Somnath Murmu

Somnath Murmu Son Of Santhal Santali Sms & Shayari Writer Page.

বন অধিকার আইনে দেশজুড়ে ১১ লক্ষের বেশি দাবি মুলতুবি! কলকাতায় আট রাজ্যকে নিয়ে কেন্দ্রের পর্যালোচনা বৈঠক।বন অধিকার আইন, ...
11/10/2026

বন অধিকার আইনে দেশজুড়ে ১১ লক্ষের বেশি দাবি মুলতুবি! কলকাতায় আট রাজ্যকে নিয়ে কেন্দ্রের পর্যালোচনা বৈঠক।

বন অধিকার আইন, ২০০৬-এর বাস্তবায়ন নিয়ে উঠে এল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। দেশজুড়ে ১১ লক্ষেরও বেশি বন অধিকার সংক্রান্ত দাবি এখনও মুলতুবি রয়েছে। অন্যদিকে, ৫৪ লক্ষেরও বেশি দাবি জমা পড়লেও এখনও পর্যন্ত প্রায় ২৫ লক্ষ স্বত্বের দলিল বিতরণ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বনবাসী আদিবাসী ও অন্যান্য প্রথাগত বনবাসীদের অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত কেন্দ্রীয় সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ৯ অক্টোবর কলকাতায় বন অধিকার আইন, ২০০৬-এর বাস্তবায়ন নিয়ে দ্বিতীয় আঞ্চলিক পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট আটটি রাজ্যের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

এই আটটি রাজ্য হলো পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, বিহার, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড়। পাশাপাশি, বন অধিকার সংক্রান্ত নথির ডিজিটাইজেশন এবং সরকারি রেকর্ডে স্বীকৃত অধিকার অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে অন্ধ্রপ্রদেশের আধিকারিকদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে ৫৪ লক্ষেরও বেশি বন অধিকার সংক্রান্ত দাবি জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ লক্ষ দাবির ক্ষেত্রে স্বত্বের দলিল বিতরণ করা হয়েছে। প্রায় ১১ লক্ষ দাবি এখনও বিভিন্ন পর্যায়ে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া, ১৮ লক্ষেরও বেশি দাবি খারিজ করা হয়েছে।

এখানেই উঠে আসছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—বন অধিকার আইনে যাঁরা নিজেদের অধিকার দাবি করেছেন, তাঁদের আবেদন নিষ্পত্তি হতে এত সময় লাগছে কেন?

কলকাতার পর্যালোচনা বৈঠকে মুলতুবি দাবিগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা, খারিজ হওয়া আবেদনগুলি আইন ও বিধি অনুযায়ী পর্যালোচনা করা এবং বন অধিকার সংক্রান্ত নথিপত্রের অসংগতি দূর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শুধু ব্যক্তিগত বন অধিকারের স্বীকৃতি নয়, বনজ সম্পদের ওপর সম্প্রদায়ের অধিকার এবং বিশেষভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠী বা PVTG-দের প্রথাগত আবাসভূমির অধিকার স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে।

বন অধিকার আইন, ২০০৬-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বনবাসী তফসিলি জনজাতি এবং অন্যান্য প্রথাগত বনবাসীদের দীর্ঘদিনের বনভূমি ও বনজ সম্পদ ব্যবহারের অধিকারকে আইনগত স্বীকৃতি দেওয়া। কিন্তু বিপুল সংখ্যক দাবি এখনও মুলতুবি থাকায় এই আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক তৎপরতা ও স্বচ্ছতার প্রশ্ন সামনে আসছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু স্বত্বের দলিল বিতরণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। স্বীকৃত অধিকার সরকারি জমি ও বন বিভাগের রেকর্ডে সঠিকভাবে নথিভুক্ত করা, গ্রামসভার ভূমিকা শক্তিশালী করা এবং অধিকারপ্রাপ্ত পরিবারগুলির জীবিকা ও উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

তবে মনে রাখতে হবে, সমস্ত খারিজ হওয়া আবেদন বেআইনিভাবে খারিজ হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য এই পরিসংখ্যানে নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে খারিজের কারণ এবং আইন অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার সুযোগ আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

এখন দেখার বিষয়, কলকাতার এই পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যগুলি কত দ্রুত মুলতুবি দাবিগুলির নিষ্পত্তি করে এবং বনবাসী আদিবাসী ও অন্যান্য প্রথাগত বনবাসীদের আইনগত অধিকার বাস্তবে নিশ্চিত করতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

সূত্র: ভারত সরকারের জনজাতি বিষয়ক মন্ত্রক ও প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB), ১০ অক্টোবর ২০২৬।

#आदिवासीअधिकार #आदिवासीसमाचार

✍️ কলমে - |

11/10/2026

দুমকার কাঠিকুণ্ডে নবম শ্রেণির আদিবাসী ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু! ন্যায়বিচারের দাবিতে পথে ছাত্রছাত্রী ও গ্রামবাসীরা!

ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলার কাঠিকুণ্ড থানা এলাকার জীতপুর গ্রামে নবম শ্রেণির এক আদিবাসী ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ঝোপঝাড়ের মধ্যে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় যৌন নির্যাতন ও হত্যার আশঙ্কা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে ছাত্রছাত্রী ও গ্রামবাসীরা রাস্তায় নেমে ন্যায়বিচারের দাবি জানান। অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং মৃত ছাত্রীর পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবি তোলা হয়।

একজন আদিবাসী ছাত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত সত্য কি সামনে আসবে?

⚖️ আমাদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ প্রকাশ করা হোক এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

📢 ভিডিওটি শেয়ার করে ন্যায়বিচারের দাবিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিন। তবে তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত যৌন নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে ধরে নেবেন না।

📍 ঘটনাস্থল: কাঠিকুণ্ড, দুমকা, ঝাড়খণ্ড
📅 ঘটনার তারিখ: ৯ অক্টোবর ২০২৬
📰 সংবাদসূত্র: The Times of India, ThePrint ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

#आदिवासी #न्यायकीमांग #আদিবাসী #ন্যায়বিচার

✍️ কলমে - |

দুমকার কাঠিকুণ্ডে নবম শ্রেণির আদিবাসী ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু! ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় ছাত্রছাত্রী ও গ্রামবাসীরা!  ঝাড...
11/10/2026

দুমকার কাঠিকুণ্ডে নবম শ্রেণির আদিবাসী ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু! ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় ছাত্রছাত্রী ও গ্রামবাসীরা!

ঝাড়খণ্ড: ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলার কাঠিকুণ্ড থানা এলাকার জীতপুর গ্রামে নবম শ্রেণির এক ১৪ বছর বয়সি আদিবাসী ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ৯ অক্টোবর, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ঝোপঝাড়ের মধ্যে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবার এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ছাত্রছাত্রীরা।

পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, শুক্রবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর ছাত্রীটি খাওয়াদাওয়া করে মাঠে বাঁধা গরু আনতে যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি ফিরে আসেনি। এরপর পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসীরা তার খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির সময় বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ঝোপের মধ্যে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে কাঠিকুণ্ড থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ঘটনাস্থলের কাছে পোশাক পাওয়া যাওয়ার পর যৌন নির্যাতনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও ধর্ষণ ও হত্যার সন্দেহের কথা উঠে এসেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং যৌন নির্যাতন হয়েছিল কি না, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই নিশ্চিত করা সম্ভব। তাই তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আগে এই অভিযোগগুলিকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

এই ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার, ১০ অক্টোবর, ছাত্রছাত্রী ও গ্রামবাসীরা রাস্তায় নেমে ন্যায়বিচারের দাবি জানান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা দুমকা-পাকুড় প্রধান সড়ক অবরোধ করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন। পাশাপাশি মৃত ছাত্রীর ভাইবোনদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা, পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং তার বাবার কর্মসংস্থানের দাবিও জানানো হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা অবরোধের পর প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলন তুলে নেওয়া হয় বলে হিন্দুস্তানের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ডগ স্কোয়াডের সাহায্যে তদন্ত চালায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ তথ্য এবং অভিযুক্তদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

একজন নাবালিকা ছাত্রীর এমন রহস্যজনক মৃত্যু নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দোষীদের পরিচয় ও অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

আমাদের দাবি—ঘটনার নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত হোক, প্রকৃত সত্য সামনে আসুক এবং দোষী প্রমাণিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। মৃত ছাত্রীর পরিবার যেন ন্যায়বিচার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়।

#আদিবাসী #ন্যায়বিচার

✍️ কলমে - |

🆘 অসহায় বাবার কাতর আবেদন—মেয়ের চোখের চিকিৎসার জন্য সকলের সাহায্য চাই!  🙏 পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ইউটিউবা...
11/10/2026

🆘 অসহায় বাবার কাতর আবেদন—মেয়ের চোখের চিকিৎসার জন্য সকলের সাহায্য চাই!

🙏 পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ইউটিউবার, ফেসবুক ক্রিয়েটর, সমাজসেবী ও সহৃদয় মানুষের কাছে হাতজোড় করে আবেদন—দয়া করে আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

আমার মেয়ের নাম কবিতা হেমব্রম (Kabita Hembram)। আমার নাম গুপিন হেমব্রম (Gupin Hembram)। আমি উত্তর দিনাজপুর জেলার একজন অসহায় বাবা। আমার মেয়ে ছোটবেলা থেকেই চোখের সমস্যায় ভুগছে। ওর বয়স যখন মাত্র পাঁচ মাস, তখন প্রথমে মালদায় চিকিৎসক দেখাই। সেখান থেকে কলকাতায় নিয়ে যাই। কলকাতার চিকিৎসকদের পরামর্শে হায়দরাবাদ অথবা নেপালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর কথা জানতে পারি। এরপর মেয়েকে নেপালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসক দেখাই। সেখানে অপারেশনের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু মেয়ে তখন খুব ছোট ছিল বলে অপারেশন করাতে ভয় পেয়েছিলাম। চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, বড় হলে অপারেশন করানো যাবে।

এরপর মেয়ের বয়স এক বছর হলে আবার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই। তখন বলা হয়, মেয়ে কথা বলতে শিখলে পরে অপারেশন করা যাবে। মেয়ে কথা বলতে শেখার পর আবারও চিকিৎসা করাতে যাই। কিন্তু বারবার চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমাদের জমানো টাকা প্রায় সব শেষ হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু দাদা, প্রায় দুই মাস আগে হঠাৎ আমার মেয়ের চোখে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়। সেই যন্ত্রণায় মেয়েটি দিনরাত কাঁদছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ওর চোখের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, চোখের অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মেয়ের কষ্ট দেখে একজন বাবা হিসেবে আমি আর সহ্য করতে পারছি না।

আবার মেয়েকে নিয়ে নেপালে যাই। সেখানে ১৫ দিনের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওষুধ খাওয়ানোর পরও চোখের ব্যথা কমেনি। পরে আবার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চেন্নাইয়ের শঙ্করা নেত্রালয় (Sankara Nethralaya) চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার জন্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে বলে আমাদের জানানো হয়েছে।

দাদা, আমি অত্যন্ত গরিব মানুষ। আমাদের এমন কোনও জমিজমা বা সম্পদ নেই, যা বিক্রি করে মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারব। চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমাদের যা কিছু সঞ্চয় ছিল, সব শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাড় করা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এত দিন ব্যথার ওষুধ খাইয়ে মেয়েকে সামলে রেখেছিলাম। কিন্তু এখন মেয়েটা আর ওষুধ খেতে চাইছে না। চোখের ব্যথায় ওর কান্না দেখে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। নিজের সন্তানকে এভাবে কষ্ট পেতে দেখা যে কতটা যন্ত্রণার, তা ভাষায় বোঝাতে পারব না।

🙏 তাই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ইউটিউবার, ফেসবুক ক্রিয়েটর, সমাজসেবী এবং সহৃদয় মানুষের কাছে আমার হাতজোড় করে আবেদন—দয়া করে আমার মেয়ের পাশে দাঁড়ান। আপনারা সবাই মিলে সামান্য সহযোগিতা করলেও হয়তো আমার মেয়েকে দ্রুত চেন্নাইয়ে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করতে পারব।

আমি একজন অসহায় বাবা। আমার একটাই স্বপ্ন—আমার মেয়েটা যেন চিকিৎসা পায়, চোখের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায় এবং অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ পায়।

দাদা, আপনারা দয়া করে আমার এই আবেদনটি বেশি করে শেয়ার করুন। আপনাদের মাধ্যমে যদি আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্য জোগাড় হয়, তাহলে হয়তো ওর চিকিৎসার নতুন পথ খুলে যাবে।

📌 শিশুটির পরিচয় ও যোগাযোগের বিবরণ

👧 শিশুর নাম: কবিতা হেমব্রম (Kabita Hembram)
👨 বাবার নাম: গুপিন হেমব্রম (Gupin Hembram)
🏡 গ্রাম: কাজী পাড়া (Kaji Para)
📮 পোস্ট অফিস: জয়হাট (Joyhat)
🚔 থানা: ইটাহার (Itahar)
📍 জেলা: উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ
📞 যোগাযোগের নম্বর: 8327333880
🏥 প্রস্তাবিত হাসপাতাল: শঙ্করা নেত্রালয়, চেন্নাই
💰 আনুমানিক চিকিৎসার খরচ: ১০ লক্ষ টাকা (পরিবারের জানানো তথ্য অনুযায়ী; হাসপাতালের লিখিত হিসাব দিয়ে নিশ্চিত করা প্রয়োজন)।

🙏 সকলের কাছে শেষ আবেদন

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর দাদা-দিদি, আপনারা দয়া করে কবিতা হেমব্রমের পাশে দাঁড়ান। ভিডিওটি শেয়ার করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিন। সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করুন, যাতে অসহায় বাবা গুপিন হেমব্রম তাঁর মেয়েকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য চেন্নাইয়ে নিয়ে যেতে পারেন।

একজন বাবার চোখের জল মুছে দিয়ে একটি শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে এগিয়ে আসুন। মানবিকতার স্বার্থে এই আবেদনটি সকলের কাছে পৌঁছে দিন।

✍️ কলমে - |

10/10/2026

আদিবাসীদের উপর অত্যাচার কেন? কয়লা কোম্পানির বিরুদ্ধে মহিলাদের আন্দোলন! | Shikaripara Dumka News!

ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলার শিকারিপাড়ায় কয়লা প্রকল্পকে কেন্দ্র করে আদিবাসী গ্রামবাসীদের প্রতিবাদ। কয়লা কোম্পানির বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন মহিলারাও। তাঁদের দাবি, জল, জঙ্গল ও জমির অধিকার রক্ষা করতে হবে এবং আদিবাসীদের মতামত ও ন্যায্য দাবিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

❓ প্রশ্ন উঠছে—উন্নয়নের নামে আদিবাসীদের জমি, জীবিকা ও অস্তিত্বের প্রশ্ন কি উপেক্ষিত হচ্ছে?

কয়লা প্রকল্পকে ঘিরে জমি, গ্রামসভার অধিকার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের প্রশ্নে স্থানীয় মানুষের উদ্বেগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আদিবাসী সমাজের কাছে জমি শুধু সম্পত্তি নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তাঁদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, জীবিকা ও ভবিষ্যৎ।

এই ভিডিওতে জানুন শিকারিপাড়ার আদিবাসী মহিলাদের আন্দোলন, কয়লা প্রকল্প ঘিরে গ্রামবাসীদের উদ্বেগ এবং জল-জঙ্গল-জমির অধিকার রক্ষার দাবির কথা।

📍 স্থান: শিকারিপাড়া, দুমকা, ঝাড়খণ্ড
🎯 মূল বিষয়: আদিবাসী অধিকার, কয়লা প্রকল্প, জমি রক্ষা ও মহিলাদের আন্দোলন।

আপনার কী মতামত? উন্নয়নের পাশাপাশি আদিবাসীদের অধিকার ও পরিবেশ রক্ষা কি নিশ্চিত করা উচিত? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

ভিডিওটি শেয়ার করুন, যাতে আদিবাসী সমাজের অধিকার ও তাঁদের দাবির বিষয়টি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায়।

📌 আমাদের উদ্দেশ্য: আদিবাসী সমাজের খবর, অধিকার, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও সামাজিক সমস্যাগুলি মানুষের সামনে তুলে ধরা।

🔔 আদিবাসী সংক্রান্ত খবর ও আপডেট পেতে Trend Of Santhal-এর সঙ্গে থাকুন।

Shikaripara News, Dumka News Today, Jharkhand Adivasi News, Adivasi Protest, Coal Company Protest, Tribal Women Protest, Adivasi Rights, Save Jal Jangal Zameen, আদিবাসী আন্দোলন, শিকারিপাড়া খবর, ঝাড়খণ্ডের খবর, আদিবাসীদের জমির অধিকার, কয়লা কোম্পানির বিরুদ্ধে আন্দোলন, আদিবাসী মহিলাদের প্রতিবাদ।

#আদিবাসীঅধিকার #আদিবাসীআন্দোলন #জলজঙ্গলজমি #আদিবাসী

আদিবাসীদের উপর এত অত্যাচার কেন? উন্নয়নের নামে কি হারিয়ে যাবে জল, জঙ্গল, জমি ও আদিবাসীদের অস্তিত্ব?ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেল...
10/10/2026

আদিবাসীদের উপর এত অত্যাচার কেন? উন্নয়নের নামে কি হারিয়ে যাবে জল, জঙ্গল, জমি ও আদিবাসীদের অস্তিত্ব?

ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলার শিকারিপাড়া এলাকায় প্রস্তাবিত কয়লা প্রকল্পকে কেন্দ্র করে আদিবাসী গ্রামবাসীদের আন্দোলন আবারও সামনে নিয়ে এসেছে জমির অধিকার, গ্রামসভার সম্মতি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার প্রশ্ন। ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত হিন্দুস্তান পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়লা প্রকল্পের বিরোধিতায় ২২টি গ্রামের গ্রামপ্রধান, জমির মালিক এবং বহু মহিলা-পুরুষ গ্রামবাসী প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন। তাঁদের অভিযোগ, কয়লা প্রকল্পের জন্য তাঁদের পৈতৃক জমি নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিয়ে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। প্রতিবাদে উঠে আসে ‘জান দেব, জমি দেব না’ এবং ‘জল, জঙ্গল, জমি আমাদের’ স্লোগান। অন্যদিকে, ১৪ এপ্রিল ২০২৬-এ টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রকাশিত প্রতিবেদনেও শিকারিপাড়ার বাদলপাড়া গ্রামে কয়লা প্রকল্পের জমি সমীক্ষা ও ড্রিলিংয়ের উদ্যোগকে ঘিরে গ্রামবাসীদের বিরোধিতার কথা উঠে আসে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, গ্রামসভার সম্মতি ছাড়াই কাজ শুরু করার চেষ্টা হয়েছে। প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এই ঘটনাগুলি আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে—উন্নয়নের পরিকল্পনা তৈরি করার সময় সেই এলাকার আদিবাসী মানুষদের মতামত, অধিকার এবং ভবিষ্যৎকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে?

একটু ভাবুন, যে জমিতে একটি পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করছে, যে জঙ্গলের সঙ্গে তাদের জীবিকা ও সংস্কৃতি জড়িয়ে রয়েছে, যে জলাশয় তাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ—সেই জমি, জঙ্গল ও জল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হলে তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে? আদিবাসী সমাজের কাছে জমি কেবল অর্থনৈতিক সম্পদ নয়; এটি তাদের পরিচয়, সংস্কৃতি, সামাজিক সম্পর্ক এবং পূর্বপুরুষদের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই কয়লা প্রকল্পকে কেন্দ্র করে জমি হারানোর আশঙ্কা দেখা দিলে প্রতিবাদ শুধু ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে অস্তিত্ব ও অধিকার রক্ষার লড়াই।

এখানেই প্রশ্ন উঠছে—কোনও প্রকল্পের জন্য জমি সমীক্ষা, পরিবেশগত সিদ্ধান্ত কিংবা পরবর্তী উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গ্রামবাসীদের বক্তব্য যথাযথভাবে শোনা হচ্ছে কি না। গ্রামসভার আইনগত ক্ষমতা, জমি অধিগ্রহণের নিয়ম, পুনর্বাসন এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিধান মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা স্বচ্ছভাবে যাচাই করা জরুরি। উন্নয়ন যদি মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপন্ন করে, তাহলে সেই উন্নয়নের সুফল কারা পাবে এবং তার মূল্য কাদের দিতে হবে—এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যায় না।

আদিবাসীদের অধিকার রক্ষার জন্য ভারতীয় সংবিধান এবং বিভিন্ন আইনে বিশেষ বিধান রয়েছে। পঞ্চম তফসিলভুক্ত এলাকায় আদিবাসী স্বার্থ রক্ষার সাংবিধানিক ব্যবস্থা রয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত (তফসিলি এলাকায় সম্প্রসারণ) আইন, ১৯৯৬ বা PESA এবং বনাধিকার আইন, ২০০৬ বা FRA-ও গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনও নির্দিষ্ট প্রকল্পের ক্ষেত্রে কোন বিধান কীভাবে প্রযোজ্য হবে, তা সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনি মর্যাদা, জমির প্রকৃতি এবং প্রকল্পের বিবরণের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে। শুধু আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা হলেই প্রতিটি ক্ষেত্রে একই আইনি বিধান প্রযোজ্য হয় না।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও ঐতিহ্য রক্ষায় আদিবাসী সমাজের অবদান স্বীকার করা হলেও তাঁদের জমি, জীবিকা এবং মতামত নিয়ে বারবার কেন সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়? কেন উন্নয়নের আলোচনা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আশঙ্কা ও দাবিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে হলে প্রশাসন, প্রকল্প কর্তৃপক্ষ এবং জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সম্মতি ও শুনানির প্রক্রিয়া যাচাই করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

আদিবাসীদের অধিকার রক্ষার প্রশ্ন কোনও একটি গ্রাম, জেলা কিংবা রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি সামাজিক ন্যায়বিচার, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্ন। উন্নয়নের বিরোধিতা না করেও উন্নয়নের নামে মানুষের অধিকার উপেক্ষা করার বিরোধিতা করা যায়। কারণ প্রকৃত উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তার সুফল মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং মানুষকে নিজের অস্তিত্ব, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হয় না।

জল, জঙ্গল ও জমি শুধু সম্পদ নয়—এগুলি মানুষের জীবন, জীবিকা ও অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। আদিবাসীদের অধিকার রক্ষা হোক, আইন মেনে স্বচ্ছ উন্নয়ন হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য দাবির সমাধান হোক।

#जलजंगलजमीन #आदिवासीअधिकार #आदिवासीएकता #আদিবাসী_অধিকার #জলজঙ্গলজমি #আদিবাসী_আন্দোলন

✍️ কলমে - |

10/10/2026

২৫০ ছাত্রের সামনে ২৫০ পুলিশ! OASIS স্কলারশিপের দাবিতে উত্তাল আদিবাসী ছাত্রসমাজ!

10/10/2026

মন্ত্রী বলে তাঁর গাড়ি আইনগত প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। আবার মন্ত্রীর গাড়ি আটকালেই প্রতিবাদকারীরা অপরাধী হয়ে যান না।

10/10/2026

সাঁওতালি মাধ্যমে B.Ed. চালুর দাবি—কী আশ্বাসে উঠল পথ অবরোধ?

10/10/2026

ধলডাঙ্গায় উত্তেজনার মাঝে পুলিশ প্রশাসনের মুখোমুখি পারগানা বাবা! কী কথা হলো?

Address

Purulia
723101, 723102, 723103, 723104, 723105 AND UPCOMING.

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Somnath Murmu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Somnath Murmu:

Shortcuts

Share