03/06/2026
শ্রীকৃষ্ণের প্রয়াণের পর তাঁর ১৬১০৮ স্ত্রীর কী পরিণতি হয়?
🔹 গান্ধারীর অভিশাপ এবং ব্রহ্মশাপের কারণে কৃষ্ণ-পুত্র শাম্বের প্রসব করা লৌহ মুষল থেকে কৃষ্ণের যদু বংশ ধ্বং'সের মুখে পতিত হয়। অতি সামান্য কারণে যদু বংশের পুরুষদের মধ্যে সংঘ'র্ষ শুরু হয় এবং লৌহ মুষলের গুঁড়ো থেকে জন্মানো নলখাগড়া ঘাসকে অ'স্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে যদু বংশের সকলে একে অপরকে হ'ত্যা করেন। এরপর বলরাম প্রভাস নদীর তীরে যোগবলে দেহত্যাগ করেন। তারপর মুষলের অবশিষ্টাংশ দিয়ে তৈরি তীরের আঘাতে জরা ব্যাধের হাতে কৃষ্ণের দেহত্যাগের ঘটনা ঘটে। এদিকে শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব নির্দেশ মতো সারথি দারুক গিয়ে অর্জুনকে দ্বারকায় নিয়ে আসেন। অর্জুন এসে সমস্ত ঘটনা জানতে পেরে অত্যন্ত শোকাতুর হয়ে পড়েন এবং প্রিয় সখার বিয়োগ ব্যাথায় আকুল হয়ে রোদন করতে থাকেন। দারুক তখন অর্জুনকে বলেন সকলের মৃ'তদেহ দাহ করে পরলৌকিক ক্রিয়া-কর্ম সম্পন্ন করতে। অর্জুন প্রভাস নদীর তীরে গিয়ে যদু বংশের সমস্ত পুরুষের প্রাণহীন দেহ ভূমিতে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর শোক সংবরণ করে অর্জুন বিধিমতো সকলের সৎকার করতে সচেষ্ট হন। রাশি রাশি চন্দন কাঠের চি'তা জ্বালানো হয়। রোহিণী, দেবকী এবং বসুদেব অগ্নিকুণ্ডে প্রবেশ করে দেহত্যাগ করেন। বলরামের স্ত্রী রেবতী স্বামীর সঙ্গে সহমরণে যান। সকলের অগ্নিকার্য সম্পন্ন করার পর বিধিমতে শ্রাদ্ধ তর্পণ সম্পন্ন করেন অর্জুন। এরপর দারুক অর্জুনকে বলেন কৃষ্ণের স্ত্রীদের তাঁর সঙ্গে হস্তিনাপুরে নিয়ে যেতে। অর্জুন ছাড়া আর কেই বা প্রভুর রমণীদের রক্ষা করতে পারবে। এ কথা বলে দারুক অর্জুনের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে অরণ্যে চলে যান। অর্জুন তখন কৃষ্ণের স্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে হস্তিনাপুরের পথে রওনা দেন। কিন্তু পথে দস্যুর আক্রমণ ঘটে। একা অর্জুনের সঙ্গে এতজন সুন্দরী নারীকে যেতে দেখে দস্যুগণ পথ রোধ করে এবং কৃষ্ণের স্ত্রীদের হরণ করতে আসে। অর্জুন তখন তাঁর প্রচন্ড শক্তিশালী দেব প্রদত্ত গাণ্ডীব ধনুকটি ওঠাতে চান দস্যু দমন করতে। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে অর্জুন তাঁর গাণ্ডীব ধনুকটি ওঠাতেই পারেন না। যে ধনুকের সাহায্যে অর্জুন ত্রিলোক জয় করেছেন, সেই ধনুকে গুণ দিতে গিয়েই কাহিল হয়ে পড়েন তিনি। বহু কষ্টে যদিও বা তীর ছুঁড়তে পারেন, সেই তীরের আঘা'তে দস্যুদের কিছুই হয় না। দস্যুদের সঙ্গে যু'দ্ধে অর্জুনের সমস্ত বাণ ব্যর্থ হয়। এরপর দস্যুগণ খুব সহজেই কৃষ্ণের স্ত্রীদের হাত ধরে ট