26/12/2020
-->মুসলিম মনিষী পরিচিতি..........
আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী-----
#জন্মঃ- ১৯৪০ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার সাইদখালী গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
পিতার নামঃ ইউসুফ সাঈদী যিনি একজন স্বনাধন্য ইসলামী পণ্ডিত বা আলেম ছিলেন।
মায়ের নামঃ-গুলনাহার বেগম।
আল্লামা সাইদীর সন্তানঃ-
চার ছেলে- মরহুম রফিক সাইদী, শামীম সাইদী, মাসুদ সাইদী এবং নাসিম সাইদী।
#শিক্ষা_জীবনঃ- পিতার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় প্রাথমিক শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করেন।পরে তিনি খুলনা আলিয়া মাদ্রাসায় কিছুদিন এবং পরে ১৯৬২ সালে ছারছিনা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল পাশ করেন।কামিল পাশ করার পর বিভিন্ন ভাষা,ধর্ম,বিজ্ঞান ,রাজনীতি,অর্থনীতি,পররাষ্ট্রনীতি,মনোবিজ্ঞান ও বিভিন্ন তত্তের উপর দীর্ঘ ৫ বছর অধ্যায়ন করেন ।
#দায়ী_ইলাল্লাহঃ- ১৯৬৭ সাল থেকে তিনি নিজেকে “দায়িইলাল্লাহ” হিসেবে আত্মনিয়োগ করেন । মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইদী পৃথিবীর অর্ধশতেরও বেশি দেশে আমন্ত্রিত হয়ে ইসলামের সু-মহান আদর্শ মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন।দেশে তাঁর ৫০ বছরের ইসলাম প্রচারের নমুনা দেখুন সংক্ষেপে—
ক. চট্টগ্রাম প্যারেডগ্রাউন্ড ময়দানে প্রতি বছর ৫ দিন করে টানা ২৯বছর।পবিত্র কাবাশরীফের সম্মানিত ইমাম এ মাহফিলে দু’বার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
খ. খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দান সহ শহরের বিভিন্ন মাঠে প্রতি বছর ২ দিন করে ৩৮ বছর
গ. সিলেট সরকারী আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রতি বছর ৩ দিন করে টানা ৩৩ বছর
ঘ. রাজশাহী সরকারী মাদ্রাসা মাঠে প্রতি বছর ৩ দিন করে এক টানা ৩৫ বছর
ঙ. বগুড়া শহরে প্রতি বছর ২দিন করে এক টানা ২৫ বছর
চ. ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে ময়দান ও পল্টন ময়দানে প্রতি বছর ৩ দিন করে এক টানা ৩৪ বছর।
ছ. কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে তিনদিন ব্যাপী তাফসীর মাহফিল করেছে প্রায় ৩১ বছর।
#রাজনৈতিক_জীবনঃ-১৯৭৯ সালে জামায়াতের সাধারণ সমর্থক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৯ সালে জামায়াতের মজলিসে শুরার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।সর্বশেষ বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
#আন্তর্জাতিক_অঙ্গনেঃ-
ক. ১৯৭৬ সাল থেকে সৌদি আমন্ত্রনে রাজকীয় মেহমান হিসেবে তিনি হজ্জব্রত পালন করে আসছেন। ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর রমজান মাস মক্কা মদীনায় থাকা রুটিন হয়ে গিয়েছিল তাঁর।
খ. ১৯৮২ সালে ইমাম খমিনির আমন্ত্রনে ইরানের প্রথম বিপ্লব বার্ষিকী উজ্জাপন উপলক্ষে তিনি তেহরান সফর করেন । ১৯৯১ সালে সৌদি বাদশার আমন্ত্রনে কুয়েত – ইরাক যুদ্ধের মিমাংসা বৈঠকে তিনি যোগদান করেন । ১৯৯১ সালে ইসলামী সারকেল অফ নর্থ অ্যামেরিকা তাকে “আল্লামা”খেতাবে ভূষিত করেন ।
গ. ১৯৯৩ সালে নিউইয়ার্কে জাতিসঙ্ঘের সামনে অ্যামেরিকান মুসলিম ডে প্যারেড সম্মেলনে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইদিকে “গ্র্যান্ডমার্শাল “পদক দেয়া হয় ।দুবাই সরকারের আমন্ত্রনে ২০০০ সালের ৮ই ডিসেম্বর আরব আমিরাতে ৫০,০০০ হাজারেরও বেশি শ্রোতার সামনে তিনি কোরআনের তাফসির পেশ করেন ।
ঘ. লন্ডন মুসলিম সেন্টারের উদ্ভোধনি অনুষ্ঠানে কাবা শরিফের সম্মানিত ইমাম “শায়েখ আব্দুর রাহমান আস সুদাইসির” সাথে মাওলানা সাঈদি ও আমন্ত্রিত হন । মাওলানা সাঈদীর হাতে হাত রেখে ছয় শতাধিক অমুসলিম ইসলামের সুমহান আদর্শে দিক্ষিত হন ।
#অন্যান্য_তথ্যঃ-১ম কারাবরণঃ ১৯৭৫ সালে !
#হজ্বপালনঃ ১৯৭৬ সাল থেকে ২০১০ পর্যন্ত প্রতি
বছর !
#আল্লামা_উপাধীঃ ১৯৯১সালে ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা কতৃক আল্লামা উপাধি!
গ্রন্হ রচনাঃ ২০টি ।
#প্রিয়_রাজনৈতিক দলঃ জামায়াতে
ইসলামী বাংলাদেশ !
প্রিয় ছাত্র সংগঠনঃ ছাত্রশিবির এবং
ছাত্রী সংস্থা !
#প্রিয়_রাজনীতিকঃ আল্লামা মওদুদী
রহঃ !
#প্রিয়_বক্তাঃ শায়খ আঃ হামিদ কিশক
,আহমদ দীদাত এবং কামালুদ্দীন
জাফরী !
#প্রিয়_লেখকঃ আল্লামা মওদুদী , হাসানুল বান্না ,ডঃ মুরিস বুকাইলি,মাঃ আঃ রহিম এবং কৃষাণ চন্দর !
প্রিয় কবিঃ শেখ সাদী ,ওমর খৈয়াম ডঃ ইকবাল ,কাজী নজরুল এবং ফররুখ আহমথ !
প্রিয় বন্ধুঃ অধ্যাক্ষ মাওলানা সাইয়্যেদ
কামালুদ্দীন জাফরী !
#ভয়ঃ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে !
ঘৃনাঃ দাম্ভিকতা ,কৃতঘ্নতা ,সময় অসচেতনতা এবং গিবত !
#স্বপ্নঃ বাংলাদেশে ইসলামী শাসন বাস্তবায়ন !
#কামনাঃ শহীদি মৃত্যু !💘
অবসরেঃ অধ্যয়ন ,আত্নীয় স্বজনদেরকে সঙ্
দান !
#স্বরনীয়_মুহূর্তঃ প্রথম কাবা দর্শন
★★জীবনের_আদর্শ_পুরুষঃ ★★💖💖হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)💖💖
২য় গ্রেফতারঃ ২৮ জুন ২০১০! এখন কথিত যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যু দন্ড এবং আপিলে যাবজ্জীবন জেল হওয়ায় তিনি জেল খানায় বর্তমান। তাকে ভালবেসে তার অবৈধ রায়কে কেন্দ্রকরে আন্দোলন ও প্রতিবাদ মিছিল করতে গিয়ে প্রায় ১৫৪ এরও বেসি বাংলাদেশি বনি আদম শহিদ হন, তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি।
সেই সাথে "আসুন আমরা সবাই কুরআনের পাখির জন্য প্রাণ উজার করে তার মুক্তির জন্য মহান রবের নিকট দোয়া করি" আমিন।