর যেন ফিরে পায় তার ৩ শতকের পুরনো প্রাণ।
​আমাদের চারপাশেই মাটির সঙ্গে মিশে রয়েছে এমন বহু অমূল্য ইতিহাস। সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাওয়ার আগেই সেই শেকড়কে চেনা এবং সম্মান জানানোই হোক আমাদের দায়িত্ব।
​তথ্য সূত্র ও বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার:
১:- বিবেকানন্দ মন্ডল (আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক)
২:- গৌতম ভট্টাচার্য (যাঁদের পূর্বপুরুষদের উদ্যোগে এই ঐতিহ্যবাহী টোল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেই পরিবারেরই সুযোগ্য বংশধর)
৩:- বাবুলু ব্যানার্জী (এলাকার সুনামধন্য পূজারী)
৪:- অঞ্জন মন্ডল (গ্রামবাসী)

আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ রোমাঞ্চকর ভ্রমণ কাহিনী: সিমলিপালের সেই অভিশপ্ত কালরাত্রির বাকি অংশ...​জীবনের প্রথমবার ফেসবুকে নি...
16/09/2026

আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ রোমাঞ্চকর ভ্রমণ কাহিনী: সিমলিপালের সেই অভিশপ্ত কালরাত্রির বাকি অংশ...
​জীবনের প্রথমবার ফেসবুকে নিজের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা ও গভীর রোমাঞ্চের গল্পটা তুলে ধরার সাহস করেছিলাম। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষের এই সরল লেখাকে আপনারা যেভাবে আপন করে নিলেন, তা আমার কল্পনার অতীত! মাত্র কয়েক দিনে ২২৭k-এর বেশি দর্শক বন্ধু লেখাটি পড়েছেন, ১.৯k মানুষ ভালোবাসা জানিয়েছেন, ১০৯ জন শেয়ার করেছেন এবং ৪৩৮ জন মানুষ তাঁদের অনুভূতি ও পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা জানিয়েছেন। আপনাদের এই ভালোবাসা আমার জীবনের সেরা উপহার।
​অনেকেই জানতে চেয়েছেন—সেদিন রাতে কেন বিনয়দা আর সৌরভ দা মেকানিক বা বনদপ্তরের উদ্ধারকারী দল নিয়ে আমাদের কাছে পৌঁছাতে পারলেন না? আমরা তখন গভীর কোর এরিয়ার অন্ধকারে আটকে, আর উনারা ছিলেন জঙ্গলের বাইরে বনদপ্তরের কাছে। মেকানিক বা রেসকিউ টিম আনতে গিয়ে বাইরে উনাদের সাথে ঠিক কী ঘটেছিল, তা উনারাই সবচেয়ে ভালো জানেন। তাই উনাদের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলে, ঘটনার সঠিক সত্যতা জেনে পুরো বিষয়টি কলমে ফুটিয়ে তুলতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হচ্ছে।
​পাশাপাশি, আমাদের 'বগড়ি দর্পণ' পত্রিকার আসন্ন শারদ সংখ্যা প্রকাশের অন্তিম মুহূর্তের সম্পাদনা, পাণ্ডুলিপি বাছাই, ডিটিপি ও প্রেসের চূড়ান্ত ব্যস্ততায় দিন-রাত এক হয়ে যাচ্ছে।
​তবে কথা দিচ্ছি, আপনাদের নিরাশ করব না। মহালয়ার আগেই সেই রুদ্ধশ্বাস রাতের বাকি অংশ আপনাদের সামনে তুলে ধরব। পাশে থাকুন, খুব শীঘ্রই দেখা হচ্ছে পরবর্তী পর্বে!

12/09/2026

এটাই কি মহাভারতের অস্ত্র লুকানো সেই রহস্যময় শমি গাছ? দেখুন বিরল এই উদ্ভিদের আসল ইতিহাস! 🏹

বলুন তো দর্শক বন্ধুরা, ছবিতে দেখা অপূর্ব দ্বি-রঙা ফুলটি আসলে কী ফুল এবং এটি কোন বৃক্ষ?যারা জানেন, দ্রুত কমেন্টে জানিয়ে ...
12/09/2026

বলুন তো দর্শক বন্ধুরা, ছবিতে দেখা অপূর্ব দ্বি-রঙা ফুলটি আসলে কী ফুল এবং এটি কোন বৃক্ষ?
যারা জানেন, দ্রুত কমেন্টে জানিয়ে দিন!
মহাভারতের এক রোমাঞ্চকর ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে থাকা এই গাছের আসল সত্য ও তাৎপর্য নিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই আসছে একটি তথ্যসমৃদ্ধ তথ্যচিত্র বা রিলস—চোখ রাখুন।

Address

Midnapur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EXPLORERSOURAVDAS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share