Naima Munni's Diary

Naima Munni's Diary Exploring the natural beauties and cultures of japan and share my daily activities.Stay with me ,makes you happier.Try to be reason of your smile😘.
(6)

24/02/2026

আমার স্বামীর অক্লান্ত কষ্টের জন্য আমার খারাপ লাগে ঠিকই কিন্তু আমি তা বুঝাতে পারি না তা কতোটুকু খারাপ লাগে।
আমার অনুভূতি প্রকাশের ভাষাগুলো অস্পষ্ট।

খুব ইচ্ছে ছিলো এবার রমজানের সবকিছু আগে আগে গুছিয়ে নেওয়ার। কিন্তু অসুস্থতার কারনে আজও কিছু করতে পারলাম না।আসলে আমাদের পরিকল্পনায় কিছু হয় না।সবকিছু আল্লাহর ইচ্ছা।

হে আল্লাহ মাহে রমজানের উছিলায় আমার এবং সবার ঘরে রহমত বরকত দান করো ,কষ্টগুলো দূর করে দেও।

25/12/2025

24/12/2025

মনে হলে চোখ দুটি আনমনে ছলছল করে-
কিছু অনুভূতি আজীবন মনে গেঁথে থাকে ,এই তো সেদিন।প্রেগ্ন্যাসিতে সারাক্ষণ টেনশন করতাম আমি যখন হসপিটালে থাকবো তখন আমার ছোট্ট মেয়েটি কিভাবে থাকবে।আমার বড় সন্তান উমরও তো এখনো আমাকে ছাড়া থাকতে পারে না।
সন্তানদের বয়সের গ্যাপ কম হলে সুবিধার থেকে কষ্টই যেন বেশি মনে হচ্ছে।
প্রেগন্যান্সিতে রক্ত শুন্যতায় ভুগছিলাম।তার উপর প্লাসেন্টার সমস্যা।লো প্রেসার তো আছেই আর বাসায় তো ছোট দুইটা বেবি। তাদের টেইক কেয়ার করা।দিনের পর দিন যেন মন আরো খারাপ হতে থাকে।আর হেল্পিং হ্যান্ড বলতেও কেউ নাই।জাপানে এসব খুব এক্সপেন্সিভ। তবে আলহামদুলিল্লাহ এই সময় সাধ্যমতো স্বামীর সহযোগিতা পেয়েছি।কিন্তু এতে আমার শরীর সম্পূর্ণ রিকোভার হয় নি।একের পর এক অসুস্থ হতে থাকি। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ। প্রতিনিয়ত মা কে অনেক মিস করতাম আজও করি। সবসময় আমার একটাই কামনা ছিলো আল্লাহ যেন আমাকে একটা সুস্থ সন্তান দান করে আলহামদুলিল্লাহ তার জন্য।
আমার অসুস্থতার জন্য হসপিটালে বেবি হওয়ার একদিন আগে ভর্তি হই।আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ সুস্থ ভাবে সব কিছু সম্পন্ন করলো।কিন্তু আমি পড়ে আছি ওটি রুমে। আমাকে কয়েকজন ডাক্তার চেক আপ এর মধ্যেই রাখছে।আমি নরমাল হচ্ছি না।ক্ষনিকের জন্য মনে হলো হয়তো আমি আর বেঁচে থাকবো না।ডাক্তারাও ঠিক বুঝতে পারছে না কেন এমন হচ্ছে।আমার হাসব্যান্ড কে কল দিলাম মা বাবাকে বললাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করছে। হাসপাতালে আমি একা।কি এক নিদারুণ দিন।
চোখ সারাক্ষণ ছলছল করছে।
দীর্ঘ ৩/৪ ঘন্টার পর আমার অবস্থা স্বাভাবিক মনে হয় তারপর আমাকে ওটি রুম ছেড়ে অন্য রুমে দেওয়া। কিন্তু বেবি আমার কাছে প্রায় দুইদিন দেয় নি।
চিকিৎসা চলতে থাকে তারপর আস্তে আস্তে আমি সুস্থ হই।
কিন্তু হসপিটালের বেডে সারাক্ষণ টেনশন করতো বাসায় বেবিরা কি করছে এই নিয়ে।সারাক্ষণ মোবাইলে মধ্যে সিসিটিভি ফুটেজে তাদেরকে দেখতাম। ধন্যবাদ দিলে কম হবে।তখন অনেক বেশি কষ্ট করেছে আমার হাসব্যান্ড। আর আল্লাহর রহমত ছাড়া সবই অসম্ভব ছিলো।
হসপিটালে থাকা ছয় দিন যেন আমার কাছে ছয় যুগের মতো মনে হচ্ছিল।ছটফট করতাম কখন বাসায় আসবো।অতঃপর ছয়দিন পর বাসায় আসলাম।আমার ভালোবাসার নীড় ,আমার এলোমেলো সংসার ,মাশাল্লাহ।

সত্যিকার অর্থে বিদেশ জীবন টা দেখতে যেমন সুন্দর মনে হয় কষ্টগুলো ও তেমন।সব একা সামলিয়ে নিতে হয়।আমরা অন্যের জীবনকে সবসময় সুখি ভাবতে পছন্দ করি।কিন্তু কারো জীবনই নির্মল না।

住所

Soka-shi, Saitama

アラート

Naima Munni's Diaryがニュースとプロモを投稿した時に最初に知って当社にメールを送信する最初の人になりましょう。あなたのメールアドレスはその他の目的には使用されず、いつでもサブスクリプションを解除することができます。

事業に問い合わせをする

Naima Munni's Diaryにメッセージを送信:

ショートカット

共有する