ABR On Screen

ABR On Screen Vlogging And Blogging Only

ভারতবর্ষে মহাভারতের একটি শ্লোক ভুল পড়ানো হয়, কিন্তু কেন ভুল পড়ানো হয়???"অহিংসা পরম ধর্ম"।এটি একটি অসম্পূর্ণ শ্লোক। এই শ্...
30/05/2026

ভারতবর্ষে মহাভারতের একটি শ্লোক ভুল
পড়ানো হয়, কিন্তু কেন ভুল পড়ানো হয়???

"অহিংসা পরম ধর্ম"।

এটি একটি অসম্পূর্ণ শ্লোক। এই শ্লোকটির
অর্ধেক অংশ বাদ দিয়েছিলেন গান্ধীজী।

আসল পূর্ন শ্লোকটি হল-

"অহিংসা পরম ধর্ম"
ধর্মহিংসা তদৈব চ ।

-অর্থাৎ অহিংসা মনুষ্য জীবনের পরম ধর্ম, এবং
ধর্ম রক্ষার স্বার্থে হিংসা করা তার চেয়েও শ্রেষ্ঠ।

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী শুধু এই শ্লোকটাই
নয়, সনাতন ধর্মের একটি প্রসিদ্ধ ভজনকেও
পাল্টে দিয়েছিলেন।

"রঘুপতি রাঘব রাজারাম" এই ভজনটির আসল নাম ছিল "রাম ধুন", যা খুবই প্রসিদ্ধ ভজন ছিল যেটাকে গান্ধীজী বদলে দিয়ে "আল্লাহ" যুক্ত করে দিয়েছিলেন।

▶️গান্ধীজীর দ্বারা পরিবর্তিত ভজনটি হল-

রঘুপতি রাঘব রাজা রাম
পতিত পাবন সীতারাম ।
সীতারাম সীতারাম,
ভজ প্যারে তু সীতারাম
ঈশ্বর আল্লাহ তেরে নাম
সবকো সুমতি দে ভগবান ।

✅কিন্তু আসল রামধুন ভজনটি হল-

রঘুপতি রাঘব রাজারাম
পতিত পাবন সীতারাম,
সুন্দর বিগ্রহ মেঘশ্যাম
গঙ্গা তুলসী শালিগ্রাম,
ভদ্র গিরিশ্বর সীতারাম
জগৎ-জনপ্রিয় সীতারাম,
জানকীরমনা সীতারাম
জয় জয় রাঘব সীতারাম।

বড় বড় পন্ডিত বক্তা পর্যন্ত এই ভজনটি ভুল গায়,
আজ অবধি কেউ উনাদের বাধা পর্যন্ত দেননি।

সর্বধর্ম সমন্বয়ের মানসিকতা আপাত মানবিক
হলেও সত্যকে জানা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন।

শ্রী রামচন্দ্রের এই ভজনটির রচয়িতা
হলেন লক্ষ্মনাচার্য, এই ভজনটি বিখ্যাত
হিন্দু গ্রন্থ "শ্রী নমঃ রামনায়নম" থেকে নেওয়া হয়েছে।

সত্য মানুষকে জানানো দরকার তাই সবাই অনেক পরিমাণে শেয়ার করবেন ❤️

বিঃদ্রঃ ইতিহাস কে মুছে ফেলা যায় না কিন্তু কলঙ্কিত করা যায়। সঠিক ইতিহাস জানা খুব জরুরী।
#নেতাজীসুভাষ

Collected

যে যোদ্ধাকে মৃত্যু পর্যন্ত স্পর্শ করতে পারেনি…যার কপালে ছিল অমরত্বের অভিশপ্ত মণি…যে এক রাতে নিজের প্রতিশোধে পুড়িয়ে দিয...
30/05/2026

যে যোদ্ধাকে মৃত্যু পর্যন্ত স্পর্শ করতে পারেনি…
যার কপালে ছিল অমরত্বের অভিশপ্ত মণি…
যে এক রাতে নিজের প্রতিশোধে পুড়িয়ে দিয়েছিল পুরো মানবতা…

আর তারপর…

স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ তাঁর কপাল থেকে ছিঁড়ে নিয়েছিলেন সেই দিব্য মণি।

সেই মুহূর্তে আকাশে গর্জে উঠেছিল বজ্র…
কেঁপে উঠেছিল কুরুক্ষেত্র…
আর এক রুদ্রঅবতার পরিণত হয়েছিল পৃথিবীর সবচেয়ে অভিশপ্ত আত্মায়…

সে ছিল — অশ্বত্থামা।
দ্রোণাচার্যের কঠোর তপস্যার পর স্বয়ং ভগবান শিব তাঁর অংশ, ক্রোধ ও কালের শক্তিকে মিলিয়ে অশ্বত্থামার জন্ম দিয়েছিলেন। তাই তার জন্ম কোনো সাধারণ ঘটনা ছিল না। সে ছিল এক রুদ্রঅবতার। জন্মের সময়ই তার কপালে ছিল এক দিব্য মণি, যা তাকে ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ক্লান্তি এবং সমস্ত অস্ত্র-শস্ত্রের আঘাত থেকে অজেয় করে তুলেছিল।
কিন্তু এক রুদ্রঅবতার হওয়ার পরও শ্রীকৃষ্ণ কেন তাকে অভিশাপ দিয়েছিলেন?
অশ্বত্থামা ছিল কৌরব সেনার সবচেয়ে ভয়ংকর যোদ্ধা। সে ৬৪টি কলা ও ১৮টি বিদ্যায় পারদর্শী ছিল। কিন্তু যখন ছলনার মাধ্যমে তার পিতা দ্রোণাচার্যকে হত্যা করা হলো, তখন তার ভেতরের রুদ্র জেগে উঠল।
সে পাণ্ডবদের ওপর নিক্ষেপ করল নারায়ণাস্ত্র — এমন এক ভয়ংকর অস্ত্র যার কোনো প্রতিকার ছিল না। কেউ যত বেশি প্রতিরোধ করত, সেই অস্ত্র তাকে ততই নির্মমভাবে ভস্ম করে দিত। স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণকেও পাণ্ডবদের অস্ত্র ফেলে দিয়ে সেই অস্ত্রের সামনে মাথা নত করতে বলেছিলেন।
কিন্তু কীভাবে এক রুদ্রঅবতার রাক্ষসে পরিণত হলো?
পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ তাকে অন্ধ করে দিয়েছিল। আর সেই অন্ধ প্রতিশোধেই সে মহাভারতের সবচেয়ে নিকৃষ্ট পাপ করল।
সৌপ্তিক পর্বের সেই অন্ধকার রাতে, ঘুমন্ত অবস্থায় দ্রৌপদীর পাঁচ নিষ্পাপ পুত্রকে নির্মমভাবে হত্যা করল অশ্বত্থামা। কিন্তু পাপের সীমা তখনও শেষ হয়নি। পাণ্ডব বংশকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার জন্য সে অভিমন্যুর স্ত্রী উত্তরার গর্ভে থাকা অনাগত শিশুর ওপর ব্রহ্মাস্ত্র নিক্ষেপ করল।
এক অনাগত শিশুর হত্যা — সৃষ্টির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর পাপগুলোর একটি।
এক নিরপরাধ গর্ভের ওপর এই আঘাত দেখে শান্ত স্বভাবের মাধবের ক্রোধে যেন কেঁপে উঠল সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড।
শ্রীকৃষ্ণ অশ্বত্থামার কপাল থেকে সেই দিব্য মণি ছিঁড়ে নিলেন এবং তাকে দিলেন এমন এক অভিশাপ, যেখানে মৃত্যুও তার কাছে আসতে পারবে না।
“হে অশ্বত্থামা…
তুমি তোমার পাপের বোঝা নিয়ে কলি কাল বছর ধরে এই পৃথিবীতে একা ঘুরে বেড়াবে।
তোমার শরীর থেকে রক্ত ও পুঁজ ঝরবে।
তোমার ক্ষত কোনোদিনও শুকাবে না।
তুমি মৃত্যুর জন্য ভিক্ষা চাইবে…
কিন্তু মৃত্যু তোমার কাছেও আসবে না।”
হাজার হাজার বছর কেটে গেছে…
কিন্তু আজও মধ্যপ্রদেশের অশীরগড় কেল্লার শিবমন্দিরে নাকি প্রতিদিন ভোরে কেউ একজন এসে শিবলিঙ্গে তাজা ফুল অর্পণ করে যায়। নর্মদার জঙ্গলে বহু মানুষ দাবি করেছেন, তারা কপালে ক্ষতচিহ্নযুক্ত এক বিশালদেহী মানুষকে ঘুরে বেড়াতে দেখেছেন।
সে কি সত্যিই অশ্বত্থামা?
নাকি এটি শুধু যুগ যুগ ধরে চলে আসা এক রহস্যময় কিংবদন্তি…!!!

সংগৃহীত।

Collected

🚩 ভারতের নতুন সংসদে স্থাপিত সেঙ্গোল শুধু রাজদণ্ড নয় — এটি শিববাহন নন্দী মহারাজের ধর্মদণ্ড, সনাতন ধর্মরাষ্ট্রের চিরন্তন ...
29/05/2026

🚩 ভারতের নতুন সংসদে স্থাপিত সেঙ্গোল শুধু রাজদণ্ড নয় — এটি শিববাহন নন্দী মহারাজের ধর্মদণ্ড, সনাতন ধর্মরাষ্ট্রের চিরন্তন প্রতীক।

২৮শে মে, ২০২৩ — ভারতের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন।
নতুন সংসদ ভবনে শৈবরাজা চোল তথা সনাতন শৈবধর্মের “সেঙ্গোল” তথা ধর্মদণ্ড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতবর্ষ পুনরায় ধর্মকেন্দ্রিক রাষ্ট্রচেতনার দিকে এক প্রতীকী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল।

আর আজ, ২০২৬ সালের ২৮শে মে, সেই ঘটনার তাৎপর্য আরও স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করা যাচ্ছে।

অনেকে “সেঙ্গোল”কে শুধু রাজদণ্ড বললেও, শাস্ত্রজ্ঞদের দৃষ্টিতে এটি মূলত “ধর্মদণ্ড” — আর ধর্মের প্রতীক কে ?
স্বয়ং বৃষভ নন্দী মহারাজ।
অর্থাৎ, পরমেশ্বর শিবের বাহন, সনাতন শৈবধর্মের চিরন্তন প্রতীক। 🔱

♦️ দেখুন — স্বয়ং মনুসংহিতাই নন্দী-বৃষভকে সাক্ষাৎ “ধর্ম” বলে ঘোষণা করেছেনঃ

বৃষো হি ভগবান্ ধর্মস্তস্য যঃ কুরুতে হ্যলম্।
বৃষলং তং বিদুর্দেবাস্তস্মাদ্ধর্মং ন লোপয়েৎ ॥ ১৬
(তথ্যসূত্র : মনু সংহিতা/৮ম অধ্যায়/শ্লোক ১৬)

✅ অর্থ — শিব বাহন ভগবান্ বৃষ নন্দী হলেন সাক্ষাৎ ধর্ম । তাঁকে যে বারণ করে (অর্থাৎ বাঁধা দেয় বা অস্বীকার করে) তাকে প্রাজ্ঞ ব্যক্তিগণ বৃষল বলেন ; সুতরাং, ধর্ম লুপ্ত করবে না।

🔷 আবার মৎস্যপুরাণেও স্পষ্ট ঘোষণাঃ

ধর্মোঽয়ং বৃষরূপেণ নন্দী নাম গণাধিপঃ ।..॥৩ [তথ্যসূত্রঃ— মৎস্যপুরাণ/অধ্যায় ৯৫/শ্লোক ২-৩]

✅ অর্থ — বৃষরূপধারী নন্দী‌ নিজেই ধর্ম হয়েছেন, আবার তিনিই গণদের অধিপতি হয়েছেন।

অর্থাৎ —
নন্দী বৃষভ কোনো “সম্প্রদায়গত প্রতীক” নন,
তিনি স্বয়ং সনাতন ধর্মের মূর্ত প্রতীক।

এই কারণেই শৈবধর্ম কোনো পৃথক মতবাদ নয় ; বরং শিবতত্ত্বই সনাতন ধর্মের মূলভিত্তি।
পরমেশ্বর সদাশিব থেকেই বেদ, আগম-তন্ত্র, যোগ, জ্ঞান, বৈরাগ্য ও ধর্মপ্রবাহের উদ্ভব।
আর নন্দী বৃষভ মহারাজ সেই ধর্মতত্ত্বের জীবন্ত প্রতীক ও ধারক। 🕉️

সুদূর প্রাচীনকাল থেকে সকল ক্ষত্রিয়গণ এই সেঙ্গোল নামক বৃষভ দণ্ড (ধর্মদণ্ড) গ্রহণ করে তা রাজসভায় প্রতিষ্ঠিত করে রাজ্য বা দেশ শাসন করতেন, সেই শাসনের সাক্ষী থাকেন সত্য ধর্মের প্রতীক নন্দীমহারাজ। ইংরেজগণ‌ও এই ধর্মদণ্ড গ্রহণ করেছিলেন, তথাপি তারা ধর্মপথের চলেননি, নন্দী মহারাজের কৃপায় তা স্বাধীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জ‌ওহরলাল নেহেরু জীর হাতে স্থানান্তরিত হয়, কিন্তু তিনি তা স্থাপন করেননি।

২০২৩ সালের ২৮শে মে তারিখে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জী নতুন সংসদে এই ধর্মদণ্ডকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন এবং তা নূতন সংসদে সসম্মানে প্রতিষ্ঠিত করলেন, তখন সেটি শুধু একটি ঐতিহ্যিক অনুষ্ঠান ছিল না —
বরং ভারতীয় ধর্মরাষ্ট্রচেতনার পুনর্জাগরণের এক গভীর প্রতীকী মুহূর্ত ছিল। সাক্ষাৎ সনাতনধর্ম বৃষভ নন্দী মহারাজ সমগ্র ভারতের শাসন করবার শাসকের প্রতীক। এ কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এমনকি শৈবপরম্পরার শৈবআচার্য-শৈবগুরুগণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তাদের সম্মুখে এমন ধর্মের শাসন দণ্ড প্রতিষ্ঠিত হ‌ওয়ার অর্থ ভবিষ্যতে সনাতন শৈবধর্মের ভিত শক্ত হয়ে উঠছে ক্রমশ। ভবিষ্যতে অবশ্য‌ই সনাতন শিবধর্ম প্রতিষ্ঠিত হবেই।
কারণ —

জনগণমন অধিনায়ক জয় হে
ভারত ভাগ্যবিধাতা...
শিববাহন শ্রীনন্দী
মহারাজ সাক্ষাৎ বৃষভদেবতা ॥ 🌺
জয় হে জয় হে জয় হে ধর্ম সনাতন জয় হে 🚩

🚩 শৈব জাগরণ চলছে... চলবে...
সত্যমেব জয়তে।

🔱 শিববাহন বৃষভ শ্রীনন্দী মহারাজের জয়
🔱 পরমেশ্বর সদাশিবের জয়
🔱 শৈব সনাতন ধর্ম সদা বিজয়তেতরাম্ 🚩
ॐ নমঃ পার্বতীপতয়ে হর হর মহাদেব 🔥

©️ কপিরাইট ও প্রচারে : Shivalaya 🔥🕉️

#নন্দী #বৃষভ #রাজদণ্ড #শৈবধর্ম #সনাতনধর্ম #ধর্ম

Collected

27/05/2026
৬৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিল্লির একটি রাস্তার উপর থার্মাল ক্যামেরা তাক করতেই স্ক্রিনে উঠে আসে এই ভয়ংকর সংখ্যা। সাদা আর উজ্জ...
23/05/2026

৬৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিল্লির একটি রাস্তার উপর থার্মাল ক্যামেরা তাক করতেই স্ক্রিনে উঠে আসে এই ভয়ংকর সংখ্যা। সাদা আর উজ্জ্বল হলুদ রঙে জ্বলতে থাকা রাস্তা যেন আগুনের চাদরে ঢেকে গেছে। একই সময়ে সরকারি আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, দিল্লির তাপমাত্রা প্রায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই দুই সংখ্যার বিশাল ফারাকই এখন আতঙ্ক, বিভ্রান্তি আর প্রশ্নের কেন্দ্রবিন্দু। সত্যিই কি দিল্লি ৬৫ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছিল? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য বিজ্ঞান?

পূর্ব দিল্লির নন্দ নগরীতে করা একটি গ্রাউন্ড রিপোর্টে দেখা যায়, সরাসরি সূর্যের নিচে রাস্তার surface temperature বা পৃষ্ঠতলের তাপমাত্রা ৬৫ ডিগ্রিরও বেশি ছুঁয়ে ফেলেছে। শুধু রাস্তা নয়, রোদে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির ধাতব অংশ, সিট, দরজার হাতল, এমনকি বাইকের সাইলেন্সারও বিপজ্জনক মাত্রায় গরম হয়ে উঠেছিল। খোলা রোদের মধ্যে বাতাসের তাপমাত্রাও প্রায় ৪৮ ডিগ্রি পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছিল। থার্মাল ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে — “দিল্লির তাপমাত্রা ৬৫ ডিগ্রি!” কিন্তু বাস্তবে এই দাবির মধ্যে অর্ধসত্য লুকিয়ে রয়েছে।

আসলে এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো air temperature আর surface temperature-এর পার্থক্য বোঝা। সরকারি আবহাওয়া দফতর যে তাপমাত্রা জানায়, তা মাপা হয় ছায়াযুক্ত পরিবেশে, নির্দিষ্ট উচ্চতায়, বৈজ্ঞানিক নিয়ম মেনে। অর্থাৎ সেটি বাতাসের তাপমাত্রা। কিন্তু রাস্তার কালো অ্যাসফল্ট, কংক্রিটের দেওয়াল, টিনের ছাদ বা গাড়ির ধাতব অংশ সরাসরি সূর্যের তাপ শোষণ করে অনেক বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই তাপই thermal camera-তে ৬৫.৮ ডিগ্রি হিসেবে ধরা পড়ে। তাই “দিল্লির অফিসিয়াল তাপমাত্রা ৬৫ ডিগ্রি” — এই দাবি ভুল। কিন্তু “দিল্লির রাস্তার surface heat ৬৫ ডিগ্রি ছুঁয়েছে” — সেটি একেবারেই বাস্তব।

আর এই surface heat কতটা ভয়ংকর, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। ৬৫ ডিগ্রি তাপমাত্রার রাস্তার উপর কয়েক সেকেন্ড খালি পায়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও ত্বকে জ্বালা বা পোড়ার মতো অনুভূতি হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ সংস্পর্শে থাকলে ত্বকের ক্ষতিও হতে পারে। রোদে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির দরজার হাতল বা বাইকের সিট ছোঁয়াও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে গাড়ির ভিতরের তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় আরও ১৫ থেকে ২০ ডিগ্রি বেশি হয়ে যায়। ফলে বন্ধ গাড়ি কার্যত একটি “হিট চেম্বার”-এ পরিণত হয়।

এই অতিরিক্ত surface heat মানুষের শরীরের উপরও ভয়াবহ চাপ তৈরি করে। সাধারণত শরীর ঘামের মাধ্যমে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু চারদিকের রাস্তা, দেওয়াল এবং যানবাহন থেকে যখন লাগাতার তাপ বিকিরণ হতে থাকে, তখন শরীরের পক্ষে ঠান্ডা হওয়া অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে দ্রুত dehydration, মাথা ঘোরা, বমি, শ্বাসকষ্ট, দুর্বলতা এবং heat exhaustion শুরু হতে পারে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে heatstroke হতে পারে, যেখানে শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যায় এবং মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড ও কিডনির উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো চিকিৎসা না পেলে heatstroke প্রাণঘাতীও হতে পারে।

সবচেয়ে বেশি বিপদের মধ্যে থাকেন রাস্তার শ্রমিক, রিকশাচালক, ডেলিভারি কর্মী, ট্রাফিক পুলিশ এবং ফুটপাথে থাকা মানুষজন। যাদের দিনের বেশিরভাগ সময় রাস্তায় কাটাতে হয়, তারা শুধু গরম বাতাস নয়, নিচ থেকে উঠে আসা তীব্র surface radiation-এরও শিকার হন। অর্থাৎ শরীর একসঙ্গে দুই দিক থেকে তাপের আঘাত পায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কারণেই অনেক সময় অফিসিয়াল তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি হলেও মানুষের শরীর সেটিকে ৫০ ডিগ্রির কাছাকাছি অনুভব করতে পারে।

শুধু মানুষ নয়, এই তাপ শহরের পশুপাখিদের জন্যও ভয়ংকর। রাস্তার কুকুর, বিড়াল বা পাখিরা গরম কংক্রিট আর অ্যাসফল্টের উপর হাঁটতে গিয়ে মারাত্মক কষ্টের মুখে পড়ে। অনেক পশুর পায়ের তলায় ফোসকা পর্যন্ত পড়ে যেতে পারে। শহরের গাছপালা কমে যাওয়ায় ছায়াও দ্রুত কমছে, ফলে প্রাণীদের আশ্রয় নেওয়ার জায়গাও কমে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, দিল্লির মতো বড় শহরে “Urban Heat Island” প্রভাব এখন ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। শহরের অধিকাংশ জায়গা কংক্রিট, কাচ, ধাতু আর পিচের রাস্তা দিয়ে ঢাকা। এগুলো দিনে প্রচুর তাপ শোষণ করে এবং রাতেও ধীরে ধীরে সেই তাপ ছাড়ে। ফলে রাতের দিকেও শহর ঠান্ডা হতে পারে না। বস্তি এলাকা বা টিনের ছাউনি থাকা ঘরগুলিতে এই সমস্যা আরও মারাত্মক। ছোট ঘরের ভিতর গরম আটকে থাকে, ফ্যান চললেও স্বস্তি পাওয়া যায় না, আর অনেক পরিবার সারারাত ঘুমোতে পারেন না।

তাপপ্রবাহের এই পরিস্থিতি বিদ্যুতের ব্যবহারও দ্রুত বাড়িয়ে দিচ্ছে। এয়ার কন্ডিশনার, কুলার এবং ফ্যানের অতিরিক্ত ব্যবহারে বিদ্যুতের চাহিদা হু হু করে বাড়ছে। অনেক জায়গায় ট্রান্সফরমার অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ছে। পাশাপাশি জল সংকটও আরও তীব্র হচ্ছে, কারণ এই ধরনের গরমে শরীরকে বাঁচিয়ে রাখতে বেশি জল প্রয়োজন হয়।

এই ঘটনার পরে আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের যুগে শুধু “অফিসিয়াল তাপমাত্রা” দেখে বাস্তব পরিস্থিতি বোঝা যায় না। শহরের রাস্তায়, কংক্রিটের গলিতে, টিনের ছাউনির নিচে মানুষ যে তাপ অনুভব করছে, সেটাই আসল বাস্তবতা। দিল্লির ওই ৬৫ ডিগ্রি হয়তো অফিসিয়াল air temperature নয়, কিন্তু সেই surface heat যে মানুষের জীবনের জন্য ভয়ংকর সতর্কবার্তা হয়ে উঠছে, তা আর অস্বীকার করার উপায় নেই।



Collected

২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ 🗓️কলকাতার বুকে মাথা তুলে দাঁড়াল ‘নন্দন’। 🎥✨ বাঙালি বুদ্ধিজীবী মহলের এক অদ্ভুত, ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক...
23/05/2026

২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ 🗓️কলকাতার বুকে মাথা তুলে দাঁড়াল ‘নন্দন’। 🎥✨ বাঙালি বুদ্ধিজীবী মহলের এক অদ্ভুত, ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী সেই দিনটা। এক ফ্রেমে দাঁড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়—তাঁর সেই দীর্ঘকায় চেহারা, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি আর বিশ্বমানের পরিচালকের চেনা তেজ নিয়ে। পাশে মৃণাল সেন—যাঁর সিনেমা মানেই রাজনৈতিক টানাপোড়েন আর চাবুকের মতো বাস্তব।
মানিকদার পাশে শান্ত, মার্জিত আভিজাত্য নিয়ে দাঁড়িয়ে বিজয়া রায়। আর ছিলেন জ্যোতি বসু—যিনি এমন এক বাংলার প্রতিনিধিত্ব করছিলেন, যেখানে রাজনীতি আর সংস্কৃতি এক টেবিলে বসে অন্তহীন আড্ডা জমাত। ☕️🗣️
এটা স্রেফ একটা রিবন কাটার অনুষ্ঠান ছিল না বস! ✂️
এটা ছিল গোটা বাংলার তরফ থেকে সিনেমাকে একটা সিরিয়াস সাংস্কৃতিক পরিচয় হিসেবে দুনিয়ার সামনে তুলে ধরার অঙ্গীকার।
পরবর্তীতে নন্দন ঠিক সেটাই হয়ে উঠেছিল। সিনেমা স্ক্রিনিং, ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, কড়া কফির কাপে তুমুল তর্ক, সিগারেটের ধোঁয়া, নন্দন চত্বরের সিঁড়িতে বসে ইরানি সিনেমা থেকে ঋত্বিক ঘটক নিয়ে অন্তহীন আলোচনা… আহা, খাঁটি কলকাতার চেনা নস্টালজিয়া! 🚬🎬
একই সিনেমার ইতিহাসের অংশ হয়েও রায় আর সেন নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গিতে কতটা আলাদা ছিলেন, ভাবলে আজও অবাক হতে হয়। 🤔
* **সত্যজিৎ রায়:** মানুষকে নীরবে পর্যবেক্ষণ করতেন। তাঁর ছবি যেন একেকটা ক্লাসিক সাহিত্য। 📖
* **মৃণাল সেন:** সমাজকে উস্কে দিতেন। তাঁর ছবি ছিল সরাসরি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ। ✊⚡
অথচ এই দুই ভিন্ন মেরুর মানুষ এক হয়েই বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সমান্তরাল সিনেমার ভিত গড়ে তুলেছিলেন। 🌍🏆
আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সত্যি বলতে, এই রকম একটা ফ্রেম আর ভাবাই যায় না।
পরিচালক, রাজনীতিবিদ, লেখক, বুদ্ধিজীবী—সবাই এক ফ্রেমে বন্দী। অথচ কোনো সোশ্যাল মিডিয়ার সস্তা দেখনদারি বা লাইক-কমেন্টের চিৎকার নেই সেখানে। 🤫
একেবারে নিখাদ কলকাতা।
একেবারে খাঁটি ভদ্রলোক সংস্কৃতি। 💼
একেবারে সেই বিশ্বাস—যেখানে এক কাপ চা আর আড্ডার জোরেই গোটা সভ্যতা বদলে দেওয়া যায়! ☕️🔥


Collected

ইনি অফিসের এমন একজন কর্মচারী যিনি কোনও কাজ করেন না, কোনও কিছু নিয়ে চিন্তাও করেন না! তার কাজ কেবল অফিসে এসে তার সরলতা দি...
22/05/2026

ইনি অফিসের এমন একজন কর্মচারী যিনি কোনও কাজ করেন না, কোনও কিছু নিয়ে চিন্তাও করেন না! তার কাজ কেবল অফিসে এসে তার সরলতা দিয়ে সবার মুখে হাসি ফোটানো।

হায়দ্রাবাদ-ভিত্তিক একটি কোম্পানি ‘ডেনভার’ নামে একটি গোল্ডেন রিট্রিভার কুকুরকে কোম্পানির 'চিফ হ্যাপিনেস অফিসার' হিসেবে নিযুক্ত করেছে এবং তাদের এই পদক্ষেপ মানুষের মন জয় করেছে।

ভাবুন তো, আপনার কোম্পানিও যদি এত সুন্দর একজন কর্মচারী নিয়োগ করে, তাহলে অফিসে যাওয়া কত মজার হবে!

হায়দ্রাবাদ-ভিত্তিক এই কোম্পানিটি অফিসের পরিবেশকে আনন্দময় রাখার জন্য এই অনন্য কর্মচারীকে নিয়োগ করেছে, যে কোনও কোডিং করে না, মিটিং নিয়ে টেনশন নেয় না - কেবল আসে, সবার মেজাজ ভালো করে এবং মন জয় করে।

হার্ভেস্টেড রোবোটিক্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং CEO রাহুল আরেপাকা লিঙ্কডইনে পোস্ট করেছেন যে, তাঁর কোম্পানির ডেনভার নামক গোল্ডেন রিট্রিভার এখন 'Chief Happiness Officer' হয়ে উঠেছে এবং তার কোম্পানি Pet-Friendly হয়ে উঠেছে এবং যেকোনো কোম্পানিতে পাওয়া সেরা সুবিধাগুলির মধ্যে এটি হলো একটি।

এই পোস্টটি অনলাইনে শেয়ার হওয়ার সাথে সাথে ভাইরাল হয়ে যায়। লোকেরা এই কর্মচারীর অনেক প্রশংসা করে লিখেছে যে, ডেনভার অবশ্যই সবাইকে খুশি করতে করতে ক্লান্ত। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, এই ধরনের সুন্দর সঙ্গীরা অফিসের প্রোডাক্টিভিটিও বাড়াতে পারে। এই বিষয়ে আপনার কী বক্তব্য?



Collected

36 বছর বয়সী NIS Certified কোচ পরম আশাওয়ারের ফোন এখন প্রায়ই বেজে ওঠে। ব্যাঙ্কের কল, ঋণ শোধের রিমাইন্ডার— একের পর এক।কি...
22/05/2026

36 বছর বয়সী NIS Certified কোচ পরম আশাওয়ারের ফোন এখন প্রায়ই বেজে ওঠে। ব্যাঙ্কের কল, ঋণ শোধের রিমাইন্ডার— একের পর এক।

কিন্তু এই ঋণ তিনি নিজের জন্য নেননি।

নিজের গ্রামের মেয়েদের ফুটবল দলকে দেশের সবচেয়ে বড় Indian Women’s League পর্যন্ত পৌঁছে দিতে তিনি নিজের পুরো আর্থিক অবস্থাই ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন।

District Raisen Football Club (DRFC)-এর এই মেয়েদের মধ্যে প্রতিভা ছিল, স্বপ্ন ছিল, ছিল জেতার জেদও।

কিন্তু ছিল না কোনও রিসোর্স।

যখন সরকারি বা বেসরকারি কোনও সাহায্য মিলল না, তখন পরম নিজেই 10 লাখ টাকার Personal Loan নেন।

এই টাকা কোনও বিলাসিতার জন্য খরচ হয়নি। খরচ হয়েছে গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের ফুটবল কিট, খাবার, যাতায়াত এবং ট্রেনিং ক্যাম্পের জন্য।

মেয়েরাও তাদের কোচের এই ত্যাগের মর্যাদা মাঠে দিয়েছে।

গত মাসে IWL Qualification Round-এ রায়সেনের এই মেয়েরা অভিজ্ঞ Odisha FC-কে 1-0 গোলে হারিয়ে সবাইকে চমকে দেয়।

ফরোয়ার্ড সোনি মুন্ডার গোল শুধু ম্যাচ জেতায়নি, জিতিয়েছে সেই বিশ্বাসকেও, যার জন্য তাদের কোচ নিজের সব সঞ্চয় পর্যন্ত বাজি রেখেছিলেন।

পরম আশাওয়ার বলেন—
“এই মেয়েদের প্রতিভা ছিল, কিন্তু সুযোগ ছিল না। আমি তাদের ট্যালেন্ট নষ্ট হতে দিতে পারতাম না। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য 10 লাখ টাকার ঋণ খুব ছোট দাম। যতদিন না মধ্যপ্রদেশের প্রতিটি মেয়ে বড় স্বপ্ন দেখতে শিখবে, ততদিন আমি থামব না।”

Collected

Address

Satyen Basu Sarani
New Barrackpore
700131

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ABR On Screen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ABR On Screen:

Share