Eshop

Eshop on yourself if you win.
# Don't judge anyone without knowing.

02/11/2025
02/11/2025
30/10/2025

গাড়ির প্রতিটি যন্ত্রাংশের নির্দিষ্ট জীবনকাল (Life Span) থাকে। নিচে সহজভাবে বলা হলো— প্রতিটি যন্ত্রাংশ কী কাজ করে এবং কখন পরীক্ষা বা পরিবর্তন করা উচিত।

---

🚘 গাড়ির যন্ত্রাংশের জীবনকাল ও কাজ

১. গাড়ির বাতি (Car Lights)
🔹 কাজ: রাতে বা কম আলোতে রাস্তা আলোকিত করে।
🔹 পরীক্ষা করুন: প্রতি ৬ মাস পরপর।
🔹 কারণ: আলো কমে গেলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।

---

২. উইন্ডশিল্ড ওয়াইপার (Windshield Wiper)
🔹 কাজ: বৃষ্টি বা ধুলা পড়লে কাঁচ পরিষ্কার রাখে।
🔹 পরিবর্তন সময়: ৬ মাস থেকে ১ বছর।
🔹 কারণ: নষ্ট হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, চালানো ঝুঁকিপূর্ণ।

---

৩. স্পার্ক প্লাগ (Spark Plug)
🔹 কাজ: ইঞ্জিনে জ্বালানি ও বাতাসের মিশ্রণ জ্বালায়, ইঞ্জিন চালু করে।
🔹 পরিবর্তন সময়: ৩০,০০০ – ৫০,০০০ কিমি পর।
🔹 কারণ: খারাপ হলে ইঞ্জিন মিসফায়ার করে ও জ্বালানি নষ্ট হয়।

---

৪. টাইমিং বেল্ট (Timing Belt)
🔹 কাজ: ইঞ্জিনের ক্র্যাংকশ্যাফট ও ক্যামশ্যাফট একসাথে ঘোরায়, সঠিক সময় দেয়।
🔹 পরিবর্তন সময়: ৬০,০০০ – ১০০,০০০ মাইল পর।
🔹 কারণ: ছিঁড়ে গেলে ইঞ্জিনের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

---

৫. অল্টারনেটর (Alternator)
🔹 কাজ: ব্যাটারি চার্জ দেয় এবং গাড়ির বৈদ্যুতিক সিস্টেম চালায়।
🔹 পরীক্ষা করুন: প্রতি ১০০,০০০ কিমি পর।
🔹 কারণ: নষ্ট হলে ব্যাটারি চার্জ হয় না, গাড়ি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

---

৬. ফুয়েল পাম্প (Fuel Pump)
🔹 কাজ: ট্যাংক থেকে জ্বালানি ইঞ্জিনে পাঠায়।
🔹 পরীক্ষা করুন: প্রতি ১০০,০০০ কিমি পর।
🔹 কারণ: পাম্প দুর্বল হলে ইঞ্জিনে পর্যাপ্ত জ্বালানি পৌঁছায় না।

---

৭. জল পাম্প (Water Pump)
🔹 কাজ: ইঞ্জিনে পানি সঞ্চালন করে, অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে বাঁচায়।
🔹 পরীক্ষা করুন: প্রতি ১০০,০০০ কিমি পর।

---

৮. ক্লাচ (Clutch)
🔹 কাজ: গিয়ার পরিবর্তনের সময় ইঞ্জিন ও গিয়ারবক্স আলাদা করে।
🔹 পরিবর্তন সময়: প্রতি ১০০,০০০ কিমি পর।
🔹 কারণ: ক্লাচ স্লিপ করলে গিয়ার ঠিকমতো কাজ করে না।

---

৯. ফুয়েল ফিল্টার (Fuel Filter)
🔹 কাজ: জ্বালানির ময়লা ও অমিশ্রণ ছেঁকে দেয়।
🔹 পরিবর্তন সময়: ৪০,০০০ – ৮০,০০০ কিমি পর।
🔹 কারণ: বন্ধ হলে ইঞ্জিন দুর্বল চলে।

---

১০. ব্রেক প্যাড (Brake Pad)
🔹 কাজ: গাড়ি থামাতে চাকায় ঘর্ষণ তৈরি করে।
🔹 পরিবর্তন সময়: ৩০,০০০ – ৭০,০০০ কিমি পর।
🔹 কারণ: ক্ষয় হলে ব্রেকের কার্যক্ষমতা কমে যায়।

---

১১. ডিস্ক ব্রেক (Disc Brake)
🔹 কাজ: ব্রেক প্যাডের সাথে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে গাড়ি থামায়।
🔹 পরিবর্তন সময়: ৮০,০০০ – ১২০,০০০ কিমি পর।

---

১২. ফুয়েল ইনজেক্টর (Fuel Injector)
🔹 কাজ: ইঞ্জিনে নির্দিষ্ট পরিমাণে জ্বালানি ছিটিয়ে দেয়।
🔹 পরিবর্তন সময়: ৪০,০০০ – ৬০,০০০ কিমি পর।
🔹 কারণ: বন্ধ হলে জ্বালানি সঠিকভাবে পোড়ে না, মাইলেজ কমে।

28/10/2025

গাড়ি মাঝে মাঝে ব্রেক করলেই আওয়াজ করে কারণ কি

⠀⠀

গাড়ি চালানোর সময় ব্রেক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি না থাকলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, ব্রেক চাপলেই গাড়ি থেকে অদ্ভুত আওয়াজ আসে — যেমন ঘর্ষণের শব্দ, চিৎকারের মতো শব্দ, কিংবা ধাতব ঘষা ঘষা আওয়াজ। অনেক চালকই ভাবেন এটি হয়তো স্বাভাবিক, কিন্তু বাস্তবে এই আওয়াজ গাড়ির কোনো সমস্যা বা ত্রুটির ইঙ্গিত দিতে পারে। আজকের এই নিবন্ধে আমরা জানবো, গাড়ি ব্রেক করলে কেন আওয়াজ করে, এর মূল কারণ, এবং এর সমাধান কী হতে পারে।

⠀⠀

১. ব্রেক প্যাড ক্ষয় হয়ে যাওয়া
গাড়ির ব্রেক প্যাড হচ্ছে সেই অংশ যা ব্রেক ডিস্কের সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে গাড়িকে থামায়। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে এই প্যাড ক্ষয় হতে থাকে। যখন এটি পাতলা হয়ে যায়, তখন ধাতব অংশ ডিস্কের সঙ্গে ঘষা খায় এবং একটি চিড়িক বা ঘর্ষণের শব্দ তৈরি করে।

সমাধান: ব্রেক প্যাড পরিবর্তন করুন। সাধারণত প্রতি ৩০,০০০-৪০,০০০ কিলোমিটার পর ব্রেক প্যাড পরীক্ষা করা উচিত।

⠀⠀

২. ব্রেক ডিস্কে ক্ষত বা খাঁজ পড়া
ব্রেক ডিস্কে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধুলো, বালি বা তাপের কারণে ক্ষত তৈরি হতে পারে। এই ক্ষতযুক্ত ডিস্কে যখন ব্রেক প্যাড ঘর্ষণ করে, তখন আওয়াজ হয়।

সমাধান: ডিস্ক রিফেসিং করানো বা প্রয়োজনে নতুন ডিস্ক ইনস্টল করা দরকার।

⠀⠀

৩. ধুলো-বালি জমে যাওয়া বা মরিচা পড়া
যদি গাড়ি দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করা হয়, তবে ব্রেক অংশে মরিচা পড়তে পারে বা ধুলো-বালি জমে যেতে পারে। এই ধুলো বা মরিচা প্যাড ও ডিস্কের মাঝে পড়ে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে শব্দ তৈরি করে।

সমাধান: ব্রেক সিস্টেম ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে এবং মাঝে মাঝে গাড়ি চালিয়ে অংশগুলো সচল রাখতে হবে।

⠀⠀

৪. ব্রেক শিম বা ক্লিপ ঢিলা হয়ে যাওয়া
অনেক সময় ব্রেকের মেটাল শিম বা ক্লিপ ঢিলা হয়ে যায়। এটি ডিস্ক বা ক্যালিপারের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ধাতব শব্দ তৈরি করে।

সমাধান: ব্রেক মেকানিক দিয়ে সব শিম, ক্লিপ ও স্ক্রু টাইট করে নিতে হবে।

⠀⠀

৫. ব্রেক ক্যালিপার জ্যাম হয়ে যাওয়া
যদি ক্যালিপার পিস্টন সঠিকভাবে কাজ না করে বা জ্যাম হয়ে যায়, তবে ব্রেক প্যাড সব সময় ডিস্কের সঙ্গে ঘষা খায়। এর ফলে তাপ উৎপন্ন হয় ও চিড়িক আওয়াজ শোনা যায়।

সমাধান: ক্যালিপার সার্ভিস বা রিপেয়ার করাতে হবে।

⠀⠀

৬. নিম্নমানের ব্রেক প্যাড ব্যবহার করা
বাজারে অনেক নিম্নমানের ব্রেক প্যাড পাওয়া যায়, যেগুলো সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং ব্রেক চাপলেই চিড়িক আওয়াজ করে।
সমাধান: সবসময় গাড়ির ব্র্যান্ড অনুযায়ী ভালো মানের ব্রেক প্যাড ব্যবহার করুন।

⠀⠀

৭. ব্রেক তেলের ঘাটতি বা দূষণ
ব্রেক সিস্টেমে হাইড্রোলিক তেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যদি তেলের ঘাটতি থাকে বা তেল নোংরা হয়ে যায়, তাহলে ব্রেক সঠিকভাবে কাজ করবে না এবং অস্বাভাবিক আওয়াজ হতে পারে।

সমাধান: ব্রেক ফ্লুইড পরীক্ষা করে নিয়মিত পরিবর্তন করতে হবে।

⠀⠀

৮. সাসপেনশন বা হুইল বেয়ারিং সমস্যা
অনেক সময় মনে হয় ব্রেক থেকে আওয়াজ আসছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আওয়াজ আসে হুইল বেয়ারিং বা সাসপেনশন থেকে। এই অংশগুলো ঢিলা বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্রেকের সময় চাপ পড়ে এবং শব্দ শোনা যায়।

সমাধান: পুরো চাকার মাউন্টিং, সাসপেনশন ও বেয়ারিং পরীক্ষা করাতে হবে।

⠀⠀

৯. আবহাওয়া ও আর্দ্রতার প্রভাব
বর্ষাকাল বা ভেজা পরিবেশে ব্রেক ডিস্কে পাতলা মরিচার স্তর জমে যেতে পারে। সকালে প্রথম ব্রেক করার সময় ‘চিৎ’ শব্দ শোনা যায়, যা কিছু সময় পর নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।

সমাধান: এটি অস্থায়ী সমস্যা। গাড়ি কিছুক্ষণ চালালে শব্দ বন্ধ হয়ে যাবে।

⠀⠀

সতর্কতা
গাড়ির ব্রেকের আওয়াজ কখনোই অবহেলা করবেন না।
শব্দ নিয়মিত হলে অবিলম্বে একজন অভিজ্ঞ মেকানিকের কাছে যান।
নিয়মিত সার্ভিসিং ও ব্রেক পরীক্ষা করুন। ভালো মানের ব্রেক পার্টস ব্যবহার করুন।

⠀⠀

গাড়ির ব্রেকের আওয়াজ কোনো সাধারণ ব্যাপার নয়। এটি গাড়ির নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। অনেক সময় সামান্য ত্রুটি থেকে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই ব্রেক থেকে যদি সামান্য আওয়াজও শোনা যায়, তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত সমস্যার উৎস খুঁজে বের করুন এবং সমাধান করুন।
Cook Rally Driver

14/04/2025

নিয়মিত ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তনের গুরুত্ব আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের আয়ু বাড়ান সহজেই!

গাড়ি চালানোর সময় আমরা অনেকেই শুধু জ্বালানি ভরতেই মনোযোগী থাকি। কিন্তু গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল ঠিক মতো পরিবর্তন না করলে আপনার প্রিয় যানবাহনটি ধীরে ধীরে ক্ষতির দিকে এগিয়ে যায়। এই আর্টিকেলে আমরা জানবো কেন নিয়মিত ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এর উপকারিতা কী এবং কোন সময় ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা উচিত।

ইঞ্জিন অয়েল কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে? ইঞ্জিন অয়েল হল এক ধরনের লুব্রিকেন্ট, যা ইঞ্জিনের ভেতরে থাকা বিভিন্ন ধাতব অংশকে একে অপরের সঙ্গে ঘর্ষণ না করে মসৃণভাবে চলতে সাহায্য করে। এটি ইঞ্জিনের=তাপ নিয়ন্ত্রণে=ঘর্ষণ কমাতে=ময়লা ও ধূলিকণা পরিষ্কার রাখতে
ইঞ্জিনের আয়ু বাড়াতে

গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে=নিয়মিত ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন না করলে কী সমস্যা হয়? যদি ইঞ্জিন অয়েল নিয়মিত পরিবর্তন না করা হয়, তাহলে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে=ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়া (Overheating): পুরোনো অয়েল তাপ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না=ইঞ্জিন পারফরমেন্স কমে যাওয়া: গাড়ি ধীরে চলে, ইঞ্জিন শব্দ করে এবং দ্রুত ক্ষয় হয়=রিপেয়ার খরচ বেড়ে যায়: ইঞ্জিনের ক্ষতি হলে বড়সড় মেরামতের প্রয়োজন হয়=ইঞ্জিন ব্লক হয়ে যেতে পারে: অয়েল ঘন হয়ে গেলে ইঞ্জিনের অভ্যন্তরে ব্লক তৈরি হয়।

✅ নিয়মিত ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তনের উপকারিতা
ইঞ্জিন পারফরমেন্স উন্নত হয়=গাড়ি চালানোর সময় মসৃণ অনুভূতি
জ্বালানি খরচ কমে=ইঞ্জিনের দীর্ঘস্থায়ীত্ব বৃদ্ধি পায়=পরিবেশবান্ধব ড্রাইভিং (কম ধোঁয়া নির্গমন=কখন ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করবেন? সাধারণত গাড়ির ম্যানুয়াল বুক এ নির্দেশনা দেওয়া থাকে। তবে গড়ে:
প্রতি ৫,০০০ - ১০,০০০ কিমি পর

অথবা প্রতি ৬ মাস পর

ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করাই ভালো।👉 তবে আপনি যদি ঢাকার মতো ধুলাবালিময় এবং ট্রাফিক জ্যামে ভরা শহরে চালান, তাহলে আরও ঘন ঘন পরিবর্তন করাই উত্তম=কোন অয়েল ব্যবহার করবেন?
✅ আপনার গাড়ির ব্র্যান্ড অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রেডের অয়েল ব্যবহার করা উচিত। যেমন=5W-30=10W-40


👉 সিন্থেটিক অয়েল সাধারণত বেশি কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
নিয়মিত ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করলে আপনি শুধু আপনার গাড়িকে ভালো রাখেন না, বরং নিজের অর্থ ও সময়ও বাঁচান। এটি গাড়ির জন্য এক ধরনের জীবন বীমা । তাই দেরি না করে আজই দেখে নিন আপনার গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল শেষ কবে পরিবর্তন করেছেন!

#ইঞ্জিনঅয়েল #গাড়িরইঞ্জিন #গাড়িরপরিচর্যা #গাড়িচালানো #ড্রাইভিং_টিপস #নিয়মিতরক্ষণাবেক্ষণ

Address

Tabuk

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eshop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share