ŔûƊôŘ

ŔûƊôŘ People with egos are like cheap clothes with high price tags. They are not really worth, what they advertise!

23/02/2026


#ডার্ক_রোমান্টিক

#লিখিকা_সাদিয়া_সুলতানা

#পর্ব_7

[কপি করা নিষিদ্ধ]

💥শাওয়ার শেষ করে রুমের মধ্যে পা রাখতেই যেন গা গুলিয়ে এলো অরিনের ।

রুমের প্রতিটা দেয়াল ফার্নিচার যেন তাকে বলছে কালকে রাতে ঘটে যাওয়া প্রত্যেকটা ঘটনা ।

সবাই যেন তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে সে তার ভার্জিনিটি হারিয়েছে । হঠাৎ করেই চোখ পড়ল টেবিলে রেখে যাওয়া চেক বই এর ওপর । হুট করেই যেন অরিনের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তন ঘটলো ।

ইচ্ছা করছিল চেক বইয়ের সাথে সাথে আয়ান কেউ টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলি ।

নিজের রাগ কে যথা সম্ভব নিয়ন্ত্রনে রেখে , চেক বইয়ের পাতা টা নির্দ্ধারিত স্থানে রেখে নিজের ব্যাগ টা হতে নিয়ে সে রুমের মধ্যে আর এক মুহূর্ত দেরি করল না । আয়ানের ফেলে যাওয়া চেকটা না নিয়েই আলিশান রুম থেকে বেরিয়ে পড়ল অরিন ।

বিষয়টা কাউকে বলার সাহস না । সে ভাবল হয়তো তাকে কেউ বিশ্বাস করবে না।

তাই নিজের মধ্যেই বিষয়টা লুকিয়ে রাখলো । পুরোপুরি বিষয়টা চেপে গেল কারণ একথা পাঁচ কান হলে তারই ক্ষতি হবে।

অরিন ভাবলো হোস্টেল রুমে গিয়ে সে প্রভাব আর নিকি কে জিজ্ঞেস করবে তারা কাল রাতে তাকে ফেলে কেন চলে এসেছিল ।

তবে ঘটলো তার ঠিক বিপরীত হোস্টেল রুমে পা রাখতে না রাখতেই প্রভা জিজ্ঞেস করল কাল তুই কোথায় চলে গিয়েছিলিস ..??

আমি আর নিকি তোমায় খুঁজেই পাচ্ছিলাম না । তারপরে মনে করলাম তুই হোস্টেল রুমে ফেরত এসেছিস ।

তাই আমরা রুমে চলে আসলাম । এসে দেখি তুমি হোস্টেল রুমেও নেই ।

এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে অরিন থতমত খেয়ে গেল ।

কি হলো বল কোথায় ছিলি..???

কথাটা এড়ানোর জন্য অরিন বলল এক ফ্রেন্ডের সাথে

ছিল । প্রভার কিছু তাকে জিজ্ঞেস করো না ।

এমন কি অরিনো আর কিছু বলল না ।

অরিন যথাসম্ভব নিজেকে এবং তার ক্ষতগুলোকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করছে।

যেন সেগুলো প্রভা আর নীকির চোখে না পড়ে। তারপরেও নিকি বলে উঠলো তোমার ঠোঁটে কি হয়েছে? কেটে গেল কি করে..??

দেখো কেমন জখম হয়ে আছে । একটু তো নিজের খেয়াল রাখবে ..!!

প্রশ্ন শুনে অরিন কেমন জানি হক চকিয়ে গিয়ে উঠলো ।

তেমন কিছু না ।

অরিন কোন মত কিছু একটা বুঝিয়ে সে যাত্রায় বেঁচে গেল ।



এভাবে সেই দিনটা কেটে গেলো । অরিন বেশি একটা বের হয় না রুম থেকে । হোস্টেল রুমেই দিন পার করতে লাগলো ।

অন্যদিকে আয়ান কে হোটেল কর্তৃপক্ষ কল করে জানালো যে আয়ান সেই হোটেল রুমে একটা চেক

রেখে গেছে ।

রুমে চেক রেখে যাওয়া কথা শুনে মুচকি হেসে ফোন রেখে দিল ।



অরিন কে আবার দরকার আয়ানের । তাকে আবার খুব করে কাছে চাই আয়ানের।

এদিকে অরিনের তো কোন খবরই পাওয়া যাচ্ছে না । দুই দিন পার হয়ে গেলো ভার্সিটি তে এসে নি । ওই দিন এর পর থেকে অরিন কে দেখে নি আয়ান ।

আয়ান যে কোনো ভাবে অরিনের সাথে দেখা করতে চায়। এভাবে এর ভালো লাগছে না আয়ানের । আয়ান সাফরান কে অরিনের সাথে যোগাযোগ করার কথা

বলে ।

সাফরান অরিনকে বারবার মেসেজ করছে বিষয়টা অরিনের একটুও ভালো লাগছে না কিন্তু কিছু বলতে পারছে না সিনিয়র বলে কথা ।

আয়ান অস্থির হয়ে পড়ছে অরিনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য । কোন একটা কাহিনী ঘটিয়ে হলেও অরিনের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ।

অরিনকে তার যেকোনো মূল্যে কাছে চাই । এর জন্য তাকে যা করতে হয় তা সে করতে প্রস্তুত ।

এবার আর সাফারান নয় বরং আয়ান নিয়ে কাল করে

অরিন কে ।অনেক টা সময় নিয়ে অরিন কল রিসিভ করে ।

আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাই অরিন ।

(ফোনের ওপারে থাকা লোকটা কে চিনতে বেশি সময় লাগে না অরিনের )

আমি চাই না ।

আমার বিপরীতে কথা বলা আমার একদম পছন্দ না । যা বলতেছি চুপ চাপ তাই করো ।

আপনি বলেছেন আমাদের পথ আলাদা ।

ওটা ভুলে বলে ফেলছি ।

আমি সব ভুলে যাবো আপনি আমার সাথে আর যোগাযোগ করবেন না ।

তা কি করে হয় ..??

কেনো হয় না ..??কি চাই আপনার ..??

তোমাকে কিছু দেখা তে চাই আমি , কাল সকালে যেন তোমাকে ভার্সিটি তে দেখতে পাই না হলে বিষয় টা তোমার জন্য খুব খারাপ হবে ।

অরিন কে আর কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে ফোন কেটে দিলো আয়ান ।

✨ একেক টা দিন যাচ্ছে অরিন যেন আয়ান কে আরো বেশি করে উপেক্ষা করতে শুরু করছে।

অরিন আর কোনো দিনও আয়ানের মুখোমুখি হতে

চায় না ।

তবে আয়ান কি দেখাতে চায় অরিনকে, এটা দেখার জন্য হলেও তাকে কাল ভার্সিটি তে যেতে হবে ।

সারা রাত এটা ওটা ভাবতে ভাবতে পার হয়ে গেলো । চোখে ঘুম নেই । জীবনের সব সুখ যেন শেষ হয়ে গেছে ।

আয়ান এই দুনিয়ার বুকেই অরিনকে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ উপহার দিচ্ছে।

✨সকাল বেলা ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও রেডি হয়ে ভার্সিটির উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হলো । এক রাশ হতাশা আর কৌতহল নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করল অরিন ।

ক্যাম্পাসে পা রাখে না রাখতেই অরিনের কাছে একটা এসএমএস আসলো ।

লাইব্রেরীতে আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি। বেশি নিজের ছোট্টো মাথা টা কে না খাটিয়ে আমার কাছে চলে এসো।

আস্তে তোমাকে হবেই খালি খালি নিজের মাথাকে প্রেশার দিয়ে লাভ নাই।

অরিন এসএমএস টা পড়ে এক রাশ বিরক্তি আর ভয় নিয়ে লাইব্রেরির দিকে যেতে শুরু করল ।

অরিন অবাক হলো লাইব্রেরির এই দিকটা তে কোনো মানুষ নাই । এখানে তো এমন পরিবেশ থাকে না কোনো কালেই ।

একটু ভয় ভয় লাগলো অরিনের ।

আয়ানের কথা মত লাইব্রেরিতে প্রবেশ করতে আয়ান বলে উঠলো ;

Welcome janaaa

আয়ানের মুখে কিঞ্চিৎ বাকা হাসি । তবে অরিন তা লক্ষ্য করল না । বেশ খানিক টা কাছে এসে অরিন জিজ্ঞাসা করলো,

কি দেখাতে চান আপনি ..???

অত তারা কিসের তোমার ..??

আপনাকে দেখলে আমার অস্বস্থি লাগে ..!!

ইস! ভাবছিলাম তারা তারি যেতে দেবো তোমায় কিন্তু সরি তা আর হলো না ।

কেনো ..??

মুড চেঞ্জ হয়ে গেছে ।

অরিন অসহায়ের মতো করে তাকিয়ে আছে ।

আয়ানের ভালোই লাগছে অরিনের এভাবে দেখতে । এভাবে আরেটু সময় দেখার সুযোগ পেলে ক্ষতি কি..??

নীরবতা ভেঙে অরিন বলে উঠলো আপনি কিছু একটা দেখাতে চেয়েছিলেন ।

তো.??

যদি কিছু না দেখানোর থাকে তাহলে আমি চলে যাচ্ছি।

কি দেখতে চাও বলো ..??

আপনি কি দেখিতে চেয়েছিলেন ..??

আয়ান একটা শয়তানি হাসি দিয়ে বলল যা দেখতে চাও তাই দেখাবো ..!!!

অরিন বিরক্ত হয়ে চলে যেতে লাগলো ।

আচ্ছা দাড়াও দেখাইতেছি ।

ফোন টা এগিয়ে দিলো, সেখানে ওই দিন রাতে তোলা কিছু ছবি আর ভিডিও , দুজনেই অনেক লজ্জা জনক অবস্থায় ।

ছবি গুলো দেখে যেন অরিনের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল । সে যেন নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারছে না ।

আয়ানের দিকে অবাক হয়ে তাকালো অরিন ।

সাথে সাথে হাত থেকে ফোন টা নিয়ে নিলো আয়ান ।

অরিন যেন কিছু বলতে ভুলে গেল ।

কি চান আপনি ...???

তোমাকে ..!!

আপনি এভাবে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করতে পারেন না ।

আমি সব পারি ।

অরিন কান্না করে ফেলে ।

আয়ান অরিন কে বলল কান্না করো কেনো ..??

কেনো করছেন এই রকম...??

বলতেছি শোনো,,,

অরিন আয়ানের দিকে তাকাতেই আয়ান এক মুহূর্ত দেরি না করে , অরিনকে খুব হার্ডলি কিস করতে থাকে ।

আচমকিক এমন অবস্থা অরিন বুঝে উঠতে পারে না ।

কয়েক মুহূর্ত এভাবেই কেটে যায় ।

খানিক বাদে অরিন আয়ান কে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে । আয়ানের হাতে থাকা ফোন টা কেড়ে নিয়ে সজোরে ছুঁড়ে অনেক টা দূরে ফেলে দেয় ।

অরিন ভাবে ছিল আয়ান এমন ব্যবহার দেখে রেগে যাবে তবে ঘটলো ঠিক তার উল্টো টা ।

আয়ান বলল ফোন ছুঁড়ে ফেলতে তোমার খুব বেশি ভালো লাগে নাকি ..??

শুধু ফোন না সাথে আপনাকে আমার জীবন থেকে ছুঁড়ে ফেলতে পারলে ভালো লাগতো ।

ইস janaaa

এটা যে সম্ভব না ..!! তুমি আমায় তুলতে পারবে না । আমি কিন্তু তোমায় তুলতে পারব ,তবে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার সাধ্য আমার নাই ।

আর এখন থেকে তোমার জন্য ডর্জন খানেক ফোন কিনে রাখা লাগবে কখন আবার ফোন ছুঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করবে কে জানে ।

তোমার ইচ্ছা গুলা কে তো আর আমি অপূর্ব রাখতে

পারিনা । আগাম প্রস্তুতি রাখতে হবে ।

অরিন কিছু বলতেই যাবে তখন আয়ান অরিনের কানের কাছে মুখ নিয়ে বলে ওঠে ,

Janaa

এখানে কিন্তু সিসিটিভি ক্যামেরা আছে । এতক্ষণে হয়তো পুরো ক্যাম্পাসের মানুষ আমাদের এভাবে দেখে ফেলেছে

অরিন চোখ বড় বড় করে তাকায় আয়ানের দিকে ।

অরিন কি বলবে বা কি করবে তা কিছুই বুঝতে না ।

তবে অরিনের চোখে আতঙ্ক আর ভয় দুটো স্পষ্ট ।

এই সুযোগটাই যেন হাত ছাড়া করছে না আয়ান ।

কেনো এমন করতেছেন..??

আমার তোমাকে চাই । একা একা থাকতে পারতেসি না ।তোমাকে যখন ইচ্ছা তখন কাছে পাইতেছি না ।

আপনি তো এমন ছিলেন না ...??

আমি এমন ই তুমি জানো না তাই । আমার সাথে থাকতে শুরু করো অনেক কিছু জানতে পারবে।

আর যায় হোক আমি আপনার নিয়ে অন্তত আর কিছু জানতে চাই না ।

আয়ান একটা শয়তানি হাসি দিয়ে অরিনের অনেকটা কাছে এসে তার দিকে ঝুঁকে বলল ,

নতুন কাউকে চাই..??

এত নিচ মন মানসিকতা কেন আপনার..??

আমি মানুষটাই খারাপ ।

ওয়েট আরেকটা জিনিস দেখ....

অরিন কে একটা আইডি বের করে দেখায় আয়ান

দেখো তো অরিন এটা কে..??

ইভান ভাইয়া ...!!!

আমাদের video গুলো তোমার ভাইকে দিলে কেমন হয় বলো তো ...??

আপনি এমন করতে পারেন না ..!

আমি সব পারি ,তাই আমি যা বলি তাই করো । না হলে তোমার জাপানের থাকার স্বপ্ন দুর্শ্বপ্ন করে দেবো ।

আমি যদি জাপান থেকে চলে যাই তাইলে কি আপনি আমার পিছু ছেড়ে দিবেন ..??

জীবনেও না ..!!

শুধু জাপান কেনো । মরার পরেও আমি তোমায় একা ছাড়বো না । তাই আমাকে লুকিয়ে নিজের ছোটো মাথা টা শুধু শুধু খাটিয়ে উল্টা পাল্টা সিদ্ধান্ত নিও না ।

এর জন্য তোমাকেই suffer করতে হবে । তোমার গতিবিধির কথা না হয় বাদ ই দিলাম । তোমার প্রতিটা নিঃশ্বাস এর ওপর ও আমি নজর রাখি ।

তাই যা বলি তাই করো ,নিজেকে গুছিয়ে নাও তুমি আমার সাথেই থাকবে আর আমার ব্যাপারই জানবে ।

সোজা হোস্টেলে গিয়ে তৈরী হয়ে নাও । বিকেলে দেখা হচ্ছে ওকে।

অরিন যেন কোনো কিছু ভেবে পাচ্ছে না । কি ঘটে যাচ্ছে তার সাথে । জীবন ও কোন ধরনের পরীক্ষা নিচ্ছে।

এ কোন আয়ান কে দেখছে অরিন ।

আমি সবাই কে কি বলব ...??

ওটা পুরোপুরি তোমার ব্যাপার। যা ইচ্ছা বলো আমার কেনো সমস্যা নাই । আমার শুধু তোমাকে চাই । এক ভাবে আসলেই হয়।

হাজারো প্রশ্নের সম্মুখীন এ অরিনকে দার করিয়ে আয়ান নিজের মতো বেরিয়ে গেলো ।

💥অরিন চলল আয়ানের সাথে নতুন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে জানেনা তার জন্য সামনে আরো কত কি অপেক্ষা করছে।

আয়ান তার সাথে কি করতে চলেছে । সে কি নিরাপদ ...??

যাওয়ার পথে অরিনকে একটা ক্যাফেতে বসিয়ে আয়ান বলল আমি কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে আসছি তুমি এখানেই বসো ।

অরিন একা একা বসে আছে । ভাবছে তার সাথে এর পর কি কি হতে পারে । সে যেন এই পৃথিবীতে নাই । মনের মধ্যে এক নাম না জানা ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

১০ মিনিটের মধ্যে আয়ান ফিরে আসলো তার হাতে একটা পেপার ।

অরিনকে বলল এখানে সাইন করে দাও , তাছাড়া তোমাকে আমি আমার সাথে নিতে পারবো না ।

আমি যেতেও চাই না।

তুমি ভেবে দেখ এখন কিন্তু আর হোস্টেলে ফিরে যেতে পারবে না । রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ঘুরে রাত কাটাতে হবে । রাস্তায় পড়ে থাকা মাতালে রা তোমায় ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে ।

আমি আবার আমার খাবার অন্য কারো সাথে ভাগাভাগি করতে পছন্দ করি না ।

যা আমার তা কেবল মাত্র আমার ই। আমার না হলে আর কারো না ।

তাই চুপ চাপ সাইন করে দেও jannna,

কেনো ..??

কারণ আছে ,

অরিন বলতে লাগলো এটা কিসের পেপার ...???

আয়ান বলল তোমাকে আমার সাথে আমার অ্যাপার্টমেন্টে নিয়ে যাব এখন তুমি যদি গিয়ে আবার পুলিশকে বলো আমি তোমাকে জোর করে নিয়ে গিয়েছি তখন তো আমি উল্টো ঝামেলায় পড়বো ।

এই পেপারে লেখা আছে তুমি নিজ ইচ্ছায় আমার সাথে যাচ্ছ তোমাকে আমি কোনরকম জোরাজোরি করিনি।

বিশ্বাস না হলে পেপার তে পড়ে দেখতে পারো ।

অরিনার কথা বাড়ায় না পেপারটি সাইন করতে শুরু করে ।

আয়ান বলে আরে দাড়াও ভিডিও করে নেই আবার তুমি বলতে পারো আমায় দিয়ে জোর করে সাইন করিয়ে নিয়েছে ।

আয়ানের কান্ড দেখে অরিন সত্যি সত্যি ভয় পেতে লাগলো ।

আয়ান দুষ্টু হেসে বলল নিজের সেফটি সবার আগে । আমি তোমাদের মত মেয়েদের বিশ্বাস করিনা ।

আপনার বিশ্বাসী হতেও চাইনা..

তাই নাকি ..??

হ্যাঁ...

অরিন আর কিছু চিন্তা ভাবনা না করে পেপারটি তে সাইন করে দেয় একবার পড়েও দেখেনা ।

সাইন করা হয়ে গেলে সাথে সাথে এ পেপার টা অরিনের থেকে নিয়ে নেয় আয়ান ।

আয়ান মনে মনে বলে তুমি তো নিজে থেকেই আমার কাছে ধরা দিলে । আমাকে আজ অফিসিয়ালি তোমার ওপর সকল অধিকার খাটানোর অনুমতি দিয়ে দিলে নিজের অজান্তেই ।

তুমি নিজেও জানো না তুমি তোমাকে নিজ হাতে আমার কাছে সমর্পণ করলে ।

কথাটা ততদিন পর্যন্ত লুকানো থাক যতদিন পর্যন্ত না আমি সবকিছু নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারি

সময় হলে এই বিষয়ে তোমাকে অবশ্যই জানাবো।

আগে তুমি আমায় অনুভব করতে শেখো তারপরে আমি তোমার কাছে ধরা দেব তার আগে নয়।

তারপরে ক্যাফে থেকে বেরিয়ে অরিনকে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিল আয়ান ।

বাসায় ঢুকেই বলল তুমি একটু রেস্ট নাও আমি কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে আসছি ।

ঠিক আছে।

চিন্তা নেই বেশি অপেক্ষা করাবো না ।

জান তো ...

এত তাড়াতাড়ি জান বলে ডাকা শুরু করলে..???

কি..??

একটু তো লজ্জা শরম রাখো ...

নিজের রাগে নিজের চুল টেনে ছিড়তে ইচ্ছা করছে অরিনের ।

অরিনকে বাসায় রেখে আয়ান বেরিয়ে গেল । সাফরান তাকে বলল বিষয় টা কি তুই ঠিক করলি ।

এত কাহিনী করার কি ছিল ।

আয়ান দুষ্টু হেসে বলল অরিন কে আমার যে কোন মূল্যে লাগতো। যদি এর থেকেও বেশি কাহিনী করতে হতো তাহলে আমি তাই করতাম ।

তুই ওকে বলতে পারতি..

তোর কি মনে হয় আমি বললে অরিন আমার কাছে নাচতে নাচতে চলে আসতো..??

তাও ঠিক ।

এভাবে অসহায়তার সুযোগ নিলি । আসলে তুই চাস কি..??

আয়ান হেসে বলল এত আর কি...

যদি আরও কিছু করতে হতো অরিনকে আমার কাছে আনতে আমি তাই করতাম ।

তাকে জাপান পর্যন্ত আনতে কতটা বেগ পেতে হয়েছে তুই তো তা ভালো করেই জানিস ।

আড়ালে তো অরিনের জন্য ঠিকই পাগলামি করিস অথচ সামনে গেলে এরকম নাটক করিস কেন যেন তুই ওকে লক্ষ্য করিস না ।

শাফরানের প্রশ্নে আয়ান কোন উত্তর দিল না শুধু মুচকি হাসলো ।

আজ থেকে অরিনকে আমার সামনে ভাবি বলবি ঠিক আছে ..??

কি সত্যি..??

নয়তো কি । তোর তো ভাবি লাগে ,

আচ্ছা ..???

কবে থেকে অরিন আমার ভাবি হল বল..???

এখন থেকে প্রায় 30 মিনিট আগে ।

তুই কি সিরিয়াসলি বলতেছিস নাকি মজা করতেছি আমার সাথে..???

আয়ান মুচকি হাসল । এ যেন কেবল মাত্র হাসি নয় । এ যেন সাফরানের করা প্রশ্নের এক নীরব উত্তর।

চলবে...

01/02/2026

আমি একজন ছেলে,আমি নাজনীন
নামে একজন হোমিওপ্যাথি ডাক্তার
মেয়ে সাথে ৩ বছরের সম্পর্ক ছিল।
প্রথমে আমি সিরিয়াস না হলেও
পরে এক সময় আমি ওর প্রতি
সিরিয়াস হয়ে হতে বাধ্য হই। কারণ
টা বললে আপনারা ও অবাক হবেন।
৩ বছর আগে যখন ওর সাথে
আমার পরিচয় হয় তখন আমি
একদম বেকার ছেলে ছিলাম,তার
আর আমার ইচ্ছে ছিল বিয়ে
করার তাই একটা কিছু তো করতেই
হবে। নয়ত বিয়ে হবে না। আমার
এই অবস্থায় সে আমার সাথে
সর্ম্পক রাখে, আমার কেয়ার করে,
আমার যাবতীয় খোঁজখবর নেয়।
আমার জন্য বিভিন্ন চাকরির
খোঁজ করে নেয়। চাকরির নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তি খুঁজে খুঁজে এনে দিত
আমাকে। অবশেষে একটা
কোম্পানিতে জব হয় আমার। ওর
মায়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়,
ওর মাও আমাকে সাহস দেয়।
ধীরে ধীরে বিশ্বাস করি ও সিরিয়াস
হতে থাকি কিন্তু মেয়ের ফ্যামিলি
ইউরোপ প্রবাসী ছেলে ছাড়া না
বিয়ে দেবে না। তাই এখন আমাকে
ইউরোপ যেতে হবে নয়ত বিয়ে
হবে না। এত টাকা আমার কাছে
নেই। ইউরোপ জন্য ওই মেয়ে ৭
লাখ টাকা দিবে আমারে আর
বাকি টাকা আমাকে জোগাড়
করতে হবে। সে অনুযায়ী কাজ
চলতে থাকল প্রায় আড়াই বছর!
মেয়ে মা আমার জন্য তসবি
পড়ত, নফল নামাজ পড়ত
,দোয়া করত।ফোনে যখন কথা
বলব আমার জন্য কান্নাকাটি
করত। আমাকে উৎসাহ ও সাহস
দিত।
মেয়ে আমার কাছে ইউরোপের
জন্য ৩ লাখ টাকা দিয়ে রাখলো
ইউরোপের জন্য ফাইল জমা
দিতে। আমি একের পর এক
আবেদন করতে থাকি ওয়ার্ক
পারমিট এর জন্য কিন্তু কিছুই
হল না। এমন কোন কাজ বাকি
রাখেনি বাহিরে যাওয়ার জন্য।
বাহিরে যাওয়ার প্রসেস করার
জন্য প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ
টাকা আমারই খরচ হল। এই
মেয়ে সাথে বিয়ে করার জন্য
যা যা করতে বলছে আমি তাই
করেছি। ২য় বার তা আর ভাবি
নাই। অবশেষে
ওর ফ্যামিলি থেকে আর সময়
দেয়া হল না! এরপর সিদ্ধান্ত
হল যে অবস্থায় আছে এ
অবস্থায় আমি ওর পরিবারের
কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবো।
প্রস্তাব পাঠানো পরে ওর
ফ্যামিলি ও আগ্রহ সহকারে নিল।
এই দিকে আমার বড় ভাইয়ের
সাথে তার বাবার পূর্বে ঝামেলা
ছিল, আমার ভাই বোন সেটা
মানবে না অনেক কষ্টে রাজি
করালাম। এক মাসের মধ্যে ওর
সাথে বিয়ে হবে তার পরিবার ৪
বার সিদ্ধান্ত নিয়েও পরে বাদ দিল
আমাদের বিয়ে সব প্রস্তুতি প্রায়
সম্পন্ন করার তারপরও শেষ
দিকে তার ভাই নাকি বাদ দিয়ে
দিসে। আমি ইউরোপ প্রবাসী নয়
বলে। মেয়ে,মেয়ের মা,মেয়ের
বাবা ও ভাবি রাজি থাকার পরেও
শুধু ভাই রাজি নয় বলে বিয়ে টা
হয় নাই। যেহেতু আমি ইউরোপ
প্রবাসী নই আমার ব্যর্থতা মেনে
নিয়ে এই বিষয় টা বাদ দিয়ে
দিলাম তার ৩ লাখ টাকা ফেরত
দিয়ে দিলাম। আমি তারে বলতাম
চল কোর্ট ম্যারেজ করি/ পালিয়ে
বিয়ে করি কিন্তু সে তার বাবা
মাকে ছোট করে এই কাজ করবে
না। বাবার মায়ের মান সম্মান
নষ্ট করবে না। যদিও তার বাবা
মাও পালিয়ে বিয়ে করে। আমি
চাইলেও তারে উঠি নিয়ে আসতে
পারতাম সেই ক্ষমতাও আমার
ছিল কিন্তু এমন কাজ করলে মেয়ে
নাকি আত্মহত্যা করবে হুমকি
দিয়েছিল তাই করি নাই। তাই
সব বাদ দিয়ে দিলাম আমার ব্যর্থতা
মেনে নিয়ে কিন্তু এর ২ দিন পরেই
জানুয়ারি ২৩ তার বিয়ে হয়ে গেল
একজন ব্যাংকারের সাথে। যে
মানুষ আমার জন্য ৩ বছর
অপেক্ষা করল আর ৩ টা দিন সে
অপেক্ষা করতে পারেনি। আমি
এইটাও মেনে নিয়েছি কিন্তু যখন
শুনলাম ঐ ছেলের সাথে ৪/৫
বছরের সম্পর্ক ছিল সেটা শুনে
আমি আকাশ থেকে পড়লাম!এই
মেয়ে এইটা কি করে করতে
পারল? রাত ২/৩ টা পর্যন্ত আমার
সাথে কথা বলত, আমার ভালোর
জন্য নকল নামাজ পড়ত, প্রতি
সপ্তাহের নফল রোজা রাখত, পর্দা
করত। মাঝে মাঝে তার হাতের
রান্না করা খাবার নিয়ে আসত
আমি রাগ করলে কান্নাকাটি করে
অসুস্থ হয়ে যেত সারারাত ঘুমাতে
পারত না। তার শ্বাসকষ্ট হত। এ
অবস্থা দেখলে আমি আর রাগ
করে থাকতে পারতাম না তাকে
স্বাভাবিক করার জন্য সারারাত
জেগে কথা বলে তারে স্বাভাবিক
করতাম। এই মেয়ে কিনা আমারে
ছেড়ে অন্য ছেলেকে বিয়ে করেছে!
কিভাবে পারল সেটা করতে! ওর
বাসায় ফোন দিলাম ও ফোন
ধরে না। ওর মা বলে তোমার
নসিবে নাই তাই তোমার সাথে হয়
নাই আমার কিছু করার নেই!!!
খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি ঐ
ছেলের সাথে ৪/৫ বছরের প্রেম!
এই ছেলের সাথে যেকোন একটা
কারণে বিয়ে হচ্ছিল না। ঐ ছেলের
সাথে যেন সহজে বিয়ে টা হয় তাই
আমাকে সে ও তার ফ্যামিলি
ব্যবহার করেছে। ঐ ছেলের সাথে
তার অনেক বার শারিরিক সম্পর্ক
হয়েছে।
এই মেয়ের সাথে পরিচয় থেকে
এখন পর্যন্ত তার নাম্বার আমারে
দেয় নাই তার মা নাকি নাম্বার না
দিতে কসম খাইয়াইছে কিন্তু ঐ
ছেলের কাছে তার নাম্বার ছিল,
কথা বলত নিয়মিত।
তার ফেইসবুক পাসওয়ার্ড আমাকে
দেয়নি। ইমু whatsapp নাম্বারও
দেয়নি কিন্তু এগুলো সবই ছিল
ওই ছেলের কাছে।
আমার সাথে যোগাযোগের জন্য
আমারই আরেকটা আইডি দিয়ে
ও আমার একটা নাম্বার দিয়ে
হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ
করা হত।
বিশেষ প্রয়োজনে মায়ের নাম্বার
দিয়ে যোগাযোগ করত। তার স্মার্ট
ফোন ছিল কিন্তু ফোন দেখতে
দিত না ধরতে দিত না। তবুও তাকে
আমি নিজের চেয়ে অনেক বেশি
বিশ্বাস করতাম। এই তার বিশ্বাসের
প্রতিদান!
কিন্তু সবকিছু মেনে নিতে
পারলেও আমার সাথে ওরা মা-
মেয়ের এমন অভিনয় আর
প্রতারণা করছে মানতে পারছি না!
!! এত কান্নাকাটি, নামাজ,নফল
রোজা,এত দোয়া,এত সহানুভূতি
এইগুলো সব নাটক ছিল!
আমার সাথে তারা এইটা কেন
করল বুঝতে পারতেছি না। আমি
তাদের সাথে কি দোষ করলাম
আমার সাথে এত বড় প্রতারণা
করল! আমার বাবা-মা মারা
যাওয়ার সময় ও এত কান্না করি
নাই যতটা তার জন্য এখন
করতেছি। আমার মনকে আর
বুঝাতে পারছি না। আমি তাদের
প্রতারণায় আমি এখন এতটাই
অসুস্থ হয়ে গেছি যেকোন সময়
হার্ট এটাক বা ব্রেইন স্টোক
করতে পারি। প্রতি টা রাত নির্ঘুম
কষ্টে কাটে। যে মানুষ টা আমার
কথায় কষ্ট পাইলে অসুস্থ হত
বলে সারারাত জেগে তার মন
ভালো করতাম আমার মনে যতই
কষ্ট হত। যে মানুষ টাই আমার
সাথে প্রতি ঘন্টায় কথা না বলে
থাকতে পারত না সেই মানুষটাই
১০/১২ দিন ধরে কথা বলে না,
আমার খোঁজ নেয় না, আমারে
সব কিছু যে ব্লক মেরে দিছে!
শারীরিক ও মানসিকভাবে খুবই
অসুস্থ হয়ে গেছি। উল্টাপাল্টা
আচরণ করি কথা বলে, বাসার
সবাই এগুলা দেখে আমাকে
ডাক্তার এবং হুজুরের কাছে
নিয়ে গেছে। তারা ভাবতেছে
আমার জ্বীন-পুরী আছর করছে।
আমারে কে আছর করছে সেটা
আমি তো জানি।
বাসায় ভাই বোন কে এই
বিষয়ের যে আমি অসুস্থ বুঝতে
দেয়নি। তারা চিকিৎসা করতে
চাচ্ছে করুক বাধা দিচ্ছি না।
এই অবস্থায় আমার করনীয় কি!
সে তো ভাল আছে আমি
ভালো নেই। আমার অনেক
কষ্ট হচ্ছে। মনে হচ্ছে মরে যাব।
যে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে
তার জন্য আমি মরতে চাই না।
আমি এখন টেনশন মুক্ত, কষ্ট
মুক্ত থাকতে চাই। আমি তার মত
স্বার্থপর হয় ভালো থাকতে চাই।
আমি মরতে চাই না। এর পরেও
যদি মরে যাই আমি আমার
ডাইরিতে লিখে রেখেছি আমার
মৃত্যুর জন্য নাজনীন ও তার মা
দায়ী।
আমাকে আপনার একটু পরামর্শ
দেন নিজে ভালো রাখার জন্য
কি করব!!!
এই পোস্ট টা করার কারণ এই
পেইজ টা সে ফলো করে। এই
পেইজের সব পোষ্ট সে দেখে।
এই পোস্টের মাধ্যমে নাজনীনের
কাছে আমার ৪ প্রশ্ন আছে। এই
প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছিনা। হিসাব
মিলাতে পারছি না। এই শেষ
তোমার কাছে আমার জানতে
চাওয়া। আশা করি এটার উত্তর
দেবে কোন আইডি দিয়ে
whatsapp/নাম্বার দিয়ে।
আমার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড
এখনো চেঞ্জ করিনি তুমি যখন
তখন ঢুকবে বলে আমার
উত্তর টা দিবে বলে!!!
পেইজ এডমিন কাছে আমার
পরিচয়টা গোপন রাখার জন্য
অনুরোধ রইল

People with egos are like cheap clothes with high price tags. They are not really worth, what they advertise!
28/01/2026

People with egos are like cheap clothes with high price tags. They are not really worth, what they advertise!

27/01/2026

Your eyes is beautiful in love #

Dirección

Guadalupe

Notificaciones

Sé el primero en enterarse y déjanos enviarle un correo electrónico cuando ŔûƊôŘ publique noticias y promociones. Su dirección de correo electrónico no se utilizará para ningún otro fin, y puede darse de baja en cualquier momento.

Atajos

Compartir