Ghorkonya with my twins

Ghorkonya with my twins ghorkonya with my twins এইপেজে আমার ইচ্ছেগুলো ফ্রেমবন্দী করে রাখি,কারো ভালো লাগলে ফলো করে পাশে থেকো।

04/06/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

সন্তান নিজের সম্পদ💕তাদের কেউ খোঁজ নিলো কি নিলোনা,কেউ দেখলো  কি দেখলো না এসবের কোন মানে নেই।সন্তানের ভালোবাসার জন্য কাউকে...
04/06/2025

সন্তান নিজের সম্পদ💕
তাদের কেউ খোঁজ নিলো কি নিলোনা,কেউ দেখলো কি দেখলো না এসবের কোন মানে নেই।সন্তানের ভালোবাসার জন্য কাউকে অনুরোধ করো না,কারো স্নেহের ভিক্ষা চেয়ে নিজেকে ছোট করো না।
তাদের জন্য যতটুকু দরকার তার সবই তুমি দিতে পারো।-তোমার ভালবাসায় কোন ঘাটতি নেই।

তারা যতদিন তোমার পাশে আছে,ততদিন তোমার ভালোবাসা ছায়ার মতো তাদের ঘিরে রাখবে।
তুমি আছো বলেই তারা নিরাপদ।
আর একজন মা এবং বাবার ভালোবাসা যদি থাকে সন্তানেরা কখনোই আর ভালবাসার অভাবে কাঁদে না।

09/12/2024

জীবনে চলার পথে কয়েকটি মূল্যবান কথা

#লেখা :- #সংগৃহীত

জীবনে কখনো কাউকে পরোয়া করো না, নিজের যোগ্যতায় নিজে এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাওয়ার জন্য কখনো কারো প্রত্যাশা করো না, তোমার হয়ে কে...
09/12/2024

জীবনে কখনো কাউকে পরোয়া করো না, নিজের যোগ্যতায় নিজে এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাওয়ার জন্য কখনো কারো প্রত্যাশা করো না, তোমার হয়ে কেউ তোমাকে এগিয়ে দিবে না, মনে রাখবে! তোমাকেই তোমার এগিয়ে যাওয়ার রথের সারথি হতে হবে;

কখনো অন্য কারো যোগ্য হতে যেওনা, নিজেকে নিজের যোগ্য হিসেবে গড়ে তোল, কখনো অন্যের মনের মতো হয়ে উঠার চেষ্টা না করে বরং নিজের মনের মতো হয়ে উঠার চেষ্টা করো, দেখবে! একদিন না একদিন তুমি তোমার আমার আমিকে নিয়ে স'ন্তু'ষ্টি অনুভব করছ;

অন্যের পিছনে সময় ব্যয় করার থেকে, নিজের পিছনে নিজে সময় ব্যয় করো, মনে রাখবে! নিজেকে নিজে যতটা সময় দিবে, ততটা সময় জীবনে তোমাকে অন্য কেউ আর দিবে না;

তোমাকে তুমিই গড়ো, তোমাকে তুমিই ভা'ঙ্গো, নিজের ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে গড়ো, নিজের ভু'ল ত্রু'টি সং'শো'ধ'নে'র জন্য নিজেকে ভা'ঙ্গো। দেখবে! দিনকে দিন তোমার উন্নতি-ই হয়েছে, ডি'প্রে'শ'ন ঘি'রে ধ'রেনি। কিন্তু! যখন-ই তুমি অন্যের জন্য নিজেকে ভা'ঙ্গ'বে কিংবা গড়বে তখন-ই সে ছেড়ে গেলে তুমি ডি'প্রে'শ'নে ভু'গ'বে, তাই অন্যের জন্য নয় নিজের জন্য নিজেকে ভা'ঙ্গো - গড়ো;

নিজেকে মূল্য দাও, দেখবে দশজন তোমাকে মূল্য দিচ্ছে, তুমিই যদি তোমাকে মূল্যায়ন না করো তবে পৃথিবীর কেউ তোমাকে মূল্যায়ন করবে না, আর হ্যাঁ! যা করো আর না করো, পৃথিবীতে নিজের থেকে বেশি মূল্য অন্য কাউকে দিতে যাবে না, নিজের থেকে বেশি মূল্য যাকেই দিতে যাবে তার কাছে মূল্য বলে তো কিছু পাবেই না, বরং অ'ব'হে'লা তু'চ্ছ'তা'চ্ছি'ল্য ছাড়া কিছুই পাবে না;

জীবনে দুটি জিনিস খুব প্রয়োজন-- এক টাকা আরেক দেখতে সুন্দর হওয়া, পুরুষের অর্থ না থাকলে আর নারীর সৌন্দর্য না থাকলে কোথাও কোনো দাম নেই, না ঘরে, না বাহিরে, যে পুরুষ আয় করতে পারে না, ঘরে বসে বসে খায়, সে পুরুষের কোনো মূল্য নেই, বাহিরে মূল্য পাওয়া তো অনেক দূরের কথা তার নিজের ঘরেই সে কখনো কোনো কাজে কিংবা কথায় মূল্যায়ন পায় না, যে নারী দেখতে সুন্দর না, সে নারী জন্মের পর থেকেই তার বাবা-মা'র "টে'ন'শ'ন"। শুধুমাত্র দেখতে সুন্দর নয় বলে একেকটা স'ম্ব'ন্ধ যখন ভে'ঙ্গে যায় তখন কোনো দো'ষ না থাকা সত্বেও উঠতে বসতে কত কথা যে শুনতে হয় তা শুধু কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েরাই জানে, তুমি মানো কিংবা না মানো তবে ৯৯% ক্ষেত্রে এটাই বাস্তব-- নারীর সৌন্দর্য আর পুরুষের অর্থ ছাড়া কোথাও কোনো দাম নেই, এরা যেন নুন ছাড়া তরকারির মত;

একটা কথা মনে রাখা ভী'ষ'ণ ভাবে জরুরী, জীবনের ক'ঠি'ন সময় গুলো তোমাকে একাই কা'টাতে হবে, তাই বি'প'দ থেকে উ'দ্ধার হতে গেলে-- স'ঙ্গ কিংবা সা'হায্য পাওয়ার আশা ছে'ড়ে দাও, তোমার হয়ে তোমার ল'ড়াইটা কেউ ল'ড়বে না, তো''মার ল'ড়াইটা তোমাকে একাই লড়তে হবে। তোমার হয়ে তোমার দৌ'ড়টা কেউ দৌ'ড়াবে না, তোমার দৌ'ড়টা তোমাকে একাই দৌ'ড়াতে হবে। মনে রাখবে! দিন শেষে কেউ কারো নয়, না তুমি কারো, না কেউ তোমার।
#সংগৃহীত

তুমি প্রশ্ন করলে আমি তোমাকে কেন ভালোবাসি...?চাইলেই আমি হাসতে হাসতে বলে দিতে পারতাম তোমাকে ভালোবাসতে ভাল লাগে বলেই ভালোবা...
09/12/2024

তুমি প্রশ্ন করলে আমি তোমাকে কেন ভালোবাসি...?
চাইলেই আমি হাসতে হাসতে বলে দিতে পারতাম তোমাকে ভালোবাসতে ভাল লাগে বলেই ভালোবাসি...।
তবে এতে কিঞ্চিত মিথ্যে মিশে থাকবে.....।
আমি তো কেবল ভাল লাগে বলেই তোমাকে ভালোবাসিনি কখনো......।
আমি একজন বন্ধু পাওয়ার জন্য ভালোবাসি.....।
যার সাথে দুটো সুখ দুঃখের গল্প করে সময় খরচ করা যায়......।
যদি কোনদিন আমাদের বন্ধুত্বের জায়গাটা নষ্ট হয়..., ভালোবাসাও কি সামান্য ধীর হবেনা.....?

আমি তোমাকে ভালোবাসি, আমার প্রয়োজনে....।
আমার একাকিত্বের সঙ্গী হওয়ার জন্য.....।
আমার হতাশায় ভরসা যোগাবার জন্য....।
আমার কান্নার কারন মুছে ফেলে মুখে হাসি ফোটাবার জন্য.......।
আমার অভাব অনটনে কাঁধে হাত রেখে বলবার জন্য আরেহ বোকা এসব দুঃসময় কেটে যাবে একদিন.....।

আমাদের দু পয়সার জীবন এক থালা ভাত......।
আমাদের ক্লান্ত দিন নৈশব্দ্যের রাত.....।
আমি তোমাকে ভালোবাসি স্রেফ আমার জীবনটাকে আরেকটু অন্যরকম করবার জন্য....।

আমি তোমাকে ভালোবাসি আমাদের বার্ধক্যের সামাজিক বিচ্ছিন্নতাবাদকে আনন্দে ঢেকে রাখবার জন্য......।
ধরো আমার জ্বর.....।
তুমি কপালে হাত রাখলেই আমি সুস্থ্য হয়ে যাবো সেরকমটা নয়.....।
আমি ওই হাতটার জন্য ভালোবাসি.....।
যে হাত পরম মমতা নিয়ে কপাল ছোঁয়....।

আমার বয়স বেড়ে গেলে আমার সন্তানদের যখন নতুন সংসার হবে সেখানে তাদের কলহ থেকে মুক্তির জন্য তোমাকে ভালোবাসি.....।
আমার হাইপারটেনশনের ঔষুধ আমার আধভাঙ্গা ঘোলাটে চশমা আমার ভর দেওয়ার লাঠিটা ঠিকঠাক এগিয়ে দেওয়ার জন্য ভালোবাসি.....।
ভালোবাসা ছাড়া তো অতটা গভীর যত্ন কেউ কাউকে করেনা......।

আমি তোমাকে ভালোবাসি আমার নিজের জন্য....।
যখন যৌবনের সূর্য অস্ত যায় তখন মানুষের একজন বন্ধুর প্রয়োজন.....।
পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ নিভে গেলেও যে আলো কখনো অন্ধকার আসতে দেয়না আমি সেই আলোটুকুর জন্য তোমাকে ভালোবাসি.....।

আমি তোমাকে তোমার চেয়ে বেশি আমার নিজের জন্য চাই.....।
ভালোবাসা কখনো নিঃস্বার্থ হতে পারেনা কখনোই না..।
আমি তোমাকে স্বার্থপরের মতন ভালোবাসি....।
একদম আমার নিজের জন্য.....।
এর মাঝে কোন লুকোচুরি নেই.....।

#সংগৃহীত

 #রাঙা_কাকু (সত্য ঘটনা অবলম্বনে) ©শ্রাবন্তী_মিস্ত্রীছোট থেকেই রাঙা কাকুর সাথে আমার সম্পর্কটা সখ্যতার, সে ঘুড়ি ওড়ানো হো...
07/11/2024

#রাঙা_কাকু (সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
©শ্রাবন্তী_মিস্ত্রী

ছোট থেকেই রাঙা কাকুর সাথে আমার সম্পর্কটা সখ্যতার, সে ঘুড়ি ওড়ানো হোক বা লাটিম খেলার। রাঙা কাকুর কাঁধে চেপে কতো ফুটবল ম্যাচ দেখতে গেছি, কম নাম্বার পেয়ে মায়ের কাছে বকুনি খেয়ে মন খারাপ করে পুকুর পাড়ে বসে থাকার সময় রাঙা কাকু বলতো -"কিরে চঞ্চল ছিপ ফেলবি নাকি বোসেদের পুকুরে?" ওমনি আমার মুখে খুশির হাসি খেলে যেতো। কাকু বয়সে আমার চেয়ে অনেক বড় হলেও মনটা ছিল বাচ্ছাদের মতো, তখনো সে রোজগার ব্যাপারটাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করতো না আরকি। এসব দেখেশুনে আমার দাদু নিজের একটা ছোট ব্যবসা ছেলের উপর ছেড়ে দিলেন যাতে সে দায়িত্ব নিতে শেখে রোজগার শব্দের অর্থ বোধগম্য হয় তার। দায়িত্ব ঘাড়ে চাপলো রাঙা কাকুর আমি একা হয়ে গেলাম। তাও রাতে ফিরে রাঙা কাকু ঘরের সামনে নেট টাঙিয়ে ব্যাটমিন্টন খেলতো আমার সাথে, আমি অনেক ছোট নাগাল পেতাম না ঠিক করে তাও সমানে চেষ্টা চালিয়ে যেতাম। মা হেসে বলতো -"আমার এই দেওরটি আর বড় হল না।"
এই ভাবে দিন এগোল পরিস্থিতি বদলে গেল অনেক, মা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লো আমার তখন ক্লাস এইট। বিভিন্ন টেস্ট করে জানা গেল মায়ের ব্লাড ক্যান্সার আকাশ ভেঙে পড়লো আমাদের মাথার উপর, শুরু হল মায়ের চিকিৎসা।

ক্লাস এইটে অঙ্ক পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে শুনলাম মাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, ভেবেছিলাম কেমো নিয়ে হয়তো মা ঠিক হয়ে গেছে কিন্তু আমার ধারণা ভুল ছিল। পরদিন এক দাদার সাথে হাসপাতালে পৌঁছতেই ছুটে এলো রাঙা কাকু জড়িয়ে ধরে বললো -"মন শক্ত কর চঞ্চল বৌদি আর নেই।"
ওই ছোট বেলাতেই মা হারানোর যন্ত্রণা যে কি তা আমি তিলে তিলে অনুভব করতে পারলাম। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যেতো বারান্দায় পায়চারি করার সময় আর কেউ জানতে না পারলেও রাঙা কাকু এসে বলতো -"কিরে ঘুম আসছে না? আমার ঘরে আয় গল্প করি"
স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে খেতে ইচ্ছে করতো না কিন্তু অবাক হয়ে দেখতাম রাঙা কাকু ভাতের থালা সাজিয়ে বলছে-"খেয়ে নে দেখি দোকান বন্ধ করে এলুম। জানি তুই না খেয়ে পড়তে যাবি, বেশি সময় না খেয়ে থাকলে পিত্ত পড়ে যায় জানিস না?" আমার চোখের কোণে জল আসতো এসব দেখে। মনে হতো বাবা ব্যস্ত থাকলেও কেউ তো আছে আমার খেয়াল রাখার।

ক্লাস টেনে উঠলাম বাবাও অসুস্থ হয়ে পড়লো ধীরে ধীরে, ততোদিনে বাড়িতে লোক বলতে আমরা তিনজন বাকি কাকা জেঠুরা কর্মসূত্রে বাইরে চলে গেছে, ঠাম্মা দাদুও বহুদিন আগেই গত হয়েছেন। আমাদের সাথে শুধু রয়ে গেছে রাঙা কাকু। বাবার অসুস্থতায় মাতৃহারা আমি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়লাম ফলস্বরূপ মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো হল না। হতাশা এসে গ্রাস করলো আমায়, সেই সময় রাঙা কাকু বললো -"দ্যাখ চঞ্চল পরিবারের এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে পারিস একমাত্র তুই, সফলতাই একমাত্র বদলে দিতে পারে আমাদের জীবন।"
আমি জোর কদমে লেখাপড়া শুরু করলাম কাকুর কথা সত্যি করে আমি ভালো রেজাল্ট করে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা শুরু করলাম। আমার লক্ষ্য স্থির যে ভাবেই হোক পরিস্থিতি বদলে দিতে হবে। উচ্চমাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করলেও ইচ্ছে মতো ভালো জায়গায় পড়তে পারিনি আর্থিক সমস্যার জন্য। শেষমেষ অঙ্ক অনার্স নিয়ে পড়া শুরু করলাম কিন্তু একবছর যেতে না যেতেই টাকার অভাবে আমাকে টিউশন পড়ানো শুরু করতে হল। কাকু বন্ধুদের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে ওই জটিল পরিস্থিতির মধ্যেই আমার ইচ্ছে মতো ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি করিয়ে দিল। তখন অ্যাক্সিডেন্ট করে বাবা বিছানায় শয্যাশায়ী কাকু নিজের কাজ সামলে বাবার সেবা করতো। আশেপাশের লোক বলতো -"নিজে তো বিয়ে করলে না এতো ঋণের বোঝা মাথায় নিচ্ছ, এই ছেলে শেষ বয়সে তোমায় দেখবে?" কাকু কোনো উত্তর দিতো না। ।

ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা শেষ হলে আমি চাকরির পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলাম, বারবার ব্যর্থতার সিঁড়ি উতরে সফলতার দোরগোড়ায় একসময় পৌঁছে গেলাম। কিন্তু ততোদিনে বাবার শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে অনেক। মাস কয়েক চিকিৎসা করার সুযোগ পেলেও বাবাকে বাঁচিয়ে রাখতে পারলাম না। তখন সম্বল বলতে আমার জীবনে একটাই মানুষ রাঙা কাকু, সেই আমার গোটা দুনিয়া। আমি আস্তে আস্তে তার সব ঋণ শোধ করলাম তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেতাম, পছন্দের জামা কাপড় কিনে দিতাম। আমি চেয়েছিলাম শেষ বয়সে মানুষটাকে ভালো রাখতে। কিন্তু খুব বেশিদিন পারিনি, কাকুও অসুস্থ হল তখন আমার কাছে সামর্থ্য ছিল তাই ভালো জায়গাতে চিকিৎসা করালাম। এইসময় হঠাৎ আমার জীবনে প্রেম এলো, মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবেসে ফেললাম তাকে। কাকুকে জানালে একটু আপত্তি করলো কারণ মেয়েটির দুবার ডিভোর্স হয়েছিল তারপরও আমার মুখের দিকে তাকিয়ে মেনে নিল সম্পর্কটা। বেশ কিছুদিন পর ছোট অনুষ্ঠান করে বিয়ে হল আমাদের।

বিয়ের বেশ কয়েক মাস পর কাকুর ব্রেইন হেমারেজ হল প্যারালাইজড হয়ে গেল আমার রাঙা কাকু। কাকুকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রচুর খরচ হল আমার সব সেভিংস একসময় শেষ হয়ে গেল। তখন প্রতিনিয়ত সেবা করে চলেছি আমি কিছুতেই রাঙা কাকুকে হারাতে চাইনি। কিন্তু এই খরচ নিয়ে শুরু হল স্ত্রীর সাথে অশান্তি বোঝালাম এই মানুষটা আমার জন্য স্যাক্রিফাইস করতে করতে নিজের জীবনের শেষ বেলায়, আমাকে আমার দায়িত্ব পালন করতে দাও। কিন্তু সে কিছু বুঝতে চাইলো না বললো -"না হয় আমি থাকবো তোমার জীবনে, আর নাহয় রাঙা কাকু।"
শেষ বয়সে অসুস্থ মানুষটাকে ছেড়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না তাই রাঙা কাকুকেই্ বেছে নিলাম। বহু বোঝানোর পরেও বুঝলো না সে আমার পরিস্থিতি, ডিভোর্সটা হয়ে গেল আমাদের। রাঙা কাকু ভীষণ কষ্ট পেল এই বিচ্ছেদে কিন্তু আমার কিছুই করার ছিল না। আবার অসুস্থ রাঙা কাকুকে সুস্থ করতে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগলাম ঘাড়ে বড় মাপের লোনের বোঝা চাপলো। তাও আমি হাল ছাড়িনি নিজে প্রতিনিয়ত দেখাশোনা করেছি রাঙা কাকুর সাথে থেকেছি। কিন্তু তারপর বছর দুয়েক মাত্র বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি তাকে, সেও শেষে আমায় একা রেখে চলে গেছে। এখনও ঘুমের ঘোরে মনে হয় রাঙা কাকু বলছে -"ওঠ উঠে খেয়ে নে।" কখনো শুনি রাঙা কাকু বলছে -"জামা কাপড় গুলো বের করে দে কেচে দিই।" কিংবা -"মাংস এনেছি, ঝালঝাল করে রান্না কর দেখি।"

রাঙা কাকু চলে যাওয়ার পর চাকরি বাড়ি দুই ই ছেড়েছি আমি এখন আমার পিছুটান বিহীন এক জীবন। আমি জানি না জীবন আমাকে ঠিক কোথায় নিয়ে যাবে। জীবনে আমার অনেক না পাওয়া রয়ে গেছে কিন্তু শান্তি একটাই আমি শেষ নিঃশ্বাস অব্দি রাঙা কাকুকে ভালো রাখার জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে চেষ্টা করতে পেরেছি। এই মানুষটা না হলে আমি না পারতাম শিক্ষিত হতে আর না পারতাম নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে। আর একটু সুযোগ দিলে আমি তাকে আরও কিছুটা সাচ্ছন্দ্য দিতে পারতাম অন্তত। কিন্তু আমি একা হলেও মনে হয় রাঙা কাকু আমার সাথেই আছে ঠিক আগের মতো।

সমাপ্ত

ছবি : সৈকত

নিয়মিত লেখা পেতে পেজটি লাইক এবং ফলো করুন।

Srabonti Mistry

Address

Siliguri

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghorkonya with my twins posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category