Hriday Inspires

Hriday Inspires Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hriday Inspires, Digital creator, Old Malda.

জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে অনুপ্রেরণা পেতে আমার ফেসবুক পেজে যুক্ত হও, যেখানে প্রতিটি শব্দ তোমার হৃদয় স্পর্শ করবে, আর প্রতিটি চিন্তা তোমাকে আরও সমৃদ্ধশালী করে তুলবে। প্রতিটি ভিডিও তোমাকে দেবে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, শক্তি, সাহস ও এগিয়ে চলার প্রেরণা।

I've just reached 500 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏...
30/01/2026

I've just reached 500 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗🎉

⭕   পাপের বাপ কে ?এক শহরে এক ব্রাহ্মন বাস করতেন। তাঁর একটি সন্তান ছিল। বিদ্যা শিক্ষার জন্য তাকে গুরুকুলে পাঠানো হল। কিছু...
26/01/2026

⭕ পাপের বাপ কে ?
এক শহরে এক ব্রাহ্মন বাস করতেন। তাঁর একটি সন্তান ছিল। বিদ্যা শিক্ষার জন্য তাকে গুরুকুলে পাঠানো হল। কিছু বছর শিক্ষা সম্পূর্ণ করে সে বাড়ি ফিরে এল। এসে তাঁর পিতা কে বলল- পিতা আমি সকল শাস্ত্র তথা বেদ ,পুরান , ভাগবত , ন্যায়, স্মৃতি সব অধ্যায়ন করে এসেছি। কোনও কিছুই আর বাকি নেই। আপনি আমায় পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। তখন ব্রাহ্মন বললেন- সে ঠিক আছে , তো ওসব নয় পরে জিজ্ঞাসা করে দেখা যাবে, তুমি এত শিখে এসেছ যখন তখন তোমায় একটা প্রশ্ন করি তার যদি উত্তর দিতে পারো তবে জানবো তোমার শিক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে। তখন ব্রাহ্মন পুত্র বলল- বেশ আপনি জিজ্ঞাসা করুন। তখন ব্রাহ্মন বললেন- আচ্ছা পাপ কি জানো তো? পুত্র বললে- হ্যাঁ। তখন ব্রাহ্মন বললেন- বলতো পাপের বাপ কে ? পাপের বাপ!! শুনে তো ব্রাহ্মন পুত্র অনেক চিন্তা করলেন , কিন্ত কিছুতেই উত্তর খুঁজে পেলেন না। তখন সে তার লোটা কম্বল নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন আর পিতা কে বলে গেলেন- আমি যাচ্ছি এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে , যত দিন না এর উত্তর পাই ততদিন আমি আমি এই গৃহে ফিরবো না।

এই বলে ব্রাহ্মন পুত্র দেশ দেশান্তরে ঘুরে বেড়াতে লাগলো আর সকল কে জিজ্ঞাসা করতে লাগলো – পাপের বাপ কে? কিন্ত কারোর কাছেই এর সদুত্তর পেলো না। একদিন ঘুরতে ঘুরতে এক গ্রামে উপস্থিত হল। দেখে সামনেই এক সুন্দর বাড়ি। সারা বাড়ি সুন্দর করে মাটি দিয়ে নিকানো। সামনে তুলসী মঞ্চ। এদিকে ব্রাহ্মন পুত্রের খুব তেষ্টা পেয়েছে , তাই ওই বাড়ির দিকে এগিয়ে গেলেন। বাড়িতে প্রবেশ করতেই এক সুশীলা রমণী বেরিয়ে এসে বললেন- হে ঠাকুর আমার গৃহে আপনার পদস্পর্শে ধন্য হল। বলুন আপনার কি সেবা করতে পারি? তখন ব্রাহ্মন পুত্র বললেন- আমি খুব তৃষ্ণার্ত আমায় একটু জল দিতে পারেন? রমণী বললেন- সে কি ঠাকুর ! সামান্য জল , সে আর দিতে পারব না। দাঁড়ান আমি এখুনি এনে দিচ্ছি। বলে ভিতর থেকে পরিস্কার নির্মল এক পাত্র ঠাণ্ডা জল এনে দিল ব্রাহ্মন পুত্র কে। পরম তৃপ্তি তে সেই জল পান করে পাত্র টি ওই রমণীর হাতে দিয়ে ব্রাহ্মন পুত্র জিজ্ঞাসা করলেন- আচ্ছা , এই গৃহের মালিক কে? সেই ব্রাহ্মন বৈষ্ণব কে দেখছি না তো? কারণ ব্রাহ্মন পুত্র ভেবেছে যে , যে বাড়িতে তুলসী মঞ্চ আছে সেই বাড়ি নিশ্চয়ই কোনও বৈষ্ণবের বাড়ি। যাই হোক ব্রাহ্মন পুত্র এর প্রশ্নের উত্তরে ওই রমণী বললেন- ঠাকুর , এ কোনও ব্রাহ্মন এর গৃহ নয় এ হল বেশ্যার গৃহ। আমি এই গৃহের মালিক। এই শুনে ব্রাহ্মন পুত্র তিন লাফ খেয়ে উঠে বলল- ছিঃ ছিঃ! হায় রাম! এ কি করলাম আমি? পাপের বাপ খুঁজতে এসে নিজেই পাপ করে বসলাম! বেশ্যার হাতে জল খেয়ে আমি এ কি পাপ করলাম!! হায় ভগবান আমায় এখন গঙ্গা স্নান ও প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে! ওরে ও হতভাগী কুলটা! তোর এত টুকু বুক কাঁপল না আমাকে জল দিতে? আমি তোকে অভিশাপ দেব। সঙ্গে সঙ্গ রমণী বললেন- ঠাকুর আমার একটি নিবেদন আছে। পাপ তো যা হবার হয়েছেই। বলি কি আমি আপনার ভোজনের ব্যবস্থা করি , আপনি দুটো খেয়ে যান।আপনি না হয় একটার বদলে দুটো ডুব দেবেন গঙ্গায় আপনার পাপ ধুয়ে যাবে। আর আপনার ভোজন দক্ষিণা হিসাবে আমি আপনাকে পাঁচটি স্বর্ণ মুদ্রা দেব। ব্রাহ্মন পুত্র মনে মনে ভাবলেন , তাই তো পাপ যা হবার হয়েইছে যদি ভোজন করে একেবারে প্রায়শ্চিত্ত করি ক্ষতি কি উল্টে দক্ষিনাও মিলবে। তখন ব্রাহ্মন পুত্র বললেন- ঠিক আছে চাল , ডাল ইত্যাদি এনে দাও আমি স্বপাকে ভোজন করবো। তখন আবার রমণী বললেন- ঠাকুর একটা নিবেদন আছে , যদি আমি স্বহস্তে আপনাকে রান্না করে দিই। আপনি ভোজন করবেন। আমি না হয় ২০ স্বর্ণ মুদ্রা আপনাকে দেব দক্ষিণা স্বরূপ। আপনি না হয় গঙ্গায় তিনটে ডুব দিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করে নেবেন। ব্রাহ্মন পুত্র অনেক ভেবে সম্মত হলেন। তখন ওই রমণী কিছুক্ষণ পর ভোজন প্রস্তুত করে ব্রাহ্মন পুত্র এর সামনে রাখলেন।ব্রাহ্মন পুত্র আচমন করে খেতে যাবেন অমনি ওই রমণী বলে উঠলেন- ঠাকুর ! আমার একটি নিবেদন ছিল। আমার খুব সাধ আমি আপনাকে নিজ হাতে খাইয়ে দিই। অবশ্য এর জন্য আপনাকে ৫০ স্বর্ণ মুদ্রা আমি দক্ষিণা স্বরূপ দেব। আর আপনি একেবারে গঙ্গায় গিয়ে পাঁচ ডুব লাগাবেন আর আপনার সব পাপ ও ধুয়ে যাবে। তা ব্রাহ্মন পুত্র চিন্তা করে রাজি হলেন। তখন ওই রমণী এসে নিচু হয়ে মুখে খাবার তুলে দেবার পরিবর্তে সজোরে এক চড় মারলেন। তখন ব্রাহ্মন পুত্র ক্রোধে আসন ছেড়ে উঠে বললেন- কুলটা !! তোর এত সাহস! তুই আমার গালে চড় মারিস!! তোর সমুহ সর্বনাশ হবে। তখন ওই রমণী বললেন- ঠাকুর!তুমি যে আমার হাতে খেতে চাইলে , এক কুলটার হাতে খেতে চাইলে কেন বলতে পারো? ব্রাহ্মন পুত্র বললেন- তোমার ভক্তি ভাবে আমি রাজি হয়েছিলাম। রমণী বললেন- ভুল। তুমি নিজেকে নিজে প্রশ্ন করে দেখ!! কোনও ভাব , প্রেম নয় তুমি স্বর্ণ মুদ্রার লোভে রাজি হয়েছিলে। শোন ঠাকুর তুমি দেশ দেশান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছিলে পাপের বাপ কে জানতে? শোন পাপের বাপ হল লোভ। পৃথিবীতে যত পাপ সংঘটিত হয় সব লোভের দ্বারা পরিচালিত হয়ে। তুমি ব্রাহ্মন পুত্র তবুও তোমার লোভ তোমাকে পাপের পথে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। লোভ কে জয় করো তাহলে পাপ ও দূরীভূত হবে। জেনে রাখবে পাপের বাপ হল লোভ। ব্রাহ্মন পুত্র অধোবদনে সব শুনে আসতে আসতে ওই গৃহ পরিত্যাগ করে নিজ গৃহের দিকে যাত্রা করিলেন।

সংগৃহীত


#পাপ
#লোভ

゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

যারা অতিরিক্ত টেনশন করেন—এই কথাটা তাদেরই জন্য।প্রতিদিনের দুশ্চিন্তা আসলে এক নীরব বিষ।চুপচাপ ঢুকে পড়ে মনে,কেড়ে নেয় শান্ত...
22/01/2026

যারা অতিরিক্ত টেনশন করেন—এই কথাটা তাদেরই জন্য।

প্রতিদিনের দুশ্চিন্তা আসলে এক নীরব বিষ।
চুপচাপ ঢুকে পড়ে মনে,
কেড়ে নেয় শান্তি,
ক্লান্ত করে শরীর,
আর ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দেয় আপনজনদের।
একটা ভুলে পৃথিবী ভেঙে পড়ে না।
কিন্তু আপনি যদি বারবার টেনশনের কাছে হার মানেন,
তাহলে ভেঙে পড়ে আপনার ভেতরের সাহসটাই।
আপনি ভাবেন—
“চিন্তা করলে সমাধান আসবে।”
কিন্তু বাস্তবে দুশ্চিন্তা
শুধু আপনার মুখের হাসিটাই মুছে দেয়।
আর সবচেয়ে কষ্টের কথা—
আপনার এই অতিরিক্ত টেনশন
আপনাকে নয়,
আপনার আশেপাশের মানুষগুলোকেও
নীরবে কষ্ট দেয়।
তাই একবার থামুন।
কারণ যে খাঁচায় আপনি বন্দী,
সেটা বাইরে নয়—
সেটা আপনার মনের ভেতর।
আর সেই খাঁচার চাবি
আজও আপনার হাতেই।

🛡 দুশ্চিন্তা থেকে বের হওয়ার ৫টি সহজ অস্ত্র

১) সবকিছু নিজের হাতে রাখতে চাইবেন না
সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা মানুষের কাজ নয়।
যা আপনার হাতে নেই,
তা ছেড়ে দিতে শিখুন।
অর্ধেক বোঝা এমনিতেই হালকা হবে।

২) টেনশন এক মরীচিকা
দূর থেকে সত্য মনে হয়,
কিন্তু কাছে গেলে শূন্য।
এটা শুধু শক্তি খায়,
কিছুই দেয় না।

৩) ধৈর্যকে বন্ধু বানান
সব পরিবর্তন সময় চায়।
আজ না হোক, কাল ঠিক হবেই।
রাত যত গভীর,
ভোর তত কাছে।

৪) নিজেকে ক্ষমা করুন
অন্যকে ক্ষমা করেন,
কিন্তু নিজেকে কেন নয়?
ভুল মানুষই করে।
আবার উঠে দাঁড়ানোই আসল শক্তি।

৫) নিজের প্রতিক্রিয়া বেছে নিন
পৃথিবী আপনার মতো হবে না।
কিন্তু আপনি চাইলে
নিজের মনকে শান্ত রাখতে পারেন।
প্রতিদিন নিজেকে বলুন—
“আমি শান্ত।”
“আমি শক্তিশালী।”
“আমি পারব।”

🌿 শেষ কথা
চিন্তা করে
না অতীত বদলানো যায়,
না ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যায়।
কিন্তু বর্তমানটা নষ্ট করা যায় —
এটাই সত্য।
আজই ঠিক করুন—
আপনি কি ভয়ের খাঁচায় থাকবেন,
নাকি সাহস নিয়ে বেরিয়ে আসবেন?

জীবন আপনার।
সিদ্ধান্তও আপনার।






゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

এক রাজ্যে ছিলেন এক প্রজ্ঞাবান রাজা। তিনি জানতে চাইলেন—তার মন্ত্রীরা কতটা সৎ, দূরদর্শী এবং দায়িত্ববান।একদিন তিনি তিন মন্...
21/01/2026

এক রাজ্যে ছিলেন এক প্রজ্ঞাবান রাজা। তিনি জানতে চাইলেন—তার মন্ত্রীরা কতটা সৎ, দূরদর্শী এবং দায়িত্ববান।
একদিন তিনি তিন মন্ত্রীকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন—
“এই তিনটি খালি বস্তা নাও। জঙ্গলে যাও। আমার জন্য ফল সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে। যে যত দ্রুত বস্তাভর্তি করে ফিরতে পারবে, সে ততই বুদ্ধিমান বলে গণ্য হবে।”
তিন মন্ত্রী রওনা দিলেন।
প্রথম মন্ত্রী ভাবলেন—
“রাজার আদেশ মানে শুধু বস্তা ভরানো নয়, দায়িত্বকে সম্মান করা।”
তিনি খুঁজে খুঁজে টাটকা, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল বস্তায় ভরলেন।
দ্বিতীয় মন্ত্রী মনে মনে হাসলেন—
“রাজা কি আর বস্তা খুলে দেখবেন? উপরে ভালো ফল রাখলেই চলবে।”
তিনি নিচে পচা ফল ভরে, উপরে সামান্য ভালো ফল সাজালেন।
তৃতীয় মন্ত্রী আরও এক ধাপ এগিয়ে ভাবলেন—
“রাজা শুধু বস্তা পূর্ণ দেখবেন।”
তিনি ফল নয়—পাতা, শুকনো ঘাস আর কাঠকুটো দিয়ে বস্তা ভরলেন।
সন্ধ্যার আগেই তিনজন দরবারে উপস্থিত।
তিনটি বস্তাই পূর্ণ—রাজা সন্তুষ্ট।
কিন্তু তিনি বস্তা খুললেন না।
হঠাৎ রাজা ঘোষণা করলেন—
“এই তিন মন্ত্রীকে তাদের বস্তাসহ সাত দিনের জন্য পৃথক কারাগারে রাখা হবে।
এই সময় কোনো খাদ্য দেওয়া হবে না।”
মন্ত্রীদের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
কিন্তু তখন আর কিছু করার নেই।
কারাগারে—
প্রথম মন্ত্রী সাত দিন নিশ্চিন্তে রইলেন।
কারণ তার বস্তা ছিল প্রকৃত ফলভরা।
দ্বিতীয় মন্ত্রী দু’দিন পরেই বিপদে পড়লেন।
ভালো ফল শেষ, পচা ফল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন।
তৃতীয় মন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই অনাহারে কাতরাতে লাগলেন।
কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি নিঃশেষ হয়ে গেলেন।
সপ্তম দিনে রাজা বললেন—
“আমি বস্তা দেখিনি, কিন্তু তোমাদের কর্মই তোমাদের বিচার করেছে।”



#কর্মফল
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

মানসিক শান্তি না থাকলে, মানুষ বেঁচে থাকলেও আসলে জীবন্ত লাশের মতোই হয়ে যায়।               ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
06/01/2026

মানসিক শান্তি না থাকলে, মানুষ বেঁচে থাকলেও আসলে জীবন্ত লাশের মতোই হয়ে যায়।














゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

বেঁচে থাকার জন্য শুধু শ্বাস নেওয়া যথেষ্ট নয়, লড়তে হয় ভাগ্যের সঙ্গে, চলতে হয় সময়ের স্রোতে, আর জিততে হয় নিজের সীমাবদ্ধতা...
02/01/2026

বেঁচে থাকার জন্য শুধু শ্বাস নেওয়া যথেষ্ট নয়, লড়তে হয় ভাগ্যের সঙ্গে, চলতে হয় সময়ের স্রোতে, আর জিততে হয় নিজের সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে।














゚viralシalシ

ব্যর্থতা নয়, আপনার দৃষ্টিভঙ্গিই নির্ধারণ করবে আপনার ভবিষ্যৎ“তুমি পরীক্ষায় ফেল করেছ? তাহলে তুমি কিছুই করতে পারবে না!”—এই ...
27/10/2025

ব্যর্থতা নয়, আপনার দৃষ্টিভঙ্গিই নির্ধারণ করবে আপনার ভবিষ্যৎ

“তুমি পরীক্ষায় ফেল করেছ? তাহলে তুমি কিছুই করতে পারবে না!”—এই ধারণা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় গভীরভাবে প্রোথিত। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, বিশ্বের অনেক সফল মানুষই একসময় প্রথাগত শিক্ষায় ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাদের গল্প প্রমাণ করে, জীবনের সফলতা নির্ভর করে না শুধু নম্বর কিংবা সার্টিফিকেটে, বরং দৃষ্টিভঙ্গি, সাহস ও অধ্যবসায়ের ওপর।

যারা ব্যর্থতাকে জয় করেছেন

জ্যাক মা: প্রত্যাখ্যানের ইতিহাস থেকে বিশ্ববিজয়
চীনের আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা জীবনে অসংখ্যবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় গণিতে পেয়েছিলেন মাত্র ১ নম্বর। তিনবার চেষ্টার পর একটি স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান। চাকরির ক্ষেত্রেও ভাগ্য তার সহায় হয়নি—কেএফসিতে ২৪ জন আবেদনকারীর মধ্যে ২৩ জন নির্বাচিত হন, একমাত্র তিনি বাদ পড়েন। পুলিশের চাকরিতেও একই পরিণতি। কিন্তু জ্যাক মা কখনও হাল ছাড়েন নি। ১৮ জন সহকর্মীকে নিয়ে নিজ বাড়ি থেকে শুরু করা আলিবাবা আজ বৈশ্বিক ই-কমার্স সাম্রাজ্য।

স্টিভ জবস: অসমাপ্ত শিক্ষায় গড়া প্রযুক্তি সাম্রাজ্য
অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতাস্টিভ জবস কলেজ ড্রপআউট ছিলেন। পড়ালেখার প্রতি অনাগ্রহী হলেও প্রযুক্তি ও নকশার প্রতি তার আবেগ তাকে মাত্র ২০ বছর বয়সে একটি গ্যারেজ থেকে অ্যাপল কম্পিউটার তৈরি করতে উদ্বুদ্ধ করে। মাঝপথে নিজ প্রতিষ্ঠান থেকেই বরখাস্ত হওয়ার মতো বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি ফিনিক্স পাখির মতো আবার উঠে দাঁড়িয়েছেন এবং আইফোন, আইপ্যাডের মাধ্যমে প্রযুক্তি জগতেই বিপ্লব সৃষ্টি করেছেন।

বিল গেটস: হার্ভার্ড ড্রপআউট থেকে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা
বিশ্বের শীর্ষ ধনীব্যক্তিদের একজন বিল গেটস হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েও ডিগ্রি অসমাপ্ত রেখে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি প্রমাণ করেছেন যে ডিগ্রি না থাকলেও উদ্ভাবনী চিন্তা ও দূরদর্শিতা দিয়ে কীভাবে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি বিপ্লব সৃষ্টি করা যায়।

ধীরুভাই আম্বানি: সাধারণ ছাত্র থেকে ভারতের শিল্পসম্রাট
ভারতের রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানি পড়ালেখায় ছিলেন মাঝারি মানের ছাত্র। কিন্তু তার বুদ্ধিমত্তা, ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা এবং ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা তাকে একটি ছোট্ট দোকান থেকে ভারতের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠীর মালিকে পরিণত করে।

উইনস্টন চার্চিল: শিক্ষায় ব্যর্থ থেকে যুদ্ধনায়ক
ব্রিটেনের wartime prime minister উইনস্টন চার্চিল স্কুল জীবনে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন। শিক্ষকরা তাকে “কিছুই করতে পারবে না” বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। অথচ তিনিই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনকে নেতৃত্ব দিয়ে ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছেন, এবং নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন।

ব্যর্থতা জীবনের পাঠশালা

এই অসাধারণ মানুষদের গল্প আমাদের শেখায় যে শিক্ষাগত ব্যর্থতা জীবনের শেষ কথা নয়। বরং এটি একটি অধ্যায় মাত্র, যেখান থেকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ পাঠ নিতে পারি। ব্যর্থতা আমাদেরকে শেখায়:

· স্থিতিস্থাপকতা: কীভাবে পতনের পর আবার উঠে দাঁড়াতে হয়
· সৃজনশীলতা: প্রচলিত পথে না হেঁটে নতুন পথ খুঁজে নেওয়া
· নিজেকে চেনা: নিজের শক্তি ও দুর্বলতা বুঝতে পারা
· অধ্যবসায়: লক্ষ্যে অবিচল থাকার গুরুত্ব

আপনার যাত্রা শুরু হোক আজই

আপনি যদি পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে থাকেন, মনে রাখবেন:

· আপনি একা নন—বিশ্বের অনেক সফল মানুষই এই পথ পাড়ি দিয়েছেন
· আপনার মূল্য নির্ধারিত হয় না কোনো পরীক্ষার নম্বর দ্বারা
· ব্যর্থতা একটি ঘটনা, আপনার পরিচয় নয়
· এই অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া শিক্ষাই আপনার ভবিষ্যতের ভিত্তি গড়ে দিতে পারে

জীবনে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজন সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, সাহস এবং অক্লান্ত পরিশ্রম। আপনার স্বপ্নকে কখনও ছোট হতে দেবেন না।

আপনার যাত্রাপথে ব্যর্থতা কোনো অন্তরায় নয়, বরং এটি আপনার জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিতে পারে। বিশ্বাস রাখুন নিজের ওপর, এগিয়ে যান নিরন্তর।










゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

সবজি ওজন করার সময় যদি পাল্লায় একটি মাছি বসে, ওজনে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না। বিক্রেতা বা ক্রেতা কেউই তাতে গুরুত্...
25/10/2025

সবজি ওজন করার সময় যদি পাল্লায় একটি মাছি বসে, ওজনে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না। বিক্রেতা বা ক্রেতা কেউই তাতে গুরুত্ব দেয় না। কিন্তু ঠিক সেই একই মাছি যদি স্বর্ণের পাল্লায় বসে, তখন তার উপস্থিতিই ওজনে দশ-বিশ হাজার টাকার পার্থক্য গড়ে দেয়।

অদ্ভুত শোনালেও, এখানে ওজন বড় কথা নয় — বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো, সে মাছি কোথায় বসেছে, তার অবস্থান কোথায়। সবকিছুরই মূল্য পরিবেশের ওপর নির্ভর করে।

মানুষের জীবনও তেমনই। তুমি যতই যোগ্য হও না কেন, যদি ভুল পরিবেশে, নেতিবাচক চিন্তাধারার মানুষের মাঝে থাকো, তোমার প্রতিভা ও মর্যাদা ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যাবে। কিন্তু যখন তুমি নিজেকে উত্তম পরিবেশে রাখবে, ভালো ও প্রজ্ঞাবান মানুষের সংস্পর্শে আসবে, তখন তোমার মূল্য নিজের অজান্তেই বহুগুণে বেড়ে যাবে।

তাই জীবনে সবসময় চেষ্টা করো এমন জায়গায় অবস্থান করতে, যেখানে তোমাকে সম্মান করা হবে, তোমার বিকাশ হবে, আর তোমার চিন্তাধারা পবিত্র থাকবে।
কারণ তোমার পরিবেশই তোমার মূল্য নির্ধারণ করে, যেমন মাছির ওজনকেও মূল্যবান বানিয়ে তোলে স্বর্ণের পাল্লা।











゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

🙏 একটা হাতি মরার পর যমালয়ে গেছে। যমরাজ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “হ্যাঁ রে.! তোকে এত বড় একটা প্ৰকাণ্ড শরীর দিয়ে পাঠানো হয়...
22/10/2025

🙏 একটা হাতি মরার পর যমালয়ে গেছে। যমরাজ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “হ্যাঁ রে.! তোকে এত বড় একটা প্ৰকাণ্ড শরীর দিয়ে পাঠানো হয়েছিল, আর তুই মানুষের বশ হলি কী করে.? তোর একটা পায়ের সমান মানুষ, সেই ছোট্ট মানুষটা তোকে বশ করে নিল.?”
হাতি বলল, “মহারাজ.! মানুষ এমনই এক জাত যে আমার চেয়েও বড় বড় প্ৰাণীকে সে বশ করে নেয়.!”
ধৰ্মরাজ বলেন, “আমার এখানে তো কতই না মানুষ আসে। কই, তাদের দেখে তো এমন মনে হয় না।“
হাতি বলল, “মহারাজ ! আপনার এখানে তো তারা আসে মরার পরে। যদি জীবন্ত মানুষ আসত তো বুঝতে পারতেন.!”

ধৰ্মরাজ দূতকে বললেন, “যা তো, একজন জীবন্ত মানুষ এখানে নিয়ে অায়.!”
যমদূত বলল, “জী হুজুর এখনি যাচ্ছি...!”
দূত পৃথিবীতে বিচরণ করতে করতে এক জায়গায় দেখল, গরমে ছাদের উপরে খাটে একটা লোক ঘুমাচ্ছে। সে তখন খাট সমেত লোকটাকে কাঁধে তুলে নিয়ে যমালয়ের দিকে রওনা হল। মাঝপথে লোকটার ঘুম ভেঙে গেল... দেখল, অদ্ভুত ব্যাপার.! কেউ তাকে শূন্যে তুলে নিয়ে যাচ্ছে...!

লোকটা ছিল এক কায়স্থ, বইটই লিখত। বইতে যমদূতের যে সকল লক্ষণ লেখা আছে, সেইরকম দেখে সে বুঝল, এ নির্ঘাত যমদূত । আমাকে তাহলে যমালয়ে নিয়ে যাচ্ছে । সে তখন পকেট থেকে তাড়াতাড়ি কাগজ কলম বার করে খচখচ করে কী সব লিখেই কাগজটা পকেট পুরে নিল। তারপর চুপচাপ খাটের উপর মটকা মেরে পড়ে রইল । ভাবল চিৎকার – চেঁচামেচি করলে পড়ে গিয়ে হাড়গোড় ভাঙবে। দেখা যাক কী হয়। সকাল হতে না হতেই দূত যমালয়ে পৌঁছে গেল। ধৰ্মরাজের সভা সবে মাত্ৰ আরম্ভ হয়েছে। দূত গিয়ে সেখানে খাট নামাল......

কায়স্থ হঠাৎ করে উঠেই পকেট থেকে একটা কাগজ বার করে দূতের হাতে দিল ধৰ্মরাজকে দেবার জন্য। সেই চিরকুট ভগবান বিষ্ণুর নামে লেখা হয়েছিল। দূত কাগজটি ধৰ্মরাজের হাতে দিলে ধৰ্মরাজ সেটি মন দিয়ে পড়লেন......

তাতে লেখাছিল —
“প্রিয় ধৰ্মরাজ.!
আপনাকে জানানো হচ্ছে যে এই পত্ৰবাহক আমার একান্ত – সচিব। একে আপনার কাছে পাঠালাম। একে দিয়ে আপনি যাবতীয় কাজ করাবেন।
ইতি নারায়ণ, বৈকুণ্ঠপুরী।“

লেখা পড়েই ধৰ্মরাজ তড়াক করে গদি থেকে উঠে এসে কায়স্থকে বললেন, “আসুন মহারাজ.! সিংহাসনে বসুন.!”

কালবিলম্ব না করে কায়স্থ ধৰ্মরাজের সিংহাসনে গিয়ে বসল। ততক্ষণে দূত একটা লোককে নিয়ে এসে সভায় হাজির করল।
কায়স্থ বলল, “এ কে.?”
দূত জানায় — “হুজুর, এ একটা ডাকাত। বহু লোকের সর্বনাশ করেছে, বহু লোককে খুন করেছে। এর কী দণ্ড হবে.?”
কায়স্থ বলল, “একে স্বৰ্গে পাঠিয়ে দাও.!”

তারপর আর একজনকে উপস্থিত করা হল ।
কায়স্থ জিজ্ঞাসা করল, “এ কে.?”
দূত বলল — “এ একজন দুধওয়ালা, দুধে ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করত। সেই ভেজাল দুধ খেয়ে বহু ছোট ছোট শিশু পেট ফুলে মারা গেছে। এর কী শাস্তিবিধান হবে.?”
- “একেও স্বৰ্গে পাঠিয়ে দাও.!”

ততক্ষণে আরেকজন উপস্থিত হল। “এ কে.?”
দূত — “হুজুর এ মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে বহু বেচারিকে ফাঁসিয়েছে। একে কী করব.?”
কায়স্থ – “জিজ্ঞাসা করছ কী.? সব স্বৰ্গে পাঠিয়ে দাও.!”

এরপর ও ব্যভিচারী, পাপী, হিংসুটে যত রকমের দুষ্ট থাকতে পারে সব একে একে এল, আর সবাইকার জন্য ওই একই হুকুম হল “স্বৰ্গে পাঠিয়ে দাও.!”
ধৰ্মরাজ আর কী করবেন...! সিংহাসনে বসে বিষ্ণুর একান্ত সচিব যা বলছেন তাই মেনে নিতে হবে। ওদিকে স্বৰ্গে তো লাইন পড়ে গেছে, দেখে ভগবান ভাবছেন, একি কাণ্ড.! এত লোক কোথা থেকে আসছে.? পৃথিবীতে কী তবে কোনো মহাত্মার আবিৰ্ভাব হল নাকি.? লোকে দল বেঁধে স্বৰ্গে হাজির হচ্ছে। ভগবান দেখলেন, সব যমালয় থেকে উঠে আসছে। নারায়ণ তখন নিজেই যমালয়ে গেলেন।

নারায়ণকে দেখে সবাই উঠে দাঁড়াল। যমরাজ উঠে দাঁড়ালেন, আর ওই কায়স্থ ও উঠে দাঁড়াল ।
নারায়ণ জিজ্ঞাসা করলেন, “ধৰ্মরাজ.! আপনি সবাইকে স্বৰ্গে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, ব্যাপার কী.? এত লোক ভক্ত হয়ে গেল নাকি.?”
ধৰ্মরাজ বললেন, “প্ৰভু.! এ কাজ আমি করিনি। আপনি যে লোক পাঠিয়েছেন, এ তারই কাজ.!”
ভগবান নায়ায়ণ বললেন, “আমি আবার কবে লোক পাঠালাম.?”
তিনি কায়স্থকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমাকে কে পাঠিয়েছে.?”
কায়স্থ বলল, “প্ৰভু.! আপনি পাঠিয়েছেন.!”
ভগবান নারায়ণ অবাক হয়ে বললেন, “আমি কবে পাঠালাম হে.?”

কায়স্থ বলল, “প্ৰভু.! এখানে আসা আমার বাপের সাধ্য কী যে আসব। আপনিই তো আমাকে পাঠিয়েছেন। আপনার ইচ্ছা ছাড়া কি কোনো কাজ হতে পারে.? এ কি আমার শক্তিতে হয়েছে.?”
নারায়ণ বললেন, “তা ঠিক আছে.! কিন্তু তুমি এ কী করছ.?”
কায়স্থ বলল, “কী করেছি প্ৰভু.?”
নারায়ণ বললেন, “তুমি যে সবাইকে স্বৰ্গে পাঠিয়ে দিয়েছ.?”
কায়স্থ বলল, “যদি স্বৰ্গে পাঠানো অন্যায় হয়ে থাকে তবে যত সাধু, সন্ত, মহাত্মা আছে সবাইকেই দণ্ড দিতে হয়। আর যদি আমি ঠিক করে থাকি, তবে আর কৈফিয়ৎ কিসের.? এতে যদি আপনার মত না থাকে তো সবাইকে ফেরত পাঠিয়ে দিন...! তবে শ্ৰীমদ্ভগবদগীতায় আপনার যে বাণী লেখা আছে তা কেটে ফেলতে হবে — “যদা গত্বা ন নিবৰ্তন্তে তদধাম পরমং মম” ( গীতা ১৫ । ৬ ) “’অর্থাৎ আমার ধামে পৌঁছে কেউ ফিরে আসে না.!”
নারায়ণ — “কথা তো ঠিক.! যত বড়ই পাপী হোক না কেন যদি স্বৰ্গে অর্থাৎ বৈকুণ্ঠধাম যায় তবে ফিরে আসেন না। তার সমস্ত পাপক্ষয় হয়ে যায়। কিন্তু এ কাজ তুমি কেন করলে.?”
কায়স্থ বলল, “আমি তো ঠিক কাজই করেছি প্ৰভু.? আমার কাছে যে আসবে আমি তাকেই স্বৰ্গে পাঠিয়ে দেব। আমি কাউকে দণ্ড দেব না। আমি জানি, অল্প সময়ের জন্য সিংহাসন পেয়েছি, তো ভালো কাজ কেন করব না.? মানুষকে উদ্ধার করা কি খারাপ কাজ.?”

নারায়ণ যমরাজকে বললেন, “ধৰ্মরাজ.! আমি বুঝতে পারছিনা, একে আপনি সিংহাসনে বসালেন কী কারণে.?”
ধৰ্মরাজ বললেন, “প্ৰভু.! আপনার লেখা চিরকুট আমার কাছে রয়েছে। ওতে আপনি স্পষ্ট করে এই নিৰ্দেশ দিয়ে তাকে পাঠিয়েছেন।“

ভগবান কায়স্থকে জিজ্ঞাসা করলেন, “ওহে, তোমাকে আবার চিরকুট দিয়ে কখন পাঠালাম আমি.?”
কায়স্থ বলল, “আপনি শ্ৰীমদ্ভগবদগীতায় বলেছেন ‘’সর্বস্য চাহং হৃদিসন্নিবিষ্টং’’ ( গীতা ১৫/৭ ) ‘’আমি সকলের হৃদয়ে বাস করি’’। অতএব হৃদয় থেকে আদেশ এসেছে কাগজে লিখে দাও, তাই কাগজে লিখে দিয়েছি। আদেশ তো আপনারই। যদি এটা আপনি আমার কথা মনে করেন তো গীতা থেকে ওই কথাগুলো বাদ দিয়ে দিন...!”
নারায়ণ বললেন, “ঠিক কথা।“
তিনি ধৰ্মরাজকে প্রশ্ন করলেন, “ওহে ধৰ্মরাজ.! ব্যাপার কী.? এই জীবন্ত মানুষ এখানে এল কী করে.?”
ধৰ্মরাজ দূতকে জিজ্ঞাসা করলেন, “যমালয়ে জীবন্ত মানুষ নিয়ে এলি কেন.?”
দূত বলল, “ধৰ্মরাজ.! আপনিই তো একদিন বলেছিলেন একটা জীবন্ত মানুষ নিয়ে আসার জন্য।“
ধৰ্মরাজ বললেন, “এই সেই লোক নাকি.? আরে, সবকিছু বলবি তো.!”
দূত বলল, “আমি কী বলব মহারাজ। আপনিই তো কাগজটা নিলেন আর একে সিংহাসনে বসিয়ে দিলেন। তাই আমি আর কিছু বলার সাহস পাইনি.!”

হাতিটা কিন্তু ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সব দেখছিল।
সে যমরাজকে বলল, “হুজুর, আপনি বলেছিলেন আমি কী করে মানুষের বশ হলাম...... এখন দেখছি আপনি এবং নারায়ণও স্বয়ং মানুষের বশ হয়ে গেছেন। এই কালো চুলওয়ালা মানুষ খুব সাংঘাতিক মহারাজ.! এ যদি মনে করে সব ওলোট – পালট করে দিতে পারে। কিন্তু এ তো নিজেই সংসারে ফেঁসে আছে.!”

ভগবান বললেন, “এখন যা হবার হয়ে গেছে, কী আর করা যাবে.! বাবা.! তুমি এবারে ফিরে যাও.!”
কায়স্থ বলল, “প্ৰভু গীতায় আপনি বলেছেন, “মামুপেত্য তু কৌন্তেয় পুনৰ্জন্ম ন বিদ্যতে” ( গীতা ৮ । ১৬ ) ‘”আমাকে পাবার পর পুনরায় আর জন্ম নিতে হয়না, তা এখন বলুন আপনাকে কী আমি পাইনি.?”
ভগবান বললেন, “আচ্ছা বাবা.! তুমি চলো আমার সঙ্গে.!”
কায়স্থ বলল, “প্ৰভু.! কেবল আমিই যাব.? ওই হাতি বেচারা এখানেই থাকবে.? এর কৃপাতেই তো আমি এখানে এসেছি। একেও তাহলে সঙ্গে নিই, প্ৰভু।“
হাতি বলল, “প্ৰভু.! আমার অনেক স্বজাতি এখানে নরক ভোগ করছে, তাদেরও তবে সঙ্গে নিয়ে নিন।“
ভগবান নারায়ণ বললেন — “চল বাবা, সবাইকেই নিয়ে চল...!”
যমালয়ে ভগবানের আসার ফলে হাতির মঙ্গল হল, কায়স্থেরও মঙ্গল হল অন্য সকলেরও মঙ্গল হল...!

এটি কল্পিত গল্প...... কিন্তু এর তাৎপৰ্য খুব গভীর অৰ্থবহ। কোনো অধিকার যদি পাও তবে তা দিয়ে সকলের মঙ্গল করো। যতটা পার ভালো করো। নিজের দিক থেকে কারো কোনো মন্দ করো না, কাউকে দুঃখ দিও না।

গীতার বাণী ‘”সৰ্বভূতহিতে রতাঃ’” ( গীতা ৫ । ২৫ , ১২ । ৪ ) “অর্থাৎ জীব মাত্রেরই মঙ্গল চিন্তা করো।“
অধিকার, পদ ইত্যাদি কিছু দিনের জন্য পাওয়া গেছে, চিরকাল থাকবে না। সুতরাং সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করো পদাধিকারী হয়ে অহংকার নয় সৎ ব্যবহার করো...!!!








゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

নিজেকে ভালো রাখার কৌশল.....               ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
21/10/2025

নিজেকে ভালো রাখার কৌশল.....














゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

🙏🌸 শুভ কালীপূজার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা 🌸🙏
20/10/2025

🙏🌸 শুভ কালীপূজার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা 🌸🙏

প্রতিটি সূর্যোদয় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়, তাই জ্বলতে শেখো, আর সূর্যের মত আলো ছড়াও।                ゚viralシviral...
09/10/2025

প্রতিটি সূর্যোদয় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়, তাই জ্বলতে শেখো, আর সূর্যের মত আলো ছড়াও।















゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ

Address

Old Malda

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hriday Inspires posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share