Ibrahim bhuiyan

Ibrahim bhuiyan Prevention is better than cure
(4)

06/05/2026

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন লোকদেরকে ইসলাম বিমুখ ভূমিকায় দেখলেন, তখন দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! ইউসুফ (আ.)-এর সময়ের সাত বছরের (দুর্ভিক্ষের) ন্যায় তাদের উপর সাতটি বছর দুর্ভিক্ষ দাও। ফলে তাদের উপর এমন দুর্ভিক্ষ আপতিত হল যে, তা সব কিছু্ই ধ্বংস করে দিল। এমন কি মানুষ তখন চামড়া, মৃতদেহ এবং পচা ও গলিত জানোয়ারও খেতে লাগল। ক্ষুধার তাড়নায় অবস্থা এতদূর চরম আকার ধারণ করল যে, কেউ যখন আকাশের দিকে তাকাত তখন সে ধোঁয়া দেখতে পেত। এমতাবস্থায় আবূ সুফিয়ান (ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! তুমি তো আল্লাহ্‌র আদেশ মেনে চল এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার আদেশ দান কর। কিন্তু তোমার কওমের লোকেরা তো মরে যাচ্ছে। তুমি তাদের জন্য আল্লাহ্‌র নিকট দু‘আ কর। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ “তুমি সে দিনটির অপেক্ষায় থাক যখন আকাশ সুস্পষ্ট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যাবে...সেদিন আমি প্রবলভাবে তোমাদের পাকড়াও করব”- (সূরা দুখান ৪৪/১০-১৬)। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, সে কঠিন আঘাতের দিন ছিল বদরের যুদ্ধের দিন। ধোঁয়াও দেখা গেছে, আঘাতও এসেছে। আর মক্কার মুশ্‌রিকদের নিহত ও গ্রেফতার হওয়ার যে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে, তাও সত্য হয়েছে। সত্য হয়েছে সূরা রূম-এর এ আয়াতও (রুমবাসী দশ বছরের মধ্যে পারসিকদের উপর আবার বিজয়ী হবে)।

হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

Masjid AL NABAWI MADINA ♥️
06/05/2026

Masjid AL NABAWI MADINA ♥️

Masjid AL NABAWI MADINA ♥️
06/05/2026

Masjid AL NABAWI MADINA ♥️

06/05/2026

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শেষ রাকআ’ত হতে মাথা উঠালেন, তখন বললেন, হে আল্লাহ্‌! আইয়্যাশ ইব্‌নু আবু রাবী’আহ্‌কে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ্‌! সালামাহ্‌ ইব্‌নু হিশামকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ্‌! ওয়ালীদ ইব্‌নু ওয়ালীদকে রক্ষা কর। হে আল্লাহ্‌! দূর্বল মুমিনদেরকে মুক্তি কর। হে আল্লাহ্‌! মুযার গোত্রের উপর তোমার শাস্তি কঠোর করে দাও। হে আল্লাহ্‌! ইউসুফ (আ)-এর সময়ের দুর্ভিক্ষের বছরগুলোর মত (এদের উপরে) ও কয়েক বছর দুর্ভিক্ষ দাও। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বললেন, গিফার গোত্র, আল্লাহ্‌ তাদেরকে ক্ষমা কর। আর আসলাম গোত্র, আল্লাহ্‌ তাদেরকে নিরাপদ রাখ। ইব্‌নু আবু যিনাদ (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বলেন, এ সমস্ত দু’আ ফজরের সালাতে ছিলো।

হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

Masjid AL NABAWI MADINA
06/05/2026

Masjid AL NABAWI MADINA

MASJID AL NABAWI MADINA
21/03/2026

MASJID AL NABAWI MADINA

MASJID AL NABAWI MADINA ♥️
07/02/2026

MASJID AL NABAWI MADINA ♥️

07/02/2026

এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে জানুন
হেলথ ওয়াচ নামের একটা সংস্থার জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে একজন ডাক্তার প্রত্যেক রোগীর পেছনে গড়ে সময় দেন মাত্র ৫৪ সেকেন্ড! এতটুকু সময়ের মধ্যে কি আসলেই সম্ভব সঠিকভাবে রোগ নিরূপন? আবার দোষের ভাগীদার কিন্তু আমরাও। যখন রোগে ভুগি তখন সাময়িক উপশমের জন্য দেদারসে ঔষধ গিলি। বেশিরভাগই এন্টিবায়োটিকের কোর্স শেষ করি না। আবার কয়েকমাস পর একই উপসর্গ দেখা দিলে সহজে কিন্তু ডাক্তারের কাছে যাই না; আগের ঔষধটা নিজে নিজে খেয়ে ফেলি। কখনও কখনও পরিচিতদের ‘পরামর্শে’ নিজেরাই ডাক্তার বনে যাই- ‘অমুক ভাই’ উপকার পেয়েছেন বলে আমরাও আশ্বস্ত হই এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ঔষধ খাই।

মূল সমস্যাটা হলো আমাদের অতিরিক্ত ঔষধ নির্ভরতা। ডা. জন রবিন্স এ অবস্থার জন্যে চিকিৎসাবিজ্ঞান সম্পর্কে রোগীদের ভ্রান্ত ধারণাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, এরা মনে করে যে, সুস্বাস্থ্য বা নিরাময় ডাক্তার, ড্রাগস্টোর বা হাসপাতালে রয়েছে। ডাক্তার তাদেরকে ধন্বন্তরী ট্যাবলেট, ক্যাপসুল বা ইনজেকশন দিয়ে ভালো করে দেবেন। এ আশায় রোগীরা ডাক্তারের পর ডাক্তার আর ঔষধের পর ঔষধ বদলায়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের অবস্থা দিনের পর দিন একই থাকে।

আসলে রোগ ও অসুস্থতা থেকে মুক্তির জন্য প্রথম প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গি বা জীবন চেতনার পরিবর্তন। অপনাকে জানতে হবে যে, নিরাময়ের ক্ষমতা আপনার নিজের ভেতরেই আছে, ডাক্তার কেবল সহায়ক শক্তি মাত্র। যতক্ষণ নিজে বিশ্বাস করতে না পারছেন যে আপনিও সুস্থ হতে পারেন ততক্ষণ কোনো চিকিৎসাই আপনাকে সুস্থ করতে পারবেনা। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, শতকরা ৭৫ ভাগ রোগের কারণই হচ্ছে মনোদৈহিক। অর্থাৎ কোনো ঘটনার প্রেক্ষিতে আপনার মানসিক প্রতিক্রিয়াই ৭৫ ভাগ রোগ সৃষ্টির কারণ। শতকরা ১৫ ভাগ রোগের কারণ হচ্ছে ইনফেকশন, ভাইরাস আক্রমণ, ভুল খাদ্য গ্রহণ ও ব্যায়াম না করা। শতকরা ১০ ভাগ রোগের কারণ হচ্ছে দৈহিক আঘাত, ঔষধ ও অপারেশনের প্রতিক্রিয়া। তাই শতকরা ৭৫ ভাগ রোগই শুধুমাত্র দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে সুস্থ জীবনদৃষ্টি গ্রহণের মাধ্যমে নিরাময় হতে পারে। অন্যান্য রোগ নিরাময়েও ঔষধ, সার্জারির পাশাপাশি সুস্থ জীবনদৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এবার গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় "এন্টিবায়োটিক" সম্পর্কে জানুনঃ
এন্টিবায়োটিক কী?
এন্টিবায়োটিক হচ্ছে সেই সব ঔষধ যা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা পরজীবী ধ্বংস করে অথবা এদের বিষক্রিয়াকে নষ্ট করে। ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন রোগে এন্টিবায়োটিক একটি বহুল ব্যবহৃত সফল ঔষধ।

এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স কী?
এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বলতে বোঝায় এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাওয়া অর্থাৎ যদি এমন কোন ঔষধের বিরুদ্ধে জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে যার প্রতি একসময় জীবাণুটি সংবেদনশীল ছিল (মানে ঔষধটি জীবাণুর বিষক্রিয়া নষ্ট করতে পারত) কিন্তু ওই জীবাণুর বিপক্ষে এটি এখন আর কাজ করতে পারছে না।

অর্থাৎ কোনো বিশেষ জীবাণুর জন্য যেসব গুণাবলী ঔষধে থাকার কথা তা ঠিক রয়েছে এবং তা সঠিকভাবে সংরক্ষণও করা হয়েছে কিন্তু সবকিছুর পরও ওই জীবাণুর বিপক্ষে এটি আর কাজ করতে পারছে না!

যদি কোন জীবাণু এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্ট হয়ে যায়, তখন তাকে সহজ ভাষায় বলা যায় ড্রাগ রেজিস্টেন্ট হয়ে যাওয়া। এর মানে হচ্ছে, তখন সেই জীবাণুর উপর সাধারণ কোন ঔষধ কাজ করতে পারবে না। এখন স্বভাবতই প্রশ্ন আসবে কেন রেজিস্টেন্ট হয়ে যায়।

এন্টি বায়োটিক আমাদের শরীরে প্রবেশ করলে বিভিন্ন জীবাণু বা ভাইরাস তার বিরুদ্ধে এন্টিবডি উৎপন্ন করে মানে জীবাণু গুলো এন্টিবায়োটিক এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যাবস্থা গড়ে তোলে। ফলে তারা সাময়িক ভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং আমাদের শরীর সুস্থ হতে শুরু করে। কিন্তু জীবাণু বা ভাইরাস কিন্তু তখনো শরীরে থেকে যায় এন্টিবডির মাধ্যমে। এখন আমরা যদি ওই অবস্থায় এন্টিবায়োটিক খাওয়া বন্ধ করে দেই তাহলে জীবাণু গুলো পুনরায় আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে এবং আবার রোগ সৃষ্টি করে। কিন্তু সমস্যা হল আপনি যদি এখন আবার ওই এন্টি বায়োটিক খান তাহলে কিন্তু তা আর কাজ করবেনা। কারণ কী জানেন? ওই যে আপনার শরীরে আগের এন্টিবডি গুলো থেকে যায় তাই। তখন জীবাণু গুলো প্রথম থেকেই এন্টিবায়টিক এর বিপরীতে প্রতিরোধ গড়ে তোলে তখন আর ঐ গ্রুপের এন্টিবায়োটিকে কাজ হয় না। এমনকি ওই এন্টিবায়োটিক আপনার শরীরে আর কোনোদিন কাজ করবেনা। তাই আমাদের করনীয় হল যখনই এন্টিবায়োটিক দেওয়া হবে, অবশ্যই পুরো কোর্সটি সম্পন্ন করতে হবে।

এই জীবাণুরা ড্রাগ রেজিস্টেন্ট হয়ে গেলে কী ক্ষতি হবে জানেন?
১) সাধারণভাবে ব্যবহৃত এন্টিবায়োটিক এদের উপর আর কাজ করবেনা।

২) নতুন ড্রাগ তৈরী করতে হবে যা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং সমগ্র চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য হুমকি।

৩) চিকিৎসা হয়ে যাবে ব্যয়বহুল এবং জটিল, অনেকক্ষেত্রে সাধারণের হাতের নাগালের বাইরে।

৪) চিকিৎসা ফলপ্রসূ হবে না, রোগী দীর্ঘদিন যাবত সংক্রমিত থাকতে পারে, অন্যকে সহজে সংক্রমিতও করতে পারে।

৫) বড় বড় সার্জারি, অর্গান ট্রান্সপ্ল্যান্ট যা এখন অনায়াসে হচ্ছে, সেগুলো হয়ে যাবে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ।

এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার কারনঃ
- কারণ চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়াই বিনা প্রয়োজনে যখন তখন এন্টিবায়োটিক সেবন।

- এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার যখন ঠিকমত হয় না অর্থ্যাৎ সঠিক ডোজ না হওয়া বা সঠিক এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার না করা বা প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার করা। তখন জীবাণু সেই এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে এমন কিছু পরিবর্তন নিজের মাঝে আনে সেজন্য আর ওই এন্টিবায়োটিক কার্যকরী হয় না।

- এখন প্রশ্ন আসতে পারে, একটা বা একজন মানুষের শরীরের জীবাণুতে যে পরিবর্তন আসে, একটা এলাকার সব জীবাণুতেই কি সেই পরিবর্তন আসবে? এলেও তা কীভাবে? এর উত্তর হচ্ছে, সেই পরিবর্তনটি এলেই হবে।

- কেননা, যে জীবাণু নিজের জেনেটিক কোডে পরিবর্তন এনে রেজিস্ট্যান্ট হয়, সেই জীবাণু বিভিন্নভাবে অন্য জীবাণুর মাঝে এই জেনেটিক কোড ছড়িয়ে দিতে পারে অথবা একটি এক্সট্রা জেনেটিক কোড ছড়িয়ে দিতে পারে পরিবেশে, পরবর্তী সময়ে পরিবেশের অন্যান্য জীবাণু সেই কোড গ্রহণ করে রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যেতে পারে।

আমাদের করণীয়:
WHO-এর পরামর্শ অনুযায়ী
— ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে উল্লিখিত ডোজ ও সময় অনুসারে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন।

— ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন কোন এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়েছে।

— সর্দি-কাশি এবং আধিকাংশ ডায়রিয়ার চিকিত্সায় এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না, এর জন্য তরল পানীয় ও বিশ্রামই যথেষ্ট।

— অতীতে অসুস্থতার জন্য দেয়া এন্টিবায়োটিক চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া আবার ব্যবহার করা যাবে না

সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ডায়রিয়া : আপনি কি জানেন এন্টিবায়োটিক গ্রহণের ফলে আপনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন? আমাদের বডি সিস্টেমের মধ্যে ভালো এবং খারাপ উভয় ব্যাকটেরিয়া আছে। এন্টিবায়োটিক শুধু খারাপ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে না সঙ্গে কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়াও ক্ষতিগ্রস্তও হয় আর আমাদের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল নালীর মধ্যে ভালো এবং খারাপ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বিপর্যস্ত হলে এন্টিবায়োটিক সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়া দেখা দেয়।

বমি বমি ভাব : সাধারণত সব ঔষধেই এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তাই এখন থেকে কম ঔষধ খাবেন। অবশ্যই জটিল অসুখের ব্যাপারটা আলাদা। কিন্তু সামান্য অসুখে অতিরিক্ত ব্যস্ত হয়ে যাওয়াটা ঠিক নয়। সেক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস বা জীবনাচার পরিবর্তন আপনাকে সুস্থ করে তুলতে পারে।

মসজিদে নববী মদিনা ❤️♥️
28/01/2026

মসজিদে নববী মদিনা ❤️♥️

লাগা লাগা ধান লাগা ১২ তারিখে ধান লাগা
12/01/2026

লাগা লাগা ধান লাগা ১২ তারিখে ধান লাগা

12/12/2025

ভ্রমণের দুআ - যাত্রা বিরতি

১. ভ্রমণের বিরতিতে, উদাহরণস্বরূপ, যখন আপনি বিমান পরিবর্তন করেন বা কোনও সার্ভিস স্টেশনে থামেন, তখন নীচে লেখা দুআটি পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ

আ'যু বি কালিমাতিল্লাহি তাম্মাতস

من شر ما خلق

মিন শাররি মা খালাক

রাসূল (সাঃ) ভ্রমণের সময় কোন স্থানে থামলে তাকে বলতে পরামর্শ দিয়েছিলেন, "আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের আশ্রয় প্রার্থনা করছি তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে।" তিনি (সাঃ) বলেছেন যে, যে কেউ এই কথা বলবে, সেই স্থান থেকে চলে না যাওয়া পর্যন্ত তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (মুসলিম)

Address

Cumilla
Medina

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ibrahim bhuiyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ibrahim bhuiyan:

Share