ABIR BLOG

ABIR BLOG আসসালামু আলাইকুম।।
পেইজে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম জানাই।
আপনি পেজে নতুন হলে পেজটাকে Like_Follow এবং Comment করে রাখার অনুরোধ করছি_🥀🌺

13/09/2025

তোমাকে ভুলে যাওয়ার শক্তি আমার নেই !!
তুমি টের পেয়ে ছিলে, তুমি ভালো করেই বুঝে গিয়ে ছিলে, তোমাকে ছাড়া অন্য কারো কথা আমি ভাবতেই পারি না, তুমি খুব ভালো ভাবেই বুঝে গিয়ে ছিলে তোমাকে ছাড়া আমার বেঁচে থাকা দায়।
তোমাকে ছেড়ে দেওয়ার শক্তি আমার নেই...

তাই তুমি দিনের পর দিন অ'ব'হে'লা করতে শুরু করলে, আমি যত আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করলাম তুমি তত অ'ব'হে'লা বাড়িয়ে দিলে, মা'ন'সি'ক ভাবে ক'ষ্ট দিতে শুরু করলে, তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না বলে-- সম্পর্কটা বাঁ'চাতে দিনের পর দিন অ'ব'হে'লা, তু'চ্ছ'তা'চ্ছি'ল্য, মা'ন'সি'ক য'ন্ত্র'ণা সব নীরবে স'হ্য করে নিয়েছি।

কিন্তু না! এতো কিছুতেও তোমার আশ মিটলো না... তোমার মন ভরল না, তুমি দিনের পর দিন রং বদলাতেই থাকলে, খো'লসের পর খো'লস ছা'ড়তেই থাকলে, বার বার আমাকে ভে'ঙ্গে'চু'রে এ'কাকার করার পর আমার অ'শ্রুসিক্ত আখি দেখে তুমি পি'চা'শে'র হাসিতে মেতে উঠতে শুরু করলে।

আমি একটু একটু করে নিজেকে বোঝাতে শুরু করলাম... তুমি হয়ত আমার ভাগ্যেই নেই, তবুও মাটি কা'মড়ে পরে ছিলাম, শুধুমাত্র "তোমাকে ভুলে যাওয়ার শক্তি আমার নেই বলে"; কিন্তু তুমি তো থামবে না... তুমি তো থামতেই জানো না, আমার প্রতি তো তোমার ভালোবাসা-ই ছিলো না, যেটা ছিলো সেটা ভালো লাগা, সেটা মো'হ, তাই ভালো লাগা আর মো'হ কে'টে যাওয়া মাত্রই তুমি মানুষ থেকে অ'মানুষ হয়ে গিয়ে ছিলে।

একদিন হঠৎ করেই তুমি নতুন কাউকে নিয়ে এলে, আমার চোখের সামনেই অন্য কাউকে ভালোবাসতে শুরু করলে, স'হ্য করতে পারছিলাম না, একদম স'হ্য করতে পারলাম না আর; সে মুহূর্তেই তোমাকে ছে'ড়ে দিয়ে ফিরে আসলাম, কারণ! সব কিছুর ভা'গ দেওয়া যায় কিন্তু স্ত্রীর ভা'গ কখনোই না, সব অ'ত্যা'চা'র স'হ্য করা যায় কিন্তু মা'ন'সি'ক অ'ত্যা'চা'র না, সব অ'প'মা'ন স'হ্য করা যায় কিন্তু নিজের অস্তিত্বের অ'প'মা'ন স'হ্য করা যায় না।

সব কিছু বি'স'র্জ'ন দিয়ে বাঁ'চা যায় কিন্তু ব্য'ক্তি'ত্ব বি'স'র্জ'ন দিয়ে বাঁ'চা যায় না, তাই তোমাকে নয় নিজেকেই নিজে মুক্তি দিলাম, মি'থ্যে বন্ধন থেকে নিজেকে মুক্ত করলাম, "তোমাকে ভুলে যাওয়ার শক্তি আমার নেই" অনুভূতিটাকেই ভু'লে গেলাম।।

30/07/2025

আমরা কাঁদি আঙুল দিয়ে, চোখ দিয়ে নয়।

আগে মানুষ কাঁদলে চোখ ভিজত।
এখন কাঁদলে… মোবাইল স্ক্রিন ভিজে যায়।

আগে কান্নার শব্দ শোনা যেত বিছানার বালিশে মুখ গুঁজে, এখন কান্নার গন্ধ পাওয়া যায় ক্যাপশনে, status-এ, রিলসে।

আমরা আধুনিক, সৃষ্টিশীল, ডিজিটালি দুঃখী।
তাই আমরা আর চোখ দিয়ে কাঁদি না—আঙুল দিয়ে কাঁদি।

ব্যথা পেলেই ফেসবুক খুলে ফেলি…

“মন আজ খুব খারাপ”,
“এই পৃথিবী বড় নিষ্ঠুর”,
“সবাই ভালো, আমি মূর্খ”,
“হাসি মুখে লুকানো হাজারো কান্না…”

=> Status টাইপ করা শেষ,
=>Emojis বাছাই শেষ
=> গান বেছে নিই, যা চোখে পানি না আনলেও কানকে দুঃখে ভাসায়,
=> তারপর… Post!

এটাই হলো আজকের “দুঃখ প্রকাশের নিয়ম”।

নামাজে দাঁড়ালে যেই চোখে পানি আসে না,
সেই চোখে “seen না দিয়ে reply করলো না”–এই কথা ভেবে পানি এসে পড়ে।
তাহাজ্জুদের আহ্বানে না জাগলেও,
“is typing…” দেখে জেগে উঠি।

সিজদায় কষ্ট বলতে না পারলেও,
কমেন্টে লিখি—“আমার জন্য দোয়া করবেন, ভেঙে পড়েছি…”

ভাই, আপনি কাকে বলছেন?
যে নিজেই ১৪ বার “ভেঙেছে”, সে কি আপনাকে জোড়া লাগাবে?

আমরা বলি—“মানুষের মন হালকা করতে হয়”।
তাই লিখি, কাঁদি, প্রকাশ করি।
ঠিক আছে, লিখুন।
কিন্তু লিখার আগে একবার অন্তত সিজদায় গিয়ে বলুন—
“ইয়া আল্লাহ! এই status না, তোমার দরবারে কান্না দিতে চাই।”

বাস্তবতা হলো—
আল্লাহর কাছে না বলা, আর সবার সামনে বলে বেড়ানো = ভরসার ভুল ঠিকানা।

চরম সত্য:
আমরা কাঁদি—
চোখ দিয়ে না,
আঙুল দিয়ে।

আমাদের চোখ শুকিয়ে গেছে,
আর আঙুল হয়ে গেছে ‘Express Delivery’।
দুঃখ ২ মিনিটের মধ্যে “Public” হয়,
কিন্তু “Sujood” নামক দরজায় পৌঁছায় না কখনো।

রাসূল ﷺ কেমন ছিলেন?
তিনি কাঁদতেন,
কিন্তু পোস্ট করতেন না।

তিনি বলতেন—“আমার চোখ কাঁদে, অন্তর ব্যথিত হয়, তবে আমি মুখে কিছু বলি না যা আল্লাহ অপছন্দ করেন।”
— (সহীহ বুখারী)

এখন?

আমাদের অন্তর… “ভিজুয়াল কনটেন্ট” তৈরি করে!

চোখ শুকিয়ে গেছে।
কিন্তু টাইপিং স্পিড বেড়েছে।
সিজদায় ঠেকি না, কিন্তু ফোনের স্ক্রিনে আঙুল নাচাই ৪ ঘণ্টা।

আমরা এমন এক প্রজন্ম, যারা সাহায্য চায় ক্যাপশন দিয়ে, আর কান্না বোঝাতে চায় emoji দিয়ে।

আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে।
আঙুলের কান্না নয়,
চোখের কান্না চাই,
সিজদার কান্না চাই।

চলুন, এই পোস্ট পড়ার শেষে আমরা উঠে দাঁড়াই, ওযু করি, আর আল্লাহর দরবারে চলে যাই।
কারণ আমাদের চোখ নয়, অন্তর এখন কাঁদতে চায়।

12/07/2025

যখনই তোমাকে মনে পড়ে, তখনই মন পোড়ার মরুভূমিতে আমি বড্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ি। সময়ের রোদ যেন গলগলে পাথর হয়ে বুকের ওপর চাপ দেয়, আর স্মৃতিগুলা বালির ঢিবির মতো চারপাশে ছড়িয়ে থাকে, যেখানে পানি নেই, শুধু পায়ের নিচে ধুলোর ঝড়।

মনে একটু কথা বলতে পারলে শান্তি লাগতো। ঠিক যেনো মরুভূমির মাঝখানে হঠাৎ কোনো মেঘ এসে ছায়া দেয়, কিংবা শুকনো ঠোঁটে কেউ একফোঁটা জল ছুঁইয়ে দেয়।
কিন্তু আমি বড় দুর্ভাগা যার কেবল তৃষ্ণা পায়, প্রাণ জুড়ানোর জন্য কোথা তুমি নেই।

তুমি আছো বহুদূরের কোনো নীল আকাশে, অথচ আমার দিগন্তজুড়ে শুধু পুড়ে যাওয়া বিকেলের সূর্য। তুমি আছো হয়তো কারো গলির বাঁকে বয়ে যাওয়া শীতল হাওয়া, অথচ আমি কেবল গলিত সময়ের ভেতর দগ্ধ হতে থাকি।

তোমার অনুপস্থিতি যেন এক মরীচিকা, আমি ছুটে যাই, আবার হেরে যাই,
তুমি নেই, তবু কতবার তোমাকেই খুঁজি—
এক ফোঁটা শান্তির জন্য, এক পশলা বৃষ্টির আশায়।

পৃথিবীতে দু’ধরনের অভিমানী মানুষ হয়। একধরনের অভিমানী মানুষ অভিমানে অভিযোগ করে, চিৎকার–চেচামেচি করে। আর একধরনের মানুষ অভিম...
12/07/2025

পৃথিবীতে দু’ধরনের অভিমানী মানুষ হয়।
একধরনের অভিমানী মানুষ অভিমানে অভিযোগ করে, চিৎকার–চেচামেচি করে। আর একধরনের মানুষ অভিমানে কোনো অভিযোগ করে, টু শব্দ করে না। শুধু পুরোপুরি নীরব হয়ে যায়–নীরব থাকে!

যারা অভিমানে শত অভিযোগ নিয়ে প্রিয় মানুষটার সাথে চিৎকার–চেচামেচি করে, তাদের অভিমান ভাঙ্গাতে খুব বেশি কষ্ট করতে হয় না। এবং তাদের যন্ত্রণাও কম হয়। কিছুক্ষণ চিৎকার, চেচামেচি করে তারা নিজে থেকেই স্বাভাবিক হয়ে যায়।

আর অভিমানে যারা নীরব থাকে, তাদের যন্ত্রণা কখনো পরিমাপ যোগ্য নয়! খুব প্রিয় মানুষটার প্রতি অভিমানেও সে নীরব হয়ে যায়। যার সাথে কথা না বলে এক মূহুর্ত থাকতে পারে না, অভিমানে সেই মানুষটার সাথেও কথা বলা বন্ধ রাখে। এমন অভিমানী মানুষ নিজেকে একা করে রাখে, আড়ালে রাখে!

পৃথিবীতে সবচাইতে যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতি হচ্ছে, অভিমানে একা হয়ে যাওয়া! নিজেকে এতটাই আড়ালে রাখা, যতটা আড়ালে রাখলে কেউ নাগাল অবধি পায় না! এই মানুষগুলোর নীরবতার আড়ালে হাহাকার খুব কম মানুষই দেখতে পায়৷ তাদের অভিমান কেউ ভাঙ্গাবে তো দূরের কথা, এদের মনটা কেউ বোঝারই চেষ্টা করে না কখনো। অভিমানে পুরোপুরি নীরব হয়ে যাওয়া, আড়ালে চলে যাওয়া মানুষগুলোর খোঁজ মানুষ তো দূরের কথা, এই পৃথিবীই নেয় না কোনোদিন!

বেইমানি সবাই করতে পারে না।‎যারা বেইমানি করে তারা অনেক ধুরন্ধর,, এবং শান্ত মস্তিষ্কের হয়।‎এদের দেখলে মনে হবে সাক্ষাৎ ফের...
12/07/2025

বেইমানি সবাই করতে পারে না।
‎যারা বেইমানি করে তারা অনেক ধুরন্ধর,, এবং শান্ত মস্তিষ্কের হয়।
‎এদের দেখলে মনে হবে সাক্ষাৎ ফেরেস্তা আসমান থেকে নেমে এসেছে ,,,এরা এমন একটা ভেস ধরে থাকবে আপনার কাছে মনে হবে একটা মানুষ এতো ভালো হয় কি করে?
‎মানে তার মাঝে আপনি পৃথিবীর সব ভালো গুণ খুঁজে পাবেন ।
‎আপনি না চাইতেও তাকে আপনার ভালো লাগবে,, এবং আপনি তাকে ভালোবাসতে বাধ্য হবেন।
‎আসলে তার এই ভালোমানুষী টা পরিকল্পিত একটা সাজানো ফাঁদ আপনার জন্য।
‎তাকে ভালোবেসার মতো ভুলের মধ্যদিয়ে আপনি তার ফাঁদে পা দিয়ে আটকে যাবেন।
‎আটকে যাওয়ার পরেই আপনি তার আসল রূপের নতুন খেলা টা দেখতে পারবেন,,!
‎যতোদিনে সে খেলাটা শুরু করবে ততদিনে তার প্রতি আপনি আসক্ত হয়ে পরবেন।
‎আপনার তার প্রতি তীব্র ভালোবাসার কারনে সে এমন খেলা শুরু করে আপনি হয়ে যান ফুটবল সে হয়ে যাবে মেসি।
‎কিছু দিন পর জানতে পারবেন তার খেলার জন্য আপনি একমাত্র বল না তার খেলার জন্য আরো অনেক বল আছে ।
‎একটা পর্যায়ে তার অবহেলার বিষে আপনি নিল হয়ে যাবেন, অদৃশ্য আগুনে পুড়তে থাকবে আপনার বুক।
‎আপনার ঝলসানো হৃদয় নিয়ে যখন তার কাছে যাবেন একটু সহানুভূতির জন্য একটু ভালোবাসার জন্য,,ঠিক তখনই আপনার আগুনে পোড়া ঝলসানো হৃদয় টাকে মেরে ফেলে শেষ কৃতকার্য সম্পুর্ন করে,,তার কাছ থেকে চিরদিনের জন্য বিদায় করে দিবে আপনাকে।

‎একা থাকতে থাকতে বুঝতে পারবেন এই পৃথিবীতে কেউ কারো হয় না সবাই স্বার্থের জন্য কাছে আসে স্বার্থ ফুরালেই চলে যায়।।

Address

`Afif

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ABIR BLOG posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share