vedic planet

vedic planet spiritual talk with Sanchita Biswas.

নমস্কার, Vedic planet এর দর্শকবৃন্দ! হিন্দু পুরাণের গভীরে লুকিয়ে আছে এমনই এক অলৌকিক উপাখ্যান, যেখানে এক ঋষির ক্রোধে স্ব...
09/11/2025

নমস্কার, Vedic planet এর দর্শকবৃন্দ! হিন্দু পুরাণের গভীরে লুকিয়ে আছে এমনই এক অলৌকিক উপাখ্যান, যেখানে এক ঋষির ক্রোধে স্বয়ং অগ্নিদেবকে 'সর্বগ্রাসী' হতে হয়েছিল। কে ছিলেন এই ঋষি? তাঁর স্ত্রীর সাথে কী ঘটেছিল? এবং কীভাবে জন্ম নিলেন তেজোদীপ্ত মহর্ষি চ্যবন? আজ আমরা জানব সেই রহস্যময় কাহিনী—মহর্ষি ভৃগু ও তাঁর পত্নী পুলোমার জীবন বৃত্তান্ত।
মহর্ষি ভৃগুর পরিচয়
ভৃগু ছিলেন ব্রহ্মার মানসপুত্র, সপ্তর্ষিদের অন্যতম এবং এক মহাতেজা ঋষি। তিনি মানবজাতিকে ধনুর্বেদ সহ বহু জ্ঞান দান করেন। তাঁর রচিত ভৃগু সংহিতা জ্যোতিষশাস্ত্রের ভিত্তি। সৃষ্টির কাজে তিনি ছিলেন ব্রহ্মার অন্যতম প্রধান সহায়ক। | চরিত্র পরিচিতি ও মহত্ত্ব স্থাপন। | পুলোমার পরিচয় ও বিবাহ
মহর্ষি ভৃগু বিবাহ করেন পরমা রূপবতী পুলোমা-কে। পুলোমার জন্ম ও বিবাহের কাহিনীতে লুকিয়ে আছে এক জটিলতা। একই নামে এক রাক্ষস ছিল, যে মনে মনে পুলোমাকে স্ত্রী রূপে বরণ করেছিল। পুলোমার পিতা প্রথমে এই রাক্ষসের সাথেই তাঁর মেয়ের বিবাহ স্থির করেন। কিন্তু ভাগ্যক্রমে, বা অন্য কোনো কারণে, তিনি পরে শাস্ত্রীয় আচার-অনুষ্ঠান সহকারে কন্যাকে মহাতেজা ঋষি ভৃগুর হাতে সমর্পণ করেন। এই বিধিসম্মত বিবাহে রাক্ষসের বুকে জন্ম নেয় তীব্র ক্ষোভ আর প্রতিশোধের আগুন।
সময় যায়, মহর্ষি-পত্নী পুলোমা তখন গর্ভবতী। একদিন ভৃগু আশ্রমের রক্ষক অগ্নি দেবের কাছে স্ত্রীকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব দিয়ে স্নানে যান। সেই সুযোগে, প্রতিহিংসাপরায়ণ রাক্ষস পুলোমা আশ্রমে প্রবেশ করে। সে অগ্নিদেবের সামনে গিয়ে এক মারাত্মক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়: "হে অগ্নি! তুমি সবকিছুর সাক্ষী। এই নারী আমাকে মনে মনে দেওয়া হয়েছিল। তুমিই বলো, ধর্মমতে ইনি কার স্ত্রী?" অগ্নি দেব পড়লেন মহা উভয়-সংকটে। মিথ্যা বললে পাপ, আর সত্য বললে ভৃগুর ক্রোধ। কিন্তু ধর্মকে প্রতিষ্ঠা করতে তিনি ধীর কন্ঠে উত্তর দেন: "যদিও রাক্ষস, তুমি প্রথমে এঁকে চেয়েছিলে। কিন্তু মন্ত্র, আচার আর পিতা কর্তৃক সমর্পণ – এই সমস্ত বিধি মেনে ইনি কেবলই মহর্ষি ভৃগুর ধর্মপত্নী।" | অগ্নিদেবের কথায় রাক্ষসটির ক্রোধ শতগুণ বেড়ে গেল। সে নিজের ভয়ঙ্কর রূপ ধরে গর্ভবতী পুলোমাকে বলপূর্বক তুলে নিয়ে পালাতে শুরু করল। এই হঠাৎ টানে এবং আতঙ্কে পুলোমার গর্ভস্থ শিশুটি তৎক্ষণাৎ ভূমিষ্ঠ হয়ে গেল। সে তো সামান্য শিশু নয়, সে ছিল মহর্ষি ভৃগুর তেজস্বী সন্তান! গর্ভ থেকে 'চ্যূত' (পড়ে যাওয়া) হওয়ার কারণে শিশুটির নাম হলো চ্যবন। সেই সদ্যোজাত চ্যবনের তেজ ছিল হাজার সূর্যের সমান। রাক্ষস পুলোমা সেই তেজ সহ্য করতে পারল না। চোখের পলকে সে পুড়ে ছাই হয়ে গেল! পুলোমা তখন নবজাতক পুত্রকে কোলে নিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে আশ্রমে ফিরলেন।
মহর্ষি ভৃগু ফিরে এসে সব শুনে ক্রোধে অগ্নিশর্মা। তিনি ভাবলেন, অগ্নি দেব রাক্ষসকে সত্য বলে সাহায্য না করলে এই ঘটনা ঘটত না। রাক্ষসের চেয়েও অগ্নিদেবই তাঁর স্ত্রীর কষ্টের কারণ! ক্রোধে অন্ধ হয়ে ভৃগু হাতে জল নিয়ে অগ্নি দেবকে দিলেন এক ভয়ঙ্কর অভিশাপ: "হে অগ্নি! যেহেতু তুমি আমার স্ত্রীর পরিচয় প্রকাশ করেছ, তাই আজ থেকে তুমি পবিত্র-অপবিত্র সকল বস্তুকে ভক্ষণ করবে। তুমি সর্বগ্রাসী (সর্বভুক্) হও এবং তোমার পবিত্রতা নষ্ট হোক!"
অভিশাপে অপমানিত এবং পবিত্রতা হারানোর আশঙ্কায় অগ্নিদেব প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হলেন। তিনি যজ্ঞের কাজ ছেড়ে অজ্ঞাতবাসে চলে গেলেন। পৃথিবীতে সব যজ্ঞের আগুন নিভে গেল, দেবতারা আহুতি থেকে বঞ্চিত হলেন। সমস্ত সৃষ্টির কাজ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো। দেবতারা তখন গেলেন সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার কাছে। ব্রহ্মা অগ্নিদেবকে শান্ত করে বললেন: "তুমি পবিত্র! ভৃগুর অভিশাপের ফল প্রশমিত হবে। তোমার গুহ্য শিখা (শরীরের নিম্ন অংশ) সর্বভুক হবে, কিন্তু মুখে যে আহুতি দেওয়া হবে, তা সর্বদা পবিত্র থাকবে এবং দেবতারা তা গ্রহণ করবেন। তোমার পবিত্রতা অক্ষুণ্ণ রইল।" এইভাবেই মহর্ষি ভৃগুর অভিশাপের মধ্যেও অগ্নিদেবকে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ স্থান ফিরে পেতে হলো। | অভিশাপের ভয়াবহ ফল এবং ব্রহ্মার প্রজ্ঞাপূর্ণ সমাধান। |
এই কাহিনী আমাদের শেখায় যে, সত্য সবসময় জয়ী হয় (যেমন চ্যবনের তেজে রাক্ষস ধ্বংস হলো), কিন্তু ক্রোধ বা রাগের বশে দেওয়া অভিশাপ (যেমন ভৃগুর অভিশাপ) অনেক সময় সমাজে বিপর্যয় ডেকে আনে। চ্যবন মুনি পরে মহাঋষি হয়েছিলেন এবং তাঁর বংশধরগণও যুগে যুগে বিখ্যাত হয়েছেন। আর মহর্ষি ভৃগু? তিনি কেবল এই ঘটনার জন্যই নন, বিষ্ণুর বক্ষে পদাঘাত-এর মতো আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার জন্য স্মরণীয় হয়ে আছেন। আজকের পর্ব কেমন লাগলো, অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ভিডিওটি ভালো লাগলে একটি লাইক দিন এবং এমন পৌরাণিক কাহিনী শুনতে Vedic planet চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। আগামী পর্বে আমরা মহর্ষি ভৃগুর 'বিষ্ণুর বক্ষে পদাঘাত'-এর সেই বিখ্যাত কাহিনী নিয়ে আসছি। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন এবং জয় শ্রী কৃষ্ণ! |

নমস্কার, প্রনাম, স্বাগত জানাই আপনাদের Vedic planet-এর আজকের নতুন আধ্যাত্মিক কাহিনীতে।আজ আমরা শুনবো মহাভারতের এক আশ্চর্য ...
06/11/2025

নমস্কার, প্রনাম, স্বাগত জানাই আপনাদের Vedic planet-এর আজকের নতুন আধ্যাত্মিক কাহিনীতে।আজ আমরা শুনবো মহাভারতের এক আশ্চর্য ভবিষ্যৎবাণী।

যেখানে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পাঁচ পাণ্ডবকে দেখিয়েছিলেন কলিযুগের সত্য রূপ। যা ভবিষ্যতের কলিযুগের প্রতিচ্ছবি।

এই গল্পটি শুধু ধর্মের নয়, মানবজীবনের প্রতিটি দিককে স্পর্শ করে —
রাজনীতি, সমাজ, পরিবার, ধর্ম, ন্যায় ও আধ্যাত্মের প্রতিফলন রয়েছে এই এক কাহিনীতে।

সময়টা তখন, যখন পাঁচ পাণ্ডব বনবাসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
যাত্রার আগে তাঁরা শ্রীকৃষ্ণের কাছে গেলেন।

যুধিষ্ঠির বিনীতভাবে বললেন —

“হে মাধব, এখন পৃথিবীতে পাপের শেষ সময় চলছে। বলুন, ভবিষ্যতের কলিযুগ কেমন হবে?”

শ্রীকৃষ্ণ মৃদু হেসে বললেন —

“তার সরাসরি উত্তর দেওয়া কঠিন, ধর্মরাজ।
তোমরা পাঁচ ভাই বনে যাও, এবং যা কিছু দেখবে, তা এসে আমায় বলো।
আমি বলব, সেই দৃশ্যগুলোর অর্থ কী।”

এর পরে, পাঁচ ভাই বনে চলে গেলেন। বনে তাঁরা যা দেখলেন, তা দেখে আশ্চর্যচকিত হয়ে গেলেন।
আসল কথা হলো, তাঁরা বনে কী দেখলেন, আর শ্রীকৃষ্ণই বা কী উত্তর দিলেন? জানতে হলে এই video টি শেষ পর্যন্ত অবশ্যই দেখুন।
নমস্কার বন্ধুরা, আরও একবার আপনাদের স্বাগত জানাই Vedic planet youtube channel এ ।এই চ্যানেলটিতে সহজ বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ধরনের হিন্দু শাস্ত্র বিস্তারিত আলোচনা করা হয় । আপনারা যাঁরা এই শাস্ত্র গুলি সম্মন্ধে জানতে চান কিন্তু পড়ার সময় পান না তাঁরা এই চ্যানেলের video গুলি দেখতে পারেন।

তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক কলিযুগের সম্মন্ধে শ্রীকৃষ্ণ ঠিক কি ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন।

শ্রী কৃষ্ণ যখন পাণ্ডবদের বললেন, যদি জানতে চাও, তোমরা বনে যাও। যা দেখবে, ফিরে এসে আমায় বলো।’”তখন শ্রীকৃষ্ণের নির্দেশে পাণ্ডবরা পাঁচ ভাই পাঁচ দিকের বনে যাত্রা করলেন।

এবং প্রতিজন এমন কিছু দেখলেন, যা সাধারণ নয় — বরং একেকটি দর্শন ভবিষ্যতের প্রতীক।

যুধিষ্ঠির
যুধিষ্ঠির চলছিলেন নীরবে বনের পথে।
হঠাৎ তিনি দেখলেন — এক বিশাল হাতি, যার দুটি শুঁড়!
দেখে বিস্মিত হলেন ধর্মরাজ।
“এ কেমন সৃষ্টি?” — ভাবলেন তিনি।

ভীম

ভীম চলেছেন বনের পথে, চলতে চলতে দেখলেন — এক গাভী তার বাছুরকে জন্ম দিয়েছে।
ভালোবেসে সে তাকে চাটছে, চেটেই চলেছে।এমনকি বাছুরটির শরীর রক্তাক্ত হয়ে যাচ্ছে তবুও ছাড়ছে না । ভীম অবাক হয়ে গেলেন।

অর্জুন

অর্জুন জঙ্গলের অন্যপ্রান্তে গিয়েছিলেন।
তিনি দেখলেন — এক বিশাল পাখি, যার ডানায় লেখা বেদের মন্ত্র।
কিন্তু সেই পাখিই মৃত পশুর মাংস খাচ্ছে!অর্জুন স্তম্ভিত। ফিরে এলেন কৃষ্ণের কাছে ।

সহদেব
সহদেব এক গভীর বনে গিয়ে দেখলেন —
ছয়-সাতটি কুয়ো জলে ভরা,
কিন্তু মাঝের সবচেয়ে গভীর কুয়োটি একেবারে খালি! অবাক হয়ে তিনি ফিরে এলেন কৃষ্ণের কাছে।

নকুল
নকুল পাহাড়ি পথে চলতে চলতে দেখলেন —
এক বিশাল চাট্টান পাহাড় থেকে গড়িয়ে নামছে।
বড় বড় গাছ, পাথর সব তাকে আটকাতে পারলো না।
কিন্তু শেষে এক ছোট্ট গাছের ছোঁয়াতেই থেমে গেল চাট্টানটি।তিনি অবাক হয়ে ফিরে এলেন কৃষ্ণের সামনে ।

পাণ্ডবেরা ফিরে এসে কৃষ্ণের সামনে বসলেন।

তখন শ্রী কৃষ্ণ তাঁদের জিজ্ঞাসা করলেন এবার বলো কে কি দেখে এলে বনের ভেতর।
তখন সবাই এক এক করে শ্রী কৃষ্ণ কে বলতে লাগলেন
যুধিষ্ঠির বললেন:
“প্রভু, আমি এক দুই শুঁড়ওয়ালা হাতি দেখেছি। এর অর্থ কী?”
শ্রীকৃষ্ণের উত্তর:
“ধর্মরাজ, কলিযুগে এমন শাসক ও রাজারা আসবেন,যারা উভয় দিক থেকেই শোষণ করবে।
বলবে এক, করবে আরেক। মুখে ধর্ম, মনে অধর্ম।

তাদের রাজত্বেই মানুষের বিবেক হারাবে।

তাই, কলিযুগ আসার আগে তোমরা ন্যায়ের শাসন করো।”

তারপর ভীম বললেন,"প্রভু আমি দেখলাম বোনের মধ্যে একটি গাভী তার শিশুকে চাটতে চাটতে গা থেকে রক্ত বের করে দিচ্ছে তবু ছাড়ছে না"

প্রভু, মা তো সন্তানের ক্ষতি করতে পারে না! এ কেমন ভালোবাসা?”

শ্রীকৃষ্ণ গম্ভীর কণ্ঠে বললেন
“ভীম, কলিযুগে মা-বাবার মায়া এমন হবে,
যে তারা সন্তানকে নিজের স্বপ্নে বেঁধে ফেলবে।
তাদের নিজের বিকাশ, নিজের মুক্তির সুযোগ থাকবে না।
যে পুত্র সাধু হবে, সমাজ তার দর্শন করবে,
কিন্তু নিজের ছেলে যদি ত্যাগী হতে চায়,
তখন তারা কাঁদবে — ‘আমার ছেলের কী হবে!’
এমনই হবে মায়ার জাল, যা পরিবারকে গ্রাস করবে।”
অর্জুন বললেন "হে পার্থ , আমি এক বিশাল পাখি দেখলাম। যার ডানায় বেদের মন্ত্র লেখা আছে কিন্তু সে মৃত পশুর মাংস ভক্ষণ করছে। এর অর্থ কি?

শ্রীকৃষ্ণ বললেন অর্জুন

“কলিযুগে এমন পণ্ডিত জন্ম নেবে,
যারা জ্ঞানের কথা বলবে, কিন্তু কাজে হবে রাক্ষস।
তারা মুখে ধর্মচর্চা করবে, কিন্তু মনে লোভ,সম্পদ ও পদমর্যাদার নেশায় অন্ধ হবে।বেদের কথা মুখে থাকবে, কিন্তু হৃদয়ে কলুষ।”কলিযুগে জ্ঞানীরা মুখে ধর্মকথা বলবে,কিন্তু মনে থাকবে লোভ, অহংকার ও প্রতারণা। বেদের আলো ব্যবহার হবে খ্যাতির জন্য, মুক্তির জন্য নয়।”

তখন সহদেব বললেন
“প্রভু, আমি এক জায়গায় দেখলাম আশেপাশে জল আছে, অথচ মাঝের সবচেয়ে গভীর কুয়োটি শুকনো। এরকম হল কেন?”

শ্রীকৃষ্ণ বললেন

“সহদেব, কলিযুগে মানুষের হৃদয় এমনই হবে।
চারপাশে ঐশ্বর্য, আনন্দ, উৎসব, কিন্তু মাঝখানে শূন্যতা।
তারা বিয়েতে লাখ টাকা খরচ করবে,
কিন্তু পাশের ক্ষুধার্ত মানুষটির মুখে একমুঠো অন্ন দেবে না।
জল থাকবে, তবু তৃষ্ণা মিটবে না — এটাই কলিযুগের চিত্র।

তারপর নকুল বললেন
আমি পাহাড়ি পথে চলতে চলতে দেখলাম—
এক বিশাল চাট্টান পাহাড় থেকে গড়িয়ে নামছে।
বড় বড় গাছ, পাথর সব তাকে আটকাতে পারলো না।কিন্তু শেষে এক ছোট্ট গাছের ছোঁয়াতেই থেমে গেল চাট্টানটি।

তিনি অবাক হয়ে কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করলেন —

“প্রভু, এত শক্ত জিনিস থামাতে পারলো না,অথচ ছোট্ট গাছের ছোঁয়াতেই তা থেমে গেল কেন?”

শ্রীকৃষ্ণ মৃদু হেসে বললেন:

“নকুল, কলিযুগে মানুষের জীবন পতনের দিকে গড়াবে।
ধন বা ক্ষমতা তাকে রক্ষা করতে পারবে না।
কিন্তু, ‘হরিনাম’ — ঈশ্বরস্মরণ, ভক্তি —
এই ছোট্ট গাছই তার পতনের পথ থামাবে।
তাই বলছি, হরিনামই হবে মুক্তির পথ।”

এইভাবেই পাঁচ ভাইয়ের দেখা পাঁচটি দর্শনের ব্যাখ্যা করলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।
এ যেন এক আয়না — যেখানে কলিযুগের মানবতার ছবি স্পষ্ট দেখা যায়।
আজও আমরা সেই যুগেই বাস করছি…যেখানে সত্য লুকিয়ে থাকে মায়ার আড়ালে,
যেখানে লোভ, মায়া, এবং ভণ্ডতা ছড়িয়ে আছে,
কিন্তু মুক্তির পথ আজও একই — “হরিনাম, প্রেম ও ভক্তি।”

“হে মানব, তোমার মুক্তি ধন বা জ্ঞানে নয়,বরং প্রেমে, করুণায় ও ঈশ্বরস্মরণে।”

প্রিয় দর্শক, যদি এই কাহিনী আপনাদের ভালো লেগে থাকে,তবে লাইক করুন, কমেন্টে জানান —
কলিযুগের এই শিক্ষা নিয়ে আপনার মতামত কী?
আর অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করুন Vedic planet চ্যানেলটি।

ইউটিউব চ্যানেলের লিংক পেজে পেয়ে যাবেন।

পুনরায় দেখা হবে এক নতুন আধ্যাত্মিক কাহিনীতে।

ততক্ষণ পর্যন্ত, হরিনাম স্মরণে থাকুন, শান্তিতে থাকুন।

🙏 জয় শ্রীকৃষ্ণ 🙏

আজকের সংগ্রাম, আগামীর সাফল্যের গল্প. 💪🏽💫🎉
04/08/2025

আজকের সংগ্রাম, আগামীর সাফল্যের গল্প. 💪🏽💫🎉

এক কাঠুরিয়া প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পাহাড়ে কাঠ কাটতে যেত। তার কুঠার ছিল বেশ ধারালো, তাই সে দ্রুত অনেক কাঠ কাটতে পারত। এই...
03/08/2025

এক কাঠুরিয়া প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পাহাড়ে কাঠ কাটতে যেত। তার কুঠার ছিল বেশ ধারালো, তাই সে দ্রুত অনেক কাঠ কাটতে পারত। এই কাজের জন্য তার সুনামও ছিল।
পাশের গ্রামের আরেকজন কাঠুরিয়া সেই পাহাড়েই কাঠ কাটতে আসত। সে দেখল, প্রথম কাঠুরিয়াটি প্রতিদিন তার চেয়ে অনেক বেশি কাঠ কাটছে। সে ভাবল, "নিশ্চয়ই ওর কুঠারটা আমার চেয়ে বেশি ধারালো।"
একদিন সে প্রথম কাঠুরিয়ার কাছে গিয়ে বলল, "ভাই, তোমার কুঠারটা কি খুব ধারালো? তুমি তো আমার চেয়ে অনেক বেশি কাঠ কাটো।"
প্রথম কাঠুরিয়াটি হাসল এবং বলল, "আসলে আমি প্রতিদিন কাঠ কাটার আগে আমার কুঠারটা ভালো করে ধার দিয়ে নিই। এতে হয়তো প্রথমে একটু সময় যায়, কিন্তু তারপর আমি অনেক দ্রুত আর সহজে কাজটা করতে পারি।"

এই গল্পের সারমর্ম হলো, জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য শুধু কঠোর পরিশ্রমই যথেষ্ট নয়, নিজের দক্ষতাকে শান দেওয়াও জরুরি। প্রতিদিন একটু সময় বের করে নিজের জ্ঞান বা দক্ষতা বাড়ালে ভবিষ্যতে অনেক দ্রুত এবং সহজে সফলতা অর্জন করা যায়।

ভাগবত পাঠ শ্রবণ করুন। সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখার জন্য লিংকে ক্লিক করুন।       https://youtu.be/xB5Sle9WeU0
01/07/2025

ভাগবত পাঠ শ্রবণ করুন। সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখার জন্য লিংকে ক্লিক করুন।
https://youtu.be/xB5Sle9WeU0

দুঃখ কাকে বলে তা প্রায় সবই পেয়েছিলেন কবিগুরু এক জীবনে । স্ত্রী মারা গেলেন কবির ৪১ বছর বয়সে। কবির ছিল তিন মেয়ে দুই ছে...
31/05/2025

দুঃখ কাকে বলে তা প্রায় সবই পেয়েছিলেন কবিগুরু এক জীবনে । স্ত্রী মারা গেলেন কবির ৪১ বছর বয়সে। কবির ছিল তিন মেয়ে দুই ছেলে। রথীন্দ্রনাথ,শমীন্দ্রনাথ, বেলা,রানী, অতসী। স্ত্রীর পর অসুস্থ হয়ে মারা গেল রানী । এরপর ছোট ছেলে শমী কলেরায় মারা গেল। পুত্র শোকে কবি লিখলেন “আজ জোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে।”কবির মনে হল এই জ্যোৎস্না রাতে বনে গেলে তার চলবে না। বরং তাকে জেগে থাকতে হবে যদি বাবার কথা মনে পড়ে শমীর। যদি সে ফিরে এসে বাবাকে দেখতে না পায়। তাই কবি লিখলেন “আমারে যে জাগতে হবে, কি জানি সে আসবে কবে, যদি আমায় পড়ে তাহার মনে”।। রানীর জামাই কে পাঠিয়েছিলেন বিলেতে ডাক্তারি পড়তে কিন্তু তিনি না পড়েই ফিরে আসেন। বড় মেয়ের জামাইকে পাঠিয়েছিলেন বিলেতে ব্যারিস্টারি পড়তে। তিনিও না পড়েই ফিরে আসেন। ছোট মেয়ের জামাই কেউ পাঠিয়েছিলেন আমেরিকার কৃষিবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করতে। লোভী জামাই কবিকে বারবার টাকা চেয়ে চিঠি দিতেন। কবি লিখলেন “জমিদারি থেকে যে টাকা পাই সবটাই তোমাকে পাঠাই”। দেশে ফেরার কিছুদিন পর ছোট মেয়েটাও মারা গেল। সবচাইতে কষ্টের মৃত্যু হয় বড় মেয়ের। বড় জামাই বিলেত থেকে ফেরার পর ছোট জামাইয়ের সাথে ঝগড়া করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। মেয়ে বেলা হয়ে পড়েন অসুস্থ। অসুস্থ মেয়েকে দেখতে কবিগুরু প্রতিদিন গাড়ি করে মেয়ের বাড়ি যেতেন। তখন কবিকে যতরকম ভাবে অপমান করা যায় বড় জামাই তা করতেন। কবির সামনেই টেবিলে পা তুলে বসে সিগারেট খেতেন। তবুও কবি প্রতিদিনই মেয়েকে দেখতে যেতেন। একদিন কবি যাচ্ছেন মাঝপথে শুনলেন বেলা মারা গেছে। কবি শেষ দেখা দেখতে আর গেলেন না, মাঝপথ থেকেই ফিরে এলেন বাড়ি। হৈমন্তীর গল্প যেন কবির মেয়েরই গল্প। এই শোক কতটা গভীর ছিল তা কবির কলম থেকে বের হল। তিনি লিখলেন “আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহ দহন লাগে, তবু শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।।” কবির মৃত্যু হল অতিমাত্রায় কষ্ট সহ্য করে। প্রস্রাবের প্রদাহে। কি কারনে যেন কবি বড় ছেলে রথীন্দ্রনাথের কাছ থেকে শেষ বিদায়টাও পাননি। দূর সম্পর্কের এক নাতনি ছিল কবির শেষ বিদায়ের ক্ষণে। কবি জমিদার ছিলেন সেই গল্প সকলেই জানে। কিন্তু কবির জীবনের এই দুঃখের কথা ক’জন জানেন ? প্রথম যৌবনে যে গান লিখলেন এটাই যেন কবির শেষ জীবনের সত্যি হয়ে গেল। “আমিই শুধু রইনু
বাকি। যা ছিল তা গেল চলে, রইল যা তা কেবল ফাঁকি”।।

লেখা : সংগৃহীত

Good evening friends
22/03/2025

Good evening friends

Address

Sanchita Biswas, Purba Medinipur
Tamluk
PINCODE-721636

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when vedic planet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share