ByapTomoy

ByapTomoy Journey of Togetherness..

বাচ্চার পটি নিয়ে জনসমক্ষে আলোচনা করাটা একটু অস্বস্তিকর হলেও, নতুন বাবা-মায়েদের জীবনের সবচেয়ে বড় টেনশন কিন্তু এটাই! আজ ভা...
04/10/2026

বাচ্চার পটি নিয়ে জনসমক্ষে আলোচনা করাটা একটু অস্বস্তিকর হলেও, নতুন বাবা-মায়েদের জীবনের সবচেয়ে বড় টেনশন কিন্তু এটাই! আজ ভাবলাম সেই ‘অস্বস্তিকর’ অথচ অতি পরিচিত টপিকটা নিয়েই কিছু কথা শেয়ার করি।

চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, সদ্যোজাত বাচ্চাদের প্রথম কয়েকদিন আলকাতরার মতো কালচে ও চটচটে পটি হয়, যাকে 'ম্যাকোনিয়াম' (Meconium) বলে। মায়ের পেটে থাকাকালীন অ্যামনিওটিক ফ্লুইড বা মিউকাস পেটে গিয়ে এই পটি তৈরি হয়। এটা একদম স্বাভাবিক, আর ঈহিতা যতদিন হাসপাতালে ছিল, ওই প্রথম পাঁচদিন ওর এই কালো পটিই হয়েছিল।

কিন্তু আসল টেনশন শুরু হলো ওকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পর! ম্যাডামের পটি করার কোনো নামগন্ধ নেই! কখনো ৪ দিন, কখনো ৫ দিন, আবার কখনো টানা ৬ দিন পর পর পটি করত। আমি তো রীতিমতো ক্যালেন্ডারে লাল কালিতে দাগ দিয়ে রাখতাম যে, নেক্সট কবে পটি না হলে আমাকে টেনশন শুরু করতে হবে! ডাক্তারবাবু অবশ্য আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, "বাচ্চাদের ৭ দিন পর্যন্ত পটি না করাটা একদম নরমাল। বাচ্চার পেট যদি নরম থাকে আর শক্ত না হয়, তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই।"

কিন্তু টানা এত দিন পটি না হওয়ায় ঈহিতার খুব কষ্ট হতো। আর সেই সাথে প্রচণ্ড জোরে জোরে গ্যাস ছাড়ত! ওর ওই কষ্ট দেখে বাড়ির বড়রা কয়েকবার পানের বোঁটা (Paner bota) দিয়ে পটি করানোর চেষ্টা করেছিলেন। যদিও ডাক্তারদের মতে বাচ্চার সেনসিটিভ জায়গায় বাইরের কিছু দেওয়া একেবারেই অনুচিত, কিন্তু বাচ্চার কষ্ট দেখতে না পেরে বড়রা তখন ওই দেশি টোটকাই কাজে লাগিয়েছিলেন।

তখন বাড়ির বড়দের মুখে একটা মজার থিওরি শুনতাম—"আঁতুড়ঘরে যে বাচ্চা কম পটি করে, সে নাকি বড় হলে বেশি বেশি পটি করে! আর যে আঁতুড়ঘরে বেশি করে, সে পরে নরমাল হয়ে যায়।"

যাই হোক, বড়দের কথা সত্যি করেই হোক বা বয়সের নিয়মেই হোক, ঈহিতা এখন অনেকটাই বড় হয়েছে এবং রোজই নিয়ম করে পটি করে। কিন্তু মায়ের টেনশন কি আর এত সহজে যায়! এখন রোজ পটি করলেও, পটির 'টেক্সচার' আর 'কালার' ঠিক আছে কিনা, সেই চিন্তা মা হিসেবে আজও আমার পিছু ছাড়েনি!

নতুন মায়েরা, আপনাদের পুচকেগুলোও কি প্রথমদিকে এমন ৫-৭ দিন পর পর পটি করত? আর পানের বোঁটার এই টোটকা বা আঁতুড়ঘরের ওই থিওরি কি আপনাদের বাড়িতেও শোনা গেছে? কমেন্টে এই মজার অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করুন তো! 👇

আজকের ছবিটা একটু অন্যরকম। একটা সাধারণ ফ্রেম, কিন্তু এর ভেতরের গল্পটা যেন কয়েক প্রজন্মের এক অদৃশ্য সুতোয় গাঁথা!ছবিটা ভালো...
03/10/2026

আজকের ছবিটা একটু অন্যরকম। একটা সাধারণ ফ্রেম, কিন্তু এর ভেতরের গল্পটা যেন কয়েক প্রজন্মের এক অদৃশ্য সুতোয় গাঁথা!

ছবিটা ভালো করে খেয়াল করলেই দেখবেন, একদিকে ঈহিতার ঠাকুমা পরম যত্নে তার পুচকে নাতনির গায়ে তেল মাখিয়ে দিচ্ছে। আর ঠিক তার পাশেই বসে আছেন আমার ঠাকুমা-শাশুড়ি (যাঁকে আমরা আদর করে 'তা' ডাকি)। তিনি আবার তাঁর নিজের নাতনির (অর্থাৎ ঈহিতার ছোট পিসির) মাথায় সস্নেহে তেল মালিশ করে দিচ্ছেন!

পাশাপাশি বসা দুই প্রজন্মের ঠাকুমা আর দুই প্রজন্মের নাতনি—দৃশ্যটা দেখে আমার নিজেরই কেমন যেন একটা অদ্ভুত ঘোরের মতো লাগল! সময় কত দ্রুত এগিয়ে যায়, একটা প্রজন্ম পেরিয়ে আরেকটা প্রজন্ম আসে, কিন্তু ঠাকুমাদের ওই তেল মাখানো হাত দুটোর আদর, গন্ধ আর যত্নটা এক বিন্দুও বদলায় না।

বাচ্চারা তো শুধু বাবা-মায়ের কাছে বড় হয় না, তারা আসলে বড় হয় একটা গোটা পরিবারের এমন নিঃস্বার্থ আদরে আর মজবুত বন্ডিংয়ে। একটা পরিবারে যখন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই স্নেহ আর ভালোবাসার উত্তরাধিকারগুলো হাতবদল হতে থাকে, তখন এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কিছুই হতে পারে না।

ঈহিতা সত্যিই খুব লাকি, যে ও ছোটবেলা থেকেই এমন একটা ভরপুর পারিবারিক পরিবেশ আর এতগুলো প্রজন্মের খাঁটি আদর মেখে বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। ঠাকুমাদের হাতের ওই তেল মালিশের সাথে মিশে থাকা আশীর্বাদগুলোই তো ওদের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ!

নতুন মায়েরা, আপনাদের পুচকেগুলোর সাথেও কি তাদের ঠাকুমা বা দিদার এমন কোনো মিষ্টি বন্ডিংয়ের মুহূর্ত আছে? আপনাদের পরিবারেও কি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এমন কোনো সুন্দর নিয়ম বা আদরের রীতি চলে আসছে? কমেন্টে আপনাদের গল্পগুলো শেয়ার করুন তো!

#ঈহিতাDiaries

30/09/2026

Keu e bojhe na..

চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী ৪ মাস বয়সে বাচ্চাদের বেশ কিছু নতুন জিনিস শেখার কথা। চলুন, আগে বইয়ের সেই লিস্টটা একটু দেখে নিই, যা...
30/09/2026

চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী ৪ মাস বয়সে বাচ্চাদের বেশ কিছু নতুন জিনিস শেখার কথা। চলুন, আগে বইয়ের সেই লিস্টটা একটু দেখে নিই, যাতে আপনারা আপনাদের পুচকেগুলোর সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন:

বইয়ের পাতায় ৪ মাসের মাইলস্টোন:

মাথা ও ঘাড় শক্ত হওয়া: কারও সাপোর্ট ছাড়াই মাথা বেশ কিছুক্ষণ স্থিরভাবে ধরে রাখতে পারে।

পাল্টি খাওয়া: উপুড় অবস্থা থেকে চিত হয়ে যাওয়া বা চিত থেকে উপুড় হওয়ার চেষ্টা শুরু করে।

খেলনা ধরা ও হাত মুখে দেওয়া: হাতের কাছে কিছু দেখলে হাত বাড়িয়ে ধরার চেষ্টা করে। আর নিজের হাত বা খেলনা—যাই পাক না কেন, সোজা মুখে ঢোকায়।

সামাজিক হওয়া ও শব্দ করা: খিলখিল করে হাসতে শেখে, মানুষের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে এবং 'আআ', 'উউ' করে নিজের মতো আওয়াজ করে।

দৃষ্টিশক্তি: চোখের সামনে কোনো জিনিস নড়াচড়া করলে সেটা পুরোপুরি অনুসরণ করতে পারে।

এবার আসি ঈহিতার নিজস্ব রিয়্যালিটিতে!
ম্যাডাম তো চিরকালই নিজের নিয়মে চলেন। বইয়ের থিওরির সাথে ওর ৪ মাসের রিপোর্ট কার্ডটা ছিল ঠিক এই রকম:

ঘাড় শক্ত আর পাল্টি খাওয়া: ডাক্তারি বই বলে ঘাড় শক্ত হওয়ার কথা, কিন্তু ঈহিতার ঘাড় অল্পই শক্ত হয়েছিল। বড়জোর কয়েক সেকেন্ড মাথাটা তুলে রাখতে পারত। আর পাল্টি খাওয়া? সে গুড়ে বালি! তখনো ম্যাডামের পাল্টি খাওয়ার কোনো লক্ষণই ছিল না।

খেলনা ধরা আর হাত খাওয়া: এই একটা বিষয়ে ও বেশ ফাস্ট ছিল! ৪ মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই খেলনা ধরার প্রবল চেষ্টা ছিল এবং দিব্যি মুঠো করে জিনিস ধরতেও শিখে গিয়েছিল। আর আঙুল চোষা তো পুরনো কেস, ম্যাডাম তখন পুরো হাতটাই মুখের ভেতর পুরে ফেলার জোর চেষ্টা চালাতেন!

আড্ডা দেওয়া আর খিলখিল হাসি: মানুষের সাথে গল্প করতে ওর দারুণ উৎসাহ! কেউ কথা বললেই খিলখিল করে হাসত আর নিজের মনে 'আআ', 'উউ' করে লম্বা তান তুলে গান গাইত।

হলুদ-প্রেম ও দৃষ্টিশক্তি: চোখের সামনে কোনো জিনিস নাড়ালে অল্প অল্প অনুসরণ করতে পারত। তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এই সময় ওর 'হলুদ' রঙের প্রতি অদ্ভুত একটা টান তৈরি হয়েছিল! হলুদ রঙের কোনো জিনিস বা খেলনা দেখলেই ও আনন্দে দারুণ এক্সাইটেড হয়ে পড়ত!

সব বাচ্চা আলাদা হয়!
প্রতিটি বাচ্চা আলাদা, তাদের বেড়ে ওঠার গতিও একদম আলাদা। বইয়ের পাতায় লেখা মাইলস্টোনের সাথে দিনের দিন সব কিছু না মিললে বাবা-মা হিসেবে আমাদের টেনশন হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিশ্বাস করুন, কেউ একটু আগে শেখে, কেউ একটু পরে। এই ছোট ছোট জিনিসগুলো নিয়ে অযথা টেনশন না করে, ওদের এই ছোট্টবেলাটা চুটিয়ে উপভোগ করাটাই সবচেয়ে জরুরি। কারণ এই সময়গুলো একবার পেরিয়ে গেলে আর কোনোদিন ফিরে আসবে না! ❤️

নতুন মায়েরা, ৪ মাসের মাথায় আপনাদের পুচকেগুলোর প্রিয় রং কী ছিল খেয়াল করেছেন? আর পাল্টি খাওয়া নিয়ে আপনাদের বাচ্চারাও কি ঈহিতার মতো একটু বেশিই সময় নিয়েছিল? মাইলস্টোনের লিস্টের সাথে আপনাদের বাচ্চার মিল-অমিলগুলো কমেন্টে শেয়ার করুন তো!

Good morning। সবাই কেমন আছো?? আমি তখন একটু মাথা তুলে রাখতে পারতাম।  বয়স 4 মাস হবে।
30/09/2026

Good morning। সবাই কেমন আছো?? আমি তখন একটু মাথা তুলে রাখতে পারতাম। বয়স 4 মাস হবে।

29/09/2026

ঈহিতার মায়ের সাথে ঈহিতার বাবার এই সম্পর্কের ব্যাপারে ক্যাপশন কি হতে পারে আপনারাই ঠিক করে দিন 😟

আমি বরাবরই বেশ নাস্তিক গোছের মানুষ! খুব বিপদে পড়লে "ঠাকুর বাঁচাও" আর পুজোবাড়ির খিচুড়ি প্রসাদের লোভ—এই দুটো কারণ ছাড়া ঠাক...
28/09/2026

আমি বরাবরই বেশ নাস্তিক গোছের মানুষ! খুব বিপদে পড়লে "ঠাকুর বাঁচাও" আর পুজোবাড়ির খিচুড়ি প্রসাদের লোভ—এই দুটো কারণ ছাড়া ঠাকুরের দরবারে আমাকে কোনোকালেই বিশেষ পাওয়া যায়নি। বিয়ের পর দেখলাম, কর্তামশাই আবার ভীষণ ধার্মিক। শ্বশুরবাড়িতেও নিত্যনৈমিত্তিক পুজোআচ্চা লেগেই থাকে। কিন্তু আমি সেই মেস-জীবনের মানুষ, বাড়ির বাইরে বাইরে থাকার সুবাদে এই সবের থেকে একটু দূরে দূরেই থাকতাম। তবে যারা মন থেকে বিশ্বাসী, তাদের কোনোদিন অশ্রদ্ধা করিনি।

এরপর এল প্রেগন্যান্সির খবর। যারা আমার আগের ভিডিওগুলো দেখেছেন, তারা জানেন প্রেগন্যান্সির ওই সময়টায় মেসের লোকজনের কি পরিমাণ মানসিক অত্যাচার এর মধ্যে দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে। কিন্তু আমার ওই শক্ত বিশ্বাসের ভিতটা প্রথম নড়ল প্রেগন্যান্সির ঠিক এক মাসের মাথায়।

রাস্তায় সেদিন একটা চার চাকার গাড়ির গোটা চাকা আমার পায়ের ওপর দিয়ে চলে গেল! ভাবুন তো অবস্থাটা! একে মেসে একা থাকি কিছু অত্যাচারী মানুষের সাথে , মাথার ওপর মানসিক চাপের পাহাড়, তার ওপর প্রেগন্যান্সি—এর মধ্যে পা ভাঙলে আমি কী করে সামলাব! কিন্তু অবাক করা ব্যাপার, পা একদম ঠিকঠাক! একটু ফুলেছিল ঠিকই, কিন্তু রাতের মধ্যেই সব নরমাল। সেদিন প্রথম ভেতর থেকে মনে হয়েছিল—কেউ একজন তো নিশ্চয়ই আছেন! সে ভগবান হোক, আমার বাবা হোক, বা কাছের মানুষদের আশীর্বাদ—কেউ একজন নিশ্চিতভাবে সেদিন আমাকে আগলে রেখেছিলেন।

প্রেগন্যান্সিতে আমাকে প্রচুর জার্নি করতে হয়েছে, তাও আবার বেশ খারাপ আর ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা দিয়ে। সেই সময়গুলোয় ভয়ে আমি মনে মনে শুধু বাবাকে ডাকতাম, নয়তো চোখ বুজে একটানা ‘হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ’ জপতাম। জানি না কী ম্যাজিক ছিল, তবে অদ্ভুত একটা ভরসা পেতাম, মনটা শান্ত হয়ে যেত।

আমি, যে কোনোদিন কোনো নিয়ম মানিনি, সেই আমি প্রেগন্যান্সিতে বাচ্চার সুরক্ষার খাতিরে প্রায় সব কটা সংস্কার (বা কুসংস্কার) অক্ষরে অক্ষরে মেনেছি! গ্রহণের নিয়ম, অমাবস্যায় বাড়ির বাইরে না বেরোনো, রাতে মাথায় কাপড় দিয়ে বেরোনো, কালী ঠাকুর না দেখা, বালিশের কভার না পরানো, এমনকি কোনো দড়িতে গিঁট পর্যন্ত দিইনি! ওই যে, সন্তানের মায়ায় মায়ের মন সব যুক্তি ভুলে যায়।

ঠাকুরের কাছে মানত করা আমার ধাতে ছিল না। কিন্তু প্রেগন্যান্সির ৭-৮ মাসের মাথায় রায়গঞ্জের একটা মন্দিরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মনে মনে বলেছিলাম—"সব ঠিকঠাক থাকলে তোমার মন্দিরে এসে পুজো দিয়ে যাব।" তাই ঈহিতার ৩ মাস বয়স হওয়ার পর, অন্নপূর্ণা পুজোর দিন মায়ের মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে এসেছিলাম।

আজও যে আমি পুরোপুরি আস্তিক হয়ে গেছি, তা একেবারেই নয়। তবে এখন এটুকু অন্তত মন থেকে বুঝি—কোনো একটা অদৃশ্য শক্তি বা কেউ একজন আছেন, যিনি ওই কঠিন সময়গুলোতে আমাকে আর আমার মেয়েকে রক্ষা করেছিলেন। সেই অদৃশ্য শক্তির কাছে, সেই ভগবানের কাছে আজ একটাই প্রার্থনা—ঈহিতাকে দেখে রেখো। থ্যাঙ্ক ইউ। ❤️

নতুন মায়েরা, আপনাদের মধ্যেও কি আমার মতো এমন কেউ আছেন, যিনি আগে পুজোআচ্চা বা নিয়মকানুন একদম মানতেন না, কিন্তু মা হওয়ার পর বাচ্চার খাতিরে সব সংস্কার মেনে নিয়েছেন? মাতৃত্ব কি আপনাদেরও বিশ্বাসের জায়গাটা পাল্টে দিয়েছে? কমেন্টে শেয়ার করুন তো!

#ঈহিতাDiaries

27/09/2026

ছোট বাচ্চাদের জন্য কি কিনবেন ভাবছেন? এটা কিন্তু must have

Address

Indira Colony
Raiganj
733134

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ByapTomoy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share