Biswa Bangla Tv

  • Home
  • Biswa Bangla Tv

Biswa Bangla Tv BISWA BANGLA TV - The Bengali news and infotainment channel

23/12/2025

Chirstmas মেলা, কী বলছেন পৌরমাতা কাকলি সেন

17/12/2025

যুবভারতীতে প্রবেশের মুহূর্তে যা বললেন শুভেন্দু

17/12/2025
16/12/2025

মেসি কাণ্ডে মুখ খুললেন অভিষেক

♦ কলকাতার যাদবপুরের একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে„ ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জন্ম হয়েছিল একটা মেয়ের।নাম— রিধিমা সেন।♦ বাবা ছিলেন যাদবপুর ইউ...
15/12/2025

♦ কলকাতার যাদবপুরের একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে„ ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জন্ম হয়েছিল একটা মেয়ের।
নাম— রিধিমা সেন।
♦ বাবা ছিলেন যাদবপুর ইউনিভার্সিটির প্রফেসার, মা ডাক্তার। রিধিমা ছোটবেলা থেকেই ছিল অদ্ভুত শান্ত, কিন্তু চোখ দুটো যেন সব পড়ে ফেলত।
♦ ১৯৯৮ সালে সে প্রেসিডেন্সি থেকে ফিজিক্সে গোল্ড মেডেল নিয়ে বেরোল। তারপর সোজা RAW-এর সাইবার অ্যান্ড সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স উইং-এ।
♦ ২০০৪ সাল। তাকে দেওয়া হল কোডনেম “স্নো ফক্স।”
♦ মিশন: পাকিস্তানের আইএসআই-এর সিকিওর সার্ভারে ঢুকে„ তাদের সমস্ত কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেম হ্যাক করা।
♦ লক্ষ্য ছিল— ২০০৫–২০০৮ সালের মধ্যে ভারতে যত বড় টেরর অ্যাটাক হবে, সব আগে থেকে জেনে বন্ধ করে দেওয়া।
♦ রিধিমা কখনো পাকিস্তানে যায়নি। সে কলকাতার একটা ছোট্ট রুম থেকে কাজ করত। তার সামনে ৬টা মনিটর।
♦ সে একাই লিখেছিল একটা জিরো-ডে এক্সপ্লয়ইট কোড—
নাম “কালী-৯।”
♦ এই কোড দিয়ে সে আইএসআই-এর মেইন সার্ভারে ঢুকে
তাদের সমস্ত এনক্রিপ্টেড চ্যাট, ফাইল, আর ভিডিও কল
রিয়েল-টাইমে দেখতে পেত।
♦ ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর— দিল্লিতে সিরিয়াল ব্লাস্ট হওয়ার কথা ছিল। রিধিমা ৪৮ ঘণ্টা আগে পুরো প্ল্যান হ্যাক করে ফেলে। দিল্লি পুলিশকে সঠিক জায়গা আর সময় জানিয়ে দেওয়া হয়। বো'মা তিন জায়গায় পাওয়া যায়— ব্লাস্ট বন্ধ।
♦ ২০০৬-এ মুম্বাই ট্রেন ব্লাস্ট, ২০০৮-এর আহমেদাবাদ, জয়পুর— প্রতিটা অ্যা'টাক আগে থেকে জেনে বন্ধ করা হয়েছে তার হ্যাকিং-এর জন্য।
♦ কিন্তু ২০০৮ সালের নভেম্বরে„ আইএসআই বুঝে যায় কেউ তাদের সিস্টেমে ঢুকেছে। তারা একটা নতুন এনক্রিপশন লেয়ার চালু করল।
♦ রিধিমা সেটা ভাঙতে গিয়ে„ নিজের আইপি হাইড করতে ভুলে গেল একবার। আইএসআই-এর সাইবার উইং ট্রেস করল— সিগন্যাল কলকাতা থেকে আসছে।
♦ ২০০৮-এর ১০ ডিসেম্বর রাত ২:১৭। যাদবপুরের ফ্ল্যাটে দরজায় ধাক্কা। লস্কর-ই-তৈয়বার তিনজন ঢুকল।
♦ রিধিমা ততক্ষণে হার্ড ড্রাইভ ফর্ম্যাট করে ফেলেছে।
তার হাতে একটা ছোট্ট পেনড্রাইভ— যেটাতে আইএসআই-এর পুরো সিক্রেট আর তার নিজের লেখা কোড।
♦ সে হাসল। তারপর পেনড্রাইভটা গিলে ফেলল।
তারপর নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে দিল।
♦ তিনজন দৌড়ে পালাল। পুলিশ এসে শুধু তার লাশ পেল। টেবিলে একটা চিরকুট— আমি যা করেছি, তা যথেষ্ট।
কালী-৯ যেন চালিয়ে যায়।
♦ তার মৃ'ত্যুর পর RAW জানতে পারল— রিধিমা একাই ১১টা বড় টেরর অ্যা'টাক বন্ধ করেছে। ৫০০০-এর বেশি প্রাণ বেঁ'চেছে।
♦ তার লেখা কোড “কালী-৯” আজও RAW ব্যবহার করে।
কিন্তু তার নাম কখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
♦ শুধু RAW-এর দিল্লি হেডকোয়ার্টারে„ একটা ছোট্ট প্ল্যাক আছে— স্নো ফক্স — যে অদৃশ্য হয়ে দেশকে বাঁচিয়েছিল।”
♦ রিধিমা সেন— যাদবপুরের মেয়ে, যে নিজের জীবন দিয়ে হাজার হাজার মায়ের কোল বাঁ'চিয়েছিল।
♦ সোর্স:
১/ The Telegraph India (2024) – “The girl who stopped 11 terror attacks from a Kolkata flat”
২/ India Today – “Snow Fox: The Bengali hacker who saved thousands”
৩/ The Quint – “The woman behind Kali-9 cyber weapon”

ছবি: প্রতীকী
ক্রেডিট: Bangla Tweet


#গল্প


14/12/2025

মেসি কে দেখতে না পেয়ে

একটা সময় সোনাগাছিতে গেলেই নাকি প্রশ্ন করা হতো ‘খাটে না চটে?’ খদ্দের ‘খাট’ চান নাকি ‘চট’ সেই বুঝে তারপর শুরু হতো দরদাম -...
09/12/2025

একটা সময় সোনাগাছিতে গেলেই নাকি প্রশ্ন করা হতো ‘খাটে না চটে?’ খদ্দের ‘খাট’ চান নাকি ‘চট’ সেই বুঝে তারপর শুরু হতো দরদাম - ১০০ থেকে ১০০০০, ফুর্তি যত বাড়ে, রেটও বাড়তে থাকে ধাপে ধাপে।

সোনাগাছি - বাংলা ভাষায় প্রায় নিষিদ্ধ একটি শব্দের মত উচ্চারিত হয় এই নাম। এটি এখন আর কোনো স্থানের নাম নয়, সোনাগাছি এখন যৌনতার এক পরিবর্তিত শব্দ। বড়রা ছোটদের সামনে এই শব্দ উচ্চারণ করে না। রবীন্দ্র সরণী বা চিত্তরঞ্জন এভিনিউ রোড দিয়ে ছুটে যাওয়া বাসের জানলায় বসে থাকা প্রত্যেকটি মানুষ যতটা পারে চোখ দিয়ে ভিজিয়ে নেয় এই স্থানের স্বাদ। এখানে যৌনতা বিক্রি হয়। সুলভে। খুবই কম টাকায়। কম সময়ে।

ছোট্ট একটা খুপড়ির মত ঘরে যৌনতা বিক্রি করে এখানকার মহিলারা। একটা বিছানা, একটা টুল আর জলের বোতল ছাড়া সে ঘরে আর কিছুই নেই বললে চলে। কপাল করে কেউ কেউ টিভি নিতে পারে ঘরে, অথবা সস্তার মিউজিক সিস্টেম। বেশীর ভাগ ঘরেই জানলা নেই। যেকটা ঘরে আছে সেই সব ঘরের জানলা বলতে গেলেই বন্ধ। গুমোট, বীর্যের নোংরা গন্ধে ভরা বাসি চাদরেই সেরে নিতে হয় চাহিদার ক্ষিদে।

সোনাগাছি নিয়ে নানান মিথ ছড়িয়ে রয়েছে ইতিহাসের পাতায়। আজ এইখানে আলোচনা করব সোনাগাছির কিছু অজানা তথ্য নিয়ে যা হয়ত আপনি আগে কখনও শোনেন নি। আপনার যদি পুরোনো ইতিহাস, অজানা গল্প শুনতে ভালো লাগে। তাহলে আপনার অবশ্যই জানা উচিত কলকাতার এই নিষিদ্ধ পল্লী সোনাগাছির অজানা তথ্য।

সোনাগাছির পথ চলা প্রথম শুরু হয়েছিল বোধহয় উনিশ শতকেই। গোটা ভারতকেই তখন আস্তে আস্তে দখল করার পথে এগোচ্ছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। কলকাতা তখন ব্রিটিশরাজের নয়া রাজধানী। নতুন রাজ্য শাসন করার জন্য ইংল্যান্ড থেকে এসেছেন একদল তরুণ যুবা। তাদের বয়স কম, শরীরে তরুণ রক্ত। নতুন দেশে এসে তার জৌলুস দেখে তাঁদের তো চক্ষু চড়কগাছ। দেদার ধনদৌলতে শিগগিরই তাদের পকেট ভরে উঠতে লাগল। ফুর্তিতে মন দিলেন তাঁরা। বিবি-বাচ্ছা সবই তো এদিকে ইংল্যান্ডে। কী করবেন? অগত্যা এদেশী কালা নেটিভদের বিধবা মেয়েগুলোকে ধরে ধরে আনতে লাগলেন সোনাগাছিতে (তখনও অবশ্য সোনাগাছি ‘সোনাগাছি’ হয়নি)। কলকাতা শহরে বেশ্যাবৃত্তির বোধহয় সেই শুরু। কেউ কেউ বলেন অবশ্য ওই যে পূবে কর্ণওইয়ালিস স্ট্রিট ও পশ্চিমে চিতপুর, তার মধ্যিখানের গোটা জায়গাটা নিয়ে যে বেশ্যাদের উপনিবেশ গড়ে উঠেছিল, সেই জায়গাটা কিন্তু আদতে নাকি ছিল প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের।

কলকাতা শহরের বিখ্যাত বড়োলোক ‘বাবু’দের মধ্যে তিনি একজন। তাঁর ও স্থানীয় কয়েকজন ধনী জমিদার ‘বাবু’র উদ্যোগেই নাকি শুরু হয়েছিল সোনাগাছির ব্যবসা। সানাউল্লাহ নামে এক মুসলমান সাধুবাবার নামে তারপর একসময় জায়গাটার নাম হয় ‘সোনাগাছি’ ও সেই নামেই আস্তে আস্তে সোনাগাছি ‘সোনাগাছি’ হয়ে ওঠে। সেকালের বাবুদের বারবনিতা-বিলাস নাকি ছিল রীতিমতো একটা ব্যাপার। তারপরে সোনাগাছির এলাকা ক্রমাগত বেড়েছে। ভারতে যৌনব্যবসা আইনমতে নিষিদ্ধ হলেও কিছুদিন আগের এক হিসেব অনুযায়ী প্রায় ১৪০০০ যৌনকর্মী সোনাগাছিতে কাজ করেন। প্রতিবছর প্রায় ১০০০ জন মেয়ে এই ব্যবসায় নতুন যোগ দেন। সম্প্রতি আপনারা দেখেছেন সোনাগাছির যৌনকর্মীরা নিজেদের উদ্যোগে তাঁদের এলাকায় দুর্গাপুজোও করছেন।

সোনাগাছির বিভিন্ন তথ্য-

১) মোট ১০ হাজার মহিলা (লিখিত হিসেব) এখানে যৌনকর্মী হিসেবে নিযুক্ত। এদের মধ্যে ৬ হাজার মহিলা এখানে বসবাসরত, এবং ৪ হাজার মহিলা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে রোজা আসা যাওয়া করে কাজ করেন।

২) সোনা গাছি নামটি এসেছে সোনা গাজি নামের এক ব্যক্তির থেকে, এক সময় তিনিই এখানকার মালিক ছিলেন। তার আসল নাম ছিল সানাউল্লাহ।

৩) সোনাগাছিতে বাঙালি মহিলার সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসছে, মূলত নেপাল, বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মেয়ে এখানে রোজগার করতে এসে থাকেন।

৪) এখানে যৌন চাহিদা মেটাতে আসে নানা শ্রেণির মানুষ। রিক্সাওয়ালা থেকে শুরু করে ধনী ব্যবসায়ী অবধি। আপনার চাহিদা অনুসারে এখানে প্রতি রাতে ১০০ থেকে ৩০ হাজার টাকা অবধি নানা পারিশ্রমিকের যৌনকর্মী পাওয়া যায়।

৫) এখানকার প্রায় সমস্ত মহিলারাই কেউ নিজেদের আসল নাম ব্যবহার করেন না। সকলেই লাইনে নামার আগে নিজের নিজের নকল নাম ঠিক করে নেন, এবং সেগুলো বেশীর ভাগই হয় দু-তিন অক্ষরের।

৬) ১৯৯২ সালে সোনাগাছি প্রজেক্ট বলে একটি প্রকল্প শুরু হয় যার উদ্দ্যেশ্য হল যাতে এখানে যৌনতা কিনতে আসা সকল পুরুষ অবশ্যই কন্ডোম ব্যবহার করে সেটা দেখা।

৭) সোনাগাছিকে প্রেক্ষাপট করে ১৮৮০ সালে প্রথম যাত্রাপালা রচিত হয় বেশ্যালীলা। নাট্যকারের নাম অজ্ঞাত থেকে গেছে। তারপর থেকে আজ অবধি বহু বহু যাত্রা, সিনেমা, নাটকে সোনাগাছিকে প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখানো হয়েছে।

কিন্তু বছরের বাকি দিনগুলোয় কিভাবে কাটে তাঁদের জীবন? যৌনকর্মীর এই ভয়ঙ্কর জীবন কি তাঁরা নিজেরা স্বেচ্ছায় বেছে নেন, নাকি বাধ্য হন? টাকাপয়সার লোভ দেখিয়ে কাউকে কাউকে বাধ্য করা হলেও বেশীরভাগই কিন্তু এখানে স্বেচ্ছায় আসেন। নিজের ইচ্ছেতেই সাহস করে তাই যারা বেছে নেন যৌনকর্মীর মতো কষ্টের, লাঞ্ছনার জীবনকে, তাঁদের তাই আমাদের কুর্নিশ না জানিয়ে উপায় থাকে না! হোক না কষ্টের জীবন, কিন্তু এখানে এসেই সমাজের অর্থনৈতিক স্তরে নীচের দিকে থাকা অনেক মেয়েই ‘স্বাধীনতা’র স্বাদ পায়। স্বাদ পায় টাকার, এবং সেই টাকায় জীবনকে তারা একভাবে নিজের ইচ্ছেয় চালাতে পারে। কেউ বা হয়তো পারিবারিক পরম্পরাতেই ছোট থেকেই স্থির করে নেন এই পেশাতে আসার কথা।

সোনাগাছি প্রকল্প যৌনকর্মীদের সমবায়। এটি এই অঞ্চলের যৌনকর্মীদের মধ্যে কাজ করে তাদের মধ্যে কন্ডোম ব্যবহার ও মানুষ পাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো বিষয়ে সচেতনতার কথা প্রচার করে। ১৯৯২ সালে জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানী স্মরজিৎ জানা এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে মুখ্যত যৌনকর্মীরাই এটিকে চালিয়ে থাকেন। এই সংস্থার কৃতিত্ব যৌনকর্মীদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার ৫ শতাংশে কমিয়ে আনা, যা ভারতের অন্যান্য নিষিদ্ধ পল্লির তুলনায় অনেক কম। সেই জন্য রাষ্ট্রসংঘের এইডস কর্মসূচিতে এটি শ্রেষ্ট অনুশীলন মডেল বা বেস্ট প্র্যাকটিশ মডেল আখ্যাত হয়েছে।

দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটি (ডিএমএসসি) সোনাগাছি প্রকল্প সহ পশ্চিমবঙ্গের ৬৫,০০০ যৌনকর্মী ও তাদের সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করে থাকে। এই সংস্থা যৌনকর্মীদের অধিকার স্বীকৃতি ও যৌনব্যবসার বৈধীকরণের দাবি জানিয়ে থাকে। এছাড়াও তারা বিভিন্ন শিক্ষা ও কর্মসংস্থানগত কর্মসূচি পালন করে এবং ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে থাকে।বাংলা ভাষায় "দুর্বার" শব্দটির অর্থ অপ্রতিরোধ্য। ডিএমএসসি ভারতের প্রথম জাতীয় যৌনকর্মী সম্মেলনের আয়োজন করে। ১৯৯৭ সালের ১৪ নভেম্বর কলকাতায় আয়োজিত এই সম্মেলনের শিরোনাম ছিল 'সেক্স ওয়ার্ক ইজ রিয়েল ওয়ার্কঃ উই ডিম্যান্ড ওয়ার্কার্স রাইট' ('S*x Work is Real Work: We Demand Workers Rights')।

তথ্যচিত্র বর্ন ইনটু ব্রথেলস ২০০৫ সালে শ্রেষ্ঠ তথ্যচিত্র বিভাগে অস্কার জয় করে। এই তথ্যচিত্রে সোনাগাছির যৌনকর্মী-সন্তানদের জীবনযাত্রা চিত্রিত হয়েছে।

06/12/2025

মাদার ডেয়ারির স্টোর এবার দমদম কাঠগোলায় সঙ্গে দুর্দান্ত অফার

পোশাকে ঝুলছে সারি সারি কন্ডোম! র‍্যাম্পে কেন এমন চমক সানি লিওনের?মানুষের মধ্যে কী বার্তা পৌঁছলেন সানি?ক্রিস্টালখচিত সিলভ...
04/12/2025

পোশাকে ঝুলছে সারি সারি কন্ডোম! র‍্যাম্পে কেন এমন চমক সানি লিওনের?
মানুষের মধ্যে কী বার্তা পৌঁছলেন সানি?
ক্রিস্টালখচিত সিলভার পোশাকের সঙ্গে গোলাপি রঙের মিনি ওভার স্কার্ট পরে র‍্যাম্পে প্রবেশ সানি লিওনের। মার্জার সরণি দিয়ে এগিয়ে আসতে আসতে সরিয়ে ফেললেন ওভারস্কার্টটি। পুরোপুরি ক্রিস্টাল দিয়ে বানানো রুপোলি পোশাকে ধরা দিলেন লাস্যময়ী অভিনেত্রী। আর সেখানেই টুইস্ট। স্কার্টে ঝুলছে সারি সারি কন্ডোমের প্যাকেট। সানির এমন পোশাকে রীতিমতো চমকে যাওয়ার জোগাড় দর্শকদের। কিন্তু কেন কন্ডোমকে পোশাকের সঙ্গী বানালেন তিনি? নেহাতই পাবলিসিটি স্টান্ট? নাকি কারণ অন্য! আসল কারণটি জানলে অবশ্য অভিনেত্রীকে কুর্নিশ জানাবেন আপনিও!আসলে ফ্যাশন আর সচেতনতাকে একসুতোয় বেঁধে দিয়েছেন বলিউড মডেল-অভিনেত্রী। আর তার জন্য বেছে নিয়েছিলেন ১ ডিসেম্বর দিনটিকে। বিশ্ব এইডস দিবসে দর্শক-অনুরাগী থেকে আমজনতা, সকলকে দিলেন সচেতনতার বার্তা। এইচআইভি ও এইডসের মতো রোগের বিরুদ্ধে কন্ডোম ব্যবহারের গুরুত্ব ফ্যাশনের মাধ্যমেই বোঝালেন সানি। বার্তা দিলেন, জাঁকজমক আর আধুনিকতার জোয়ারে ভেসে সুরক্ষার কথা ভুললে হবে না। বরাবরই র‍্যাম্পে পা রেখে আগুন ধরান সানি। তাঁর পোশাক আর চেহারায় মাত দেন দর্শকদের। তবে এবার অন্যভাবে নজর কাড়লেন তিনি। সানির শো-এর ভিডিও নেটদুনিয়ায় বাহবাও কুড়িয়েছে।
সানির এদিনের পোশাক ডিজাইনার অ্যাশলে রেবেলো এই বিশেষ পোশাক সম্বন্ধে বলেন, “সানির এই পোশাক এই অনুষ্ঠানে বেছে নেওয়ার একটাই কারণ, ফ্যাশন ও সুরক্ষা, সচেতনতাকে এক সুতোয় বাঁধা।” ইতিমধ্যেই সানির এই লুকের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরাও এই ভাবনার প্রশংসা করেছেন।

আর নেওয়া যাবেনা এক্সট্রা শিট, উচ্চমাধ্যমিক এর বড় বদল চতুর্থ সেমিস্টার এ https://biswabanglatv.com/news/hsupdates
02/12/2025

আর নেওয়া যাবেনা এক্সট্রা শিট, উচ্চমাধ্যমিক এর বড় বদল চতুর্থ সেমিস্টার এ https://biswabanglatv.com/news/hsupdates

Aadhaar Card for Online video: অনলাইনে অশ্লীল ভিডিও দেখতে এবার লাগতে পারে আধার বা প্যান কার্ড! কেন্দ্রকে প্রস্তাব সুপ্রি...
30/11/2025

Aadhaar Card for Online video: অনলাইনে অশ্লীল ভিডিও দেখতে এবার লাগতে পারে আধার বা প্যান কার্ড! কেন্দ্রকে প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টের
নেটফ্লিক্স, ইউটিউব হোক বা প*র্ন সাইট! এবার অশ্লীল ভিডিও দেখতে গেলে দিতে হতে পারে আধার কার্ড বা প্যান কার্ড। কেন্দ্রকে এমনই প্রস্তাব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
নেটফ্লিক্স, ইউটিউব হোক বা প*র্ন সাইট! এবার অশ্লীল ভিডিও দেখতে গেলে দিতে হতে পারে আধার কার্ড বা প্যান কার্ড। কেন্দ্রকে এমনই প্রস্তাব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
বৃহস্পতিবার এক মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, অশ্লীল ভিডিও বা দেশ বিরোধী কিছু দর্শকদের দেখানোর আগে আধার বা প্যান কার্ডের মাধ্যমে বয়স যাচাই করার ব্যবস্থা করতে পারে।
বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ বয়স যাচাইয়ের পদ্ধতির ফলে অনেক ভিডিওয় নির্দিষ্ট বয়সের বাইরের মানুষের কাছে পৌঁছবে না। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী বলেন, "কিছুক্ষণের জন্য বয়স ভিত্তিক সতর্কীকরণ আনা উচিত, তারপরে ব্যবহারকারীর আধারকার্ড চাওয়া যেতে পারে যাতে বয়স যাচাই করে নেওয়া যাবে। তারপরে ওই ভিডিও শুরু হবে"।
অনেক সময় শিশুদের ক্ষেত্রে না চাইলেও অশ্লীল এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ভিডিও বা ছবি সামনে এসে যায়, তা আটকাতেই এই ব্যবস্থা বলে জানা গিয়েছে।

*বিস্ময়কর টালা ট্যাঙ্ক*…...........শুধু ভারতবর্ষ নয়, পৃথিবীর বৃহত্তম ওভারহেড রিজার্ভার হলো কলকাতার ‘টালা ট্যাঙ্ক’। ঐতিহা...
30/11/2025

*বিস্ময়কর টালা ট্যাঙ্ক*…...........

শুধু ভারতবর্ষ নয়, পৃথিবীর বৃহত্তম ওভারহেড রিজার্ভার হলো কলকাতার ‘টালা ট্যাঙ্ক’। ঐতিহাসিক ‘টাইটানিক’ জাহাজ যে লোহা দিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘টালা ট্যাঙ্ক’ তৈরি হতেও সেই রকম লোহা ব্যবহৃত হয়েছিল। এই ‘টালা ট্যাঙ্ক’-এর জন্মটা ঠিক কি ভাবে হলো চলুন জেনে নেওয়া যাক।

১৭১৭ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মোঘল সম্রাট ফারুকশিয়ার এর কাছ থেকে ৩৮ টি গ্রাম অধিগ্রহণ করেছিল। যার মধ্যে ৩৩ টি ছিল বর্তমান কলকাতায়। আস্তে আস্তে কলকাতা যখন শহরে পরিবর্তিত হতে থাকলো এবং উন্নত থেকে উন্নততর হতে থাকলো তখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রথম এবং প্রাথমিক কাজ হয়ে উঠলো নাগরিকদের সুস্থ পানীয় জল সরবরাহ করা। কারণ যেকোনো সুস্থ বসতি এবং জনজীবন গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে জলের গুরুত্ব সবার আগে। সেইসময় হেদুয়া, ভবানীপুর এবং ওয়েলিংটন এ পুকুর কেটে জল সরবরাহ শুরু করা হয়। এরপর শহর বড় হতে লাগলো, বড় হতে লাগলো জনজীবন, জনবসতি, তাই নাগরিক দের চাহিদা অনুযায়ী স্বাস্থকর জল সরবরাহ করার জন্য মিস্টার ডেভেরাল ১৯০১ সালে একটি ট্যাঙ্ক নির্মাণ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং কলকাতা কর্পোরেশন দ্বারা এই প্রস্তাব গৃহীত হয় ১৯০২ সালে। ১৯০৩ সালে ডব্লিউ বি ম্যাককাবে এই বর্তমান ‘টালা ট্যাঙ্ক’-এর সামান্য কিছু পরিবর্তন করেন আর তাতে তখনকার দিনে টাকার পরিমান দাঁড়ায় ৬৯ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৭৪ টাকা।আরো পড়ুন – বাঙালির এত গোয়েন্দাপ্রীতি কেন ?এখন সমস্যা হলো এত বড় ট্যাঙ্ক তৈরি হবে কোথায়? আজ যেখানে ‘টালা ট্যাঙ্ক’ দাঁড়িয়ে আছে সেখানে এক কালে প্রচুর পুকুর ছিল, এই পুকুর ভরাট করে তৈরি করা হয়েছিল এই টাঙ্কটি। এই ট্যাঙ্কের জায়গা অর্থাৎ ৪৮২ একর জমি দান করেছিলেন বাবু খেলাত চন্দ্র ঘোষ নামক এক ব্যক্তি। তাঁরই জমিতে তৈরি হয়েছিল প্রায় ১০ তলা বাড়ির সমান এই ট্যাঙ্ক। ১৯০৯ সালে তৎকালীন গভর্নর স্যার এডওয়ার্ড বেকার এই ট্যাঙ্কের শিলান্যাস করেন এবং ১৯১১ সালে নাগরিকদের জল সরবরাহ করার জন্য খুলে দেওয়া হয় এই ট্যাঙ্কটি।

আশ্চর্য্য বিষয় হলো পুরোপুরি কাঠের পাটাতন এর উপর কোনো স্ক্রু ছাড়ার ৩২১ ফুট×৩২১ ফুট বর্গাকার এই বিশালাকার টাঙ্কটি এখনোও গর্বের সাথে মাথা উঁচু করে মানুষকে জল সরবরাহ করে যাচ্ছে। প্রথমে ‘টালা ট্যাঙ্ক’-এর ছাদটি ছিল চুনসুরকির, পরে ছাদে ১৪ ইঞ্চি পুরু কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে তৈরি করা হয়।‘টালা ট্যাঙ্ক’-এর ফাউন্ডেশন এর কাজ করেছিল টি সি মুখার্জি এন্ড কোম্পানি এবং কংক্রিট ফাউন্ডেসন এর কাজ করেছিল রাজেন্দ্রলাল মুখার্জির মার্টিন এন্ড কোম্পানি, স্টিলের কাজ করেছিল ইংল্যান্ডের ক্লিটেনসন এন্ড কোম্পানি। পরে ছাদ টি যখন কংক্রিটের তৈরি হয়েছিল তখন কাজ করেছিলেন আরাকন এন্ড কোম্পানি এবং বাবু কালীশঙ্কর মিত্তির। ১ লক্ষ ৩ হাজার ৪১ স্কোয়ারফিট এই ট্যাঙ্কটি এতটাই বিশাল আকার যে অনায়াসে একটা ফুটবল স্টেডিয়াম ঢুকে যেতে পারে এই ট্যাঙ্কের ভিতর। ৪ টি কম্পার্টমেন্ট যুক্ত এই বিশালাকার টাঙ্কটি খুবই বিচক্ষণতার সাথে এবং বুদ্ধি দিয়ে তৈরি করা হয়েছিক যাতে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে গেলে কোনো ভাবে যেন জল সরবরাহ ব্যহত না হয়। এতো বড় আকারের ট্যাঙ্কটির জল ধারণ ক্ষমতা শুনলে চোখ কপালে তুলতে আপনি বাধ্য! ৯০লক্ষ গ্যালন জল ধরার ক্ষমতা রাখে এই বিশাল আকারের টাঙ্কটি। এর উচ্চতা ১৮ ফুট, কিন্তু জল থাকে ১৬ ফুট পর্যন্ত। দমদম থেকে দক্ষিনের ভবানীপুর পর্যন্ত এই জল আন্ডার গ্রাউন্ড পাইপ এর মাধ্যমে পৌঁছে যায় প্রতিটি কলকাতাবাসীর ঘরে।

এটাতো গেল ট্যাঙ্কের আকার নিয়ে বর্ণনা, কিন্তু তার সাথে এই ট্যাঙ্কটি এতটাই মজবুত যে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় জাপান যখন বোমা ফেলেছিলো তখনও ধ্বংস হয়নি। শুধু মাত্র ৯ টা ছিদ্র হয়েছিল। প্রচুর বড় বড় ভূমিকম্প এসেছে কিন্তু কোনো ক্ষতিই হয়নি ‘টালা ট্যাঙ্ক’-এর। এই বিশালাকার ট্যাঙ্ককে ক্ষতি করতে পারলে কলকাতাকে কব্জা করা যাবে এই চিন্তা নিয়ে ১৯৬২, ১৯৭১ এর যুদ্ধে চীন ও পাকিস্তানের কাছে সব থেকে বড় টার্গেট পয়েন্ট ছিলো ‘টালা ট্যাঙ্ক’। কারণ পানীয় জল ব্যতীত মানুষের জীবন অচল। কিন্তু এই সমস্ত বাধা এবং প্রতিকূলতা কে দূরে ঠেলে আজও আমাদের বাঙালির তথা বিশ্ব-এর গর্ব হয়ে রয়েগেছে এই ‘টালা ট্যাঙ্ক’। জলের মাধ্যমে জীবন দান করে চলেছে কলকাতার প্রায় প্রতিটি ঘরে।

ফেইসবুক সংগৃহীত

Address

306

700036

Telephone

+918910451550

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Biswa Bangla Tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Biswa Bangla Tv:

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share