CineWays

CineWays Traveler and Content Creator.
(1)

27/10/2023

ব্যাচেলার ছেলেদের অফিস যাওয়ার আগে Expectations 😅😂

04/10/2023

বৃষ্টিস্নাত ঝাড়গ্রামের প্রবেশদ্বার 😍😍

08/07/2023

জঙ্গলমহলের ইতিকথা 🌱🌱
Nayagram, Jhargram

গ্রামছাড়া ওই রাঙা মাটির পথআমার মন ভুলায় রে।।       For various types of updates about Jangalmahal please 🖇️Like & follow...
18/06/2023

গ্রামছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ
আমার মন ভুলায় রে।।



For various types of updates about Jangalmahal please 🖇️
Like & follow our page 👉 Jangalmahal
Join our group👉 Jangalmahal - Tourist Destination

Jangalmahal
15/06/2023

Jangalmahal

বৃষ্টিস্নাত জঙ্গলমহলের সবুজ সকাল🌱🌱      For various types of updates about Jangalmahal please 🖇️Like & follow our page 👉...
14/06/2023

বৃষ্টিস্নাত জঙ্গলমহলের সবুজ সকাল🌱🌱



For various types of updates about Jangalmahal please 🖇️
Like & follow our page 👉 Jangalmahal
Join our group👉 Jangalmahal - Tourist Destination

মহুল ফুলের ইতিকথা -"মহুল ফুল" বা "মহুয়া ফুল" জঙ্গলমহলের গ্রীষ্মকালীন এক অনন্য সম্পদ। গ্রীষ্মের শাল, পলাশ এর দখিনা হাওয়...
29/04/2023

মহুল ফুলের ইতিকথা -

"মহুল ফুল" বা "মহুয়া ফুল" জঙ্গলমহলের গ্রীষ্মকালীন এক অনন্য সম্পদ। গ্রীষ্মের শাল, পলাশ এর দখিনা হাওয়ায় মহুলের অপরূপ সুবাসে মুখরিত হয়ে ওঠে জঙ্গলমহল।
বিজ্ঞানসম্মত নাম Madhuca longifolia অথবা Madhuka indica.
চৈত্রের তীব্র দাবদাহের মধ্যেও এই ফুল বেশ রসালো হয় আর স্বাদে অম্লমধুর।
জঙ্গলমহলে সকাল হতে না হতেই মহুল ফুল কুড়োনোর ব্যস্ততা দেখা যায়। দূর থেকে মনে হয় ঘাসবনে কেউ যেন মুক্তো কুড়োচ্ছে। এই রুক্ষ আবহাওয়ায় যেহেতু জঙ্গলমহলে তেমন চাষ আবাদ হয় না তাই এই মহুল ফুল-ই প্রান্তিক মানুষগুলোর জীবন-জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হয় ওঠে, যা সত্যিই ওনাদের কাছে মুক্তোর সমান।
ঝুড়িতে মহুল কুড়িয়ে বাড়ি ফেরে মা বোনেরা, এরপর রোদে দেবার পালা। রোদে শুকিয়ে গেলে এরা ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে, এই দ্রব্যমূল্যের বাজারে যা নিতান্তই কম। সরকারীভাবে কোন মূল্য নির্ধারণ না করার কারণে লাভবান হন ব্যবসায়ীরা। তবে অসময়ে বিক্রি করলে একটূ বেশি দাম পাওয়া যায়।

মহুল ফুলে প্রচুর পরিমাণে সুগার, মিনারেল ও ভিটামিন থাকে। এই ফুলের নির্যাস থেকে এক বিশেষ ধরনের অ্যালকোহল সমৃদ্ধ পানীয় বানানো হয়ে থাকে। যা ট্রাইবাল জনগোষ্ঠীর অন্যতম এক পানীয়।

এছাড়া এর ফল কাঁচা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া হয়। পরিপক্ক অবস্থায় এই ফলের বীজ থেকে তেল প্রস্তুত করা হয় যা স্থানীয়ভাবে 'কচড়া তেল' নামে প্রসিদ্ধ।
আগেকার দিনে আদিবাসী মায়েরা এই তেল ব্যবহার করে রান্না করত তবে এখন আর তেমন ব্যবহৃত হয় না।

এই কচড়া তেলের ভেষজ গুণ অপরিসীম। এই তেল জয়েন্টের ব্যাথা, মাথা ব্যথা, সর্দিকাশি ও কৃমি নিরাময়ে উপসমদায়ক। এছাড়াও ক্ষত নিরাময়ে ও কীট-পতঙ্গ কামড়ালে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এছাড়াও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আচার অনুষ্ঠানে এই মহুল গাছের উপস্থিতি মঙ্গলজনক মনে করা হয়। ওনাদের বিয়েবাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই গাছ ভগবান রূপে পূজিত হয়ে থাকে।
এই গাছ জঙ্গলমহলের জনজীবনে মাতৃসম।।

Jangalmahal

13/05/2022

গ্রাম বাংলায় পুকুরে বৃষ্টি পড়ার এক নৈসর্গিক সৌন্দর্য 😍😍

বালিযাত্রা মেলা/ছাতু মেলা -সুবর্ণরেখার তীরে ঝাড়খণ্ড-পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার সীমানায় বিশাল এলাকা জুড়ে চৈত্র সংক্রান্তির...
14/04/2022

বালিযাত্রা মেলা/ছাতু মেলা -

সুবর্ণরেখার তীরে ঝাড়খণ্ড-পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার সীমানায় বিশাল এলাকা জুড়ে চৈত্র সংক্রান্তির দিনে বসে বালিযাত্রা মেলা।
খুব সাধারণ উপকরণ। ছাতু। সেটাই উৎসর্গ করা হয় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে। দলে দলে লোক এসে উপস্থিত হন সুবর্ণরেখার তীরে। পিতৃপুরুষকে স্মরণের এই রীতি উপলক্ষে নদীর তীরে বসে মেলাও। এই রীতি বালিযাত্রা নামে পরিচিত।
লোকসংস্কৃতির গবেষক মধুপ দে'র লেখা থেকে জানা যায়, বালিযাত্রা মেলা শুধু সুবর্ণরেখা নদীর তীরেই অনুষ্ঠিত হয়। সুবর্ণরেখা নদী পশ্চিমে যেখানে ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলায় ঢুকেছে সেখানে করবনিয়া গ্রামের কাছে মূল বালিযাত্রা মেলাটি বসে। কিন্তু, সুবর্ণরেখা নদী পূর্বে যেখানে বাংলা থেকে ওড়িশায় ঢুকেছে সেই সব স্থান থেকে ৬০-৬২ কিলোমিটার দূরে করবনিয়ার মূল বালিযাত্রার স্থানে সকলে আসতে পারেন না বলে নদীর তীরে নানা স্থানে ছোট ছোট বালিযাত্রা মেলা হয়। দাঁতনের গরদপুর, সোনাকানিয়া এবং বেলমূলাতে, কেশিয়াড়ির ভসরাঘাটে এবং ওড়িশার জলেশ্বরের রাজঘাট ও মাকড়িয়ায় সুবর্ণরেখা নদীর তীরে চৈত্র সংক্রান্তির দিনেই বালিযাত্রা মেলা বসে।

বালিযাত্রা তথা সুবর্ণরেখা নদীর সাথে মহাভারতের যোগ রয়েছে বলে লোকবিশ্বাস। বিশ্বাস অনুযায়ী পাণ্ডবেরা বারো বছর বনবাস কাটিয়ে অজ্ঞাতবাসের জন্য এসেছিলেন ‘সোনারেখা’ বা সুবর্ণরেখা নদীর তীরে। সেটি ছোটনাগপুর মালভূমি এলাকার গভীর অরণ্যে। অজ্ঞাতবাসের শেষে চৈত্র সংক্রান্তির দিনে যুধিষ্ঠির বাৎসরিক পিতৃশ্রাদ্ধের ইচ্ছে প্রকাশ করেন। কিন্তু, তার জন্য প্রয়োজন উত্তরবাহিনী গঙ্গা। তিনি তখন সুবর্ণরেখার অববাহিকা অঞ্চলে বাস করেন। সাহায্যে এগিয়ে এলেন অর্জুন। তিনি মাটিতে তির ছুড়লে মাটির নীচ থেকে মন্দাকিনীর ধারা এসে মিলিত হল সুবর্ণরেখায়। সুবর্ণরেখা হয়ে গেল উত্তরবাহিনী গঙ্গা। যুধিষ্ঠির নদীর তীরে বালির চরে বসে ছাতু দিয়ে পিতৃশ্রাদ্ধ করলেন। স্থানীয় বিশ্বাস, আজও এই অঞ্চলে সুবর্ণরেখা নদীর উভয় তীরে পাণ্ডবদের পিতৃশ্রাদ্ধের স্মরণে চৈত্র সংক্রান্তির দিনে অনুষ্ঠিত হয় বালিযাত্রা মেলা।
এসময় সুবর্ণরেখার তীর হয়ে ওঠে আদিবাসী-অআদিবাসী সকল মানুষেরই মিলন মেলা।

তথ্যসূত্রঃ "বর্ণময়ী সুরর্ণরেখা"- সুদর্শন নন্দী

মহুল ফুলের ইতিকথা -"মহুল ফুল" বা "মহুয়া ফুল" জঙ্গলমহলের গ্রীষ্মকালীন এক অনন্য সম্পদ। গ্রীষ্মের শাল, পলাশ এর দখিনা হাওয়...
06/04/2022

মহুল ফুলের ইতিকথা -

"মহুল ফুল" বা "মহুয়া ফুল" জঙ্গলমহলের গ্রীষ্মকালীন এক অনন্য সম্পদ। গ্রীষ্মের শাল, পলাশ এর দখিনা হাওয়ায় মহুলের অপরূপ সুভাষে মুখরিত হয়ে ওঠে জঙ্গলমহল।
বিজ্ঞানসম্মত নাম Madhuca longifolia অথবা Madhuka indica.
চৈত্রের তীব্র দাবদাহের মধ্যেও এই ফুল বেশ রসালো হয় আর স্বাদে অম্লমধুর।
জঙ্গলমহলে সকাল হতে না হতেই মহুল ফুল কুড়োনোর ব্যস্ততা দেখা যায়। দূর থেকে মনে হয় ঘাসবনে কেউ যেন মুক্তো কুড়োচ্ছে। এই রুক্ষ আবহাওয়ায় যেহেতু জঙ্গলমহলে তেমন চাষ আবাদ হয় না তাই এই মহুল ফুল-ই প্রান্তিক মানুষগুলোর জীবন-জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হয় ওঠে, যা সত্যিই ওনাদের কাছে মুক্তোর সমান।
ঝুড়িতে মহুল কুড়িয়ে বাড়ি ফেরে মা বোনেরা, এরপর রোদে দেবার পালা। রোদে শুকিয়ে গেলে এরা ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে, এই দ্রব্যমূল্যের বাজারে যা নিতান্তই কম। সরকারীভাবে কোন মূল্য নির্ধারণ না করার কারণে লাভবান হন ব্যবসায়ীরা। তবে অসময়ে বিক্রি করলে একটূ বেশি দাম পাওয়া যায়।

মহুল ফুলে প্রচুর পরিমাণে সুগার, মিনারেল ও ভিটামিন থাকে। এই ফুলের নির্যাস থেকে এক বিশেষ ধরনের অ্যালকোহল সমৃদ্ধ পানীয় বানানো হয়ে থাকে। যা ট্রাইবাল জনগোষ্ঠীর অন্যতম এক পানীয়।
এছাড়া এর ফল কাঁচা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া হয়। পরিপক্ক অবস্থায় এই ফলের বীজ থেকে তেল প্রস্তুত করা হয় যা স্থানীয়ভাবে 'কচড়া তেল' নামে প্রসিদ্ধ।
আগেকার দিনে আদিবাসী মায়েরা এই তেল ব্যবহার করে রান্না করত তবে এখন আর তেমন ব্যবহৃত হয় না।

এই কচড়া তেলের ভেষজ গুণ অপরিসীম। এই তেল জয়েন্টের ব্যাথা, মাথা ব্যথা, সর্দিকাশি ও কৃমি নিরাময়ে উপসমদায়ক। এছাড়াও ক্ষত নিরাময়ে ও কীট-পতঙ্গ কামড়ালে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এছাড়াও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আচার অনুষ্ঠানে এই মহুল গাছের উপস্থিতি মঙ্গলজনক মনে করা হয়। ওনাদের বিয়েবাড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই গাছ ভগবান রূপে পূজিত হয়ে থাকে।
এই গাছ জঙ্গলমহলের জনজীবনে মাতৃসম।।
#মহুল #মহুয়া #মোল

জঙ্গলকন্যা -প্রকৃতি যেমন ভাবে তার রূপ, রস, গন্ধে নিজেকে ভরিয়ে তোলে তেমন ভাবেই ভরিয়ে তুলেছিল এই জঙ্গলমহলকে কিন্তু কিছু ...
02/04/2022

জঙ্গলকন্যা -
প্রকৃতি যেমন ভাবে তার রূপ, রস, গন্ধে নিজেকে ভরিয়ে তোলে তেমন ভাবেই ভরিয়ে তুলেছিল এই জঙ্গলমহলকে কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য প্রকৃতির ওপর অবিরত অত্যাচার করে চলেছে।

অন্যায় ভাবে একের পর এক বৃক্ষছেদন, বনাঞ্চলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া ফলস্বরূপ বনানী আজ ক্রমাগত সংকুচিত।
আর তার মাশুল গুনতে হচ্ছে জঙ্গলের সাধারণ মানুষকে। শিশুরা তাদের শৈশবকে হারাচ্ছে, বাবা মা হারাচ্ছে তাদের জীবিকা, বন্যদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে চরম খাদ্য সংকট, বাধ্য হচ্ছে লোকালয়ে চলে আসতে, ফলে প্রান দিতে যে কাউকে।

সরকারীভাবে ট্রাইবাল অধ্যুষিত জনসাধারণের জন্য ও বনাঞ্চল সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থাকলেও তার অধিকাংশই মুষ্টিমেয় স্বার্থান্বেষীদের দখলে।
ফলে ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্য ও কম্পিউটার প্রযুক্তির যুগে ট্রাইবাল অধ্যুষিত পরিবার ও তাদের ছেলেমেয়েরা আজ চরম সংকটে ।।

Address

Hospital Road, Medinipur
Midnapur

Telephone

+918777372404

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CineWays posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share