Shajol Khan

Shajol Khan Qatar

27/05/2026
একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল...
28/02/2026

একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল। এদিকে হীরা চুরি হওয়ার কারণে রাজপ্রাসাদে হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে গেল!

রাজামশাই জ্যোতিষীকে ডাকলেন। গণনা করে জ্যোতিষী বলল, হীরার টুকরোটি একটি ইঁদুর খেয়ে ফেলছে।

সেনাপতি হীরা উদ্ধারের জন্য ঢেঁড়া পিটিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করল। এরপর এক শিকারী রাজসভায় এসে বলল, সে ইঁদুর মেরে হীরা উদ্ধার করবে।

শিকারী যখন ইঁদুরটির খোঁজে বের হলো তখন দেখতে পেল, হাজার হাজার ইঁদুর একে অন্যের সাথে দল বেঁধে রয়েছে। আর একটা মাত্র ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর বসা যেন সে সিংহাসনে বসে আছে।

শিকারী তখন ওই ইঁদুরটিকে হত্যা করে তার পেট চিরে হীরার টুকরো বের করে রাজার হাতে তুলে দিল।

রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার বুঝিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হাজার হাজার ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে ওই ইঁদুরটাই হীরা চুরি করেছে?

শিকারী মৃদু হেসে জবাব দিল, এটা খুবই সহজ মহারাজ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতির সঙ্গে চলাফেরা এবং মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। এই মূর্খ ইঁদুরটাও তাই করেছিল। হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা করে আলাদা ভাবে বসে ছিল।

নীতিকথা: হঠাৎ অর্থাগমে স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব ভুলে গেলে ধ্বংস সন্নিকটে।

এই দুনিয়ায় মানুষের অবস্থান বড়ই ক্ষণস্থায়ী, নগণ্য। আজ তুমি আছো, কাল হয়তো থাকবে না। তুমি মারা গেলে বাজারঘাট বন্ধ থাকবে না,...
06/10/2025

এই দুনিয়ায় মানুষের অবস্থান বড়ই ক্ষণস্থায়ী, নগণ্য। আজ তুমি আছো, কাল হয়তো থাকবে না। তুমি মারা গেলে বাজারঘাট বন্ধ থাকবে না, পৃথিবীর কাজকর্ম থেমে যাবে না। তোমার চলে যাওয়ায় হয়তো কিছু মানুষের চোখে জল আসবে, কিন্তু দুনিয়ার চাকা চলবে তার নিজস্ব গতিতে।

এটি আমাদের এক গভীর শিক্ষা দেয়—আমরা আসলে কত ক্ষুদ্র, কত দুর্বল। আমরা মনে করি সবকিছু আমাদের ইচ্ছার উপর নির্ভর করছে, অথচ সত্য হলো, দুনিয়া কারো জন্য থেমে থাকে না।

তাই মানুষের উচিত অহংকার ত্যাগ করা, নিজেকে চেনা, নিজের অসহায়ত্ব বোঝা। আর সর্বশক্তিমান আল্লাহকেই চেনা, যিনি আমাদের রব, যিনি চিরঞ্জীব, যিনি ছাড়া এক মুহূর্তও আমাদের জীবন চলে না।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন—
“যে ব্যক্তি নিজেকে চিনল, সে তার রবকেও চিনল।”

এই দুনিয়ায় প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব হলো বিনয়ী হওয়া, নামাজ-ইবাদতের মাধ্যমে রবের দিকে ফিরে আসা, তওবা করা এবং আখেরাতের প্রস্তুতি নেওয়া। কারণ দুনিয়ার জীবন একদিন শেষ হবে, কিন্তু আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী।

যে মানুষ তার ক্ষুদ্রতা বুঝে রবের দিকে ফিরে আসে, আল্লাহ তাকে মর্যাদা দেন। আর যে মানুষ দুনিয়ার মোহে পড়ে নিজের রবকে ভুলে যায়, সে আসলে নিজেকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।

তাই আসুন আমরা অহংকার না করে আমাদের প্রকৃত অবস্থান বুঝি, নিজেকে চিনি এবং আমাদের রবকে জানি, যেন আমাদের জীবন হয় সফল ও বরকতময়।

06/10/2025

🌿 জুবিনের এই গান কেন এত জনপ্রিয়??

এই গানটির মধ্যে যেন মিশে আছে অসমের মাটির গন্ধ, মানুষের সংগ্রামের ইতিহাস, আর অদম্য মনোবলের চিরন্তন বার্তা। তাই শুধু অসম নয়—গোটা দেশ ও প্রবাসের বাঙালিরাও আজ একসাথে এই গানে আন্দোলিত।

দ্য ওয়াল ব্যুরো:
প্রিয় শিল্পী জুবিন গর্গের (Zubeen Garg) অকাল প্রয়াণে গোটা অসম আজ শোকস্তব্ধ। কান্না, আবেগ আর ভালোবাসার ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে দেশ ও প্রবাসে। শোকের এই প্রহরে নতুন করে ভাইরাল হয়েছে তাঁর গাওয়া সেই কালজয়ী গান—
🎶 “যদি জীবনের রঙ বুরে লুকাভাকু খেলে,
যদি আশার শাখি টি উমি উমি জ্বলে,
তথাপি বন্ধু আগুৱাই যাবা…”

অসমিয়া ভাষায় গাওয়া এই গান যেন আজ নতুন করে ছুঁয়ে যাচ্ছে কোটি মানুষের হৃদয়। প্রশ্ন জাগে—এই গানের মধ্যে এমন কী আছে, যা এক মুহূর্তে মনকে আন্দোলিত করে?

আসলে এই গানের মূলে রয়েছে আশা ও অদম্য মানসিক শক্তির বার্তা। জীবনের যত ঘাত-প্রতিঘাতই আসুক, অন্ধকার যতই ঘনিয়ে উঠুক, মানুষের উচিত আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে এগিয়ে চলা। গানটি যেন বলে—

“মনোবল হারিও না, বন্ধু। পথ যতই দুর্গম হোক, এগিয়ে যেতে হবে।”

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে গানটি আরও গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক। আর্থিক অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সংকট— সবকিছু মিলিয়ে মানুষের জীবন যেন এক অনিশ্চিত যাত্রা। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাম্প্রতিক বন্যা, ভূমিধস ও কর্মসংস্থানের সংকটের মধ্যে এই গান অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে আশার মশাল।

মনোবিজ্ঞানীরাও বলছেন—সংগীত অনেক সময় মানুষের হতাশা দূর করতে এবং সংগ্রামে শক্তি যোগাতে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। জুবিন গর্গের এই গান সেই মানসিক শক্তির উৎস হয়ে উঠেছে, যা মানুষের মনে করিয়ে দেয়—

🌅 “রাত যতই অন্ধকার হোক, ভোর আসবেই।”

সংগীতপ্রেমীদের মতে, এই গানের জনপ্রিয়তার মূল কারণ শুধু এর সুরের মাধুর্য নয়; বরং এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এক গভীর জীবনদর্শন। জীবন একটি রঙিন ক্যানভাস—সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, আশা-হতাশা সব মিলিয়েই এর পূর্ণতা। আর সেই পূর্ণতা খুঁজে পেতে হলে একটাই পথ— অদম্য এগিয়ে চলা।

🎼 বাংলা অনুবাদ (অসমিয়া মূলের)

যদি জীবনের রঙগুলো ঢেকে ফেলে অন্ধকার,
যদি আশার প্রদীপ কেঁপে কেঁপে জ্বলে,
তবুও বন্ধু, এগিয়ে যাবে তুমি,
তবুও বন্ধু, এগিয়ে যাবে তুমি,
পিছন ফিরে তাকাবে না।

যদি চাঁদ-তারাও মুখ ঢেকে ফেলে,
যদি মুক্ত আকাশও আলো না ছড়ায়,
তবুও বন্ধু, মনোবল ধরে রাখো,
শেষমেশ সবই তুমি পাবে।

নানা রঙে ভরা আমাদের জীবন,
সুখ-দুঃখকে করো আলিঙ্গন।
আমরা মরীচিকা খুঁজে দৌড়াই,
হাহাকার করি শূন্য মরুভূমিতে,
তবুও এই পথেই আজীবন হাঁটি।

জীবনের পথে আছে ঘাত-প্রতিঘাত,
কিন্তু নিশির শেষে আসে প্রভাত।
জীবনের নাটকের শেষে, সবকিছু পাওয়ার পরও,
শান্তি মেলে ওপারের তীরে।

28/09/2025

আমি ওটা দেখি না যেটা তোমরা দেখাতে চাও আমি ওইটাই দেখি যে যেটা তোমারা আমার থেকে লুকাতে চাও !

বেশিরভাগ প্রবাসী দেশে যাওয়ার সময় আত্মীয়-স্বজনের জন্য এটা-সেটা কিনে নিজের পকেটের বেশিরভাগ টাকা শেষ করে দেশে যায়।দেশে গেলে...
16/09/2025

বেশিরভাগ প্রবাসী দেশে যাওয়ার সময় আত্মীয়-স্বজনের জন্য এটা-সেটা কিনে নিজের পকেটের বেশিরভাগ টাকা শেষ করে দেশে যায়।

দেশে গেলে পরদিন থেকেই আবার বাজার খরচ শুরু করা লাগে।
এদিকে দেশে যাওয়ার সময় কেনাকাটা করে এমনিতেই সে থাকে চাপের মধ্যে।

মাস খানেক পরে যখন হাতে টাকা থাকেনা, তখন পাগলের মতো বিদেশে থাকা বন্ধু-বান্ধবকে কল দেওয়া লাগে টাকার জন্য।
আত্মীয়দের কাছে টাকা চাইলে মুখ বাকা করে বলে—ওমা, তুমি বুঝি খালি হাতে আসছো? ২-৩ মাসেই বুঝি টাকা শেষ?

এমনকি পরিবারের লোকেরাও বুঝতে চায়না যে মাসে মাসে যা বেতন পেতো তা প্রতি মাসেই তাদের পাঠিয়ে দিয়েছে।

তখন দেখা যায় পাশে কেউই থাকেনা।

তাই যাওয়ার সময় সবার জন্য ফালতু সাবান শ্যম্পু এটা সেটা না নিয়ে, পকেট ভর্তি টাকা নিয়ে যাবেন। সবার কাছে টাকা খুঁজে নিজেকে ছোট না করে, নিজের সফরটা নিজের ইনকামের টাকায় সুন্দর করে কাটিয়ে আসবেন।

আপনাদের কি মনে হয়? আমি কি ভুল বলেছি?

এখন লজ্জায় অনেকে আবার এই পোস্ট শেয়ার ও দিবেনা, কারণ সেই আত্মীয়রা না জানি আবার মনে কষ্ট পায়।🙂

Address

Doha

Telephone

+97450418365

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shajol Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shajol Khan:

Shortcuts

Share