Amar leykha.

Directions

Amar leykha. মনের খুশিতে লেখা

কেউ যদি তোমায় বলে You are not perfect এই ভেবে কষ্ট পেয়ো না যে তুমি যোগ্য নও..ভেবে দেখলে বুঝবে সে নিজেই তোমার যোগ্য না, স...
23/04/2026

কেউ যদি তোমায় বলে You are not perfect এই ভেবে কষ্ট পেয়ো না যে তুমি যোগ্য নও..
ভেবে দেখলে বুঝবে সে নিজেই তোমার যোগ্য না, সে তোমায় প্রাপ্য নয়
তাই অপেক্ষা করো, তার থেকেও অনেকটা যোগ্য, তোমায় তোমার মতো করে রাখবে, এমন কাউকে পাবে..
ঘি যতই দামি খাবার হোক কুকুরের পেটে কিন্তু তা সয় না, সেও বলে সেটা তার জন্যে সঠিক নয় তাই বলে কি ঘিয়ের মূল্য কমে যায়?
কখনোই না..
ঠিক তুমিও তেমন খুব দামি, সবার জন্য নও..
একেকজনের কাছে তুমি একেকরকম..
কারো কাছে বোকা, কারো কাছে ন্যাকা, কারো কাছে রাগী, কারো কাছে হাসিখুশি তো আবার কারো কাছে খুব ফালতু..
কিন্তু তুমি আসলে কেমন?
আসলে তুমি অন্যকারো চিন্তার মতোই নও, তুমি তোমার মতো এক অদ্বিতীয়, তোমার নিজের চিন্তায় তুমি ঠিক যেভাবে আসো তুমি সেটাই..
কখনোই পৃথিবীর সবাইকে সুখী করতে পারবে না..
যাদের কাজে লাগবে, যাদের মন জুগিয়ে, স্বার্থরক্ষা করে চলতে পারবে, তাদের কাছে ভালো আর নয়তো উল্টে তোমাকেই স্বার্থপরের ট্যাগ লাগিয়ে দেবে..
তাই সবাইকে সুখী করতে যেও না, একটু স্বার্থপর হও..
কাউকে ততটুকুই সম্মান, ভালোবাসা দাও যতটা তারা ডিজার্ভ করে, বাকিটা নিজের জন্য রাখো..
তুমি শুধু তাদেরকেই ভালো রাখো যারা তোমাকে ভালো থাকতে সাহায্য করেছে.. মনে রেখো, "ভালো থেকো" সবাইই বলে কিন্তু ভালো রাখতে খুব কম মানুষই পারে.. ❤️❤️🙏🙏

10/04/2026

হে মনুষ্য, কিসের এত গর্ব ধারণ করিতেছ তুমি,
এই জীবন ক্ষণিক, যেন প্রভাতের শিশিরভূমি।

যাহা লইয়া এত অহংকার, রহিবে না চিরকাল,
সময়ের স্রোতে বিলীন হইবে সকল মায়ার জাল।

স্বপ্ন যাহা বুনিয়াছিলে তুমি নিঃশব্দ অন্ধকারে,
একদিন তাহাই জ্বলিবে দীপ্তি হইয়া তোমারই দুয়ারে।

দুঃখের অগ্নিতে যাহারা দহিতেছে প্রতিক্ষণ,
তাহারাই গড়িয়া তোলে অটল এক দৃঢ় মন।

বেদনার পথে চলিয়া যে হারায় না আপন দিশা,
সে-ই খুঁজিয়া পায় জীবনের গভীরতম ভাষা।

অতএব, হে হৃদয়, ভীত হইও না বিপদের তরে,
অন্ধকারের শেষে আলোক আসিবে অন্তরে।

যে নিজেকে চিনিতে পারে, সে-ই প্রকৃত ধনী,
বাহিরের জৌলুস মিথ্যা, অন্তরেই সত্য গুণী।

মানুষের ভিড়ে থেকেও যে থাকে নীরব নির্জনে,
সে-ই বুঝে জীবনের অর্থ, আপন গভীর গহনে।

তাই বলি, হে মন, দৃঢ় থাক প্রতিটি সংগ্রামে,
কারণ জয় লুকাইয়া থাকে প্রতিটি অবসানে।
শুভ সকাল 🙏

দোলযাত্রার দিনেই শ্রীকৃষ্ণের হাতে বধ হয়েছিল ভয়ঙ্কর কেশী অসুর। কী হয়েছিল এই দিনে? জেনে নিন সেই কাহিনি। শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূ...
04/03/2026

দোলযাত্রার দিনেই শ্রীকৃষ্ণের হাতে বধ হয়েছিল ভয়ঙ্কর কেশী অসুর। কী হয়েছিল এই দিনে? জেনে নিন সেই কাহিনি। শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূমি বৃন্দাবনে দোলযাত্রা বা হোলি কেবল রঙের উৎসব নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায় প্রতিষ্ঠার এক অনন্য বিজয়গাথা। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমার এই পবিত্র তিথিতেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কংসের প্রেরিত ভয়ংকর অসুর কেশী-কে বধ করেছিলেন। এই অলৌকিক ঘটনার স্মরণে আজও ভক্তরা আনন্দ ও আবিরে মেতে ওঠেন।
দোলযাত্রা বা হোলিকা দহনের পটভূমিতে প্রহ্লাদ-হোলিকার কাহিনি সর্বাধিক প্রচলিত হলেও, ব্রজভূমিতে শ্রীকৃষ্ণের 'কেশী-নিসূদন' রূপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাগবত পুরাণ ও গর্গ সংহিতা অনুসারে, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংস যখন জানতে পারেন যে যশোদানন্দন কৃষ্ণই তাঁর কাল, তখন তিনি একে একে বহু অসুরকে বৃন্দাবনে পাঠান। তাঁদের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ও হিংস্র ছিলেন কেশী নামক অসুর।
কেশী অসুর ছিল মূলত একটি বিশালাকার ঘোড়ার রূপধারী দৈত্য। তার দাপটে পৃথিবী থরথর করে কাঁপত। কথিত আছে, কেশী যখন বৃন্দাবনে প্রবেশ করেন, তখন তার হ্রেষা ধ্বনিতে গোকুলের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল। তার খুরের আঘাতে মাটি ফেটে যাচ্ছিল এবং লেজের ঝাপটায় মেঘেরা ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছিল। বৃন্দাবনবাসীরা আতঙ্কে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে শ্রীকৃষ্ণের শরণাপন্ন হন।কেশী অসুর যখন শ্রীকৃষ্ণকে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়, তখন ভগবান অত্যন্ত শান্ত চিত্তে তার সামনে দাঁড়ান। অসুরটি তার বিশাল মুখ ব্যাদান করে কৃষ্ণকে গিলে ফেলার চেষ্টা করে। ঠিক সেই মুহূর্তে শ্রীকৃষ্ণ তাঁর বাম হাতটি কেশীর মুখের ভেতর ঢুকিয়ে দেন। অলৌকিকভাবে কৃষ্ণের হাতটি আগুনের গোলার মতো তপ্ত ও বিশালাকার হতে শুরু করে।

কেশীর শ্বাসনালী রুদ্ধ হয়ে যায় এবং শরীরের ভেতর প্রচণ্ড দহন অনুভব করে সে ছটফট করতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ভয়ংকর ঘোড়া-রূপী অসুরটি প্রাণত্যাগ করে। যেহেতু শ্রীকৃষ্ণ কেশীকে বধ করেছিলেন, তাই তাঁর নাম হয় 'কেশী-নিসূদন'। যে স্থানে এই যুদ্ধ হয়েছিল, যমুনার সেই ঘাটটি আজও 'কেশী ঘাট' নামে সুপরিচিত।কেশী বধের এই ঘটনাটি ঘটেছিল ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে। কেশীর মতো এক প্রবল ও হিংস্র শত্রুর হাত থেকে মুক্তি পেয়ে বৃন্দাবনবাসী আনন্দে মেতে ওঠেন। তাঁরা আবির ও ফুলের পরাগ দিয়ে শ্রীকৃষ্ণকে অভিনন্দন জানান। অশুভ শক্তির বিনাশে প্রকৃতির বুকে যে আনন্দের হিল্লোল বয়ে গিয়েছিল, তা-ই কালক্রমে দোলযাত্রা বা হোলি উৎসবে রূপান্তরিত হয়।আধ্যাত্মিক বিচারে 'কেশী' অসুর হলো মানুষের মনের অহংকার ও দাম্ভিকতার প্রতীক। ঘোড়া যেমন দ্রুতগামী ও অবাধ্য হতে পারে, মানুষের অহংকারও তেমনই অনিয়ন্ত্রিত হলে ধ্বংস ডেকে আনে। শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক কেশী বধের অর্থ হলো ভক্তের হৃদয় থেকে অহংকার দূর করে সেখানে ভক্তির রঙ ছড়িয়ে দেওয়া। দোল উৎসবের আবির সেই ভক্তি ও প্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ।
বসন্তের এই পূর্ণিমায় যখন আমরা একে অপরকে আবিরে রাঙিয়ে দিই, তখন আমাদের মনে রাখা উচিত যে এটি কেবল আনন্দের উৎসব নয়, বরং অন্তরের অসুরকে বিনাশ করার এক সংকল্প। কেশী ঘাটের সেই পবিত্র স্মৃতি আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ঈশ্বর সর্বদা তাঁর ভক্তদের রক্ষা করেন এবং শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হয়।
শুভ সকাল বন্ধুরা 🌞🙏🥰

25/02/2026

রাতের অন্ধকারই জীবনের শেষ কথা নয়;
প্রতিদিন ওঠে নতুন সূর্য প্রতিদিন আসে ভোর
ভোরের আলোর ছটা রাতের কালিমা মুছে দিয়ে নতুন পথ দেখায়।
শুভ সকাল বন্ধু 🌞🙏

শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি হলো ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথি .| তিনি ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি (...
19/02/2026

শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি হলো ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথি .| তিনি ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি (বঙ্গাব্দ ১২৪২, ১০ই ফাল্গুন) হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর জন্মতিথি প্রতি বছর ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ভিন্ন ভিন্ন দিনে পড়ে এবং বেলুড় মঠসহ বিভিন্ন স্থানে এই তিথি মেনেই তাঁর জন্মোৎসব পালিত হয় ।
মূল তথ্য:
জন্ম তারিখ (ইংরেজি): ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ১৮৩৬ ।
জন্ম তিথি (বাংলা): ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথি ।
জন্মস্থান: কামারপুকুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ
পূর্বাশ্রমের নাম: গদাধর চট্টোপাধ্যায়

শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব (১৮৩৬-১৮৮৬) ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর এক প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি যোগসাধক ও দার্শনিক। ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কামারপুকুর গ্রামে গদাধর চট্টোপাধ্যায় নামে তাঁর জন্ম । তিনি দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের পুরোহিত হিসেবে দেবী কালীর আরাধনা করে আধ্যাত্মিক সিদ্ধিলাভ করেন এবং 'যতো মত, ততো পথ' নীতির মাধ্যমে সর্বধর্ম-সমন্বয়ের বার্তা প্রচার করেন ]। স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন তাঁর প্রধান শিষ্য, যিনি রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন ।
রামকৃষ্ণ দেবের জীবনী ও মূল তথ্যাবলী:
জন্ম ও শৈশব: ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে পিতা ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় ও মাতা চন্দ্রমণি দেবীর ঘরে তাঁর জন্ম
পূর্বাশ্রমের নাম: গদাধর চট্টোপাধ্যায়
দক্ষিণেশ্বরে আগমন: ১৮৫৫ সালে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের পুরোহিত হিসেবে তিনি যোগ দেন এবং জ্ঞান-ভক্তির সাধনায় মগ্ন হন ।
সাধনা: তিনি দীর্ঘ ১২ বছর কঠোর সাধনা করেন এবং ভৈরবী ব্রাহ্মণী ও তোতাপুরীর কাছে তান্ত্রিক ও বেদান্ত জ্ঞান অর্জন করেন । ইসলাম ও খ্রিষ্টান সহ বিভিন্ন ধর্মীয় মতে সাধনা করে তিনি সর্বধর্মের সত্যতা উপলব্ধি করেন ।
বিবাহ: জগন্মাতার আদেশে তিনি সারদা দেবীকে বিবাহ করেন, কিন্তু সারাজীবন পবিত্র ব্রহ্মচারী জীবনযাপন করেন
মূল শিক্ষা: তাঁর মূল বার্তা ছিল—ঈশ্বরলাভই মানবজীবনের উদ্দেশ্য, ‘কাম-কাঞ্চন’ (ভোগ ও অর্থ) ত্যাগ, এবং ‘শিবজ্ঞানে জীবসেবা’ ।
শিষ্যবর্গ: স্বামী বিবেকানন্দ (নরেন্দ্রনাথ দত্ত) সহ বহু শিষ্য তাঁর আধ্যাত্মিক চিন্তাধারায় দীক্ষিত হন ।
মহাপ্রয়াণ: ১৮৮৬ সালের ১৬ আগস্ট তিনি পরলোকগমন করেন ।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

16/02/2026

মহাশিবরাত্রির ব্রতভঙ্গের (পারন) সময় ও প্রণাম মন্ত্র: সাধারণত শিবরাত্রির পরের দিন সকালে স্নান সেরে, শিবলিঙ্গে জল ঢেলে এবং ভোগ নিবেদন করে ব্রত পারন করতে হয়। পারনের সময় ও শেষে নিচের মন্ত্রগুলি জপ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।
🙏🙏🙏🙏

শিবের প্রণাম মন্ত্র (বাংলা উচ্চারণ):
"নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে,
নিবেদয়ামি চাত্মানং গতিস্ত্বং পরমেশ্বরম্॥"

অর্থ: হে শান্ত, করুণাময় এবং কারণস্বরূপ শিব, তোমাকে প্রণাম জানাই। আমি নিজেকে তোমার কাছে সমর্পণ করছি, তুমিই আমার পরমেশ্বর।

পারন বা পূজার সময় জপ মন্ত্র:
মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র: "ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্। উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মাঽমৃতাৎ॥"
মূল মন্ত্র: "ওঁ নমঃ শিবায়"

ব্রত পারনের নিয়ম:
১. সকালে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করুন।
২. শিবলিঙ্গে গঙ্গা জল বা শুদ্ধ জল এবং বেলপাতা নিবেদন করুন।
৩. "ওঁ নমঃ শিবায়" জপ করে পূজার সমাপ্তি করুন।
৪. প্রসাদ গ্রহণ করে উপবাস ভঙ্গ করুন।

ওম নমঃ শিবায় 🙏🙏🙏🙏🙏

14/02/2026

ভালোবাসার মানে সবার কাছে আলাদা। যারা সত্যিই ভালোবাসে তাদের সবার অনুভূতি এক হবেনা। বেশির ভাগ মানুষ ভালো লাগা আর আকর্ষণকে ভালোবাসা মনে করে ভুল করে। আমি ধরে নিচ্ছি আপনি নারী পুরুষের মধ্যে যে ভালোবাসা সে ব্যাপারেই প্রশ্ন করেছেন। আমি উত্তরও সেভাবেই দিচ্ছি।

🥰🥰🥰🥰🥰🥰
ভালোবাসা হলো অদ্ভুত এক অনুভূতি যা একই রকম থাকেনা। অনেকগুলো অনুভূতি একই সাথে কাজ করে। এই হয়তো আপনি কোন কারণে আপনার ভালোবাসার মানুষটি কে ঘৃনা করছেন কিন্তু কিছুক্ষণ পর আপনার কি যে হলো আপনি তার সাথে ঝগড়া মিটিয়ে ফেলতে মরে যাচ্ছেন। আপনার মনে হবে সে ঠিক ভাবে কথা না বললে আপনি আর বাঁঁচবেন না। আমার কি মনে হয় জানেন? যারা সত্যিই ভালোবাসে তারা কখনো শরীর ছুঁতে চায়না। তারা শুধু মন ছুঁতে চায়। মন তো আর ছোঁয়া যায় না। তাই তাদের ভালোবাসার মানুষটির জন্য আরো বেশি ভালোবাসা তৈরি হয়। তারা সব সময় অনুভব করে যে আরো বেশি ভালোবাসতে হবে। ঠিক ভাবে ভালোবাসতে পারছিনা। যতটা ভালোবাসা বুকের ভেতরে বাড়তে থাকে ততটা তো তাকে বোঝাতে পারিনা, তেমন করে তো ভালোবাসতে পারিনা। এখন তো ভালোবাসা শরীর সর্বস্ব। টাকা দিয়ে কোন দেহকর্মীর কাছে না গিয়ে ভালোবাসি বলে ক্লাস আর চাহিদা অনুযায়ী সুবিধা নেয়া। যাক… আর এই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতেও ভালো লাগেনা।

অনেকেই ভাবে বিয়ে বা প্রেম পুরনো হয়ে যায়। আমার তাদের বলতে ইচ্ছে করে " আপনি সম্পর্কগুলো কে জামা জুতোর মতই ভাবেন? সিরিয়াসলি??" পুরনো হবার তো কোন সুযোগ নেই। কেউ যদি নিজেই একই রকম ভাবে জীবন চালাতে থাকে সে ২০০ টা বিয়ে করলেও সব পুরনো হয়ে যাবে। বিয়ে, ভালোবাসা কখনো তো পুরনো হয়না। প্রতিনিয়ত ভালোবাসার রুপ বদলায়। যে মেয়েটি আপনার স্ত্রী ছিলেন সে কদিন পর হয়ে গেলো আপনার সন্তানের মা। আপনি বিয়ের আগে দেখা হলেই ফুচকা খেতেন, সেই ফুচকা কিন্তু এখন অনেকটা কমে গেছে ( আপনি ভাবতে পারেন, আগের দিনগুলোই ভালো ছিলো। এখন আমরা দুজন কেমন হয়ে গেছি, আগের মতো আর ফুচকা খাওয়া হয়না রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে) কারণ আপনার স্ত্রী এখন নিজের হাতেই আপনার প্রিয় খাবারগুল রেধে খাওয়ান। আপনাদের সন্তানকে নিয়ে এমন খাবারগুলো খান যেগুলো আপনাদের সবার জন্যই উত্তম। ছোটবেলা থেকেই আমাদের মাথায় ঢুকে গেছে " আগের দিনগুলোই ভালো ছিলো, যতই দিন যাবে মন্দ দিনই শুধু বাড়বে। এটা কিন্তু ঠিক না। আগে কিছু একটা পছন্দ হলেও কিনতে পারতেন না, বাবা যা কিনে দিতেন তাই নিতে হতো। এখন কিন্তু অবস্থা ভালো হয়েছে।

প্রতিটি ব্যাপার নির্ভর করে আমাদের মানসিকতার উপর। আপনি সব সময় হতাশ হয়ে থাকতে পারেন আবার চাইলে সব ব্যাপারেই সন্তুষ্ট থাকতে পারেন।

ভালোবাসা এমন একটি অনুভূতি যা শুধু অনুভব করতে পারবেন কিন্তু ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারবেন না।

Address

Raiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amar leykha. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category