Bangla MCQ

Bangla MCQ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangla MCQ, News & Media Website, Kolkata, Salt Lake City.

Bangla MCQ আপনারা সমস্ত সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Study Material পাবেন।ওয়েবসাইট: www.banglamcq.org

🎯সকল সরকারি জব নিউজ Update।

🎯MCQ কোশ্চেন পেপার পিডিএফ ফাইল

🎯কর্মসংস্থান পেপার, কর্মক্ষেত্র পেপার টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে ডাউনলোড করুন

🚨 বড় পদক্ষেপ! সংসদে ‘রাইট টু রিকল’ বিল পেশ 🇮🇳Raghav Chadha সরকারি অফিসে ‘Right to Recall’ বিল পেশ করেছেন।এই বিলে প্রস্তা...
13/02/2026

🚨 বড় পদক্ষেপ! সংসদে ‘রাইট টু রিকল’ বিল পেশ 🇮🇳

Raghav Chadha সরকারি অফিসে ‘Right to Recall’ বিল পেশ করেছেন।

এই বিলে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে— যদি কোনো এমপি,বিধায়ক বা কাউন্সিলর নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে নাগরিকরা তাদের পূর্ণ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ক্ষমতা থেকে সরানোর অধিকার পাবেন।

👉 অর্থাৎ, ভোট শুধু পাঁচ বছরে একবার নয়—জনগণের হাতে থাকবে সরাসরি জবাবদিহির শক্তি।

এটি কি গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে? আপনার মতামত কী?

ফাঁসির আগে জেলে কানাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন দাদা আশুতোষ। বলেছিলেন, ‘তোর চশমাটা দে। একটা কিছু তো আমার কাছে রাখি।’...
28/01/2026

ফাঁসির আগে জেলে কানাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন দাদা আশুতোষ। বলেছিলেন, ‘তোর চশমাটা দে। একটা কিছু তো আমার কাছে রাখি।’ কানাইলালের জবাব, ‘দাদা, চশমাটা আমি এখন দিতে পারব না। চোখে হাইপাওয়ার, ফাঁসির মঞ্চে যদি হোঁচট খাই, এরা ভাববে বাঙালির ছেলে আমি মৃত্যুর আগে ভয় পাচ্ছি। চশমাটা আমার মৃত্যুর পরে নিও।’
কানাইলালের গলায় দড়ি পরিয়ে দেওয়ার পর তিনি একজন পুলিশকে ডেকে বলেছিলেন, মৃত্যুর পর চশমাটা আমার বড়দাদাকে দিয়ে দিও। সেই চশমাই কানাইলাল বিদ্যামন্দিরে রাখা রয়েছে।

নরেন গোঁসাইকে খুন করেও নিরুত্তাপ ছিলেন কানাই | মুখে হাসি লেগেই থাকত সর্বদা | বিচারপর্বে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল -
- Why did you shoot the last bullet on the head of Naren Gosai when you know that he is already dead?
- So far all our attempts had been foiled and the enemy did narrowly escape. I wanted to be sure of the result. I am simply disgusted with attempts, attempts and attempts!

প্রিয় ছাত্রের ফাঁসির পর স্বদেশী আন্দোলনে যুক্ত থাকার দরুণ মাস্টারমশাই চারুচন্দ্র রায় নিজেও কিছুদিন আলিপুর জেলে বন্দি ছিলেন | আলিপুর জেলে যিনি কানাইলালের ওয়ার্ডার ছিলেন তিনিই কানাইয়ের ফাঁসির কার্য সম্পাদকের ভূমিকাও নিয়েছিলেন | প্রিয় ছাত্র কানাই সম্পর্কে তিনি চারুচন্দ্র রায়কে বলেছিলেন, "I am the sinner who has executed Kanailal. If you have a hundred men like him, your aim will be fulfilled."

বিচারে ফাঁসির আদেশ হয়েছিল কানাইয়ের | মৃত্যুদন্ড রদের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করবেন কিনা জানতে চাওয়া হলে কানাই বলেছিলেন, "There shall be no Appeal !" আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় এই কথা শুনে বলেছিলেন - কানাই শিখিয়ে গেল হে | Shall আর Will ব্যবহারের পার্থক্য কিভাবে কোথায় করতে হয় কানাই বাঙালি জাতিকে সেটা শিখিয়ে দিয়ে গেল |

ফাঁসির আদেশ পাওয়ার পরে আলিপুর জেলে পাশাপাশি সেলে ফাঁসির প্রতীক্ষায় দিন গুনছে কানাইলাল দত্ত ও সত্যেন্দ্রনাথ বসু | সত্যেন ব্রাহ্ম | সত্যেনের ইচ্ছে মৃত্যুর আগে একবার সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজের কর্ণধার পন্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর মুখোমুখি হয়ে তাঁর কাছ থেকে আশীর্বাদ চাইবেন | জেল কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিল | পন্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রী জেলে ঢুকে সত্যেনকে আশীর্বাদ করে গেলেন | কানাইয়ের এক পরিচিত শিবনাথ শাস্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন তিনি কানাইকে দেখেছেন কিনা | শিবনাথ শাস্ত্রী বলেছিলেন - " কানাইকে দেখলাম ,সে পায়চারি করছে - যেন পিঞ্জরাবদ্ধ সিংহ ! বহু যুগ তপস্যা করলে তবে যদি কেউ তাকে আশীর্বাদ করার যোগ্যতা লাভ করতে পারে | "

মুখে সর্বদা হাসি লেগেই থাকত | ফাঁসির আগের দিন ওয়ার্ডার তাঁকে বিদ্রুপের সুরে একবার বলেছিলেন, "You are smiling now, but tomorrow morning all the smiles will disappear from your lips."
সেদিন কানাই শুধুই হেসেছিলেন |
১৯০৮ সালের ১০ই নভেম্বর | ভোর পাঁচটা | আলিপুর জেলে সেদিন প্রায় উপস্থিত পুলিশ কমিশনার মিস্টার হ্যালিডে, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার, আলিপুরের ম্যাজিস্ট্রেট মিস্টার বোমপাস | উপস্থিত ৩০০ সশস্ত্র উর্দিধারী | জেলের ঘড়িতে তখন সকাল ছয়টা | কিছু কারারক্ষী কানাইয়ের জেলের দরজা খুলে তাঁকে নিয়ে আসলেন | মুখে সেদিনও হাসি লেগেই আছে | চোখে উজ্জ্বল দ্যুতি | হাত পিছনে বাঁধা | কানাইকে নিয়ে ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগোলেন পুলিশ কমিশনার মিস্টার হ্যালিডে, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার, আলিপুরের ম্যাজিস্ট্রেট মিস্টার বোমপাস |
ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগোতেই কানাইয়ের চোখে পড়ল সেই ওয়ার্ডার | কানাই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন ওয়ার্ডারকে লক্ষ্য করে - "How do you find me now?"
সেদিন আর ওয়ার্ডার কোন জবাব দিতে পারেননি |

জেলকর্মীদের বয়ান অনুযায়ী, বুলেটবিদ্ধ হওয়ার পর নরেন গোঁসাই নাকি বলে উঠেছিলেন, ‘তিন বাপ, তিন বাপ, তিন বাপ।’ সম্ভবত, শরীর ফুঁড়ে তিনটি বুলেট ঢুকে যাওয়ার কথা বোঝাতে চেয়েছিলেন তিনি। কানাইলালের রিভলভারে তখনও দুটি গুলি অবশিষ্ট ছিল। সেই দুটিও নরেনের শরীর লক্ষ্য করে চালিয়ে দেন কানাইলাল। তারপরই পুলিশকে বলেন, ‘অ্যারেস্ট মি।’ পরে তাঁকে বলা হয়েছিল, ক্ষুদিরামের সঙ্গী প্রফুল্ল চাকি তো নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছিলেন, তিনি কেন সেই পথে হাঁটলেন না? কানাইলাল জবাব দিয়েছিলেন, ‘আমি পলিটিক্যাল মার্ডার সফল করতে চেয়েছিলাম। এত ব্যর্থ হচ্ছিলাম। একটা সফলতা রাখতে হবে। আমি জানি আমার ফাঁসি হবে। কিন্তু সেটাই আমি চাই।“

মৃত্যুর সময়ও কানাইলালের তেজ দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ আধিকারিকেরা। পুর্ণচন্দ্র দে, সাগরকালী ঘোষ, মতিলাল রায়, আশুতোষ দত্তরা তাঁর মৃতদেহ নিতে যাওয়ার পর তাঁদের জিজ্ঞেস করেছিল, তোমাদের দেশে এরকম ছেলে ক’টা আছে!

কানাইলাল বলে গিয়েছিলেন, আমার মৃত্যুর পর দেহ নিয়ে শোক নয়, শোভাযাত্রা কোরো। যাতে সকলে অনুপ্রাণিত হয়। হয়েওছিল তাই। ১০ নভেম্বর, ১৯০৮। সে এক অবিস্মরণীয় দিন। আলিপুর জেল থেকে কানাইলালের মরদেহ বেরতেই হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে রাজপথ কার্যত অবরুদ্ধ। জনতার বাঁধভাঙা আবেগ। ক্যাওড়াতলা মহাশ্মশান পর্যন্ত শেষযাত্রায় সামিল অসংখ্য মানুষ। তারা একে অপরকে ধাক্কা দিয়ে এক বারের জন্য হলেও শববাহী খাটটি ছুঁতে চায়। সর্বত্র ‘জয় কানাই’ ধ্বনিতে আন্দোলিত। কেওড়াতলা শ্মশানে দাহকার্যের পর কানাইলালের ‘চিতাভস্ম’ কেনার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু হয়। আধ ছটাক চিতাভস্মের জন্য কোনও কোনও অত্যুৎসাহী পাঁচ টাকা পর্যন্ত দিয়েছিলেন।

সেই ভিড় ব্রিটিশ শাসকদের এতটাই নাড়িয়ে দিয়েছিল যে, কানাইলালের মৃত্যুর পর নিয়ম করে দেওয়া হয়, কোনও বিপ্লবীর মরদেহ তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে না। শেষকৃত্য হবে পুলিশের প্রহরায়।

আজকের বাঙালি কানাইলাল দত্তকে ভুলে গেছে......

©️ তথ্যসূত্র:
তথ্য - মৃত্যুজয়ী কানাইলাল - পূর্ণচন্দ্র দে
কানাইলাল - মতিলাল রায়
ইতিহাসবিদ বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়

আইপিএস সুপ্রতিম সরকার বাংলার বিপ্লবীদের নিয়ে এই তথ্যসমৃদ্ধ সিরিজটি লিখেছেন কলকাতা পুলিশের সংগ্রহশালায় মজুত নথি থেকে, যত্নবান গবেষণা করে।কাহিনীগুলি থেকে বোঝা যায়, ভারতবাসী যাতে নিজেদের ভাগ্যনিয়ন্তা হতে পারে তার জন্য কী অপরিসীম ত্যাগস্বীকার করেছিলেন তরুণ বিপ্লবীরা।
আমাদের মনে হয়েছিল, এই মহাপ্রাণ বিপ্লবীদের প্রতি সশ্রদ্ধ প্রণাম জানানোর একটি উপায় হল বর্তমান প্রজন্মের কাছে তাঁদের ত্যাগের কাহিনী পৌঁছে দেওয়া।
পড়তেই হবে আইপিএস সুপ্রতিম সরকার মহাশয়ের "স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার" | এই বই সংগ্রহে রাখার মত বই |

🚧 বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিপ্লব: রেডিও তরঙ্গে শক্তি পাঠাল ফিনল্যান্ড...😲😲😲▪️  তার–ছাড়া বিদ্যুৎ....🤷🏻🤷🏻🚦 বিদ্যুৎ প্রযুক্তির জগত...
23/01/2026

🚧 বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিপ্লব: রেডিও তরঙ্গে শক্তি পাঠাল ফিনল্যান্ড...😲😲😲
▪️ তার–ছাড়া বিদ্যুৎ....🤷🏻🤷🏻

🚦 বিদ্যুৎ প্রযুক্তির জগতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে ফিনল্যান্ড। দেশটি সম্প্রতি এমন একটি প্রযুক্তি সফলভাবে পরীক্ষা করেছে, যার মাধ্যমে কোনো তার, প্লাগ বা সরাসরি সংযোগ ছাড়াই বাতাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পাঠানো সম্ভব। এই উদ্ভাবন বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রচলিত ধারণাকেই বদলে দিতে পারে।

🚦 কীভাবে কাজ করে এই প্রযুক্তি:-

▪️ নতুন এই ব্যবস্থায় রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বে শক্তি প্রেরণ করা হয়। নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির এই তরঙ্গ নিরাপদভাবে বিদ্যুৎ বহন করে রিসিভার ডিভাইসে পৌঁছে দেয়। ফলে সেন্সর, লাইট, স্মার্ট ডিভাইস কিংবা ছোট চিকিৎসা যন্ত্র—সবকিছুই তার ছাড়াই চালানো সম্ভব হয়।

🚦 সুবিধা ও সম্ভাবনা:-

▪️ এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো তারের ঝামেলা ও সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্তি। ভবিষ্যতে শহরের রাস্তা, বাড়িঘর কিংবা অফিসে আর বিদ্যুতের জটিল তার দেখা যাবে না। স্মার্ট ডিভাইসগুলো নিজে থেকেই চার্জ হতে পারবে, আর জনসমাগমস্থলে অদৃশ্যভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে সময়, জায়গা ও শক্তি—সবকিছুরই সাশ্রয় হবে।

🚦 নিরাপত্তা ও ব্যবহারযোগ্যতা:-

▪️ ফিনল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তি সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই তৈরি করা হয়েছে। এটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ব্যবহারের জন্য উপযোগী এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। তাই দৈনন্দিন জীবনে এর প্রয়োগ নিয়ে আশঙ্কার কারণ নেই।

🚦 ভবিষ্যতের পথে ফিনল্যান্ড:-

▪️ যদিও প্রযুক্তিটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে, তবুও এর সম্ভাবনা অত্যন্ত বিস্তৃত। আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে ফিনল্যান্ড এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তার–ছাড়া বিদ্যুৎ হয়তো খুব শিগগিরই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক অংশ হয়ে উঠবে—আর সেই পরিবর্তনের পথ দেখাচ্ছে এই স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি।

🚧 এইধরনের নতুন নতুন তথ্যপূর্ণ পোস্ট পেতে হলে আমাদের পেজটিকে ফলো করবেন।।



Source: Geography zone

04/01/2026

💥💥💥 বিগত বছরের প্রশ্নাবলী 💥💥💥

⬤ সর্বজনীন দাতা রক্ত ​​গ্রুপ কোনটি? – O

⬤ সর্বজনীন গ্রহীতা রক্ত ​​গ্রুপ কোনটি? – AB

⬤ Rh ফ্যাক্টর কিসের সাথে সম্পর্কিত? – রক্ত

⬤ Rh ফ্যাক্টরের আবিষ্কারক কে? – ল্যান্ডস্টেইনার এবং উইনার

⬤ কোনটি রক্তকে বিশুদ্ধ করে? – কিডনি

⬤ কিডনির ওজন কত? – ১৫০ গ্রাম

⬤ রক্ত ​​একটি কেমন দ্রবণ? – ক্ষারীয়

⬤ রক্তের pH মান কত? – ৭.৪

⬤ হৃদস্পন্দনের নিয়ন্ত্রক কোনটি? – পেসমেকার

⬤ যে রক্তনালী শরীর থেকে হৃদপিণ্ডে রক্ত ​​বহন করে তাকে কী বলা হয়? – শিরা

⬤ যে রক্তনালী হৃদপিণ্ড থেকে শরীরে রক্ত ​​বহন করে তাকে কী বলা হয়? – ধমনী

⬤ জারভিক-৭ হলো... – একটি কৃত্রিম হৃদপিণ্ড

⬤ শরীরে অক্সিজেন পরিবহন করে কে? – রক্ত

⬤ সবচেয়ে ছোট হাড় – স্টেপিস (মধ্যকর্ণে)

⬤ সবচেয়ে বড় হাড় – ফিমার (উরুতে)

⬤ সবচেয়ে লম্বা পেশী – সারটোরিয়াস

⬤ সবচেয়ে বড় গ্রন্থি – যকৃৎ

⬤ সর্বোচ্চ পুনরুৎপাদন ক্ষমতা – যকৃতে

⬤ সর্বনিম্ন পুনরুৎপাদন ক্ষমতা – মস্তিষ্কে

⬤ শরীরের সবচেয়ে কঠিন অংশ – দাঁতের এনামেল

⬤ সবচেয়ে বড় লালাগ্রন্থি – প্যারোটিড গ্রন্থি

⬤ সবচেয়ে ছোট শ্বেত রক্তকণিকা – লিম্ফোসাইট

⬤ সবচেয়ে বড় শ্বেত রক্তকণিকা – মনোসাইট

⬤ সবচেয়ে বড় শিরা – ইনফেরিয়র ভেনা কাভা

⬤ লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল – ১২০ দিন

⬤ রক্ত ​​জমাট বাঁধার সময় – ২-৫ মিনিট

♦️ অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি লাইক এবং শেয়ার করুন..... ❤️❤️

ভারতের মহাকাশ খাতে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি...ভারতের মাটি থেকে উৎক্ষেপিত সবচেয়ে ভারী উপগ্রহ, মার্কিন মহাকাশযান, ব্লুবার...
25/12/2025

ভারতের মহাকাশ খাতে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি...

ভারতের মাটি থেকে উৎক্ষেপিত সবচেয়ে ভারী উপগ্রহ, মার্কিন মহাকাশযান, ব্লুবার্ড ব্লক-২, কে তার নির্ধারিত কক্ষপথে স্থাপন করে LVM3-M6-এর সফল উৎক্ষেপণ, ভারতের মহাকাশ যাত্রায় একটি গর্বিত মাইলফলক।

এটি ভারতের ভারী-উৎপাদন উৎক্ষেপণ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ বাজারে আমাদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে শক্তিশালী করে।

এটি আত্মনির্ভর ভারতের দিকে আমাদের প্রচেষ্টারও প্রতিফলন। আমাদের পরিশ্রমী মহাকাশ বিজ্ঞানী এবং প্রকৌশলীদের অভিনন্দন।

মহাকাশ জগতে ভারত আরও উঁচুতে উড়ে চলেছে!

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অফিসের গাড়িতে নিজের ভাগ্নী কে পর্যন্ত চড়তে দিতেন না। যাঁর ব্যক্তিগত জীবনের সততা নিয়ে কোনও দিন প্র...
25/12/2025

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অফিসের গাড়িতে নিজের ভাগ্নী কে পর্যন্ত চড়তে দিতেন না। যাঁর ব্যক্তিগত জীবনের সততা নিয়ে কোনও দিন প্রশ্ন তোলার সাহস হয়নি বিরোধীদের। তবে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে স্বাধীন ভারতে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ডঃ প্রফুল্লচন্দ্র চন্দ্র ঘোষ কে
পদত্যাগে একপ্রকার বাধ্য করা হয়। নেপথ্যের কারণ তিনি দুর্নীতিবাজ,অসৎ ব্যবসায়ীরদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ করেছিলেন।

উত্তর কলকাতার একটি তেল কলে কিছু ভেজাল জিনিস ধরা পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ কড়া ব্যবস্থা নিলেন। বিষয়টি মোটেও ভালভাবে গ্ৰহন করলেন না দিল্লির প্রভাবশালী নেতা মন্ত্রী থেকে ব্যবসায়ী সমাজের মাতব্বররা। এবার তারা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র চন্দ্র ঘোষের বিরুদ্ধে জোরালো লবি করতে শুরু করলেন। এর নির্যাস হল প্রফুল্ল ঘোষ কে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে অবিলম্বে সরাতে হবে এবং ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় কে পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে।

একটু জেনে রাখার মত তথ্য হল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ১৯৪৭-এর ২১ নভেম্বর বেলা দুটোয়। তার কার্যবিবরণের নথি ঘাঁটলেই দেখা যাবে প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ উল্লিখিত হচ্ছেন ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ বলে। আর তাঁর পরে প্রধানমন্ত্রী হন বিধানচন্দ্র রায়। ১৯৫২-এর ২৬ জানুয়ারি ‘প্রধানমন্ত্রী’ কথাটা পরিবর্তন করে করা হল ‘মুখ্যমন্ত্রী’। সে দিনই, সরকারি ভাবে, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম ‘মুখ্যমন্ত্রী’ হলেন
বিধানচন্দ্র রায়।

দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এমনিতেই
প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের বিরুদ্ধে রে রে রব উঠেছিল ব্যবসায়ীদের প্রভাবশালীরা দিল্লিতে প্রভাব খাটানো শুরু করলেন এবং তাদের প্রথম দাবি হল মাড়োয়ারী সমাজের কোনও শাসক দলের ভক্ত কে প্রফুল্ল ঘোষের মন্ত্রীসভার সদস্য করতে হবে। দিল্লিতে কংগ্ৰেসের বড় মাপের নেতারা সেই দাবিতে একেবারে গলে জল। স্বয়ং গান্ধী ওই দাবিতে নিজের সন্মতি দিয়ে ছিলেন। তবে প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ ছিলেন অন্য ধাতুতে গড়া মানুষ। তিনি গান্ধীজি সহ নেতাদের সব অনুরোধ, সুপারিশ উপেক্ষা করলেন। তখন থেকেই প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ কে পদ থেকে সরিয়ে ডাঃ বিধান রায় কে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর নীল নকশার রূপরেখা রচিত হয়েছিল।

প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ পুরোদস্তুর গান্ধীবাদী মানসিকতার মানুষ হয়েও মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর ইচ্ছা কে উপেক্ষা করার মত সাহস দেখিয়েছিলেন। গান্ধীজির মতামত কে মান্যতা দিয়ে মাড়োয়ারী সমাজের কাউকে তাঁর মন্ত্রীসভার সদস্য করতে রাজি হননি। অর্থাৎ সামগ্ৰিক ভাবে তিনি সেদিন দিল্লির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে প্রভাবশালীদের তীব্র চাপেও মাথা নোয়ান নি। হয়ত তিনি জানতেন এর পরিনাম ভাল হবে না! সত্যিই তাঁকে অপদস্থ করা ও পদ থেকে অপসারিত করার সলতে পাকানোর পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছিল যখন তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপোষহীন মনোভাব বজায় রেখেছিলেন।

রাজ্য রাজনীতির এমন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে বিখ্যাত বাংলা সংবাদপত্র "যুগান্তরের' নির্ভীক সম্পাদক বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় লিখলেন সম্পাদকীয় "উপরের তলার চক্রান্ত"। আগুন জ্বলে উঠল। সকালে বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে টেলিফোন বেজে উঠল ক্রিং করে। তিনি টেলিফোন ধরতেই ওপার থেকে গম্ভীর কণ্ঠস্বর ধ্বনিত হল আমি বিধানচন্দ্র রায় বলছি-"ক্যাপ্টেন নরেন কোথায়"? তিনি তখন যুগান্তর পরিচালক মন্ডলী তথা ডাইরেক্টের বোর্ডের চেয়ারম্যান।

সত্যি সত্যি প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ ১৯৪৮ সালের ১৪ জানুয়ারি
পদত্যাগ করেছিলেন এবং তাঁর জায়গায় রাজ্যের
নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় যিনি উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল হতে রাজি হননি। পরে অবশ্য প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ আর একবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন।

একজন চ্যাম্পিয়নের যাত্রা২০২৫ সালের এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে জ্যোতি ইয়ারাজির স্বর্ণপদক তার অদম্য মানসিকতার ...
25/12/2025

একজন চ্যাম্পিয়নের যাত্রা

২০২৫ সালের এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে জ্যোতি ইয়ারাজির স্বর্ণপদক তার অদম্য মানসিকতার এক জ্বলন্ত প্রমাণ। ২৯শে মে, দক্ষিণ কোরিয়ার গুমি-র শান্ত স্টেডিয়ামে তিনি শুধু জয়ই করেননি; তিনি একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, ১২.৯৬ সেকেন্ডের এক অসাধারণ টাইমিং করে ২৭ বছরের পুরোনো চ্যাম্পিয়নশিপ রেকর্ডটি ভেঙে দেন। গ্যালারির নীরবতা তার এই অর্জনের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছিল। বিশাখাপত্তনমের এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা জ্যোতি, আঘাত এবং কৌশলগত পরিবর্তনগুলোকে জয় করে এশিয়ার অবিসংবাদিত হার্ডলস কুইন হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। যখন ভারতের জাতীয় পতাকা উড্ডীন হচ্ছিল, তখন তার চোখের জল সেই একাকী পথচলা এবং নীরব আত্মত্যাগগুলোর কথাই বলছিল, যা তার গৌরবের সোনালী পথ তৈরি করেছিল।

📱🇮🇳 ভারতে শুরু হয়ে গেল কলার নেম প্রেজেন্টেশন (Caller Name Presentation) ব্যবস্থা!এখন থেকে ফোন এলে👉 শুধু নম্বর নয়,👉 মোব...
25/12/2025

📱🇮🇳 ভারতে শুরু হয়ে গেল কলার নেম প্রেজেন্টেশন (Caller Name Presentation) ব্যবস্থা!

এখন থেকে ফোন এলে
👉 শুধু নম্বর নয়,
👉 মোবাইল স্ক্রিনেই দেখা যাবে কল করা ব্যক্তির নাম।

🔍 যে নাম ও আইডি দিয়ে সিম নেওয়া হয়েছে,
📲 ঠিক সেই নামই কল আসার সময় স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।

এর ফলে—
✅ প্রতারণা ও ফেক কল চেনা সহজ হবে
✅ অজানা নম্বর নিয়ে বিভ্রান্তি কমবে
✅ নিরাপত্তা আরও বাড়বে

ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ! 🚀

Address

Kolkata
Salt Lake City
700064

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla MCQ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share