Tahleel

Tahleel ◆●লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ●◆
◆●আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন মাবুদ নেই●◆
◆●There is no true god - exept Allah (swt)●◆

সুবহান আল্লাহ্!
20/11/2021

সুবহান আল্লাহ্!

আসুন আমরা নিয়মিত পড়ি আর যাদের মুখস্থ নেই মুখস্থ করে নেই ইনশাআল্লাহ্..!
03/11/2021

আসুন আমরা নিয়মিত পড়ি আর যাদের মুখস্থ নেই মুখস্থ করে নেই ইনশাআল্লাহ্..!

শুক্রবারে সূরা কাহাফ পাঠ এবং এর দশ আয়াত মুখস্থ করার ফযিলতপ্রশ্ন: শুক্রবারে সূরা কাহাফ পাঠ এবং এর দশ আয়াত মুখস্থ করার ফযি...
26/11/2020

শুক্রবারে সূরা কাহাফ পাঠ এবং এর দশ আয়াত মুখস্থ করার ফযিলত

প্রশ্ন: শুক্রবারে সূরা কাহাফ পাঠ এবং এর দশ আয়াত মুখস্থ করার ফযিলত কি?
▬▬▬➰▬▬▬
শুক্রবারে সূরা কাহাফ পাঠ করা অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ আমল। অনুরূপভাবে এর দশ আয়াত মুখস্থ করাও খুবই ফযিলতপূর্ণ। নিম্নে এ সম্পর্কে হাদিস সমূহ পেশ করা হল:

♻ জুমার দিন সুরা কাহাফ পাঠ করার ফযিলত:

🔰 আবু সাঈদ খুদরী রাযি. হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :
مَن قرأَ سورةَ الكَهْفِ ليلةَ الجمعةِ، أضاءَ لَهُ منَ النُّورِ فيما بينَهُ وبينَ البَيتِ العَتيقِ
“যে ব্যক্তি জুমার দিনে সুরা কাহাফ পড়বে তার এবং বায়তুল আতীক তথা ক্বাবা পর্যন্ত আলোকোজ্জ্বল হবে।“ (দারেমী, হা/৩৪০৭, শাইখ আলবানী হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন, দ্রষ্টব্য: সহীহুল জামে হা/৬৪৭১)

🔰 আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
مَن قَرَأَ سورةَ الكَهفِ يومَ الجُمُعةِ أضاءَ له من النورِ ما بَينَ الجُمُعتينِ
“যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়বে তার জন্য এক জুমা থেকে আরেক জুমা পর্যন্ত আলোকোজ্জ্বল হবে।“
(মুসতাদারেক হাকিম: ২/৩৯৯, বায়হাকী: ৩/২৪৯, ফয়জুল ক্বাদীর: ৬/১৯৮, ইবনে হাজার আসকালানী তাখরীজুর আযকার গ্রন্থে বলেন, হাদিসটি হাসান এবং আরও বলেন, এ প্রসঙ্গে বর্ণিত সকল হাদিসের মধ্যে এ হাদিসটি সবচেয়ে শক্তিশালী, শাইখ আলাবনীও এটিকে সহীহ বলেছেন। দ্র: সহীহুল জামে হা/৬৪৭০)

🔰 ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
من قرأ سورة الكهف في يوم الجمعة سطع له نور من تحت قدمه إلى عنان السماء يضيء له يوم القيامة ، وغفر له ما بين الجمعتين
“যে ব্যক্তি শুক্রবার দিন সূরা কাহাফ পাঠ করবে তার পা থেকে আকাশের উচ্চতা পর্যন্ত নূর (আলো) হয়ে যাবে, যা কেয়ামতের দিন আলো দিবে এবং বিগত জুমা থেকে এ জুমা পর্যন্ত তার সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।” (আত তারগীব ওয়া তারহীব: ১/২৯৮, ইমাম মুনযেরী বলেন, এর সনদে কোন সমস্যা নেই)
উপরোক্ত হাদিসগুলোতে শুক্রবারে সূরা কাহাফ পড়ার ফযিলত বর্ণিত হয়েছে।

♻ সূরা কাহাফের দশ আয়াত পড়ার বা মুখস্থ করার ফযিলত:

আবু দারদা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছে:
مَنْ حَفِظَ عَشْرَ آيَاتٍ مِنْ أَوَّلِ سُورَةِ الْكَهْف عُصِمَ مِنَ الدَّجَّالِ
‘‘যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দিক থেকে দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দজ্জালের(ফিতনা) থেকে পরিত্রাণ পাবে।’’ (সহীহ মুসলিম)
অন্য বর্ণনায় ‘কাহফ সূরার শেষ দিক থেকে’ উল্লেখ হয়েছে। (সহীহ মুসলিম, হা/ ৮০৯)
এই দশ আয়াত পড়া বা মুখস্থ করা শুক্রবারের জন্য নির্দিষ্ট নয়। বরং তা মুখস্থ করে যে কোনো সময় পাঠ করলে উক্ত মর্যাদা লাভ করা যাবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আলাম।
▬▬▬➰▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

সালাত ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগকারী এবং অস্বীকারকারী-উভয়ই কাফির হয়ে যায়! সালাত ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগকারী এবং অস্বীকারকারী-উভয়ই কাফ...
19/11/2020

সালাত ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগকারী এবং অস্বীকারকারী-উভয়ই কাফির হয়ে যায়!

সালাত ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগকারী এবং অস্বীকারকারী-উভয়ই কাফির হয়ে যায়।
​মুলঃ ইমাম ইবনে উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ।

অনুবাদঃ শাইখ মতিউর রহমান মাদানী।

যারা সালাত (নামায) কে ইসলামের স্তম্ভ হিসেবে স্বীকার করে কিন্তু তা আদায়ের ক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণ ছাড়াই অনিয়ম করে, তারা মুসলিম থাকে না।

সৌদি আরবের বিখ্যাত ইমাম আল্লামা ইবনে উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ এর ‘হুকুম তারিকুস সালাত’ অর্থাৎ ‘নামায ত্যাগকারীর বিধান’ বই থেকে এই বিষয়ে আলোচনা সংক্ষেপে এখানে তুলে ধরা হল।

খুব ভালো করে বোঝার চেষ্টা করুন।
​কুর’আন হতেঃ

১) সূরা আত-তাওবাহ-১১—“তবে এখন যদি তারা তাওবাহ করে, সালাত আদায় করে, যাকাত প্রদান করে, তাহলে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই।”

এই আয়াতে দ্বীনি ভাই হওয়ার জন্য আল্লাহ তা’আলা কিছু শর্তারোপ করেছেন–

১ম শর্তঃ যেন তারা শিরক হতে তাওবাহ করে।

২য় শর্তঃ যেন তারা সালাত প্রতিষ্ঠা করে।

৩য় শর্তঃ আর যেন তারা যাকাত প্রদান করে।

অতএব, তারা যদি শিরক হতে তাওবাহ করে কিন্তু সালাত কায়েম না করে ও যাকাত প্রদান না করে তবে তারা আমাদের দ্বীনি ভাই নয়।

আর দ্বীনি ভ্রাতৃত্ব তখনই পুরোপুরিভাবে লোপ পায় যখন মানুষ ইসলাম থেকে সম্পূর্ণরূপে বহিস্কৃত হয়। ফাসেকী বা ছোট কুফরীর কারণে দ্বীনি ভ্রাতৃত্ব নষ্ট হয়ে যায় না।

২) সূরা মারইয়ামঃ আয়াত ৫৯–“তাদের পরে সেই অপদার্থগণ তাদের স্থলাভিষিক্ত হল যারা সালাতকে বিনষ্ট করলো আর মনের লালসা-বাসনার অনুসরণ করলো। সুতরাং অচিরেই তারা তাদের অপকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।”

আয়াতঃ৬০—“কিন্তু তারা নয় যারা তাওবাহ করেছে, ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে; তারা তো জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের উপর কোন প্রকার যুলুম করা হবে না।”

এই আয়াত সালাত ত্যাগকারীর কুফরী স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে। আল্লাহ তা’আলা সালাত নষ্টকারী এবং লালসা-বাসনার অনুসরণ কারীদের সম্বন্ধে ৬০ নং আয়াতে বলেন যে তাদের মধ্যে তাওবাহকারী এবং ঈমান আনয়নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে।

এখান থেকে একথা স্পষ্ট বুঝা যায় যে, তারা সালাত বিনষ্ট করার সময়কালে মু’মিন ছিল না। (যদি মু’মিন থাকতো তাহলে আল্লাহ পাক পুনরায় ঈমান আনার কথা বলতেন না।)

হাদীস হতে প্রমাণঃ

১) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন—“নিশ্চয়ই মানুষ ও কুফরীর (শিরক) মাঝে পৃথককারী বিষয় হচ্ছে সালাত ত্যাগ করা।” (সহীহ মুসলিম)

২) আমাদের ও তাদের (কাফিরদের) মাঝে চুক্তি হচ্ছে সালাতের, অতএব, যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করল সে কুফরী করল।”

(মুসনাদে আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ)

আর এখানে কুফরীর অর্থ হলো, এমন কুফরী যা মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতকে মু’মিন ও কাফিরদের মাঝে পার্থক্যকারী বলে ঘোষণা করেছেন।

৩) সহীহ মুসলিমে আরো কিছু হাদীস আছে যেখানে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন কিছু মুসলিম শাসকের ভবিষ্যদ্বাণী করেন যাদের কিছু কার্যকলাপ ভাল হবে আর কিছু হবে মন্দ। সাহাবারা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুম এই সকল শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন কি না জানতে চাইলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-“না, যতদিন তারা সালাত প্রতিষ্ঠিত করবে।”

অতএব, সালাত ত্যাগকারী মুসলিম নামধারী শাসকের উপর থেকে আনুগত্য উঠিয়ে নিয়ে তাদের সাথে লড়াই করা যাবে এই হাদীসের আলোকে। সুতরাং, এটা সুস্পষ্ট যে, সালাত ত্যাগকারী অবশ্যই কাফির কেননা কোন মুসলিমের বিরুদ্ধে লড়াই করা জায়েয নয়।

বিশিষ্ট সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন—“সালাত ছেড়ে দেয়া তো কুফরী”

সূত্রঃ তাফসীর ইবনে কাসীর; ১৪ নং খন্ড; ১৭৩ পৃষ্ঠা।

স্বর্ণযুগের ইমামদের বক্তব্যঃ

১) ইমাম ইসহাক বিন রাহবিয়া রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, সালাত ত্যাগকারী কাফির। আর এটাই হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত ইমামগণের মত যে, ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগকারী কোন কারণ ব্যতীত সালাতের ওয়াক্ত অতিক্রম করে দিলে সে কাফির।

২) ইমাম ইবনে হাযম রাহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেন যে, (সালাত ত্যাগকারী কাফির) একথা উমর ফারুক, আবদুর রহমান, মু’য়ায ইবনে জাবাল, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম প্রমুখ সাহাবাগণ হতে বর্ণিত হয়েছে। (আল্লামা মুনযেরীও রাহিমাহুল্লাহ তার তারগীব ও তারহীবে এটি উল্লেখ করেছেন।)

৩) ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ বলেন- সালাত ত্যাগকারী কাফির হয়ে যায়, আর এমন কুফরীতে নিমজ্জিত হয়, যা দ্বীন ইসলামের সীমানা হতে বহিস্কার করে দেয়। তাকে হত্যা করা হবে যদি সে তাওবাহ করতঃ সালাত না প্রতিষ্ঠা করে।

এছাড়াও ইমাম ইবনুল মুবারক, নাখয়ী, হাতাম বিন উতায়বা, আইয়ূব, যোহায়রা বিন হারব প্রমুখ ইমামগণ সালাত ত্যাগকারীকে কাফির বলেছেন।

কিছু ইমাম বলেছেন, সালাত ত্যাগকারী মুরতাদের জানাযা পড়া যাবে না, তাকে মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করা যাবে না, তাকে সালাম দেয়া যাবে না এবং তার সালামের উত্তরও দেয়া যাবে না, তাকে সম্পত্তির ভাগ দেয়া যাবে না।

05/04/2020

আয়েশা রা.হতে বর্ণিত
রাসূলুল্লাহ সা. প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সিয়াম রাখতেন যা কখনোই তিনি ভুলতেন না!

(তিরমিযী) রিয়াযুস সালেহীন৯/২৬৭

03/04/2020

করোনা রোগের কোন তাবিজ বেড় হয় নাই? তাবিজের ব্যবসায়ীরা কোথায় এখন?

এর থেকে বোঝা যায় যে তাবিজ কোন কাজের নয় শুধু শিরক হয়!

03/04/2020

আজকে জুমআর দিনে ঘরে বসেই দুইটি গুরুত্বপূর্ণ আমল করতে পারেন ইনশাআল্লাহ্! ১)বেশি বেশি নবীর (সা:) প্রতি দরুদ পাঠ ও ২) সূরা কাহফ তেলাওয়াত !

📢 সকল মুসলিম ভাইদের বিশেষ অনুরোধ আজকে সহ লক ডাউনের দিন গুলির জন্যে নিজে সুরক্ষিত থাকুন এবং ওপরের সুরক্ষিত সুনিশ্চিত করুন...
03/04/2020

📢 সকল মুসলিম ভাইদের বিশেষ অনুরোধ আজকে সহ লক ডাউনের দিন গুলির জন্যে নিজে সুরক্ষিত থাকুন এবং ওপরের সুরক্ষিত সুনিশ্চিত করুন ইনশাআল্লাহ্ 🕌

অতএব বাড়িতে থাকুন এই অবস্থায় মারা গেলেও ইনশাআল্লাহ্ হাদীসের প্রেক্ষিতে আপনি শহীদ হিসেবে গণ্য হবেন..! আল্লাহ্ কবুল করুক...
01/04/2020

অতএব বাড়িতে থাকুন এই অবস্থায় মারা গেলেও ইনশাআল্লাহ্ হাদীসের প্রেক্ষিতে আপনি শহীদ হিসেবে গণ্য হবেন..! আল্লাহ্ কবুল করুক।

সারা বিশ্বে আজ মুসলিম উম্মাহ সহ সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ এক ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের মধ্যে পড়ে রয়েছে যা ভাষায় বুঝানো...
31/03/2020

সারা বিশ্বে আজ মুসলিম উম্মাহ সহ সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ এক ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের মধ্যে পড়ে রয়েছে যা ভাষায় বুঝানো মুশকিল! এরই মাঝে কিছু কিছু শয়তানি কর্ম কান্ড আছে যা মানুষ করে থাকে এর মধ্যে মুসলিমরা অন্যতম ভূমিকা পালন করে থাকে কারণ এঁরা ইতিহাস যাচাই করে দেখেনা কি বলছে কি করছে কেন করছে কিছুই জানেনা লোকে বলছে লোকে করছে তাই সেও বলছে এবং করছে। হ্যাঁ আমি ভ্যালেন্টাইন নামক বেহায়াপনার পর পরে মিথ্যা কথা বলে মানুষকে হাসানো সেই এপ্রিল ফুল নামক দিনটার পালনের কথাই বলছি। আগে এর ইতিহাস জানুন আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা প্লিজ এটা একটি দিন যা মুসলিমদের খুবই হৃদয়বিদারক দিন। আপনারা গুগলে সার্চ করে বিস্তারিত দেখতে পারেন অথবা আপনাদের পছন্দে র কোন আলেমদের কাছে জিজ্ঞাসা করুন আপনি এর সত্যতা জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্ তাই খবরদার কেউ আগামীকাল মিথ্যা গাল গল্পঃ বলে ধোঁকা দিয়ে কাউকে এপ্রিল ফুল মানে এপ্রিলের বোকা বানানোর অপচেষ্টা করবেন না অনুরোধ রইল। নাহলে এমন হবে যে আপনি হয়ত অন্ধকারে লকরি কুড়াতে গিয়ে সাপকে লকরী মনে করে বস্তায় ভরে নিয়ে আসবেন বাড়িতে..! তাই সময় থাকতেই সাবধান হয় আমরা আসুন.. আল্লাহ সকল প্রকার অমুসলিমদের অনৈসলামিক ক্রিয়াকলাপ থেকে আমাদের দূরে রাখুন এবং আমাদের সঠিক বুঝার তাওফীক প্রদান করুক,,আমীন।

30/03/2020

ফিতনাহ র সময়ে বাড়িতে অবস্থান করা নাবী মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ!
(মুসনাদে আহমদ:১৯৬৬৩)

Address

Sagardighi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tahleel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tahleel:

Share

Category