Smts TV Plus

Smts TV Plus SMTS Plus. known as “SMTS Plus” is a News & Programme
of malaysia. This page is the authorized page of SMTS Plus. This page is the authorized page of SMTS Plus

is the most popular Bengali Digital Media that offers unbiased & comprehensive News.

মালয়েশিয়ায় কারো মাল্টিপল ভিসা হচ্ছে না সিঙ্গেল এন্ট্রি হচ্ছে, মাল্টিপল  ভিসা হচ্ছে  এই সমস্ত নিউজ ভুয়া।বাংলাদেশ সরকা...
08/09/2025

মালয়েশিয়ায় কারো মাল্টিপল ভিসা হচ্ছে না সিঙ্গেল এন্ট্রি হচ্ছে, মাল্টিপল ভিসা হচ্ছে এই সমস্ত নিউজ ভুয়া।

বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশের যত টেলিভিশন পত্রিকা আছে যত হাতডাক করে নিউজ দেখেছেন মালয়েশিয়া তে যত সোশ্যাল মিডিয়া পত্রিকাতে সাংবাদিক আছে উত্তেজনায় ভরপুর নিউজ দেখেছেন খুশির আনন্দর জোয়ার দেখেছেন সবই মিথ্যে এবং মলিন মালয়েশিয়ায় মাল্টিপল ভিসা হচ্ছে পারমিশন পেয়েছে এই সমস্ত সব নিউজ ভুয়া। আজকে কয়েকজনের সাথে কথা বলেছি, তাদেরও ভিসা মাল্টিপল হয়নি সিঙ্গেল এন্ট্রি হয়েছে। আজকে আমার হাতে একটি ভিসা কপি এসেছে সেটা তো সিঙ্গেল এখনো আছে এই কিছু খন আগে হয়ছে ভিসাটা সিঙ্গেল এন্ট্রি। মাল্টিপল ভিসা কারো হচ্ছে না। মাল্টিপল কারো হয়ে থাকলে প্রমাণ দিন, আমি প্রবাসী সাংবাদিক বাপ্পির দা সাথে কথা বলেছি সেও কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছে তাদেরও মাল্টিপল ভিসা হয়নি, তার প্রমাণ সহ দিলাম সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা।বাংলাদেশী প্রবাসীদের কোথাও দাম ও মূল্যায়ন আছে বলে আমার মনে হচ্ছে না ।

06/09/2025

বাগেরহাটে ৩ দিনের হরতাল ডাকলো বিএনপি-জামায়াতসহ সর্বদলীয় কমিটি
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে একটি কমিয়ে তিনটি সংসদীয় আসন করে সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে ৩ দিন হশনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট শহরের ধানসিঁড়ি মিলনায়তনে এক জরুরী সভা শেষে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা।ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী, রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাটে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন, সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাটে হরতাল ও অবরোধ, নির্বাচন কমিশন অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান, ৯ তারিখ বিক্ষোভ মিছিল, ১০-১১ আবারও হরতাল।

এছাড়া বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জাকির হোসেন, এ্যাড. ওয়াহিদুজ্জামান দীপু ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এ্যাড আব্দুল ওয়াদুদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান বিএনপি নেতা এম এ সালাম।এ সময় জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সম্মিলিত কমিটির কো কনভেনর এমএ সালাম, জূমায়েতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এ্যাড আব্দুল ওয়াদুদ, সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস আলী, যুব বিভাগের প্রধান মনজুরুল হক রাহাত, বিএনপি নেতা শেখ মুজিবুর রহমান, ওয়াহিদুজ্জামান দীপু, খান মনিরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা,কামরুল ইসলাম, শমসের আলী মোহন, খাদেম নেয়ামুল নাছির আলাপ, হাফিজুর রহমান,ফকির তরিকুল ইসলাম ফকির তারিকুল ইসলাম, নাসির আহমেদ মালেক সহ সর্বদলীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটে চারটি আসন ছিল। ৩০ জুলাই দুপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি অংশ কমিয়ে জেলায় তিনটি আসন করার প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। প্রতিবাদে একের পর এক কর্মসূচি দিতে থাকে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। চারটি আসন বহল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন বাগেরহাটের নেতাকর্মীরা। তার বিপরীতে গেল ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচ

জাহ্নবী কি প্রযোজকদের বোঝানয় নয় করে সাত বছরে গড়িয়েছে জাহ্নবী কাপুরের ক্যারিয়ার। এর মধ্যে অভিনেত্রীর ঝুলিতে বলার মতো সিন...
06/09/2025

জাহ্নবী কি প্রযোজকদের বোঝা
নয় নয় করে সাত বছরে গড়িয়েছে জাহ্নবী কাপুরের ক্যারিয়ার। এর মধ্যে অভিনেত্রীর ঝুলিতে বলার মতো সিনেমা আছে কমই। সিনেমা পরিবারের মেয়ে জাহ্নবী। মা প্রয়াত অভিনেত্রী শ্রীদেবী, বাবা বনি কাপুর। তাই তাঁর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে প্রায়ই। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন বনি কাপুর।
আজকাল অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিক বেড়েছে, এ ছাড়া তাদের নানা ধরনের খরচ প্রযোজকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। এসব নিয়েই কথা বললেন অভিজ্ঞ প্রযোজক বনি কাপুর। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার উদাহরণ টেনে তিনি জানালেন, তাঁর মেয়ে জাহ্নবী কাপুর কিংবা ভাই অনিল কাপুর অনেক সময় নিজেদের খরচ নিজেরাই বহন করেছেন, যাতে প্রযোজনার ওপর বাড়তি চাপ না পড়ে।জাহ্নবী নিজেই খরচ চালান
‘গেম চেঞ্জার্স’ ইউটিউব চ্যানেলকে বনি কাপুর বলেন, ‘জাহ্নবী যদি একটা ছবির শুটিং করছিল আর অন্য ছবির জন্য অন্য শহরে যেতে হতো, তবে নিজের টিকিট নিজেই কিনত। প্রযোজকের ওপর বোঝা চাপাত না। এমনকি কোনো আত্মীয় বন্ধু বা সহকারী যদি তাঁর সঙ্গে যেত, সেসব খরচও আমি দিয়েছি। এমনকি আমি নিজে ওদের দেখতে গেছি, নিজের টিকিট আর হোটেলের খরচ নিজেই দিয়েছি।’অনিল কাপুরের পুরোনো অভ্যাস
আলোচনায় উঠে আসে অনিল কাপুরের ক্যারিয়ারের প্রথম দিককার অভিজ্ঞতাও। বনি জানান, পাঁচ তারকা হোটেলে লন্ড্রির খরচ বেশি বলে অনিল কাপড় ধোয়ার জন্য দিতেন না। শুটিং শেষে সব নোংরা কাপড় ঘরে নিয়ে আসতেন। এ নিয়ে তাঁদের মা রেগে যেতেন।অনিল তখন বলতেন, ‘মা, কী করব? হোটেলের লন্ড্রির খরচ খুব বেশি।’ তবে সময়ের সঙ্গে সেটাও বদলেছে, কারণ চারপাশে সবাই যখন এসব করছে, তখন তাঁকেও মানিয়ে নিতে হয়েছে।

বাড়তি খরচের জটিলতা
সিনেমার শুটিংয়ে অন্য খরচের বিষয়ে বনি কাপুর বলেন, ‘আজকের দিনে প্রতিটা তারকার সঙ্গে কমপক্ষে এক থেকে পাঁচ লাখ টাকা বাড়তি খরচ জুড়ে যায়, শুধু তাঁদের টিমের জন্য। এর মধ্যে স্টাইলিস্টদের পারিশ্রমিকও পড়ে। এসব নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার। আমি নিজে চেষ্টা করেছি, কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনতেও পেরেছি। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।’

সমস্যা কোথায়?
এর আগে হিন্দি সিনেমার বাড়তি বাজেট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন অনুরাগ কশ্যপ। বনি কাপুর মনে করেন, সমস্যাটা কেবল প্রযোজকের নয়, পুরো ব্যবস্থার। আগের মতো প্রযোজক নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করে ছবি বানাচ্ছেন না। এখন বেশির ভাগ ছবি বানাচ্ছে করপোরেট স্টুডিও।তাঁর ভাষ্যে, ‘আজকাল ৯০ শতাংশ ছবিই টেবিলে বানানো হয়। অভিনেতা একজন না থাকলে অন্যজনকে নেওয়া হয়। করপোরেট কোম্পানিগুলো যে কোনো খরচ মেটাতে রাজি। এ কারণেই অভিনেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে আছেন।’

অনিল কাপুরের সতর্কবার্তা
গত বছরও অনিল কাপুর হিন্দি সিনেমার বাড়তি খরচ প্রসঙ্গে খোলাখুলি কথা বলেছিলেন। তিনি মনে করেন, তারকাদের পারিশ্রমিক আর আনুষঙ্গিক খরচ এত বেশি যে ভালো মানের ছবি বানানো কঠিন হয়ে পড়ছে। ‘স্ক্রিন’ সাময়িকীতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘অভিনেতা, অভিনেত্রী, টেকনিশিয়ান—সবাইকে আরও বাস্তববাদী হতে হবে। আমার পরিবারও প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। আমরা চেয়েছি ভালো ছবি বানাতে, কিন্তু তারকাদের ফি আর টিমের খরচ এত বেশি ছিল যে অর্থ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছিল।’

জাহ্নবী এখন
জাহ্নবীকে সবশেষ দেখা গেছে ‘পরম সুন্দরী’ সিনেমায়। এটি আসলে এক আন্তসাংস্কৃতিক প্রেমকাহিনি। দিল্লির ছেলে পরম আর কেরালার মেয়ে সুন্দরীর দেখা হওয়া, পরিচয়, প্রেমে পড়া এবং নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে গল্প। দিনেশ বিজন প্রযোজিত ও তুষার জলোটা পরিচালিত ছবিতে জাহ্নবী জুটি বেঁধেছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে। মুক্তির আগেই সিনেমাটির দুই গান ‘পরদেশিয়া’ ও ‘বিগি শাড়ি’ আলোচিত হয়। মুক্তির পর প্রথম সাত দিনে প্রায় কোটি রুপি ব্যবসা করেছে সিনেমাটি।

সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে সামিরা সাক্ষাৎকারে যা বলেছেন‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর রাতারাতি তারকাখ্যাতি...
06/09/2025

সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে সামিরা সাক্ষাৎকারে যা বলেছেন
‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান সালমান শাহ। প্রথম ছবিতেই তিনি বাজিমাত করেন, অভিনয় দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নেন। এরপর একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। নব্বইয়ের দশকের ফ্যাশন আইকনে পরিণত হন তিনি। তাঁর চুলের কাট, সানগ্লাস, জিনস-টি-শার্ট—সবই হয়ে উঠেছিল ট্রেন্ড। তরুণ প্রজন্ম তাঁকে অনুসরণ করত চোখ বন্ধ করে। তাঁর স্বাভাবিক অভিনয়, সহজাত সংলাপ বলার ভঙ্গি, পর্দায় রোমান্টিক আবেগ ফুটিয়ে তোলার দক্ষতা বদলে দিয়েছিল ঢালিউডের চিত্র। কিন্তু হঠাৎ সব শেষ—১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে বিদায় নিলেন তিনি। মৃত্যুর ২৯ বছর পার হলেও প্রশ্ন থেকে গেছে—আত্মহত্যা নাকি হত্যা?
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনে সালমান শাহর বাসা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করেন সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। দুই যুগ ধরে আদালতে ঝুলে থাকা মামলার প্রথমে তদন্তভার পায় পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), এরপর নানা সংস্থা ঘুরে ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। মামলার রায় না হওয়ায় সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে, নাকি তিনি আত্মহত্যা করেছেন, ২৯ বছরেও সেই জট এখনো খোলেনি।চিত্রনায়ক সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী বরাবরই বলে আসছেন, তাঁর চিত্রনায়ক ছেলে আত্মহত্যা করেনি। পরিকল্পিতভাবে তাঁকে খুন করা হয়েছে। অন্যদিকে তৎকালীন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সাবেক প্রধান বনজ কুমার মজুমদার জানিয়েছিলেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন, তাঁকে খুন করা হয়নি।’ মৃত্যুর ২৬ বছর পরও যেন সালমানের মৃত্যুর রহস্য কাটছে না। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় সালমানের হঠাৎ মৃত্যুকে কেউ আত্মহত্যা, কেউ হত্যা বলেছে।
২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সালমানের জন্মদিন উপলক্ষে দেশের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয় সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরার। সেখানে সামিরা জোর দিয়ে জানিয়েছেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন। শুধু তা–ই নয়, এর আগেও তিনবার তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
সাবেক স্বামী সালমান শাহর মৃত্যুর প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেন সামিরা। বেসরকারি চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সামিরা বলেছেন, ‘আত্মহত্যা যারা করে, তারা তো কিছু বলে করে না। এখন নীলা চৌধুরী বারবার বলেন, সামিরাকে কেন রিমান্ডে নেওয়া হয় না। একটা বাসায় একটা বাচ্চা যখন আত্মহত্যা করে, সে বাচ্চার মা–বাবাকে কি আমরা উঠিয়ে নিয়ে চলে যাই? তাহলে আমাকে কেন উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে? ইট ইজ সুইসাইড।’

কেন এটি সুইসাইড, সেই ব্যাখ্যা নিজেই দিলেন সামিরা। বললেন, ‘ও (ইমন) মেন্টালি সুইসাইডাল বাই নেচার। এর আগে তিনবার সুইসাইডের চেষ্টা করেছে। মেট্রোপলিটন হাসপাতালের রেকর্ড চেক করলে জানা যাবে। ওখানে দুবারের রেকর্ড আছে। আরেক হাসপাতালে একবার আছে। তিনটাই আমার বিয়ের আগে। তিনটা ঘটনাই আমি জানি। একবার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে করেছিল। আরেকবার আমাকে বিয়েতে রাজি করানোর জন্য করেছে। আরেকবার ওর কিছু একটা হয়েছিল, সেটার জন্যও করেছিল।’
কথাপ্রসঙ্গে সামিরা এ–ও বললেন, ‘একটা কথা বলতে চাই, ইমন কিন্তু ছবিতে ক্যারিয়ার করতে চায়নি। সে পড়াশোনা করতে চেয়েছিল। কিন্তু ও যখন এসএসসিতে পড়ে, তখন একটা ঘটনার কারণে, এরশাদ (হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ)–সংক্রান্ত, নীলা চৌধুরীকে নিয়ে, সেই ঘটনায় ওই সময় নীলা চৌধুরী জেলেও যান, ময়মনসিংহ কারাগারে ছিলেন। ইমন কিন্তু একদিনও মাকে দেখতে যায়নি জেলে। কেন? তখন তো ওর লাইফে আমি নাই। আমার তো ১৯৯২ সালের ২০ ডিসেম্বর বিয়ে হয়েছে। আর এ ঘটনা জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি কিংবা মার্চের দিকের। ইমন কিন্তু তাঁর মাকে মা, আম্মা এসব ডাকত না। মহিলা বলে ডাকত। আমাদের সামনে অবশ্য ওভাবে বলত না। শুটিং সেটে যখন নীলা চৌধুরী যেতেন, তখন ইমন বলত, মহিলা আসছে। ডলি জহুর আন্টি একদিন সেটে থাকা অবস্থায় এমন ঘটনা ঘটেছিল। তখন বকা দিয়ে ইমনকে বলেছিল, “তুই এভাবে ডাকছিস কেন? তোর তো মা হয়।” ইমন তখন হেসে উড়িয়ে দিয়েছে।’সামিরা আরও বললেন, ‘ইমনের মনে অনেক কষ্ট আগে থেকেই ছিল। ইমন অনেক কিছু দেখে বড় হয়েছিল, যেগুলো ওর দেখার দরকার ছিল না। এগুলো নিয়ে বাচ্চাদের হয় কী, আমরা এখন যেমন হিউম্যান সাইকোলজি নিয়ে অনেক পড়াশোনা করি, তখন তো এগুলো করতাম না। তখন আমাদের কোনো কাউন্সেলিংয়ের সুযোগও ছিল না। ছিল না রিহ্যাবিলিটিশেনরও। এখন রিহ্যাব আছে, কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা আছে। আমরা তেমন কিছু অনুভব করলে কারও সঙ্গে আলাপ করে তা ভাঙার চেষ্টা করি, বোঝার চেষ্টা। তখন তো ইমন এসব কাউকে বলতে পারেনি। সালমান শাহ হওয়ার পর তো আরও বলতে পারেনি। যাকে বলবে, এটা নিউজ হয়ে যাবে।’
এদিকে চিত্রনায়ক সালমান শাহ মা নীলা চৌধুরী বলেছেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করে মরেননি। পরিকল্পিতভাবে তাঁকে খুন করা হয়েছে। প্রথম আলোকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ নিয়ে কথা বলেন। নীলা চৌধুরী বলেন, সালমান শাহ যেদিন মারা যান, সেদিন সকাল নয়টায় তাঁকে দেখতে বাসায় গিয়েছিলেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরী। বাসার গেট থেকে সালমানের স্ত্রী সামিরা আমার স্বামীকে বলেছিলেন, ‘সালমান টায়ার্ড, ঘুমাচ্ছে। তাকে ডাকা যাবে না।’ তখন তিনি আমাদের গ্রিন রোডের বাসায় চলে আসেন। এর দুই ঘণ্টা পর সালমানের বাসা থেকে এক ব্যক্তি টেলিফোন করে বলে, ‘সালমানের কী যেন হয়েছে। আপনারা আসেন।’

সালমানের মা আরও বলেন, সঙ্গে সঙ্গে ওই বাসায় গিয়ে দেখি, তাঁর নিজ রুমে সালমানের নিথর দেহ পড়ে আছে। পাশে তাঁর স্ত্রী। যখন বলছিলাম, “ওকে হাসপাতালে নিতে হবে।” তখন সামিরা চিৎকার করে আমাকে বলল, “গেট আউট ফ্রম হাউস।” এরপর সালমানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলাম কিন্তু তার স্ত্রী কখনো আসেনি।’তদন্ত প্রসঙ্গে নীলা চৌধুরী বলেন, ঠিকমতো তদন্ত হয়নি। হলে বেরিয়ে আসত, ‘সালমান আত্মহত্যা করেনি। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।’ প্রসঙ্গক্রমে ‘শাবনূর-সামিরা দুজনের আচরণ রহস্যজনক’ বলে মন্তব্য করেন নীলা চৌধুরী। নায়ক সালমান শাহ মারা যাওয়ার পর শাবনূর কোনো দিন সালমান শাহর মায়ের সঙ্গে দেখা না করার বিষয়টি নীলা চৌধুরীকে পীড়া দেয় বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘একটা মানুষ মারা গেলেও বন্ধুবান্ধব–শুভাকাঙ্ক্ষীরা শেষবিদায়ে আসে। কিন্তু শাবনূর আসে নাই। অথচ আমার সালমানের সবচেয়ে বেশি স্নেহের ছিল সে। দেশের বাইরে গেলেও সালমান শাহ তার জন্য অনেক কিছু কিনে আনত। এখন ইমনকে ঘিরে যে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পিবিআই প্রতিবেদন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেটা নিয়ে চুপ কেন শাবনূর। সে কেন প্রতিবাদ করে লিখিতভাবে কিছু বলছে না। কেন বলছে না এটা মিথ্যা, এটা ষড়যন্ত্র। শাবনূরের এত ভয় কিসের। কেন ভয়ে পালিয়ে আছে এত দিন। তার কারণ ইমন যে হত্যার শিকার হবে, শাবনূর সবই জানত। সে জেনেও আমাদের কিছু জানায়নি। আমার রাগটা এখানেই। ইমন মারা যাবার পর সেই সামিরার সঙ্গে শাবনূরের দোস্তি হয়ে গেল। তারা বান্ধবী। যদি প্রেম থাকত, তাহলে শাবনূর সামিরার বান্ধবী হলো কী করে?’ নীলা চৌধুরী আরও বলেন, ‘ইমন (সালমান) মারা যাবার পর সামিরার সঙ্গে শাবনূরের সম্পর্ক আরও ভালো হলো। তারা বান্ধবী হয়ে গেল। এটা কোন ধরনের বন্ধুত্ব হলো? এখন বেহুদা শাবনূর আমার ছেলের ওপর কলঙ্ক দিচ্ছে।’কান্নাজড়িত কণ্ঠে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘সামিরা আমার ছেলেকে সবচেয়ে বেশি টর্চার করেছে। ২৪ বছর ধরে সামিরাও আমার সঙ্গে কথা বলে না, তার কারণ সে ফেঁসে যাবে। এখন ন্যাকামি করে। আগে নাম ধরে বলত নীলা চৌধুরী, এখন বলে আমার আগের শাশুড়ি, ইমনের মা, ইমনের আম্মা। এত ভালোবাসা হঠাৎ কোথা থেকে আসে।’

জাতীয় পার্টির রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের আইডিয়া ভারতের দেওয়া: সারজিস আলমজাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠ...
06/09/2025

জাতীয় পার্টির রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের আইডিয়া ভারতের দেওয়া: সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘আমরা শুনলাম আওয়ামী লীগের নাকি যারা ভালো নেতা ছিল, তাদের নাকি জাতীয় পার্টি এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন দেবে। আসলে সবচেয়ে বড় কথা হলো, চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের যে গল্প এই আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান (মোস্তাফিজার রহমান) দিতেছে, এই রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের আইডিয়া হইতেছে ভারতের দেওয়া। এই আইডিয়া অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হবে না।’

আজ শনিবার সন্ধ্যার আগে পঞ্চগড় শেরেবাংলা পার্ক-সংলগ্ন জেলা কুলি শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে কুলিশ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা স্পস্ট করে একটা কথা বলি, এই বাংলাদেশে যারা ২০০৯-এ বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, শাপলায় আমাদের আলেম ভাইদের ওপরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, এই চব্বিশের অভ্যুত্থানে হাজারের বেশি ছাত্র-জনতাকে খুন করেছে, সেই খুনিরা এই বাংলাদেশে কখনো রাজনীতি করতে পারে না।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘যেভাবে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বা দলীয় সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় দোসর, আওয়ামী লীগের অবৈধ নির্বাচনের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা জাতীয় পার্টির কার্যক্রম একইভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আইনগত প্রক্রিয়ায় স্থায়ীভাবে আওয়ামী লীগ ও তার বি টিম জাতীয় পার্টিকে বাংলাদেশ থেকে চিরতরে রাজনীতির জায়গা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।’সারজিস আলম আরও বলেন, ‘তাদের (জাতীয় পার্টির) সাহস কীভাবে হয় গণ অধিকার পরিষদের মতো একটা দল নিষিদ্ধ নিয়ে কথা বলার। গণ অধিকার পরিষদের আমাদের নুর ভাই ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে আমাদের সহযোদ্ধা। তাঁর অনেক কাজের আমরা সমালোচনা করতে পারি, আমাদের দ্বিমত থাকতে পারে, এটা আলাদা হিসাব। কিন্তু শেখ হাসিনার সময়ে তার ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ-যুবলীগের গুন্ডাদের মাইর খেয়ে রক্তাক্ত হয়ে রাস্তাঘাটে তাঁকে পড়ে থাকতে হয়েছে। তারা রাজপথ থেকে গণমানুষের সমন্বয়ে সংগঠিত হওয়া একটা দল।’

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে সারজিস বলেন, ‘আপনাদের এ ধরনের ফ্যাসিস্টদের দোসরদের প্রতি নমনীয় আচরণ আপনাদের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আস্থার সংকট তৈরি করছে। আপনারা শুধু একটা গতানুগতিক সরকারের দায়িত্ব পালন করার জন্য যাননি। আপনারা এতজন মানুষের জীবনের-রক্তের ওপর দিয়ে সংস্কার করতে গেছেন। কে কী অপরাধ করেছে, এটার ডকুমেন্টারি দেখানো আপনাদের কাজ না। এটার পেছনে কারা দায়ী, তাদের বিচার নিশ্চিত করা, যারা খুনি তাদের ফাঁসির মঞ্চে বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়া আপনাদের কাজ।’

খেলাপি ঋণে এশিয়ায় শীর্ষে এখন বাংলাদেশগত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংক খাতের লুকানো খেলাপি ঋণ বের হয়ে আ...
06/09/2025

খেলাপি ঋণে এশিয়ায় শীর্ষে এখন বাংলাদেশ
গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংক খাতের লুকানো খেলাপি ঋণ বের হয়ে আসছে। আবার আওয়ামী লীগ নেতা ও তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ঋণও খেলাপি হয়ে যাচ্ছে। তাতে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ এক বছরের ব্যবধানে ১২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংক খাতের বিতরণ করা ঋণের এক-চতুর্থাংশের বেশি এখন খেলাপি। আর তাতেই খেলাপি ঋণে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে এখন বাংলাদেশের নাম।

সম্প্রতি প্রকাশিত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক প্রতিবেদনে খেলাপি ঋণের দিক থেকে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের শীর্ষে উঠে আসার বিষয়টি উঠে এসেছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর আর্থিক বিভিন্ন সূচকের অবস্থা নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তবে খেলাপি ঋণের তুলনায় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে ২০২৩ সালের তথ্য। তাতেই বাংলাদেশ শীর্ষে।

সার্বিক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী প্রথম আলোকে বলেন, আগে বিভিন্ন সময় ছলচাতুরী করে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণ কম দেখানো হতো। আবার সহজে ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠন করার কারণেও খেলাপি ঋণ কম ছিল। এখন ঋণমানে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করা শুরু হয়েছে। আবার ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা ও আওয়ামী সমর্থিতদের ব্যবসা খারাপ হয়ে পড়ায় খেলাপি ঋণ বাড়ছে।

মুস্তফা কে মুজেরী আরও বলেন, খেলাপি ঋণ এভাবে বাড়তে থাকলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে উদ্যোগ নিতে হবে। যাঁরা ভালো ব্যবসায়ী, তাঁরা যেন আবার ব্যবসা শুরু করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি

এডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে। ২০২৩ সাল শেষে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৬ শতাংশ। এডিবির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে প্রতিবছরই বাংলাদেশের খেলাপি ঋণের হার বেড়েছে। ২০২১ সালে এই হার ছিল ৮ শতাংশ, ২০২২ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ দশমিক ৭ শতাংশে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের মতো ২০২১ সাল থেকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে নেপাল ও শ্রীলঙ্কার। বাকি দেশগুলোর খেলাপি ঋণ কমেছে। যেমন ভুটানের খেলাপি ঋণের হার ২০২০ সালে ছিল ১১ দশমিক ৭ শতাংশ, যা ২০২২ সালে কমে হয়েছে ৩ শতাংশ। ভারতের খেলাপি ঋণের হার ২০২০ সালে ছিল ৭ দশমিক ৯ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে কমে হয়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ। মালদ্বীপের খেলাপি ঋণ এই সময়ে ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।

এডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম খেলাপি ঋণের হার চীনের তাইপে ও হংকংয়ে। আর বাংলাদেশের পর সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণের হার কিরগিজস্তানে। তবে দেশটির খেলাপি ঋণের হার কমছে। ২০২২ সালে দেশটির খেলাপি ঋণের হার ছিল ১২ দশমিক ৫ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০২৪ সাল শেষে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার ছিল ২০ দশমিক ২০ শতাংশ। আর সর্বশেষ গত জুন শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৪২৮ কোটি টাকায়, যা বিতরণ করা মোট ঋণের ২৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংক খাতের বিতরণ করা মোট ঋণের চার ভাগের এক ভাগের বেশি খেলাপি হয়ে গেছে।

এডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম খেলাপি ঋণ তাইপে ও কোরিয়ার। দেশ দুটির খেলাপি ঋণের হার যথাক্রমে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ ও শূন্য দশমিক ২ শতাংশ।

কেন বাংলাদেশ শীর্ষে

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে যে অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে, তা এখন খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হতে শুরু করেছে। আবার ঋণ খেলাপি হওয়ার নিয়ম আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কারণেও দেশে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। যেসব ঋণ নবায়ন করা হয়, তার অনেকগুলো আদায় হচ্ছে না। অনিয়মের কারণে অনেক ঋণকে খেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে, যা সামনে আরও বাড়তে পারে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে, তখন মোট খেলাপি ঋণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। এর পর থেকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। অর্থনীতিবিদেরা অনেক দিন ধরেই অভিযোগ করছিলেন যে আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালীরা নানা অনিয়মের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বের করে নিয়ে যাচ্ছেন, যার একটা বড় অংশই বিদেশে পাচার হয়ে গেছে।

সূত্রগুলো বলছে, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ও বহুল সমালোচিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হওয়া ব্যাংকগুলোর ঋণের প্রকৃত চিত্র বের হতে শুরু করেছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেশি বেড়েছে। একইভাবে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংকের খেলাপি ঋণও বেড়েছে। এই পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি সরকারি খাতের অগ্রণী ও জনতা এবং বেসরকারি খাতের আইএফআইসি, ইউসিবি, এনআরবি ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের খেলাপি ঋণও বাড়ছে।

জানা গেছে, খেলাপি হয়ে পড়া প্রায় ১ হাজার ৪০০ প্রতিষ্ঠান ঋণ পুনর্গঠনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০০ প্রতিষ্ঠানের ঋণ নিয়মিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন নীতিমালা তৈরি করে ব্যাংকগুলোকে ঋণ পুনর্গঠনের সুযোগ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নীতিমালায় ১ শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ঋণ পুনর্গঠনের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে ঋণ পরিশোধে যতটা সময় বিরতি পাবে, ওই সময়ে সুদ পরিশোধ করতে হবে। এর ফলে খেলাপি ঋণ কমে আসবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন পবিসের সহ-দপ্তর সম্পাদক অ...
06/09/2025

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন পবিসের সহ-দপ্তর সম্পাদক অঞ্জু রানী মালাকার।

তিনি বলেন, একাধিকবার কমিটি গঠনসহ সংকট সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখি আশ্বাস দেওয়া হলেও কিছুই বাস্তবায়ন করেনি বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়। আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতি, বদলি, বরখাস্তসহ নানা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিয়ে হয়রানি করছে। এর ফলে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ সময় অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত ও বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বরখাস্ত আদেশ বাতিল এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।গণছুটির ঘোষণা পবিসের, বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের
আশঙ্কাপল্লী বিদ্যুতের সংস্কার, চাকরি বৈষম্য দূরীকরণ ও হয়রানিমূলক পদক্ষেপ বন্ধের চার দফা দাবিতে রোববার থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য গণছুটিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বারিধারা থেকে মাদকসহ সেলিম প্রধান গ্রেপ্তার রাজধানীর বারিধারা থেকে মাদকসহ সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা পুল...
06/09/2025

বারিধারা থেকে মাদকসহ সেলিম প্রধান গ্রেপ্তার
রাজধানীর বারিধারা থেকে মাদকসহ সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা পুলিশ। আজ শনিবার ভোর ৪টায় তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পুলিশের গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আল আমিন হোসাইন।

তিনি জানান, সেলিম প্রধান বারিধারায় একটি সিসা বার চালাতেন। ভোর ৪টায় সিসা সরঞ্জামসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মাদক মামলা হয়েছে।
এর আগে ২০১৯ সালের অক্টোবরে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় অনলাইনে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার মূলহোতা সেলিম প্রধান গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তখন সেলিম প্রধানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার গুলশানের কার্যালয় ও বনানীর বাসায় অভিযান চালান র‌্যাব সদস্যরা। এ অভিযানে ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, ২৯ লাখ টাকা, ২৩টি দেশের মোট ৭৭ লাখ সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা, ১২টি পাসপোর্ট, দুটি হরিণের চামড়া, তিনটি ব্যাংকের ৩২টি চেক ও অনলাইন গেমিং পরিচালনার একটি বড় সার্ভার জব্দ করা হয়। পরে তিনি জামিনে বের হন।

পুলিশের গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আল আমিন হোসাইন, সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মাদক মামলা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখনও ‘বেশ ইতিবাচক’: মোদিযুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের বিষয়ে নিজের অবস্থান জা...
06/09/2025

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখনও ‘বেশ ইতিবাচক’: মোদি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখনো ‘বেশ ইতিবাচক’ সম্পর্ক রয়েছে। খবর আল-জাজিরার

মোদি লিখেছেন, ‘আমার সম্পর্কের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আবেগ-অনুভূতি ও ইতিবাচক মূল্যায়ন আমি গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করছি এবং একইভাবে তাকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছি।’পোস্টে মোদি আরও লেখেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে খুবই ইতিবাচক এবং ভবিষ্যৎমুখী সর্বাত্মক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের কথা আবারও সামনে টেনে আনার পর এমন মন্তব্য করেন মোদি। মন্তব্যটি এমন সময়ে করা হলো, যখন কিনা ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে।

ওয়াশিংটন সম্প্রতি ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসিয়েছে। তাদের অভিযোগ, রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার মধ্য দিয়ে ইউক্রেনে প্রাণঘাতী হামলা চালাতে মস্কোকে সহযোগিতা করছে নয়াদিল্লি।

তবে ট্রাম্প ও মোদি-দুজনই জনতুষ্টবাদী নেতা। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ থেকেই দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এর আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তিনি সব সময় মোদির বন্ধু থাকবেন। চীনের কাছে ভারতকে হাতছাড়া করে ফেলেছেন বলে আগে মন্তব্য করলেও পরে সুর নরম করে ট্রাম্প বলেন, ‘ভারত আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক আছে। দুশ্চিন্তার কিছু নেই।’

গত সপ্তাহে মোদি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে চীন সফরে যান। এটি ছিল সাত বছর পর তার প্রথম সেদেশ সফর, যা দুই এশীয় শক্তির মধ্যে সম্পর্কের কিছুটা উষ্ণতা ফেরার ইঙ্গিত দেয়।

তবে মোদির এ সফরে ট্রাম্পকে বিরক্ত বলে মনে হয়েছে। কারণ, তিনি পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব নিতে চাইছেন।

বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ কাদের সিদ্দিকীটাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দিতে গ...
06/09/2025

বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ কাদের সিদ্দিকী
টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। শনিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সখীপুর খান মার্কেটে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কার্যালয়ে আয়োজিত বর্ধিত সভায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুস সবুর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বর্ধিত সভা শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে কাদের সিদ্দিকী বর্ধিত সভায় যোগ দেন। টিনের ঘরে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দুই ঘণ্টা স্থানীয় নেতাকর্মীদের বক্তব্য শোনেন। বেলা সোয়া ২টার দিকে তার বক্তব্য শুরু হয়। মিনিট দশেক তিনি দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন। এরপর বসে পড়েন। বসে তিনি মাত্র এক মিনিট বক্তব্য দিয়েছিলেন। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে দুই কর্মীর সহায়তায় তার ব্যক্তিগত গাড়িতে ওঠেন। এরপর তাকে সখিপুরের বাড়িতে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন বলেন, ‘কাদের সিদ্দিকী এখন অনেকটা সুস্থ আছেন। তার রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস মাপা হয়েছে। ইসিজি করা হয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলেও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে। চিকিৎসক বলেছেন, প্রচণ্ড গরমের কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তিনি এখন নিজ বাসায় বিশ্রাম নিচ্ছেন।’

৬ দিন পর জ্ঞান ফিরল সায়েমের, মামুনের মাথার খুলি এখনও ফ্রিজেছয় দিন পর লাইফ সাপোর্ট খোলা হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ...
06/09/2025

৬ দিন পর জ্ঞান ফিরল সায়েমের, মামুনের মাথার খুলি এখনও ফ্রিজে
ছয় দিন পর লাইফ সাপোর্ট খোলা হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েমের। তিনি হাত-পা নাড়াচ্ছেন। পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছেন। এদিকে আহত আরেক শিক্ষার্থী মামুন মিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল। তার মাথার খুলির একাংশ এখনও ফ্রিজে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার বেলা ১১টায় সায়েমের বিষয়ে দ্বিতীয়বার মেডিকেল বোর্ড বসে। এতে ছিলেন নিউরোসার্জন কামাল উদ্দিন, মো. ইসমাইল, মো. মনজুরুল ইসলাম ও নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ হাসানুজ্জামান। বোর্ডের সিদ্ধান্তেই পরীক্ষামূলকভাবে সায়েমের লাইফ সাপোর্ট খোলা হয়েছে। এর আগে আজ দু’জন মেডিসিন বিশেষজ্ঞকে হাসপাতালে আনার সিদ্ধান্ত হয়। গত বুধবারও সায়েমের জন‍্য মেডিকেল বোর্ড বসেছিল।

গত ছয় দিন ধরে হাসপাতালে নিথর হয়ে পড়েছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র সায়েম। গত রোববার শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। মাথায় রামদার কোপ লেগেছে তার মাথার খুলিতে।

সায়েমের কনশাস লেভেল (চেতনার মান) এতদিন ছিল ৬–এর আশপাশে। একজন স্বাভাবিক মানুষের কনশাস লেভেল থাকে ১৫। এটি ১০–এর ওপরে ওঠার আগপর্যন্ত তাকে আশঙ্কামুক্ত বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এখন সায়েমের এটি ১০ এর কাছাকাছি আছে।

সায়েমের ভাই আসাদুজ্জামান সজীব বলেন, তার স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আমরা আইসিইউর ভেতরে যাইনি। বাইরে থেকেই খোঁজখবর নিচ্ছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হচ্ছে । তারা আশা দিচ্ছেন। কিন্তু আমরা তো আশার আলো দেখি না।

সায়েমের বাড়ি কুমিল্লায়। তবে তার পরিবার থাকে বগুড়ায়। ছেলে আহত হওয়ার খবর পেয়ে সেখান থেকে গত সোমবার সকালে তার বাবা আমির হোসেন ও মা শাহনাজ আমিন চট্টগ্রামে আসেন। ছেলে সুস্থ হয়ে ফিরবেন, সেই অপেক্ষায় আইসিইউর সামনে তাদের দিন কাটছে।

সায়েমের বাবা মোহাম্মদ আমির হোসেন বললেন, ছেলের প্রাণভিক্ষা চেয়েছি বিধাতার কাছে। আশা করছি আল্লাহ আমাদের নিরাশ করবেন না।

পার্কভিউ হাসপাতালের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেন, সায়েমের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। তিনি হাত-পা নাড়াচ্ছেন। পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছেন। লাইফ সাপোর্ট খোলার পর তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। দু’জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন।

গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মামুন মিয়াও। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতত্ত্ব বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র তিনি। রামদার কোপে তার মাথায় হয়েছে গুরুতর ক্ষত। এটি এতটা গভীরে গেছে যে খুলির একাংশ খুলে ফেলতে হয়েছে। ওই অংশ ফ্রিজে রেখে তার মাথা মোড়ানো হয়েছে সাদা ব্যান্ডেজে। কালো কালিতে সেখানে লেখা ‘হাড় নেই চাপ দেবেন না।’

হাসপাতালে মামুন মিয়া
হাসপাতালে মামুন মিয়া

মামুনের বড় ভাই মাসুদ রানা বললেন, মামুন আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারছে। তাকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। তরল খাবার দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তার স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিয়ে আমরা শঙ্কিত আছি। ডাক্তার বলেছেন, সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে তার। সুস্থ হলেও মেনে চলতে হবে অনেক বিধিনিষেধ।

পার্কভিউ হাসপাতালের স্পেশালাইজড ইউনিটের ইনচার্জ ডা. সিরাজুল মোস্তফা বলেন, সায়েমের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুলির ভেতরের অংশ ও রক্তনালী ছিঁড়ে গেছে। তবে তার জ্ঞান ফিরেছে। ব্লাড প্রেশারেও কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

মামুনের বিষয়ে তিনি বলেন, তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। খুলি ফ্রিজে রাখা হয়েছে। যদি সুস্থ থাকে, দুই থেকে আড়াই মাস পর তা পুনঃস্থাপন করা হবে। তবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে তার।

গত ৩০ আগস্ট রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকার একটি ঘটনা থেকে সহিংসতার সূত্রপাত হয়। একজন ছাত্রী ভাড়া বাসায় দেরিতে ঢুকতে চাইলে দারোয়ান তার গায়ে হাত তোলেন। প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন এবং তা গ্রামবাসীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ আহত হন প্রায় ৪০০ জন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করলেন শবনম ফারিয়াবর্তমানে অভিনয়ে অনিয়মিত ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। তবে সা...
06/09/2025

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করলেন শবনম ফারিয়া
বর্তমানে অভিনয়ে অনিয়মিত ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। তবে সামাজিক মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশের জন্য প্রতিপক্ষের রোষানলেও পড়তে হয় তাকে। যদিও সেগুলো পরোয়া করেন না তিনি। আজ নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে জোর করে তাকে রাজনৈতিক কোনো বিষয়ের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়েছেন শবনম ফারিয়া।

শবনম ফারিয়া লিখেছেন, ‘জীবনে কিছু বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যেগুলোর জন্য নিজে কোনোভাবেই দায়ী নই। যেমন, আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা-ই লিখি, কিছুক্ষণ পর দেখি সেটা খবর হিসেবে ছাপা হচ্ছে! প্রথমে হাসাহাসি করতাম, পরে বিব্রত বোধ হতো, আর এখন যেহেতু নিয়মিত অভিনয় করি না তাই এগুলো ‘হু কেয়ার’ মুডে ঢুকে গেছি। কিন্তু কিছু ঘটনা থাকে, যেগুলো শুধু বিব্রতকর না, বিরক্তিকরও বটে! বিশেষ করে, জোর করে আমাকে রাজনৈতিক কোনো বিষয়ের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা।’

নিজের রাজনৈতিক অবস্থা পরিষ্কার করে শবনম ফারিয়া বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, বর্তমানে বাংলাদেশে যেসব রাজনৈতিক দল আছে বা সম্প্রতি নিষিদ্ধ হয়েছে, তাদের কারোর সঙ্গেই আমার কোনো সমর্থন নেই। আমার পেজ পাবলিক, সেখানে যেমন কালা মাগুর কমেন্ট করতে পারে, তেমনি নীল তিমি, কাউয়া কিংবা টিয়াও পারে! তাতে আমার রাজনৈতিক আদর্শ প্রতিফলিত হয় না। আমি কোনো রাজনৈতিক চরিত্র নই।’

নিজেকে একজন সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে চান এই অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে রাজনীতির বাইরে থেকেই সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশ হতে চান তিনি।

শবনম ফারিয়া বলেন, ‘ভবিষ্যতে নিজেকে একজন সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি শিল্পী, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশ হতে চাই। রাজনীতি আমার ‘মঞ্চ’ না। ভালোকে ভালো, খারাপকে খারাপ, চোরকে চোর, আর চাঁদাবাজকে চাঁদাবাজ বলাই আমার নীতিতে পড়ে।’

ব্যক্তিগত জীবনে খুব কঠিন ও সংকটপূর্ণ একটা সময় পার করার কথা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসার ইচ্ছা আমার কখনোই ছিল না। তা না হলে অভিনয় এর পাশাপাশি চাকরি না করে, টিকটকে নাচতাম, জিম করতাম, আর ব্যাকা হয়ে দাঁড়িয়ে পশ্চাৎদেশের মিরর সেলফি দিতাম। এই দেশে অ্যাটেনশনের জন্য খুব বেশি কষ্ট করতে হয় না, আমিও জানি, আপনারাও জানেন।’সবশেষে কাউকে অহেতুক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার অভ্যাস ত্যাগ করার অনুরোধও জানান ফারিয়া। বলেন, ‘ আমি এখন ব্যক্তিগতভাবে খুব কঠিন ও সংকটপূর্ণ একটা সময় পার করছি। আল্লাহর দোহাই লাগে, দয়া করে অন্য কাউকে অহেতুক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার অভ্যাস ত্যাগ করুন। না হলে এমন এক অবস্থায় পড়বেন, যেখানে হেলিকপ্টার, ট্যাংক বা এমনকি বুড়িগঙ্গার ময়লা পানিতে ডুব দিয়েও পালাতে পারবেন না!’

Address

Menara Putra 15, Lorong Tiong Nam 5, Chow Kit
Thongwa
50350

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smts TV Plus posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Smts TV Plus:

Share