Hriday Inspires

Hriday Inspires Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hriday Inspires, Digital creator, Old Malda.

জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে অনুপ্রেরণা পেতে আমার ফেসবুক পেজে যুক্ত হও, যেখানে প্রতিটি শব্দ তোমার হৃদয় স্পর্শ করবে, আর প্রতিটি চিন্তা তোমাকে আরও সমৃদ্ধশালী করে তুলবে। প্রতিটি ভিডিও তোমাকে দেবে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, শক্তি, সাহস ও এগিয়ে চলার প্রেরণা।

I've just reached 500 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏...
30/01/2026

I've just reached 500 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗🎉

⭕   পাপের বাপ কে ?এক শহরে এক ব্রাহ্মন বাস করতেন। তাঁর একটি সন্তান ছিল। বিদ্যা শিক্ষার জন্য তাকে গুরুকুলে পাঠানো হল। কিছু...
26/01/2026

⭕ পাপের বাপ কে ?
এক শহরে এক ব্রাহ্মন বাস করতেন। তাঁর একটি সন্তান ছিল। বিদ্যা শিক্ষার জন্য তাকে গুরুকুলে পাঠানো হল। কিছু বছর শিক্ষা সম্পূর্ণ করে সে বাড়ি ফিরে এল। এসে তাঁর পিতা কে বলল- পিতা আমি সকল শাস্ত্র তথা বেদ ,পুরান , ভাগবত , ন্যায়, স্মৃতি সব অধ্যায়ন করে এসেছি। কোনও কিছুই আর বাকি নেই। আপনি আমায় পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। তখন ব্রাহ্মন বললেন- সে ঠিক আছে , তো ওসব নয় পরে জিজ্ঞাসা করে দেখা যাবে, তুমি এত শিখে এসেছ যখন তখন তোমায় একটা প্রশ্ন করি তার যদি উত্তর দিতে পারো তবে জানবো তোমার শিক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে। তখন ব্রাহ্মন পুত্র বলল- বেশ আপনি জিজ্ঞাসা করুন। তখন ব্রাহ্মন বললেন- আচ্ছা পাপ কি জানো তো? পুত্র বললে- হ্যাঁ। তখন ব্রাহ্মন বললেন- বলতো পাপের বাপ কে ? পাপের বাপ!! শুনে তো ব্রাহ্মন পুত্র অনেক চিন্তা করলেন , কিন্ত কিছুতেই উত্তর খুঁজে পেলেন না। তখন সে তার লোটা কম্বল নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন আর পিতা কে বলে গেলেন- আমি যাচ্ছি এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে , যত দিন না এর উত্তর পাই ততদিন আমি আমি এই গৃহে ফিরবো না।

এই বলে ব্রাহ্মন পুত্র দেশ দেশান্তরে ঘুরে বেড়াতে লাগলো আর সকল কে জিজ্ঞাসা করতে লাগলো – পাপের বাপ কে? কিন্ত কারোর কাছেই এর সদুত্তর পেলো না। একদিন ঘুরতে ঘুরতে এক গ্রামে উপস্থিত হল। দেখে সামনেই এক সুন্দর বাড়ি। সারা বাড়ি সুন্দর করে মাটি দিয়ে নিকানো। সামনে তুলসী মঞ্চ। এদিকে ব্রাহ্মন পুত্রের খুব তেষ্টা পেয়েছে , তাই ওই বাড়ির দিকে এগিয়ে গেলেন। বাড়িতে প্রবেশ করতেই এক সুশীলা রমণী বেরিয়ে এসে বললেন- হে ঠাকুর আমার গৃহে আপনার পদস্পর্শে ধন্য হল। বলুন আপনার কি সেবা করতে পারি? তখন ব্রাহ্মন পুত্র বললেন- আমি খুব তৃষ্ণার্ত আমায় একটু জল দিতে পারেন? রমণী বললেন- সে কি ঠাকুর ! সামান্য জল , সে আর দিতে পারব না। দাঁড়ান আমি এখুনি এনে দিচ্ছি। বলে ভিতর থেকে পরিস্কার নির্মল এক পাত্র ঠাণ্ডা জল এনে দিল ব্রাহ্মন পুত্র কে। পরম তৃপ্তি তে সেই জল পান করে পাত্র টি ওই রমণীর হাতে দিয়ে ব্রাহ্মন পুত্র জিজ্ঞাসা করলেন- আচ্ছা , এই গৃহের মালিক কে? সেই ব্রাহ্মন বৈষ্ণব কে দেখছি না তো? কারণ ব্রাহ্মন পুত্র ভেবেছে যে , যে বাড়িতে তুলসী মঞ্চ আছে সেই বাড়ি নিশ্চয়ই কোনও বৈষ্ণবের বাড়ি। যাই হোক ব্রাহ্মন পুত্র এর প্রশ্নের উত্তরে ওই রমণী বললেন- ঠাকুর , এ কোনও ব্রাহ্মন এর গৃহ নয় এ হল বেশ্যার গৃহ। আমি এই গৃহের মালিক। এই শুনে ব্রাহ্মন পুত্র তিন লাফ খেয়ে উঠে বলল- ছিঃ ছিঃ! হায় রাম! এ কি করলাম আমি? পাপের বাপ খুঁজতে এসে নিজেই পাপ করে বসলাম! বেশ্যার হাতে জল খেয়ে আমি এ কি পাপ করলাম!! হায় ভগবান আমায় এখন গঙ্গা স্নান ও প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে! ওরে ও হতভাগী কুলটা! তোর এত টুকু বুক কাঁপল না আমাকে জল দিতে? আমি তোকে অভিশাপ দেব। সঙ্গে সঙ্গ রমণী বললেন- ঠাকুর আমার একটি নিবেদন আছে। পাপ তো যা হবার হয়েছেই। বলি কি আমি আপনার ভোজনের ব্যবস্থা করি , আপনি দুটো খেয়ে যান।আপনি না হয় একটার বদলে দুটো ডুব দেবেন গঙ্গায় আপনার পাপ ধুয়ে যাবে। আর আপনার ভোজন দক্ষিণা হিসাবে আমি আপনাকে পাঁচটি স্বর্ণ মুদ্রা দেব। ব্রাহ্মন পুত্র মনে মনে ভাবলেন , তাই তো পাপ যা হবার হয়েইছে যদি ভোজন করে একেবারে প্রায়শ্চিত্ত করি ক্ষতি কি উল্টে দক্ষিনাও মিলবে। তখন ব্রাহ্মন পুত্র বললেন- ঠিক আছে চাল , ডাল ইত্যাদি এনে দাও আমি স্বপাকে ভোজন করবো। তখন আবার রমণী বললেন- ঠাকুর একটা নিবেদন আছে , যদি আমি স্বহস্তে আপনাকে রান্না করে দিই। আপনি ভোজন করবেন। আমি না হয় ২০ স্বর্ণ মুদ্রা আপনাকে দেব দক্ষিণা স্বরূপ। আপনি না হয় গঙ্গায় তিনটে ডুব দিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করে নেবেন। ব্রাহ্মন পুত্র অনেক ভেবে সম্মত হলেন। তখন ওই রমণী কিছুক্ষণ পর ভোজন প্রস্তুত করে ব্রাহ্মন পুত্র এর সামনে রাখলেন।ব্রাহ্মন পুত্র আচমন করে খেতে যাবেন অমনি ওই রমণী বলে উঠলেন- ঠাকুর ! আমার একটি নিবেদন ছিল। আমার খুব সাধ আমি আপনাকে নিজ হাতে খাইয়ে দিই। অবশ্য এর জন্য আপনাকে ৫০ স্বর্ণ মুদ্রা আমি দক্ষিণা স্বরূপ দেব। আর আপনি একেবারে গঙ্গায় গিয়ে পাঁচ ডুব লাগাবেন আর আপনার সব পাপ ও ধুয়ে যাবে। তা ব্রাহ্মন পুত্র চিন্তা করে রাজি হলেন। তখন ওই রমণী এসে নিচু হয়ে মুখে খাবার তুলে দেবার পরিবর্তে সজোরে এক চড় মারলেন। তখন ব্রাহ্মন পুত্র ক্রোধে আসন ছেড়ে উঠে বললেন- কুলটা !! তোর এত সাহস! তুই আমার গালে চড় মারিস!! তোর সমুহ সর্বনাশ হবে। তখন ওই রমণী বললেন- ঠাকুর!তুমি যে আমার হাতে খেতে চাইলে , এক কুলটার হাতে খেতে চাইলে কেন বলতে পারো? ব্রাহ্মন পুত্র বললেন- তোমার ভক্তি ভাবে আমি রাজি হয়েছিলাম। রমণী বললেন- ভুল। তুমি নিজেকে নিজে প্রশ্ন করে দেখ!! কোনও ভাব , প্রেম নয় তুমি স্বর্ণ মুদ্রার লোভে রাজি হয়েছিলে। শোন ঠাকুর তুমি দেশ দেশান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছিলে পাপের বাপ কে জানতে? শোন পাপের বাপ হল লোভ। পৃথিবীতে যত পাপ সংঘটিত হয় সব লোভের দ্বারা পরিচালিত হয়ে। তুমি ব্রাহ্মন পুত্র তবুও তোমার লোভ তোমাকে পাপের পথে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। লোভ কে জয় করো তাহলে পাপ ও দূরীভূত হবে। জেনে রাখবে পাপের বাপ হল লোভ। ব্রাহ্মন পুত্র অধোবদনে সব শুনে আসতে আসতে ওই গৃহ পরিত্যাগ করে নিজ গৃহের দিকে যাত্রা করিলেন।

সংগৃহীত


#পাপ
#লোভ

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

যারা অতিরিক্ত টেনশন করেন—এই কথাটা তাদেরই জন্য।প্রতিদিনের দুশ্চিন্তা আসলে এক নীরব বিষ।চুপচাপ ঢুকে পড়ে মনে,কেড়ে নেয় শান্ত...
22/01/2026

যারা অতিরিক্ত টেনশন করেন—এই কথাটা তাদেরই জন্য।

প্রতিদিনের দুশ্চিন্তা আসলে এক নীরব বিষ।
চুপচাপ ঢুকে পড়ে মনে,
কেড়ে নেয় শান্তি,
ক্লান্ত করে শরীর,
আর ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দেয় আপনজনদের।
একটা ভুলে পৃথিবী ভেঙে পড়ে না।
কিন্তু আপনি যদি বারবার টেনশনের কাছে হার মানেন,
তাহলে ভেঙে পড়ে আপনার ভেতরের সাহসটাই।
আপনি ভাবেন—
“চিন্তা করলে সমাধান আসবে।”
কিন্তু বাস্তবে দুশ্চিন্তা
শুধু আপনার মুখের হাসিটাই মুছে দেয়।
আর সবচেয়ে কষ্টের কথা—
আপনার এই অতিরিক্ত টেনশন
আপনাকে নয়,
আপনার আশেপাশের মানুষগুলোকেও
নীরবে কষ্ট দেয়।
তাই একবার থামুন।
কারণ যে খাঁচায় আপনি বন্দী,
সেটা বাইরে নয়—
সেটা আপনার মনের ভেতর।
আর সেই খাঁচার চাবি
আজও আপনার হাতেই।

🛡 দুশ্চিন্তা থেকে বের হওয়ার ৫টি সহজ অস্ত্র

১) সবকিছু নিজের হাতে রাখতে চাইবেন না
সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা মানুষের কাজ নয়।
যা আপনার হাতে নেই,
তা ছেড়ে দিতে শিখুন।
অর্ধেক বোঝা এমনিতেই হালকা হবে।

২) টেনশন এক মরীচিকা
দূর থেকে সত্য মনে হয়,
কিন্তু কাছে গেলে শূন্য।
এটা শুধু শক্তি খায়,
কিছুই দেয় না।

৩) ধৈর্যকে বন্ধু বানান
সব পরিবর্তন সময় চায়।
আজ না হোক, কাল ঠিক হবেই।
রাত যত গভীর,
ভোর তত কাছে।

৪) নিজেকে ক্ষমা করুন
অন্যকে ক্ষমা করেন,
কিন্তু নিজেকে কেন নয়?
ভুল মানুষই করে।
আবার উঠে দাঁড়ানোই আসল শক্তি।

৫) নিজের প্রতিক্রিয়া বেছে নিন
পৃথিবী আপনার মতো হবে না।
কিন্তু আপনি চাইলে
নিজের মনকে শান্ত রাখতে পারেন।
প্রতিদিন নিজেকে বলুন—
“আমি শান্ত।”
“আমি শক্তিশালী।”
“আমি পারব।”

🌿 শেষ কথা
চিন্তা করে
না অতীত বদলানো যায়,
না ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যায়।
কিন্তু বর্তমানটা নষ্ট করা যায় —
এটাই সত্য।
আজই ঠিক করুন—
আপনি কি ভয়ের খাঁচায় থাকবেন,
নাকি সাহস নিয়ে বেরিয়ে আসবেন?

জীবন আপনার।
সিদ্ধান্তও আপনার।






゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

এক রাজ্যে ছিলেন এক প্রজ্ঞাবান রাজা। তিনি জানতে চাইলেন—তার মন্ত্রীরা কতটা সৎ, দূরদর্শী এবং দায়িত্ববান।একদিন তিনি তিন মন্...
21/01/2026

এক রাজ্যে ছিলেন এক প্রজ্ঞাবান রাজা। তিনি জানতে চাইলেন—তার মন্ত্রীরা কতটা সৎ, দূরদর্শী এবং দায়িত্ববান।
একদিন তিনি তিন মন্ত্রীকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন—
“এই তিনটি খালি বস্তা নাও। জঙ্গলে যাও। আমার জন্য ফল সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে। যে যত দ্রুত বস্তাভর্তি করে ফিরতে পারবে, সে ততই বুদ্ধিমান বলে গণ্য হবে।”
তিন মন্ত্রী রওনা দিলেন।
প্রথম মন্ত্রী ভাবলেন—
“রাজার আদেশ মানে শুধু বস্তা ভরানো নয়, দায়িত্বকে সম্মান করা।”
তিনি খুঁজে খুঁজে টাটকা, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল বস্তায় ভরলেন।
দ্বিতীয় মন্ত্রী মনে মনে হাসলেন—
“রাজা কি আর বস্তা খুলে দেখবেন? উপরে ভালো ফল রাখলেই চলবে।”
তিনি নিচে পচা ফল ভরে, উপরে সামান্য ভালো ফল সাজালেন।
তৃতীয় মন্ত্রী আরও এক ধাপ এগিয়ে ভাবলেন—
“রাজা শুধু বস্তা পূর্ণ দেখবেন।”
তিনি ফল নয়—পাতা, শুকনো ঘাস আর কাঠকুটো দিয়ে বস্তা ভরলেন।
সন্ধ্যার আগেই তিনজন দরবারে উপস্থিত।
তিনটি বস্তাই পূর্ণ—রাজা সন্তুষ্ট।
কিন্তু তিনি বস্তা খুললেন না।
হঠাৎ রাজা ঘোষণা করলেন—
“এই তিন মন্ত্রীকে তাদের বস্তাসহ সাত দিনের জন্য পৃথক কারাগারে রাখা হবে।
এই সময় কোনো খাদ্য দেওয়া হবে না।”
মন্ত্রীদের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
কিন্তু তখন আর কিছু করার নেই।
কারাগারে—
প্রথম মন্ত্রী সাত দিন নিশ্চিন্তে রইলেন।
কারণ তার বস্তা ছিল প্রকৃত ফলভরা।
দ্বিতীয় মন্ত্রী দু’দিন পরেই বিপদে পড়লেন।
ভালো ফল শেষ, পচা ফল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন।
তৃতীয় মন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই অনাহারে কাতরাতে লাগলেন।
কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি নিঃশেষ হয়ে গেলেন।
সপ্তম দিনে রাজা বললেন—
“আমি বস্তা দেখিনি, কিন্তু তোমাদের কর্মই তোমাদের বিচার করেছে।”



#কর্মফল
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

মানসিক শান্তি না থাকলে, মানুষ বেঁচে থাকলেও আসলে জীবন্ত লাশের মতোই হয়ে যায়।               ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
06/01/2026

মানসিক শান্তি না থাকলে, মানুষ বেঁচে থাকলেও আসলে জীবন্ত লাশের মতোই হয়ে যায়।














゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

বেঁচে থাকার জন্য শুধু শ্বাস নেওয়া যথেষ্ট নয়, লড়তে হয় ভাগ্যের সঙ্গে, চলতে হয় সময়ের স্রোতে, আর জিততে হয় নিজের সীমাবদ্ধতা...
02/01/2026

বেঁচে থাকার জন্য শুধু শ্বাস নেওয়া যথেষ্ট নয়, লড়তে হয় ভাগ্যের সঙ্গে, চলতে হয় সময়ের স্রোতে, আর জিততে হয় নিজের সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে।














゚viralシalシ

Address

Old Malda

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hriday Inspires posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share