Abdul Aziz Qadri

Abdul Aziz Qadri “নিচু মনের মানুষের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য।”– হযরত আলী (রাঃ)

সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা দেখলো,কেউ বাধনটা খুলে দিতে এগিয়ে এলো না। মানুষ এত নিষ্ঠুর হয় কিভাবে?
13/04/2026

সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা দেখলো,কেউ বাধনটা খুলে দিতে এগিয়ে এলো না। মানুষ এত নিষ্ঠুর হয় কিভাবে?

✅🎉
13/04/2026

✅🎉

12/04/2026

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘শেষ যামানায় কিছু সংখ্যক মিথ্যাবাদী দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। তারা তোমাদের নিকট এমন সব অলীক কথা-বার্তা উপস্থিত করবে, যা না তোমরা শুনেছ না তোমাদের বাপ-দাদা শুনেছে। সাবধান! তোমরা তাদের থেকে বেঁচে থাকো এবং তাদেরকে তোমাদের থেকে বাঁচাও। অর্থাৎ সম্পূর্ণরূপে বিরত থাক। যাতে তোমাদের পথভ্রষ্ট করতে না পারে এবং তোমাদের বিপথগামী করতে না পারে’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১৫৪)।

_____কেন সন্দেহ করছে মানুষ?_____ কেউ যদি একটি অসহায় শিশুকে রাস্তা থেকে তুলে এনে তাকে সম্মানজনক জীবন দেয়—এটা মানবতার সব...
09/04/2026

_____কেন সন্দেহ করছে মানুষ?_____
কেউ যদি একটি অসহায় শিশুকে রাস্তা থেকে তুলে এনে তাকে সম্মানজনক জীবন দেয়—এটা মানবতার সবচেয়ে সুন্দর উদাহরণ।
আমাদের সমাজে ভালো কাজের চেয়ে সন্দেহের চোখ অনেক দ্রুত চলে আসে, যা সত্যিই দুঃখজনক।
একটি শিশুর প্রতি স্নেহ, দায়িত্ব আর ভালোবাসাকে নোংরা দৃষ্টিতে দেখা আমাদের মানসিকতার দুর্বলতা। অনেক মানুষ বলছে এখনো অপেক্ষা করতে হবে ৫ বছর, কে বলছে এই লোকের উদ্দেশ্য কি বোঝা যাবে কিছুদিন পর, ইত্যাদি নানান সন্দেহজনক কথা বলছে।
সমাজ বদলাতে হলে আগে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।
ভালোকে ভালো বলার সাহস রাখুন, তাহলেই মানবতা বেঁচে থাকবে।

কেউ যদি রাস্তা থেকে কাওকে উঠিয়ে তার জীবনটাকে সুন্দর করে সাজাই, তাহলে এটি অনেক নেকির কাজ। বাস্তব প্রমাণ ছাড়া কাউকে সন্দেহ করা অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ ।

#শিক্ষামূলক

✅📚
09/04/2026

✅📚

✅✅✅
09/04/2026

✅✅✅

ইসলামী মত অনুযায়ী "হালাল ব্যবসার" A-Z গাইড ।
08/04/2026

ইসলামী মত অনুযায়ী "হালাল ব্যবসার" A-Z গাইড ।

08/04/2026

ইরানের জয় 😊

08/04/2026

রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ মুওয়ায্‌যিন যখন আযান দেয় তখন শাইতান পিছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যায়। (মুসলিম ৭৪৩)

06/04/2026

নাবী কারীম (সাঃ) বলেনঃ অতি ঝগড়াটে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ব্যক্তি। (তিরমিযী: ২৯৭২)

এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাঁটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে একটি পান...
05/04/2026

এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাঁটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে একটি পানিহীন কুয়া দেখতে পেলেন। তিনি চোখ বন্ধ করে দিলেন ঝাঁপ। পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখে তা খপ করে ধরে ফেললেন এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলেন। উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নিচে চেয়ে দেখলেন বিশাল এক সাপ তার নিচে নামার অপেক্ষায় চেয়ে আছে। বিপদের উপর আরো বিপদ হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর একটি কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে চাইছে। এমন হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন তিনি বুঝতে পারছিলেন না, তখন হঠাৎ তার সামনে কুয়ার সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক দেখতে পেলেন। তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে আঙ্গুল ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন। সেই মধুর মিষ্টতা এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু মুহূর্তের জন্য উপরের গর্জনরত সিংহ, নিচের হাঁ করে থাকা সাপ, আর দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের কথা ভূলে গেলেন। ফলে তার বিপদ অবিশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো।

ইমাম গাজ্জালী এই গল্পের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেনঃ
ණ এই সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু, যে সর্বক্ষণ
আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
ණ সেই সাপটি হচ্ছে কবর। যা আমাদের অপেক্ষায় আছে।
ණ দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন, যাকে আশ্রয় করেই বেঁচে থাকা।
ණ সাদা ইঁদুর হল দিন, আর কালো ইঁদুর হল রাত, যারা প্রতিনিয়ত ধীরে ধীরে আমাদের জীবনের আয়ু কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
ණ আর সেই মৌচাক হল দুনিয়া। যার সামান্য মিষ্টতা পরখ করে দেখতে গেলেও আমাদের এই চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের কথা ভূলে যাওয়াটা বাধ্য।

মৃত্যুশয্যায় শায়িত ছিলেন বিশ্বজয়ী সম্রাট আলেকজান্ডার। যে মানুষটি জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন বিজয়ের নেশায়, অসংখ্য দেশ জ...
04/04/2026

মৃত্যুশয্যায় শায়িত ছিলেন বিশ্বজয়ী সম্রাট আলেকজান্ডার। যে মানুষটি জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন বিজয়ের নেশায়, অসংখ্য দেশ জয়ের গৌরবে, আজ তিনি নীরব—মৃত্যুর অনিবার্য সত্যের সামনে দাঁড়িয়ে।

শেষ মুহূর্ত ঘনিয়ে এলে তিনি তাঁর বিশ্বস্ত সেনাপতিদের ডেকে পাঠালেন। সবাই যখন তাঁর শয্যার পাশে জড়ো হলো, তিনি ধীর কণ্ঠে বললেন, “আমার মৃত্যুর পর তোমরা আমার তিনটি ইচ্ছা পূরণ করবে।”

সেনাপতিরা বিস্মিত দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলেন। আলেকজান্ডার বলতে শুরু করলেন—

“আমার প্রথম ইচ্ছা—আমার কফিন বহন করবে শুধু আমার চিকিৎসকেরা।”

“দ্বিতীয় ইচ্ছা—আমার কফিন যে পথ দিয়ে কবরস্থানে যাবে, সেই পথে আমার অর্জিত সোনা-রূপা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।”

“আর তৃতীয় ইচ্ছা—আমার কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলে থাকবে।”

এই অদ্ভুত ইচ্ছাগুলো শুনে সেনাপতিরা আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। তাদের একজন বিনীতভাবে জিজ্ঞেস করল, “হে সম্রাট, আপনি এমন বিচিত্র ইচ্ছা কেন প্রকাশ করছেন?”

আলেকজান্ডার গভীর একটি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তাঁর চোখে তখন যেন জীবনের সমস্ত অভিজ্ঞতার প্রতিফলন।

তিনি বললেন, “আমি দুনিয়ার মানুষের জন্য তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।”

“প্রথমত, আমি চাই আমার চিকিৎসকেরা আমার কফিন বহন করুক—যাতে মানুষ বুঝতে পারে, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ চিকিৎসকরাও মৃত্যুকে থামাতে পারে না। তারা যতই দক্ষ হোক, মৃত্যুর সামনে তারা অসহায়।”

“দ্বিতীয়ত, আমি চাই আমার সোনা-রূপা পথে ছড়িয়ে দেওয়া হোক—যাতে মানুষ উপলব্ধি করে, জীবনের সমস্ত ধন-সম্পদ, যার জন্য আমরা সারাটা জীবন ব্যয় করি, তার একটুকুও মৃত্যুর পরে সঙ্গে নেওয়া যায় না। সবই এখানে পড়ে থাকে, আর মানুষ খালি হাতেই চলে যায়।”

“আর তৃতীয়ত, আমার হাত দুটো কফিনের বাইরে রাখার কারণ—মানুষ যেন দেখে, এই পৃথিবীতে আমি এসেছিলাম খালি হাতে, আর চলে যাচ্ছি তেমনি খালি হাতেই।”

কথাগুলো বলে তিনি নীরব হয়ে গেলেন। ঘরে গভীর স্তব্ধতা নেমে এলো। তাঁর সেনাপতিরা তখন বুঝতে পারলেন—একজন বিজেতার জীবনের শেষ শিক্ষাই সবচেয়ে বড় সত্য।

এই গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ক্ষমতা, সম্পদ, অহংকার—সবই ক্ষণস্থায়ী। শেষ পর্যন্ত মানুষের সঙ্গে থাকে না কিছুই, শুধু তার কর্ম ও সত্যের উপলব্ধি।

Address

Murshidabad
742123

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdul Aziz Qadri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abdul Aziz Qadri:

Share