M Status Zone

M Status Zone Single life best Life...

With M. Mahato – I'm on a streak! I've been a top fan for 10 months in a row. 🎉
23/01/2026

With M. Mahato – I'm on a streak! I've been a top fan for 10 months in a row. 🎉

10/01/2026

সত্যি তোকে অনেক ভালোবাসি
Last Part
ইসরাত জাহান প্রভা
......
নিলয়ের রুমে,,,

নিলয় পড়া পড়ছে আরে কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনছে।।

নিলয়: এ জাতীয় নিউক্লিওফিলিক প্রতিস্থাপন দুই ধাপে ঘটে।।বিক্রিয়াটি প্রথম ক্রম বিক্রিয়।।(ও মালিহা ও মালিহা আই লাবু,আই লাবু)

মালিহা নিলয়ের রুমে ঢুকে নিলয়ের কথা শুনে নিলয়কে জড়িয়ে ধরতেই নিলয় "ও মাগো,ও আপু গো ভূত আমারে জড়ায় ধরছে গো।।ও মালিহা বাঁচাও আমারে" বলে চোখ বন্ধ করে দৌড় দিয়ে রুমের দরজার সামনে থেকে ঘুরে আবার ভেতরে আসতে থাকে।।মালিহা হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়লো প্রায়।।নিলয় দৌড়ে মালিহাকে না দেখে মালিহাকে নিয়ে ধাক্কায় বিছানার ওপর পরে যায়।।মালিহা তো ভয়ে নিলয়ের বুকে মাথা গুজে দিয়েছে।।নিলয় ভয়ে চোখ বন্ধ করে মালিহাকে জড়িয়ে ধরেছে নিজের অজান্তেই।

পায়েল নিলয়ের চিৎকার শুনে রুমে এসে নিলয় আর মালিহার কান্ড দেখে হাত তালি দিতে থাকে।চমকে উঠে নিলয় চোখ খুলে মালিহাকে কাছে দেখে আ আ আ করে চিৎকার দিয়ে দূরে সরে যায়।।মালিহা নিলয়ের চিৎকার শুনে হাত দিয়ে কান চেপে ধরে।।

মালিহা: নিলয়ের বাচ্চা কানের পোকা সব বের করে ফেললি।।থাম একটু থাম।।

নিলয়: এই তুমি কখন এলে??জানো আমাকে না ভূত জড়িয়ে ধরেছে মালিহা।।আমিও ধীরে ধীরে বোধ হয় ভূত হয়ে যাবো মালিহা।।আমাকে বাঁচাও।।(মালিহাকে ধরে মায়াকান্নায়)

পায়েল: কী রে আপু!!ভাইয়া এসব কী বলে?

মালিহা: আরে বাবু কাঁদছো কেনো??আমি আছি তো।।আমি থাকতে আবার ভূত লাগে?আমি তোকে মেরে ভূত বানায় দিবো।।বেয়াদপ।।তোরে জড়ায় ধরছি আমি।।কোনো ভূত না।।(নিলয়ের কলার টেনে নিলয়কে ঝাঁকি দিতে দিতে)

নিলয়: সরি মালিহা।।ভুল হয়ে গেছে।।ছেড়ে দাও একটু।।আর হবে না।।(ঝাঁকি খেতে খেতে)

মালিহা নিলয়কে ছেড়ে দিয়ে বললো,এই তোমার সমস্যা কী?এত ভয় পাও কেনো?(রাগে বিরক্ত নিয়ে)

নিলয়: ওভাবে পেছন থেকে কেউ জড়িয়ে ধরলে ভয় তো পাবোই।।

মালিহ: তাহলে কাছে আয়।।তোকে সামনে থেকে জড়িয়ে ধরি।।আয়।।(হাসি নিয়ে)

নিলয়: নাহ।।আ..আজ না।।আরে..আ..আরেক দিন।।(তোতলিয়ে)

মালিহা: তাহলে বাবু কাছে এসো একটা কিসি দেই।।

মালিহা নিলয়ের কাছে এসে ঠোঁটে ঠোঁট বসানোর আগেই নিলয় এক দৌড়ে পালিয়ে চলে গেলো।

মালিহা:যাহ!আজকেও পালালো?(হতাশায়)

পায়েল:আপুরে ভাগ্য করে একটা জামাই পেতে চলেছিস।।(হাসতে হাসতে)

মালিহা: হুম।।আমার জামাই বেষ্ট।।(কিউটি হাসি দিয়ে)
...

গত ৩ দিনে নিলয় আর মালিহা চুটিয়ে প্রেম করেছে।।নিলয় মোটামুটি প্রেম শিখে গেছে।।
লাবিব কে শুভর মা,বাবা খুব পছন্দ করেছে।।আজ মালিহা,নিলয় ও লাবিব পায়েলের বিয়ে।।সকাল থেকেই সকলে মিলে কাজ শুরু করে দিয়েছে।।স্বল্প পরিসরে কিছু মানুষ উপস্থিত থেকে বিয়েটা সম্পন্ন হলো।। .....
লাবিব,পায়েলের বাসর ঘরে,

ঘোমটা পরে বসে আছে পায়েল।।লাবিব এসে মাথা নিচু করে বসে পড়লো।।অনেক্ষন চুপ থেকে পায়েল বললো,আজকে থেকে তুমি মাথা উঁচু করে আমাকে দেখবে।।মনে থাকবে তো?

লাবিব মাথা উঁচূ করে বললো,হ্যাঁ থাকবে।।

লাবিব পায়েলের ঘোমটা তুলে দিয়ে পায়েলকে বুকে টেনে নিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে হারিয়ে গেলো এক ভালোবাসার শহরে।।....
মালিহা আর নিলয়ের রাসরঘরে,
ঘোমটা দিয়ে বসে আছে মালিহা।।নিলয় রুমে এসে দরজা বন্ধ করে দিয়ে মালিহাকে হাই বলে সোজা পড়ার টেবিলে গিয়ে পড়তে শুরু করলো।।মালিহা অবাক হয়ে নিলয়ের কান্ড দেখতে লাগলো।।

মালিহা: এই নিলয় এক্ষনি এখানে এসো।।(প্রচন্ড রাগে)

নিলয়: দুই দিন তো পড়ি নি আজ সব মেকাপ দিয়ে তারপর ঘুমাবো।।তুমি ঘুমিয়ে পড়ো মালিহা।।

মালিহা প্রচন্ড রাগে নিলয়ের কাছে গিয়ে নিলয়কে টেনে তুলি নিলয়ের ঠোঁট ঠোঁট মেলাতে মেলাতে বিছানায় ফেলে দিলো।।।নিয়ল ধপ করে উঠে দরজার কাছে গিয়ে বলে,এ কী করছো মালিহা??এগুলো তো পাপ।।

মালিহা: আরে এখন তো আমাদের বিয়ে হয়েছে এখন পাপ কেনো??(হতাশায় বসে পড়ে)

নিলয়া মালিহার কাছে এসে মালিহার হাতে হাত রেখে মালিহার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো।।মালিহা অবাক হয়ে নিলয়ের সাথে তাল মেলাতে লাগলো।।নিলয় মালিহার পেটের চারপাশে হাত বুলাতে বুলাতে মালিহার শাড়ি খুলে দূরে ফেলে দিলো।।মালিহার যেনো বিশ্বাস হচ্ছে না নিলয়ের কান্ড দেখে।।নিলয় মালিহার ব্লাউজের হুক খুলে ফেলে দিলো বিছানায়।।মালিহার বুকে মাথা গুজে মালিহার উত্তেজনা বাড়াতে লাগলো।।ধীরে ধীরে নিলয় তার সেরোয়ানি খুলে মালিহার পেডোকোট খুলতে গিয়েই মালিহা নিজেকে সামলে নিলয়কে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।।

নিলয়: কী হলো মালিহা?(আশ্চায হয়ে)

মালিহা: তুমি তাহলে এতদিন বলদের নাটক করেছো??

নিলয়: তোমাকে দেখে সত্যিই তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।।তাই তোমার কাছে বেশি আকষনীয় হতে এমনটা করেছি।।

মালিহার রাগ যেনো বেড়েই চলেছে।।কিন্তু নিলয়ের ভালোবাসা তাকে আবার টেনে এনেছে নিলয়ের কাছে।।মালিহা ধীরে ধীরে নিলয়ের কাছে এসে বললো,আমার কাছে তুমি ঐ বলদা নিলয়টাই থেকো প্লিজ!!

নিলয়: থাকবো মালিহা।।

মালিহাকে বুকে টেনে নিয়ে নিলয় তাকে নিয়ে হারিয়ে গেলো ভালোবাসার শহরে।।...
ছাদে,,

শুভর কোলে শুয়ে আকাশের চাঁদ দেখছে মিরা।।

শুভ: আজ অনেক ভালো লাগছে।।

মিরা: আমারও শুভ।।

শুভ মিরার কপালে চুমু এঁকে বললো,চলো সোনা ভেতরে যাই।।

মিরা: চলো।।

শুভ আর মিরা নিচে যেতে লাগলো হঠাৎ মিরার মনে হলো তাকে কেউ পেছন থেকে ডাকছে।।কিন্তু পেছনে তাকিয়ে কাউকে দেখতে পেলো না সে।।

শুভ: কী হয়েছে মিরা??

মিরা: কে যেনো পেছন থেকে আমায় ডেকে বললো, "কেউ আসছে।।"

শুভ: ভুল শুনেছো মিরা।।চলো।।

শুভ আর মিরা যেতে লাগলো।।কিন্তু মিরার মন বলছে সামনে তাদের বিপদ আসছে।।সত্যি কী সামনে তাদের বিপদ আসবে???

(Mysteries)

09/01/2026

সত্যি তোকে অনেক ভালোবাসি
Part : 16
ইসরাত জাহান প্রভা

নিলয়: আচ্ছা ওড়না দিলো কেনো?(মালিহাকে প্রশ্ন করে)

মালিহা: জানো না??

নিলয়: না তো।।

মালিহা আবার রেগে গিয়ে নিলয়ের হাত থেকে ওড়না টা কেড়ে মাথায় উপর দিয়ে নিলয়কে টেনে এনে এক ওড়নার নিচে দুজনে দাঁড়ালো।।

নিলয়: কী করেতেছো??কিছুই তো দেখতে পারছি না??(এদিক সেদিক তাকিয়ে)

মালিহা: চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকো।।

নিলয়: কিছুই তো বুঝতেছি না মালিহা।।

মালিহা: এভাবে ওড়নার নিচে দুজন প্রেমিক প্রেমিকা থাকলে কী করে বলোতো??

নিলয়: বুঝেছি।।

মালিহা: কী বুঝেছো?(লজ্জায়)

নিলয় পকেট থেকে তার ফোনটা বের করে ফ্লাশ জ্বালিয়ে মালিহার মুখের দিকে ধরে বললো,অন্ধকারেও তোমাকে অনেক সুন্দর লাগে।।এটাই তো!!আমি জাতনাম।।😁😁😁

মালিহা রাগে ওড়নাটা সরিয়ে ফেলে দিয়ে বললো,তুমি আমার কচু জানো।।👿👿

মালিহা নিলয়ের কাছে এসে নিলয়ের কলার টেনে ঠিক যখনি নিলয়ের ঠোঁটে ঠোঁট মিলাতে যাবে নিলয় মাথা নিচু করে মালিহাকে ছাড়িয়ে দূরে সরে যায়।।

নিলয়: কী করছো এসব??এগুলো কেউ করে??এগুলো পাপ।।(হাঁপাতে হাঁপাতে)

মালিহা: এত সাধু তুমি??(আশ্চায হয়ে)কাছে এসো একটু।(মজা করে নিলয়ের কাছে আসতে আসতে)

নিলয় একদম ঠেকে গেছে দেয়ালে মালিহা চোখ বন্ধ করে পা উঁচু করে ঠোঁট দুটো পাউট করেছে।নিলয় আস্তে করে সরে গিয়ে "ও আপু গো বাঁচাও" আমার বলে এক দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।
মালিহা চোখ খুলে হাসতে লাগলো।

মালিহা: এতটা সরল কেনো তুমি??অনেক ভালোবাসি তোমাকে নিলয়।।অনেক বেশি ভালোবাসি।।

মালিহা বের হয়ে খুশিতে নাচতে নাচতে নিজের রুমের দিকে যেতে লাগলো।।
....
ঘাপটি মেরে শুয়ে আছে শুভ।।মিরা কাজ শেষ করে ঘরে এসে দরজা লাগাতেই শুভ মিরাকে ধপ করে কোলে তুলে বিছানায় ফেলে দিলো।।

মিরা: আরে কী করছো শুভ?(অবাক হয়ে)

শুভ: আদর!!

মিরা: তর সইছে না বুঝি!!(ভ্রু কুঁচকে)

শুভ: না মিরা।।(মিরার কাছে এসে)

মিরা: আচ্ছা আগে একটা কথা শুনো।।(শুভকে থামিয়ে)

শুভ: কাল বলিও প্লিজ(মিরার গালে চুমু দিতে দিতে)

মিরা শুভকে থামিয়ে বললো,৫ মিনিট পর এসব শুভ।।আগে শুনো প্লিজ।।

শুভ: আচ্ছা বলো।।(কিছুটা বিরক্তি সুরে)

মিরা:নিলয় আর মালিহা একে অপরকে ভালোবাসে।।মা বাবা যাওয়ার আগে ওদের বিয়েটা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দাও প্লিজ।

শুভ:কী বলছো! কবে এসব হলো?😣😣(আশ্চায হয়ে)

মিরা: আজকেই।।(হাসি মুখে)

শুভ: হায়রে আমার মালিহা...😭😭

মিরা: কী বললে?তোমার মালিহা মানে?(প্রচন্ড রাগে)👿👿

শুভ: আরে আমার মালিহা বোনটা এত বড় হয়ে গেলো।।কাল বাদ পরশো ওর বিয়ে হবে।।আনন্দই আনন্দ।।তাই না?(ভয় পেয়ে)

মিরা: হুম তা তো বটেই।।(হাসি নিয়ে)

মিরা: প্লিজ কাল মা বাবার সাথে কথা বলিও।।প্লিজ।।

শুভ: আচ্ছা।।বলবো এখন।।এখন তো কাছে আসবে।।

শুভ মিরাকে কাছে টেনে এনে মিরার গালের চারপাশে হাত দিয়ে বোলাতে লাগলো।।মিরা চোখ বন্ধ করে ফেললো।।শুভ মিরার ঠোঁটে ঠোঁট মিশিয়ে দিলো আর হাত দিয়ে মিরার পিঠের ব্লাউজের হুক খুলতে লাগলো।।মিরা শুভকে ছেড়ে শুভর গালে মুখে পাগলের মতো কিস করতে লাগলো।।ধীরে ধীরে প্রবল উত্তেজনায় তার হারিয়ে গেলো ভালোবাসার পবিত্র মিলনে।।......
লাবিবের চা নিয়ে এলো পায়েল।।লাবিব মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে।।

পায়েল: এই যে কী দেখছেন?মেয়েদের দেখা আপনার স্বভাব নাকি?(রাগে)

লাবিব লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করলো।।

লাবিব: আসলে আমি প্রচুর ঢপ মারি মানুষ কে।।কারন মানুষের প্রশংসা করলে দাম পাওয়া যায়।।কিন্তু আজ প্রথম বার আপনাকে দেখলাম যাকে দেখে আমার প্রশংসা করার ভাষা হারিয়ে গেছে।।যে কথা গুলো বলতে বলতে আমি অভ্যস্ত সেই কথা গুলো হারিয়ে গেছে।।আপনি সত্যি অনেক সুন্দর।।(মাথা নিচু করে লজ্জায় কথা গুলো বলে)

পায়েলের খুব খারাপ লাগলো ছেলেটাকে না জেনে এতগুলা কথা শুনায় দিছে বলে।।

পায়েল: সরি।।আসলে ওভাবে তাকিয়ে ছিলেন তো তাই বলেছি।মন খারাপ করিয়েন না।

লাবিব:না না।আপনি একদম ঠিক আছেন।।আপনি আমার ভুল ধরায় দিয়েছেন।।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ☺☺

লাবিব হাসি মুখে চা খেয়ে চলে গেলো পায়েল মন খারাপ করে নিজের রুমে বসে আছে।।

মালিহা: কী হয়েছে রে মুড অফ??(পায়েলের পাশে এসে)

পায়েল: কিছু না আপু।।

মালিহা: আমাকে বল।।পারলে সমাধান দিতে পারি।।😊😊

পায়েল মালিহাকে সব খুলে বললো।।

মালিহা: তুই কী লাবিবকে ভালোবাসিস??

পায়েল: জানি না।।ওর জন্য মন খারাপ লাগছে।।

মালিহা: ওয়েট।।

পায়েল: কোথায় যাচ্ছিস??(অবাক হয়ে)

মালিহা: তুই বস।।আমি আসতেছি।।(যেতে যেতে).....
ছাদে দাঁড়িয়ে চুপচাপ করে দাঁড়িয়ে আছে লাবিব।।
মালিহা: এই যে ভাই?(পেছন থেকে ডেকে)

লাবিব পেছনে ঘুরে মাথা নিচু করে বললো,জ্বী বলেন।।

মালিহা: মাথা নিচু কেনো?ওপরে তুলুন।।

লাবিব: সরি আপু আমি একজনকে দেখেছি।।আমি আর চাই না অন্যকাউকে দেখতে।।

মালিহা: কাকে দেখেছেন?পায়েল কে?

লাবিব: জ্বী।।

মালিহা: ভালোবাসেন তাকে?

লাবিব: জানি না।।

মালিহা: যদি ভালোবেসে থাকেন তাহলে দেরী না করে ওকে বলে ফেলেন।।লেট করলে কিন্তু না ও পাইতে পারেন।।

বলেই যেতে লাগলো মালিহা।।লাবিব চুপ করে আশেপাশে তাকিয়ে অনেক কিছু ভাবছে আনমনে।।....
শুভর মা,বাবার রুমে,,

শুভ: মা আসবো?

মা: আরে আয় বাবা।।

শুভ: একটা কথা ছিলো মা।।(সোফায় বসে)

মা: বল।।

শুভ: বাবা কোথায়?

বাবা: এইতো আমি শুভ।।(ওয়াশরুম থেকে বের হতে হতে)

মা: বলে ফেল তো।।কী বলবি?

শুভ: আসলে মা নিলয় আর মালিহা একে অপরকে ভালোবাসে।।আমি আর মিরা চাচ্ছি যে তোমরা যাওয়ার আগে ওদের ও বিয়েটা দিয়ে দিতে।।

বাবা: হুম।।ওকে তাহলে তো মালিহার মা,বাবাকে ডাকতে হয়।।

মা: আমি ফোন করে বলবো এখন।।

শুভ: Thanks মা,বাবা।।

বাবা: তোমার বোনটারও একটা ব্যবস্থা করো তাহলে।।

শুভ: হোক ওরটাও হয়ে যাবে এখন।।

সকলে একসাথে হাসতে লাগলো।।......
নিলয়ের রুমে,,,

নিলয় পড়া পড়ছে আরে কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনছে।।

নিলয়: এ জাতীয় নিউক্লিওফিলিক প্রতিস্থাপন দুই ধাপে ঘটে।।বিক্রিয়াটি প্রথম ক্রম বিক্রিয়।।(ও মালিহা ও মালিহা আই লাবু,আই লাবু)

মালিহা নিলয়ের রুমে ঢুকে নিলয়ের কথা শুনে নিলয়কে জড়িয়ে ধরতেই নিলয় "ও মাগো,ও আপু গো ভূত আমারে জড়ায় ধরছে গো।।ও মালিহা বাঁচাও আমারে" বলে চোখ বন্ধ করে দৌড় দিয়ে রুমের দরজার সামনে থেকে ঘুরে আবার ভেতরে আসতে থাকে।।মালিহা হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়লো প্রায়।।নিলয় দৌড়ে মালিহাকে না দেখে মালিহাকে নিয়ে ধাক্কায় বিছানার ওপর পরে যায়।।মালিহা তো ভয়ে নিলয়ের বুকে মাথা গুজে দিয়েছে।।নিলয় ভয়ে চোখ বন্ধ করে মালিহাকে জড়িয়ে ধরেছে নিজের অজান্তেই।

পায়েল নিলয়ের চিৎকার শুনে রুমে এসে নিলয় আর মালিহার কান্ড দেখে হাত তালি দিতে থাকে।চমকে উঠে নিলয় চোখ খুলে মালিহাকে কাছে দেখে আ আ আ করে চিৎকার দিয়ে দূরে সরে যায়।।মালিহা নিলয়ের চিৎকার শুনে হাত দিয়ে কান চেপে ধরে।।

মালিহা: নিলয়ের বাচ্চা কানের পোকা সব বের করে ফেললি।।থাম একটু থাম।।

নিলয়: এই তুমি কখন এলে??জানো আমাকে না ভূত জড়িয়ে ধরেছে মালিহা।।আমিও ধীরে ধীরে বোধ হয় ভূত হয়ে যাবো মালিহা।।আমাকে বাঁচাও।।(মালিহাকে ধরে মায়াকান্নায়)

পায়েল: কী রে আপু!!ভাইয়া এসব কী বলে?

মালিহা: আরে বাবু কাঁদছো কেনো??আমি আছি তো।।আমি থাকতে আবার ভূত লাগে?আমি তোকে মেরে ভূত বানায় দিবো।।বেয়াদপ।।তোরে জড়ায় ধরছি আমি।।কোনো ভূত না।।(নিলয়ের কলার টেনে নিলয়কে ঝাঁকি দিতে দিতে)

নিলয়: সরি মালিহা।।ভুল হয়ে গেছে।।ছেড়ে দাও একটু।।আর হবে না।।(ঝাঁকি খেতে খেতে)

মালিহা নিলয়কে ছেড়ে দিয়ে বললো,এই তোমার সমস্যা কী?এত ভয় পাও কেনো?(রাগে বিরক্ত নিয়ে)

নিলয়: ওভাবে পেছন থেকে কেউ জড়িয়ে ধরলে ভয় তো পাবোই।।

মালিহ: তাহলে কাছে আয়।।তোকে সামনে থেকে জড়িয়ে ধরি।।আয়।।(হাসি নিয়ে)

নিলয়: নাহ।।আ..আজ না।।আরে..আ..আরেক দিন।।(তোতলিয়ে)

মালিহা: তাহলে বাবু কাছে এসো একটা কিসি দেই।।

মালিহা নিলয়ের কাছে এসে ঠোঁটে ঠোঁট বসানোর আগেই নিলয় এক দৌড়ে পালিয়ে চলে গেলো।

মালিহা:যাহ!আজকেও পালালো?(হতাশায়)

পায়েল:আপুরে ভাগ্য করে একটা জামাই পেতে চলেছিস।।(হাসতে হাসতে)

মালিহা: হুম।।আমার জামাই বেষ্ট।।(কিউটি হাসি দিয়ে)

08/01/2026

Good morning

08/01/2026

সত্যি তোকে অনেক ভালোবাসি
Part: 14+15
ইসরাত জাহান প্রভা
....
কলিংবেল বাজতেই আছে তো বাজতেই আছে।।প্রচন্ড রাগ আর বিরক্ত নিয়ে দরজা খুলে দিলো মালিহা আর ছেলেটাকে দেখে সাথে সাথে বকবকানি শুরু করে দিলো।।

মালিহা: মাথা খারাপ নাকি আপনার??এত বেল বাজায় কেউ??পাবনা থেকে কবে ছাড়া পেছেয়েন শুনি??

ছেলেটা হা করে মালিহার দিকে তাকিয়ে আছে আর মনের তৃপ্তিতে মালিহার কথা শুনছে।।

অনু দৌড়ে এসে মালিহাকে বললো,আরে মালিহা ও আমার মামাতো ভাই লাবিব।।

মালিহা সাথে সাথে চুপ মেরে গেলো।।

মালিহা:সরি ভাইয়া আসলে বার বার বেলের শব্দ কানে এত লাগছিলো যে মাথা ঘুরে গিয়েছি তাই রাগে যাতা বলে ফেলেছি।।মাফ করে দিয়েন।।

লাবিব: আরে কোনো সমস্যা নেই।।তোমার মতো এত্ত সুন্দর মেয়ে যে এত্ত সুন্দর ভাবে বকতে পারে আমার জানা ছিলো না।।এত্ত গুণ কোথায় পেয়েছো??(আশ্চয হয়ে)

মালিহা: (এ ব্যাটা টাংকি মারতাছে নাকি??)জ্বী..আসলে

অনু: আরে মালিহা ওর কথা শুনিও না ও ঢপ মারতে ওস্তাদ।।(হাসতে হাসতে)

মালিহা একটু হেসে দিলো।।

লাবিব: O my GOD!! এত সুন্দর হাসি!!আমি তো মরেই যাবো।।আপু আমার হাটে ব্যাথা করতেছে আপু।।(নাটক করে)

মালিহা: (তাহলে মর ব্যাটা)

অনু: ভাই আর ঢপ মারিস না তো।।আয় ভেতরে আয়।।

লাবিব: Ok bye beautiful girl..আবার পরে কথা হবে।।(ভেতরে যেতে যেতে)

মালিহা: (ওহ মরন!!আবার কথা হবে!!বেয়াদপ ছ্যাচড়া কোথাকার।।এক পাগলের জ্বালায় বাঁচি না আরেকটা এসে হাজির হলো।।ধুত ভালো লাগে না।).....
মিরার ঘরে,,

নিলয় মিরাকে সব খুলে বললো।।

মিরা: ভাই রে ভাই তোকে এত কথা কে বলতে বলেছে??(কপালে হাত চাপড়িয়ে)

নিলয়: আপু যখনি বলতে গেছি তখনি রাগে ধমক দিয়ে চলে গেছে।।

মিরা: তুমি যেসব বলা শুরু করেছিলে তাতে যে তোমাকে থাপ্পর মাড়ে নি তাই ভালো।।(রাগে)

নিলয়: এখন কী করবো?কিছু উপায় শেখায় দে না।।(অসহায়)

মিরা: (একটু ভেবে) একটা কাজ করতে পারবি??

নিলয়: কী কাজ?

মিরা: কবিতা লিখবি আর সেখানে তোর মনের কথা লিখবি।।কিন্তু খবরদার ভুল ভাল কিছু লিখবি না আর কোনো কবিতা নকল করবি না।।নিজে নিজে লিখে শেষে লিখবি আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি মালিহা।।পারবি তো??

নিলয়: কয়েকটা লাইন বলে দে তাহলে।।

মিরা: আচ্ছা শোন তাহলে।।

প্রিয় মালিহা,
যেদিন হতে দেখেছি তোমাকে হৃদয়ে লেগেছে দোলা,
তুমি অনেক চালাক বটে কিন্তু আমিতো আলা ভোলা।।
তোমার হাসিতে পাগল হয়ে ঘুরছি আমি এদিক সেদিক,
আমি যে তোমার তুমি যে আমার এই বাণীটাযে নয় বেঠিক।।
চুলের মাঝে রূপের ছোঁয়া আলোয় দেখি যে মুখ,
যদি তুমি হয়ে যাও আমার এনে দিবো আমি পৃথিবীর সুখ।।
খোলা চুলে লাগে যে বেশ,মিষ্টি তোমার ঐ হাসি,
শুনছো মালিহা!আমি যে তোমাকে অনেক ভালোবাসি।।

এভাবে লিখবি বুঝেছিস।।

নিলয়: মোটামুটি।।আচ্ছা যাই আপু গিয়ে কবিতাটা লিখেই ফেলি।।

মিরা: আচ্ছা।।ভালো করে লেখিস ভাই।

নিলয়:আচ্ছা আপু।(যেতে যেতে)

টেবিলে বসে কী সব ভাবতে ভাবতে নিলয় অনেক কষ্ট করে নিলয় চিঠিটা লিখলো।তারপর মিরাকে দিয়ে বললো,আপু মালিহাকে দিস।
(হাসি নিয়ে)

মিরা: ঠিকঠাক লিখেছিস তো?(ভ্রু কুঁচকে)

নিলয়: হুম আপু।।(হাসি দিয়ে)...
মালিহার রুমে,

মিরা: আসতে পারি??(দরজায় নক করে)

মালিহা: আরে ভাবি।।এসো এসো।।পারমিশন নিতে হয় নাকি??

মিরা: হয় গো।।(মালিহার পাশে বসে)

মালিহা: নাহ।।তুমি আর পারমিশন নেবে না।।ঠিক আছে??

মিরা: আচ্ছা বোন ঠিক আছে।।(হেসে)এই নাও নিলয় কী জানি একটা চিঠি লিখছে তোমাকে দিতে বলেছে।।(মালিহার হাতে চিঠি দিয়ে)

মালিহা: আমাকে লিখেছে?(আশ্চয হয়ে)

মিরা: হুম।।আচ্ছা থাকো কাজ আছে অনেক আমি যাই তাহলে।।

মালিহা: আচ্ছা ভাবি।।

মিরা চলে গেলে মালিহা চিঠিটা পড়া শুরু করলো।।

চিঠিতে এই লেখা ছিলো যে,

প্রিয় মালিহা,
রূপের যাদুর আণবিক ভর বলতে হয়তো কিছুই নেই,
ভর এসে মিলে খোলা চুলে পিএইস মানের হাসিতেই।।
উত্তপ্ত করলে চুনাপাথর বিয়োজন ঘটে ঘটুক না,
হয়তো কালো কালো চোখে চাষ হয়ে যায় পুদিনা।।
আলোর রেশ কাটতেই চায়না জারন বিজারনের খেলার মাঝে,
ভালোবাসাটুকু খুঁজে নেই আমি সকল বিক্রিয়ার কাজে কাজে।।
ফুল গুলোতে আলো এসে পড়ে বেগুনী রশ্নী তো পড়ে না,
হালকা মায়া, মিষ্টি হাসি, ভালোবাসা ছাড়া তো আর চলে না।।
ভালোবাসা পেতে জীবন মরন বিক্রিয়ায় আমি মারিয়া,
সত্যি তোমায় অনেক ভালোবাসি আমার প্রানের প্রিয় ডালিয়া।।

মালিহা: চিঠি দিলো আমাকে ভালোবাসলো ও ডালিয়াকে?কে এই ডালিয়া??নিলয় আজ তোরে খাইছি আমি।।আসতেছি আমি।।(রাগের মাথায় বের হতে হতে)

চলবে,,,,,,,,

মালিহার রুমে,

মিরা: আসতে পারি??(দরজায় নক করে)

মালিহা: আরে ভাবি।।এসো এসো।।পারমিশন নিতে হয় নাকি??

মিরা: হয় গো।।(মালিহার পাশে বসে)

মালিহা: নাহ।।তুমি আর পারমিশন নেবে না।।ঠিক আছে??

মিরা: আচ্ছা বোন ঠিক আছে।।(হেসে)এই নাও নিলয় কী জানি একটা চিঠি লিখছে তোমাকে দিতে বলেছে।।(মালিহার হাতে চিঠি দিয়ে)

মালিহা: আমাকে লিখেছে?(আশ্চয হয়ে)

মিরা: হুম।।আচ্ছা থাকো কাজ আছে অনেক আমি যাই তাহলে।।

মালিহা: আচ্ছা ভাবি।।

মিরা চলে গেলে মালিহা চিঠিটা পড়া শুরু করলো।।

চিঠিতে এই লেখা ছিলো যে,

প্রিয় মালিহা,
রূপের যাদুর আণবিক ভর বলতে হয়তো কিছুই নেই,
ভর এসে মিলে খোলা চুলে পিএইস মানের হাসিতেই।।
উত্তপ্ত করলে চুনাপাথর বিয়োজন ঘটে ঘটুক না,
হয়তো কালো কালো চোখে চাষ হয়ে যায় পুদিনা।।
আলোর রেশ কাটতেই চায়না জারন বিজারনের খেলার মাঝে,
ভালোবাসাটুকু খুঁজে নেই আমি সকল বিক্রিয়ার কাজে কাজে।।
ফুল গুলোতে আলো এসে পড়ে বেগুনী রশ্নী তো পড়ে না,
হালকা মায়া, মিষ্টি হাসি, ভালোবাসা ছাড়া তো আর চলে না।।
ভালোবাসা পেতে জীবন মরন বিক্রিয়ায় আমি মারিয়া,
সত্যি তোমায় অনেক ভালোবাসি আমার প্রানের প্রিয় ডালিয়া।।

মালিহা: চিঠি দিলো আমাকে ভালোবাসলো ও ডালিয়াকে?কে এই ডালিয়া??নিলয় আজ তোরে খাইছি আমি।।আসতেছি আমি।।(রাগের মাথায় বের হতে হতে)
....

নিলয়ের রুমে,

নিলয়: ধুর পড়তেই ইচ্ছা করছে না।।কখন মালিহা আসবে??(মাথায় হাত দিয়ে)

হুট করে মালিহা রুমে এসে নিলয়ের কলার টেনে তাকে তুললো।।

নিলয়: ওআপুগো ভুতে আমারে তুইলা ধরছে।।কোথায় তুই?(ভয়ে চোখ বন্ধ করে মালিহাকে না দেখে)

মালিহা: ঐ বেয়াদপ পোলা আমি ভূত লাগি?চোখ খোল।।(ধমক দিয়ে)

নিলয় চমকে উঠে চোখ খুলে বললো,ওহ!মালিহা তুমি।একটু কলারটা ছাড়ো আমরা বসে কথা বলি।।(ভয়ে)

মালিহা নিলয়কে ছেড়ে দিয়ে বললো,ডালিয়াটা কে রে?(প্রচন্ড রাগে)

নিলয়:কে ডালিয়া?কোন ডালিয়া?তোমার কী বোন হয়?

মালিহা প্রচন্ড রেগে বিছানা ঝাড়া ঝাড়ু টা হাতে তুলে নিয়ে বললো,বল তুই ডালিয়াকে কবে থেকে ভালোবাসিস?আমার সাথে ধোঁকামি কেনো করলি??

নিলয়: সত্যি বলছি মালিহা আমি ডালিয়া বলে কাউকে চিনি না।।আর আমি তো তোমাকে ভালোবাসি..যাক বাবা বলেই ফেললাম!!(মাথা চুলকাতে চুলকাতে)

মালিহা নিলয়ের কথা শুনে এতটা খুশি হলো যে বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।।কিন্তু আবার প্রচন্ড রেগে ঝাড়ু তুলে বললো,মিথ্যুক ছেলে।।লেটারে তো বলেছিস তুই ডালিয়াকেই ভালোবাসিস।।

নিলয়: কৈ দেখি।।(মালিহার কাছে থেকে লেটারটা নিয়ে)আরে এটা তো ছন্দ মেলাতেই লিখেছি।।তোমার নাম তো মালিহা আর শেষ লাইনের আগে শেষে ছিল মারিয়া তাই বলে দিয়েছি ভালোবাসি ডালিয়া।।সুন্দর লিখছি না??(দাঁত বের করে)

মালিহা প্রচন্ড রেগে নিলয়ের কালার টেনে নিজের কাছে নিয়ে বললো,তুই আমার নামি লিখতি তোকে ছন্দ মেলাতে কে বলছে??আর সুন্দর!একদম ফালতু হয়েছে লেটার টা।।তোকে না বলছি আমার সামনে পড়াশোনার কথা বলবি না।।তাও কেনো লিখেছিস?

নিলয়: সরি।।(ভয়ে,দুঃখে)

হঠাৎ মালিহা নিলয়ের বুকে তার মাথা গুজে নিলয়কে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো।।নিলয়ের সারা শরীরে যেনো ঝটকা লেগে গেলো।।দরজার আড়াল থেকে মিরা,পায়েল,অনু লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছে।।

মালিহা: এত দিনে তুমি বুঝলে নিলয়?তুমি খুব খারাপ।।আমি তোমাকে একদম ভালোবাসি না।।(খুশিতে কান্না করতে করতে)কিন্তু তবুও আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি নিলয়।।প্লিজ আমাকে ছেড়ে ডালিয়া,ফালিহা কে কখনো ভালোবেসো না।।তাহলে আমি তোমাকে মেরে ফেলবো তারপর আমাকেও মেরে ফেলবো।।

নিলয়ঃ (আমাকে মেরে ফেলবে!! নিজেও মরবে!! কী মেয়ে রে বাবা!!!ভাগ্য ভালো ভালোবাসি বলছি নাহলে তো আজ ডেড বডিটাও আমার পাওয়া যেতো না)

মালিহা: আগলে নেবে না আমায় নিলয়?(মায়া নিয়ে)

নিলয় মালিহাকে দুহাত দিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো,এইতো নিলাম।।আমিও তোমাকে অনেক ভালো বাসি ডালিয়া।।

এ কথা বলতেই জিহ্বা কামড়ে ধরলো নিলয়।।চট করে মালিহা নিলয়কে ছেড়ে দিয়ে রাগে নিলয়ের পায়ে জোড়ে পাড়া দিলো।।নিলয় চিল্লাতে লাগলো।।পায়েল,অনু,মিরা হাসতে হাসতে লুটিয়ে পড়লো।।

মালিহা: আবার ডালিয়া বলিস তুই!!

নিলয়: সরি মালিহা বলতে ডালিয়া বলেছি।।আমাকে ছেড়ে দাও মালিহা।।খুব লাগছে পায়ে।।ও আপু গো।।

মালিহা: চুপ।।একদম চুপ।।বল এবার যে আমাকে ভালোবাসিস বল।।(ধমক দিয়ে)

নিলয়: অনেক অনেক ভালোবাসি তোমাকে মালিহা।।(চিল্লায়ে)

মালিহা নিলয়ের বুকে আবার জড়িয়ে গেলো।
মিরা,অনু আর পায়েল দরজার আড়াল থেকে বের হয়ে হাত তালি দিতে লাগলো।।চমকে উঠে নিলয় আর মালিহা দূরে ছিটকে গেলো।।

মিরা: অবশেষে আমার বোকা ভাইটা প্রোপজ করলো!

পায়েল:ভাবতেই পারছি না।(হাসতে হাসতে)

মিরা:কী রে ভাই এত রোমান্টিকতা কোথায় থেকে শিখলি?

নিলয়: "Tum Hi H0h" গানটা থেকে(হাসি দিয়ে)

পায়েল: বাহ!!তলে তলে দুলাভাই এত রোমান্টিক??একটা জ্যাকেট লাগতো তো।।(হাসি দিয়ে)

মিরা: জ্যাকেট তো নেই।।ওড়না তো আছে।।

মিরা দৌড়ে একটা ওড়না নিয়ে নিলয়ের হাতে দিয়ে বললো,ভাই এই নে।।আমরা গেলাম।।

তিনজনেই দৌড়ে চলে গেলো।।মালিহা লজ্জায় কিছু বলতেই পাড়ছে না।।

নিলয়: আচ্ছা ওড়না দিলো কেনো?(মালিহাকে প্রশ্ন করে)

মালিহা: জানো না??

নিলয়: না তো।।

মালিহা আবার রেগে গিয়ে নিলয়ের হাত থেকে ওড়না টা কেড়ে মাথায় উপর দিয়ে নিলয়কে টেনে এনে এক ওড়নার নিচে দুজনে দাঁড়ালো।।

নিলয়: কী করেতেছো??কিছুই তো দেখতে পারছি না??(এদিক সেদিক তাকিয়ে)

মালিহা: চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকো।।

নিলয়: কিছুই তো বুঝতেছি না মালিহা।।

মালিহা: এভাবে ওড়নার নিচে দুজন প্রেমিক প্রেমিকা থাকলে কী করে বলোতো??

নিলয়: বুঝেছি।।

মালিহা: কী বুঝেছো?(লজ্জায়)

নিলয় পকেট থেকে তার ফোনটা বের করে ফ্লাশ জ্বালিয়ে মালিহার মুখের দিকে ধরে বললো,অন্ধকারেও তোমাকে অনেক সুন্দর লাগে।।এটাই তো!!আমি জাতনাম।।😁😁😁

মালিহা রাগে ওড়নাটা সরিয়ে ফেলে দিয়ে বললো,তুমি আমার কচু জানো।।👿👿

মালিহা নিলয়ের কাছে এসে নিলয়ের কলার টেনে ঠিক যখনি নিলয়ের ঠোঁটে ঠোঁট মিলাতে যাবে নিলয় মাথা নিচু করে মালিহাকে ছাড়িয়ে দূরে সরে যায়।।

নিলয়: কী করছো এসব??এগুলো কেউ করে??এগুলো পাপ।।(হাঁপাতে হাঁপাতে)

মালিহা: এত সাধু তুমি??(আশ্চায হয়ে)কাছে এসো একটু।(মজা করে নিলয়ের কাছে আসতে আসতে)

নিলয় একদম ঠেকে গেছে দেয়ালে মালিহা চোখ বন্ধ করে পা উঁচু করে ঠোঁট দুটো পাউট করেছে।নিলয় আস্তে করে সরে গিয়ে "ও আপু গো বাঁচাও" আমার বলে এক দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।
মালিহা চোখ খুলে হাসতে লাগলো।

মালিহা: এতটা সরল কেনো তুমি??অনেক ভালোবাসি তোমাকে নিলয়।।অনেক বেশি ভালোবাসি।।

মালিহা বের হয়ে খুশিতে নাচতে নাচতে নিজের রুমের দিকে যেতে লাগলো।।

চলবে,,,,,,

07/01/2026

সত্যি তোকে অনেক ভালোবাসি
Part :13
ইসরাত জাহান প্রভা

নিলয়: আচ্ছা বললে না তো কী হয় বাসর রাতে??(দাঁত বের করে)

মালাহা প্রচন্ড রেখে গিয়ে নিলয়ের কলার টেনে কাছে এনে বললো,এই বলদ আমাকে বিয়ে কর তাহলে তোকে শিখায় দিবো বাসর রাতে কী হয়।।বুঝলি??(ছেড়ে দিয়ে)

নিলয়: তোমাকেই বিয়ে করতে হবে?অন্য কাউকে বিয়ে করলে সে শিখাবে না??(ভয়ে ভয়ে)

মালিহা: তোকে বলেছি না আমাকে বিয়ে করতে হবে!আমাকে বিয়ে করলেই শিখতে পারবি।।তার আগে না।।বল আমাকে বিয়ে করবি??(প্রচন্ড রাগে নিলয়ের কলার টেনে নিয়ে )

নিলয়: হ্যাঁ।।হ্যাঁ।।আমি তোমাকেই বিয়ে করবো।।আমার ভয় লাগছে।।ছেড়ে দাও আমায়।।(হাত পা কাঁপাতে কাঁপাতে)

মালিহা: যা ভাগ।।(নিলয় কে ধাক্কা দিয়ে)
নিলয় দৌড়ে পালিয়ে গেলো।

মালিহা: বলদা কোথাকার।।(নিজের রুমে যেতে যেতে)
.....
পায়েল: কী রে আপু তোর বাসর রাতে কী শুধু বিক্রিয়ায় হবে নাকি অন্য কিছুও হবে?(মালিহার দিকে তাকিয়ে)

মালিহা: চুপ কর।। তুই আমাকে রেখে পালালি কেনো??(আশ্চয হয়ে)

পায়েল: ছিঃ আপু দুলাভাইয়ের সামনে কী করে বলবো যে বাসর রাতে কী হয়!!

মালিহা: বেশি পাকামো করিস না।।খুব ঘুম পাইছে।।

পায়েল: হুম আমারো।।
.....
সকালে ঘুম ভেঙ্গে গেলো মিরার।।নিজেকে শুভর বুকে আবিষ্কার করলো সে।।আস্তে আস্তে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে শুভর ঠোঁটে মিষ্টি একটা পরশ এঁকে দিয়ে একটা লম্বা সাওয়ারে গেলো মিরা।।একটু পর শাড়ি পড়ে আয়নার সামনে এসে চুল আছড়াতে লাগলো মিরা।।শুভ ঘুম থেকে উঠে অপলক দৃষ্টিতে মিরাকে দেখতে লাগলো।।মিরা পেছন ফেরে অবাক হয়ে বললো,কী দেখো?

শুভ: তোমাকে।।

মিরা: কেনো?

শুভ: ভালো লাগে।।

মিরা: কেনো?

শুভ: ভালোবাসি যে।।

মিরা: কেনো?

শুভ: ভাল লাগছে।।খুশির ঠ্যালায়।।(প্রচন্ড রাগে)

মিরা হাসতে হাসতে শুভর কাছে এসে বললো,রাগ করেছো??(মায়া নিয়ে)

শুভ: না একদম না।।খুশির ঠ্যালায় আছি।।(মুখ ঘুরিয়ে)

মিরা: রাগ ভাঙ্গতে হবে বুঝেছি।।কাছে আসো বাবু।।(শুভকে ডেকে)

শুভ ধপ করে মিরার কাছে আসে।।

মিরা: আদর চাই বুঝি আমার রাগী বর টার??(শুভর থুতনিতে হাতের ছোঁয়া দিয়ে)

শুভ: হুম।।(হাসিতে)

মিরা: রাতের আদর কম হয়েছে বুঝি??(মায়ার সুরে)

শুভ: হুম অনেক কম হয়েছে।।(হাসি দিয়ে)

মিরা: ওহ তাই বুঝি??আচ্ছা শুভ এক কাজ করো তুমি ফ্রেশ হয়ে নিচে এসে নাস্তা করে অফিসে যাও।।আমিও আদর তৈরী করে রাতে বেশি বেশি আদর করবো এখন।।আচ্ছা?যাও তাড়াতাড়া যাও।।

মূহুতেই শুভর হাসি মুখ বিলিন হয়ে গেলো।।

শুভ: একটু দাও না আদর প্লিস।।(মিরার হাত টেনে বাচ্চাদের কন্ঠে মায়া নিয়ে)

মিরা: সরি বাবু।।অনেক বেলা হয়েছে এখন যদি নিচে না যাই তাহলে সকলে কী ভাববে বলো??ছেড়ে দাও হাতটা আমার।।

শুভ দুঃখ নিয়ে মিরার হাতটা ছেড়ে দিলো।।মিরা মিষ্টি হাসি নিয়ে নিচে নামতে লাগলো।।

শুভ: ধুত ভাল্লাগে না।।(উঠে ওয়াশরুমের দিকে যেতে যেতে).....
মিরা নিচে গিয়ে রান্নাঘরে অনুকে দেখে চমকে গেলো।।

মিরা: কী রে অনু এত তাড়াতাড়ি উঠে পড়েছিস??

অনু: আরে নিশান তো ছাড়তেই চাইছিলো না।।অনেক কষ্টে চলে এসেছি।।তুই এত তাড়াতাড়ি কেনো?আমি একা তো পারতাম সব ম্যানেজ করতে।।

মিরা: ওহ।।তুমি একাই প্রশংসা পাবা আর আমাকে সবাই কাজ চুন্নি ভাববে তাই না!!(ইয়াকি করে)

অনু: বাহ ভালো বুঝেছিস তো।

মিরা আর অনু দুজনেই হাসতে লাগলো।

মিরা আর অনু দুজনে মিলে সকলের জন্য নাস্তা তৈরী করে নিলো।খাওয়ার সময় সকলে নতুন দুই বউ এর প্রশংসায় মেতে তুললো।।...
শুভর বাবা আজ শুভকে তার দায়িত্ব বুঝায় দিলো।।নিশান খুশি হলো যে শুভ প্রথম কাজে আসলো।।শুভ সবকিছু বুঝে নিলো।।নিশান শুভকে নিশানের পদ দিতে চাইলে শুভ বলে,ভাই এতদিন তুই সব কিছু দেখছিস তাই তুই সব ভালো জানিস।।আমার কোনো সমস্যা নেই বতমান পদে।।তুই তোর পদে থেকেই আমার পাশে থাক তাতেই আমি খুশি।।

নিশান শুভকে বুকে জড়িয়ে নিলো।।শুভর বাবা আজ সত্যি অনেক খুশি হলো।।.....
নিলয়ের রুমে,

নিলয়: কবে যে এই বই গুলা সব গ্রাস করে ফেলবো??(বইয়ের দিকে তাকিয়ে)না পড়তে হবে।।পড়তেই হবে।।বুঝতেই হবে।।কিন্তু বাসর রাতটা তো বুঝলামি না।।যাক গে মালিহা তো বুঝাইতে চাইছে।।(হাসি নিয়ে)

মিরা: আসবো ভাই??(দরজায় দাঁড়িয়ে)

নিলয়: আরে আয় আপু।।(পেছনে ঘুরে)

মিরা: পড়তেছিলি বুঝি??

নিলয়: হুম রে।।

মিরা: আচ্ছা মালিহা যে তোকে পছন্দ করে এটা বুঝিস তুই??

নিলয়: কৈ!!আমাকে তো বলে নি।।

মিরা: আরে গাধা মেয়েরা পছন্দ করলে বা ভালোবাসলে ছেলেদের বলে নাকি!!

নিলয়: তাহলে কী করে আপু?

মিরা: আরে গাঁধা তুই ওকে প্রোপোজ করবি।।সাধারন বিষয় একটা।।

নিলয়: সেটা কীভাবে বলে আপু??

মিরা: নিজের মনের যত কথা আছে সব খুলে বলবি গভীর আবেগ দিয়ে।।

নিলয়: এতো একদম সহজ বিষয়।।(হাসি নিয়ে)

মিরা: আমি জানতাম তুই ঠিক পারবি।।একটু শোনা তো।।(আগ্রহ নিয়ে)

নিলয়: (একটু কেশে) আমার নাম নিলয়।।আমি দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে পড়াশোনা করছি।।আমরা দুই ভাই বোন।।এই তো কালকেই আমার বড় বোনের বিয়ে হলো।।খুব খুশি হয়েছি আমি।।আপুর বরের নাম শুভ।।সে আমাকে খুব ভালোবাসে....

মিরা: এই গাঁধা থাম থাম থাম।।(রাগে,বিরক্তি আর হতাশায়)

নিলয়: কেনো আপু কিছু বলতে কী ভুলে গেছি??(চমকে উঠে)

মিরা: এই তুই কী রচনা বলতেছিস??তোকে কী রচনা বলতে বলা হয়েছে??তোকে তোর মনের কথা বলতে বলা হয়েছে।।

নিলয়: মনের কথাই তো বললাম আপু।।(অবাক হয়ে)

মিরা: আরে ভাই আমার তুই মালিহার সামনে গিয়ে মালিহাকে বলবি যে,আমি তোমাকে ভালোবাসি।।পারবি না??

নিলয়: এটা তো খুব সহজ কাজ আপু।।খুব পারবো।।(হাসি দিয়ে)

মিরা: তাহলে আজকে বলিস।।ঠিক আছে??

নিলয়: আচ্ছা আপু।।

মিরা চলে গেলো।।নিলয় লাফাতে লাফাতে মালিহাকে খুঁজে বের করলো।।মালিহা ছাদে বসে বসে গান শুনছিলো।।নিলয় কে দেখে রেগে গেলো মালিহা।।

নিলয়: মালিহা....

মালিহা: ঐ তুমি এখানে আসছো কেনো??কোনো লেকচার থাকলে দূরে গিয়ে মুড়ি খাও গিয়ে।।আমাকে বিরক্ত করবে না একদম।।

নিলয়: আমি তো একটা কথা বলতে এসেছিলাম তোমায়।।(ভয়ে ও মন খারাপে)

মালিহা: কী কথা??(আশ্চয হয়ে)

নিলয়: আসলে হয়েছে কী মালিহা...

মালিহা: কী হয়েছে।।

নিলয়: সাধারনত তাপ প্রয়োগের ফলে বেশিরভাগ পলিমারই জারিত হয়ে অন্য উপাদানে পরিবতিত হয়।।কিন্তু আমি কোনো পরিবতন ছাড়াই শুধুমাএ একটা প্রভাবকের অদৃশ্য উপস্থিতি হৃদয়ের অন্তঃথ থেকে জারিত বা বিজারিত না করে মুখমন্ডের মুখ দ্বারা হালকা শ্বাস নিয়ে আবার ছেড়ে দিয়ে মধু মিশ্রিত গলায় বেনজিন বলয় বিহীন তোমাকে....

মালিহা: Seriously তুমি খুবই বিরক্তিকর নিলয়।।(রাগে আর বিরক্ত নিয়ে)এই কঠিন বাক্য ছাড়ে যখন কথা বলতে পারবে তখন আমার সামনে এসে কথা বলিও।।মনে থাকে যেনো।।
মালিহা প্রচন্ড রাগে চলে গেলো।নিলয় থ মেরে দাঁড়িয়ে রইলো।

নিলয়: আমি তো বলতে চাইছিলাম "আমি তোমাকে ভালোবাসি"কী কী যে বললাম!!যাক গে কাল আবার বলবো এখন।।আজ বরং আরো কিছু টিপস শিখি আপুর কাছে থেকে।।(লাফাতে লাফাতে নিচে নামতে নামতে)

To be continue,,,,,

06/01/2026

সত্যি তোকে অনেক ভালোবাসি
Part : 12
ইসরাত জাহান প্রভা

মালিহা: আরে ভাইয়া,আপু চলো নিচে ডাকছে তোমাদের।।আর ভাইয়া কাল থেকে তো আপু তোমার।।একটু অপেক্ষা করো।।(ছাদে এসে মিরা আর শুভকে ডেকে)

শুভ: মালিহা তুমি কবে থেকে আমাকে ভাইয়া ডাকা শুরু করেছো?(অবাক হয়ে)

মালিহা: অনেক আগেই থেকে।।(হাসি নিয়ে)

শুভ: এভাবে ভাইয়া ডাকলে তো বুকটা ফাইটা যায় আমার.....(মজা করে)

মিরা: ঐ?টাংকি মারতেছো আমার সামনে??একদম খেয়ে ফেলবো কিন্তু বলে দিলাম।।(শুভর ন্যাকামি দেখে রাগ হয়ে)

শুভ: কৈ..কৈ..আমি তো ম..জা করছি..লা..লা..ম(তোতলাইতে তোতলাইতে)

মিরা: তোতলানো ছাড়িয়ে দেবো একদম।।বেয়াদবি??(রাগে)

মালিহা: ওহ!তোমরা ঝগড়া থামাও তো।।মামা,মামী ডাকছে তো তোমাদের।।আমি গেলাম।।

শুভ: চলো মিরা।।(ভয়ে)

মিরা: আমি ছাড়া কাউকে দেখলে বা টাংকি মারলে তোমাকে শেষ করে ফেলবো কিন্তু বলে দিলাম।।(রাগে)

শুভ: আচ্ছা বাবু এমন আর কখনও হবে না।।(হাসি মুখে)
...

নিলয়ের রুমে...

নিলয় পড়াশুনা আর পাগলামিতে ব্যস্ত.....

নিলয়: যেসব জৈব যৌগের অণুতে একযোজী কাবক্রিল মূলক বতমান থাকে তাদেরকে কাবক্রিলিক এসিড বলে।।"লাল শাড়ি পড়িয়া বইন আমার শ্বশুর বাড়ি যায়,একা একা ভালো লাগে না বিয়া করতে মন চায়।।খুঁইজা পাইনা ভালো মাইয়া কান্দে মন আমার,ও মালিহা কোথায় গেলা তুমি বউ হবে কী আমার??"থুক্কু কী বলছি এইসব!!আহ ভালো লাগে না আর।।পড়াই পড়ি।।কাবক্রিলিক এসিডের অণুতে কাবক্রিলিক এসিড মূলক.....

মালিহা: আসতে পারি বিদ্যাসাগর মশাই??(দরজার পাশে দাড়িয়ে)

নিলয়: আরে আসো আসো।।(হাসি নিয়ে জবাব দিয়ে)

মালিহা: কী করতেছেন??( বিছানায় বসে)

নিলয়: কী যে চাপে আছি!!এই পড়াটা শেষ করতে পারলেই বইটা শেষ হবে।।তখন আরেকটা বই পড়া শুরু করবো।।

মালিহা: আজাইরা!!(বিরক্ত নিয়ে)

নিলয়: আচ্ছা আমাকে প্রেম করা শিখাবা?(আগ্রহ নিয়ে)

মালিহা: কীহ!!কেনো?(আশ্চয হয়ে)

নিলয়: আরে সবার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে।।আমার ও তো বিয়ে করতে ইচ্ছে করে।।তো ভাবছি মেয়ে পটাবো একটা।।কীভাবে পটাতে হয়??(হতাশ নিয়ে)

মালিহা: আমারে দেইখা কী তোমার এইসবের মাষ্টার মনে হয়??(আশ্চায হয়ে)

নিলয়: আরে তুমি দেখতে কিছুটা সুন্দর তাই অনেক প্রোপোজাল পাইছো নিশ্চই।।তা ছেলেরা কীভাবে তোমাকে প্রোপোজ করতো??

মালিহা: আমি দেখতে কিছুটা সুন্দর??(প্রচন্ড রাগে)

নিলয়: আরে কে বলছে কিছুটা??তুমি দেখতে প্রচন্ড সুন্দর।।(ভয়ে মুচকি হেসে)

মালিহা: সত্যি??

নিলয়: একদম সত্যি।।এবার বলো কীভাবে ছেলেরা প্রোপোজ করে??

মালিহা: তুমি কাকে প্রোপোজ করবা?(মায়া আর লজ্জা পেয়ে)

নিলয়: শুনবে?

মালিহা: হুম।।

নিলয়: সে এক ভৌত জগতে থাকা রাসায়নিক পরী।।তার দুই হাতে দুটি অক্রিজেন বন্ড,দুই পায়ে দুটি হাইড্রোজেন বন্ড।।চার হাত মিলে গেলো তো!!মুখ খানি তার সায়ানাইডের আদ্র বিশ্লেষণে চুবানো।।সেই মুখ খানি দেখলেই সকল মৌল যেনো যৌগতে পরিণত হতে চায়।।তার চোখ থেকে স্পষ্ট বেনজিন চক্র দেখা যায়।।সমতলীয় সেই চক্রে পাই কাঠামো যেনো বার বার চেন্জ হচ্ছে কিন্তু সিগমা কাঠামো একদম ঠিক ঠিক ভাবে অবস্থান করছে।।তার হাতের তালুতে যেনো রয়েছে ক্লোরোফোম গ্যাস।।যা বাব বার ঙ্গান হারিয়ে দেয়।।তার চুলের পিএইস এতটাই সমৃদ্ধ যে ফিউরান বা পাইরল আঘাত করতে পারে না।।অবশেষে বলতে চাই অ্যারোমা যুক্ত আপাদমস্তকে শুধু যেনো ভালোবাসতেই ইচ্ছে করে।।তাই তাকে এতটা ভালোবাসি।।

মালিহা: এগুলা কোন কবি লিখেছেন?(মাথা চুলকাতে চুলকাতে)

নিলয়:কবি নিলয় বেনজোয়িক।।(হাসি নিয়ে)

মালিহা:বিশ্বাস করো তোমার মতো পাগল জীবনে দেখি নাই আমি।সব কিছুতে পড়াশোনা একদম ভালো না।।(রাগে ফুলে বের হয়ে গেলো)

নিলয়: যাক বাবা!!আমি আবার কী করলাম??যাই হোক মেয়েটাকে খুব কিউট লাগে।।একদম বেনজিনের মতো।।কিন্তু বেনজিন তো মোটা।।ও তো মোটামুটি মোটাও না পাতলা ও না।।ওহ হ্যাঁ বিয়ের পরেই বেনজিন হয়ে যাবে।।(হাহাহাহাহাহাহাহা)
.....
সকাল থেকেই অনুর মা,শুভর মা রান্নাতে ব্যস্ত।।পায়েল,মালিহা আর শিলা অনু আর মিরাকে সাজাতে ব্যস্ত।।সন্ধ্যার দিকে কাজী উপস্থিত হলো।।ধীরে ধীরে শুভ,মিরা আর অনু,নিশানের বিয়ে সম্পন্ন হলো।।.....
শুভ,মিরার বাসর রাতে...
ঘোমটা দিয়ে বসে আছে মিরা।।শুভ এসে ঘোমটা তুলে দিয়ে মিরা চাঁদমাখা মুখটি দেখলো।।

শুভ: এত সুন্দর কেনো আমার বউটা??

মিরা: যাহ!!(লজ্জা পেয়ে)

শুভ: এত লজ্জা পেলে হবে??এখন ও তো কিছুই হলো না।।(মিরাকে কাছে টেনে)

মিরা শুভর বুকে মাথা রেখে বললো,শুভ আমাকে এভাবে সারাজীবন আগলে রাখবে তো?(মায়া নিয়ে)

শুভ: হুম মিরা।।রাখবো।।

শুভ মিরার ঠোঁট দুটোতে হালকা হাতের ছোঁয়া দিয়ে নিজের ঠোঁট দুটো মিরার ঠোঁটে ডুবিয়ে দিলো।।মিরা পাগলের মতো দিশেহারা হতে লাগলো।।শুভ মিরার আঁচল ধীরে ধীরে সরিয়ে দিয়ে বুকের মাঝে মাথা গুজে দিতে লাগলো।।ধীরে ধীরে মিরা পাগল প্রায় হতে লাগলো।।শুভকে অনবরত চুমু দিতে লাগলো।শুভ মিরার পেটের চারদিতে হাত বুলাতে বুলাতে নিচের দিকে চলে গেলো।।মিরা শাড়ী আস্তে আস্তে খুলে ফেলে দিলো শুভ।।ছায়ার বাঁধন খুলে এক টান দিয়ে ফেলে দিলো বহু দূরে।।পরম আবেগে মিরা আজ ভালোবাসায় নিজেকে বিলিয়ে দিলো শুভর কাছে।।তারা দুজনেই মেতে উঠলো এক ভালোবাসার গভীর পূণতায়।।
......
নিশান ও অনুর বাসর ঘরে....

লাল টুকটুকে শাড়ি পড়ে ঘোমটা দিয়ে বসে আছে অনু।।নিশান রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলো।।অনুর পাশে এসে নিশান অনুর ঘোমটা তুলে দিলো আর তাকিয়ে রইলো অনুর দিকে।।

অনু:কী দেখছো এভাবে?(লজ্জা পেয়ে)

নিশান: দেখছি আর ভাবছি কীভাবে তোমার ছবি আঁকলে সুন্দর লাগবে!!(চিন্তা নিয়ে)

অনু: তাই বুঝি!!

নিশান: হুম।।তুমি এভাবেই সারা রাত বসে থাকো আমি তোমার ছবি আঁকি।।বসে থাকো এভাবে।।

নিশান উঠতে যাবে ঠিক এই সময় অনু নিশানের হাত টেনে ধরে নিশানকে বিছানায় ফেলে দিলো এবং নিশানের উপর চড়ে বসলো।।

নিশান: কী হয়েছে গো?(ভয় পেয়ে)

অনু: বাসর রাতে বউকে বসায় রেখে তুমি ছবি আঁকবা??এটা কী সভ্যতা??সেই কবে থেকেই এই দিনটার অপেক্ষা করছি আর তুমি ছবি আঁকবা??দেখাচ্ছি তোমাকে....

এই বলে অনু নিশানের ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো।।নিশান অনুকে জড়ায় নিয়ে অনুর ওপর উঠে অনুর শাড়ী খুলে ফেলে দিলো।।অনুর সারা শরীরে ভালোবাসার ছোঁয়া দিতে লাগলো নিশান।।অনু পাগলের মতো দিশাহারা হয়ে পড়তে লাগলো।।ছায়াটা এক টানে খুলে ফেলে দিয়ে নিশান আর অনু হারিয়ে গেলো এক পূণতার জগতে।।যেখানে দুজনে মিলে একাকার হয়ে যায় একজনে।।......
মালিহা আর পায়েল দরজায় কান পেতে আছে শুভ আর মিরার রুমের বাহিরে।।নিলয় পাশ দিয়ে যেতেই পায়েল আর মালিহার কান্ড দেখে থেমে গেলো।।

নিলয়: এখানে কী করছো তোমরা??(আগ্রহ নিয়ে)

চমকে উঠে মালিহা আর পায়েল।।

পায়েল: কৈ কিছু না তো।।(ভয়ে ভয়ে)

নিলয়: আচ্ছা বাসর রাত নাকি খুব মজার??কী হয় সেখানে??তোমরা কেউ জানো?

পায়েল: মালিহা আপু তুই ম্যানেজ কর তোর বাবুকে আমি গেলাম।।(দৌড়ে পালিয়ে গেলো পায়েল)

মালিহা থ মেরে দাঁড়িয়ে রইলো।।

নিলয়: ও পালালো কেনো??(চমকে উঠে)

মালিহা: জানি না।।(অসহায় হয়ে)

নিলয়: আচ্ছা বললে না তো কী হয় বাসর রাতে??(দাঁত বের করে)

মালাহা প্রচন্ড রেখে গিয়ে নিলয়ের কলার টেনে কাছে এনে বললো,এই বলদ আমাকে বিয়ে কর তাহলে তোকে শিখায় দিবো বাসর রাতে কী হয়।।বুঝলি??(ছেড়ে দিয়ে)

নিলয়: তোমাকেই বিয়ে করতে হবে?অন্য কাউকে বিয়ে করলে সে শিখাবে না??(ভয়ে ভয়ে)

মালিহা: তোকে বলেছি না আমাকে বিয়ে করতে হবে!আমাকে বিয়ে করলেই শিখতে পারবি।।তার আগে না।।বল আমাকে বিয়ে করবি??(প্রচন্ড রাগে নিলয়ের কলার টেনে নিয়ে )

নিলয়: হ্যাঁ।।হ্যাঁ।।আমি তোমাকেই বিয়ে করবো।।আমার ভয় লাগছে।।ছেড়ে দাও আমায়।।(হাত পা কাঁপাতে কাঁপাতে)

মালিহা: যা ভাগ।।(নিলয় কে ধাক্কা দিয়ে)
নিলয় দৌড়ে পালিয়ে গেলো।

মালিহা: বলদা কোথাকার।।(নিজের রুমে যেতে যেতে)

চলবে,,,,,,,

Address

Anara - Kalabani
Purulia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M Status Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category