17/05/2026
প্রধানের বাড়িতে ভাঙচুর: উত্তপ্ত আমতার কাশমলি, রাজনৈতিক তরজায় তৃণমূল-বিজেপি।
নিজস্ব প্রতিনিধি: হাওড়া: ১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ এবং আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল আমতার কাশমলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। রবিবার দুপুরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা চড়াও হন স্থানীয় তৃণমূল প্রধানের বাড়িতে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি বাড়ির গ্রিলে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে আমতা থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
স্থানীয় ও জয়পুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর নাগাদ কাশমলি পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় ১০০ জন বাসিন্দা একজোট হয়ে প্রধানের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেই সময় বাড়িতে প্রধান বা তাঁর পরিবারের কেউ ছিলেন না। প্রধানকে না পেয়ে আচমকাই উত্তেজিত জনতা বাড়ির ওপর চড়াও হয়। বাইরে থেকে শুরু হয় অবাধে ইটবৃষ্টি। বাড়ির জানলার কাঁচ এবং এসি মেশিন ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা বাড়ির মূল গ্রিলে তালা মেরে দেয়।
বিক্ষোভকারীদের পক্ষে মালতি দাস নামে এক গ্রামবাসী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, "আমাদের ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড জোর করে কেড়ে নিয়ে নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন প্রধান। টাকা ঢুকলে নিজের ইচ্ছেমতো আমাদের যৎসামান্য দিয়ে বাকিটা আত্মসাৎ করেন। এখানেই শেষ নয়, আবাস যোজনার ঘরের জন্য গরিব মানুষের থেকে আগে ১৫ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়া হয়েছে। এরপর সেই ঘরের ছাদ ঢালাই বা বাড়তি কাজ করতে গেলে প্রধানের অনুগামীরা এসে আরও ১৫ হাজার টাকা দাবি করত। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়াতেই আমরা আজ একজোট হয়েছি"।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত তৃণমূল প্রধান বেপাত্তা। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়েছে।| স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, "তৃণমূলের দুর্নীতি এখন পঞ্চায়েত স্তর থেকে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গিয়েছে। কাটমানি আর গরিবের হকের টাকা চুরি করাই এদের একমাত্র কাজ। কাশমলি পঞ্চায়েতের প্রধান যা করেছেন, তা হিমশৈলের চূড়ামাত্র। গ্রামবাসীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভ প্রমাণ করে যে মানুষ আর এই অত্যাচার সহ্য করবেন না। আমরা অবিলম্বে এই চোর প্রধানের গ্রেফতারি এবং চুরির টাকা ফেরতের দাবি জ