06/01/2026
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য টাকার চেয়ে বেশি দরকার হলো ভালো একাডেমিক প্রোফাইল। অনেকের টাকা আছে কিন্তু একাডেমিক যোগ্যতা নেই। ফলে ভালো কোন ভার্সিটি থেকে অফার লেটার পায় না। আবার অনেকেরি আমার মত আহামরি টাকাপয়সা নাই কিন্তু মনে অনেক ইচ্ছা বিদেশে উচ্চশিক্ষার। চেষ্টা করুন জিপিএ/সিজিপিএ ভালো তুলার + IELTS এ ভালো স্কোর আনার।
বিশ্বাস করুন এই ২ টা জিনিস আপনার লাইফ পাল্টে দিবে। HSC কম্পলিট করার পর নিজের সখের গেমিং পিসি বিক্রি করি , গ্রাফিক্স কার্ড বিক্রি করে IELTS পরীক্ষা দিয়েছিলাম। মোট বাজেট ছিলো ২ লক্ষ টাকা যার ভেতর IELTS কোর্স,পরীক্ষার ফি , ডকুমেন্টস রেডি করা , বিমানের টিকিট , ভিসা ফি , ভার্সিটির আবেদন ফি , ভর্তি ফি + টিউশন ফি + দেশ ছারার সময় হাতে ক্যাশ সব মিলিয়ে এই ২ লক্ষ টাকা বাজেট ছিলো আমার।
এখন হয়ত ভাবছেন ছেলে পাগল হয়ে গেছে যেখানে বিমানের ভাড়াই ৮০ হাজার থেকে লক্ষ টাকা হয়।
কিন্তু মজার বেপার আমি একটা ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেয়েছিলাম যেখানে টিউশন ফি দিতে হয় নাই , আবেদন ফি নাই , মেডিক্যাল ইন্সুরেন্স ফ্রি , বই ফ্রি , ডর্মিটরি ফ্রি , বিমানের টিকিট ফ্রি। সব ফ্রি ছিলো কেবল যাওয়ার সময় কিছু টাকা হাতে নিয়েছিলাম আর কিছু টাকার শপিং করেছিলাম।
ইউরোপ আমেরিকা এশিয়া বা কোন দেশ কে প্রাধান্য দেই নি , প্রাধান্য দিয়েছিলাম স্কলারশিপ কে। যেহেতু টাকা নাই , আমায় উগান্ডাও যদি ফ্রি পাঠায় আমি যেতে রাজি।
আর সেই স্কলারশিপ দিয়েই আমার বিদেশের উচ্চশিক্ষার জার্নি শুরু হয়।
এখন এশিয়ার ৮ টা দেশ ঘুড়া হয়েছে , ইউরোপের ২৫ টা দেশ ঘুড়া কমপ্লিট। সব ই কিন্তু করেছি স্কলারশিপ এর টাকায়।