Tuya ki duniya

Directions

Tuya ki duniya জীবনে যাই হয়ে যাক না কেন হাসতে কখনো ভুলো না 🫠❤️
stay happy & keep smiling 😊🥰
তোমরা কি আমার ছোট্ট পরিবারের সদস্য হবে ❣️❣️

18/10/2026
সমাজের চোখে যে বাড়ি প্রাসাদের মতো সুন্দর, সেই বাড়ির ভিতরে কী ঘটে, তা বাইরের মানুষ সবসময় জানতে পারে না। হাসিমুখের ছবির...
15/10/2026

সমাজের চোখে যে বাড়ি প্রাসাদের মতো সুন্দর, সেই বাড়ির ভিতরে কী ঘটে, তা বাইরের মানুষ সবসময় জানতে পারে না। হাসিমুখের ছবির পিছনে কত কান্না লুকিয়ে থাকে, সুন্দর সংসারের গল্পের পিছনে কত না বলা কথা থেকে যায়, তা শুধু সেই মানুষগুলোই জানে, যারা সেই জীবনটা প্রতিদিন বাঁচে।
তাই কোনো মেয়ের মৃত্যুকে তাড়াহুড়ো করে আত্মহত্যা বলে মেনে নেওয়াও ঠিক নয় !
প্রয়োজন সত্যের অনুসন্ধান, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় সব প্রমাণের সঠিক পরীক্ষা। কারণ বিচার যেন মানুষের পরিচয় দেখে না হয়, বাড়ির আকার দেখে না হয়, টাকার জোরে না হয়—বিচার হোক সত্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে।
একটা মেয়ের জীবনের মূল্য কোনো সম্পত্তির চেয়ে কম নয়, কোনো সামাজিক মর্যাদার চেয়ে ছোট নয়। তার মৃত্যুর পিছনে যদি অপরাধ থাকে, তবে সেই অপরাধের বিচার হতেই হবে। আর যদি অন্য কোনো সত্য থাকে, সেটাও সামনে আসতে হবে।
মেয়েটা তো শুধু একটা বাড়িতে বিয়ে করতে গিয়েছিল, নিজের জীবনটা হারিয়ে ফেলতে নয়। সে-ও হয়তো স্বপ্ন দেখেছিল—একটা সুন্দর সংসার হবে, পাশে একজন আপন মানুষ থাকবে, সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মতো একটা পরিবার থাকবে।

কিন্তু আজ সেই মানুষটাই নেই। রয়ে গেছে কিছু স্মৃতি, কিছু কান্না, আর অসংখ্য প্রশ্ন।

যদি সে আত্মহত্যা করে থাকে, তাহলে জানতে হবে কী তাকে সেই অসহায় অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল। আর যদি তার মৃত্যুর পিছনে অন্য কারও অপরাধ থেকে থাকে, তাহলে সেই সত্যও প্রকাশ্যে আসতে হবে।

আমরা প্রতিশোধ চাই না, আমরা মিথ্যা অপবাদ চাই না, আমরা চাই না নিরপরাধ কেউ শাস্তি পাক। আমরা চাই এমন একটা বিচার, যেখানে মৃত মেয়েটির নীরবতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার পরিবারের কান্নাকেও মর্যাদা দেওয়া হবে, আর সত্যকে কোনোভাবেই চাপা দেওয়া হবে না।

আজ সে নিজের হয়ে কথা বলতে পারবে না। তাই তার মৃত্যুর সত্য খুঁজে বের করা, তার পরিবারের ন্যায়বিচারের দাবি শোনা এবং ভবিষ্যতে অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটতে না দেওয়াই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

না, দামি পোশাক আর সাজগোজের মাধ্যমে আধুনিক হওয়া যায়না। তার জন্য প্রয়োজন সঠিক শিক্ষা বোধ আর চেতনা।

খবরের চ্যানেল থেকে জানলাম এই সুন্দর নিষ্পাপ মেয়েটি যাকে ৮ বছর সম্পর্কে থাকার পর বিয়ে করেছিলো সে নাকি বিয়েতে যৌতুক দিয়েছে। মানে তোমাকে বিয়ে করার জন্য তোমার বাবার থেকে আমি টাকা নেব।
তারপরেও আধুনিক মেয়েটি হাসতে হাসতে বিয়ে করেছে, জন্মদিনের রকমারি আলোকসজ্জার নিচে দাঁড়িয়ে ওই লোভী মানুষটা কে নিজের মানুষ বলেছে। 📌পোস্টে নিজের সিঁদুর দানের ছবি আটকে রেখেছে। বারবার গর্ব করে নিজের ভালোবাসা জাহির করেছে। আর অদ্ভুত ভাবে মেয়েটির বাবা লাল বাজারের পুলিশ। তিনিও হাসতে হাসতে পণ দিয়ে মেয়ের বিয়ে দিয়ে মেয়েকে সুখী দেখতে চেয়েছিলেন।
খুব স্পষ্ট করে প্রশ্ন করুন দোষটা কার? ছেলেটি?
আমি বলব না দোষটা আমাদের, আমরা যে মেয়েরা এখনো বুঝিনা ভালোবাসার চেয়ে আত্ম সম্মান বড়। টাকার চেয়ে মর্যাদা বড়। দেখনদারির চেয়ে ভালো মানুষটা জরুরি।
শুধু টাকার অংকে পণ না। মেয়েরা বিয়ের সময় হাসতে হাসতে বাবার বাড়ি থেকে সেগুন কাঠের খাট। দামি ফ্রিজ , সোকেশ , আলমারি, এসি , সোফা সহ লক্ষ লক্ষ টাকার সোনার গয়না শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যায়। তাদের একবারও মনেহয় না ঠিক কোন কারণে তাকে বিয়ে করার সঙ্গে সঙ্গে এই দামি আসবাব গুলো নেওয়া জরুরি। এই অসম্মান টুকু তাদের কাছে গর্ব বলে মনে হয়।

এখনো তারা বুক ফুলিয়ে জানায় তার বর বা শ্বশুর পছন্দ করে না তাই সে চাকরি করে না। অন্তত তাদের কে এটা বলার অধিকার সে দেয়।

না ! আমার ক্লান্ত লাগে। চারদিকে আত্মসম্মান হীন এই লাশের ভিড়ে। স্নেহারা অনেকদিন আগেই মারা গেছে শুধু শরীর টা ছিল। ওটাও গেলো।

মা বাবারা আপনারা যদি মেয়েকে ভালো দেখতে চান তাদের নামে অর্থ রাখুন , হাসতে হাসতে আসবাবের দোকানে গিয়ে যৌতুক দেবেন না। ওটা আমার সন্তান, কোন পচে যাওয়া কাঁচা মাল না।

দেবযানী। ভারতের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। বাংলাদেশেও অনেকে চেনে। প্রথম দিকে ওর ভিডিওগুলো দারুণ এনজয় করতাম। হাসতে পারতাম মন খুলে...
15/10/2026

দেবযানী। ভারতের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। বাংলাদেশেও অনেকে চেনে। প্রথম দিকে ওর ভিডিওগুলো দারুণ এনজয় করতাম। হাসতে পারতাম মন খুলে। অভিনয় দক্ষতা অসাধারণ।
সে ভিডিও বানাতো মূলত অর্থ কামানোর জন্য।
দেদারসে ডলার ঢোকা শুরু হলো, আর মেয়েটা অর্থের লোভে খেই হারিয়ে ফেললো। দিনকে দিন অশ্লীলতার মাত্রা ছাড়াচ্ছে। শারিরীক ভাষা, সেক্সুয়াল ইঙ্গিত ছাড়া যেন তার কাছে আর কোনো টপিকই নেই। এর বাইরে যেন আর কোনো যোগ্যতাই নেই।
এমন হয়ে গেছে।

দুটি কামনা বা লোভ মানুষকে আসলে নষ্ট করে দেয়।
১৷ অর্থের কামনা বা লোভ
২। শরীরের কামনা বা লোভ

অর্থ আর শরীরের লোভ ধর্ম খেয়ে ফেলে। সম্পর্ক খেয়ে ফেলে। চরিত্র খেয়ে ফেলে। মনুষ্যত্ব খেয়ে ফেলে।

অথচ অযাচিত অর্থ আর শারীরিক কামনা ছাড়াও জীবন সুন্দরভাবে চলতে পারে। চলেও।

©Nasir Khan

স্নেহা এই মিষ্টি মেয়েটা আজ আর পৃথিবীতে নেই ..যে জানোয়ারটাকে ভালোবেসে তার হাত থেকে বিশ্বাস করে সিঁদুর পরেছিলো ....সেই ত...
15/10/2026

স্নেহা এই মিষ্টি মেয়েটা আজ আর পৃথিবীতে নেই ..
যে জানোয়ারটাকে ভালোবেসে তার হাত থেকে বিশ্বাস করে সিঁদুর পরেছিলো ....

সেই তাকে ১০ লাখ টাকা 💸
bmw জন্য মেরে ফেলেছে

আমি কাল স্নেহার ফটোটা পোস্ট করেছিলাম
সেখানে বেশিরভাগ সব মেয়েরাই আমাকে বলেছে মেয়েদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই..... সব মেয়েরাই তো আর উপার্জন করে না ......

ফেসবুক জুড়ে স্নেহার খবর ছড়িয়ে পড়েছে
কাল রাত দশটার সময় আমার মা বাবার চোখে পড়ে বাবা আমাকে ফোন করে....

ফোন করে আমার বাবা আমাকে প্রশ্ন করে
আমি শ্বশুর বাড়িতে কেমন আছি আমি সত্যিই ভালো আছি তো?

আমাকে আমার বাবা বিয়ের সময় গা-ভর্তি গয়না ফার্নিচার এগুলো কিছুই দিতে পারেনি।
শ্বশুর বাড়ির লোকেরা এগুলো নিয়ে কথা না বললেও আশেপাশের লোকেরা কথা বলতে ছাড়েনি ...

আমার বিয়ে হয়েছে ২৩ শে জানুয়ারি এখনো এক বছর হয়নি....

তখন আমি আমার বাবাকে একটাই কথা বললাম যদি আমি ভালো নাও থাকি....

তোমরা তো বলবে না তোমাদের কাছে চলে আসতে। তোমরা তো বলবে মানিয়ে নিতে.... সেই তো বলবে ঝগড়া করে শ্বশুরবাড়ি ছাড়বি না নিজের জায়গা ছাড়বি না......

আমি তোমাদের বাড়িতে ফিরে গেলে সমাজে তোমরা মুখ দেখাতে পারবেনা .......পাড়ার লোকে তোমাদেরকে নিয়ে নিন্দা মন্দ করবে .....

মেয়ের একবার বিয়ে হয়ে গেলে পরে সেই মেয়েকে কি আর ঘরে তোলা যায় না?????

আজ এই মেয়েটা মারা গেছে বলে শুধু এই মেয়েটাকে নিয়ে বলা হচ্ছে তা কিন্তু না হাজার হাজার মেয়ে আছে তারা রোজ মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। শেষ পর্যন্ত তাদেরকেও স্নেহার মতো পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে।

মেয়েদেরকে বিয়েতে "কন্যা বিদায়ের" সময় সব মেয়ের
মা-বাবারা তা সে গরিব হোক বা বড়লোক
আমার মেয়েটাকে একটু দেখে রেখো.. ..
আমার মেয়েকে তোমাদের হাতে তুলে দিলাম ...

না বলে যদি এইটুকু বলার সাহস দেখায় । সর্বজন সমক্ষে যে দুজন দুজনার দোষ গুলো মার্জনা করে

যতদিন একসাথে থাকতে পারবে ....থাকবে...!!
আর যেদিন যে মুহূর্তে মনে হবে যে আমার মেয়েটার সাথে আর থাকা যাচ্ছে না
তার কোনরকম ক্ষতি না করে সোজা আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেবেন ....

তার জন্য আমাদের দরজা সর্বদা খোলা থাকবে
তোমাকে তার জন্য জবাবদিহিও করতে হবে না
কারণ সে তোমার কাছে একটা মেয়ে মানুষ মাত্র

আমার কাছে সে আমার পুরো পৃথিবী
আমি তোমাকে আমার মেয়ে দিচ্ছি কিন্তু আমার পৃথিবী অন্ধকার করার অধিকার কিন্তু দিচ্ছি না ......

এবং সেটা দুই বাড়ির লোকের উপস্থিতিই বলতে হবে

মেয়েটার বাবা নিজে পুলিশে চাকরি করে... সে ভালোমতোই জানে বিয়েতে যৌতুক চাওয়া অপরাধ
তারপরও সে সবকিছু মেনে নিয়ে তার মেয়ের বিয়ে দিয়েছে তার কারণ তার মেয়েকে সে হাসিখুশি দেখতে
চেয়েছিলো....

মেয়ে যখন শ্বশুরবাড়িতে মার খেয়ে অত্যাচারিত হয়েছে তখন মেয়েকে বুঝিয়ে পড়িয়ে আবার সেই শ্বশুরবাড়িতে ফেরত দিয়ে আসতো

তখন যদি সে তার মেয়েকে বলতো তোকে আর শ্বশুর বাড়িতে ফিরতে হবে না.... কে কি বললো তাতে আমার কিছু যায় আসে না তুই তো আমাদের কাছে থাকবি তোকে জীবন দিতে হবে না....

এখনো বেশিরভাগ সব মা বাবারাই একটাই কথা বলে, মানিয়ে এনে

তারা জানে বাবার বাড়িতে ফিরে গেলে একটাই কথা শুনতে হবে...... তারা সমাজে মুখ দেখাতে পারবেনা বাবা মা বলবে মানিয়ে নিতে এই জন্যই হাজার হাজার মেয়ে হারিয়ে যাচ্ছে।

Address

Dhaniakhali , Mahamaya, Hooghly
Srirampur
712302

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tuya ki duniya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share