Amar leykha.

Amar leykha. মনের খুশিতে লেখা

দোলযাত্রার দিনেই শ্রীকৃষ্ণের হাতে বধ হয়েছিল ভয়ঙ্কর কেশী অসুর। কী হয়েছিল এই দিনে? জেনে নিন সেই কাহিনি। শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূ...
04/03/2026

দোলযাত্রার দিনেই শ্রীকৃষ্ণের হাতে বধ হয়েছিল ভয়ঙ্কর কেশী অসুর। কী হয়েছিল এই দিনে? জেনে নিন সেই কাহিনি। শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূমি বৃন্দাবনে দোলযাত্রা বা হোলি কেবল রঙের উৎসব নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায় প্রতিষ্ঠার এক অনন্য বিজয়গাথা। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমার এই পবিত্র তিথিতেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কংসের প্রেরিত ভয়ংকর অসুর কেশী-কে বধ করেছিলেন। এই অলৌকিক ঘটনার স্মরণে আজও ভক্তরা আনন্দ ও আবিরে মেতে ওঠেন।
দোলযাত্রা বা হোলিকা দহনের পটভূমিতে প্রহ্লাদ-হোলিকার কাহিনি সর্বাধিক প্রচলিত হলেও, ব্রজভূমিতে শ্রীকৃষ্ণের 'কেশী-নিসূদন' রূপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাগবত পুরাণ ও গর্গ সংহিতা অনুসারে, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংস যখন জানতে পারেন যে যশোদানন্দন কৃষ্ণই তাঁর কাল, তখন তিনি একে একে বহু অসুরকে বৃন্দাবনে পাঠান। তাঁদের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ও হিংস্র ছিলেন কেশী নামক অসুর।
কেশী অসুর ছিল মূলত একটি বিশালাকার ঘোড়ার রূপধারী দৈত্য। তার দাপটে পৃথিবী থরথর করে কাঁপত। কথিত আছে, কেশী যখন বৃন্দাবনে প্রবেশ করেন, তখন তার হ্রেষা ধ্বনিতে গোকুলের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল। তার খুরের আঘাতে মাটি ফেটে যাচ্ছিল এবং লেজের ঝাপটায় মেঘেরা ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছিল। বৃন্দাবনবাসীরা আতঙ্কে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে শ্রীকৃষ্ণের শরণাপন্ন হন।কেশী অসুর যখন শ্রীকৃষ্ণকে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়, তখন ভগবান অত্যন্ত শান্ত চিত্তে তার সামনে দাঁড়ান। অসুরটি তার বিশাল মুখ ব্যাদান করে কৃষ্ণকে গিলে ফেলার চেষ্টা করে। ঠিক সেই মুহূর্তে শ্রীকৃষ্ণ তাঁর বাম হাতটি কেশীর মুখের ভেতর ঢুকিয়ে দেন। অলৌকিকভাবে কৃষ্ণের হাতটি আগুনের গোলার মতো তপ্ত ও বিশালাকার হতে শুরু করে।

কেশীর শ্বাসনালী রুদ্ধ হয়ে যায় এবং শরীরের ভেতর প্রচণ্ড দহন অনুভব করে সে ছটফট করতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ভয়ংকর ঘোড়া-রূপী অসুরটি প্রাণত্যাগ করে। যেহেতু শ্রীকৃষ্ণ কেশীকে বধ করেছিলেন, তাই তাঁর নাম হয় 'কেশী-নিসূদন'। যে স্থানে এই যুদ্ধ হয়েছিল, যমুনার সেই ঘাটটি আজও 'কেশী ঘাট' নামে সুপরিচিত।কেশী বধের এই ঘটনাটি ঘটেছিল ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে। কেশীর মতো এক প্রবল ও হিংস্র শত্রুর হাত থেকে মুক্তি পেয়ে বৃন্দাবনবাসী আনন্দে মেতে ওঠেন। তাঁরা আবির ও ফুলের পরাগ দিয়ে শ্রীকৃষ্ণকে অভিনন্দন জানান। অশুভ শক্তির বিনাশে প্রকৃতির বুকে যে আনন্দের হিল্লোল বয়ে গিয়েছিল, তা-ই কালক্রমে দোলযাত্রা বা হোলি উৎসবে রূপান্তরিত হয়।আধ্যাত্মিক বিচারে 'কেশী' অসুর হলো মানুষের মনের অহংকার ও দাম্ভিকতার প্রতীক। ঘোড়া যেমন দ্রুতগামী ও অবাধ্য হতে পারে, মানুষের অহংকারও তেমনই অনিয়ন্ত্রিত হলে ধ্বংস ডেকে আনে। শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক কেশী বধের অর্থ হলো ভক্তের হৃদয় থেকে অহংকার দূর করে সেখানে ভক্তির রঙ ছড়িয়ে দেওয়া। দোল উৎসবের আবির সেই ভক্তি ও প্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ।
বসন্তের এই পূর্ণিমায় যখন আমরা একে অপরকে আবিরে রাঙিয়ে দিই, তখন আমাদের মনে রাখা উচিত যে এটি কেবল আনন্দের উৎসব নয়, বরং অন্তরের অসুরকে বিনাশ করার এক সংকল্প। কেশী ঘাটের সেই পবিত্র স্মৃতি আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ঈশ্বর সর্বদা তাঁর ভক্তদের রক্ষা করেন এবং শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হয়।
শুভ সকাল বন্ধুরা 🌞🙏🥰

25/02/2026

রাতের অন্ধকারই জীবনের শেষ কথা নয়;
প্রতিদিন ওঠে নতুন সূর্য প্রতিদিন আসে ভোর
ভোরের আলোর ছটা রাতের কালিমা মুছে দিয়ে নতুন পথ দেখায়।
শুভ সকাল বন্ধু 🌞🙏

শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি হলো ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথি .| তিনি ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি (...
19/02/2026

শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি হলো ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথি .| তিনি ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি (বঙ্গাব্দ ১২৪২, ১০ই ফাল্গুন) হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর জন্মতিথি প্রতি বছর ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ভিন্ন ভিন্ন দিনে পড়ে এবং বেলুড় মঠসহ বিভিন্ন স্থানে এই তিথি মেনেই তাঁর জন্মোৎসব পালিত হয় ।
মূল তথ্য:
জন্ম তারিখ (ইংরেজি): ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ১৮৩৬ ।
জন্ম তিথি (বাংলা): ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথি ।
জন্মস্থান: কামারপুকুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ
পূর্বাশ্রমের নাম: গদাধর চট্টোপাধ্যায়

শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব (১৮৩৬-১৮৮৬) ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর এক প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি যোগসাধক ও দার্শনিক। ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কামারপুকুর গ্রামে গদাধর চট্টোপাধ্যায় নামে তাঁর জন্ম । তিনি দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের পুরোহিত হিসেবে দেবী কালীর আরাধনা করে আধ্যাত্মিক সিদ্ধিলাভ করেন এবং 'যতো মত, ততো পথ' নীতির মাধ্যমে সর্বধর্ম-সমন্বয়ের বার্তা প্রচার করেন ]। স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন তাঁর প্রধান শিষ্য, যিনি রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন ।
রামকৃষ্ণ দেবের জীবনী ও মূল তথ্যাবলী:
জন্ম ও শৈশব: ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে পিতা ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় ও মাতা চন্দ্রমণি দেবীর ঘরে তাঁর জন্ম
পূর্বাশ্রমের নাম: গদাধর চট্টোপাধ্যায়
দক্ষিণেশ্বরে আগমন: ১৮৫৫ সালে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের পুরোহিত হিসেবে তিনি যোগ দেন এবং জ্ঞান-ভক্তির সাধনায় মগ্ন হন ।
সাধনা: তিনি দীর্ঘ ১২ বছর কঠোর সাধনা করেন এবং ভৈরবী ব্রাহ্মণী ও তোতাপুরীর কাছে তান্ত্রিক ও বেদান্ত জ্ঞান অর্জন করেন । ইসলাম ও খ্রিষ্টান সহ বিভিন্ন ধর্মীয় মতে সাধনা করে তিনি সর্বধর্মের সত্যতা উপলব্ধি করেন ।
বিবাহ: জগন্মাতার আদেশে তিনি সারদা দেবীকে বিবাহ করেন, কিন্তু সারাজীবন পবিত্র ব্রহ্মচারী জীবনযাপন করেন
মূল শিক্ষা: তাঁর মূল বার্তা ছিল—ঈশ্বরলাভই মানবজীবনের উদ্দেশ্য, ‘কাম-কাঞ্চন’ (ভোগ ও অর্থ) ত্যাগ, এবং ‘শিবজ্ঞানে জীবসেবা’ ।
শিষ্যবর্গ: স্বামী বিবেকানন্দ (নরেন্দ্রনাথ দত্ত) সহ বহু শিষ্য তাঁর আধ্যাত্মিক চিন্তাধারায় দীক্ষিত হন ।
মহাপ্রয়াণ: ১৮৮৬ সালের ১৬ আগস্ট তিনি পরলোকগমন করেন ।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

16/02/2026

মহাশিবরাত্রির ব্রতভঙ্গের (পারন) সময় ও প্রণাম মন্ত্র: সাধারণত শিবরাত্রির পরের দিন সকালে স্নান সেরে, শিবলিঙ্গে জল ঢেলে এবং ভোগ নিবেদন করে ব্রত পারন করতে হয়। পারনের সময় ও শেষে নিচের মন্ত্রগুলি জপ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।
🙏🙏🙏🙏

শিবের প্রণাম মন্ত্র (বাংলা উচ্চারণ):
"নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে,
নিবেদয়ামি চাত্মানং গতিস্ত্বং পরমেশ্বরম্॥"

অর্থ: হে শান্ত, করুণাময় এবং কারণস্বরূপ শিব, তোমাকে প্রণাম জানাই। আমি নিজেকে তোমার কাছে সমর্পণ করছি, তুমিই আমার পরমেশ্বর।

পারন বা পূজার সময় জপ মন্ত্র:
মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র: "ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্। উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মাঽমৃতাৎ॥"
মূল মন্ত্র: "ওঁ নমঃ শিবায়"

ব্রত পারনের নিয়ম:
১. সকালে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করুন।
২. শিবলিঙ্গে গঙ্গা জল বা শুদ্ধ জল এবং বেলপাতা নিবেদন করুন।
৩. "ওঁ নমঃ শিবায়" জপ করে পূজার সমাপ্তি করুন।
৪. প্রসাদ গ্রহণ করে উপবাস ভঙ্গ করুন।

ওম নমঃ শিবায় 🙏🙏🙏🙏🙏

14/02/2026

ভালোবাসার মানে সবার কাছে আলাদা। যারা সত্যিই ভালোবাসে তাদের সবার অনুভূতি এক হবেনা। বেশির ভাগ মানুষ ভালো লাগা আর আকর্ষণকে ভালোবাসা মনে করে ভুল করে। আমি ধরে নিচ্ছি আপনি নারী পুরুষের মধ্যে যে ভালোবাসা সে ব্যাপারেই প্রশ্ন করেছেন। আমি উত্তরও সেভাবেই দিচ্ছি।

🥰🥰🥰🥰🥰🥰
ভালোবাসা হলো অদ্ভুত এক অনুভূতি যা একই রকম থাকেনা। অনেকগুলো অনুভূতি একই সাথে কাজ করে। এই হয়তো আপনি কোন কারণে আপনার ভালোবাসার মানুষটি কে ঘৃনা করছেন কিন্তু কিছুক্ষণ পর আপনার কি যে হলো আপনি তার সাথে ঝগড়া মিটিয়ে ফেলতে মরে যাচ্ছেন। আপনার মনে হবে সে ঠিক ভাবে কথা না বললে আপনি আর বাঁঁচবেন না। আমার কি মনে হয় জানেন? যারা সত্যিই ভালোবাসে তারা কখনো শরীর ছুঁতে চায়না। তারা শুধু মন ছুঁতে চায়। মন তো আর ছোঁয়া যায় না। তাই তাদের ভালোবাসার মানুষটির জন্য আরো বেশি ভালোবাসা তৈরি হয়। তারা সব সময় অনুভব করে যে আরো বেশি ভালোবাসতে হবে। ঠিক ভাবে ভালোবাসতে পারছিনা। যতটা ভালোবাসা বুকের ভেতরে বাড়তে থাকে ততটা তো তাকে বোঝাতে পারিনা, তেমন করে তো ভালোবাসতে পারিনা। এখন তো ভালোবাসা শরীর সর্বস্ব। টাকা দিয়ে কোন দেহকর্মীর কাছে না গিয়ে ভালোবাসি বলে ক্লাস আর চাহিদা অনুযায়ী সুবিধা নেয়া। যাক… আর এই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতেও ভালো লাগেনা।

অনেকেই ভাবে বিয়ে বা প্রেম পুরনো হয়ে যায়। আমার তাদের বলতে ইচ্ছে করে " আপনি সম্পর্কগুলো কে জামা জুতোর মতই ভাবেন? সিরিয়াসলি??" পুরনো হবার তো কোন সুযোগ নেই। কেউ যদি নিজেই একই রকম ভাবে জীবন চালাতে থাকে সে ২০০ টা বিয়ে করলেও সব পুরনো হয়ে যাবে। বিয়ে, ভালোবাসা কখনো তো পুরনো হয়না। প্রতিনিয়ত ভালোবাসার রুপ বদলায়। যে মেয়েটি আপনার স্ত্রী ছিলেন সে কদিন পর হয়ে গেলো আপনার সন্তানের মা। আপনি বিয়ের আগে দেখা হলেই ফুচকা খেতেন, সেই ফুচকা কিন্তু এখন অনেকটা কমে গেছে ( আপনি ভাবতে পারেন, আগের দিনগুলোই ভালো ছিলো। এখন আমরা দুজন কেমন হয়ে গেছি, আগের মতো আর ফুচকা খাওয়া হয়না রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে) কারণ আপনার স্ত্রী এখন নিজের হাতেই আপনার প্রিয় খাবারগুল রেধে খাওয়ান। আপনাদের সন্তানকে নিয়ে এমন খাবারগুলো খান যেগুলো আপনাদের সবার জন্যই উত্তম। ছোটবেলা থেকেই আমাদের মাথায় ঢুকে গেছে " আগের দিনগুলোই ভালো ছিলো, যতই দিন যাবে মন্দ দিনই শুধু বাড়বে। এটা কিন্তু ঠিক না। আগে কিছু একটা পছন্দ হলেও কিনতে পারতেন না, বাবা যা কিনে দিতেন তাই নিতে হতো। এখন কিন্তু অবস্থা ভালো হয়েছে।

প্রতিটি ব্যাপার নির্ভর করে আমাদের মানসিকতার উপর। আপনি সব সময় হতাশ হয়ে থাকতে পারেন আবার চাইলে সব ব্যাপারেই সন্তুষ্ট থাকতে পারেন।

ভালোবাসা এমন একটি অনুভূতি যা শুধু অনুভব করতে পারবেন কিন্তু ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারবেন না।

19/12/2025

মন কে বল্লাম মন তুমি কি চাও ?
মন বললো আমি তাতেই খুশি তুমি জীবনে যতটুকু পাও 😋

অপারেশন থিয়েটারের দরজা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেল।বাইরে অস্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল স্বামী, পরিবারের সবাই। ভেতরে একজন নারী—যে আজ ...
18/09/2025

অপারেশন থিয়েটারের দরজা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেল।
বাইরে অস্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল স্বামী, পরিবারের সবাই। ভেতরে একজন নারী—যে আজ নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ লড়তে যাচ্ছে।

শরীরে অজ্ঞান করার ওষুধ ঢুকতেই চোখ ধীরে ধীরে ভারী হয়ে এলো তার। হঠাৎ করে কানে এলো ডাক্তারদের শব্দ—“বেবি আউট!”
শিশুর প্রথম কান্না যেন মুহূর্তেই সব যন্ত্রণা ঢেকে দিল। কিন্তু সেই কান্নার পেছনে যে কতটা ত্যাগ, সেটা হয়তো কেউ বুঝতেই পারে না।

অপারেশনের পরে পেট কেটে সেলাই দেওয়া হলো।
কিন্তু মাত্র ছয় ঘণ্টা পরেই নার্স এসে বললো—
“আপনাকে উঠতে হবে।”

তীব্র ব্যথায় শরীর কাঁপছে, সেলাইয়ের জায়গাটা যেন ছিঁড়ে যাচ্ছে, তবুও দাঁড়াতে হলো। কারণ নতুন অতিথিকে তো বুকে নিতে হবে, তাকে দুধ খাওয়াতে হবে।

মায়ের চোখে তখন একদিকে অশ্রু, অন্যদিকে ভালোবাসার আলো।
তিনি জানেন—শরীরটা ভীষণ দুর্বল, প্রতিটি পা ফেলার সাথে সাথে মনে হচ্ছে বুক ফেটে যাবে যন্ত্রণায়। তবুও শিশুর ছোট্ট কান্না শুনলেই সবকিছু ভুলে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন বুকের মাঝে।

এই পুরো যন্ত্রণার মাঝেও নতুন জীবনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় একজন মা।
রাত জেগে কাঁদতে থাকা শিশুকে কোলে নিয়ে দোলাতে থাকে, নিজের ক্ষত উপেক্ষা করে বুকের দুধ খাওয়ায়।
অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক, সেলাইয়ের টান, শরীরের অসহ্য যন্ত্রণা—এসবের মাঝেও তার হাসি শুধুই সন্তানের জন্য।

এটাই তো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ত্যাগ।
এটাই সিজারিয়ান মায়ের মহত্ত্ব।

তুমি যদি একজন সিজারিয়ান মা হও—
জেনে রেখো, তুমি অদ্ভুত শক্তিশালী।
তুমি কষ্টের পাহাড় বুকে নিয়ে, হাসি দিয়ে জীবনকে আলিঙ্গন করো।
তুমি সত্যিই অসাধারণ 🤗🤗🤗🤗

28/08/2025

আজ ১৭ নম্বর আদালতের এজলাসে এক অদ্ভুত মামলা উঠেছে।

এক নারী, বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই, হঠাৎ করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর সংসার করতে চান না। তিনি চুপচাপ নিজের মত বাঁচতে চান। সব সম্পর্ক থেকে নিঃশর্ত মুক্তি চান। কিন্তু বিপরীতে, তার স্বামী এই বিচ্ছেদ কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। তার যুক্তি—মেয়ে বড় হয়েছে, সংসার অনেকটাই গুছেছে, এখন সময় শুধু দু’জন মিলে একসাথে কাটানোর। তবু অনুপমা, সেই নারীর নাম, তাঁর নিজের মত করে বাঁচতে চাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল।

শঙ্খনীল আর অনুপমা—এই দম্পতির গল্প অনেকেই জানে। সমাজে তারা ‘সুখী দম্পতি’র উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। পঁচিশ বছরের সংসার, একটি মেয়ে—সব মিলিয়ে বাইরের চোখে নিখুঁত পরিবার। অথচ, আজ অনুপমা দাঁড়িয়েছেন বিচ্ছেদের জন্য, কোর্টের রায় চেয়ে।

বিচারক প্রশ্ন করেন, “আপনার স্বামী কি অন্য কোনো সম্পর্কে জড়িত?”

অনুপমার হাসি মিশ্রিত উত্তর, “আজও ওর জীবনে আমি ছাড়া কেউ নেই। আমিই ওর সবচেয়ে প্রিয়।”

“তাহলে কি কোনো নির্যাতন? গায়ে হাত তোলেন?”

“না। ওরকম কিছু না। আমি নিজেও আয় করি, একজন কর্মজীবী নারী—আমার ওপরে অত্যাচার করার সাহস হয়তো ওর হতো না,” বললেন অনুপমা।

“তাহলে কেন?” — বিচারকের এই প্রশ্নে যেন জমে থাকা এক নদীর জল একসাথে বয়ে গেল।

“আজকের ভালোটা দেখেই আপনি বিচার করতে চাইছেন, বিচারক মহাশয়। কিন্তু কেউ দেখেছে আমার গত পঁচিশ বছরের ক্লান্তি, প্রতিটি দিনের অভিমান, প্রতিটি রাতে চুপচাপ কাঁদা? আমার স্বামী একজন ভালো মানুষ, ভালো বাবা, ভালো অফিসার। কিন্তু ভালো প্রেমিক? না, সে কোনোদিন হতে পারেনি।

আমরা প্রেম করে বিয়ে করেছিলাম। বিশ্বাস ছিল, এই সম্পর্কটা হবে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, যত্নে মোড়া। কিন্তু বিয়ের পর সেই প্রেমিক হারিয়ে গেল। বউ হওয়া মানে রান্না শেখা, কাজের ভার নেওয়া, শাশুড়ির অপমান সহ্য করা—এসবই যেন ‘স্বাভাবিক’ হয়ে গেল। আমি তখনও আয় করতাম, তবু সংসারের প্রতিটি দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছিলাম এই আশায়—প্রেম ফিরে পাবো। কিন্তু তেমন কিছুই হলো না। শাশুড়ির গঞ্জনা, শারীরিক কষ্ট, অফিস আর ঘরের চাপ—সবকিছুর মাঝেও আমি চাইতাম, আমার স্বামী একটিবার পাশে এসে বলুক, ‘চলো, আজ দুজন মিলে কাজ করি।’ কিন্তু সে চুপ থেকেছে।

সন্তান হওয়ার পর শরীরে কিছু বদল এল, চোখে ঘুমের অভাবে কালি, গায়ে ক্লান্তি—তখন আমি বুঝলাম, তার দৃষ্টিতে আমি কেমন যেন অচেনা। অফিসের চটকদার সহকর্মী তার কাছে হয়ে উঠলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি শুধু এক সংসার সামলানো মানুষ, প্রেমিকা নই।

একবার নয়, বহুবার বলেছি, আমি আবার প্রেম পেতে চাই, তোমার প্রেমিকা হয়ে থাকতে চাই। সে শোনেনি। আমি তবুও থেকেছি। কারণ, মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে। বাবার স্নেহ থেকে তাকে বঞ্চিত করতে চাইনি। কিন্তু আমার স্বামী? সে কি একবারও আমার অভিমান বুঝতে চেয়েছে?

সে আমাকে দিয়েছে “সবচেয়ে ভালো বউ”র খেতাব, বন্ধুদের সামনে আমার ‘সহ্যশক্তি’র প্রশংসা করেছে। কিন্তু নিজের ভালোবাসাটা কোনোদিন তুলে দেয়নি।

আমি তার একটিবার পাশে থাকাও পাইনি, একটিবার জিজ্ঞেস করাও পাইনি—‘তুমি কেমন আছো?’

সে নিজের মতো জীবনের স্বাদ নিয়েছে—বন্ধুদের সাথে ঘোরা, রাত জেগে আড্ডা, নিজের সময়কে নিজের মতো করে কাটানো। কিন্তু আমার সময়?

আমি পঁচিশ বছর সংসার করেছি, তেইশ বছর মায়ের দায়িত্ব পালন করেছি, নিজের জীবনকে ফুরিয়ে দিয়েছি যেন। বিনিময়ে আমি পেয়েছি—শূন্যতা।

তবে আজ আর না। আজ আমি শুধু একজন ‘বউ’ হয়ে বাঁচতে চাই না। আমি স্বাধীন মানুষ হয়ে বাঁচতে চাই। আমি সকালে সূর্য দেখার সময় চাই, রাতে ডায়েরির পাতায় নিজের অনুভব লেখার সময় চাই। আমি চাই না, ভোরে উঠে কারো জন্য চা বানাতে গিয়ে আমার ঘুম কেটে যাক।

আমি একটু সুখ চাই, নিজের মতো করে। একটু শান্তি চাই, যেটা কাউকে বোঝাতে হয় না। একটু ভালোবাসা চাই—নিজের জন্য।

বেশি কিছু চেয়েছি কি আমি?

নারী হয়ে জন্মেছি বলে সারাজীবন দিয়ে যাব, আর কিছুই ফিরবে না? মনুষ্যজন্ম পেয়েছি বলেই না এই পৃথিবীর স্বাদ নিতে চাই।

তাই, আমি নিজেকে মুক্ত করতে চাই। সম্পর্কের মেকি দায় থেকে নয়, জীবনের প্রতি নতুন ভালোবাসার খোঁজে।”

অনুপমার কথা শুনে পুরো আদালত স্তব্ধ। এমন সৎ, এমন গভীর হৃদয়ের কথা শুনে কিছু বলার থাকে না কারোরই। বিচারকের চোখেও যেন জল।

এই দাবি কি অনুপমার একার? না কি, এই গল্পটা পৃথিবীর অনেক অনুপমার?

কারও জানা নেই।

তবে এটুকু বোঝা যায়—জীবনের প্রতিটি সম্পর্কেই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ভালোবাসা না থাকলে, তা শুধু দায়িত্ব হয়ে পড়ে। আর দায়িত্বে মন তুষ্ট হলেও, আত্মা হয়তো চুপিচুপি কাঁদে...

লেখা সংগৃহীত









স্ত্রী বড্ড বেশি কথা বলে---------------------------------------তুমি কি জানো,তোমার প্রতিটি শব্দে যেন সুর বাজে—কিন্তু সমাজ...
26/01/2025

স্ত্রী বড্ড বেশি কথা বলে
---------------------------------------

তুমি কি জানো,
তোমার প্রতিটি শব্দে যেন সুর বাজে—
কিন্তু সমাজ বলে, ‘‘চুপ থাকো,তোমার কথা বেশি শুনতে চাই না।’’
তোমার হাসি, তোমার ভাবনা—
অসংখ্য প্রশ্নের মতো উড়ে আসে,
তবু সবাই বলে, ‘‘স্ত্রী, বেশি কথা বলো কেন?’’

তুমি কি জানো,
এ সমাজ চায় তোমাকে—
তোমার স্নেহ, তোমার হালচাল,
কিন্তু তোমার মতামত, তোমার ভাবনা
কোনোদিন প্রশ্রয় পায় না।
তোমার শান্ত থাকা উচিত,
তোমার নিজস্বতা যেন মুছে যায়।

কিন্তু তুমি তো নদী,
তুমি তো স্রোত,
তোমার শব্দগুলো চুপ থাকতে পারে না,
তুমি প্রতিবাদী—
এটাই তোমার অধিকার।
তোমার কথাগুলো মেনে নাও,
তুমি, শুধু ‘‘স্ত্রী’’ নও—
তুমি এক স্বাধীন কণ্ঠস্বর।

Happy reppublic day all

টক্সিক মানুষ চিনেন? আপনার খুব ক্লোজ কেউ আছে, যাকে দেখে মনে হয় সবকিছু ঠিকঠাক, কিন্তু ভিতরে ভিতরে তিনি আপনাকে ধ্বংস করে দি...
23/12/2024

টক্সিক মানুষ চিনেন?

আপনার খুব ক্লোজ কেউ আছে, যাকে দেখে মনে হয় সবকিছু ঠিকঠাক, কিন্তু ভিতরে ভিতরে তিনি আপনাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

টক্সিক মানুষের উপস্থিতি ধীরে ধীরে আপনার জীবনে বিষের মতো কাজ করে। প্রথমে হয়তো টের পাবেন না, কিন্তু একটা সময় মনে হবে—আপনার চারপাশটা ভারী, মনটা ক্লান্ত।

হঠাৎ একটা দিন বুঝবেন, এই ভারটা আসলে মানুষেরই তৈরি।

কিন্তু কীভাবে বুঝবেন যে কেউ টক্সিক?

এমন কিছু আচরণ আছে, যেগুলো যদি লক্ষ্য করেন, তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার জীবনের মানুষটি আসলে আপনার জন্য কতটা ক্ষতিকারক। চলুন, টক্সিক মানুষের আচরণগুলো একটু ভালোভাবে বিশ্লেষণ করি।

১. সবকিছুতে খুঁত ধরার অভ্যাস

টক্সিক মানুষ এমনভাবে সমালোচনা করে, যেন আপনি কিছুই জানেন না, পারেন না। আপনার ভালো কাজেও তারা ভুল খুঁজে পায়। মজার ব্যাপার হলো, এই সমালোচনা মোটেও গঠনমূলক নয়। বরং, তারা আপনাকে ছোট করার জন্যই এটা করে।

২. কথা দিয়ে আপনাকে বেঁধে ফেলে

তারা এমনভাবে কথা বলে বা কাজ করে যে আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস হারাতে শুরু করেন। তারা আপনাকে দোষারোপ করে নিজের সুবিধামতো পরিস্থিতি গড়ে তোলে। সবসময় মনে হবে আপনি তাদের ইচ্ছার ক্রীড়নক হয়ে গেছেন।

৩. আপনাকে সবসময় ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা

তারা আপনার সিদ্ধান্ত বা কাজ নিয়ে সবসময় সন্দেহ প্রকাশ করে। হয়তো আপনি নিশ্চিত ছিলেন একটা বিষয়ে, কিন্তু তাদের কথায় সেটা ভুল বলে মনে হতে শুরু করবে।

৪. তাদের সমস্যার জন্য আপনি দায়ী!

তারা সবসময় ভিকটিম। সব সমস্যার দায় তাদের না, বরং পৃথিবীর! তারা কখনো নিজের দোষ স্বীকার করবে না, বরং আপনাকেই দায়ী করবে। আপনি সবসময় অপরাধবোধে ভুগবেন।

৫. কথায় কথায় অভিযোগ

তাদের চারপাশে সবকিছুই যেন খারাপ। সবকিছুতে তারা অভিযোগ করে। এই নেতিবাচক মানসিকতা ধীরে ধীরে আপনার জীবনেও ছাপ ফেলে।

৬. আপনার অনুভূতি নিয়ে খেলা

তারা কখনোই আপনার সুখ বা দুঃখ নিয়ে ভাবে না। আপনার কষ্ট, আপনার সুখ—কিছুতেই তাদের কিছু যায় আসে না। এমনকি যখন তারা আপনাকে আঘাত করে, তখনও তাদের মনের কোণায় বিন্দুমাত্র মায়া জন্মায় না।

৭. আপনার ভালো দেখলে অস্বস্তি বোধ করা

আপনার সফলতা দেখলে তারা কখনোই আনন্দিত হয় না। বরং ঈর্ষান্বিত হয়। আপনার অর্জনকে হালকা করে দেখা, ঠাট্টা করা বা আপনাকে নিচু করার চেষ্টা তারা চালিয়ে যায়।

৮. আচরণে একধরনের দ্বিচারিতা

একদিন তারা খুব মিষ্টি, আবার পরের দিন হুট করেই দুর্ব্যবহার। এই অস্থিরতা আপনাকে সবসময় একটা মানসিক চাপের মধ্যে রাখে। আপনি বুঝতেই পারবেন না, কখন কীভাবে তাদের সঙ্গে মিশতে হবে।

৯. শুধু নেওয়ার অভ্যাস, কিছুই না দেওয়া

টক্সিক মানুষের কাছে সম্পর্ক মানে শুধু নেওয়া। তারা আপনাকে ব্যবহার করবে, আপনাকে থেকে সুবিধা নেবে, কিন্তু বিনিময়ে কিছু দেবে না।

১০. আপনার ‘না’কে গুরুত্ব না দেওয়া

তারা আপনার ব্যক্তিগত সীমানাকে রেসপেক্ট করে না। আপনার সময়, মতামত বা আরামের কোনো মূল্যই তাদের কাছে নেই।

টক্সিক সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা সহজ নয়, কিন্তু এটা অত্যন্ত জরুরি।

জীবনের প্রতিটা মুহূর্তই মূল্যবান। এমন মানুষের সঙ্গে সময় নষ্ট করার চেয়ে নিজের মানসিক শান্তি এবং সুখকেই প্রাধান্য দিন।

মনে রাখবেন,

যারা আপনাকে ভালোবাসে, তারা কখনো আপনাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলবে না।
🙏🙏🙏🙏🙏

✅️মা-বাবার মধ্যে ভালোবাসা দেখলে সন্তান নিজেও অনেক খুশি থাকে। তাদের মানসিক বিকাশ ভালোভাবে হয়। যে পরিবারের সন্তানেরা মা-বা...
01/12/2024

✅️মা-বাবার মধ্যে ভালোবাসা দেখলে সন্তান নিজেও অনেক খুশি থাকে।
তাদের মানসিক বিকাশ ভালোভাবে হয়।

যে পরিবারের সন্তানেরা মা-বাবাকে ঝগড়া করতে দেখে তাদের মনে নেগেটিভ ধারনা সৃষ্টি হয়। সবসময় মনের মধ্যে ভয় নিয়ে বড় হতে থাকে।

মা-বাবা থেকেই একটা বাচ্চা শিক্ষা পায়।
এখন সেটা পজেটিভ হোক বা নেগেটিভ তার জন্য মা-বাবা ই দায়ী।
পরবর্তীতে সন্তান সেই শিক্ষাটা নিজের সাংসারিক জীবনেও ঘটায়।

নিজের বাচ্চা না শুধু কোন বাচ্চার সামনেই ঝগড়া করবেন না। তাদের সামনে এমন আচরণ করবেন না যেটা তাদের মনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

প্রতিটি বাচ্চা সুস্থ- সুন্দর পরিবার পাক!❤️

সংগৃহীত

মা হয়ে ওঠা 🥰আচ্ছা একটা মেয়েকে মা হওয়ার জন্য ঠিক কি কি বিসর্জন দিতে হয় জানেন তো?  একটা মেয়ে তার সৌন্দর্য, তার ফিটনেস,  তা...
30/11/2024

মা হয়ে ওঠা 🥰
আচ্ছা একটা মেয়েকে মা হওয়ার জন্য ঠিক কি কি বিসর্জন দিতে হয় জানেন তো? একটা মেয়ে তার সৌন্দর্য, তার ফিটনেস, তার সুন্দর মেঘ কালো চুল, তার ঘুম, কখনো কখনো তার পেট ভরে খাওয়াটাও হয় না। কতদিন যে সে তৃপ্তি নিয়ে খেতে পারে না শুধুমাত্র সেই জানে, কতো রাত যে জেগে জেগেই কেটে যায় কিন্তু এতকিছুর পরেও সে খুশি থাকে তার মাথায় এগুলো আসেই না যে সে আর আগের মতো সুন্দর নেই, তার চেহারায় গ্লো নেই, সে ফিট থাকে না তার সব চিন্তা জুড়েই শুধু তাঁর সন্তান 😊সন্তান কি খাবে, কি নিবে, কি করবে, কখন ঘুমাবে সব কিছু। তার পরেও তার সংসার টাও তাকেই সামলাতে হয়, এতসব করার পরেও সে অভিযোগ রাখে না। সে বেশ খুশি থাকে কিন্ত কোন একটা মানুষ যদি দিনশেষে বলে তুমি আর সুন্দর নেই, তুমি আার ফিট নেই, তোমাকে আর আগের মতো ভালো লাগে না, তার মনের অবস্থা টা কেমন হতে পারে বুঝেন?সে কি কখনো আপনাকে এগুলো বলেছে? আপনার ৩০+ বয়সেও কি আপনি একই রকম সুন্দর আছেন? নিজের দিক টা কি কখনও ভেবেছেন? একটা মেয়ে সংসারের এক টাকা বাঁচানোর জন্য যে মেয়ে একসময় একহাজার টাকার ক্রিম ব্যাবহার করতো সেটা ৫০-৬০ টাকায় নামিয়ে আনে আর আপনার যে মেয়েকে দেখে সুন্দরী মনে হয় গিয়ে দেখুন সে হয়তো এখন কোনো আদরের ঘরের দুলালী নাহলে কোনো বিজনেস ম্যাগনেট এর বৌ মধ্যবিত্ত ঘরের বৌ এর মতো তাকে হাজার টা ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হয় না 🙂 বাবা হওয়ার স্বাদ বা বাবা ডাকটা শুনাতে যে মানুষ টা এতো কষ্ট করে দিন শেষে তাকে সাহস দিন, ভালোবাসা আদরে আগলে রাখুন সে হয়তো এর থেকে বেশি কিছু চায় না তার শরীরের যত্ন আপনি নিন তাকে সুন্দর রাখার ভালো রাখার দায়িত্ব আপনার ❤️রাতে এসে খোঁজ নিয়ে দেখুন তার শরীর ঠিক আছে কি না? একটু মাথায় হাত বুলিয়ে কি গল্প শুনিয়ে ঘুম পাড়ালে সকালে হয়তো খুব একটা দেরি হবে না আপনার অফসের বা কাজের 🙂 মনে রাখবেন সংসার টা আপনারও সেটাকে সুখী করতে আপনার দিনশেষে সামান্য যত্ন ছোট কয়েকটা সুন্দর কথাই যথেষ্ট আপনার যত্ন আর ভালোবাসায় আরেকজনের সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার জন্য অনুপ্রেরণা সে সারাদিনের শক্তি খুঁজে পায় ❤️
ভালোবাসার মানুষটির খুঁত না ধরে তাকে বুঝান যে আপনার দেখা পৃথিবীর সবথেকে সুন্দর নারীটা আপনার সন্তানের মা🥰
আমার তো মনে হয় আমি যাকে ভালোবাসি তার থেকে সুন্দর কোন মানুষ আমি পৃথিবীতে দেখি না🤗

একজন স্ত্রী মানসিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য স্বামীর মুখের মিষ্টি কথা আর পরিবারের সকলের একটু ভালোবাসাই যথেষ্ট ***

Address

Raiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amar leykha. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category