Love,Papri

Love,Papri Bangladeshi girl shows life in Sweden 🇸🇪
Expat life • Culture • Daily moments • Nordic living.
(2)

05/09/2026

This rabbit showed me what safety feels like in Sweden.

My dear girls, Papa's princess  বা  "Hubby's  বিয়ে করা প্রিন্সেস" হইয়েন না। প্রিন্সেস হতে ইচ্ছে করলে নিজের যোগ্যতায়, নিজ...
05/09/2026

My dear girls,
Papa's princess বা "Hubby's বিয়ে করা প্রিন্সেস" হইয়েন না।
প্রিন্সেস হতে ইচ্ছে করলে নিজের যোগ্যতায়,
নিজের ক্ষমতায় আর
নিজের পকেটের গরমে প্রিন্সেস হোন।
কলম: Manira Sultana Papri
কারণ পাপা আর না থাকলে কিংবা হাজব্যান্ড যদি অন্য কোন "পাপা'স প্রিন্সেসের"
দিকে ঝুঁকে পড়েন,তখন কিন্তু প্রিন্সেস থেকে 'হোমলেস', 'হোপলেস','মোখলেস' এবং সব শেষে 'ক্লু লেস' হয়ে যেতে হবে!
Be the princess of your self-made Kingdom, and conquer...!

নিজের যোগ্যতায় প্রিন্সেস না হয়ে একটা সাধারণ নারী হলেও
আপনার সম্মান প্রিন্সেস এর চাইতে বেশি।
কারণ আপনার সম্মান অন্য কারোর বদান্যতার উপর তখন আর নির্ভর করে না।

(পোস্ট শেয়ার করতে পারেন কিন্তু কপি করবেন না!)

05/09/2026

বিয়ের আগে বনাম বিয়ের পরে।
Video : Manira Sultana Papri
#বাংলাদেশ

05/09/2026

অথচ আমরা কাউকেই হ্যাপি করতে পারিনা।

সেদিন আমাদের অ্যানিভার্সারি ছিলো। আমাদের অ্যানিভার্সারি ডিসেম্বরে। সে সময় পুরোটাই স্নোয়ে ঢাকা থাকে সুইডেন। যতদূর মনে পড...
04/09/2026

সেদিন আমাদের অ্যানিভার্সারি ছিলো। আমাদের অ্যানিভার্সারি ডিসেম্বরে। সে সময় পুরোটাই স্নোয়ে ঢাকা থাকে সুইডেন। যতদূর মনে পড়ে সেদিন আমাদের উইকডে ছিলো।
উইকেন্ডও বেশ দূরে।
কলম: Manira Sultana Papri
কিন্তু আমরা দিনটাকে অপচয় করতে চাইনি।
আসলে আমাদের জীবনে যেরকম অনেক লিমিটেশন্স আছে, ঠিক সেরকম ভাবে আমরা আমাদের জীবনকে উপলক্ষ গুলো কেউ বের করে নেই।

জন্মদিন হোক অ্যানিভার্সারি হোক, কিংবা যেকোনো বিশেষ দিন, সেই দিনটাকে বিশেষ করে তুলি আসলে আমরা।
আপনি খেয়াল করে দেখুন, আমাদের দেশে যখন কোন কারণে ঈদের চাঁদ দেখা যায় না, চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তই কিন্তু ঈদ।
মানে আমরা মানুষেরা সিদ্ধান্ত নিলেই সেই স্বাভাবিক দিনটা আনন্দের দিন হয়ে উঠতে পারে।
কোন একটা দিনকে অর্থ দেই আসলে আমরা। আবেগ দেই আমরা। বিশেষত্ব দেই আমরা।

আবার কোন একটা বিশেষ দিনকে জাস্ট আর দশটা দিনের মতো আমরাই বানিয়ে ফেলি।
মাঝে মাঝে ভাবি জীবন কি?

অনেক কিছু সাথে তুলনা করা যায়।
জীবন মূলত একটা জার্নি।
কখনো আরামদায়ক ট্রেন জার্নি মনে হয়।
কখনো ব্রেক বিহীন সাইকেল জার্নি মনে হয়।

যখন ভালো থাকি তখন ট্রেন জানি মনে হয়।
আর যখন ভালো থাকি না তখন সাইকেলের উপরে চড়ে আছি মনে হয়।

মনে হয় এই সাইকেলের ব্রেক আমার হাতে নেই।
সাইকেলের উপরে আমার চড়েই থাকতে হবে। সাইকেলের উপর চড়ে থাকতে হলে আমাকে প্যাডেল দিতে হবে।
মোটকথা টিকে থাকতে হলে থামা যাবেনা।

আর যখন ভালো থাকি কখন মনে হয়
জীবন একটা ঝিকি ঝিকি ট্রেন জার্নি।

সে ট্রেন জার্নিতে কত সহযাত্রীর সাথে দেখা হয়।
কারো কারো সাথে কিছুদূর একসাথে যাওয়া হয়।
জানা পরিচয় হয়। ঘনিষ্ঠতা হয়।
তারপর যে যার স্টেশনে নেমে পড়ে।
একা একা। আরেকজনকে একা রেখে।

অন্য কোন গন্তব্যে।
আবার কখনো কখনো অন্য কোন যাত্রী
সবচেয়ে লম্বা সময়ের সহযাত্রী হয়।
দুজনের গন্তব্য একই স্টেশনে হয়।

তাই সে সহযাত্রীর সাথে সময়টাকে
যতটা সম্ভব উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা করে দুজনেই।
আর তারই একটা চেষ্টা হচ্ছে কোন কোন দিনকে
বিশেষভাবে উদযাপন করার চেষ্টা।
আই টোটালি আন্ডারস্ট্যান্ড, বছরের পর বছর ঘুম থেকে উঠে সেইম মানুষের চেহারা দেখা একটু কঠিন।
কখনো কখনো বোরিং।

আমার ধারনা ঐশ্বরিয়া রাই কিংবা অড্রে হেপবার্ন বা টম ক্রুজ, ব্রাড পিটের পাশে যে ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন,
তাদের কাছে এই বিশেষ সুন্দর মানুষগুলোও তাদের
চেহারার বিশেষত্ব হারায়।

আসলে লম্বা একটা বিবাহিত জীবনে, চেহারার সৌন্দর্য বলে তেমন কিছু থাকে বলে আমি মনে করি না।
নরওয়েতে দুবার গেছি।
দম বন্ধ করা কিছু জায়গা আছে, যে জায়গাগুলো দেখে মনে হয়, এই জায়গা পৃথিবীর ভেতরে না।
এটা অন্য কোন গ্রহে নিশ্চয়ই।

মনে হয় যে এরকম একটা জায়গায় পারতাম তাহলে আমার জীবনটা জানি কেমন হতো।.

তারপর দেখলাম এই জায়গায় মানুষ থাকে।
এই দম বন্ধ করা সুন্দর দৃশ্য দেখেও কেউ ঘুম থেকে উঠে
টয়লেটে যায়। এখানেও মানুষের মন খারাপ হয়।
এখানেও মানুষ ঝগড়া করে।

কারণ এই বিশেষ সুন্দর জায়গাটাকে প্রতিদিন দেখে দেখে
তার চোখ মন এবং অনুভূতি অভ্যস্ত হয়ে গেছে।
তাই আমার কাছে সুইডেন, আপনার কাছে বাংলাদেশ,
আর নরওয়েইজিয়ান ব্লু ফিয়র্ডের পাশে যে ঘুম থেকে উঠে
তার কাছে প্রতিটি সকাল একই রকম।
আমার এবং আপনার মতই।
কারণ হচ্ছে অভ্যস্ততা।

যে অভস্ত্যতা বিবাহিত জীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু এবং কখনো কখনো আঠা।
শত্রু কারণ অভ্যসের কারণে পাশের মানুষটাকে আমরা গ্রান্টেড ধরে নেই। তাকে তো পেয়েই গেছি। তাকে আর উইন করার কিছু নেই।

তাই তার প্রতি মনোযোগ, এফোর্ট পাতা কি সারপ্রাইজ করার কোন ইচ্ছেই আমাদের আর থাকে না।
আর আঠাই কারণেই, কারণ এরকম অনেক দম্পতি আছে, যারা একে অপরকে ভালো না বেসে, শ্রদ্ধা না করে, কোন সম্পর্ক ছাড়াই শুধুমাত্র অভ্যস্ততার কারণে এক ছাদের নিচে থেকে যাচ্ছে বছরের পর বছর।

এর চেয়ে বড় শাস্তি আর কিছু হতে পারে না।
যাদেরকে এ জীবন কাটাতে হচ্ছে তাদেরকে জিজ্ঞেস করে দেখবেন।

আর এরকম জীবন যদি কাটাতে না চান, তবে মাঝে মাঝে নিজেদের সম্পর্কগুলোতে একটু ঝাল মশলা দেবেন।
একটু চাট মসলা, একটু বিট নুন, কখনো তেতুলের চাটনি
যাতে এই লম্বা জার্নি টা বোরিং না লাগে।
ফাঁকিবাজি কম করবেন।

গিফট দিতে হবে বলে, একটু এফোর্ট দিতে হবে বলে,
একটু খরচা হবে বলে, একটু সময় দিতে হবে বলে
"বুড়ো হয়েছো এখন আবার এসব কিসের ঢং"
বলে এড়িয়ে যাবেন না।

মনে রাখবেন আপনার পার্টনার ভালো না থাকলে আপনিও ভালো থাকতে পারবেন না।
বিবাহিত জীবন মানে মেস বাড়ি না। যে আপনার ইচ্ছে হলো আপনি শুধু নিজের মশারিটা টাঙিয়ে নিজের বিছানাটা গুছিয়ে শুয়ে পড়লেন,
বাকি অন্য রুমমেটদের কি হলো তাতে আপনার কিছু আসে যায় না।

বিবাহিত জীবনে আপনার পার্টনারের ভালো বা মন্দে আপনার অনেক কিছু আসে যায়।
সে আপনি যেমন মানুষই হোক না কেন ভালো বা মন্দ।
আপনার পার্টনার ভালো না থাকলে আপনি ভালো থাকবেন না।
তাই বিবাহিত জীবনে ছোট ছোট উপলক্ষ গুলোকে
বিশেষ বানিয়ে নিন যাতে জীবনে একটু টক ঝাল মিষ্টি থাকে।
ভালো থাকুন অন্যকেও ভালো রাখুন।

(পোস্ট শেয়ার করতে পারেন কিন্তু কপি করবেন না!)

সম্পর্ক হোলো চুলের মতো। কিছু রাখতে হয়,কিছু কাটতে হয়,কিছু ছাঁটতে হয়। যেগুলো একদম আপনজন, তাদের রাখতে হয়।যারা টক্সিক, স্বার...
04/09/2026

সম্পর্ক হোলো চুলের মতো।
কিছু রাখতে হয়,কিছু কাটতে হয়,কিছু ছাঁটতে হয়।
যেগুলো একদম আপনজন, তাদের রাখতে হয়।
যারা টক্সিক, স্বার্থপর, ক্ষতিকর, তাদের ছাঁটতে হয়।

কলম: Manira Sultana Papri

কিছু সম্পর্ক সুন্দর কাট দিতে হয়,যাতে দেখতে সুন্দর লাগে।
কিছু সম্পর্ক কলপ করতে হয় যাতে সম্পর্কের সাদা চুল দেখা না যায়।
কিছু সম্পর্ককে চুলের মতো রঙিন করতে হয় যাতে সম্পর্কের মতো বোরিং না হয়ে যায়।
আর যেকোন সম্পর্ক যত্ন করে জীবনে রাখতে চাইলে, চুলের মতো তেল দিতে হয়, হেয়ার প্যাক দিতে হয়, শ্যাম্পু করে ক্লিন রাখতে হয়।
#চুল #সম্পর্ক
(পোস্ট শেয়ার করতে পারেন কিন্তু কপি করবেন না!)

03/09/2026

Living abroad? You know this feeling.

কখনো কখনো আমাদের ওভার থিংকিংই আমাদের অপনেন্ট। অন্য কেউ নয়।কলম: Manira Sultana Papri   ছোট কিছু নিয়ে,বা কারোর কোন আচরণকে ...
03/09/2026

কখনো কখনো আমাদের ওভার থিংকিংই আমাদের অপনেন্ট। অন্য কেউ নয়।

কলম: Manira Sultana Papri

ছোট কিছু নিয়ে,বা কারোর কোন আচরণকে দৈর্ঘ্যে,প্রস্থে,উচ্চতায়,মাল্টিডাইমেনশনে নিয়ে বারবার বারবার জুম ইন,জুম আউট করে দেখে দেখে একটা প্লেইন স্কিনের উপর নখ দিয়ে আঁচড়ে আঁচড়ে সেখানে ফোঁড়া বানিয়ে ফেলার মতো বিষয়টাকেও বিষ ফোঁড়া বানিয়ে ফেলার যে ব্যপারটা।

সেই মানুষটা হয়তো তার সেই আচরণের কথা জানেই না বা ভাবেইনি অত গভীরে।
কিন্তু আমরা নিজের মনের ভেতরে, নিজের কল্পনায়, রাশিয়াকে দিয়ে ই*উক্রেনের উপর আক্র*মন করিয়ে দেই। অথচ ইউক্রেনের খবরই নেই, এত কিছু কেন হচ্ছে। ইউক্রেন ক্লুলেস।

এরকমটা আমাদের সবার সাথেই কম বেশি হয়। কারোর কোন ছোট্ট অভিব্যক্তি আমাদের সাদা কাপড়ের মনে কষা মাংসের ঝোলের মতো হলদে দাগ রেখে যায়। দাগ হয়তো হালকা হলুদ ছিলো।

নিজের মনের ভেতরে এটার উপর ৫৭০ এক নং পচা সাবান ঘষে, লেবু ঘষে, হাতের কাছে পাওয়া সব টোটকা দিয়ে রগড়ে ঘষে ঘষে সেই দাগটাকে আমরা হলুদ থেকে বি*শ্রী কমলা রঙে পরিনত করি। দাগ যায় তো না, আরো বড় হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।

ওভার থিংকিং সেই হলুদের দাগ। Let it go, let it be.
সময়ের সাথে কিছু দাগ ও বিবর্ণ হয়ে যায়। অন্যকে বা অন্যের ছোট খাটো ভুল ক্ষমা করতে পারা বা না দেখার ভাণ করতে পারা একটা আর্ট।
ভালো থাকার আর্ট,
শান্তিপূর্ণ থাকার আর্ট, সম্পর্ক ধরে রাখার আর্ট।
যতক্ষণ না কেউ আপনার আত্মসম্মানে বা শেকড় ধরে টান দেয়, তার আগ পর্যন্ত ক্ষমা করে দেয়াটা একটা আর্ট।

কিন্তু ওই থিন লাইনটা ক্রস করলেও কাউকে ক্ষমা করে দেয়া হচ্ছে ব্যক্তিত্বহীনতা।

(পোস্ট শেয়ার করতে পারেন কিন্তু কপি করবেন না।)

02/09/2026

If you are an immigrant, you know what I am saying..!

02/09/2026

এই গানটার বাংলা ভার্শন কি বলুন তো?

Adress

Linköping
58216

Webbplats

Aviseringar

Var den första att veta och låt oss skicka ett mail när Love,Papri postar nyheter och kampanjer. Din e-postadress kommer inte att användas för något annat ändamål, och du kan när som helst avbryta prenumerationen.

Genvägar

Dela