Asaduzzaman Asad

Asaduzzaman Asad শারীরিক মৃত্যুর চেয়ে ভয়ংকর বাকস্বাধীনতার মৃত্যু।

13/05/2026

৭১এ পেয়েছি স্বাধীনতা
২৪শে পেয়েছি আমেরিকার দাসত্ব!!

13/05/2026

রান্না করতে বউ লাগেনা।

13/05/2026

আওয়ামীলীগ ব্রান্ড। আওয়ামীলীগ দলকেও সাপোর্ট করতে শিক্ষিত হওয়া লাগে বংশ পরিচয় লাগে।

৫ই আগস্ট গণভবন কান্ডের সমীকরণটা সহজ ছিলো না।বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শীর লেখা এবং ভিডিও বক্তব্য থেকে জানা কিছু কথা বলি। ৪-৫ আ...
13/05/2026

৫ই আগস্ট গণভবন কান্ডের সমীকরণটা সহজ ছিলো না।
বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শীর লেখা এবং ভিডিও বক্তব্য থেকে জানা কিছু কথা বলি।

৪-৫ আগস্টে যখন সারা দেশের মাদ্রাসাগুলো এবং বিভিন্ন সংগঠন থেকে জুলাই জ*ঙ্গিদেরকে ঢাকায় জড়ো করা হচ্ছিলো, তাদের পেছনে থাকা গুপ্ত নেতাদের মূল লক্ষ্য ছিলো দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। শেখ হাসিনা নিজেও সেই সম্ভাবনার কথা জানতেন। তিনি শুধু এটা জানতে পারেননি যে, সেনাবাহিনীর প্রধান অংশটি নীরব ক্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা জঙ্গিদেরকে ঢাকা দখল এবং গণভবন আক্রমণে কোন বাধা দেবে না।

কিন্তু সারা দেশের সাধারণ অরাজনৈতিক জনগণও যখন জুলাই প্রতারকদের গুজব আর মিথ্যাচারে লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে শেখ হাসিনার পতন দাবি করছিলো, যখন গণভবন আক্রমণের প্রস্তুতি চলছিলো, তিনি তখন ভেতরে ভেতরে অভিমানে নীল, ভীষণভাবে মর্মাহত।
যে দেশটার জন্য নিজের সারাটা জীবন বিলিয়ে দিলেন, সেই দেশের অকৃতজ্ঞ মানুষেরা তাঁকে এই প্রতিদান দিচ্ছে?
—এমনটাই হয়তো তিনি ভাবছিলেন।

প্রচন্ড বেদনাহত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট সকাল থেকে জেদ করেছিলেন, তিনি কোথাও যাবেন না।
"ওরা আমাকে মেরে ফেলতে চায়? ওরা আসুক। আমি কোথাও যাবো না।"
তিনি যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কন্যা! পাহাড়ের মতো ব্যক্তিত্ব আর বুক ভরা সাহস নিয়ে তিনি চলেন।

দেশ-বিদেশ থেকে ফোন আসছিলো৷ তাঁর পরিবারের লোকেরা বারবার অনুরোধ করছিলেন গণভবন ছেড়ে যেতে।
সেটা না করলে শেখ হাসিনা একা নন, তাঁর কাছের মানুষেরা এবং নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত লোকজনও আক্রমণের শিকার হবেন— এই আশঙ্কার কথা যখন তাঁকে জানানো হলো, অবশেষে তিনি বললেন, "তাহলে আমাকে টুঙ্গিপাড়ায় রেখে এসো।"

সেনাবাহিনী প্রধানের অজ্ঞাতসারে, এই বাহিনীরই কিছু দায়িত্বশীল অফিসারের উদ্যোগে সেদিন বিমানে চড়িয়ে তাঁকে ভারতে নিরাপদে রেখে আসা হয়, যে পরিকল্পনার কথা শেখ হাসিনা জানতেন না (যেমনটা বোধ করি জানতেন না খোদ সেনাবাহিনী প্রধানও)।
শেখ হাসিনা যখন শেষ মুহূর্তে হেলিকপ্টারে পা রাখছিলেন, তখনও তিনি জানতেন যে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন।

মোদ্দা কথা, ৫ই আগস্ট দেশ ছাড়ার কোন ইচ্ছা এই বাংলাদেশ অন্তপ্রাণ মানুষটির ছিলো না।

৫ই আগস্টের ঘটনাবলীর এই অংশটি জুলাই জঙ্গিরা আর তাদের অনুসারী লো-লাইফ লালবদররা চেপে যায়। তারা এখনো নির্লজ্জের মত ভাঙা রেকর্ড বাজিয়ে চলে, "শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।"

৫ই অগাস্টের এই ঘটনাপ্রবাহ আবার তুলে আনলাম কেন?
গত দুই দিনে কারিনা কায়সার ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা গর্ত থেকে বেরিয়ে এসে লালবদরদের কান্নাকাটি দেখে।

একবার কল্পনা করুন তো।
৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার জেদের জয় হয়েছে। তিনি গণভবন ছেড়ে কোথাও যাননি।
অন্যদিকে সেনাবাহিনীর বিশ্বাসঘাতক অংশটির মদদে যেমনটা আমরা দেখেছি, তা-ই হয়েছে। অর্থাৎ, উন্মত্ত জুলাই জঙ্গিরা গণভবনে ঢুকে গেছে।
তারা পূর্ব পরিকল্পনামতো দেশের প্রধানমন্ত্রী কে হত্যা করেছে।
(লিবিয়ার গাদ্দাফি, ইরাকের সাদ্দাম হোসেন, ইত্যাদি জাতীয়তাবাদী নেতাদের পরিণতির কথা মনে পড়ে কি?)

তারপর জুলাই জঙ্গিরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করে জিহাদে বিজয়ী পক্ষের আনুষ্ঠানিকতার নিয়ম অনুযায়ী গনিমতের মাল হিসেবে বঙ্গভবনের সমস্ত জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে গেছে।

এবার সেখানে উপস্থিত কারিনা কায়সার আর তার বাবা কায়সার হামিদকে ভাবুন। তারা উন্মত্ত জুলাই জঙ্গিদের সাথে ঠিক একই সময়ে গণভবনে গিয়েছিলো কেন? তামাশা দেখতে?

বাস্তবে যেটা হয়েছে, তারা যখন ল্যাপটপ, প্রিন্টার, হ্যান্ডব্যাগ হাতিয়ে নিচ্ছিলো, ঠিক সেই মুহূর্তেই সেখানেই– মাত্র কয়েক মিটার দূরে— গণভবনের বারান্দায় নারীর অন্তর্বাস উঁচিয়ে উল্লাস করছিলো জুলাই জঙ্গিরা।
সেদিন যদি শেখ হাসিনাকে জোর করে গণভবন থেকে সরানো না হতো, তাহলে গণভবনের বারান্দায় নারীর অন্তর্বাস নয়, প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করে সেই রক্তাক্ত অস্ত্র উঁচিয়ে উল্লাস করতো জুলাই জঙ্গিরা। আর তার প্রত্যক্ষদর্শী এবং accomplice হতো কায়সার পরিবার।

আর সেখানে উপস্থিত কারিনা কায়সার হয়তো পরে তার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ভিডিও কনটেন্ট বানিয়ে বলতো— "আমরা তো আসলে শেখ হাসিনাকে খুন করায় জড়িত ছিলাম না। আমি আর আমার বাবা শুধু শেখ হাসিনাকে একটু চড়-ঘুষি-লাথি ইত্যাদি মেরে চলে আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জুলাই যোদ্ধা বীর ভাইয়েরা আমাদেরকে তার গায়ে হাত দেওয়ার সুযোগ দিলো না। ওরা নিজেরাই শেখ হাসিনাকে হত্যা করলো। আমরা তারপর কিছু গনিমতের মাল লুট করে বেরিয়ে এলাম।"

মনে রাখবেন, যারা সেই মুহূর্তে জঙ্গিদের সাথে গণভবনে উপস্থিত ছিলো, তারা প্রত্যেকে একই মাত্রার অপরাধী। তাদের লক্ষ্য ছিলো দেশের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করা। সেটা করতে না পেরে, শুধু লুটপাট করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিলো তাদেরকে।

সেদিন শুধুমাত্র সেনাবাহিনী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে গণভবন থেকে সরিয়ে দিয়েছিলো বলে, সেদিন প্রধানমন্ত্রী খুন হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন বলে ৫ই আগস্ট গণভবনে লুটপাটকারীদের অপরাধ লঘু হয়ে যায় না। কায়সার হামিদের চুরি কোন সাধারণ ল্যাপটপ, প্রিন্টার আর হ্যান্ডব্যাগ চুরি নয়। সেদিন সেখানে উপস্থিত ছিলো শুধুমাত্র দেশদ্রোহী, খুনি মানসিকতার লোকজন।

It was no joke. It was a failed attempt to murder.
আর সম্ভাব্য ভিকটিম ছিলেন স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী।

কায়সার হামিদ আর কারিনা কায়সারদের অপকর্মের ইনটেনশন পরিস্কার হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে নিরপরাধ প্রমাণ করতে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসা লালবদরদের প্রতি আবারও ঘৃণা — অন্যথায় যারা দেশে শিশুমৃত্যুর মহামারী থেকে শুরু করে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন, মার্কিন গোলামি চুক্তি, ইত্যাদি আর কোন বিষয়ে মুখ খোলে না।

তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলএকথা আপনারা কি জানেন ????আমি আজকে জানলাম
12/05/2026

তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল
একথা আপনারা কি জানেন ????

আমি আজকে জানলাম

আওয়ামী লীগের জন্ম এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দলটির অবদান অত্যন্ত গভীর ও বিস্তৃত। ​আওয়ামী লীগের জন্মকথা​বাংলাদেশ আওয়ামী লী...
12/05/2026

আওয়ামী লীগের জন্ম এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দলটির অবদান অত্যন্ত গভীর ও বিস্তৃত।

​আওয়ামী লীগের জন্মকথা
​বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছিল ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তৎকালীন পাকিস্তানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে।
​প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে এক রাজনৈতিক সম্মেলনের মাধ্যমে 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠিত হয়।

​প্রথম নেতৃত্ব: দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক এবং কারাবন্দি অবস্থায় তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন।
​অসাম্প্রদায়িক রূপ: ১৯৫৫ সালে দলের নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে 'আওয়ামী লীগ' করা হয়, যাতে সকল ধর্মের মানুষ এই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে পারে। এটি ছিল দলটির একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

​বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং দেশ গঠনে আওয়ামী লীগের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
​১. স্বাধিকার ও ভাষা আন্দোলন
​১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন এবং পরবর্তীকালে বাঙালির অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে আওয়ামী লীগ রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছে।
​২. বাঙালির মুক্তির সনদ (৬ দফা)
​১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। এই ৬ দফাই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।
​৩. ১৯৭০-এর নির্বাচন ও স্বাধীনতা যুদ্ধ
​১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে বাঙালির স্বাধীনতার দাবিকে যৌক্তিক ভিত্তি দেয়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই প্রবাসী মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়।
​৪. আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি ও সংবিধান
​স্বাধীনতার পর মাত্র এক বছরের মাথায় ১৯৭২ সালে একটি উন্নত মানের সংবিধান উপহার দেয় আওয়ামী লীগ সরকার। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু সরকারের ভূমিকা ছিল অনন্য।
​৫. অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন
​পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এর মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো:
​পদ্মা সেতু: নিজস্ব অর্থায়নে দেশের দীর্ঘতম এই সেতু নির্মাণ।
​মেট্রো রেল: ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা।
​ডিজিটাল বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন এবং ইন্টারনেট সেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া।
​মহাকাশ বিজয়: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশে বাংলাদেশের উপস্থিতি নিশ্চিত করা।
​আওয়ামী লীগ শুধু একটি দল নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকের সাথে জড়িয়ে থাকা একটি রাজনৈতিক নাম।

11/05/2026

‘জয় বাংলা’ স্লোগানটির উদ্ভব ও জনপ্রিয়তা পাওয়ার ইতিহাস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কেবল একটি স্লোগান ছিল না, বরং বাঙালির মুক্তি ও আত্মপরিচয়ের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়েছিল। এর শুরুর ইতিহাস মূলত কয়েকটি ধাপে বিভক্ত:
​১. নামকরণ ও প্রথম প্রস্তাব
​১৯৬৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সভায় সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটি প্রথম ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে স্লোগানটির প্রকৃত স্রষ্টা হিসেবে আফতাব আহমেদ এবং চিশতী হেলালুর রহমানের নাম বিশেষভাবে পরিচিত। তারা তৎকালীন ছাত্রনেতাদের উপস্থিতিতে এই স্লোগানটির প্রস্তাব করেন।
​২. প্রথম জনসমক্ষে ব্যবহার
​১৯৭০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জনসভায় এই স্লোগানটি প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ছাত্র আন্দোলনের প্রতিটি মিছিলে এটি ব্যবহৃত হতে থাকে।
​৩. বঙ্গবন্ধুর ভাষণে অন্তর্ভুক্তি
​বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই স্লোগানটিকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের প্রচারণায় তিনি প্রতিটি জনসভায় ‘জয় বাংলা’ বলে তার বক্তব্য শেষ করতেন।
​সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তটি আসে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে। বঙ্গবন্ধু তার বক্তব্যের শেষে বজ্রকণ্ঠে ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণ করেন, যা মুহূর্তের মধ্যে সাত কোটি বাঙালির যুদ্ধের মূল মন্ত্র হয়ে ওঠে।
​৪. নামের উৎস নিয়ে জনশ্রুতি
​অনেকে মনে করেন, কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘পূর্ণ-অভিনন্দন’ কবিতার একটি পঙক্তি থেকে এই স্লোগানটি অনুপ্রাণিত হতে পারে। সেখানে নজরুল লিখেছিলেন:
​"জয় বাংলার পূর্ণচন্দ্র, জয় জয় আদি-অন্তরীণ"
​৫. মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনি
​১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এটি মুক্তিযোদ্ধাদের সাধারণ অভিবাদন এবং রণধ্বনিতে পরিণত হয়। যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে এই স্লোগানটি নিয়মিত প্রচার করা হতো, যা সাধারণ মানুষের মনে সাহসের সঞ্চার করত।

‘জয় বাংলা’ স্লোগানটি কোনো একক ব্যক্তির আবিষ্কৃত নয়, বরং এটি ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উঠে আসা এক গণচেতনা। ছাত্রনেতাদের হাত ধরে এর যাত্রা শুরু হলেও বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে এটি একটি জাতির মুক্তির স্লোগান হিসেবে অমরত্ব পায়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে স্বীকৃত।

11/05/2026

শেখ হাসিনা আপার বিকল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় কেউ নেই।

পারমাণবিক বোমার চেয়ে ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র হলো বীর্য!যেটা ৫৪ বছর পরেও নিস্বার্থ ভাবে পাকিস্তানের হয়ে লড়াই করছে!
11/05/2026

পারমাণবিক বোমার চেয়ে ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র হলো বীর্য!
যেটা ৫৪ বছর পরেও নিস্বার্থ ভাবে পাকিস্তানের হয়ে লড়াই করছে!

দুই বছর আগেও এই দেশের মানুষের দাবি ছিল- চার লেন, আট লেনের রাস্তা,মেগা প্রজেক্ট, ব্রিজ, মেট্রোরেল মনোরেল এসবের।দুই বছর পর...
10/05/2026

দুই বছর আগেও এই দেশের মানুষের দাবি ছিল- চার লেন, আট লেনের রাস্তা,মেগা প্রজেক্ট, ব্রিজ, মেট্রোরেল মনোরেল এসবের।

দুই বছর পরে এসে সে দাবি গিয়ে ঠেকছে- আমাকে ৫ লিটার তেল দে ভাই, আমার বাচ্চাকে হামের টিকা দে ভাই, অন্তত ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ দে ভাই, সার দে ভাই, সেঁচের ব্যবস্থা করে দে ভাই!

আগে দরিদ্র মানুষ পেতো জায়গা-জমিসহ নতুন ঘর, একটি বাড়ি একটি খামার।

আর এখন পায়, মাসিক ২১০ টাকার কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড!
পতনটা আসলে কার হয়েছে?

এই বাঙালির আরও শিক্ষা হওয়া উচিত। বলাৎ*কার মিসাইল জাতি ৫০১

08/05/2026

Address

Kuala Lumpur
52100

Telephone

+60166565863

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asaduzzaman Asad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Asaduzzaman Asad:

Share