07/09/2026
🇵🇹পর্তুগাল থেকে খরচ বাদে বাংলাদেশে প্রতি মাসে কত টাকা পাঠাতে পারবেন, তা নির্ভর করবে আপনার আয় (Income), জীবনযাত্রার মান (Lifestyle) এবং আপনি একা থাকেন নাকি শেয়ারিংয়ে থাকেন তার ওপর।
পর্তুগালে ন্যূনতম মজুরি (Minimum Wage) অনুযায়ী ট্যাক্স ও সোশাল সিকিউরিটি কাটার পর হাতে পাওয়া ইনকাম এবং খরচের একটি বাস্তবসম্মত হিসাব নিচে দেওয়া হলো:
💰 আয় ও খরচের হিসাব (একক ব্যক্তি)
বর্তমানে পর্তুগালে মিনিমাম স্যালাই বা ন্যূনতম মূল বেতন গড়ে ৯২০ ইউরো (ট্যাক্স কেটে হাতে থাকে আনুমানিক ৮১৮ ইউরো)। এর সাথে খাবারের ভাতা (Subsidio de Refeição) যোগ হলে ইনকাম দাঁড়ায় প্রায় ১,০০০ থেকে ১,০৫০ ইউরোর মতো।
১. সাধারণ লাইফস্টাইল (যদি একাকী রুম বা ভালো ফ্ল্যাটে থাকেন)
যদি আপনি একটি সিঙ্গেল রুমে একা থাকেন এবং নিজের পছন্দের মতো লাইফস্টাইল মেইনটেইন করেন:
* মোট ইনকাম: ১,০০০ - ১,১০০ €
* বাসা ভাড়া (সিঙ্গেল রুম/বিলসহ): ৪০০ - ৫০০ €
* খাবার ও বাজার: ২০০ - ২৫০ €
* যাতায়াত ও মোবাইল বিল: ৫০ - ৭০ €
* অন্যান্য ব্যক্তিগত খরচ: ৫০ - ১০০ €
* মোট খরচ: ৭০০ – ৯২০ €
> বাংলাদেশ পাঠানো সম্ভব: ১০০ থেকে ২৫০ ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৪,০০০ - ৩৫,০০০ টাকা)।
>
২. সাশ্রয়ী লাইফস্টাইল (যদি শেয়ার্ড রুমে থাকেন)
পর্তুগালে নতুন আসা প্রবাসীদের বড় একটি অংশ শেয়ার্ড রুমে (এক রুমে ২-৩ জন) থেকে খরচ বাঁচান:
* মোট ইনকাম: ১,০০০ - ১,১০০ €
* বাসা ভাড়া (শেয়ার্ড রুম): ২০০ - ২২০ €
* খাবার ও বাজার (একত্রে রান্না করলে): ১২০ - ১৫০ €
* যাতায়াত ও মোবাইল বিল: ৪০ - ৫০ €
* মোট খরচ: ৩৬০ – ৪৭০ €
> বাংলাদেশ পাঠানো সম্ভব: ৫০০ থেকে ৬০০+ ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭০,০০০ - ৮৫,০০০ টাকা)।
>
📈 আয় বেশি হলে বা ওভারটাইম করলে
* ওভারটাইম / পার্ট-টাইম কাজ: মূল কাজের পর পার্ট-টাইম (যেমন- রেস্তোরাঁ, ডেলিভারি বা ক্লিনিং) কাজ করলে প্রতি মাসে বাড়তি ৩০০–৫০০ ইউরো আয় করা সম্ভব।
* দক্ষ কাজ (Skilled Jobs): স্কিলড কাজ বা অভিজ্ঞতা থাকলে আয় ১,৩০০ - ১,৬০০+ ইউরো হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সব খরচ সামলে প্রতি মাসে সহজেই ৬০০ থেকে ১,০০০ ইউরো (প্রায় ৮৫,০০০ - ১,৪০,০০০ টাকা) পর্যন্ত বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভব।
💡 মনে রাখার মতো কিছু তথ্য
* ১৪ মাসের বেতন (14th Month Salary): পর্তুগালে বছরে ১২ মাসের জায়গায় ১৪ মাসের বেতন পাওয়া যায় (গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও বড়দিনের বোনাস হিসেবে ২ মাসের অতিরিক্ত মূল বেতন পাওয়া যায়)। এই বোনাসের টাকাগুলো সরাসরি একবারে বড় অঙ্কের সঞ্চয় হিসেবে দেশে পাঠানো যায়।
* কাজের ধরণ: শুরুতে ওভাটাইম বা বাড়তি কাজের সুযোগ পাওয়া না গেলে প্রথম কয়েক মাস প্রতি মাসে খুব বেশি জমানো কঠিন হতে পারে।
©Md Touhidul Islam #পর্তুভ্লগ #পর্তুগাল #পর্তুগাল #পর্তুগাল