17/05/2026
ভাইপো, ভাইপো, ভাইপো!!!
সুভেন্দুর টার্গেট শুধুই ভাইপো! মনে আছে এই ভাইপোর ভয়ে তৃণমূল ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছিল, এক সন্ত্রাসবাদী দলের কাছে। এই ভাইপোর বিরুদ্ধেই ওর যত রাগ, ক্ষোভ, রাজনৈতিক কর্মকান্ড। প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ভাইপোর পিছনে ED, CBI . তারপর তারপর তার পরিবার কে নিয়ে টানাটানি। এমনকি প্রাণ নাশের চেষ্টা!
বিজেপি রাজ্য দখলের খিদে নিয়ে ঘুরছিলোই কিন্ত সুভেন্দুর ছিল মুখ্যমন্ত্রী হবার স্বপ্ন। বিজেপি তৃণমূল বিরোধী হবে এটা স্বাভাবিক। কিন্ত, সুভেন্দু যতনা তৃণমূল বা মমতা বিরোধী তার থেকেও কয়েক গুণ ভাইপোর বিরোধী।
তাই, অসৎ উপায়ে ক্ষমতা দখলের সাথে সাথেই প্রথম পদক্ষেপ, যারা তৃণমূলে মধ্যে ধান্দাবাজ, যারা তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন ক্ষমতার মধু পান করতে এসেছিল, তাদের দিয়ে ভাইপোর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করিয়ে তৃণমূলের সাধারণ কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে অভিষেক এর রাজনৈতিক কেরিয়ার ক্ষতি করা। তার পর সমস্ত রকম নিরাপত্তা সরিয়ে একা করে দেওয়া যাতে যেকোন সময় যেমন খুশি আঘাত আনা সম্ভব হয়। এরপর হয়তো, বিভিন্ন মিথ্যা কেস সাজিয়ে জেলে ভরতেও পারে!
অভিষেক এর অন্যায় কি ? অভিষেক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো। সে থাকলে রাজনৈতিক ভাবে লড়াই বা লুটে পুটে খাওয়াটা হবেনা।
কেন রে ভাই, তোর বাপও তো রাজনৈতিক লোক, তার কেরিয়ার ব্যবহার করে একটি নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করে লড়াই করে ক্ষমতা দখল করে দেখাতি। সেটা তো সম্ভব নয়! সেই দক্ষতা নেই। যাদের লুটেপুটে খাবার নেশা তারা সবসময়ই অন্যের ক্ষমতায় বলবান থাকে।
যদিও এই ক্ষোভ সুভেন্দুর থেকে শুরু নয়। বহু বছর আগের কথা, এক সাক্ষাৎকারে শিশুর বাবু বলেছিলেন, মমতার একার চেষ্টায় ক্ষমতায় এসেছে নাকি! আমারও অনেক অবদান আছে। তখন তৃণমূল ক্ষমতায়। হ্যাঁ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একার চেষ্টায় রাজ্য পরিবর্তন হয়নি। কিন্ত, মমতা কে কেন্দ্র করেই সমস্ত আন্দোলন ছিল। মমতাই মানুষের শক্তি ছিল, আজও আছে।
যাইহোক, অভিষেক এর বিরুদ্ধে যতই চক্রান্ত হোক, প্রাণে না মারলে অভিষেক আবারও উঠে দাঁড়াবে, অভিষেক ই হবে রাজ্যের ভবিষ্যত মুখ্যমন্ত্রী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সাধারণ মানুষের মন দখল করে আছেন, তাকে সরানো কখনোই সম্ভব নয়, যতই কুৎসা, অপপ্রচার হোক। সেই অনুপ্রেরণায় অভিষেক ফিরবে, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপযুক্ত উত্তরসূরী হবে।