ByapTomoy

ByapTomoy Journey of Togetherness..

মাতৃত্ব আমাদের কত কিছু যে প্রথমবার শেখায়, তার কোনো ইয়ত্তা নেই! হসপিটাল থেকে বাড়ি আসার পর প্রতিটি নতুন মায়ের জীবনেই একটা ...
30/05/2026

মাতৃত্ব আমাদের কত কিছু যে প্রথমবার শেখায়, তার কোনো ইয়ত্তা নেই! হসপিটাল থেকে বাড়ি আসার পর প্রতিটি নতুন মায়ের জীবনেই একটা মস্ত বড় মাইলস্টোন আসে—বাচ্চার পটি নিজের হাতে প্রথমবার পরিষ্কার করা। আজ সেই ‘অভিজ্ঞতা’ নিয়েই কিছু কথা বলি।

জন্মের পর প্রথম এক-দুই দিন নবজাতকেরা যে আলকাতরার মতো ঘন, চটচটে আর কালো রঙের পটি করে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় তাকে বলা হয় 'মিকোনিয়াম' (Meconium)। বাচ্চা যখন মায়ের পেটে থাকে, তখন অ্যামনিওটিক তরল, মিউকাস আর ল্যানুগো (শরীরের সূক্ষ্ম লোম) ইত্যাদি গিলতে থাকে। সেগুলোই বাচ্চার অন্ত্রে জমা হয়ে এই কালো মিকোনিয়াম তৈরি করে। এটি বাচ্চার পেট থেকে পুরোপুরি পরিষ্কার হওয়া মানেই হলো তার পরিপাকতন্ত্র একদম সঠিক নিয়মে কাজ করা শুরু করেছে। হাসপাতালে থাকাকালীন ইহিতার এই কালো পটিগুলো ওখানকার মাসিরাই পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন, তাই তখন অতটা গায়ে লাগেনি।

আসল পরীক্ষা শুরু হলো বাড়ি আসার পর। বুকের দুধ বা ফর্মুলা ফিড খাওয়া শুরু করার পর মিকোনিয়ামের কালো রঙ বদলে যখন প্রথমবার হালকা সবুজ থেকে একদম সরষের মতো হলুদ রঙের পটি হলো, সেটি পরিষ্কার করার দায়িত্ব এইবার আমার ওপর।

আগেকার দিনে অন্য কারও বাচ্চার পটি বা বমি দেখলে যেখানে একটা সহজাত অস্বস্তি বা অনীহা কাজ করত, নিজের বাচ্চার ক্ষেত্রে দেখলাম অনুভূতিটা এক নিমেষে উধাও! তখন ওসব অস্বস্তির কোনো জায়গাই থাকে না; বরং মনে শুধু একটাই চিন্তা থাকে—'আমার বাচ্চার পেট পরিষ্কার হয়েছে তো? ও সুস্থ আছে তো?' পরম মমতায়, কোনো রকম দ্বিধা ছাড়াই নিজের হাতে যখন ঈহিতাকে পরিষ্কার করালাম, তখন বুঝলাম—মা হওয়া বোধহয় একেই বলে! এই ছোট ছোট জিনিসগুলোই একজন নারীকে প্রতিদিন একটু একটু করে 'মা' হিসেবে গড়ে তোলে।

আপনারা যখন প্রথমবার নিজের হাতে বাচ্চার পটি পরিষ্কার করেছিলেন, আপনাদের অনুভূতি কেমন ছিল? আমার মতোই কি সব অস্বস্তি ভুলে মায়ায় জড়িয়ে গিয়েছিলেন? আর মিকোনিয়াম (Meconium) শব্দটার সাথে কারা আগে থেকেই পরিচিত ছিলেন?

হসপিটাল থেকে তো বাড়ি ফিরলাম, কিন্তু আসল যুদ্ধটা শুরু হলো খাওয়ার টেবিলে! একদিকে বডি সিগন্যাল ঠিক রেখে বুকের দুধ বাড়ানোর ত...
28/05/2026

হসপিটাল থেকে তো বাড়ি ফিরলাম, কিন্তু আসল যুদ্ধটা শুরু হলো খাওয়ার টেবিলে! একদিকে বডি সিগন্যাল ঠিক রেখে বুকের দুধ বাড়ানোর তাগিদ, আর অন্যদিকে সুগারের কড়া নজরদারি—সব মিলিয়ে প্রথম দিকের খাওয়া-দাওয়াটা ছিল এক্কেবারে মেপে মেপে, নিয়মের বেড়াজালে। তবে এই কঠিন নিয়মের মাঝেও পরম শান্তি ছিল একটাই, মা নিজের হাতে সব বানিয়ে দিত। আজ শেয়ার করছি বাড়িতে আসার পর আমার সেই রোজকার মেনুর কিছু ঝলক:

🥣 সকাল ও সন্ধ্যার ভরসা: মা পরম যত্নে সকাল-সাঁঝ বানিয়ে দিত ডালিয়া আর সাবুদানার মতো হালকা অথচ পুষ্টিকর সব খাবার। সুগারের কারণে মিষ্টির কোনো জায়গা ছিল না।
🍞 লাঞ্চ ও ডিনারের রুটিন: আটার রুটি আর সাথে একবাটি সবুজ সবজি সেদ্ধ বা তরকারি। সাথে ডাল তো মাস্ট থাকতই! প্রোটিনের জোগানে থাকত আঁশযুক্ত মাছ আর রোজকার নিয়ম করে ডিম সেদ্ধ। মাঝেমধ্যে একটু স্বাদ বদলাতে মা পুষ্টিকর প্যানকেকও বানিয়ে দিত।
🍲 খিচুড়ি ও সেই একদিনের আনন্দ: যখনই খুব ক্লান্ত লাগত বা সহজে কিছু করার হতো, মা সবজি দিয়ে পাতলা খিচুড়ি করে দিত। এমনকি এত নিয়মের মাঝেও একদিন স্বাদ বদলাতে মায়ের হাতে করা 'ম্যাগি সেদ্ধ' খেয়ে ফেলেছিলাম! ওটাই ছিল আমার সেই কদিনের সবচেয়ে বড় আনন্দ!

ভাতের প্রতি অনীহা: 🌾
এই সময় একটা অদ্ভুত জিনিস হয়েছিল, একটা সময়ের পর আর ভাত খেতে একদম ভালো লাগত না! ভাত খাওয়াটাই যেন একটা মস্ত বড় কষ্ট মনে হতো। ভাতের চেয়ে মায়ের বানিয়ে দেওয়া এই রুটি, ডালিয়া, সবজি বা সাবুদানার মতো হালকা খাবারগুলো খেতেই বেশি ভালো লাগত।

নতুন মায়েদের ডায়েট নিয়ে সমাজে অনেক রকম মিথ বা কুসংস্কার থাকে, কিন্তু সুগার আর বাচ্চার পুষ্টি—এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রেখে মায়ের হাতের এই ঘরোয়া পুষ্টিকর খাবারগুলোই ছিল আমার মূল ভরসা। স্বাদ হয়তো সবসময় মনের মতো হতো না, কিন্তু মায়ের যত্ন আর ঈহিতার মুখের দিকে তাকিয়ে সব কষ্টই তখন অমৃত মনে হতো।

ডেলিভারির পর পর আপনাদের বাড়ির মেনু কেমন ছিল? আপনাদেরও কি আমার মতো ভাতের ওপর অনীহা তৈরি হয়েছিল, নাকি ভাত ছাড়া চলতই না? আর আমার মতো লুকোচুরি করে মায়ের হাতে ম্যাগি সেদ্ধ খেয়েছিলেন কারা? কমেন্টে সেই মজার স্মৃতিগুলো শেয়ার করুন..

27/05/2026

ছয় ষষ্ঠীর উপহার, প্রথম জামাকাপড় আর দুধ খাওয়ার বাটি

#ছয়ষষ্ঠী

হসপিটাল থেকে যখন ঈহিতাকে নিয়ে প্রথম বাড়ি ফিরলাম, তখন আনন্দের চেয়েও মনের ভেতর একটা চাপা ভয় বেশি কাজ করছিল। আর সেই ভয়টা চর...
27/05/2026

হসপিটাল থেকে যখন ঈহিতাকে নিয়ে প্রথম বাড়ি ফিরলাম, তখন আনন্দের চেয়েও মনের ভেতর একটা চাপা ভয় বেশি কাজ করছিল। আর সেই ভয়টা চরমে পৌঁছাল যখন রাতের বেলা আমরা যে যার ঘরে ঘুমাতে গেলাম।

আমাদের নিয়ম মেনে ‘আঁতুড়’ হওয়ার কারণে একটা আলাদা ঘরে আমি আর ঈহিতা একা ঘুমাতে গিয়েছিলাম। একে তো ছিল জাঁকিয়ে বসা শীতের রাত, তার ওপর চারপাশটা একদম নিঝুম। লেপ, কম্বল, চাদরের ওমে ঘর গরম রাখার চেষ্টা তো ছিল, কিন্তু আমার মাথার ভেতর তখন হাজারটা দুশ্চিন্তার পোকা নড়াচড়া করছে:

🛌 ১. চাদর-কম্বলের ভয়: আমি ঘুমে কাদা হয়ে গেলে ভুলেও কম্বল বা চাদরটা ঈহিতার মুখের ওপর চেপে বসবে না তো? ও নিঃশ্বাস নিতে পারবে তো?
🔊 ২. কান্নার অ্যালার্ম: ও যদি মাঝরাতে কাঁদে, আমি ঠিক সময়ে টের পাব তো? নাকি আমার ক্লান্তি ভরা গভীর ঘুমে ওর কান্না ঢাকা পড়ে যাবে?
🤱 ৩. একা সামলানোর টেনশন: জীবনে প্রথমবার একটা এতটুকু বাচ্চাকে সারারাত একা সামলানো—আমি ঠিকঠাক পারব তো? ওর কোনো কষ্ট হবে না তো?
🤫 ৪. বাকিদের ঘুমের চিন্তা: ওর কান্নাকাটিতে পাশের ঘরের বাকিদের ঘুম ভেঙে যাবে না তো? কেউ বিরক্ত হবে না তো?

সব মিলিয়ে একটা অদ্ভুত অস্থিরতা আর ভয় নিয়েই সেদিন লাইটটা অফ করেছিলাম। একটু পরপরই ধড়ফড় করে উঠে ঈহিতার নাকের কাছে হাত দিয়ে দেখছিলাম ও ঠিক আছে কি না! আজ যখন পেছন ফিরে তাকাই, মনে হয় প্রতিটি নতুন মায়ের এই 'প্রথম রাতের গল্পটা' বোধহয় একই রকম থ্রিলারে ভরা থাকে। মা হওয়ার পর নিজের অজান্তেই যে কখন আমাদের ভেতর একটা অদৃশ্য অ্যালার্ম ক্লক সেট হয়ে যায়, তা বোধহয় আমরা নিজেরাও জানি না।

বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর প্রথম রাতের অভিজ্ঞতা আপনাদের কেমন ছিল? আমার মতো চাদর-কম্বল চাপা পড়ার ভয়ে সারারাত চোখ খোলা রেখেছিলেন কারা? নাকি শান্তিতে ঘুমিয়েছিলেন? কমেন্টে আপনাদের সেই প্রথম রাতের গল্প শেয়ার করুন!

25/05/2026

ঈহিতার জন্য আয়োজিত প্রথম ritual, ছয় ষষ্ঠী
#ছয়ষষ্ঠী

ঈহিতা হওয়ার পর থেকে অনেকেই মেসেজে জানতে চেয়েছেন হসপিটালের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল, কেমন খরচ হলো ইত্যাদি। আজ ভাবলাম লুকোছাপা না...
23/05/2026

ঈহিতা হওয়ার পর থেকে অনেকেই মেসেজে জানতে চেয়েছেন হসপিটালের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল, কেমন খরচ হলো ইত্যাদি। আজ ভাবলাম লুকোছাপা না করে পুরো জার্নিটা আপনাদের সাথে একটু শেয়ার করি।

🗓️ ভর্তি ও শুরুর রাত:
গত বছর ৭ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সব রকম ফর্মালিটিজ শেষ করে হসপিটালে অ্যাডমিট হলাম। ভর্তি হতেই সেই ভয়ের 'চ্যানেল' করা হলো এবং ওষুধ শুরু হয়ে গেল। আমার আবার সামান্য ঠাণ্ডা লেগেছিল, তাই ডাক্তারবাবুর পরামর্শে রাতে ভ্যাপার আর নেবুলাইজার দেওয়া হলো। বাড়ির সবাই এসে দেখা করে যাওয়ার পর, রাতের জন্য একজন আয়া মাসি ঠিক করে দেওয়া হলো। নানারকম চিন্তা আর উত্তেজনা নিয়েই রাতটা কোনোমতে ঘুমিয়ে পার করলাম।

☀️ সেই ঐতিহাসিক সকাল:
পরের দিন সকালে আয়া মাসি আমাকে OT-র জন্য রেডি করে দিলেন। সকাল থেকে কিছু খাওয়া একদম বারণ ছিল। অবশেষে ঘড়ির কাঁটায় যখন ঠিক বেলা ১১:৩০, ওটিতে জন্ম নিল আমাদের ছোট্ট ঈহিতা। ❤️

🏥 ৫ দিনের হসপিটাল লাইফ:
এমনিতে সি-সেকশনে তিন-চার দিন থাকতে হলেও, ঈহিতার সামান্য জন্ডিস হওয়ায় আমাদের আরও দুটো দিন বেশি থাকতে হয়েছিল। রবিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে শুক্রবার দুপুর, টানা ৫টা দিন কেটেছিল হসপিটালের চার দেওয়ালে।

কিছু ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতা:
✨ ডাক্তার ও ওটি (OT): ডাক্তারবাবুদের ব্যবহার খুব ভালো ছিল, নিয়ম করে সময়ে সময়ে ভিজিটে আসতেন। জীবনে প্রথমবার ওটি দেখা, তবে পরিবেশটা বেশ গোছানো ছিল, খারাপ লাগেনি।
💊 ওষুধপত্র: হসপিটাল থেকে কিন্তু সব ওষুধ সাপ্লাই ছিল না। বেশ কিছু দরকারী ওষুধ এবং জিনিসপত্র বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়েছিল।
🎭 আয়া মাসিদের রেষারেষি: হসপিটালে একটা অদ্ভুত জিনিস চোখে পড়ল। আয়া মাসিদের মধ্যে সারাক্ষণ একটা ঠান্ডা লড়াই আর কম্পিটিশন চলত! একজনের পেছনে অন্যজন খোট তুলছেন, এর নামে ও ওগলাচ্ছেন। এটা কি সব হসপিটালেরই চেনা ছবি? কমেন্টে জানাবেন তো!
💰 খরচের হিসাব: প্যাকেজ বা খরচের কথা যা বলা হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত পকেট থেকে কিন্তু তার চেয়ে বেশ কিছুটা বেশিই খেসারত দিতে হয়েছিল (মেডিসিন আর এক্সট্রা দিনের চার্জ মিলিয়ে)।

সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা যেমনই হোক, যখন ঈহিতাকে কোলে নিয়ে সুস্থ শরীরে বাড়ি ফিরলাম, তখন মনে হলো এই সব ঝক্কি সার্থক!

আপনাদের ডেলিভারির সময় হসপিটালের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? আয়া মাসিদের এমন রেষারেষি বা বাজেটের বাইরে এক্সট্রা খরচের মুখোমুখি কি আপনারাও হয়েছিলেন? নিচে কমেন্টে জানান!

21/05/2026

ঈহিতার গৃহপ্রবেশ

হসপিটালে ভর্তি হওয়া মানেই স্যালাইন চলুক আর না চলুক, হাতে একটা চ্যানেল করা তো মাস্ট! বিজ্ঞানের ছাত্রী হতে পারি, কিন্তু আম...
20/05/2026

হসপিটালে ভর্তি হওয়া মানেই স্যালাইন চলুক আর না চলুক, হাতে একটা চ্যানেল করা তো মাস্ট! বিজ্ঞানের ছাত্রী হতে পারি, কিন্তু আমার জ্ঞানে আমি কোনোদিন হসপিটালে ভর্তি হইনি। তাই এই 'চ্যানেল' জিনিসটা আমার কাছে একটা সাক্ষাৎ যমদূত ছিল!

আগে যখন বোন বা অন্য কাউকে হসপিটালে ভর্তি হতে দেখেছিলাম , তখন দূর থেকে দেখেই শিউরে উঠতাম। আমার মাথায় একটা মস্ত বড় ভুল ধারণা সেট হয়ে গিয়েছিল। আমার মনে হতো—চ্যানেল করার সময় যে অত বড় লোহার সুচটা হাতের ভেতর ফুটিয়ে দেওয়া হয়, ওটা বুঝি সবসময় ধরেই ওখানেই থেকে যায়! 😱

ভাবুন একবার আমার মানসিক অবস্থা! ডেলিভারির পর হসপিটালে মোট চার দিন ভর্তি ছিলাম। আর ওই চারটে দিন আমি রোবটের মতো হাতটা সোজা করে রাখতাম। একটু হাত নাড়াতে গেলেই মনে হতো—'ব্যাস, এই বুঝি সুচটা ভেতরে ফুটে গেলো !' নিজের মনেই বলতাম, এত বড় একটা লোহার সুচ হাতের ভেতর নিয়ে মানুষ হাত নাড়ায় কী করে বাবা?

আসল টুইস্টটা এলো শেষ দিনে, যখন ছাড়া পাওয়ার সময় সিস্টার এসে চ্যানেলটা খুললেন। আমি তো ভয়ে চোখ বন্ধ করে আছি যে এবার সুচটা বেরোবে।

চোখ খুলে তাকিয়ে দেখি—এ কী! কোনো লোহার সুচই তো নেই! ওটা তো একটা ছোট্ট, নরম প্লাস্টিকের রাবার টিউবের মতো নমনীয় অংশ, যেটা ভেতরে থাকে! সুচটা তো শুধু প্রথমবার ফুটো করার জন্য ব্যবহার করে তখনই ফেলে দেওয়া হয়েছিল! 🤦‍♀️

সেদিন নিজেকে যে কী পরিমাণ বোকা লাগছিল আপনাদের বোঝাতে পারব না! মনে মনে ভাবলাম, ধুর! এই প্লাস্টিকের পাইপের ভয়ে আমি চার দিন ধরে হাতটা কাঠের পুতুলের মতো শক্ত করে রাখলাম? তবে যাই হোক, সত্যিটা জানার পর থেকে মন থেকে ভয়টা এক ধাক্কায় উধাও হয়ে গেল।

আপনারাও কি আমার মতো এই 'চ্যানেল ভীতি'তে ভুগতেন? নাকি আমি একাই এই ঐতিহাসিক বোকামিটা করেছি? জলদি জলদি কমেন্টে জানান, দেখি আমার দলে আর কতজন আছেন

ডেলিভারির ঠিক পরেই, বিশেষ করে সি-সেকশনের ক্ষেত্রে, প্রথম প্রথম মায়ের বুকে পর্যাপ্ত দুধ না আসাটা কিন্তু একদম স্বাভাবিক এক...
19/05/2026

ডেলিভারির ঠিক পরেই, বিশেষ করে সি-সেকশনের ক্ষেত্রে, প্রথম প্রথম মায়ের বুকে পর্যাপ্ত দুধ না আসাটা কিন্তু একদম স্বাভাবিক একটা বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। আসলে তখনও শরীরের হরমোনাল সিগন্যালগুলো ব্রেন পুরোপুরি প্রসেস করে উঠতে পারে না, সিগন্যাল পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে।

কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান যাই বলুক, ওদিকে বাচ্চার খিদের কান্না আর অন্যদিকে বাড়ির লোকের দুশ্চিন্তা মিলে নতুন মায়ের মানসিক চাপ তখন অন্য লেভেলে পৌঁছে যায়! বাচ্চার খিদে কীভাবে সামলানো হবে, এই চিন্তায় যখন সবাই ব্যাকুল, তখনই এন্ট্রি নেয় নানারকম ঘরোয়া টোটকা।

সেগুলোর সবকটা বৈজ্ঞানিকভাবে কতটা প্রমাণিত তা জানি না, কিন্তু সেই মুহূর্তে মনে একটাই লক্ষ্য থাকে—'যেমনেই হোক, দুধ যেন ঠিকমতো চলে আসে!' আমার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। , ঈহিতা হওয়ার পর আমার ডায়েটে যোগ হয়েছিল একগাদা ঘরোয়া দাওয়াই:

🥣 মুসুর ডাল: বাটি বাটি মুসুর ডাল খাওয়া।
🖤 কালোজিরে বাটা: অনেকে বলেন এটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
🍲 সবজি সেদ্ধর পাতলা ঝোল: কোনো তেল-মশলা ছাড়া একদম হালকা খাবার।
💧 বেসি বেশি করে জল: হাইড্রেটেড থাকার জন্য সারাদিন শুধু জল আর জল।

সত্যি বলতে, খেতে খুব একটা মন্দ লাগেনি। কারণ তখন নিজের স্বাদের চেয়ে বাচ্চার পুষ্টিটাই ছিল আসল। আস্তে আস্তে শরীরের স্বাভাবিক নিয়মে আর এই যত্নে সব ঠিক হয়েও গিয়েছিলাম ।

নতুন মায়েদের এই শুরুর দিকের লড়াইটা কিন্তু ভীষণ কমন। ডেলিভারির পর প্রথম দু-তিন দিন বাচ্চার খিদে সামলাতে আপনাদের কী করতে হয়েছিল? আর আপনাদের বাড়িতে দুধ বাড়ানোর জন্য কী কী ঘরোয়া টোটকা দেওয়া হয়েছিল? মেথি জল, লাউয়ের ঝোল নাকি অন্য কিছু?

নিচে কমেন্টে আপনাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন, যাতে নতুন মায়েরা কিছুটা নিশ্চিন্ত হতে পারেন যে তাঁরা এই লড়াইয়ে একা নন!

18/05/2026

ডেলিভারির সাথে সাথেই ধরা পড়লো সুগার.এবার কি উপায়?

Address

Indira Colony
Raiganj
733134

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ByapTomoy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share