Somnath Murmu

Somnath Murmu Son Of Santhal Santali Sms & Shayari Writer Page.

কোচবিহার জেলার দিনহাটা মহকুমার বামনহাটের পোয়াতুরকুঠি এলাকায় ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীর রহস্যজনক মৃ/ত্/যুর ঘটনাকে ঘিরে ব্য...
06/06/2026

কোচবিহার জেলার দিনহাটা মহকুমার বামনহাটের পোয়াতুরকুঠি এলাকায় ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীর রহস্যজনক মৃ/ত্/যুর ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরীটি নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজাখুঁজি চালান। কিন্তু সারাদিন তল্লাশি চালিয়েও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরিবারের উদ্বেগ বাড়তে থাকলে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন যৌথভাবে অনুসন্ধান শুরু করেন।

পরবর্তীতে এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে কিশোরীর নিথর দে/হ উদ্ধার হয় বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শো/ক ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দে/হ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠেছে। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। তাই সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন দাবি বা তথ্যের সত্যতা সরকারি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পরই ঘটনার সম্পূর্ণ চিত্র সামনে আসবে।



✍️ কলমে - |

06/06/2026

ঝান্টি পাহাড়ী মেলা বাঁচাতে বড় পদক্ষেপ! সামনে এলেন পারগানা বাবুনাথ টুডু।

চিকিৎসা করাতে এসে আর বাড়ি ফেরা হলো না। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্...
06/06/2026

চিকিৎসা করাতে এসে আর বাড়ি ফেরা হলো না। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রা/ণ হা/নি হল আমাদের গ্রামের বাসিন্দা বিজয় মন্ডলের (বয়স আনুমানিক ৩৩)। পরিবারের দাবি, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে হাসপাতালে যাওয়ার পর হাসপাতালের গেটের সামনেই একটি বাসের ধাক্কায় তাঁর মৃ/ত্/যু হয়। এই ঘটনায় শো/কের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকাজুড়ে, পাশাপাশি উঠে এসেছে হাসপাতাল চত্বরের নিরাপত্তা ও যানবাহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালের সামনে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দখল, টোটো স্ট্যান্ড, যানজট এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রতিদিন শত শত রোগী, পরিজন ও সাধারণ মানুষ এই পথ ব্যবহার করলেও নিরাপদ চলাচলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তাঁদের প্রশ্ন, যদি শহরের বিভিন্ন এলাকায় নির্দিষ্ট টোটো স্ট্যান্ড থাকতে পারে, তাহলে হাসপাতালের গেট, প্রধান রাস্তা এবং ব্যস্ত মোড়গুলো কেন দখলমুক্ত রাখা হচ্ছে না? কেন সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন বি/প/দের মুখে চলাচল করতে হবে?

জানা গেছে, বিজয় মন্ডল ছিলেন তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। দিনমজুরির কাজ করে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা উপার্জনের মাধ্যমে তিনি স্ত্রী, চার বছরের সন্তান এবং বিধবা মায়ের ভরণপোষণ করতেন। তাঁর আকস্মিক মৃ/ত্/যুতে পরিবারটি আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, চার বছরের শিশুটির ভবিষ্যতের দায়িত্ব কে নেবে? তাঁর স্ত্রী ও বিধবা মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব কে বহন করবে? একটি পরিবারের সমস্ত স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার জবাবদিহি কে করবে?

গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা, মৃ/তের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজন সদস্যের স্থায়ী কর্মসংস্থানের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল চত্বর ও আশপাশের এলাকাকে যানজট ও অবৈধ দখলমুক্ত করে নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করার আবেদনও জানানো হয়েছে প্রশাসনের কাছে।

স্থানীয়দের বক্তব্য, আজ বিজয় মন্ডল আর নেই, কিন্তু আগামী দিনে যেন আর কোনো পরিবারকে এভাবে প্রিয়জন হারানোর বে/দ/না বহন করতে না হয়, তার জন্য অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। একটি প্রাণের মূল্য অনেক। আর কত বলিদান দিলে পরিবর্তন আসবে—সেই প্রশ্নই আজ ঘুরে বেড়াচ্ছে সাধারণ মানুষের মনে।

(উল্লেখ্য: উপরোক্ত তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। এই ঘটনার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি আমাদের টিম।)



✍️ কলমে - |

ঝাঁটিপাহাড়ি মেলায় মদ ও হাড়িয়া কেনাবেচা বন্ধে প্রশাসনিক আলোচনা অনুষ্ঠিত  বাঁকুড়া জেলার ঐতিহ্যবাহী ঝাঁটিপাহাড়ি মেলাক...
06/06/2026

ঝাঁটিপাহাড়ি মেলায় মদ ও হাড়িয়া কেনাবেচা বন্ধে প্রশাসনিক আলোচনা অনুষ্ঠিত

বাঁকুড়া জেলার ঐতিহ্যবাহী ঝাঁটিপাহাড়ি মেলাকে আরও সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও পারিবারিক পরিবেশে পরিচালনার লক্ষ্যে মেলায় প্রকাশ্যে মদ ও হাড়িয়া কেনাবেচা বন্ধ করার বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় নেতৃত্ব, মেলা কমিটি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ঝাঁটিপাহাড়ি মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ এই মেলায় অংশগ্রহণ করেন। তাই মেলার সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখা এবং নারী, শিশু ও পরিবারের সদস্যদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

বৈঠকে মেলার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে প্রকাশ্যে মদ ও হাড়িয়া বিক্রি এবং সেবনের ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব, জনসাধারণের অসুবিধা এবং সামাজিক পরিবেশের অবনতি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মেলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে অক্ষুণ্ণ রেখে সকলের অংশগ্রহণে একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। সেই উদ্দেশ্যেই সচেতনতা বৃদ্ধি, নজরদারি জোরদার এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, ঝাঁটিপাহাড়ি মেলা এলাকার গর্ব এবং এই মেলার মর্যাদা রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব। তাই শান্তি, শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রত্যেকের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ আশা প্রকাশ করেছেন যে, সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ঝাঁটিপাহাড়ি মেলা আগামী দিনেও তার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ অটুট রেখে আরও সাফল্যের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে।



✍️ কলমে - |

05/06/2026

মুসলমান এর দ্বারা আদিবাসীদের কে অপমান

05/06/2026

জয় আদিবাসী – জয় জোহার।

05/06/2026

পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে আদিবাসী পরিবার, উত্তাল খুকুন্ডিবাহাল!

05/06/2026

জঙ্গল কেটে পরিবেশ দিবস! এই দ্বিচারিতার জবাব কে দেবে?

আজ ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। আজ অনেকেই পরিবেশ রক্ষার কথা বলছেন। কিন্তু একজন আদিবাসী যুবক হিসেবে আমি জানতে চাই—ভারতবর্ষের...
05/06/2026

আজ ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস।

আজ অনেকেই পরিবেশ রক্ষার কথা বলছেন। কিন্তু একজন আদিবাসী যুবক হিসেবে আমি জানতে চাই—ভারতবর্ষের সেইসব জায়গার কথা আজ কে বলছে, যেখানে জল, জঙ্গল ও জমিন রক্ষার জন্য আদিবাসীরা বছরের পর বছর লড়াই করে যাচ্ছেন?

🌿 নিয়ামগিরি, ওড়িশা — ডোংরিয়া কন্ধ আদিবাসীরা বক্সাইট খনির বিরুদ্ধে পাহাড় ও জঙ্গল রক্ষার ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।

🌿 হাসদেও আরান্ড, ছত্তীসগড় — ভারতের অন্যতম বৃহৎ অরণ্যাঞ্চল। কয়লা খনি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আদিবাসীদের আন্দোলন চলছে।

🌿 বস্তার, ছত্তীসগড় — খনিজ সম্পদ, নিরাপত্তা অভিযান ও বনভূমির অধিকার নিয়ে দশকের পর দশক ধরে সংঘাত ও মানবাধিকার প্রশ্ন উঠে এসেছে।

🌿 সারান্ডা, ঝাড়খণ্ড — এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শালবন। লৌহ আকরিক খনি সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বন ও জমি রক্ষার দাবি বহুবার উঠেছে।

🌿 পাথালগাড়ি অঞ্চল, ঝাড়খণ্ড — সংবিধানের পঞ্চম তপশিল ও গ্রামসভার অধিকারের দাবিতে আদিবাসী আন্দোলন জাতীয় আলোচনায় আসে।

🌿 নেতারহাট, ঝাড়খণ্ড — সেনাবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জ প্রকল্পের বিরুদ্ধে আদিবাসীদের দীর্ঘ আন্দোলন প্রকল্পটি থামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

🌿 পোলাভরম অঞ্চল, অন্ধ্রপ্রদেশ — বৃহৎ বাঁধ প্রকল্পের ফলে বহু আদিবাসী পরিবারের বাস্তুচ্যুতির আশঙ্কা ও প্রতিবাদ দেখা যায়।

🌿 গড়চিরোলি, মহারাষ্ট্র — বনজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক সম্পদের উপর স্থানীয় আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে দীর্ঘ সংগ্রাম চলছে।

🌿 নিয়ামগিরির পার্শ্ববর্তী কাশীপুর-রায়গড়া অঞ্চল, ওড়িশা — খনি ও শিল্প প্রকল্পের বিরুদ্ধে জমি ও পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন বহুবার সামনে এসেছে।

🌿 জঙ্গলমহল (পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া), পশ্চিমবঙ্গ — বনাধিকার, জমির অধিকার এবং আদিবাসী উন্নয়নের প্রশ্নে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন ও দাবি উঠে এসেছে।

🌿 দিবাং ভ্যালি, অরুণাচল প্রদেশ — বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রশ্ন সামনে এসেছে।

🌿 খুকুন্ডিবাহাল, ওড়িশা — স্থানীয় আদিবাসীদের অভিযোগ, পূর্বপুরুষের জমি ও অধিকারের প্রশ্নে নতুন করে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

তাহলে আজ পরিবেশ দিবসে প্রশ্ন করি—

যখন নিয়ামগিরির পাহাড় রক্ষার লড়াই হয়, তখন পরিবেশপ্রেমীরা কোথায়?

যখন হাসদেও আরান্ডের হাজার হাজার গাছ কাটার বিরুদ্ধে আদিবাসীরা রাস্তায় নামে, তখন পরিবেশ দিবসের বড় বড় ব্যানার কোথায়?

যখন সারান্ডার জঙ্গল, বস্তারের বনভূমি, গড়চিরোলির প্রাকৃতিক সম্পদ কিংবা পোলাভরমের আদিবাসী গ্রামগুলো অস্তিত্বের লড়াই লড়ে, তখন জাতীয় পরিবেশ আন্দোলনের কতটা সমর্থন তারা পায়?

আমরা আদিবাসীরা প্রকৃতিকে রক্ষা করার জন্য কোনো একদিনের অনুষ্ঠান করি না। আমাদের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবন জড়িয়ে আছে জল, জঙ্গল ও জমিনের সঙ্গে।

আজ পরিবেশ দিবসে শুধু একটি কথাই বলতে চাই—

পরিবেশ বাঁচাতে হলে প্রথমে প্রকৃতির রক্ষকদের বাঁচান।
জঙ্গল বাঁচাতে হলে আদিবাসীদের অধিকার বাঁচান।
পৃথিবী বাঁচাতে হলে জল, জঙ্গল ও জমিনের উপর মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করুন।



✍️ কলমে - |

Address

Purulia
723101, 723102, 723103, 723104, 723105 AND UPCOMING.

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Somnath Murmu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Somnath Murmu:

Share