Voice Of Rome ভয়েস অফ রোম

Voice Of Rome ভয়েস অফ রোম প্রবাসীদের অধিকার এবং ইমিগ্রেশন বিষয়ে সমাধান।

22/11/2025

রোমে ‘নন উনা দি মেনো’ (Non Una di Meno) আয়োজিত নারীর প্রতি সহিংসতা-বিরোধী বর্ণাঢ্য পদযাত্রায় ছিল আবেগঘন এক মুহূর্ত। হাজারো নারী একসঙ্গে নেচে সম্মান জানালেন ইতালির কিংবদন্তি শিল্পী ওরনেলা ভানোনি-কে, যিনি ৯১ বছর বয়সে পৃথিবীকে বিদায় জানিয়েছেন।

পদযাত্রার মাঝেই বাজতে থাকে তাঁর জনপ্রিয় গান “La voglia, la pazzia”—আর সেই সুরে নেচে অংশগ্রহণকারীরা প্রকাশ করেন শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং তার শিল্পীজীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
ইতালির সমাজে নারীর অধিকারের লড়াই এবং সাংস্কৃতিক প্রভাব—দুটোই যেন মিলেমিশে উঠেছিল এই এক মুহূর্তে।

20/11/2025

ইতালির বারি বন্দরে আজ ঘটে গেলো এক নাটকীয় ঘটনা। প্রবল বৃষ্টির কারণে দৃশ্যমানতা কমে গেলে আলবেনিয়া যাওয়ার ফেরির দিকে এগিয়ে যাওয়া এক গাড়িচালক হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। নির্ধারিত মোড় নেওয়ার বদলে গাড়িটি সরাসরি এগিয়ে গিয়ে নিরাপত্তা ব্যারিয়ার ভেঙে সোজা বন্দরের পানিতে পড়ে যায়।

ঘটনাটি তদন্তাধীন থাকলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—প্রচণ্ড বৃষ্টি ও মুহূর্তের অসতর্কতাই দুর্ঘটনার মূল কারণ।

তবে দ্রুত উদ্ধার না হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারত। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্যরা পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে চালককে গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন। পানির নিচে প্রায় ডুবে যাওয়া গাড়ি থেকে মানুষটিকে বের করে দ্রুত চিকিৎসা সেবায় নেওয়া হয়। সৌভাগ্যবশত, তার অবস্থা গুরুতর নয় বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।

বৃষ্টির দিনে গাড়ি চালানোর সময় সবাইকে বাড়তি সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

18/11/2025
ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর৪২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভেনিস শহরটি কোটি কোটি কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইস্প...
15/11/2025

ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর

৪২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভেনিস শহরটি কোটি কোটি কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইস্পাত বা কংক্রিট নয়, বরং মূলত এল্ডার কাঠ এবং কিছু ওক কাঠ দিয়ে পুরো শহরটি তৈরি করা হয়েছে।

লবণাক্ত পানির সংস্পর্শে এসব কাঠের খুঁটি পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। শুধুমাত্র সেন্ট মার্কস ক্যাম্পানাইল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১ লক্ষ কাঠের খুঁটি, আর বিশাল বাসিলিকা ডেলা সালুতে গড়তে লেগেছে ১০ লাখের বেশি খুঁটি! সেই সময়ের দক্ষ নির্মাণশ্রমিকরা এগুলো সমুদ্রের তলায় পুঁতে দিয়ে এক বিস্ময়কর ‘জলমগ্ন বন’ তৈরি করেছিলেন।

এই কাঠামো প্রায় তিন মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে খুঁটিগুলো অর্ধ মিটার ব্যবধানে বসানো হয়েছে। পানির স্তর থেকে ১.৬ মিটার নিচে এই অসাধারণ মধ্যযুগীয় প্রকৌশল ১,৫০০ বছর পরও ভেনিস শহরকে দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে, যা পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর |

15/11/2025
04/11/2025

ইতালিতে এখন থেকে বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীরা “Fuori Quota” বা কোটা-বহির্ভূত চ্যানেল এর মাধ্যমে যেকোনো সময় কাজের সুযোগ পাবেন।

এই পদ্ধতিতে সরকারের বার্ষিক Decreto Flussi (কর্মী কোটা) ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে না। অর্থাৎ, যারা ইতালির শ্রম ও সামাজিক নীতি মন্ত্রণালয় (Ministero del Lavoro) অনুমোদিত পেশাগত ও ভাষাগত প্রশিক্ষণ (formazione professionale e civico-linguistica) সম্পন্ন করেছেন, তারা সারা বছর ইতালিতে কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

📘 এই আইনটি যুক্ত হয়েছে Testo Unico sull’Immigrazione-এর articolo 23 del DLgs 286/1998-এ, যা ২০২৩ সালে সংশোধিত হয়।

ইতালির বিভিন্ন সেক্টরে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণ করা, বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে স্থানীয় শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।

📋 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো:

• প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম অবশ্যই ইতালির মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

• নিয়োগকর্তারা সরাসরি এই কর্মীদের জন্য আবেদন করতে পারবেন — ফ্লুসি কোটার বাইরে।

• অনুমোদিত কর্মীরা ইতালিতে এসে বৈধভাবে কাজ শুরু করতে পারবেন।

• মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে FAQ, Linee Guida, এবং অনুমোদিত প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের তালিকা প্রকাশ করেছে।

🔗 সূত্র: Ministero del Lavoro, Italy

#প্রবাসজীবন #ইতালিরচাকরি #বাংলাদেশিপ্রবাসী

‘ওজু করে নেন মনসুর সাহেব…’ভোর তখন প্রায় ৪টা। আঁধারে ঢাকা রাজধানী শহর। শীতের আগমনী ধ্বনি শোনা যাচ্ছে। শেষরাতে ভালো ঠান্ডা...
04/11/2025

‘ওজু করে নেন মনসুর সাহেব…’

ভোর তখন প্রায় ৪টা। আঁধারে ঢাকা রাজধানী শহর। শীতের আগমনী ধ্বনি শোনা যাচ্ছে। শেষরাতে ভালো ঠান্ডা পড়ে। অন্ধকারের বুক চিরে শহরে টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে ট্যাংক রেজিমেন্ট। এই গভীর রাতেই বঙ্গভবনের নিস্তব্ধতা চিরে বেজে উঠলো টেলিফোন। ফোনটা ধরলো বঙ্গবন্ধুর খুনি শাহরিয়ার রশিদ খান। রশিদের ভাষায়- টেলিফোনের অন্যপ্রান্ত থেকে এক ভারী কণ্ঠে বলে উঠলো- “আমি ডিআইজি প্রিজন কথা বলছি, মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আমি আলাপ করতে চাই।”
রশিদ এক মূহুর্ত ভাবলো, তারপর খন্দকার মোশতাককে লাইন দিলো। মোশতাক টেলিফোন ধরে ওপাশের কথা শুনলো নীরবে। তারপর বারকতক হ্যাঁ, হ্যাঁ করতে থাকলো, সায় দিলো কোন এক অন্যায় আবদারে।
টেলিফোনে আলাপ যখন শেষ হলো তখন ঘৃণ্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য রিসালদার মুসলেহউদ্দিন তার দলবল নিয়ে কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশের অপেক্ষায়। কারাগারের প্রবেশ করা নিয়ে ডিআইজি প্রিজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শেষে রাষ্ট্রপতির বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে কারাগারের ভেতর তারা যখন প্রবেশ করে, সময় তখন ভোর চারটা থেকে সাড়ে চারটা।

নাজিমউদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর পাগলা ঘন্টি বেজে ওঠে, বাজতেই থাকে। বাতাসে এক অশুভ গন্ধ ভেসে আসে। ইতিহাসের কালো অধ্যায়ের পাতাগুলো খুলে যায়, নীরবে সাক্ষী হতে, কিছুক্ষণ পরের এক নগ্ন নিষ্ঠুর প্রহসনের।

কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশাপাশি দুইটা সেলে বন্দী আছেন তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলী। আওয়ামীলীগের চার কাণ্ডারী, স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন চার মহীরূহ।

রিসালদার মুসলেহউদ্দিন তার পেটোয়া বাহিনী নিয়ে এগিয়ে গেল এক নম্বর সেলের দিকে। চার নেতাকেই এখানে আনা হয়েছে ইতিমধ্যে। তাজউদ্দীন আহমদ বুঝতে পারেন, সময় সমাগত। আজ রাতেই ডাইরীর শেষ পাতা লেখা হয়ে যাবে। তিনি ওজু করে আসেন, কুরআন শরীফটা তাঁর পাশেই রাখা। সেটা খানিকটা উলটে দেখার সময়টা কি পাওয়া যাবে??

মনসুর আলী ঘটনা বুঝে উঠতে পারেন না, তিনি জিজ্ঞেস করেন, “কি ব্যাপার তাজউদ্দীন ভাই? এতো রাতে ঘন্টা বাজায় কেন? আর আমাদের এই সেলেই বা আনলো কিজন্যে?” তাজউদ্দীন কথা খুঁজে পান না, বলেন- “ওজু করে নেন মনসুর সাহেব।” ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আরো বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।

হায়েনার দল এসে পড়ে সেলের সামনে। ডিআইজি প্রিজন সেলের তালা খুলে দেন। তিনি নিজেও বুঝতে পারছেন না এতো রাতে অস্ত্র হাতে এই সৈন্যদের আগমনের হেতু। কথাবার্তা বলবে ভেবে তালা খুলে তিনি পরিচয় করিয়ে দিতে যান, “দিস ইজ ক্যাপ্টেন মনসুর…”
তাঁর কথা মুখেই থেকে যায়, গর্জে ওঠে ঘাতকের আগ্নেয়াস্ত্র। সারি সারি বুলেট ছুটে যায়, আগুনের গোলা বিদ্ধ হয় এদেশের অগ্নিপুরুষদের শরীরে। লুটিয়ে পড়েন ওঁরা চারজন, চার সূর্যসন্তান। গোলাগুলির আওয়াজে কানে তালা লেগে যায় বাকী সব সেলের বন্দীদের। চাপ চাপ রক্ত, গুলিতে বিদ্ধ দেয়াল, ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া শরীর। পড়ে থাকে তাজউদ্দীনের গুলিবিদ্ধ কোরআন শরীফ।

কামরুজ্জামান আর সৈয়দ নজরুল চৌকিতে বসা অবস্থায় ছিলেন, তাঁরা সেখানেই ত্যাগ করেন শেষ নিঃশ্বাস। তাজউদ্দীন গুলির ধাক্কায় ছিটকে পড়েন মেঝেতে। গুলি লেগেছিলো তাঁর গোড়ালী, উরু আর পেটের ডানপাশে কিডনী বরাবর। তিনি মৃদুস্বরে আর্তনাদ করতে থাকেন “পানি! পানি!” বলে…
ঘাতকের দল ফিরে আসে আবার। বেয়নেট চার্জ করে তাজউদ্দীনের ক্ষতবিক্ষত শরীরের ওপর।

বঙ্গভবনে তখন ক্ষমতা নামক মাংসের টুকরো নিয়ে কাড়াকাড়ি করছে সবাই। সেই অস্থিতিশীল মূহুর্তে রশীদ-ফারুক-ডালিম-মোশতাক গংদের ষড়যন্ত্রের শেষ কোপটা পড়লো জাতীর কান্ডারী এই চার নেতার ওপর। বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে দেয়ার পর ষড়যন্ত্রীদের মাথাব্যাথার কারণ ছিলেন এরাই। শেখ মুজিবের আদর্শটাকে মনে প্রানে ধারণ আর পালন করার মতো মানুষ যে এই চারজনই তখন বেঁচে ছিলেন।

আমরা ফিরে যাই একাত্তরে, থিয়েটার রোড, কলকাতায়। অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছে। তাজউদ্দীন প্রধানমন্ত্রী, সৈয়দ নজরুল অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামরুজ্জামান, অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন মনসুর আলী। দেশের ভেতর আর সীমান্তে শক্তিশালী পাকিস্তানী হায়েনাদের বিরুদ্ধে চলছে সমর যুদ্ধ, আর দেশের বাইরে, এই দূর পরবাসে চলছে কূটনীতির যুদ্ধ, বিশ্ব দরবারে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সংগ্রাম, একটি জাতি, একটি নতুন দেশের অভ্যুদ্বয়ের লড়াই। ঘরের শত্রু, বাইরের শত্রুর মোকাবেলা করে জয় ছিনিয়ে আনা। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী, নেতার অনুপস্থিতিতেই যুদ্ধ এগিয়ে নেয়া, অসম্ভব এই লড়াইটা তাজউদ্দীন জিতিয়ে এনেছিলেন, বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটার জন্মে ধাত্রী হয়ে ছিলেন এই চার নেতা।

মন খারাপের সকাল আসে ঢাকায়, সূর্য ওঠে না সেদিন, সেও জেনে গেছে এই বাংলাদেশে তাজউদ্দীন নেই, সৈয়দ নজরুল নেই, কামরুজ্জামান আর নেই, মনসুর আলী নেই, সবার মাথার উপর ছায়া হয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু তো আরও আগে থেকেই নেই। উড়ো খবর ভাসে শহরজুড়ে, জেলখানায় গোলাগুলি হয়েছে। তাজউদ্দীন আহমদের পরিবারের সদস্যরা এদিক সেদিক দৌড়ঝাঁপ করেন, কিন্ত কোন খবর বের করতে পারেন না। দুপুরের দিকে বুড়িগঙ্গার হাওয়ার সাথে বাতাসে ভেসে আসে চার নেতার মৃত্যুর খবর। বেগম জোহরা তাজউদ্দীনের শরীর ঠান্ডা হয়ে আসে। মাত্র একদিন আগেই তিনি লোকটার সাথে দেখা করে এসেছেন, সেই মানুষটা আর নেই! বিকেলে খালেদ মোশাররফের মা আসেন সংবাদ নিয়ে, কাল রাতে জেলের ভেতর চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। খন্দকার মোশতাকের প্রত্যক্ষ আদেশ ছিলো এতে, আর আদেশটা এসেছিল আরো উপর থেকে, আইএসআই এর ঝানু মগজ থেকে!

চার নেতার লাশ সারাদিন পড়ে রয় সেই ছোট্ট সেলটিতে। রক্ত শুকিয়ে আসে, তাজউদ্দীনের চশমাটা ভেঙ্গে রক্তের সাগরে ডুবে গেছে। মাংসে পঁচন ধরার গন্ধ ছড়ায় বাতাসে। জেল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে লাশ পাঠানোর ব্যাবস্থা করে এবার। তাজউদ্দীনের লাশ আসে সাতমসজিদ রোডের বাসায়। কাপাসিয়ার বঙ্গশার্দুল ফিরে আসেন না, আসে শুধু বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া তাঁর প্রাণহীন শরীরটা। নিজ হাতে গড়া বাগানের এক কোনায় খাটিয়ায় শুইয়ে রাখা হয় তাঁকে, বাগানের একপাশে গর্ত করে চুলা বানিয়ে গোসলের পানি গরম দেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধুর পেছনে ফাইল হাতে দাঁড়িয়ে থাকা চশমা পরা নটোরিয়াস লোকটা হারিয়ে যান, অতীত হয়ে যান। যে তাজউদ্দীনের সাথে তর্কে না পেরে জুলফিকার আলী ভুট্টো বলে গিয়েছিলেন, “আই টেল ইউ, দিস তাজউদ্দীন উইল বি ইওর মেইন প্রবলেম”…
ভুট্টোর কথা ফলে গিয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে এই ছোটখাটো গড়নের একরোখা লোকটাই বঙ্গবন্ধুর হয়ে যুদ্ধটা লড়েছিলেন, পাকিস্তানের কবল থেকে নয়মাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আদায় করে উপহার দিয়েছিলেন তার প্রিয় মুজিব ভাইকে। আমরা তাঁকে হারিয়ে ফেলেছিলাম, শীতল অন্ধকার রাতে বন্দী প্রকোষ্ঠে সহযোদ্ধাদের সাথে তিনি শহীদ হয়েছিলেন স্বজাতির হাতেই, এক পাল নরপিশাচের হাতে।

সংগৃহীত

01/11/2025

ডঃ ইউনূসের
⭕️⭕️⭕️
তিন শূন্যের
ঝুলিতে আরেকটি শূন্য ⭕️ আসিতেছে!

Indirizzo

Via Principe Eugenio, N-93/95
Rome
00185

Telefono

+393284725780

Sito Web

Notifiche

Lasciando la tua email puoi essere il primo a sapere quando Voice Of Rome ভয়েস অফ রোম pubblica notizie e promozioni. Il tuo indirizzo email non verrà utilizzato per nessun altro scopo e potrai annullare l'iscrizione in qualsiasi momento.

Contatta L'azienda

Invia un messaggio a Voice Of Rome ভয়েস অফ রোম:

Condividi