24/05/2026
সমাজে যখন একের পর এক ধর্ষ*ণের মতো জঘন্য অপ*রাধ ঘটতে থাকে, তখন সাময়িক ক্ষোভ কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিবাদ কি আসলেই কোনো স্থায়ী সমাধান দেয়? আমরা তখনই কেবল সোচ্চার হই, যখন কোনো ভুক্তভোগী খু*ন হয় কিংবা ঘটনাটি আড়াল করার আর কোনো উপায় থাকে না। কিন্তু বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির আড়ালে শিকড়টা আসলে কোথায়?
একদিকে যেমন অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাব, অন্যদিকে আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক নৈতিকতার চরম অবক্ষয়। প্রযুক্তির এই যুগে ছোট ছোট শিশুদের হাতে যখন নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ডিভাইস পৌঁছে যাচ্ছে, তখন তারা সুস্থ বিনোদনের বদলে পর্নো গ্রা*ফি বা বিকৃত কনটেন্টের সংস্পর্শে আসছে। অনেক ক্ষেত্রে সস্তা ভিউ আর লাইকের আশায় পরিবারের বড়দের অবহেলা বা প্রশ্রয়ে কিশোর-কিশোরীরাও সুস্থ সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
আইন ও প্রশাসনের কঠোর প্রয়োগ অবশ্যই প্রয়োজন, তবে শুধু আইন দিয়ে এই পচন রোধ করা সম্ভব নয়। যতক্ষণ না আমরা পরিবার থেকে নৈতিকতা, সুশিক্ষা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা শুরু করছি, ততক্ষণ সমাজকে নিরাপদ করা যাবে না। কেবল সাময়িক বিচার নয়, আমাদের প্রয়োজন একটি সুস্থ সমাজ ব্যবস্থা, নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত নতুন প্রজন্ম এবং অপ*রাধমুক্ত প্রশাসন।
>>>পথহারা পথিক>বিল্লাল